অন্যায় থেকে ফেরার দৃঢ় সিদ্ধান্ত-অঙ্গীকার ও তাওবা এবং হতাশা থেকে মুক্তির কিছু আমল
প্রশ্নঃ ১৫৬০৬৬. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, অনুরোধ করবো একটু বিস্তারিত ভাবে বিষয়টি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য। ঘটনা এমন, আমি আল্লাহ্ তা'আলার কাছে একটি গুনাহ আর কখনোই না করার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হই/ ওয়াদা করি। মনে মনে নিয়ত ছিল কসম বা শপথের মতোই, যদিও আমি তা মুখে বলেছিলাম কিনা মনে পরছে না। খুবই লজ্জাজনক ভাবে অনেকদিন পর সেই কাজ টি আমি করে ফেলি, এবং ১০ জন ব্যক্তি কে ১ বেলা খাবার খাওয়াই। সেই কাজের জন্য আমি আবারো অঙ্গীকারবদ্ধ হই, এবং তা পুনরায় ভেঙ্গে যায়। আমি মানসিক ভাবে এক প্রকার অনুভুতি হীন হয়ে গিয়েছি যে, আমি কি মাফ পাবো? মাফ পাওয়ার কাফফারা কি? এই পরিস্থিতিতে কি আমার উপর কাফফারার বিধান হয়েছে? (হিসাবের জন্য: আমার কাছে ৮ হাজার টাকা আছে, এবং পারিবারিক ব্যবসায় সময় দেই, যার আয় পরিবারের খরচেই যায়, আমার কিছু লাগলে নেই।)
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
আপনার প্রশ্নের উত্তরের জন্য আলোচ্য বিষয়সমূহ : মাসয়ালা, অন্যায় থেকে ফেরার দৃঢ় সিদ্ধান্ত-অঙ্গীকার ও তাওবা এবং দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির কিছু আমল
মাসয়ালা :
আপনি যদি আসলেই কসম করে থাকেন এবং তা ভঙ্গ করে থাকেন, তাহলে আপনাকে ১০ জন গরিব-মিসকীনকে দুই বেলা পেট ভরে খাওয়াতে হবে। অথবা তাদেরকে একজোড়া করে কাপড় দিতে হবে। এক বেলা খাওয়ালে কাফফারা আদায় হবে না। এভাবে যতবার কসম করে ভঙ্গ করবেন ততবারই এমন কাফফারা দিতে হবে। আর যদি কসম না করে শুধু অঙ্গীকার বা ওয়াদা করে থাকেন, তাহলে কোন কাফফারা দিতে হবে না।
দৃঢ় সিদ্ধান্ত ও অঙ্গীকার :
সর্বাবস্থায় ঈমান ও নেক আমলের সাথে জীবন যাপন করার এবং যে কোন অন্যায় থেকে বিরত থাকার দৃঢ় সিদ্ধান্ত ও অঙ্গীকার করতে পারলে আপনার সমস্যার সহজ সমাধান হবে ইনশাআল্লাহ।
এর জন্য মৌলিক তিনটি কাজ করা অতীব জরুরি-
১. পরামর্শ। (আমাদের এই লেখা পরামর্শের পর্যায়ে ইনশাআল্লাহ।)
২. দৃঢ় সিদ্ধান্ত। যা নিজ দায়িত্ব।
৩. আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা করা।
এর প্রমাণ হিসেবে আমরা পেশ করতে পারি কুরআনুল কারীমের আয়াত। আল্লাহ তায়ালা বলেন-
وَشَاوِرۡهُمۡ فِي ٱلۡأَمۡرِۖ فَإِذَا عَزَمۡتَ فَتَوَكَّلۡ عَلَى ٱللَّهِۚ إِنَّ ٱللَّهَ يُحِبُّ ٱلۡمُتَوَكِّلِينَ.
