কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
كتاب السنن للإمام أبي داود
২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১১৬৫ টি
হাদীস নং: ১৩৫১
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৫১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২১. রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায সম্পর্কে।
১৩৫১. মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবম রাকআতে তিনি বিতর সমাপ্ত করতেন। অতঃপর তিনি তাঁর পরিণত বয়সে সপ্তম রাকআতের সময় বিতর শেষ করতেন এবং এর পর বসে দুই রাকআত নামায আদায় করতেন। তিনি এই দুই রাকআতে রুকুর ইরাদায় দণ্ডায়মান হতেন এবং রুকু ও সিজদা আদায় করতেন।
كتاب الصلاة
باب فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَقَّاصٍ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها : أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُوتِرُ بِتِسْعِ رَكَعَاتٍ، ثُمَّ أَوْتَرَ بِسَبْعِ رَكَعَاتٍ، وَرَكَعَ رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ بَعْدَ الْوِتْرِ يَقْرَأُ فِيهِمَا، فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ قَامَ فَرَكَعَ ثُمَّ سَجَدَ، قَالَ أَبُو دَاوُدَ : رَوَى هَذَيْنِ الْحَدِيثَيْنِ خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْوَاسِطِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو مِثْلَهُ، قَالَ فِيهِ قَالَ عَلْقَمَةُ بْنُ وَقَّاصٍ : يَا أُمَّتَاهُ كَيْفَ كَانَ يُصَلِّي الرَّكْعَتَيْنِ فَذَكَرَ مَعْنَاهُ .
হাদীস নং: ১৩৫২
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৫২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২১. রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায সম্পর্কে।
১৩৫২. ওয়াহাব ইবনে বাকিয়্যা (রাহঃ) .... সা’দ ইবনে হিশাম (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মদীনায় গমনের পর আয়িশা (রাযিঃ) এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করি আমাকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নামায সম্পর্কে কিছু বলুন। তখন তিনি বলেনঃ তিনি ইশার নামায জামাআতে আদায়ের পর বিছানায় গিয়ে ঘুমাতেন। অতঃপর মধ্যরাত্রিতে তিনি গাত্রোত্থান করে পেশাব-পায়খানা করার উদ্দেশ্যে গমন করতেন। অতঃপর পানি দ্বারা উযু করে মসজিদে গমন করতেন এবং সেখানে আট রাকআত নামায আদায় করতেন। সম্ভবতঃ তিনি এই নামাযের কিরাআত, রুকূ ও সিজদা আদায়ের মধ্যে সমতা রক্ষা করতেন। অতঃপর তিনি বিতরের উদ্দেশ্যে আরো এক রাকআত আদায় করতেন এবং পরে বসাবস্থায় দুই রাকআত নামায আদায় করে কাত হয়ে শুয়ে থাকতেন। অতঃপর কখনো কখনো বিলাল (রাযিঃ) এসে তাঁকে নামাযের জন্য আহবান করতেন। আয়িশা (রাযিঃ) বলেনঃ প্রথমাবস্থায় আমি তাঁর এরূপ নিদ্রার জন্য শিকায়েত (অভিযোগ) করতাম, যেহেতু নামাযের জন্য পুনরায় তাঁকে ডাকতে হত। তিনি শেষ বয়স পর্যন্ত এরূপে নামায আদায় করেন।
রাবী ইবনে ঈসা বলেনঃ বিতরের নামায আদায়ের পর সুবহে সাদিক হলে বিলাল (রাযিঃ) তাঁর নিকট উপস্থিত হয়ে নামাযের সংবাদ দিতেন। তখন তিনি ফজরের দুই রাকআত সুন্নত আদায় করে মসজিদে গমন করতেন।
অতঃপর দুই রাবী (উছমান ও ঈসা) একমত হয়ে বলেনঃ অতঃপর তিনি বলতেনঃ ইয়া আল্লাহ! আমার কলবে নূর দান করুন, আমার জিহ্বায় নূর দান করুন, আমার কানে নূর দান করুন, আমার উপরে ও নীচে নূর দান করুন, আমার অস্থিতে নূর দান প্রদান করুন।
রাবী ইবনে ঈসা বলেনঃ বিতরের নামায আদায়ের পর সুবহে সাদিক হলে বিলাল (রাযিঃ) তাঁর নিকট উপস্থিত হয়ে নামাযের সংবাদ দিতেন। তখন তিনি ফজরের দুই রাকআত সুন্নত আদায় করে মসজিদে গমন করতেন।
অতঃপর দুই রাবী (উছমান ও ঈসা) একমত হয়ে বলেনঃ অতঃপর তিনি বলতেনঃ ইয়া আল্লাহ! আমার কলবে নূর দান করুন, আমার জিহ্বায় নূর দান করুন, আমার কানে নূর দান করুন, আমার উপরে ও নীচে নূর দান করুন, আমার অস্থিতে নূর দান প্রদান করুন।
كتاب الصلاة
باب فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ عَنْ خَالِدٍ حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، قَالَ : قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ فَدَخَلْتُ عَلَى عَائِشَةَ فَقُلْتُ : أَخْبِرِينِي عَنْ صَلاَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . قَالَتْ : إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي بِالنَّاسِ صَلاَةَ الْعِشَاءِ، ثُمَّ يَأْوِي إِلَى فِرَاشِهِ فَيَنَامُ، فَإِذَا كَانَ جَوْفُ اللَّيْلِ قَامَ إِلَى حَاجَتِهِ وَإِلَى طَهُورِهِ فَتَوَضَّأَ، ثُمَّ دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَصَلَّى ثَمَانِ رَكَعَاتٍ يُخَيَّلُ إِلَىَّ أَنَّهُ يُسَوِّي بَيْنَهُنَّ فِي الْقِرَاءَةِ وَالرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ، ثُمَّ يُوتِرُ بِرَكْعَةٍ، ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ، ثُمَّ يَضَعُ جَنْبَهُ، فَرُبَّمَا جَاءَ بِلاَلٌ فَآذَنَهُ بِالصَّلاَةِ، ثُمَّ يُغْفِي، وَرُبَّمَا شَكَكْتُ أَغَفَى أَوْ لاَ، حَتَّى يُؤْذِنَهُ بِالصَّلاَةِ، فَكَانَتْ تِلْكَ صَلاَتَهُ حَتَّى أَسَنَّ وَلَحُمَ، فَذَكَرَتْ مِنْ لَحْمِهِ مَا شَاءَ اللَّهُ، وَسَاقَ الْحَدِيثَ .
হাদীস নং: ১৩৫৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৫৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২১. রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায সম্পর্কে।
১৩৫৩. মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা (রাহঃ) .... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে রাত যাপন করেন। অতঃপর তিনি তাঁকে দেখতে পান যে, তিনি রাতে ঘুম থেকে উঠে মিসওয়াক শেষে উযু করে কুরআনের (সূরা আলে ইমরানের) এই আয়াত পাঠ করেছেনঃ নিশ্চয় আসমান ও যমীনের সৃষ্টির মধ্যে ......... সূরার শেষ আয়াত পর্যন্ত। অতঃপর তিনি দণ্ডায়মান হয়ে সুদীর্ঘ কিরা’আত ও রুকূ-সিজদার মাধ্যমে দুই রাক'আত নাময আদায় করে ঘুমিয়ে পড়েন। অতঃপর তিনি এরূপে তিনবার ছয় রাকআত নামায আদায় করেন এবং প্রতি দুই রাকআত নামায আদায়ের পূর্বে তিনি মিসওয়াক করতঃ উযু করার পর এই আয়াতসমূহ পাঠ করেন। অতঃপর তিনি বিতরের নামায আদায় করেন।
রাবী উছমান (রাহঃ) বলেনঃ তিনি বিতরের নামায তিন রাকআত আদায় করতেন। অতঃপর যখন তাঁর নিকট মুয়াযযিন আসতেন তিনি ফজরের নামায আদায়ের জন্য মসজিদে গমন করেন এবং এ দু'আ পাঠ করেনঃ ″হে আল্লাহ! আমার অন্তরে নূর দাও, আমার জবানে নূর দাও, আমার কানে নূর দাও, আমার চোখে নূর দাও, নূর দান করো আমার পিছন ও সম্মুখভাগে এবং আমার উপরে ও নীচে। হে আল্লাহ! আমাকে পর্যাপ্ত নূর দান কর।″
রাবী উছমান (রাহঃ) বলেনঃ তিনি বিতরের নামায তিন রাকআত আদায় করতেন। অতঃপর যখন তাঁর নিকট মুয়াযযিন আসতেন তিনি ফজরের নামায আদায়ের জন্য মসজিদে গমন করেন এবং এ দু'আ পাঠ করেনঃ ″হে আল্লাহ! আমার অন্তরে নূর দাও, আমার জবানে নূর দাও, আমার কানে নূর দাও, আমার চোখে নূর দাও, নূর দান করো আমার পিছন ও সম্মুখভাগে এবং আমার উপরে ও নীচে। হে আল্লাহ! আমাকে পর্যাপ্ত নূর দান কর।″
كتاب الصلاة
باب فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا حُصَيْنٌ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، ح وَحَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، : أَنَّهُ رَقَدَ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَرَآهُ اسْتَيْقَظَ فَتَسَوَّكَ وَتَوَضَّأَ وَهُوَ يَقُولُ : ( إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ ) حَتَّى خَتَمَ السُّورَةَ، ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ أَطَالَ فِيهِمَا الْقِيَامَ وَالرُّكُوعَ وَالسُّجُودَ، ثُمَّ إِنَّهُ انْصَرَفَ فَنَامَ حَتَّى نَفَخَ، ثُمَّ فَعَلَ ذَلِكَ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ بِسِتِّ رَكَعَاتٍ، كُلُّ ذَلِكَ يَسْتَاكُ ثُمَّ يَتَوَضَّأُ وَيَقْرَأُ هَؤُلاَءِ الآيَاتِ، ثُمَّ أَوْتَرَ - قَالَ عُثْمَانُ : بِثَلاَثِ رَكَعَاتٍ، فَأَتَاهُ الْمُؤَذِّنُ فَخَرَجَ إِلَى الصَّلاَةِ - وَقَالَ ابْنُ عِيسَى : ثُمَّ أَوْتَرَ فَأَتَاهُ بِلاَلٌ فَآذَنَهُ بِالصَّلاَةِ حِينَ طَلَعَ الْفَجْرُ، فَصَلَّى رَكْعَتَىِ الْفَجْرِ ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الصَّلاَةِ - ثُمَّ اتَّفَقَا - وَهُوَ يَقُولُ : " اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِي قَلْبِي نُورًا، وَاجْعَلْ فِي لِسَانِي نُورًا، وَاجْعَلْ فِي سَمْعِي نُورًا، وَاجْعَلْ فِي بَصَرِي نُورًا، وَاجْعَلْ خَلْفِي نُورًا، وَأَمَامِي نُورًا، وَاجْعَلْ مِنْ فَوْقِي نُورًا، وَمِنْ تَحْتِي نُورًا، اللَّهُمَّ وَأَعْظِمْ لِي نُورًا " .
হাদীস নং: ১৩৫৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৫৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২১. রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায সম্পর্কে।
১৩৫৪। ওয়াহব ইবনে বাকিয়্যা (রাহঃ) .... হুসায়েন হতেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেনঃ (ইয়া আল্লাহ) আমার অস্থিতে নূর দান করুন।
كتاب الصلاة
باب فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ حُصَيْنٍ، نَحْوَهُ قَالَ : " وَأَعْظِمْ لِي نُورًا " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ : وَكَذَلِكَ قَالَ أَبُو خَالِدٍ الدَّالاَنِيُّ عَنْ حَبِيبٍ فِي هَذَا، وَكَذَلِكَ قَالَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ وَقَالَ سَلَمَةُ بْنُ كُهَيْلٍ عَنْ أَبِي رِشْدِينَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১৩৫৫
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৫৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২১. রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায সম্পর্কে।
১৩৫৫. মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার (রাহঃ) ...... ফাদাল ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নামায পাঠের পদ্ধতি আবলোকনের উদ্দেশ্যে রাতে তাঁর সাথে অবস্থান করি। তিনি রাতে উঠে উযু করার পর দুই রাকআত নামায আদায় করেন এবং তাঁর দাঁড়ানোর সময়টুকু তাঁর রুকূর অনুরূপ ছিল এবং তাঁর রুকূর পরিমাণ ছিল সিজদার অনুরূপ। অতঃপর তিনি ঘুমিয়ে পড়েন এবং পরে ঘুম থেকে উঠে মিসওয়াক ও উযু করতঃ সূরা আলে-ইমরানের এই পাঁচটি আয়াত তিলাওয়াতের করেনঃ নিশ্চয়ই আসমান ও যমীনের সৃষ্টির মধ্যে এবং দিন-রাতের পরিক্রমার মধ্যে ...। তিনি অনুরূপভাবে দশ রাকআত নামায আদায় করেন এবং শেষ দুই রাকআতের সাথে এক রাকআত মিলিয়ে বিতর আদায় করেন। এসময় মুয়াযযিন আযান দেওয়া শেষ করলে তিনি দণ্ডায়মান হয়ে ফজরের দুই রাকআত সুন্নত হালকাভাবে আদায় করেন। অতঃপর কিছুক্ষণ বসার পর জামাআতের সাথে ফজরের নামায আদায় করেন।
كتاب الصلاة
باب فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ شَرِيكِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي نَمِرٍ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ الْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ : بِتُّ لَيْلَةً عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لأَنْظُرَ كَيْفَ يُصَلِّي فَقَامَ فَتَوَضَّأَ ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ قِيَامُهُ مِثْلُ رُكُوعِهِ، وَرُكُوعُهُ مِثْلُ سُجُودِهِ، ثُمَّ نَامَ، ثُمَّ اسْتَيْقَظَ فَتَوَضَّأَ وَاسْتَنَّ ثُمَّ قَرَأَ بِخَمْسِ آيَاتٍ مِنْ آلِ عِمْرَانَ ( إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ وَاخْتِلاَفِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ ) فَلَمْ يَزَلْ يَفْعَلُ هَذَا حَتَّى صَلَّى عَشْرَ رَكَعَاتٍ، ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى سَجْدَةً وَاحِدَةً فَأَوْتَرَ بِهَا، وَنَادَى الْمُنَادِي عِنْدَ ذَلِكَ، فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعْدَ مَا سَكَتَ الْمُؤَذِّنُ فَصَلَّى سَجْدَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ، ثُمَّ جَلَسَ حَتَّى صَلَّى الصُّبْحَ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ : خَفِيَ عَلَىَّ مِنِ ابْنِ بَشَّارٍ بَعْضُهُ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১৩৫৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৫৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২১. রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায সম্পর্কে।
১৩৫৬. উছমান ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) .... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাতে আমি আমার খালা মায়মুনা (রাযিঃ) এর গৃহে অবস্থান করি। রাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এসে জিজ্ঞাসা করেনঃ ছেলেটি কি নামায আদায় করেছে? তাঁরা বলেনঃ হ্যাঁ। তখন তিনি শয়ন করেন এবং রাত্রির কিছু অংশ আল্লাহর ইচ্ছায় আতিবাহিত হওয়ার পর তিনি ঘুম থেকে উঠে উযু করার পর পাঁচ অথবা সাত রাকআত নামায আদায় করেন; যার মধ্যে বিতরও শামিল ছিল। ঐ সময় তিনি সর্বশেষ রাকআতে সালাম ফিরান।
كتاب الصلاة
باب فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ قَيْسٍ الأَسَدِيُّ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ : بِتُّ عِنْدَ خَالَتِي مَيْمُونَةَ فَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعْدَ مَا أَمْسَى فَقَالَ : " أَصَلَّى الْغُلاَمُ " . قَالُوا : نَعَمْ . فَاضْطَجَعَ حَتَّى إِذَا مَضَى مِنَ اللَّيْلِ مَا شَاءَ اللَّهُ قَامَ فَتَوَضَّأَ، ثُمَّ صَلَّى سَبْعًا أَوْ خَمْسًا أَوْتَرَ بِهِنَّ لَمْ يُسَلِّمْ إِلاَّ فِي آخِرِهِنَّ .
হাদীস নং: ১৩৫৭
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৫৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২১. রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায সম্পর্কে।
১৩৫৭. ইবনুল মুছান্না (রাহঃ) ...... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাত্রিতে আমি আমার খালা মায়মুনা বিনতেল হারিছ (রাযিঃ) এর গৃহে অবস্থান করি। এ সময় নবী করীম (ﷺ) ইশার নামায আদায়ের পর গৃহে আগমন করে চার রাকআত নামায আদায় করে ঘুমিয়ে পড়েন। অতঃপর তিনি ঘুম থেকে উঠে উযু করার পর নামাযের জন্য দণ্ডায়মান হন। এ সময় আমি তাঁর বাম পাশে দাঁড়াই। তিনি আমাকে ঘুরিয়ে ডান পাশে দাঁড় করান এবং পাঁচ রাকআত নামায আদায় করেন। অতঃপর পুনরায় নিদ্রা যান, ঐ সময় আমি তাঁর নাসিকা ধ্বনি শুনতে পাই। অতঃপর তিনি নিদ্রা হতে উঠে দুই রাকআত নামায (ফজরের সুন্নত) আদায় করেন এবং মসজিদে গিয়ে ফজরের নামায আদায় করেন।
كتاب الصلاة
باب فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ : بِتُّ فِي بَيْتِ خَالَتِي مَيْمُونَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ فَصَلَّى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْعِشَاءَ، ثُمَّ جَاءَ فَصَلَّى أَرْبَعًا، ثُمَّ نَامَ، ثُمَّ قَامَ يُصَلِّي، فَقُمْتُ عَنْ يَسَارِهِ فَأَدَارَنِي فَأَقَامَنِي عَنْ يَمِينِهِ فَصَلَّى خَمْسًا ثُمَّ نَامَ حَتَّى سَمِعْتُ غَطِيطَهُ - أَوْ خَطِيطَهُ - ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ خَرَجَ فَصَلَّى الْغَدَاةَ .
হাদীস নং: ১৩৫৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৫৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২১. রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায সম্পর্কে।
১৩৫৮. কুতায়বা (রাহঃ) .... সাঈদ ইবনে যুবায়ের (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর এরূপ নামায পাঠের ঘটনা আমার নিকট বর্ণনা করেন।
রাবী বলেনঃ তিনি (নবী (ﷺ)) দুই দুই রাকআত করে মোট আট রাকআত নামায আদায় করেন। অতঃপর পাঁচ রাকআত বিতর আদায় করেন এবং এর মাঝখানে বসেন নি।
রাবী বলেনঃ তিনি (নবী (ﷺ)) দুই দুই রাকআত করে মোট আট রাকআত নামায আদায় করেন। অতঃপর পাঁচ রাকআত বিতর আদায় করেন এবং এর মাঝখানে বসেন নি।
كتاب الصلاة
باب فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَبْدِ الْمَجِيدِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبَّادٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ، حَدَّثَهُ فِي، هَذِهِ الْقِصَّةِ قَالَ : فَقَامَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ، حَتَّى صَلَّى ثَمَانِيَ رَكَعَاتٍ، ثُمَّ أَوْتَرَ بِخَمْسٍ لَمْ يَجْلِسْ بَيْنَهُنَّ .
হাদীস নং: ১৩৫৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৫৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২১. রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায সম্পর্কে।
১৩৫৯. আব্দুল আযীয ইবনে ইয়াহহিয়া (রাহঃ) ..... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের সুন্নত সহ মোট তের রাকআত নামায আদায় করতেন। তিনি প্রথমত দুই দুই রাকআত করে ছয় রাকআত আদায় করতেন। অতঃপর তিনি বিতর নামায পাঁচ রাকআত আদায় করতেন এবং শেষ রাকআতে বসতেন।
كتاب الصلاة
باب فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ يَحْيَى الْحَرَّانِيُّ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ : كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي ثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً بِرَكْعَتَيْهِ قَبْلَ الصُّبْحِ : يُصَلِّي سِتًّا مَثْنَى مَثْنَى، وَيُوتِرُ بِخَمْسٍ لاَ يَقْعُدُ بَيْنَهُنَّ إِلاَّ فِي آخِرِهِنَّ .
হাদীস নং: ১৩৬০
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৬০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২১. রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায সম্পর্কে।
১৩৬০. কুতায়বা (রাহঃ) .... উরওয়া (রাহঃ) আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আয়িশা (রাযিঃ) তাঁকে এই মর্মে অবহিত করেন যে, নবী করীম (ﷺ) ফজরের সুন্নত সহ রাত্রিতে মোট তের রাকআত নামায আদায় করতেন।
كتاب الصلاة
باب فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ عِرَاكِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ : أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي بِاللَّيْلِ ثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً بِرَكْعَتَىِ الْفَجْرِ .
হাদীস নং: ১৩৬১
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৬১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২১. রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায সম্পর্কে।
১৩৬১. নসর ইবনে আলী (রাহঃ) ..... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইশার নামায আদায়ের পর দণ্ডায়মান হয়ে আট রাকআত নামায আদায় করতেন এবং তারপর দুই রাকআত তিনি ফজরের নামাযের আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে আদায় করতেন। এই দুই রাকআত নামায তিনি কখনও পরিত্যাগ করতেন না (এটা ফজরের সুন্নত)। অত্র হাদীসে জাফার ইবনে মুসাফির-এর বর্ণনায় বিতরের পরে সাহরীর আযান ও ফজরের আযানের মধ্যবর্তী সময়ে দুই রাকআত নামায বসে পড়তেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
كتاب الصلاة
باب فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، وَجَعْفَرُ بْنُ مُسَافِرٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ يَزِيدَ الْمُقْرِئَ، أَخْبَرَهُمَا عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ عِرَاكِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، : أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى الْعِشَاءَ، ثُمَّ صَلَّى ثَمَانِيَ رَكَعَاتٍ قَائِمًا، وَرَكْعَتَيْنِ بَيْنَ الأَذَانَيْنِ وَلَمْ يَكُنْ يَدَعُهُمَا . قَالَ جَعْفَرُ بْنُ مُسَافِرٍ فِي حَدِيثِهِ : وَرَكْعَتَيْنِ جَالِسًا بَيْنَ الأَذَانَيْنِ، زَادَ : جَالِسًا .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৬২
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৬২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২১. রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায সম্পর্কে।
১৩৬২. আহমাদ ইবনে সালেহ (রাহঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনে আবু কায়েস (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আমি আয়িশা (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞাসা করি যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রাত্রিতে বিতর সহ কত রাকআত নামায আদায় করতেন? তিনি বলেনঃ তিনি চার রাকআত ও তিন রাকআত বিতর আদায় করতেন এবং কখনও ছয় রাক'আত ও তিন রাকআত ও বিতর আদায় করতেন এবং কখনও আট রাকআত আদায় করতেন এবং (কোন কোন সময়) তিনি মোট তের রাকআত নামায আদায় করতেন। তবে সাধারণতঃ তিনি সাত রাকআতের কম এবং তের রাকআতের অধিক নামায আদায় করতেন না। তিনি ফজরের সুন্নত কোন সময় ত্যাগ করতেন না - এটা রাবী আহমদের বর্ণনা। রাবী আহমাদের বর্ণনায় ছয় এবং তিন রাকআতের কথা উল্লেখ নাই।
كتاب الصلاة
باب فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ الْمُرَادِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَيْسٍ، قَالَ قُلْتُ لِعَائِشَةَ رضى الله عنها : بِكَمْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُوتِرُ قَالَتْ : كَانَ يُوتِرُ بِأَرْبَعٍ وَثَلاَثٍ، وَسِتٍّ وَثَلاَثٍ، وَثَمَانٍ وَثَلاَثٍ، وَعَشْرٍ وَثَلاَثٍ، وَلَمْ يَكُنْ يُوتِرُ بِأَنْقَصَ مِنْ سَبْعٍ، وَلاَ بِأَكْثَرَ مِنْ ثَلاَثَ عَشْرَةَ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ زَادَ أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ : وَلَمْ يَكُنْ يُوتِرُ بِرَكْعَتَيْنِ قَبْلَ الْفَجْرِ . قُلْتُ : مَا يُوتِرُ قَالَتْ : لَمْ يَكُنْ يَدَعُ ذَلِكَ . وَلَمْ يَذْكُرْ أَحْمَدُ : وَسِتٍّ وَثَلاَثٍ .
হাদীস নং: ১৩৬৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৬৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২১. রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায সম্পর্কে।
১৩৬৩. মুআম্মাল ইবনে হিশাম (রাহঃ) ..... আসওয়াদ ইবনে ইয়াযীদ (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি আয়িশা (রাযিঃ) এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে তাঁকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর রাত্রিকালীন নামায পাঠ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। তিনি বলেন, তিনি রাত্রিতে তের রাকআত নামায আদায় করতেন। অতঃপর শেষ বয়সে তিনি দুই রাকআত কম করে মোট এগার রাকআত আদায় করতেন এবং তাঁর ইন্তিকালের পূর্বে তিনি নয় রাকআত নামায আদায় করতেন এবং তাঁর রাত্রির শেষ নামায ছিল বিতরের নামায।
كتاب الصلاة
باب فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا مُؤَمَّلُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْهَمْدَانِيِّ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ، : أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى عَائِشَةَ فَسَأَلَهَا عَنْ صَلاَةِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِاللَّيْلِ . فَقَالَتْ : كَانَ يُصَلِّي ثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً مِنَ اللَّيْلِ، ثُمَّ إِنَّهُ صَلَّى إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً، وَتَرَكَ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ قُبِضَ صلى الله عليه وسلم حِينَ قُبِضَ وَهُوَ يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ تِسْعَ رَكَعَاتٍ، وَكَانَ آخِرُ صَلاَتِهِ مِنَ اللَّيْلِ الْوِتْرَ .
হাদীস নং: ১৩৬৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৬৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২১. রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায সম্পর্কে।
১৩৬৪. আব্দুল মালিক ইবনে শুআইব (রাহঃ) ...... মাখরামা ইবনে সুলাইমান (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ তাঁকে ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) এর আযাদকৃত গোলাম কুরাইব আবহিত করেন যে, একদা তিনি তাঁকে জিজ্ঞাসা করেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রাত্রিতে কিরূপ নামায আদায় করতেন? তখন তিনি বলেনঃ একদা রাত্রিতে আমি তাঁর সাথে অবস্থান করি, ঐ সময় তিনি মায়মুনা (রাযিঃ) এর গৃহে ছিলেন। অতঃপর তিনি নিদ্রা যান এবং রাতের এক-তৃতীয়াংশে অথবা অর্ধেক অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি গাত্রোত্থান করে পানির বদনায় কাছে গিয়ে উযু করেন এবং আমিও তাঁর সাথে উযু করি। অতঃপর তিনি নামাযে দণ্ডায়মান হলে আমি তাঁর বাম পাশে গিয়ে দাঁড়লে তিনি আমাকে টেনে ডান পাশে নিয়ে আসেন।
পরে তিনি তাঁর হস্ত মোবারক আমার মস্তকের উপর স্থাপন করেন, তিনি আমার কান মলে আমাকে সতর্ক করেন। এই সময় তিনি হাল্কাভাবে দুই রাকআত নামায আদায় করেন। আমার মনে হয় যে, তিনি প্রতি রাকআতে সূরা ফাতিহা পাঠ করেন। অতঃপর তিনি সালাম ফিরান এবং পরে বিতর সহ এগার রাকআত নামায আদায় করে ঘুমিয়ে পড়েন। অতঃপর বিলাল (রাযিঃ) এসে নামায ইয়া রাসুলাল্লাহ বলায় তিনি উযু করে দাঁড়িয়ে দুই রাকআত নামায (ফজরের সুন্নত) আদায় করেন, পরে মসজিদে গিয়ে লোকদের সাথে জামাআতে ফজরের নামায আদায় করেন।
পরে তিনি তাঁর হস্ত মোবারক আমার মস্তকের উপর স্থাপন করেন, তিনি আমার কান মলে আমাকে সতর্ক করেন। এই সময় তিনি হাল্কাভাবে দুই রাকআত নামায আদায় করেন। আমার মনে হয় যে, তিনি প্রতি রাকআতে সূরা ফাতিহা পাঠ করেন। অতঃপর তিনি সালাম ফিরান এবং পরে বিতর সহ এগার রাকআত নামায আদায় করে ঘুমিয়ে পড়েন। অতঃপর বিলাল (রাযিঃ) এসে নামায ইয়া রাসুলাল্লাহ বলায় তিনি উযু করে দাঁড়িয়ে দুই রাকআত নামায (ফজরের সুন্নত) আদায় করেন, পরে মসজিদে গিয়ে লোকদের সাথে জামাআতে ফজরের নামায আদায় করেন।
كتاب الصلاة
باب فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ اللَّيْثِ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي، عَنْ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلاَلٍ، عَنْ مَخْرَمَةَ بْنِ سُلَيْمَانَ، أَنَّ كُرَيْبًا، مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، قَالَ : سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ كَيْفَ كَانَتْ صَلاَةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِاللَّيْلِ قَالَ : بِتُّ عِنْدَهُ لَيْلَةً وَهُوَ عِنْدَ مَيْمُونَةَ، فَنَامَ حَتَّى إِذَا ذَهَبَ ثُلُثُ اللَّيْلِ أَوْ نِصْفُهُ اسْتَيْقَظَ فَقَامَ إِلَى شَنٍّ فِيهِ مَاءٌ فَتَوَضَّأَ وَتَوَضَّأْتُ مَعَهُ، ثُمَّ قَامَ فَقُمْتُ إِلَى جَنْبِهِ عَلَى يَسَارِهِ فَجَعَلَنِي عَلَى يَمِينِهِ، ثُمَّ وَضَعَ يَدَهُ عَلَى رَأْسِي كَأَنَّهُ يَمَسُّ أُذُنِي كَأَنَّهُ يُوقِظُنِي فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ، قُلْتُ : فَقَرَأَ فِيهِمَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ ثُمَّ سَلَّمَ ثُمَّ صَلَّى حَتَّى صَلَّى إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً بِالْوِتْرِ، ثُمَّ نَامَ فَأَتَاهُ بِلاَلٌ فَقَالَ : الصَّلاَةُ يَا رَسُولَ اللَّهِ . فَقَامَ فَرَكَعَ رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ صَلَّى لِلنَّاسِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৬৫
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৬৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২১. রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায সম্পর্কে।
১৩৬৫. নূহ ইবনে হাবীব (রাহঃ) ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা রাত্রিতে আমি আমার খালা মায়মুনা (রাযিঃ) এর গৃহে অবস্থান করি। এই সময় নবী করীম (ﷺ) রাত্রিতে উঠে নামাযের জন্য দণ্ডায়মান হন এবং তিনি ফজরের দুই রাকআত সুন্নত সহ মোট তের রাকআত নামায আদায় করেন। আমি অনুমান করলাম যে, তাঁর প্রতি রাকআতে দাঁড়ানোর সময় ছিল “সূরা-মুযযাম্মিল” পাঠের সময়ের অনুরূপ। রাবী নূহ তাঁর বর্ণনায় দুই রাকআত ফজরের সুন্নত নামাযের কথা উল্লেখ করেন নাই।
كتاب الصلاة
باب فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا نُوحُ بْنُ حَبِيبٍ، وَيَحْيَى بْنُ مُوسَى، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ ابْنِ طَاوُسٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ بْنِ خَالِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ : بِتُّ عِنْدَ خَالَتِي مَيْمُونَةَ فَقَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ فَصَلَّى ثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً مِنْهَا رَكْعَتَا الْفَجْرِ، حَزَرْتُ قِيَامَهُ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ بِقَدْرِ ( يَا أَيُّهَا الْمُزَّمِّلُ ) لَمْ يَقُلْ نُوحٌ : مِنْهَا رَكْعَتَا الْفَجْرِ .
হাদীস নং: ১৩৬৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৬৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২১. রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায সম্পর্কে।
১৩৬৬. আল-কানবী (রাহঃ) ..... যায়দ ইবনে খালিদ আল-জুহনী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর প্রতি নজর রাখব তিনি রাতের নামায কিভাবে পড়েন। আমি আমার মস্তক দরজা বা তাবুর চৌকাঠের উপর রেখে শুয়ে থাকলাম। তিনি হালকাভাবে দুই রাকআত নামায আদায় করার পর আরো দুই রাকআত নামায অতি দীর্ঘ করে পড়েন। অতঃপর তিনি আরো দুই রাকআত নামায আদায় করেন, যা পূর্বের দুই রাকআত অপেক্ষা কম দীর্ঘ ছিল। পরে তিনি এর চাইতে আরো কম দীর্ঘ দুই রাকআত নামায আদায় করেন এবং পরে আরো দুই রাকআত নামায আদায় করেন, যা পূর্বের নামাযের চাইতে আরো কম দীর্ঘ ছিল। অতঃপর তিনি পূর্বের চাইতে কম দীর্ঘ করে আরো দুই রাকআত নামায আদায় করেন এবং তাঁর সাথে এক রাকআত মিলিয়ে বিতর সহ মোট তের রাকআত আদায় করেন।
كتاب الصلاة
باب فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ قَيْسِ بْنِ مَخْرَمَةَ، أَخْبَرَهُ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ، أَنَّهُ - قَالَ - لأَرْمُقَنَّ صَلاَةَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اللَّيْلَةَ، قَالَ : فَتَوَسَّدْتُ عَتَبَتَهُ أَوْ فُسْطَاطَهُ، فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ طَوِيلَتَيْنِ طَوِيلَتَيْنِ طَوِيلَتَيْنِ، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَهُمَا دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا، ثُمَّ أَوْتَرَ، فَذَلِكَ ثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً .
হাদীস নং: ১৩৬৭
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৬৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২১. রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায সম্পর্কে।
১৩৬৭. আল-কানবী (রাহঃ) ...... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) এর আযাদকৃত গোলাম কুরায়েব (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) তাঁর নিকট বর্ণনা করেন যে, এক রাতে তিনি তাঁর খালা এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর স্ত্রী মায়মুনা (রাযিঃ) এর গৃহে আবস্থান করেন। তিনি বলেনঃ আমি বালিশের পাশে মাথা রেখে শয়ন করি এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তাঁর পত্নি বালিশের লম্বা ভাগের উপর মাথা রেখে শয়ন করেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিদ্রাভিভূত হয়ে পড়েন। তিনি রাতের অর্ধেক বা এর চাইতে একটু কম বা বেশী সময়ের পর জাগ্রত হয়ে হাতের সাহায্যে তাঁর চক্ষু রগড়াতে থাকেন এবং সূরা আলে ইমরানের শেষ দশ আয়াত তিলাওয়াত করেন।
অতঃপর আমিও উঠে তাঁর মত উযু করে তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়াই। এ সময় তিনি তাঁর ডান হাত দ্বারা আমার কান স্পর্শ করেন। অতঃপর তিনি দুই রাকআত, পরে দুই রাকআত, আরো পরে দুই রাকআত, পুনঃ দুই রাকআত, আবার দুই রাকআত এবং সবশেষে আরো দুই রাকআত নামায আদায় করেন। রাবী আল-কানবী বলেনঃ এরূপ তিনি ছয় বার নামায আদায় করেন। অতঃপর তিনি শেষ রাকআতের সাথে এক রাকআত মিলিয়ে বিতর আদায় করে শুয়ে পড়েন। অবশেষে মুয়াযযিন এসে তাঁকে নামাযের খবর দিলে তিনি হালকাভাবে দুই রাকআত নামায (ফজরের সুন্নত) আদায় করে গৃহ হতে বের হয়ে ফজরের ফরয নামায (মসজিদে) জামাআতের সাথে আদায় করেন।
অতঃপর আমিও উঠে তাঁর মত উযু করে তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়াই। এ সময় তিনি তাঁর ডান হাত দ্বারা আমার কান স্পর্শ করেন। অতঃপর তিনি দুই রাকআত, পরে দুই রাকআত, আরো পরে দুই রাকআত, পুনঃ দুই রাকআত, আবার দুই রাকআত এবং সবশেষে আরো দুই রাকআত নামায আদায় করেন। রাবী আল-কানবী বলেনঃ এরূপ তিনি ছয় বার নামায আদায় করেন। অতঃপর তিনি শেষ রাকআতের সাথে এক রাকআত মিলিয়ে বিতর আদায় করে শুয়ে পড়েন। অবশেষে মুয়াযযিন এসে তাঁকে নামাযের খবর দিলে তিনি হালকাভাবে দুই রাকআত নামায (ফজরের সুন্নত) আদায় করে গৃহ হতে বের হয়ে ফজরের ফরয নামায (মসজিদে) জামাআতের সাথে আদায় করেন।
كتاب الصلاة
باب فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مَخْرَمَةَ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ كُرَيْبٍ، مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ، أَخْبَرَهُ : أَنَّهُ، بَاتَ عِنْدَ مَيْمُونَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهِيَ خَالَتُهُ - قَالَ - فَاضْطَجَعْتُ فِي عَرْضِ الْوِسَادَةِ، وَاضْطَجَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَهْلُهُ فِي طُولِهَا، فَنَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى إِذَا انْتَصَفَ اللَّيْلُ - أَوْ قَبْلَهُ بِقَلِيلٍ، أَوْ بَعْدَهُ بِقَلِيلٍ - اسْتَيْقَظَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَجَلَسَ يَمْسَحُ النَّوْمَ عَنْ وَجْهِهِ بِيَدِهِ، ثُمَّ قَرَأَ الْعَشْرَ الآيَاتِ الْخَوَاتِمَ مِنْ سُورَةِ آلِ عِمْرَانَ، ثُمَّ قَامَ إِلَى شَنٍّ مُعَلَّقَةٍ فَتَوَضَّأَ مِنْهَا فَأَحْسَنَ وُضُوءَهُ، ثُمَّ قَامَ يُصَلِّي، قَالَ عَبْدُ اللَّهِ : فَقُمْتُ فَصَنَعْتُ مِثْلَ مَا صَنَعَ، ثُمَّ ذَهَبْتُ فَقُمْتُ إِلَى جَنْبِهِ، فَوَضَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَدَهُ الْيُمْنَى عَلَى رَأْسِي فَأَخَذَ بِأُذُنِي يَفْتِلُهَا، فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ رَكْعَتَيْنِ، قَالَ الْقَعْنَبِيُّ : سِتَّ مَرَّاتٍ، ثُمَّ أَوْتَرَ، ثُمَّ اضْطَجَعَ، حَتَّى جَاءَهُ الْمُؤَذِّنُ فَقَامَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ، ثُمَّ خَرَجَ فَصَلَّى الصُّبْحَ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৬৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৬৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২২. নামাযের মধ্যে মধ্যম পন্থা অবলম্বন করা সম্পর্কে।
১৩৬৮. কুতায়বা (রাহঃ) ..... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ তোমরা সাধ্যানুযায়ী আমল কর। কেননা আল্লাহ তাআলা তোমাদের কোন আমলকে বন্ধ করেন না, যতক্ষণ না তোমারা নিজেরাই তা বন্ধ কর। কেননা আল্লাহ তাআলার নিকট ঐ আমলই অধিক পছন্দনীয় যা নিয়মিত আদায় করা হয়ে থাকে, যদিও পরিমাণে তা কম হয়। তিনি যখন কোন আমল শুরু করতেন, তখন তা নিয়মিতভাবে আদায় করতেন।
كتاب الصلاة
باب مَا يُؤْمَرُ بِهِ مِنَ الْقَصْدِ فِي الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ : " اكْلَفُوا مِنَ الْعَمَلِ مَا تُطِيقُونَ، فَإِنَّ اللَّهَ لاَ يَمَلُّ حَتَّى تَمَلُّوا، وَإِنَّ أَحَبَّ الْعَمَلِ إِلَى اللَّهِ أَدْوَمُهُ وَإِنْ قَلَّ " . وَكَانَ إِذَا عَمِلَ عَمَلاً أَثْبَتَهُ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৬৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৬৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২২. নামাযের মধ্যে মধ্যম পন্থা অবলম্বন করা সম্পর্কে।
১৩৬৯. উবাইদুল্লাহ ইবনে সাদ (রাহঃ) ..... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উছমান ইবনে মাযউন (রাযিঃ)-কে ডেকে পাঠান। তিনি আগমন করলে নবী করীম (ﷺ) বলেনঃ হে উছমান। তুমি আমার সুন্নতের বিরোধিতা করছ? তিনি আল্লাহর শপথ করে বলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ। না, বরং আমি আপনার সুন্নতের অন্বেষণকারী। তখন তিনি বলেনঃ আমি ঘুমাই এবং নামাযও আদায় করি, রোযা রাখি এবং ইফতারও করি, এবং স্ত্রীও গ্রহণ করি। হে উছমান! তুমি আল্লাহকে ভয় কর। তোমার প্রতি তোমার বিবির হক আছে, তোমার মেহমানের হক আছে, তোমার নফসের হক আছে। অতএব তুমি রোযাও রাখ এবং রোযাহীনও থাক, নামায আদায় কর এবং নিদ্রাও যাও।
كتاب الصلاة
باب مَا يُؤْمَرُ بِهِ مِنَ الْقَصْدِ فِي الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا عَمِّي، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، : أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ إِلَى عُثْمَانَ بْنِ مَظْعُونٍ فَجَاءَهُ فَقَالَ : " يَا عُثْمَانُ أَرَغِبْتَ عَنْ سُنَّتِي " . قَالَ : لاَ وَاللَّهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَلَكِنْ سُنَّتَكَ أَطْلُبُ . قَالَ : " فَإِنِّي أَنَامُ وَأُصَلِّي، وَأَصُومُ وَأُفْطِرُ، وَأَنْكِحُ النِّسَاءَ، فَاتَّقِ اللَّهَ يَا عُثْمَانُ، فَإِنَّ لأَهْلِكَ عَلَيْكَ حَقًّا، وَإِنَّ لِضَيْفِكَ عَلَيْكَ حَقًّا، وَإِنَّ لِنَفْسِكَ عَلَيْكَ حَقًّا، فَصُمْ وَأَفْطِرْ، وَصَلِّ وَنَمْ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৭০
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৭০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২২. নামাযের মধ্যে মধ্যম পন্থা অবলম্বন করা সম্পর্কে।
১৩৭০. উছমান ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) ..... আলকামা (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আয়িশা (রাযিঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর আমল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি যে, তিনি বিশেষ কোন দিনে নির্ধারিত কোন ইবাদত করতেন কি? তখন জবাবে তিনি বলেন, না, বরং তিনি যা আমল করতেন, তা সর্বদাই করতেন। আর তিনি যা করতে সক্ষম ছিলেন, তোমরা সেরূপ করতে কিরূপ সক্ষম?
كتاب الصلاة
باب مَا يُؤْمَرُ بِهِ مِنَ الْقَصْدِ فِي الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ : سَأَلْتُ عَائِشَةَ كَيْفَ كَانَ عَمَلُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم هَلْ كَانَ يَخُصُّ شَيْئًا مِنَ الأَيَّامِ قَالَتْ : لاَ، كَانَ كُلُّ عَمَلِهِ دِيمَةً، وَأَيُّكُمْ يَسْتَطِيعُ مَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَسْتَطِيعُ