আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৩৪৭৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমার শ্বশুর বাড়ি রাজবাড়ী।সেখানে আমাদের কোন বাড়ী ছিলনা।চাকরির কারনে তারা ঢাকাতেই থাকতেন প্রথম থেকে ।এখন আমার শশুড় রিটায়ার্ড করার পর নিজে এবং ছেলেরা মিলে বাড়ি করে তিনি সেখানেই থাকেন।এখন আমার স্বামী অর্থাৎ আমরা ঢাকাতেই পারমানেন্টলি থাকি।এখন আমরা মাঝে মাঝে বেড়ানোর জন্য ও বাবা মাকে দেখার জন্য সেখানে যাই।প্রশ্ন হল আমার স্বামী কি সেখানে পনেরো দিনের কম সময়ের জন্য গেলে কছর পরবে?আমি এবং আমার সন্তান রা কি কসর পরব না পুরো নামাজ পরবো?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ, মুফতী ও মুহাদ্দিস, জামিআ মুহাম্মাদিয়া আরাবিয়া, মোহাম্মদপুর
৫ নভেম্বর, ২০২০
ঢাকা
২৯৮৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার জন্মস্থান ফরিদপুর। তবে ছোটবেলা থেকেই ঢাকায় পড়াশুনা করেছি। অতঃপর ঢাকায় এক মসজিদে ইমামতি করছি এবং বিয়ে-শাদি করে বাসা ভাড়া নিয়ে ঢাকাতেই থাকি। বছরে দু’একবার দু’ একদিনের জন্য বাড়িতে যাই। সেখানে আমার আব্বা ও ভাইয়েরা থাকেন। জানার বিষয় হল, আমি তো ঢাকাকে ওয়াতনে ইকামত বানিয়েছি। এখন আমি যখন বাড়িতে যাব সেখানে আমি মুসাফির হব কি না? উল্লেখ্য, আমার পিতা যেখানে থাকেন সেটা নিজের বাড়ি নয়; বরং প্রায় চল্লিশ বছর যাবত মাদরাসার কোয়াটারে আছেন আমার জন্মস্থান এটিই এবং দু বছর পূর্বে আমার আম্মার ইনে-কালের পর তাঁকে ঐ এলাকাতেই দাফন করা হয়েছে। এখান থেকে পূর্বের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছাও নেই।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৪৯১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি বেনাপোলে থাকি। একদিন একটা প্রয়োজনে যশোর শহরে যাওয়ার দরকার হয়। শহরে পৌঁছার পর আব্বু ফোন করে বললেন, তোমার আপুর বাসা খুলনা থেকে ঘুরে আসো। তাই আমি যশোর থেকে খুলনায় যাই এবং সেখানে এক দিন অবস্থান করি।

মুফতী সাহেবের কাছে আমার জানার বিষয় হল, এক্ষেত্রে আমি খুলনায় গিয়ে কি কসর না পূর্ণ নামায পড়ব? জানিয়ে বাধিত করবেন।

উল্লেখ্য যে, বেনাপোল থেকে যশোরের দূরত্ব সফর পরিমাণের চেয়ে অনেক কম। অনুরূপভাবে যশোর থেকে খুলনার দূরত্বও সফর পরিমাণ তথা ৭৮ কি. মি. নয়। কিন্তু বেনাপোল থেকে খুলনার দূরত্ব সফর পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থাৎ প্রায় ৮০/৮১ কি. মি. বা তার চেয়ে বেশি।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৯৪৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

একজন মাওলানা সাহেবের কাছ থেকে পড়ার জন্য দুটি বই এনেছিলাম। বইদুটি খুবই চমৎকার। আমার এক বন্ধু বইদুটি পড়ার জন্য আমার কাছ থেকে নিতে চায়। আমি বললাম, মালিকের অনুমতি নিয়ে নেই। কিন্তু মাওলানা সাহেব দূরের সফরে থাকায় এবং তার সাথে যোগাযোগের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় আমি তার অনুমতি নিতে পারিনি। আর তিনি আমাকে বইদুটি দেয়ার সময় অন্য কাউকে দিতে নিষেধও করেননি। তাই আমি তার অনুমতি ছাড়াই বইদুটি বন্ধুকে পড়তে দিয়েছি।

জানতে চাচ্ছি, মালিকের অনুমতি ছাড়া বন্ধুকে বইদুটি পড়তে দেয়া আমার জন্য জায়েয হয়েছে কি? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০