আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১০৩৪৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমার দশ ভরি স্বর্ণের গহনা আছে কিন্তু এগুলো শাশুড়ির হাতে আমি গহনা পরিনা।আমার কুরবানী ওয়াজিব হয়েছে ঠিক কিন্তু আমি একজন গৃহীনি কোন টাকা উপার্জন করি না।তাই আমার স্বামীকে বলেছি আমার কুরবানী দিয়ে দিতে কিন্তু সে রাজি হয় না তারপর বলেছি আমার গহনা গুলো দেন আমি বিক্রী করে কুরবানী দিব তাও রাজি হয় না আমার সাথে রাগারাগি করে।আমি অনেক চেষ্টা করেছি কিন্তু কুরবানী দিতে পরিনি স্বামীর জন্য এতে কি আমার পাপ হবে। আমার স্বামী জমির ব্যবসা করে ।জমি কিনলে সেই জমির যাকাত কিভাবে দিবে? কারণ জমি বিক্রি না করার পর্যন্ত তো জানা যায় না সেই জমি কত টাকা হবে।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
২২ নভেম্বর, ২০২১
রুপগঞ্জ
১০২৬৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
নাম- সালমান মন্ডল।
পশ্চিমবঙ্গ,ভারত।
বিষয়: যাকাত।
শাইখ,
আমাদের ইঁট এর ভাটা (ইঁট তৈরির কারখানা) আছে।আমরা ইঁট বিক্রি করি।আমাদের ভাটায় কাঁচামাল ( সিমেন্ট, বালি,পাথরের কুচি,ছাই) এবং ইঁট আনুমানিক ১০ লাখ টাকার থাকে সবসময়।
ওপর পক্ষে ভাটার ব্যাবসার জন্য ১০ লাখ টাকা ঋণ আছে।
শাইখ আমার প্রশ্ন তাহলে কি আমাদের যাকাত ফরয হয়েছে??

বি:দ্রঃ আমাদের সিমেন্টের ইঁট তৈরি হয়।৬ রকম উপাদান লাগে সিমেন্ট, বালি,পাথর কুচি,সাদা ছাই,কালো ছাই ইত্যাদি।(বাংলাদেশে এর প্রচলন আছে কিনা আমার জানা নেই তাই বোঝার সুবিধার্থে উল্লেখ করলাম)
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী মোহাম্মদ আমীর হোসাইন, মুফতি ও মুহাদ্দীস,
১৭ নভেম্বর, ২০২১
West Bengal 713125
৯৪২৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আমার মেয়ের বয়স ১ বছর চলছে।তার কিছু টাকা আছে।
১.এই টাকা গুলো কি শুধু তার কাজেই ব্যয় করতে হবে নাকি আমরাও ব্যবহার করতে পারবো?
২.আমি শুনেছিলাম ইসলামে যার যার মালিকানা ভিন্ন ভিন্ন।এই টাকাগুলো কার মালিকানায় এবং সে বালেগা হওয়ার আগ পর্যন্ত নেসাব পরিমাণ টাকা হলে কি তার উপর যাকাত ফরয ও কোরবানি ওয়াজিব হবে?
৩.তার কিছু রুপার গহনা আছে এগুলো কার মালিকানায়?
৪.আমার এই পরিমাণ টাকা নেই যে আমার উপর যাকাত ফরয হবে অথবা কুরবানি ওয়াজিব হবে।কিন্তু মেয়ের টাকা আর আমার টাকা একত্র করলে হয়তো যাকাত ফরয এবং কোরবানি ওয়াজিব হবে।তাই এক্ষেত্রে কী হুকুম?আমার উপর কি যাকাত ফরয ও কোরবানি ওয়াজিব হবে?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
৯ অক্টোবর, ২০২১
ত্রিশাল
৬১২৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ।
আমার প্রশ্ন হল যে আমাদের এলাকায় একজন ইমাম সাব আছে উনি যে টাইমে খুতবা দেয় আমি লক্ষ্য করি উনি খুতবা দেওয়ার পূর্বে সকল মুসল্লিকে উদ্দেশ্য করে প্রথমে সালাম দেয় তার পরে খুতবা শুরু করে। এখন এর সমাধান কি ?

আমি একজন বিবাহিত লোক আমি রমজান মাসে আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে ওই অবস্থায় শেষ রাতের খানা খেয়ে ঘুমিয়ে গেছে এখন সকাল বেলা উঠে গোসল করেছি , এই সময়গুলো বিলম্ব করা এবং বের করে গোসল করা বা ঐ অবস্থায় খানাপারা। এতে কি রোজার কোন সমস্যা হবে ? নাকি একবারে রোজায় হবে না ?


ফেত্রা এবং যাকাতের মধ্যে কোন ধরনের পার্থক্য আছে কি ? যদি থাকে তাহলে বিস্তারিতভাবে একটু বুঝিয়ে দিলে ভালো হতো।


শেষ প্রশ্ন হল যে। আমি একজন মুসলমান এজন্য আমি ফেতরা দিতে চাই এখন আমি দেখতেছি যে ফিতরার পরিমাণ 60 টাকা বা 70 টাকা । এখন আমার মেন প্রশ্ন হল যে আমাদের বাড়িতে সদস্য আমরা চারজন এখন দেখা যাইতেছে যে প্রায় 300 টাকার কাছাকাছি আসছে এখন আমি চাইতেছি যে একটা মানুষকে ধরে নেন 500 টাকা পাঁচশ টাকার একটা দামী ভালো জিনিস দিলাম যা সে আমার কাছে আবদার করেছে । এখন ওই ওই পণ্যটা দাওয়াত দ্বারা আমার কি ফেতরা আদায় হয়ে যাবে কি ? পাশাপাশি একটা কথা বলে রাখি ওই পণ্যটা ভালো জিনিস যেমন ধরেন নামাজের জন্য একটা জায়নামাজ একটা পাঞ্জাবী বা একটা শাড়ি লুঙ্গি ইত্যাদি ইত্যাদি।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
১৭ মে, ২০২১
হাকিমপুর