কিতাবুস সুনান (আলমুজতাবা) - ইমাম নাসায়ী রহঃ

المجتبى من السنن للنسائي

৭. আযান - ইকামতের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৬২ টি

হাদীস নং: ৬৪৬
আন্তর্জাতিক নং: ৬৪৬
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ উচ্চস্বরে আযান দেয়া।
৬৪৭। মুহাম্মাদ ইবনে মুসান্না (রাহঃ) ......... বারা ইবনে আযিব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী করীম (ﷺ) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রথম কাতারে নামায আদায়কারীদের প্রতি অনুগ্রহ করেন এবং তাঁর ফিরিশতাগণও তাদের জন্য অনুগ্রহ প্রার্থনা করেন এবং মুয়াযযিনকে তার আওয়াজের দূরত্ব পরিমাণ ক্ষমা করে দেয়া হয় এবং যে সব শুষ্ক ও আদ্র জিনিস তার শব্দ শোনে, তারা তাকে সত্যবাদী বলে ঘোষণা দেয় এবং তাকে তার সাথে নামায আদায়কারীদের সমপরিমাণ পূরস্কার দেওয়া হয়।
كتاب الأذان
رفع الصوت بالأذان
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْكُوفِيِّ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنَّ اللَّهَ وَمَلاَئِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى الصَّفِّ الْمُقَدَّمِ وَالْمُؤَذِّنُ يُغْفَرُ لَهُ بِمَدِّ صَوْتِهِ وَيُصَدِّقُهُ مَنْ سَمِعَهُ مِنْ رَطْبٍ وَيَابِسٍ وَلَهُ مِثْلُ أَجْرِ مَنْ صَلَّى مَعَهُ " .
হাদীস নং: ৬৪৭
আন্তর্জাতিক নং: ৬৪৭
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ফজরের আযানে ’আসসালা- তু খাইরুম মিনান্নাওম’ অতিরিক্ত বলা।
৬৪৮। সুওয়ায়দ ইবনে নসর (রাহঃ) ......... আবু মাহয়ূবা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মুয়াযযিন ছিলাম। আাম ফজরের প্রথম আযানে-[১] حَىَّ عَلَى الْفَلاَحِ এর পরে বলতামঃ

الصَّلاَةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ الصَّلاَةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ

[১] প্রথম আযান দ্বারা আযান উদ্দেশ্য, ইকামতকে দ্বিতীয় আযান বলে।
كتاب الأذان
التثويب في أذان الفجر
أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِي سَلْمَانَ، عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ، قَالَ كُنْتُ أُؤَذِّنُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَكُنْتُ أَقُولُ فِي أَذَانِ الْفَجْرِ الأَوَّلِ حَىَّ عَلَى الْفَلاَحِ الصَّلاَةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ الصَّلاَةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ .
হাদীস নং: ৬৪৮
আন্তর্জাতিক নং: ৬৪৮
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ফজরের আযানে ’আসসালা- তু খাইরুম মিনান্নাওম’ অতিরিক্ত বলা।
৬৪৯। আমর ইবনে আলী (রাহঃ) ......... ইয়াহয়া ও আব্দুর রহমান (রাযিঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, সুফিয়ান এর অনুরূপ হাদীসে বর্ণনা করেছেন। আবু আব্দুর রহমান (রাহঃ) বলেনঃ এ সনদে উল্লিখিত আবু জাফর আবু জাফর ফাররা নন।
كتاب الأذان
التثويب في أذان الفجر
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ . قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَلَيْسَ بِأَبِي جَعْفَرٍ الْفَرَّاءِ
হাদীস নং: ৬৪৯
আন্তর্জাতিক নং: ৬৪৯
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আযানের শেষ বাক্য
৬৫০। মুহাম্মাদ ইবনে মা’দান ইবনে ঈসা (রাহঃ) ......... বিলাল (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আযানের শেষ বাক্যগুলো এরূপ বলতেনঃ

اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ
كتاب الأذان
آخر الأذان
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَعْدَانَ بْنِ عِيسَى، قَالَ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَعْيَنَ، قَالَ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، قَالَ حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ بِلاَلٍ، قَالَ آخِرُ الأَذَانِ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ .
হাদীস নং: ৬৫০
আন্তর্জাতিক নং: ৬৫০
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আযানের শেষ বাক্য
৬৫১। সুওসায়দ (রাহঃ) ......... আসওয়াদ (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ বিলাল (রাযিঃ)-এর আযানের শেষ বাক্যগুলো ছিলঃ

اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ
كتاب الأذان
آخر الأذان
أَخْبَرَنَا سُوَيْدٌ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ كَانَ آخِرُ أَذَانِ بِلاَلٍ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ .
হাদীস নং: ৬৫১
আন্তর্জাতিক নং: ৬৫১
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আযানের শেষ বাক্য
৬৫২। সুওয়ায়দ (রাহঃ) ......... আসওয়াদ (রাহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। [অর্থাৎ বিলাল (রাযিঃ) এর আযানের শেষ বাক্য ছিল لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ]
كتاب الأذان
آخر الأذان
أَخْبَرَنَا سُوَيْدٌ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، مِثْلَ ذَلِكَ .
হাদীস নং: ৬৫২
আন্তর্জাতিক নং: ৬৫২
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আযানের শেষ
৬৫৩। সুওয়ায়দ (রাহঃ) ......... আবু মাহযূরা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আযানের শেষ বাক্য ছিল, لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ
كتاب الأذان
آخر الأذان
أَخْبَرَنَا سُوَيْدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ يُونُسَ بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَارِبِ بْنِ دِثَارٍ، قَالَ حَدَّثَنِي الأَسْوَدُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ، أَنَّ آخِرَ الأَذَانِ، لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ .
tahqiq

তাহকীক:

rabi
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৬৫৩
আন্তর্জাতিক নং: ৬৫৩
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ বৃষ্টির রাতে জামাআতে হাজির না হয়ে অন্যত্র নামায আদায় করলে আযান দেয়া।
৬৫৪। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আমর ইবনে আওস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার নিকট সাকীফ গোত্রের এক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন যে, তিনি সফর অবস্থায় বর্ষার এক রাতে নবী (ﷺ)-এর ঘোষককে বলতে শুনেছেনঃ

حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ حَىَّ عَلَى الْفَلاَحِ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ

″সকলেই আপন আপন স্থানে নামায আদায় করে নিন″।
كتاب الأذان
الأذان في التخلف عن شهود الجماعة في الليلة المطيرة
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَوْسٍ، يَقُولُ أَنْبَأَنَا رَجُلٌ، مِنْ ثَقِيفٍ أَنَّهُ سَمِعَ مُنَادِيَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَعْنِي فِي لَيْلَةٍ مَطِيرَةٍ فِي السَّفَرِ يَقُولُ حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ حَىَّ عَلَى الْفَلاَحِ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ .
হাদীস নং: ৬৫৪
আন্তর্জাতিক নং: ৬৫৪
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ বৃষ্টির রাতে জামাআতে হাজির না হয়ে অন্যত্র নামায আদায় করলে আযান দেয়া।
৬৫৫। কুতায়বা (রাহঃ) ......... নাফে (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) এক রাতে নামাযের জন্য আযান দেন। সে রাত্রে খুব ঠাণ্ডা পড়েছিল ও প্রচণ্ড বাতাস বইছিল। তিনি আযানে বলেনঃ أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ সকলেই আপন আপন স্থানে নামায আদায় করে নিন। কেননা ঠাণ্ডা ও বৃষ্টির রাতে নবী (ﷺ) মুয়াযযিনকে এই কথা ঘোযণা করতে নির্দেশ দিতেন যে, সকলেই আপন আপন স্থানে নামায আদায় করে নিন।
كتاب الأذان
الأذان في التخلف عن شهود الجماعة في الليلة المطيرة
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، أَذَّنَ بِالصَّلاَةِ فِي لَيْلَةٍ ذَاتِ بَرْدٍ وَرِيحٍ فَقَالَ أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَأْمُرُ الْمُؤَذِّنَ إِذَا كَانَتْ لَيْلَةٌ بَارِدَةٌ ذَاتُ مَطَرٍ يَقُولُ أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ .
হাদীস নং: ৬৫৫
আন্তর্জাতিক নং: ৬৫৫
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি দুই নামায একাত্রে আদায় করবে, তার আযান প্রথম নামাযের সময়।
৬৫৬। ইবরাহীম ইবনে হারুন (রাহঃ) ......... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) চলতে থাকলেন এবং আরাফায় পৌছলেন। সেখানে পৌছে দেখলেন-যে, নামীরা নামক স্থানে তার জন্য তাঁবু স্থাপন করা হয়েছে। তিনি সেখানে অবতরণ করলেন। যখন সূর্য ঢলে পড়ল, কাসওয়া নামক উটের পিঠে হাওদা স্থাপন করার নির্দেশ দিলেন। এরপর তিনি বাতন-ই ওয়াদিতে পৌছার পর লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তারপর বিলাল (রাযিঃ) আযান দিলেন এবং ইকামত বললেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যোহরের নামায আদায় করলেন। পূনরায় বিলাল (রাযিঃ) ইকামত বললে তিনি আসরের নামায আদায় করলেন। আর এ দুই নামাযের মধ্যবর্তী সময়ে কোন নামায আদায় করলেন না।
كتاب الأذان
الأذان لمن يجمع بين الصلاتين في وقت الأولى منهما
أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ هَارُونَ، قَالَ حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ أَنْبَأَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ سَارَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى أَتَى عَرَفَةَ فَوَجَدَ الْقُبَّةَ قَدْ ضُرِبَتْ لَهُ بِنَمِرَةَ فَنَزَلَ بِهَا حَتَّى إِذَا زَاغَتِ الشَّمْسُ أَمَرَ بِالْقَصْوَاءِ فَرُحِّلَتْ لَهُ حَتَّى إِذَا انْتَهَى إِلَى بَطْنِ الْوَادِي خَطَبَ النَّاسَ ثُمَّ أَذَّنَ بِلاَلٌ ثُمَّ أَقَامَ فَصَلَّى الظُّهْرَ ثُمَّ أَقَامَ فَصَلَّى الْعَصْرَ وَلَمْ يُصَلِّ بَيْنَهُمَا شَيْئًا .
হাদীস নং: ৬৫৬
আন্তর্জাতিক নং: ৬৫৬
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি দুই ওয়াক্ত নামায একত্রে প্রথম নামাযের সময় অতিবাহিত হওয়ার পর পড়বে, তার আযান।
৬৫৭। ইবরাহীম ইবনে হারুন (রাহঃ) ......... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) চলতে চলতে মুযদালিফায় পৌছলেন। সেখানে এক আযান ও দুই ইকামতের সাথে মাগরিব ও ঈশার নামায আদায় করলেন। এ দু-য়ের মধ্যবর্তী সময়ে কোন নামায আদায় করেননি।
كتاب الأذان
الأذان لمن جمع بين الصلاتين بعد ذهاب وقت الأولى منهما
أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ هَارُونَ، قَالَ حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ دَفَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى انْتَهَى إِلَى الْمُزْدَلِفَةِ فَصَلَّى بِهَا الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ بِأَذَانٍ وَإِقَامَتَيْنِ وَلَمْ يُصَلِّ بَيْنَهُمَا شَيْئًا .
হাদীস নং: ৬৫৭
আন্তর্জাতিক নং: ৬৫৭
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি দুই ওয়াক্ত নামায একত্রে প্রথম নামাযের সময় অতিবাহিত হওয়ার পর পড়বে, তার আযান।
৬৫৮। আলী ইবনে হুজর (রাহঃ) ......... সাঈদ ইবনে জুবাইর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ)-এর সঙ্গে মুযদালিফায় ছিলাম। যখন আযান ও ইকামত দেয়া হয়, তখন তিনি আমাদের নিয়ে মাগরিবের নামায আদায় করেন। তারপর তিনি বলেনঃ (আবার) নামায আদায় কর এবং তিনি আমাদের নিযে ঈশার দুই রাক’আত নামায আদায় করেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম এ কোন নামায? তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে এ স্থানে এরূপেই নামায আদায় করেছি।
كتاب الأذان
الأذان لمن جمع بين الصلاتين بعد ذهاب وقت الأولى منهما
أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا شَرِيكٌ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كُنَّا مَعَهُ بِجَمْعٍ فَأَذَّنَ ثُمَّ أَقَامَ فَصَلَّى بِنَا الْمَغْرِبَ ثُمَّ قَالَ الصَّلاَةَ . فَصَلَّى بِنَا الْعِشَاءَ رَكْعَتَيْنِ فَقُلْتُ مَا هَذِهِ الصَّلاَةُ قَالَ هَكَذَا صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي هَذَا الْمَكَانِ .
হাদীস নং: ৬৫৮
আন্তর্জাতিক নং: ৬৫৮
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি দু’ ওয়াক্তের নামায এক সাথে আদায় করবে তার ইকামত।
৬৫৯। মুহাম্মাদ ইবনে মুসান্না (রাহঃ) ......... সাঈদ ইবনে জুবাইর থেকে বর্ণিত। তিনি এক ইকামতের সাথে মাগরিব ও ঈশার নামায আদায় করেন এবং আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে তিনিও এরূপ করেছেন এবং আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) বর্ণনা করেন যে, নবী (ﷺ)-ও এরূপ করেছেন।
كتاب الأذان
الإقامة لمن جمع بين الصلاتين
خْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، وَسَلَمَةِ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، أَنَّهُ صَلَّى الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ بِجَمْعٍ بِإِقَامَةٍ وَاحِدَةٍ ثُمَّ حَدَّثَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ صَنَعَ مِثْلَ ذَلِكَ وَحَدَّثَ ابْنُ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَنَعَ مِثْلَ ذَلِكَ .
হাদীস নং: ৬৫৯
আন্তর্জাতিক নং: ৬৫৯
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি দু’ ওয়াক্তের নামায এক সাথে আদায় করবে তার ইকামত।
৬৬০। আমর ইবনে আলী (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি মুযদালিফায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে এক ইকামতে দুই নামায আদায় করেছেন।
كتاب الأذان
الإقامة لمن جمع بين الصلاتين
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - وَهُوَ ابْنُ أَبِي خَالِدٍ - قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ صَلَّى مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِجَمْعٍ بِإِقَامَةٍ وَاحِدَةٍ .
হাদীস নং: ৬৬০
আন্তর্জাতিক নং: ৬৬০
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি দু’ ওয়াক্তের নামায এক সাথে আদায় করবে তার ইকামত।
৬৬১। ইসহাক ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী (ﷺ) দু’নামায একত্রে আদায় করেছেন এবং দু’নামাযই তিনি এক ইকামতসহ আদায় করেন এবং দু’ নামাযের কোন নামাযেরই পূর্বে বা পরে কোন নফল নামায আদায় করেননি।
كتاب الأذان
الإقامة لمن جمع بين الصلاتين
أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ وَكِيعٍ، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَمَعَ بَيْنَهُمَا بِالْمُزْدَلِفَةِ صَلَّى كُلَّ وَاحِدَةٍ مِنْهُمَا بِإِقَامَةٍ وَلَمْ يَتَطَوَّعْ قَبْلَ وَاحِدَةٍ مِنْهُمَا وَلاَ بَعْدُ .
হাদীস নং: ৬৬১
আন্তর্জাতিক নং: ৬৬১
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ক্বাযা নামাযের আযান।
৬৬২। আমর ইবনে আলী (রাহঃ) ......... আবু সাঈদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ খন্দকের যুদ্ধের দিন মুশরিকরা আমাদেরকে যোহরের নামায থেকে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত বিরত রেখেছিল। এটা যুদ্ধের সময় সালাতুল খওফ সম্পর্কিত আয়াত অবর্তীর্ণ হওয়ার পূর্বের ঘটনা। তারপর আল্লাহ তাআলা এই আয়াত অবর্তীর্ন করেনঃوَكَفَى اللَّهُ الْمُؤْمِنِينَ الْقِتَالَ অর্থাৎ “যুদ্ধে মুমিনদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।” (৩৩ : ২৫)

তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিলাল (রাযিঃ)-কে ইকামত দেওয়ার আদেশ করেন। তিনি যোহরের নামাযের ইকামত দেন। নবী (ﷺ) নামাযের আসল ওয়াক্তে; আদায় করার ন্যায় যোহরের কাযা নামায আদায় করেন। পরে আসরের জন্য ইকামত বলা হয়। নবী (ﷺ) তখন নামাযের আসল ওয়াক্তে আদায় করার ন্যায় আসরের কাযা নামায আদায় করেন। তারপর মাগরিবের আযান দেয়া হয় এবং তা নির্ধারিত সময়ে আদায় করার ন্যায় আদায়-করেন।
كتاب الأذان
الأذان للفائت من الصلوات
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ شَغَلَنَا الْمُشْرِكُونَ يَوْمَ الْخَنْدَقِ عَنْ صَلاَةِ الظُّهْرِ، حَتَّى غَرَبَتِ الشَّمْسُ وَذَلِكَ قَبْلَ أَنْ يَنْزِلَ فِي الْقِتَالِ مَا نَزَلَ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ (وَكَفَى اللَّهُ الْمُؤْمِنِينَ الْقِتَالَ) فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِلاَلاً فَأَقَامَ لِصَلاَةِ الظُّهْرِ فَصَلاَّهَا كَمَا كَانَ يُصَلِّيهَا لِوَقْتِهَا ثُمَّ أَقَامَ لِلْعَصْرِ فَصَلاَّهَا كَمَا كَانَ يُصَلِّيهَا فِي وَقْتِهَا ثُمَّ أَذَّنَ لِلْمَغْرِبِ فَصَلاَّهَا كَمَا كَانَ يُصَلِّيهَا فِي وَقْتِهَا .
হাদীস নং: ৬৬২
আন্তর্জাতিক নং: ৬৬২
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নির্ধারিত সময়ের ও ক্বাযা নামাযের জন্য এক আযান যথেষ্ট তবে প্রত্যেক নামাযের জন্য পৃথক ইকামত বলা।
৬৬৩। হান্নাদ (রাহঃ) ......... আবু উবাইদা (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) বলেছেন যে, খন্দকের যুদ্ধের দিন মুশরিকরা নবী (ﷺ)-কে চার ওয়াক্ত নামায হতে বিরত রেখেছিল। পরে তিনি বিলাল (রাযিঃ)-কে আযান দেওয়ার নির্দেশ দেন, বিলাল (রাযিঃ) আযান দেন, পরে ইকামত দেন। নবী (ﷺ) যোহরের নামায আদায় করেন। পূনরায় ইকামত দেন এবং আসরের নামায আদায় করেন। পূনরায় ইকামত বলা হয় ও মাগরিবের নামায আদায় করেন। আবার ইকামত বলা হয় এবং তিনি ঈশার নামায আদায় করেন।
كتاب الأذان
الاجتزاء لذلك كله بأذان واحد , والإقامة لكل واحدة منهما
أَخْبَرَنَا هَنَّادٌ، عَنْ هُشَيْمٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ، قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ إِنَّ الْمُشْرِكِينَ شَغَلُوا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَنْ أَرْبَعِ صَلَوَاتٍ يَوْمَ الْخَنْدَقِ فَأَمَرَ بِلاَلاً فَأَذَّنَ ثُمَّ أَقَامَ فَصَلَّى الظُّهْرَ ثُمَّ أَقَامَ فَصَلَّى الْعَصْرَ ثُمَّ أَقَامَ فَصَلَّى الْمَغْرِبَ ثُمَّ أَقَامَ فَصَلَّى الْعِشَاءَ .
হাদীস নং: ৬৬৩
আন্তর্জাতিক নং: ৬৬৩
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ প্রত্যেক নামাযের জন্য ইকামত যথেষ্ট হওয়া
৬৬৪। কাসিম ইবনে যাকারিয়া (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা একটি যুদ্ধে লিপ্ত ছিলাম, মুশরিকরা আমাদেরকে যোহর, আসর, মাগরিব ও ইশার নামায আদায় করতে সুযোগ দেয়নি। যখন তারা চলে গেল, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মুয়াযযিনকে আযান দেয়ার নির্দেশ দিলেন। তারপর যোহরের নামাযের জন্য ইকামত বলা হলে আমরা নামায আদায় করলাম। আবার আসরের নামাযের জন্য ইকামত বলা হলে আমরা নামায আদায় করলাম। পরে মাগরিবের জন্য ইকামত বলা হলে আমরা নামায আদায় করলাম। পূনরায় ইশার নামাযের ইকামত বলা হয় এবং আমরা নামায আদায় করলাম। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের প্রতি লক্ষ্য করে বললেনঃ এখন যমীনের উপর তোমরা ব্যতীত এমন আর কোন দল নেই যারা আল্লাহ তাআলার যিক্‌র করছে।
كتاب الأذان
الاكتفاء بالإقامة لكل صلاة
أَخْبَرَنَا الْقَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ دِينَارٍ، قَالَ حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ زَائِدَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ، أَنَّ أَبَا الزُّبَيْرِ الْمَكِّيَّ، حَدَّثَهُمْ عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ، أَنَّ أَبَا عُبَيْدَةَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، حَدَّثَهُمْ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ قَالَ كُنَّا فِي غَزْوَةٍ فَحَبَسَنَا الْمُشْرِكُونَ عَنْ صَلاَةِ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ وَالْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ فَلَمَّا انْصَرَفَ الْمُشْرِكُونَ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُنَادِيًا فَأَقَامَ لِصَلاَةِ الظُّهْرِ فَصَلَّيْنَا وَأَقَامَ لِصَلاَةِ الْعَصْرِ فَصَلَّيْنَا وَأَقَامَ لِصَلاَةِ الْمَغْرِبِ فَصَلَّيْنَا وَأَقَامَ لِصَلاَةِ الْعِشَاءِ فَصَلَّيْنَا ثُمَّ طَافَ عَلَيْنَا فَقَالَ " مَا عَلَى الأَرْضِ عِصَابَةٌ يَذْكُرُونَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ غَيْرُكُمْ "
হাদীস নং: ৬৬৪
আন্তর্জাতিক নং: ৬৬৪
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নামাযের কোন রাকআত ভুলে গেলে ইকামত বলা
৬৬৫। কুতায়বা (রাহঃ) ......... মুআবিয়া ইবনে খুদায়জ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নামায আদায় করেন এবং সালাম ফিরান। কিন্তু এক রাক’আত নামায তাঁর বাকী রয়ে গিয়েছিল (অর্থাৎ এক রাক’আত বাকী থাকতেই ভুলে সালাম ফিরান)। এক ব্যক্তি তা স্মরণ করিয়ে দিলেন এবং বললেন, আপনি এক রাক’আত নামায ভুলে গিয়েছেন। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মসজিদে প্রবেশ করেন এবং বিলাল (রাযিঃ)-কে ইকামত দিতে বলেন। বিলাল (রাযিঃ) ইকামত বললেন। তিনি লোকদের নিয়ে এক রাক’আত নামায আদায় করেন। আমি যখন এ ঘটনা লোকদের নিকট বর্ণনা করলাম তখন তারা আমাকে বলল আপনি কি লোকটিকে চেনেন? আমি বললাম, না তাকে আমি চিনি না। তবে তাঁকে দেখলে চিনতে পারব। সে ব্যক্তি আমার সামনে আসল, আমি বললাম, ইনিই সেই লোক। লোকেরা বলল, ইনি হলেন তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ (রাযিঃ)।
كتاب الأذان
الإقامة لمن نسي ركعة من صلاة
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، أَنَّ سُوَيْدَ بْنَ قَيْسٍ، حَدَّثَهُ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ حُدَيْجٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى يَوْمًا فَسَلَّمَ وَقَدْ بَقِيَتْ مِنَ الصَّلاَةِ رَكْعَةٌ فَأَدْرَكَهُ رَجُلٌ فَقَالَ نَسِيتَ مِنَ الصَّلاَةِ رَكْعَةً فَدَخَلَ الْمَسْجِدَ وَأَمَرَ بِلاَلاً فَأَقَامَ الصَّلاَةَ فَصَلَّى لِلنَّاسِ رَكْعَةً فَأَخْبَرْتُ بِذَلِكَ النَّاسَ فَقَالُوا لِي أَتَعْرِفُ الرَّجُلَ قُلْتُ لاَ إِلاَّ أَنْ أَرَاهُ فَمَرَّ بِي فَقُلْتُ هَذَا هُوَ . قَالُوا هَذَا طَلْحَةُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ .
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬৬৫
আন্তর্জাতিক নং: ৬৬৫
আযান - ইকামতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ রাখালের আযান দেয়া
৬৬৬। ইসহাক ইবনে মানসুর (রাহঃ) ......... আব্দুল্লাহ ইবনে রুবাইয়্যি’আ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে একবার সফরে ছিলেন এবং এক ব্যক্তির আযানের শব্দ শুনতে পেলেন। তিনি উত্তরে মুয়াযযিনের অনুরূপ বাক্য বললেন। তারপর বলেন যে, এ ব্যক্তি কোন রাখাল বা পরিবার থেকে বিছিন্ন কোন ব্যক্তি হবে। তারপর তাঁরা লক্ষ্য করে দেখলেন যে, সে একজন রাখাল।
كتاب الأذان
أذان الراعي
أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رُبَيِّعَةَ، أَنَّهُ كَانَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ فَسَمِعَ صَوْتَ رَجُلٍ يُؤَذِّنُ فَقَالَ مِثْلَ قَوْلِهِ ثُمَّ قَالَ إِنَّ هَذَا لَرَاعِي غَنَمٍ أَوْ عَازِبٌ عَنْ أَهْلِهِ . فَنَظَرُوا فَإِذَا هُوَ رَاعِي غَنَمٍ .