সাহরির সময়ের ঔষধের রেশ সকাল পর্যন্ত থাকলে রোজার হুকুম!
প্রশ্নঃ ১৪৩৯৮১. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, জনাব, আমি একজন অসুস্থ মানুষ তাই আমাকে ঔষধ গ্রহণ করতে হয়। সাহরি খাওয়ার পর যখন ঔষধ খাই,এর মধ্যে একটা ঔষধের আসর এতো বেশি যে অনেক সময় সকাল পর্যন্ত ঔষধের আসর পাই।তাহলে এই অবস্থায় কি আমার রোজার মধ্যে কোন সমস্যা হবে নাকি? আশা করি উত্তর দিয়ে কৃতজ্ঞতার সুযোগ দিবেন।
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
সেহরির সময় যদি ওষুধ খাওয়া হয়, তবে সময় শেষ হওয়ার আগে মেসওয়াক ইত্যাদি দিয়ে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করে নেওয়া উচিত। যদি মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করা না হয় এবং সেহরির সময় শেষ হওয়ার পর গলা বা মুখে ওষুধের স্বাদ বাকি থাকে, তবে তাতে রোজা মাকরূহ হয়ে যায়। আর যদি ওষুধের কোনো কণা বা অংশ সেহরির পর গলার নিচে নেমে যায়, তবে ঐ ব্যক্তির ঐদিনের রোজা হবে না; এর জন্য কেবল কাজা করা ওয়াজিব হবে, কাফফারা ওয়াজিব হবে না। আর যদি সেহরির সময় শেষ হওয়ার আগে গলা পর্যন্ত পানি পৌঁছে ভালোভাবে কুলি করে নেওয়া হয় এবং এরপরও মুখে ওষুধের স্বাদ অনুভূত হয়, তবে এতে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না।
الدر المختار وحاشية ابن عابدين (رد المحتار) (2 / 396):
(قوله: كطعم أدوية) أي لو دق دواء فوجد طعمه في حلقه زيلعي وغيره. وفي القهستاني طعم الأدوية وريح العطر إذا وجد في حلقه لم يفطر كما في المحيط۔
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
মুফতি ও মুহাদ্দিস, জামিয়া বাবুস সালাম, বিমানবন্দর ঢাকা
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন
এ সম্পর্কিত আরও জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর
সাম্প্রতিক প্রশ্নোত্তর
হজ্বের আগে সায়ী করা (মিনায় যাওয়ার পূর্বে ফরয তাওয়াফের সায়ী করে রাখা)
হারাম বস্তু বা কুফুরী কালামের মাধ্যমে চিকিৎসা গ্রহণ করার হুকুম
ঋণের বিনিময়ে চুক্তিভিত্তিক অতিরিক্ত মুনাফা ভোগ করা সুস্পষ্ট সুদ
জানের উপর আশংকা হলে এমন পরিস্থিতিতে দাড়ি কেটে ফেলতে পারব কিনা
এম এম কিট (গর্ভস্থ বাচ্চা মেরে ফেলার ঔষধ) বিক্রয়ের হুকুম