...আর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের সাথে পরামর্শ করো। অতঃপর তুমি যখন (কোন বিষয়ে) মনস্থির করবে, তখন আল্লাহর উপর নির্ভর করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাওয়াক্কুল-ভরসাকারীদেরকে ভালোবাসেন। -সূরা আলে ইমরান (৩), আয়াত নং ১৫৯
তাই পরামর্শ করতে হবে, মনস্থির করে দৃঢ় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে এবং আল্লাহর উপরই শতভাগ নির্ভর-ভরসা করতে হবে। এক্ষেত্রে আমাদের পরামর্শের পাশাপাশি আপনাদের মসজিদের ইমাম সাহেবের সাথে বা অন্য কোন হক্কানী আলেমের সাথে নিয়মিত দ্বীনি পরামর্শ গ্রহণ করে চলার চেষ্টা করবেন- ইনশাআল্লাহ ফায়দা হবে।
অন্যায় বা গুনাহের জন্য তাওবা-ইস্তেগফার :
যে কোন বান্দার সবচেয়ে বেশি আপন তার রব আল্লাহ। তিনি ছাড়া আর কেউই প্রকৃত আপন নয়। বান্দা তাঁর কাছে যে কোন কথা বলতে পারে, যে কোন বৈধ কিছু চাইতে পারে। তাই যে কোন অন্যায় ও গুনাহের কথাও বান্দা তার রব আল্লাহর নিকট বলবে এবং হৃদয় দিয়ে তাওবা করবে। তিনি চাইলে তাঁর বান্দার সর্ব প্রকার গুনাহ ও অন্যায় ক্ষমা করে দিতে পারেন। তার রহমতের কোন সীমারেখা নেই। তিনি বলেছেন-
قُلۡ یٰعِبَادِیَ الَّذِیۡنَ اَسۡرَفُوۡا عَلٰۤی اَنۡفُسِہِمۡ لَا تَقۡنَطُوۡا مِنۡ رَّحۡمَۃِ اللّٰہِ ؕ اِنَّ اللّٰہَ یَغۡفِرُ الذُّنُوۡبَ جَمِیۡعًا ؕ اِنَّہٗ ہُوَ الۡغَفُوۡرُ الرَّحِیۡمُ
বলে দাও, হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজ সত্তার উপর সীমালংঘন করেছে, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সমস্ত পাপ ক্ষমা করেন। নিশ্চয়ই তিনি অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। -সূরা যুমার, আয়াত নং ৫৩
অপর এক আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন-
وَلَا تَایۡـَٔسُوۡا مِنۡ رَّوۡحِ اللّٰہِ ؕ اِنَّہٗ لَا یَایۡـَٔسُ مِنۡ رَّوۡحِ اللّٰہِ اِلَّا الۡقَوۡمُ الۡکٰفِرُوۡنَ
তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না, জেনে রেখ আল্লাহর রহমত থেকে কেবল তারাই নিরাশ হয়, যারা কাফের। -সূরা ইউসুফ, আয়াত নং ৮৭
সুতরাং আপনি যদি বাস্তবেই আল্লাহর নিকট খাঁটি দিলে তাওবা করে থাকেন তাহলে আল্লাহ তায়ালা মাফ করে দিবেন ইনশাআল্লাহ। তবে কোন বান্দার হক নষ্ট করে থাকলে আল্লাহর নিকট তাওবা করার পাশাপাশি ঐ ব্যক্তির হক তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে। আর যদি এমন বিষয় হয় যা ফিরিয়ে দেওয়ার মতো নয়, তাহলে তার নিকটও ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে।
প্রকৃত অর্থে তাওবাকারীর প্রশংসা ও ফযীলতের কথা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেছেন। কুরআনুল কারীমে ইরশাদ হয়েছে-
﴿إِلَّا مَنْ تَابَ وَآمَنَ وَعَمِلَ عَمَلًا صَالِحًا فَأُولَئِكَ يُبَدِّلُ اللَّهُ سَيِّئَاتِهِمْ حَسَنَاتٍ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَحِيمًا (70) وَمَنْ تَابَ وَعَمِلَ صَالِحًا فَإِنَّهُ يَتُوبُ إِلَى اللَّهِ مَتَابًا (71) ﴾
(গুনাহগারের শাস্তির বিবরণ দেওয়ার পর বলেন) তবে কেউ তাওবা করলে, ঈমান আনলে এবং সৎকর্ম করলে, আল্লাহ এরূপ লোকদের পাপরাশিকে পুণ্য দ্বারা পরিবর্তন করে দেবেন। আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
এবং যে ব্যক্তি তাওবা করে ও সৎকর্ম করে, সে মূলত আল্লাহর দিকে যথাযথভাবে ফিরে আসে। -সূরা ফুরকান, আয়াত নং ৭০-৭১
অন্য আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন-
﴿إِلَّا مَنْ تَابَ وَآمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا فَأُولَئِكَ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ وَلَا يُظْلَمُونَ شَيْئًا﴾
অবশ্য যারা তাওবা করেছে, ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের প্রতি বিন্দুমাত্র জুলুম করা হবে না। -সূরা মারইয়াম, আয়াত নং ৬০
প্রকৃত তাওবা সাফল্যের চাবি
আল্লাহ বলেন-
﴿وَتُوبُوا إِلَى اللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَ الْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ﴾
পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর কাছে তওবা (প্রত্যাবর্তন) কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। -(সূরা নূর, আয়াত : ৩১)
কেননা খাঁটি তাওবাকারী ব্যক্তি কেমন যেন গুনাহমুক্ত ব্যক্তির মতো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
التَّائِبُ مِنْ الذَّنْبِ كَمَنْ لَا ذَنْبَ لَهُ.
গুনাহ থেকে তাওবাকারী ব্যক্তি গুনাহমুক্ত ব্যক্তির মতো। -সূনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং ৪২২৫
আরেক হাদীসে হযরত আনাস রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
كُلُّ ابْنِ آدَمَ خَطَّاءٌ وَخَيْرُ الْخَطَّائِينَ التَّوَّابُونَ.
প্রত্যেক মানুষই গুনাহগার। তবে গুনাহগারদের মধ্যে উত্তম হলো তাওবাকারীগণ। -সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং ২৪৯৯
হতাশা, দুশ্চিন্তা বা পেরেশানী থেকে মুক্তির কিছু আমল :
এর জন্য আপনি নিম্নোক্ত আমলগুলো করতে পারেন-
১. যে বান্দা কোন দুশ্চিন্তা বা পেরেশানীতে আক্রান্ত হয়ে বলে-
1- اللّٰهُمَّ إِنِّيْ عَبْدُكَ ابْنُ عَبْدِكَ ابْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِيْ بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ، سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ، أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِيْ كِتَابِكَ، أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ، أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِيْ عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ، أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْآنَ رَبِيْعَ قَلْبِيْ، وَنُورَ صَدْرِيْ، وَجَلاءَ حُزْنِيْ، وَذَهَابَ هَمِّيْ.
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ইন্নী ‘আবদুকা ইবনু ‘আবদিকা ইবনু আমাতিকা, না-সিয়াতী বিয়াদিকা, মা-দ্বিন ফিয়্যা হুকমুকা, ‘আদলুন ফিয়্যা কাদ্বা-য়ুকা, আসআলুকা বিকুল্লি ইসমিন্ হুয়া লাকা সাম্মাইতা বিহি নাফসাকা, আও আনযালতাহু ফী কিতা-বিকা আও ‘আল্লামতাহু আহাদাম্-মিন খালক্বিকা আও ইস্তা’সারতা বিহী ফী ‘ইলমিল গাইবি ‘ইনদাকা, আন্ তাজ‘আলাল কুরআ-না রবী‘আ ক্বালবী, ওয়া নূরা সাদ্রী, ওয়া জালা’আ হুযনী ওয়া যাহা-বা হাম্মী)।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার বান্দা। আপনার বান্দার সন্তান এবং আপনার বান্দির সন্তান। আমার লাগাম-নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে। আমার উপর আপনার হুকুম কার্যকর। আমার ক্ষেত্রে আপনার ফয়সালা ইনসাফপূর্ণ। আপনার যত নাম আছে- যা দ্বারা আপনি নিজের নাম রেখেছেন, অথবা নিজ কিতাবে নাযিল করেছেন, বা আপনার সৃষ্টির কাউকে শিক্ষা দিয়েছেন, অথবা নিজ অদৃশ্য জ্ঞানের শক্তিতে নিজের জন্যই একান্ত করে রেখেছেন- তার প্রতিটি নামের ওসীলায় আপনার নিকট কামনা করছি, আপনি কুরআনকে বানিয়ে দিন আমার হৃদয়ের প্রশান্তি, আমার বুকের আলো, আমার দুঃখের অবসানকারী এবং আমার পেরেশানি দূরকারী।
আল্লাহ তায়ালা তার দুঃখ দুশ্চিন্তা দূর করে দেন। এবং প্রতিদান হিসেবে এক্ষেত্রে প্রশান্তি দান করেন। -মুসনাদে আহমাদ : ১/৩৯১, হাদীস নং ৩৭১২
2 - اللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ.
২. উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিনাল-হাম্মি ওয়াল-হাযানি, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনাল-‘আজযি ওয়াল-কাসালি, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনাল-বুখলি ওয়াল-জুবনি, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন দ্বালা‘য়িদ্দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজা-ল।
২. অর্থ : হে আল্লাহ! আমি দুশ্চিন্তা ও পেরেশানী থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণভার ও লোকজনের প্রাধান্য থেকে আপনার নিকট পানাহ চাচ্ছি।- সহীহ বুখারী : ৭/১৫৮, হাদীস নং ২৮৯৩; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দোয়া বেশি বেশি পাঠ করতেন।
3 - لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهَ الْعَظِيْمُ الْحَلِيْمُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهَ رَبُّ السَّمٰوَاتِ، وَرَبُّ الْأَرْضِ، وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ.
৩. উচ্চারণ : লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহুল আযীমুল হালীম, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু রব্বুল ‘আরশিল কারীম, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু রব্বুস-সামাওয়াতি ওয়া-রব্বুল আরদি, ওয়া রব্বুল ‘আরশির কারীম।
৩. অর্থ : আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। যিনি মহান ও ধৈর্যশীল। আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। তিনিই মহান আরশের প্রভু। তিনিই আসমানসমূহ ও জমিনের প্রতিপালক, তিনিই সম্মানিত আরশের প্রতিপালক। -সহীহ বুখারী : ৭/১৫৪, হাদীস নং ৬৩৪৬; সহীহ মুসলিম : ৪/২০৯২, হাদীস নং ২৭৩০
4 - اللهُمَّ رَحْمَتَكَ أَرْجُوْ، فَلَا تَكِلْنِيْ إِلٰى نَفْسِيْ طَرْفَةَ عَيْنٍ، وَأَصْلِحْ لِيْ شَأْنِّيْ كُلَّهُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ.
৪. উচ্চারণ : আল্ল-হুম্মা রহমতাকা আরজূ ফালা- তাকিলনী ইলা- নাফসী ত্বরফাতা ‘আয়নিন, ওয়া আসলিহ্-লী শা’নী কুল্লা-হূ, লা- ইলা-হা ইল্লা- আন্তা।
৪. অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার রহমত প্রার্থী। কাজেই আমাকে এক পলকের জন্যও আমার নিজের নিকট সোপর্দ করবেন না এবং আমার সবকিছু সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করে দিন। আর আপনিই একমাত্র ইলাহ। - সুনানে আবু দাউদ : ৪/৩২৪, হাদীস নং ৫০৯২; মুসনাদে আহমাদ : ৫/৪২, হাদীস নং ২০৪৩০
(দুশ্চিন্তা বা পেরেশানী থেকে মুক্তির দোয়াগুলো উত্তরদাতার অনুদিত ‘হিসনুল মুসলিম’ থেকে দেওয়া হয়েছে)
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
মুফতি, ফতোয়া বিভাগ, জামিয়া দারুল উলুম আল ইসলামিয়া, পল্লবী, ঢাকা
খতিব, দারুল খুলদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, মুন্সিবাগ, নারায়ণগঞ্জ
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন