কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
كتاب السنن للإمام أبي داود
২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১১৬৫ টি
হাদীস নং: ১২৫১
আন্তর্জাতিক নং: ১২৫১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৫. নফল ও সুন্নত নামাযের বিভিন্ন দিক ও রাক'আত সম্পর্কে।
১২৫১. আহমাদ ইবনে হাম্বল ও মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ...... আব্দুল্লাহ ইবনে শাকীক (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলে, একদা আমি আয়িশা (রাযিঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নামায (সুন্নত/নফল) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেন, তিনি যোহরের পূর্বে ঘরে চার রাকআত নামায আদায় করতেন। পুনরায় ঘরে ফিরে এসে তিনি দুই রাকআত নামায আদায় করতেন। তিনি মাগরিবের ফরয নামায জামাআতে আদায়ের পর ঘরে ফিরে এসে তিনি দুই রাকআত (সুন্নত) নামায আদায় করতেন।
তিনি রাতে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে ও বসে (নফল) নামায পড়তেন। তিনি দাঁড়িয়ে কিরাআত পাঠ করলে রুকু ও সিজদাও ঐ অবস্থায় করতেন এবং যখন তিনি বসে কিরাত পাঠ করতেন তখন রুকু সিজদাও ঐ অবস্থায় আদায় করতেন। তিনি সুবহে সাদিকের সময় দুই রাকআত (সুন্নত) নামায আদায় করতেন। অতঃপর তিনি ঘর হতে বের হয়ে (মসজিদে গিয়ে) জামাআতে ফজরের নামায আদায় করতেন।
তিনি রাতে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে ও বসে (নফল) নামায পড়তেন। তিনি দাঁড়িয়ে কিরাআত পাঠ করলে রুকু ও সিজদাও ঐ অবস্থায় করতেন এবং যখন তিনি বসে কিরাত পাঠ করতেন তখন রুকু সিজদাও ঐ অবস্থায় আদায় করতেন। তিনি সুবহে সাদিকের সময় দুই রাকআত (সুন্নত) নামায আদায় করতেন। অতঃপর তিনি ঘর হতে বের হয়ে (মসজিদে গিয়ে) জামাআতে ফজরের নামায আদায় করতেন।
كتاب الصلاة
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، - الْمَعْنَى - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنْ صَلاَةِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ التَّطَوُّعِ فَقَالَتْ كَانَ يُصَلِّي قَبْلَ الظُّهْرِ أَرْبَعًا فِي بَيْتِي ثُمَّ يَخْرُجُ فَيُصَلِّي بِالنَّاسِ ثُمَّ يَرْجِعُ إِلَى بَيْتِي فَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَكَانَ يُصَلِّي بِالنَّاسِ الْمَغْرِبَ ثُمَّ يَرْجِعُ إِلَى بَيْتِي فَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَكَانَ يُصَلِّي بِهِمُ الْعِشَاءَ ثُمَّ يَدْخُلُ بَيْتِي فَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَكَانَ يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ تِسْعَ رَكَعَاتٍ فِيهِنَّ الْوِتْرُ وَكَانَ يُصَلِّي لَيْلاً طَوِيلاً قَائِمًا وَلَيْلاً طَوِيلاً جَالِسًا فَإِذَا قَرَأَ وَهُوَ قَائِمٌ رَكَعَ وَسَجَدَ وَهُوَ قَائِمٌ وَإِذَا قَرَأَ وَهُوَ قَاعِدٌ رَكَعَ وَسَجَدَ وَهُوَ قَاعِدٌ وَكَانَ إِذَا طَلَعَ الْفَجْرُ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ يَخْرُجُ فَيُصَلِّي بِالنَّاسِ صَلاَةَ الْفَجْرِ صلى الله عليه وسلم .
হাদীস নং: ১২৫২
আন্তর্জাতিক নং: ১২৫২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৫. নফল ও সুন্নত নামাযের বিভিন্ন দিক ও রাক'আত সম্পর্কে।
১২৫২. আল-কানবী (রাহঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যোহরের পূর্বে কোন কোন সময় দুই রাকআত নামায আদায় করতেন এবং যোহরের ফরয নামায আদায়ের পরও দুই রাকআত নামায আদায় করতেন। তিনি মাগরিবের ফরযের পর ঘরে ফিরে দুই রাকআত নামায আদায় করতেন। তিনি এশার ফরয নামায আদায়ের পর দুই রাকআত নামায আদায় করতেন। তিনি জুমআর নামায আদায়ের পর ঘরে ফিরে দুই রাকআত নামায আদায় করতেন।
كتاب الصلاة
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي قَبْلَ الظُّهْرِ رَكْعَتَيْنِ وَبَعْدَهَا رَكْعَتَيْنِ - وَبَعْدَ الْمَغْرِبِ رَكْعَتَيْنِ - فِي بَيْتِهِ وَبَعْدَ صَلاَةِ الْعِشَاءِ رَكْعَتَيْنِ وَكَانَ لاَ يُصَلِّي بَعْدَ الْجُمُعَةِ حَتَّى يَنْصَرِفَ فَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৫৩
আন্তর্জাতিক নং: ১২৫৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৫. নফল ও সুন্নত নামাযের বিভিন্ন দিক ও রাক'আত সম্পর্কে।
১২৫৩. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যোহরের ফরযের পূর্বে চার রাকআত এবং ফজরের ফরযের পূর্বে দুই রাকআত নামায কখনও ত্যাগ করতেন না।
كتاب الصلاة
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْتَشِرِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ لاَ يَدَعُ أَرْبَعًا قَبْلَ الظُّهْرِ وَرَكْعَتَيْنِ قَبْلَ صَلاَةِ الْغَدَاةِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৫৪
আন্তর্জাতিক নং: ১২৫৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৬. ফজরের দুই রাকআত সুন্নত নামায।
১২৫৪. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের নামাযের পূর্বে দুই রাকআত নামায আদায়ের ব্যপারে যে কঠোর নিয়মানুবর্তিতা পালন করেছেন তা অন্য কোন নামাযের (সুন্নত বা নফল) ব্যাপারে পালন করেন নি।
كتاب الصلاة
باب رَكْعَتَىِ الْفَجْرِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، حَدَّثَنِي عَطَاءٌ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَكُنْ عَلَى شَىْءٍ مِنَ النَّوَافِلِ أَشَدَّ مُعَاهَدَةً مِنْهُ عَلَى الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ الصُّبْحِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৫৫
আন্তর্জাতিক নং: ১২৫৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৭. ফজরের সুন্নত সংক্ষেপে পড়া সম্পর্কে।
১২৫৫. আহমাদ ইবনে আবু শুয়ায়ব (রাহঃ) ..... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) ফজরের ফরয নামাযের পূর্বের দুই রাকআত নামায এত সংক্ষেপ করতেন যে, আমি ধারণা করতাম, তিনি কি তাতে কেবলমাত্র সূরা ফাতিহা পাঠ করেছেন।
كتاب الصلاة
باب فِي تَخْفِيفِهِمَا
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي شُعَيْبٍ الْحَرَّانِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُخَفِّفُ الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ صَلاَةِ الْفَجْرِ حَتَّى إِنِّي لأَقُولُ هَلْ قَرَأَ فِيهِمَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৫৬
আন্তর্জাতিক নং: ১২৫৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৭. ফজরের সুন্নত সংক্ষেপে পড়া সম্পর্কে।
১২৫৬. ইয়াহিয়া ইবনে মাইন (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) ফজরের দুই রাকআত সুন্নত নামাযে “সূরা কাফিরুন” ও “সূরা কুল হুআল্লাহু আহাদ” তিলাওয়াত করতেন।
كتاب الصلاة
باب فِي تَخْفِيفِهِمَا
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ كَيْسَانَ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَرَأَ فِي رَكْعَتَىِ الْفَجْرِ ( قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ ) وَ ( قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ) .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৫৭
আন্তর্জাতিক নং: ১২৫৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৭. ফজরের সুন্নত সংক্ষেপে পড়া সম্পর্কে।
১২৫৭. আহমাদ ইবনে হাম্বল (রাহঃ) ..... বিলাল (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি নবী করীম (ﷺ) এর খিদমতে ফজরের নামাযের সময় সম্পর্কে জ্ঞাত করতে আসেন। এ সময় আয়িশা (রাযিঃ) বিলাল (রাযিঃ)-কে একটি প্রশ্ন করে ব্যাস্ত রাখা অবস্থায় আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায়। অতঃপর বিলাল (রাযিঃ) নবী করীম (ﷺ)-কে পুনঃ দুইবার ফজরের নামাযের সময় সম্পর্কে অবহিত করেন, কিন্তু তিনি তখন বাইরে আসেন নাই। কিছুক্ষণ পরে তিনি বাইরে বের হয়ে এসে লোকদের নিয়ে নামায আদায় করেন।
বিলাল (রাযিঃ) তাঁকে বলেন, (অদ্য নামাযে বিলম্ব হওয়ার কারণ এই যে) আয়িশা (রাযিঃ) তাঁকে একটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে আটকে রাখেন এবং অপরপক্ষে নবী (ﷺ)-ও বের হতে বিলম্ব করেন। ফলে পূর্বাকাশ অধিক পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। মহানবী (ﷺ) বলেন, (আমার বিলম্বের কারণ এই যে) আমি তোমার আহবানের সময় ফজরের ফরয নামাযের পূর্বের দুই রাকআত নামায আদায়ে মশগুল ছিলাম। তিনি বলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনিও আজ অধিক বিলম্ব করেছেন। তিনি বলেনঃ আমি আজ যত দেরি করেছি এই চাইতে অধিক বিলম্ব হলেও দুই রাকআত অত্যন্ত সুন্দরভাবে আদায় করতাম।
বিলাল (রাযিঃ) তাঁকে বলেন, (অদ্য নামাযে বিলম্ব হওয়ার কারণ এই যে) আয়িশা (রাযিঃ) তাঁকে একটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে আটকে রাখেন এবং অপরপক্ষে নবী (ﷺ)-ও বের হতে বিলম্ব করেন। ফলে পূর্বাকাশ অধিক পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। মহানবী (ﷺ) বলেন, (আমার বিলম্বের কারণ এই যে) আমি তোমার আহবানের সময় ফজরের ফরয নামাযের পূর্বের দুই রাকআত নামায আদায়ে মশগুল ছিলাম। তিনি বলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনিও আজ অধিক বিলম্ব করেছেন। তিনি বলেনঃ আমি আজ যত দেরি করেছি এই চাইতে অধিক বিলম্ব হলেও দুই রাকআত অত্যন্ত সুন্দরভাবে আদায় করতাম।
كتاب الصلاة
باب فِي تَخْفِيفِهِمَا
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنِي أَبُو زِيَادَةَ، عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ زِيَادٍ الْكِنْدِيُّ عَنْ بِلاَلٍ، أَنَّهُ حَدَّثَهُ أَنَّهُ، أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِيُؤْذِنَهُ بِصَلاَةِ الْغَدَاةِ فَشَغَلَتْ عَائِشَةُ - رضى الله عنها - بِلاَلاً بِأَمْرٍ سَأَلَتْهُ عَنْهُ حَتَّى فَضَحَهُ الصُّبْحُ فَأَصْبَحَ جِدًّا قَالَ فَقَامَ بِلاَلٌ فَآذَنَهُ بِالصَّلاَةِ وَتَابَعَ أَذَانَهُ فَلَمْ يَخْرُجْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا خَرَجَ صَلَّى بِالنَّاسِ وَأَخْبَرَهُ أَنَّ عَائِشَةَ شَغَلَتْهُ بِأَمْرٍ سَأَلَتْهُ عَنْهُ حَتَّى أَصْبَحَ جِدًّا وَأَنَّهُ أَبْطَأَ عَلَيْهِ بِالْخُرُوجِ فَقَالَ " إِنِّي كُنْتُ رَكَعْتُ رَكْعَتَىِ الْفَجْرِ " . فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّكَ أَصْبَحْتَ جِدًّا . قَالَ " لَوْ أَصْبَحْتُ أَكْثَرَ مِمَّا أَصْبَحْتُ لَرَكَعْتُهُمَا وَأَحْسَنْتُهُمَا وَأَجْمَلْتُهُمَا " .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১২৫৮
আন্তর্জাতিক নং: ১২৫৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৭. ফজরের সুন্নত সংক্ষেপে পড়া সম্পর্কে।
১২৫৮. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ তোমরা কোন সময় ঐ দুই রাকআত নামায (ফজরের সুন্নত) ত্যাগ করবেনা, ঘোড়ায় তোমাদের পিষে ফেললেও।
كتاب الصلاة
باب فِي تَخْفِيفِهِمَا
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، - يَعْنِي ابْنَ إِسْحَاقَ الْمَدَنِيَّ - عَنِ ابْنِ زَيْدٍ، عَنِ ابْنِ سِيْلاَنَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَدَعُوهُمَا وَإِنْ طَرَدَتْكُمُ الْخَيْلُ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৫৯
আন্তর্জাতিক নং: ১২৫৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৭. ফজরের সুন্নত সংক্ষেপে পড়া সম্পর্কে।
১২৫৯. আহমাদ ইবনে ইউনুস (রাহঃ) ...... আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অধিকাংশ সময় ফজরের দুই রাকআত নামাযের (সুন্নত) প্রথম রাকআতে “আমান্না বিল্লাহি ওয়ামা উনযিলা ইলাইনা” এবং দ্বিতীয় রাকআতে “আমান্না বিল্লাহি ওয়াশহাদ বিয়ান্না মুসলিমুন” এই আয়াতদ্বয় পাঠ করতেন।
كتاب الصلاة
باب فِي تَخْفِيفِهِمَا
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ حَكِيمٍ، أَخْبَرَنِي سَعِيدُ بْنُ يَسَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ كَثِيرًا، مِمَّا كَانَ يَقْرَأُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي رَكْعَتَىِ الْفَجْرِ بِـ ( آمَنَّا بِاللَّهِ وَمَا أُنْزِلَ إِلَيْنَا ) هَذِهِ الآيَةَ قَالَ هَذِهِ فِي الرَّكْعَةِ الأُولَى وَفِي الرَّكْعَةِ الآخِرَةِ بِـ ( آمَنَّا بِاللَّهِ وَاشْهَدْ بِأَنَّا مُسْلِمُونَ ) .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৬০
আন্তর্জাতিক নং: ১২৬০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৭. ফজরের সুন্নত সংক্ষেপে পড়া সম্পর্কে।
১২৬০. মুহাম্মাদ ইবনুস সাব্বাহ (রাহঃ) ...... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী করীম (ﷺ) ফজরের দুই রাকআত (সুন্নত) নামাযের প্রথম রাকআতে “কুল আমান্না বিল্লাহি ওয়ামা উনযিলা ইলাইনা” এবং দ্বিতীয় রাকআতে “রাব্বানা আমান্না বিমা আনযালতা ওয়াত্তাবানার রাসুলা ফাকতুবনা মাআশশাহিদীন” অথবা “ইন্না আরসালনাকা বিল হাক্কি বাশীরাও ওয়া নাযিরা ওয়ালা তুসয়ালু আন আসহাবিল জাহিম” তিলাওয়াত করতে শুনেছি।
كتاب الصلاة
باب فِي تَخْفِيفِهِمَا
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ بْنِ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عُمَرَ، - يَعْنِي ابْنَ مُوسَى - عَنْ أَبِي الْغَيْثِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ فِي رَكْعَتَىِ الْفَجْرِ ( قُلْ آمَنَّا بِاللَّهِ وَمَا أُنْزِلَ عَلَيْنَا ) فِي الرَّكْعَةِ الأُولَى وَفِي الرَّكْعَةِ الأُخْرَى بِهَذِهِ الآيَةِ ( رَبَّنَا آمَنَّا بِمَا أَنْزَلْتَ وَاتَّبَعْنَا الرَّسُولَ فَاكْتُبْنَا مَعَ الشَّاهِدِينَ ) أَوْ ( إِنَّا أَرْسَلْنَاكَ بِالْحَقِّ بَشِيرًا وَنَذِيرًا وَلاَ تُسْأَلُ عَنْ أَصْحَابِ الْجَحِيمِ ) شَكَّ الدَّرَاوَرْدِيُّ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৬১
আন্তর্জাতিক নং: ১২৬১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৮. ফজরের সুন্নতের পর বিশ্রাম গ্রহণ সম্পর্কে।
১২৬১. মুসাদ্দাদ, আবু কামিল এবং উবাইদুল্লাহ ইবনে আমর (রাহঃ) ...... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ তোমাদের কেউ ফজরের সুন্নত নামায পড়ার পর যেন কাত হয়ে শুয়ে ক্ষণিক বিশ্রাম নেয়। এ সময় মারওয়ান ইবনুল হাকাম তাঁকে বলেন, যদি কেউ মসজিদে গিয়ে ডান পাঁজরে ভর দিয়ে বিশ্রাম গ্রহণ করে তবে কি তা যথেষ্ট হবে? তিনি বলেন, না (এটা রাবী উবাইদুল্লাহ-র বর্ণনা অনুযায়ী)।
রাবী বলেন, অতঃপর এই সংবাদ ইবনে উমর (রাযিঃ) এর নিকট পৌঁছলে তিনি বলেন, আবু হুরায়রা (রাযিঃ) এই বর্ণনায় নিজের তরফ থেকে কিছু বৃদ্ধি করেছেন কি? তখন ইবনে উমর (রাযিঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হয়, আপনি কি তা অস্বীকার করেন? তিনি বলেন, না। আবু হুরায়রা (রাযিঃ) সাহসের সাথে তা বলেছেন এবং আমরা এতে দুর্বলতা প্রকাশ করেছি। এই সংবাদ আবু হুরায়রা (রাযিঃ) এর নিকট পৌঁছলে তিনি বলেন, কোন কিছু স্মরণে থাকা ও ভুলে যাওয়া কোন দোষের ব্যপার নয়।
রাবী বলেন, অতঃপর এই সংবাদ ইবনে উমর (রাযিঃ) এর নিকট পৌঁছলে তিনি বলেন, আবু হুরায়রা (রাযিঃ) এই বর্ণনায় নিজের তরফ থেকে কিছু বৃদ্ধি করেছেন কি? তখন ইবনে উমর (রাযিঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হয়, আপনি কি তা অস্বীকার করেন? তিনি বলেন, না। আবু হুরায়রা (রাযিঃ) সাহসের সাথে তা বলেছেন এবং আমরা এতে দুর্বলতা প্রকাশ করেছি। এই সংবাদ আবু হুরায়রা (রাযিঃ) এর নিকট পৌঁছলে তিনি বলেন, কোন কিছু স্মরণে থাকা ও ভুলে যাওয়া কোন দোষের ব্যপার নয়।
كتاب الصلاة
باب الاِضْطِجَاعِ بَعْدَهَا
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، وَأَبُو كَامِلٍ وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مَيْسَرَةَ قَالُوا حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمُ الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ الصُّبْحِ فَلْيَضْطَجِعْ عَلَى يَمِينِهِ " . فَقَالَ لَهُ مَرْوَانُ بْنُ الْحَكَمِ أَمَا يُجْزِئُ أَحَدَنَا مَمْشَاهُ إِلَى الْمَسْجِدِ حَتَّى يَضْطَجِعَ عَلَى يَمِينِهِ قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ فِي حَدِيثِهِ قَالَ لاَ . قَالَ فَبَلَغَ ذَلِكَ ابْنَ عُمَرَ فَقَالَ أَكْثَرَ أَبُو هُرَيْرَةَ عَلَى نَفْسِهِ . قَالَ فَقِيلَ لاِبْنِ عُمَرَ هَلْ تُنْكِرُ شَيْئًا مِمَّا يَقُولُ قَالَ لاَ وَلَكِنَّهُ اجْتَرَأَ وَجَبُنَّا . قَالَ فَبَلَغَ ذَلِكَ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ فَمَا ذَنْبِي إِنْ كُنْتُ حَفِظْتُ وَنَسُوا .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৬২
আন্তর্জাতিক নং: ১২৬২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৮. ফজরের সুন্নতের পর বিশ্রাম গ্রহণ সম্পর্কে।
১২৬২. ইয়াহিয়া ইবনে হাকিম (রাহঃ) ..... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাহাজ্জুদ নামায আদায়ের পর আমাকে জাগ্রত অবস্থায় পেলে আমার সাথে (দ্বীন সম্পর্কীয়) আলাপ আলোচনা করতেন। আমি ঘুমন্ত অবস্থায় থাকলে তিনি আমাকে ঘুম থেকে উঠাতেন। অতঃপর তিনি দুই রাকআত নামায আদায়ের পর কাত হয়ে শুয়ে বিশ্রাম নিতেন এবং মুয়াজ্জিনের আগমন পর্যন্ত ঐ ভাবে থাকতেন। মুয়াজ্জিন এসে ফজরের নামাযের খবর দিলে তিনি ফজরের দুই রাকআত (সুন্নত) হাল্কাভাবে আদায় করতেন। অতঃপর ফজরের ফরয নামায আদায়ের জন্য মসজিদে যেতেন।
كتاب الصلاة
باب الاِضْطِجَاعِ بَعْدَهَا
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَكِيمٍ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ سَالِمٍ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا قَضَى صَلاَتَهُ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ نَظَرَ فَإِنْ كُنْتُ مُسْتَيْقِظَةً حَدَّثَنِي وَإِنْ كُنْتُ نَائِمَةً أَيْقَظَنِي وَصَلَّى الرَّكْعَتَيْنِ ثُمَّ اضْطَجَعَ حَتَّى يَأْتِيَهُ الْمُؤَذِّنُ فَيُؤْذِنَهُ بِصَلاَةِ الصُّبْحِ فَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ ثُمَّ يَخْرُجُ إِلَى الصَّلاَةِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৬৩
আন্তর্জাতিক নং: ১২৬৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৮. ফজরের সুন্নতের পর বিশ্রাম গ্রহণ সম্পর্কে।
১২৬৩. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ..... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের দুই রাকআত সুন্নত নামায আদায়ের পর আমাকে ঘুমন্ত অবস্থায় পেলে তিনিও একটু আরাম করতেন। তিনি আমাকে জাগ্রত অবস্থায় দেখলে আমার সাথে দ্বীন সম্পর্কে আলোচনা করতেন।
كتاب الصلاة
باب الاِضْطِجَاعِ بَعْدَهَا
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ زِيَادِ بْنِ سَعْدٍ، عَمَّنْ حَدَّثَهُ - ابْنِ أَبِي عَتَّابٍ، أَوْ غَيْرِهِ - عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ قَالَتْ عَائِشَةُ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا صَلَّى رَكْعَتَىِ الْفَجْرِ فَإِنْ كُنْتُ نَائِمَةً اضْطَجَعَ وَإِنْ كُنْتُ مُسْتَيْقِظَةً حَدَّثَنِي .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৬৪
আন্তর্জাতিক নং: ১২৬৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৮. ফজরের সুন্নতের পর বিশ্রাম গ্রহণ সম্পর্কে।
১২৬৪. আব্বাস আল আনবারী এবং যিয়াদ ইবনে ইয়াহিয়া (রাহঃ) ...... আবু বাকরা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে ফজরের নামাযে যাই। এই সময় তিনি কোন ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে নামাযের জন্য আহবান করতেন অথবা তাঁর পা দিয়ে স্পর্শ করতেন (সাধারণত ফজরের সুন্নত নামায আদায়ের পর যারা আরামের জন্য ক্ষণিক শয়ন করত, তিনি তাদেরকে এইরূপে ডাকতেন)।
كتاب الصلاة
باب الاِضْطِجَاعِ بَعْدَهَا
حَدَّثَنَا عَبَّاسٌ الْعَنْبَرِيُّ، وَزِيَادُ بْنُ يَحْيَى، قَالاَ حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ، عَنْ أَبِي مَكِينٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الْفَضْلِ، - رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ - عَنْ مُسْلِمِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ خَرَجْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لِصَلاَةِ الصُّبْحِ فَكَانَ لاَ يَمُرُّ بِرَجُلٍ إِلاَّ نَادَاهُ بِالصَّلاَةِ أَوْ حَرَّكَهُ بِرِجْلِهِ . قَالَ زِيَادٌ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو الْفُضَيْلِ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১২৬৫
আন্তর্জাতিক নং: ১২৬৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৯. কেউ ফজরের সুন্নত নামায আদায়ের পূর্বে ইমামকে জামাআতে নামাযরত পেলে।
১২৬৫. সুলাইমান ইবনে হারব (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ ইবনে সারজিস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি মসজিদে এসে দেখতে পায় যে, নবী করীম (ﷺ) জামাআত শুরু করে দিয়েছেন। লোকটি একাকী দুই রাকআত নামায পড়ার পর নবী করীম (ﷺ) এর সাথে জামাআতে শরীক হয়। নামায শেষে তিনি বলেনঃ তুমি কোন নামায আদায়ের উদ্দেশে মসজিদে এসেছ? যে নামায একাকী পড়েছ না যা আমাদের সাথে আদায় করেছ?
كتاب الصلاة
باب إِذَا أَدْرَكَ الإِمَامَ وَلَمْ يُصَلِّ رَكْعَتَىِ الْفَجْرِ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَرْجِسَ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ وَالنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الصُّبْحَ فَصَلَّى الرَّكْعَتَيْنِ ثُمَّ دَخَلَ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الصَّلاَةِ فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ " يَا فُلاَنُ أَيَّتُهُمَا صَلاَتُكَ الَّتِي صَلَّيْتَ وَحْدَكَ أَوِ الَّتِي صَلَّيْتَ مَعَنَا " .
হাদীস নং: ১২৬৬
আন্তর্জাতিক নং: ১২৬৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৯. কেউ ফজরের সুন্নত নামায আদায়ের পূর্বে ইমামকে জামাআতে নামাযরত পেলে।
১২৬৬. মুসলিম ইবনে ইবরাহীম, আহমাদ ইবনে হাম্বল ও আল হাসান ইবনে আলী (রাহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনুল মুতাওাক্কিল প্রমুখ সূত্রে আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ ফরজ নামাযের ইকামত হয়ে যাওয়ার পর ফরয ব্যতিত আর কোন নামায পড়া দুরস্ত নয়।
كتاب الصلاة
باب إِذَا أَدْرَكَ الإِمَامَ وَلَمْ يُصَلِّ رَكْعَتَىِ الْفَجْرِ
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ وَرْقَاءَ، ح وَحَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، ح وَحَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُتَوَكِّلِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ إِسْحَاقَ، كُلُّهُمْ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَلاَ صَلاَةَ إِلاَّ الْمَكْتُوبَةُ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৬৭
আন্তর্জাতিক নং: ১২৬৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০০. যদি কারো ফজরের সুন্নত বাদ পড়ে তবে সে তা কখন পড়বে?
১২৬৭. উসমান ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) ..... কায়েস ইবনে আমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দেখতে পান যে, এক ব্যক্তি ফজরের ফরয নামায আদায়ের পর দুই রাকআত নামায আদায় করছে। মহানবী (ﷺ) বলেন, ফজরের নামায দুই রাকআত। তখন ঐ ব্যক্তি বলেন, আমি ইতিপূর্বে ফজরের দুই রাকআত সুন্নত আদায় করতে পারিনি, তা এখন আদায় করছি। তাঁর কথায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিরব থাকেন।
كتاب الصلاة
باب مَنْ فَاتَتْهُ مَتَى يَقْضِيهَا
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ سَعِيدٍ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ قَيْسِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ رَأَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاً يُصَلِّي بَعْدَ صَلاَةِ الصُّبْحِ رَكْعَتَيْنِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " صَلاَةُ الصُّبْحِ رَكْعَتَانِ " . فَقَالَ الرَّجُلُ إِنِّي لَمْ أَكُنْ صَلَّيْتُ الرَّكْعَتَيْنِ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا فَصَلَّيْتُهُمَا الآنَ . فَسَكَتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১২৬৮
আন্তর্জাতিক নং: ১২৬৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০০. যদি কারো ফজরের সুন্নত বাদ পড়ে তবে সে তা কখন পড়বে?
১২৬৮. হামেদ ইবনে ইয়াহিয়া আল-বালখী (রাহঃ) ..... আতা ইবনে আবু রাবাহ (রাহঃ) সাদ ইবনে সাইদ (রাযিঃ) হতে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
كتاب الصلاة
باب مَنْ فَاتَتْهُ مَتَى يَقْضِيهَا
دَّثَنَا حَامِدُ بْنُ يَحْيَى الْبَلْخِيُّ، قَالَ قَالَ سُفْيَانُ كَانَ عَطَاءُ بْنُ أَبِي رَبَاحٍ يُحَدِّثُ بِهَذَا الْحَدِيثِ عَنْ سَعْدِ بْنِ سَعِيدٍ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَى عَبْدُ رَبِّهِ وَيَحْيَى ابْنَا سَعِيدٍ هَذَا الْحَدِيثَ مُرْسَلاً أَنَّ جَدَّهُمْ زَيْدًا صَلَّى مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذِهِ الْقِصَّةِ»
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১২৬৯
আন্তর্জাতিক নং: ১২৬৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০১. যোহরের আগে ও পরে চার রাকআত নামায।
১২৬৯. মুয়াম্মাল ইবনুল ফাদল (রাহঃ) ..... রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর স্ত্রী উম্মে হাবীবা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ যে ব্যক্তি যোহরের ফরয নামাযের পূর্বে এবং পরে চার রাকআত করে নামায পড়বে তাঁর জন্য দোযখের আগুন হারাম হবে।
كتاب الصلاة
باب الأَرْبَعُ قَبْلَ الظُّهْرِ وَبَعْدَهَا
حَدَّثَنَا مُؤَمَّلُ بْنُ الْفَضْلِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ شُعَيْبٍ، عَنِ النُّعْمَانِ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ عَنْبَسَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ، قَالَ قَالَتْ أُمُّ حَبِيبَةَ زَوْجُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ حَافَظَ عَلَى أَرْبَعِ رَكَعَاتٍ قَبْلَ الظُّهْرِ وَأَرْبَعٍ بَعْدَهَا حَرُمَ عَلَى النَّارِ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ الْعَلاَءُ بْنُ الْحَارِثِ وَسُلَيْمَانُ بْنُ مُوسَى عَنْ مَكْحُولٍ بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১২৭০
আন্তর্জাতিক নং: ১২৭০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০১. যোহরের আগে ও পরে চার রাকআত নামায।
১২৭০. ইবনুল মুসান্না (রাহঃ) ..... আবু আইয়ুব (রাযিঃ) নবী করীম (ﷺ) হতে বর্ণনা করেন যে, যোহরের ফরয নামাযের পূর্বে এক সালামের সাথে যে ব্যক্তি চার রাকআত নামায পড়বে এর বদৌলতে তাঁর জন্য আকাশের দরজাসমূহ উন্মুক্ত হবে।
كتاب الصلاة
باب الأَرْبَعُ قَبْلَ الظُّهْرِ وَبَعْدَهَا
حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ سَمِعْتُ عُبَيْدَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ ابْنِ مِنْجَابٍ، عَنْ قَرْثَعٍ، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " أَرْبَعٌ قَبْلَ الظُّهْرِ لَيْسَ فِيهِنَّ تَسْلِيمٌ تُفْتَحُ لَهُنَّ أَبْوَابُ السَّمَاءِ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ بَلَغَنِي عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الْقَطَّانِ قَالَ لَوْ حَدَّثْتُ عَنْ عُبَيْدَةَ بِشَىْءٍ لَحَدَّثْتُ عَنْهُ بِهَذَا الْحَدِيثِ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ عُبَيْدَةُ ضَعِيفٌ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ ابْنُ مِنْجَابٍ هُوَ سَهْمٌ .