কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ

كتاب السنن للإمام أبي داود

২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১১৬৫ টি

হাদীস নং: ১২৩১
আন্তর্জাতিক নং: ১২৩১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৮৪. মুসাফির কখন পুরা নামায আদায় করবে?
১২৩১. আন-নুফায়লি (রাহঃ) ....... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মক্কা বিজয়ের সময় সেখানে পনের দিন অবস্থান করেন এবং সে সময় তিনি নামায “কসর” করেন।
كتاب الصلاة
باب مَتَى يُتِمُّ الْمُسَافِرُ
حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ أَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمَكَّةَ عَامَ الْفَتْحِ خَمْسَ عَشْرَةَ يَقْصُرُ الصَّلاَةَ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ وَأَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ الْوَهْبِيُّ وَسَلَمَةُ بْنُ الْفَضْلِ عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ لَمْ يَذْكُرُوا فِيهِ ابْنَ عَبَّاسٍ .
হাদীস নং: ১২৩২
আন্তর্জাতিক নং: ১২৩২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৮৪. মুসাফির কখন পুরা নামায আদায় করবে?
১২৩২. নসর ইবনে আলি (রাহঃ) ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মক্কাতে সতের দিন অবস্থানকালে ফরয নামায চার রাকআতের স্থলে দুই রাকআত আদায় করেন।
كتاب الصلاة
باب مَتَى يُتِمُّ الْمُسَافِرُ
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، أَخْبَرَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنِ ابْنِ الأَصْبَهَانِيِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَقَامَ بِمَكَّةَ سَبْعَ عَشْرَةَ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ .
হাদীস নং: ১২৩৩
আন্তর্জাতিক নং: ১২৩৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৮৪. মুসাফির কখন পুরা নামায আদায় করবে?
১২৩৩. মুসা ইবনে ইসমাঈল এবং মুসলিম ইবনে ইবরাহীম ..... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে মদীনা হতে মক্কায় রওয়ানা করলাম। আমরা পুনরায় মদীনায় প্রত্যাবর্তনের পূর্ব পর্যন্ত তিনি নামায (চার রাকআত ফরয) দুই রাকআত করে আদায় করেন। রাবী বলেন, আমরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করি, আপনারা সেখানে কত দিন অবস্থান করেন? তিনি বলেন, দশ দিন মাত্র।
كتاب الصلاة
باب مَتَى يُتِمُّ الْمُسَافِرُ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، وَمُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، - الْمَعْنَى - قَالاَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ الْمَدِينَةِ إِلَى مَكَّةَ فَكَانَ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ حَتَّى رَجَعْنَا إِلَى الْمَدِينَةِ فَقُلْنَا هَلْ أَقَمْتُمْ بِهَا شَيْئًا قَالَ أَقَمْنَا بِهَا عَشْرًا .
হাদীস নং: ১২৩৪
আন্তর্জাতিক নং: ১২৩৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৮৪. মুসাফির কখন পুরা নামায আদায় করবে?
১২৩৪. উসমান ইবনে আবি শাঈবা ও ইবনুল মুসান্না (রাহঃ) ..... উমর ইবনে আলী (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী (রাযিঃ) সফরে থাকাকালে সূর্যাস্তের পরে ও অন্ধকার ঘনীভূত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত বাহনে চলার পর প্রথমে মাগরিবের নামায আদায় করতেন, অতঃপর রাতের খাওয়া শেষ করে ইশার নামায আদায় করতেন। অতঃপর সফরের উদ্দেশে পুনরায় রওয়ানা হতেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এইরূপে নামায আদায় করতেন। অপর এক বর্ণনায় আছে যে, আনাস (রাযিঃ) পশ্চিমাকাশের লাল বর্ণ তিরোহিত হওয়ার পর মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করতেন এবং বলতেন, নবী করীম (ﷺ) এরূপ করতেন।
كتاب الصلاة
باب مَتَى يُتِمُّ الْمُسَافِرُ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ الْمُثَنَّى، - وَهَذَا لَفْظُ ابْنِ الْمُثَنَّى - قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، - قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى - قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ عَلِيًّا، - رضى الله عنه - كَانَ إِذَا سَافَرَ سَارَ بَعْدَ مَا تَغْرُبُ الشَّمْسُ حَتَّى تَكَادَ أَنْ تُظْلِمَ ثُمَّ يَنْزِلُ فَيُصَلِّي الْمَغْرِبَ ثُمَّ يَدْعُو بِعَشَائِهِ فَيَتَعَشَّى ثُمَّ يُصَلِّي الْعِشَاءَ ثُمَّ يَرْتَحِلُ وَيَقُولُ هَكَذَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصْنَعُ . قَالَ عُثْمَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ عَلِيٍّ سَمِعْتُ أَبَا دَاوُدَ يَقُولُ وَرَوَى أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ حَفْصِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ يَعْنِي ابْنَ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ أَنَسًا كَانَ يَجْمَعُ بَيْنَهُمَا حِينَ يَغِيبُ الشَّفَقُ وَيَقُولُ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَصْنَعُ ذَلِكَ وَرِوَايَةُ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلُهُ .
হাদীস নং: ১২৩৫
আন্তর্জাতিক নং: ১২৩৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৮৫. শত্রুর দেশে অবস্থানকালে নামায কসর করা।
১২৩৫. আহমাদ ইবনে হাম্বল (রাহঃ) ....... জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তাবুকের যুদ্ধের সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সেখানে বিশ দিন অতিবাহিত করা কালে নামায কসর করেন।
كتاب الصلاة
باب إِذَا أَقَامَ بِأَرْضِ الْعَدُوِّ يَقْصُرُ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبَانَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ أَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِتَبُوكَ عِشْرِينَ يَوْمًا يَقْصُرُ الصَّلاَةَ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ غَيْرُ مَعْمَرٍ لاَ يُسْنِدُهُ .
হাদীস নং: ১২৩৬
আন্তর্জাতিক নং: ১২৩৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৮৬. শঙ্কাকালীন নামায।

ভয় ভীতির সময় যুদ্ধক্ষেত্রে নামায পড়ার পদ্ধতি এই যে, ইমাম মুসল্লীদেরকে দুই ভাগে (কাতারে) বিভক্ত করবেন এবং সকলে মিলে একত্রে তাকবীর পাঠের পর নামায আরম্ভ করবেন, অতঃপর সকলে একত্রে রুকূও করবে। অতঃপর ইমাম তাঁর নিকটবর্তী কাতারের লোকদের নিয়ে (প্রথম রাকআতের জন্য) দুইটি সিজদা করবেন। তখন পিছন কাতারের লোকজন পাহারায় মোতায়েন থাকবে। অতঃপর প্রথম কাতারের মুসল্লীরা সিজদা হতে দাঁড়াবে, তখন দ্বিতীয় কাতারের লোকজন নিজেরাই (প্রথম রাকআতের জন্য) দুইটি সিজদা করে নিবে।

অতঃপর ইমামের নিকটবর্তী মুসল্লীরা (প্রথম কাতারের) পিছনে সরে যাবে এবং পিছনের কাতারের (দ্বিতীয় সারির) লোকজন তাদের স্থানে এসে দণ্ডায়মান হবে। এই সময় ইমাম সকলকে নিয়ে রুকু করবে এবং পরে তাঁর নিকটবর্তী মুসল্লীদের নিয়ে সিজদা করবে। এসময় পিছনের কাতারের লোকেরা পাহারায় মোতায়েন থাকে। অতঃপর ইমাম যখন প্রথম সারির লোকদের সাথে বসবে তখন দ্বিতীয় সারির লোকেরা (দ্বিতীয় রাকআতের জন্য) সিজদা করবে। অতঃপর সকলে একত্রে বসে সালাম ফিরিয়ে নামায শেষ করবে।
১২৩৬. সাইদ ইবনে মানসুর (রাহঃ) ..... আবু আয়্যাশ আয-যুরাকি (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে উসফান নামক স্থানে (জুহফা ও মক্কার মধ্যে) ছিলাম। ঐ সময় খালিদ ইবনে ওয়ালিদ (রাযিঃ) মুশরিকদের দলভুক্ত ছিলেন। অতঃপর আমরা যখন যোহরের নামায জামাআতে আদায় করি, তখন মুশরিকরা বলাবলি করতে থাকেঃ আমরা ধোঁকা ও গাফলতের মধ্যে আছি। যদি আমরা তাদেরকে (মুসলমান) তাদের নামাযের অবস্থায় হামলা করতাম (তবে খুবই উত্তম হত)। এসময় যোহর ও আসরের মধ্যবর্তী সময়ে কসরের আয়াত নাযিল হয়। অতঃপর আসরের নামাযের সময় হলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কিবলা মুখী হয়ে মুশরিকদের মুখোমুখি অবস্থায় দাঁড়ান। এ সময় নামাযের উদ্দেশ্যে তাঁর পিছনে পর পর দুইটি সফ (কাতার) বেঁধে (সকলে দণ্ডায়মান হলে তিনি নামায শুরু করে) সকলকে নিয়ে এক সঙ্গে রুকূতে যান।

অতঃপর (প্রথম রাকআতের) সিজদার সময় কেবলমাত্র প্রথম কাতারের লোকজন (তাঁর সাথে) সিজদায় যায় এবং দ্বিতীয় কাতারের লোকজন তাঁদের পাহারায় মোতায়েন থাকে। অতপর প্রথম কাতারের লোকেরা সিজদা শেষে দণ্ডায়মান হলে দ্বিতীয় কাতারের লোকজন নিজেরাই (প্রথম রাকআতের) স্ব-স্ব সিজদা আদায় করেন। অতঃপর প্রথম কাতারের লোকজন পিছনে সরে এলে তথায় দ্বিতীয় কাতারের লোকজন এসে দাঁড়ায়। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে সকলে একসঙ্গে দ্বিতীয় রাকআতের রুকু আদায় করার পর তিনি তাঁর নিকটবর্তী কাতারের লোকদের নিয়ে (দ্বিতীয় রাকআতের) সিজদায় যান। এই সময় পিছনের কাতারের লোকেরা তাঁদের পাহারায় নিযুক্ত থাকে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর নিকটবর্তী লোকদের নিয়ে (সিজদা শেষে) যখন বসেন তখন পিছনের কাতারের লোকেরা স্ব স্ব সিজদা আদায় করে বসে পড়েন। তখন তিনি তাঁদের সাথে একত্রে সালাম ফিরিয়ে নামায শেষ করেন। একইভাবে তিনি উসফান ও সুলায়ম গোত্রের বিরুদ্ধে অভিযান কালে নামায আদায় করেন।
كتاب الصلاة
باب صَلاَةِ الْخَوْفِ
مَنْ رَأَى أَنْ يُصَلِّيَ بِهِمْ وَهُمْ صَفَّانِ, فَيُكَبِّرُ بِهِمْ جَمِيعًا, ثُمَّ يَرْكَعُ بِهِمْ جَمِيعًا, ثُمَّ يَسْجُدُ الإِمَامُ, وَالصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ, وَالآخَرُونَ قِيَامٌ يَحْرُسُونَهُمْ (1), فَإِذَا قَامُوا سَجَدَ الآخَرُونَ, الَّذِينَ كَانُوا خَلْفَهُمْ, ثُمَّ تَأَخَّرَ الصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ, إِلَى مَقَامِ الآخَرِينَ, وَتَقَدَّمَ (2) الصَّفُّ الأَخِيرُ إِلَى مَقَامِهِمْ, ثُمَّ يَرْكَعُ الإِمَامُ وَيَرْكَعُونَ جَمِيعًا, ثُمَّ يَسْجُدُ وَيَسْجُدُ الصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ, وَالآخَرُونَ يَحْرُسُونَهُمْ, فَإِذَا جَلَسَ الإِمَامُ وَالصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ, سَجَدَ الآخَرُونَ, ثُمَّ جَلَسُوا جَمِيعًا, ثُمَّ سَلَّمَ عَلَيْهِمْ جَمِيعًا.
قَالَ أَبُو دَاوُدَ: هَذَا قَوْلُ سُفْيَانَ.
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ أَبِي عَيَّاشٍ الزُّرَقِيِّ، قَالَ كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِعُسْفَانَ وَعَلَى الْمُشْرِكِينَ خَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ فَصَلَّيْنَا الظُّهْرَ فَقَالَ الْمُشْرِكُونَ لَقَدْ أَصَبْنَا غِرَّةً لَقَدْ أَصَبْنَا غَفْلَةً لَوْ كُنَّا حَمَلْنَا عَلَيْهِمْ وَهُمْ فِي الصَّلاَةِ فَنَزَلَتْ آيَةُ الْقَصْرِ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ فَلَمَّا حَضَرَتِ الْعَصْرُ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُسْتَقْبِلَ الْقِبْلَةِ وَالْمُشْرِكُونَ أَمَامَهُ فَصَفَّ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَفٌّ وَصَفَّ بَعْدَ ذَلِكَ الصَّفِّ صَفٌّ آخَرُ فَرَكَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَرَكَعُوا جَمِيعًا ثُمَّ سَجَدَ وَسَجَدَ الصَّفُّ الَّذِينَ يَلُونَهُ وَقَامَ الآخَرُونَ يَحْرُسُونَهُمْ فَلَمَّا صَلَّى هَؤُلاَءِ السَّجْدَتَيْنِ وَقَامُوا سَجَدَ الآخَرُونَ الَّذِينَ كَانُوا خَلْفَهُمْ ثُمَّ تَأَخَّرَ الصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ إِلَى مَقَامِ الآخَرِينَ وَتَقَدَّمَ الصَّفُّ الأَخِيرُ إِلَى مَقَامِ الصَّفِّ الأَوَّلِ ثُمَّ رَكَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَرَكَعُوا جَمِيعًا ثُمَّ سَجَدَ وَسَجَدَ الصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ وَقَامَ الآخَرُونَ يَحْرُسُونَهُمْ فَلَمَّا جَلَسَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ سَجَدَ الآخَرُونَ ثُمَّ جَلَسُوا جَمِيعًا فَسَلَّمَ عَلَيْهِمْ جَمِيعًا فَصَلاَّهَا بِعُسْفَانَ وَصَلاَّهَا يَوْمَ بَنِي سُلَيْمٍ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَى أَيُّوبُ وَهِشَامٌ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ هَذَا الْمَعْنَى عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَكَذَلِكَ رَوَاهُ دَاوُدُ بْنُ حُصَيْنٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَكَذَلِكَ عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ جَابِرٍ وَكَذَلِكَ قَتَادَةُ عَنِ الْحَسَنِ عَنْ حِطَّانَ عَنْ أَبِي مُوسَى فِعْلَهُ وَكَذَلِكَ عِكْرِمَةُ بْنُ خَالِدٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَكَذَلِكَ هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ قَوْلُ الثَّوْرِيِّ .
tahqiq

তাহকীক:

rabi
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১২৩৭
আন্তর্জাতিক নং: ১২৩৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৮৭. যেসব বিশেষজ্ঞ আলেম বলেন, শংকাকালীন সময়ে এক কাতার (দল) ইমামের সাথে নামায পড়বে এবং অপর কাতার শত্রুর মোকাবিলায় দণ্ডায়মান থাকবে। তাঁদের অভিমত এই যে, যারা ইমামের নিকটবর্তী থাকবে, ইমাম তাদেরকে নিয়ে এক রাকআত (প্রথম রাকআত) নামায আদায় করে ততক্ষণ দণ্ডায়মান থাকবেন, যতক্ষণ না তাঁর সাথে নামায আদায়কারীরা নিজ নিজ দ্বিতীয় রাকআত নামায সম্পন্ন করবে। অতঃপর তাঁরা শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সৃষ্টি করতে যাবে, যারা ঐ দায়িত্বে নিয়োজিত তাঁরা এসে ইমামের পিছনে দাঁড়াবে। তখন ইমাম তাদেরকে নিয়ে এক রাকআত (অর্থাৎ ইমামের দ্বিতীয় রাকআত) নামায আদায় করে ততক্ষণ বসবেন, যতক্ষণ না পিছনে আগমনকারীরা তাঁদের দ্বিতীয় রাকআত নামায আদায় সম্পন্ন করে। অতঃপর ইমাম সকলকে (উভয় দলকে) নিয়ে সালাম ফিরাবে।
১২৩৭. উবাইদুল্লাহ ইবনে মুআয (রাহঃ) ......... সাহল ইবনে আবী হাসমা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী করীম (ﷺ) তাঁর সাহাবীদের সঙ্গে নিয়ে ভীত সন্ত্রস্ত অবস্থায় নামায আদায় করেন। ঐ সময় তিনি তাঁর পিছনে দুই সারিতে লোকদের দাঁড় করান। অতঃপর তিনি তাঁর নিকটবর্তী সারির লোকদের নিয়ে এক রাকআত নামায আদায় করেন। অতঃপর তিনি দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তাঁর সাথে নামায আদায়কারীগণ স্ব-স্ব দ্বিতীয় রাকআত আদায় করেন। অতঃপর তাঁরা পশ্চাতে সরে গেলে পিছনের সারির লোকেরা সামনে এসে দাঁড়ালে তিনি তাদেরকে নিয়ে আরও এক রাকআত নামায আদায় করেন। অতঃপর তিনি বসে থাকা অবস্থায় পিছনে আগমনকারীরা তাঁদের দ্বিতীয় রাকআত আদায় করেন। অতঃপর তিনি সকলকে নিয়ে সালাম ফিরান।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ يَقُومُ صَفٌّ مَعَ الإِمَامِ وَصَفٌّ وِجَاهَ الْعَدُوِّ, فَيُصَلِّي بِالَّذِينَ يَلُونَهُ رَكْعَةً, ثُمَّ يَقُومُ قَائِمًا, حَتَّى يُصَلِّيَ الَّذِينَ مَعَهُ رَكْعَةً أُخْرَى, ثُمَّ يَنْصَرِفُوا فَيَصُفُّوا وِجَاهَ الْعَدُوِّ, وَتَجِيءُ الطَّائِفَةُ الأُخْرَى, فَيُصَلِّي بِهِمْ رَكْعَةً, وَيَثْبُتُ جَالِسًا, فَيُتِمُّونَ لأَنْفُسِهِمْ رَكْعَةً أُخْرَى, ثُمَّ يُسَلِّمُ بِهِمْ جَمِيعًا.
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى بِأَصْحَابِهِ فِي خَوْفٍ فَجَعَلَهُمْ خَلْفَهُ صَفَّيْنِ فَصَلَّى بِالَّذِينَ يَلُونَهُ رَكْعَةً ثُمَّ قَامَ فَلَمْ يَزَلْ قَائِمًا حَتَّى صَلَّى الَّذِينَ خَلْفَهُمْ رَكْعَةً ثُمَّ تَقَدَّمُوا وَتَأَخَّرَ الَّذِينَ كَانُوا قُدَّامَهُمْ فَصَلَّى بِهِمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم رَكْعَةً ثُمَّ قَعَدَ حَتَّى صَلَّى الَّذِينَ تَخَلَّفُوا رَكْعَةً ثُمَّ سَلَّمَ .
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৩৮
আন্তর্জাতিক নং: ১২৩৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৮৮. যেসব বিশেষজ্ঞ আলেম বলেন, শংকাকালীন সময়ে ইমাম এক দলকে নিয়ে এক রাকআত আদায় করে দাঁড়িয়ে থাকবেন এবং তাঁর সাথীগণ নিজ নিজ দ্বিতীয় রাকআত আদায় করে সালাম ফিরিয়ে শত্রুর মুকাবিলায় চলে যাবে এবং সালামের ব্যপারে মতভেদ আছে।
১২৩৮. আল কানবী (রাহঃ) ..... সালেহ ইবনে খাওয়াত (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি যাতুর-রিকা নামক স্থানে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে শংকাকালীন নামায আদায়কারী সাহাবীদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। সেখানে তাঁরা এই পদ্ধতিতে নামায আদায় করেন যে, এক দল তাঁর সাথে নামাযে রত ছিলেন এবং অপর দল শত্রুর মুকাবেলায় নিয়োজিত ছিলেন। তখন তিনি দাঁড়িয়ে থাকেন আর সাথীরা নিজ নিজ দ্বিতীয় রাকআত নামায আদায় করে শত্রুর মুকাবিলার জন্য গমন করেন। তখন অপর দলটি (যারা শত্রুর মুকাবেলায় নিযুক্ত ছিল) এসে তাঁর পশ্চাতে দণ্ডায়মান হলে তিনি তাদেরকে নিয়ে দ্বিতীয় রাকআত আদায় করেন। অতঃপর তিনি বসে থাকেন আর তাঁর সাথীরা তাঁদের স্ব-স্ব দ্বিতীয় রাকআত আদায় করেন। পরে তিনি দ্বিতীয় দলের সাথে সালাম ফিরিয়ে নামায শেষ করেন।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ إِذَا صَلَّى رَكْعَةً وَثَبَتَ قَائِمًا أَتَمُّوا لأَنْفُسِهِمْ رَكْعَةً ثُمَّ سَلَّمُوا ثُمَّ انْصَرَفُوا فَكَانُوا وِجَاهَ الْعَدُوِّ وَاخْتُلِفَ فِي السَّلاَمِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ، عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ، عَمَّنْ صَلَّى مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ ذَاتِ الرِّقَاعِ صَلاَةَ الْخَوْفِ أَنَّ طَائِفَةً صَفَّتْ مَعَهُ وَطَائِفَةً وِجَاهَ الْعَدُوِّ فَصَلَّى بِالَّتِي مَعَهُ رَكْعَةً ثُمَّ ثَبَتَ قَائِمًا وَأَتَمُّوا لأَنْفُسِهِمْ ثُمَّ انْصَرَفُوا وَصَفُّوا وِجَاهَ الْعَدُوِّ وَجَاءَتِ الطَّائِفَةُ الأُخْرَى فَصَلَّى بِهِمُ الرَّكْعَةَ الَّتِي بَقِيَتْ مِنْ صَلاَتِهِ ثُمَّ ثَبَتَ جَالِسًا وَأَتَمُّوا لأَنْفُسِهِمْ ثُمَّ سَلَّمَ بِهِمْ . قَالَ مَالِكٌ وَحَدِيثُ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ أَحَبُّ مَا سَمِعْتُ إِلَىَّ .
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৩৯
আন্তর্জাতিক নং: ১২৩৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৮৮. যেসব বিশেষজ্ঞ আলেম বলেন, শংকাকালীন সময়ে ইমাম এক দলকে নিয়ে এক রাকআত আদায় করে দাঁড়িয়ে থাকবেন এবং তাঁর সাথীগণ নিজ নিজ দ্বিতীয় রাকআত আদায় করে সালাম ফিরিয়ে শত্রুর মুকাবিলায় চলে যাবে এবং সালামের ব্যপারে মতভেদ আছে।
১২৩৯. আল কানবী (রাহঃ) ..... সাহল ইবনে আবু হাসমা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ভয় ভীতির সময়ে নামাযের নিয়ম এই যে, ইমাম এক দল লোক নিয়ে নামাযে দাঁড়াবে এবং অপর দল দুশমনের মুকাবেলায় নিয়োজিত থাকবে। অতঃপর ইমাম তাঁর নিকটতম সাথীদের সাথে এক রাকআত নামায রুকু সিজদা সহ আদায় করবে এবং পরে ইমাম দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তাঁর এই সঙ্গীগণ স্ব স্ব দ্বিতীয় রাকআত আদায় করবে এবং সালাম শেষে তাঁরা চলে গিয়ে দুশমনের মুকাবিলা করবে। ঐ সময় যারা দুশমনের মুকাবিলায় নিয়োজিত ছিল তাঁরা এসে তাকবীর পাঠানতে ইমামের পশ্চাতে দণ্ডায়মান হবে। তখন ইমাম তাঁদের সাথে রুকু ও সিজদা করে (দ্বিতীয় রাকআত আদায়ের পর) সালাম ফিরাবে। ঐ সময় তাঁর সঙ্গীরা দণ্ডায়মান হয়ে স্ব স্ব বাকী নামায আদায় করে সালাম ফিরাবে।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ إِذَا صَلَّى رَكْعَةً وَثَبَتَ قَائِمًا أَتَمُّوا لأَنْفُسِهِمْ رَكْعَةً ثُمَّ سَلَّمُوا ثُمَّ انْصَرَفُوا فَكَانُوا وِجَاهَ الْعَدُوِّ وَاخْتُلِفَ فِي السَّلاَمِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ الأَنْصَارِيِّ، أَنَّ سَهْلَ بْنَ أَبِي حَثْمَةَ الأَنْصَارِيَّ، حَدَّثَهُ أَنَّ صَلاَةَ الْخَوْفِ أَنْ يَقُومَ الإِمَامُ وَطَائِفَةٌ مِنْ أَصْحَابِهِ وَطَائِفَةٌ مُوَاجِهَةَ الْعَدُوِّ فَيَرْكَعُ الإِمَامُ رَكْعَةً وَيَسْجُدُ بِالَّذِينَ مَعَهُ ثُمَّ يَقُومُ فَإِذَا اسْتَوَى قَائِمًا ثَبَتَ قَائِمًا وَأَتَمُّوا لأَنْفُسِهِمُ الرَّكْعَةَ الْبَاقِيَةَ ثُمَّ سَلَّمُوا وَانْصَرَفُوا وَالإِمَامُ قَائِمٌ فَكَانُوا وِجَاهَ الْعَدُوِّ ثُمَّ يُقْبِلُ الآخَرُونَ الَّذِينَ لَمْ يُصَلُّوا فَيُكَبِّرُونَ وَرَاءَ الإِمَامِ فَيَرْكَعُ بِهِمْ وَيَسْجُدُ بِهِمْ ثُمَّ يُسَلِّمُ فَيَقُومُونَ فَيَرْكَعُونَ لأَنْفُسِهِمُ الرَّكْعَةَ الْبَاقِيَةَ ثُمَّ يُسَلِّمُونَ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَأَمَّا رِوَايَةُ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنِ الْقَاسِمِ نَحْوُ رِوَايَةِ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ إِلاَّ أَنَّهُ خَالَفَهُ فِي السَّلاَمِ وَرِوَايَةُ عُبَيْدِ اللَّهِ نَحْوُ رِوَايَةِ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ قَالَ وَيَثْبُتُ قَائِمًا .
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৪০
আন্তর্জাতিক নং: ১২৪০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৮৯. এক দল বিশেষজ্ঞ আলেম বলেন, শংকাকালীন নামায পড়া কালে সকলকে এক সঙ্গে তাকবীর তাহরীমা বলতে হবে, যদি এক দলের কিবলা তাঁদের পশ্চাতে পড়ে। অতঃপর যারা ইমামের নিকটবর্তী থাকবে তিনি তাঁদের সাথে এক রাকআত আদায় করবেন। পড়ে অপর দল এসে নিজ নিজ এক রাকআত আদায় করার পর ইমাম তাদেরকে নিয়ে দ্বিতীয় রাকআত আদায় করে বসে থাকবেন। তখন প্রথম রাকআত ইমামের সাথে আদায়কারীগণ ফিরে এসে স্ব স্ব দ্বিতীয় রাকআত আদায় করবে। অতঃপর ইমাম তাঁদের সাথে সালাম ফিরিয়ে নামায শেষ করবে।
১২৪০. আল হাসান ইবনে আলী (রাহঃ) ..... মারওান ইবনুল-হাকাম হতে বর্ণিত। তিনি আবু হুরায়রা (রাযিঃ) জিজ্ঞাসা করেন, আপনি কি কখনও রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে ভয় ভীতির সময় নামায আদায় করেছেন? আবু হুরায়রা (রাযিঃ) বলেন, হ্যাঁ। মারওান পুনরায় জিজ্ঞাসা করেন, কখন? তিনি বলেন, যাতুর-রিকার যুদ্ধের সময়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আসরের নামায আদায়ের জন্য দাঁড়ালে একদল তাঁর সাথে নামাযে দাঁড়ায় এবং অপর দল কিবলার দিকে পিঠ ফিরিয়ে শত্রুর মুকাবিলায় নিয়োজিত থাকে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আল্লাহু আকবার বললে যারা তাঁর সাথে ছিলেন এবং যারা শত্রুর মুকাবিলায় নিয়োজিত ছিলেন সকলে তাকবীর বলেন।

তিনি তাঁর নিকটবর্তী লোকদের সঙ্গে নিয়ে প্রথম রাকআতের সিজদাহ করেন এবং অপর দল শত্রুর মুকাবিলায় নিয়োজিত থাকে। অতঃপর তিনি দ্বিতীয় রাকআতের জন্য দাঁড়ান এবং তাঁর সাথীগণ দুশমনের মুকাবিলায় যান এবং যারা ঐ দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন তাঁরা এসে একাকী প্রথম রাকআতের রুকু ও সিজদা করে দ্বিতীয় রাকআতের জন্য তাঁর পশ্চাতে দণ্ডায়মান হন। তখন তিনি তাঁদের সাথে একত্রে দ্বিতীয় রাকআতের রুকু সিজদা করে বসে থাকেন। এই সময়ে যারা দুশমনের মুকাবিলায় নিয়োজিত ছিল তাঁরা ফিরে এসে নিজ নিজ রুকু সিজদা করে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর পিছনে বসেন। অতঃপর তিনি সকলকে নিয়ে সালাম ফিরিয়ে নামায শেষ করেন। রাবী বলেন, এই সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর দুই রাকআত নামাযই জামাআতের সাথে আদায় করেন, কিন্তু তাঁর সাহাবীদের (প্রতিটি দলের) নামায জামাআতের সাথে এক রাকআত করে আদায় হয়েছে।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ يُكَبِّرُونَ جَمِيعًا وَإِنْ كَانُوا مُسْتَدْبِرِي الْقِبْلَةِ, ثُمَّ يُصَلِّي بِمَنْ مَعَهُ رَكْعَةً, ثُمَّ يَأْتُونَ مَصَافَّ أَصْحَابِهِمْ, وَيَجِيءُ الآخَرُونَ فَيَرْكَعُونَ لأَنْفُسِهِمْ رَكْعَةً, ثُمَّ يُصَلِّي بِهِمْ رَكْعَةً, ثُمَّ تُقْبِلُ الطَّائِفَةُ الَّتِي كَانَتْ مُقَابِلَ الْعَدُوِّ, فَيُصَلُّونَ لأَنْفُسِهِمْ رَكْعَةً, وَالإِمَامُ قَاعِدٌ, ثُمَّ يُسَلِّمُ بِهِمْ كُلِّهِمْ [جميعا]
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِئُ، حَدَّثَنَا حَيْوَةُ، وَابْنُ، لَهِيعَةَ قَالاَ أَخْبَرَنَا أَبُو الأَسْوَدِ، أَنَّهُ سَمِعَ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ، يُحَدِّثُ عَنْ مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ، أَنَّهُ سَأَلَ أَبَا هُرَيْرَةَ هَلْ صَلَّيْتَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلاَةَ الْخَوْفِ قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ نَعَمْ . قَالَ مَرْوَانُ مَتَى فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ عَامَ غَزْوَةِ نَجْدٍ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى صَلاَةِ الْعَصْرِ فَقَامَتْ مَعَهُ طَائِفَةٌ وَطَائِفَةٌ أُخْرَى مُقَابِلَ الْعَدُوِّ ظُهُورُهُمْ إِلَى الْقِبْلَةِ فَكَبَّرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَكَبَّرُوا جَمِيعًا الَّذِينَ مَعَهُ وَالَّذِينَ مُقَابِلِي الْعَدُوِّ ثُمَّ رَكَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَكْعَةً وَاحِدَةً وَرَكَعَتِ الطَّائِفَةُ الَّتِي مَعَهُ ثُمَّ سَجَدَ فَسَجَدَتِ الطَّائِفَةُ الَّتِي تَلِيهِ وَالآخَرُونَ قِيَامٌ مُقَابِلِي الْعَدُوِّ ثُمَّ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَامَتِ الطَّائِفَةُ الَّتِي مَعَهُ فَذَهَبُوا إِلَى الْعَدُوِّ فَقَابَلُوهُمْ وَأَقْبَلَتِ الطَّائِفَةُ الَّتِي كَانَتْ مُقَابِلِي الْعَدُوِّ فَرَكَعُوا وَسَجَدُوا وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَائِمٌ كَمَا هُوَ ثُمَّ قَامُوا فَرَكَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَكْعَةً أُخْرَى وَرَكَعُوا مَعَهُ وَسَجَدَ وَسَجَدُوا مَعَهُ ثُمَّ أَقْبَلَتِ الطَّائِفَةُ الَّتِي كَانَتْ مُقَابِلِي الْعَدُوِّ فَرَكَعُوا وَسَجَدُوا وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَاعِدٌ وَمَنْ مَعَهُ ثُمَّ كَانَ السَّلاَمُ فَسَلَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَسَلَّمُوا جَمِيعًا فَكَانَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَكْعَتَانِ وَلِكُلِّ رَجُلٍ مِنَ الطَّائِفَتَيْنِ رَكْعَةٌ رَكْعَةٌ .
হাদীস নং: ১২৪১
আন্তর্জাতিক নং: ১২৪১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৮৯. এক দল বিশেষজ্ঞ আলেম বলেন, শংকাকালীন নামায পড়া কালে সকলকে এক সঙ্গে তাকবীর তাহরীমা বলতে হবে, যদি এক দলের কিবলা তাঁদের পশ্চাতে পড়ে। অতঃপর যারা ইমামের নিকটবর্তী থাকবে তিনি তাঁদের সাথে এক রাকআত আদায় করবেন। পড়ে অপর দল এসে নিজ নিজ এক রাকআত আদায় করার পর ইমাম তাদেরকে নিয়ে দ্বিতীয় রাকআত আদায় করে বসে থাকবেন। তখন প্রথম রাকআত ইমামের সাথে আদায়কারীগণ ফিরে এসে স্ব স্ব দ্বিতীয় রাকআত আদায় করবে। অতঃপর ইমাম তাঁদের সাথে সালাম ফিরিয়ে নামায শেষ করবে।
১২৪১. মুহাম্মাদ ইবনে আমর (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে নজদে গমন করি। ঐ সময় আমরা যাতুর-রিকা নামক স্থানের একটি খেজুর বাগানে অবস্থান করি। তখন গাতাফান গোত্রের সাথে আমাদের যুদ্ধ হয়। অতঃপর তিনি পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থ জ্ঞাপক হাদীস বর্ণনা করেন, যদিও কিছু শাব্দিক পার্থক্য রয়েছে।

রাবী ইবনে ইসহাকের বর্ণনায় আছে, ‘যখন তাঁর সাথীগণ রুকু সিজদা করেন’। রাবী আরও বলেন, রাকআত শেষে তাঁরা কিবলার দিকে মুখ রেখে পশ্চাদপসারন করে যারা শত্রুর মুকাবিলায় নিয়োজিত ছিল, তাঁদের স্থানে গিয়ে দণ্ডায়মান হন। উক্ত বর্ণনায় কিবলার দিকে পৃষ্ঠ প্রদর্শনের কথা উল্লেখ নাই।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ يُكَبِّرُونَ جَمِيعًا وَإِنْ كَانُوا مُسْتَدْبِرِي الْقِبْلَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا سَلَمَةُ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، وَمُحَمَّدِ بْنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى نَجْدٍ حَتَّى إِذَا كُنَّا بِذَاتِ الرِّقَاعِ مِنْ نَخْلٍ لَقِيَ جَمْعًا مِنْ غَطَفَانَ فَذَكَرَ مَعْنَاهُ وَلَفْظُهُ عَلَى غَيْرِ لَفْظِ حَيْوَةَ وَقَالَ فِيهِ حِينَ رَكَعَ بِمَنْ مَعَهُ وَسَجَدَ قَالَ فَلَمَّا قَامُوا مَشَوُا الْقَهْقَرَى إِلَى مَصَافِّ أَصْحَابِهِمْ وَلَمْ يَذْكُرِ اسْتِدْبَارَ الْقِبْلَةِ .
হাদীস নং: ১২৪২
আন্তর্জাতিক নং: ১২৪২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৮৯. এক দল বিশেষজ্ঞ আলেম বলেন, শংকাকালীন নামায পড়া কালে সকলকে এক সঙ্গে তাকবীর তাহরীমা বলতে হবে, যদি এক দলের কিবলা তাঁদের পশ্চাতে পড়ে। অতঃপর যারা ইমামের নিকটবর্তী থাকবে তিনি তাঁদের সাথে এক রাকআত আদায় করবেন। পড়ে অপর দল এসে নিজ নিজ এক রাকআত আদায় করার পর ইমাম তাদেরকে নিয়ে দ্বিতীয় রাকআত আদায় করে বসে থাকবেন। তখন প্রথম রাকআত ইমামের সাথে আদায়কারীগণ ফিরে এসে স্ব স্ব দ্বিতীয় রাকআত আদায় করবে। অতঃপর ইমাম তাঁদের সাথে সালাম ফিরিয়ে নামায শেষ করবে।
১২৪২. আবু দাউদ (রাহঃ) ..... আয়িশা (রাযিঃ) হতে ঘটনাটি এভাবে বিবৃত হয়েছেঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর তাকবীরের সাথে সাথেই তাঁর নিকটবর্তী কাতারের লোকেরা তাকবীর বলেন এবং তাঁর সাথে প্রথম রাকআতের রুকু ও সিজদা করেন। অতঃপর তিনি প্রথম সিজদা হতে মাথা উঠাবার সাথে সাথে তারাও মাথা উঠান। প্রথম সিজদা করার পর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বসে থাকেন। এ সময় মুক্তাদিগণ নিজেরাই দ্বিতীয় সিজদা করে শত্রুর মুকাবিলা করার জন্য গমন করে। তখন দ্বিতীয় দল এসে নিজেরা তাকবীর বলে রুকু আদায় করে এবং পরে নবী করীম (ﷺ) এর সাথে সিজদা করে।

অতঃপর তিনি একাকী দণ্ডায়মান হন। তখন মুক্তাদিগণ স্ব-স্ব দ্বিতীয় সিজদা আদায় করে দণ্ডায়মান হয়। অতঃপর উভয় দল একত্রিত হয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে রুকু সিজদা করে পূর্ববর্তী সিজদাটি (যা সকলে বিচ্ছিন্ন ভাবে আদায় করে) জামাআতের সাথে আদায় করেন এবং তা অত্যন্ত দ্রুত গতিতে সম্পন্ন করেন। অতঃপর তিনি এবং তাঁর সাহাবীগণ সালাম ফিরান। এমনিভাবে সকলে জামাআতের অর্ধেক অংশে শরীক হয়ে নামায সম্পন্ন করেন।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ يُكَبِّرُونَ جَمِيعًا وَإِنْ كَانُوا مُسْتَدْبِرِي الْقِبْلَةِ
قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَأَمَّا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعْدٍ فَحَدَّثَنَا قَالَ حَدَّثَنِي عَمِّي، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ، حَدَّثَهُ أَنَّ عَائِشَةَ حَدَّثَتْهُ بِهَذِهِ الْقِصَّةِ، قَالَتْ كَبَّرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَكَبَّرَتِ الطَّائِفَةُ الَّذِينَ صُفُّوا مَعَهُ ثُمَّ رَكَعَ فَرَكَعُوا ثُمَّ سَجَدَ فَسَجَدُوا ثُمَّ رَفَعَ فَرَفَعُوا ثُمَّ مَكَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَالِسًا ثُمَّ سَجَدُوا هُمْ لأَنْفُسِهِمُ الثَّانِيَةَ ثُمَّ قَامُوا فَنَكَصُوا عَلَى أَعْقَابِهِمْ يَمْشُونَ الْقَهْقَرَى حَتَّى قَامُوا مِنْ وَرَائِهِمْ وَجَاءَتِ الطَّائِفَةُ الأُخْرَى فَقَامُوا فَكَبَّرُوا ثُمَّ رَكَعُوا لأَنْفُسِهِمْ ثُمَّ سَجَدَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَسَجَدُوا مَعَهُ ثُمَّ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَسَجَدُوا لأَنْفُسِهِمُ الثَّانِيَةَ ثُمَّ قَامَتِ الطَّائِفَتَانِ جَمِيعًا فَصَلُّوا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَرَكَعَ فَرَكَعُوا ثُمَّ سَجَدَ فَسَجَدُوا جَمِيعًا ثُمَّ عَادَ فَسَجَدَ الثَّانِيَةَ وَسَجَدُوا مَعَهُ سَرِيعًا كَأَسْرَعِ الإِسْرَاعِ جَاهِدًا لاَ يَأْلُونَ سِرَاعًا ثُمَّ سَلَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَسَلَّمُوا فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَدْ شَارَكَهُ النَّاسُ فِي الصَّلاَةِ كُلِّهَا .
হাদীস নং: ১২৪৩
আন্তর্জাতিক নং: ১২৪৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯০. এক দল বিশেষজ্ঞ আলেমের মতে, ইমাম প্রত্যেক দলের সাথে এক রাকআত করে নামায পড়ে সালাম ফিরাবে। অতঃপর প্রত্যেক দল স্বতন্ত্র ভাবে আরও এক রাকআত পড়বে।
১২৪৩. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ..... ইবনে উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক দলকে নিয়ে এক রাকআত নামায আদায় করেন এবং এই সময় দ্বিতীয় দল শত্রুর মুকাবিলায় নিয়োজিত থাকে। অতঃপর প্রথম দলটি শত্রুর মুকাবিলার জন্য গমন করলে দ্বিতীয় দলটি আসার পর তিনি তাঁদের নিয়ে দ্বিতীয় রাকআত আদায় করে সালাম ফিরান। ঐ সময় তাঁরা স্ব-স্ব দ্বিতীয় রাকআত আদায় করে শত্রুর মুকাবিলায় গমন করে। অতঃপর প্রথম দলটি তাঁদের বাকী নামায সম্পন্ন করে।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ يُصَلِّي بِكُلِّ طَائِفَةٍ رَكْعَةً ثُمَّ يُسَلِّمُ فَيَقُومُ كُلُّ صَفٍّ فَيُصَلُّونَ لأَنْفُسِهِمْ رَكْعَةً
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى بِإِحْدَى الطَّائِفَتَيْنِ رَكْعَةً وَالطَّائِفَةُ الأُخْرَى مُوَاجِهَةُ الْعَدُوِّ ثُمَّ انْصَرَفُوا فَقَامُوا فِي مَقَامِ أُولَئِكَ وَجَاءَ أُولَئِكَ فَصَلَّى بِهِمْ رَكْعَةً أُخْرَى ثُمَّ سَلَّمَ عَلَيْهِمْ ثُمَّ قَامَ هَؤُلاَءِ فَقَضَوْا رَكْعَتَهُمْ وَقَامَ هَؤُلاَءِ فَقَضَوْا رَكْعَتَهُمْ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَكَذَلِكَ رَوَاهُ نَافِعٌ وَخَالِدُ بْنُ مَعْدَانَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَكَذَلِكَ قَوْلُ مَسْرُوقٍ وَيُوسُفَ بْنِ مِهْرَانَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَكَذَلِكَ رَوَى يُونُسُ عَنِ الْحَسَنِ عَنْ أَبِي مُوسَى أَنَّهُ فَعَلَهُ .
হাদীস নং: ১২৪৪
আন্তর্জাতিক নং: ১২৪৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯১. এক দল বিশেষজ্ঞ আলেমের মতে, ইমাম প্রথম দলের সাথে এক রাকআত করে নামায পড়ে সালাম ফিরাবে এবং তাঁরা উঠে স্বতন্ত্রভাবে আরেক রাকআত নামায পড়বে। অতঃপর তাঁরা শত্রুর মুকাবিলায় চলে যাবে। এবং পরবর্তী দল এসে তাঁদের স্থানে দাঁড়িয়ে ইমামের সাথে এক রাকআত পড়বে।
১২৪৪. ইমরান ইবনে মায়সারা (রাহঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের সাথে ভয় ভীতির সময় নামায আদায়কালে লোকদের দুই ভাগে বিভক্ত করেন। ঐ সময় একদল তাঁর পশ্চাতে নামাযে দণ্ডায়মান হয় এবং অপর দল শত্রুর মুকাবিলায় নিয়োজিত থাকে। তিনি তাঁর নিকটবর্তী লোকদের সাথে নিয়ে এক রাকআত নামায সম্পন্ন করলে তাঁরা শত্রুর মুকাবিলায় গমন করে এবং অপর দলটি এসে নবী করীম (ﷺ) এর সাথে নামাযে যোগ দেয়। তিনি তাদেরকে সাথে নিয়ে নামাযের দ্বিতীয় রাকআত শেষ করে একাকী সালাম ফিরান। তখন তাঁরা দণ্ডায়মান হয়ে স্ব স্ব দ্বিতীয় রাকআত আদায় করে সালাম ফিরায়। অতঃপর তাঁরা শত্রুর মুকাবিলায় চলে গেলে প্রথম দলটি প্রত্যাবর্তন করে পূর্বে দণ্ডায়মান হওয়ার স্থানে গিয়ে বাকী নামায একাকী আদায় করে সালাম ফিরায়।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ يُصَلِّي بِكُلِّ طَائِفَةٍ رَكْعَةً ثُمَّ يُسَلِّمُ
حَدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ مَيْسَرَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَيْلٍ، حَدَّثَنَا خُصَيْفٌ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلاَةَ الْخَوْفِ فَقَامُوا صَفَّيْنِ صَفٌّ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَصَفٌّ مُسْتَقْبِلَ الْعَدُوِّ فَصَلَّى بِهِمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَكْعَةً ثُمَّ جَاءَ الآخَرُونَ فَقَامُوا مَقَامَهُمْ وَاسْتَقْبَلَ هَؤُلاَءِ الْعَدُوَّ فَصَلَّى بِهِمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم رَكْعَةً ثُمَّ سَلَّمَ فَقَامَ هَؤُلاَءِ فَصَلَّوْا لأَنْفُسِهِمْ رَكْعَةً ثُمَّ سَلَّمُوا ثُمَّ ذَهَبُوا فَقَامُوا مَقَامَ أُولَئِكَ مُسْتَقْبِلِي الْعَدُوِّ وَرَجَعَ أُولَئِكَ إِلَى مَقَامِهِمْ فَصَلَّوْا لأَنْفُسِهِمْ رَكْعَةً ثُمَّ سَلَّمُوا .
হাদীস নং: ১২৪৫
আন্তর্জাতিক নং: ১২৪৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯১. এক দল বিশেষজ্ঞ আলেমের মতে, ইমাম প্রথম দলের সাথে এক রাকআত করে নামায পড়ে সালাম ফিরাবে এবং তাঁরা উঠে স্বতন্ত্রভাবে আরেক রাকআত নামায পড়বে। অতঃপর তাঁরা শত্রুর মুকাবিলায় চলে যাবে। এবং পরবর্তী দল এসে তাঁদের স্থানে দাঁড়িয়ে ইমামের সাথে এক রাকআত পড়বে।
১২৪৫. তামিম ইবনুল মুনতাসির (রাহঃ) .... খুসায়েফ (রাহঃ) হতে এই সনদে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। রাবী বলেন, অতঃপর নবী করীম (ﷺ) তাকবীর বললে উভয় দলই তাঁর সাথে তাকবীর বলে।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ يُصَلِّي بِكُلِّ طَائِفَةٍ رَكْعَةً ثُمَّ يُسَلِّمُ
حَدَّثَنَا تَمِيمُ بْنُ الْمُنْتَصِرِ، أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ، - يَعْنِي ابْنَ يُوسُفَ - عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ خُصَيْفٍ، بِإِسْنَادِهِ وَمَعْنَاهُ . قَالَ فَكَبَّرَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَكَبَّرَ الصَّفَّانِ جَمِيعًا . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ الثَّوْرِيُّ بِهَذَا الْمَعْنَى عَنْ خُصَيْفٍ وَصَلَّى عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَمُرَةَ هَكَذَا إِلاَّ أَنَّ الطَّائِفَةَ الَّتِي صَلَّى بِهِمْ رَكْعَةً ثُمَّ سَلَّمَ مَضَوْا إِلَى مَقَامِ أَصْحَابِهِمْ وَجَاءَ هَؤُلاَءِ فَصَلَّوْا لأَنْفُسِهِمْ رَكْعَةً ثُمَّ رَجَعُوا إِلَى مَقَامِ أُولَئِكَ فَصَلَّوْا لأَنْفُسِهِمْ رَكْعَةً . قَالَ أَبُو دَاوُدَ حَدَّثَنَا بِذَلِكَ مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ حَبِيبٍ قَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي أَنَّهُمْ غَزَوْا مَعَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ كَابُلَ فَصَلَّى بِنَا صَلاَةَ الْخَوْفِ .
হাদীস নং: ১২৪৬
আন্তর্জাতিক নং: ১২৪৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯২. এক দল বিশেষজ্ঞ আলেমের মতে,প্রত্যেক দল ইমামের সাথে এক রাকআত করে নামায পড়বে এবং দ্বিতীয় রাকআত পড়ার প্রয়োজন নেই।
১২৪৬. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... সালাবা ইবনে যাহদাম (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা সাইদ ইবনুল আস (রাযিঃ) এর সাথে তাবারিস্তানে ছিলাম। তিনি সেখানে দণ্ডায়মান হয়ে বলেন, আপনাদের মধ্যে এমন কে আছেন যিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে ভয় ভীতির সময় নামায আদায় করেছেন? হুযাইফা (রাযিঃ) বলেন, আমি তাঁর সাথে সালাতুল খাওফ আদায় করেছি। তিনি এক দলকে সঙ্গে নিয়ে প্রথম রাকআত এবং দ্বিতীয় দলকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় রাকআত আদায় করেন। ঐ সময় মুক্তাদিগণ তাঁদের দ্বিতীয় রাকআত সম্পন্ন করেন নাই। অন্য বর্ণনায় আছে যে, তাঁরা দ্বিতীয় রাকআত সম্পন্ন করেন। যায়দ ইবনে সাবিত (রাযিঃ) নবী করীম (ﷺ) হতে অন্য এক বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন যে, এই সময় মুক্তাদিগণ এক এক রাকআত আদায় করেন এবং নবী করীম (ﷺ) দুই রাকআত সম্পন্ন করেন।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ يُصَلِّي بِكُلِّ طَائِفَةٍ رَكْعَةً وَلاَ يَقْضُونَ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ سُفْيَانَ، حَدَّثَنِي الأَشْعَثُ بْنُ سُلَيْمٍ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ هِلاَلٍ، عَنْ ثَعْلَبَةَ بْنِ زَهْدَمٍ، قَالَ كُنَّا مَعَ سَعِيدِ بْنِ الْعَاصِ بِطَبَرِسْتَانَ فَقَامَ فَقَالَ أَيُّكُمْ صَلَّى مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلاَةَ الْخَوْفِ فَقَالَ حُذَيْفَةُ أَنَا فَصَلَّى بِهَؤُلاَءِ رَكْعَةً وَبِهَؤُلاَءِ رَكْعَةً وَلَمْ يَقْضُوا . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَكَذَا رَوَاهُ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ وَمُجَاهِدٌ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَقِيقٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَيَزِيدُ الْفَقِيرُ وَأَبُو مُوسَى - قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَجُلٌ مِنَ التَّابِعِينَ لَيْسَ بِالأَشْعَرِيِّ - جَمِيعًا عَنْ جَابِرٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَدْ قَالَ بَعْضُهُمْ فِي حَدِيثِ يَزِيدَ الْفَقِيرِ إِنَّهُمْ قَضَوْا رَكْعَةً أُخْرَى . وَكَذَلِكَ رَوَاهُ سِمَاكٌ الْحَنَفِيُّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَكَذَلِكَ رَوَاهُ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ فَكَانَتْ لِلْقَوْمِ رَكْعَةً رَكْعَةً وَلِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم رَكْعَتَيْنِ .
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৪৭
আন্তর্জাতিক নং: ১২৪৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯২. এক দল বিশেষজ্ঞ আলেমের মতে,প্রত্যেক দল ইমামের সাথে এক রাকআত করে নামায পড়বে এবং দ্বিতীয় রাকআত পড়ার প্রয়োজন নেই।
১২৪৭. মুসাদ্দাদ ও সাইদ ইবনে মানসুর (রাহঃ) ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তোমাদের নবী (ﷺ) মারফত ফরয নামায বাড়িতে অবস্থান কালে চার রাকআত (যোহর, আসর ও ইশা) এবং সফরের মধ্যে দুই রাকআত (চার রাকআতের পরিবর্তে) এবং যুদ্ধকালীন ভয় ভীতির সময় এক রাকআত ফরয করেছেন।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ يُصَلِّي بِكُلِّ طَائِفَةٍ رَكْعَةً وَلاَ يَقْضُونَ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، وَسَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الأَخْنَسِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ فَرَضَ اللَّهُ تَعَالَى الصَّلاَةَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّكُمْ صلى الله عليه وسلم فِي الْحَضَرِ أَرْبَعًا وَفِي السَّفَرِ رَكْعَتَيْنِ وَفِي الْخَوْفِ رَكْعَةً .
হাদীস নং: ১২৪৮
আন্তর্জাতিক নং: ১২৪৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৩. এক দল বিশেষজ্ঞ আলেমের মতে, ইমাম প্রত্যেক দলের সাথে দুই রাকআত করে নামায পড়বে।
১২৪৮. উবাইদুল্লাহ ইবনে মুআয (রাহঃ) ...... আবু বকর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (যুদ্ধকালীন) ভীতিকর পরিস্থিতিতে যোহরের নামায আদায় করেন। ঐ সময় লোকজন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে একদল তাঁর পিছনে সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড়ায় এবং অপর দল শত্রুর মুকাবিলায় নিয়োজিত থাকে। ঐ সময় তিনি তাঁর পিছনে দণ্ডায়মান লোকদের নিয়ে দুই রাকআত নামায পড়ে সালাম ফিরান। অতঃপর নামায শেষে তাঁরা শত্রুর মুকাবিলায় চলে গেলে, সেখানে যারা ছিল তাঁরা এসে তাঁর পশ্চাতে দাঁড়ায়। তখন তিনি তাঁদের নিয়ে দুই রাকআত নামায আদায় করে সালাম ফিরান। ফলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নামাযের রাকআতের সংখ্যা চারে পৌঁছায় এবং সাহাবায়ে কিরামের দুই দুই রাকআত হয়। হাসান বসরি (রাহঃ) এইরূপ ফতওয়া দিতেন।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ يُصَلِّي بِكُلِّ طَائِفَةٍ رَكْعَتَيْنِ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَشْعَثُ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي بَكْرَةَ، قَالَ صَلَّى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي خَوْفٍ الظُّهْرَ فَصَفَّ بَعْضَهُمْ خَلْفَهُ وَبَعْضَهُمْ بِإِزَاءِ الْعَدُوِّ فَصَلَّى بِهِمْ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ سَلَّمَ فَانْطَلَقَ الَّذِينَ صَلَّوْا مَعَهُ فَوَقَفُوا مَوْقِفَ أَصْحَابِهِمْ ثُمَّ جَاءَ أُولَئِكَ فَصَلَّوْا خَلْفَهُ فَصَلَّى بِهِمْ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ سَلَّمَ فَكَانَتْ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَرْبَعًا وَلأَصْحَابِهِ رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ . وَبِذَلِكَ كَانَ يُفْتِي الْحَسَنُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَكَذَلِكَ فِي الْمَغْرِبِ يَكُونُ لِلإِمَامِ سِتَّ رَكَعَاتٍ وَلِلْقَوْمِ ثَلاَثًا ثَلاَثًا . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَكَذَلِكَ رَوَاهُ يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ جَابِرٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَكَذَلِكَ قَالَ سُلَيْمَانُ الْيَشْكُرِيُّ عَنْ جَابِرٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
হাদীস নং: ১২৪৯
আন্তর্জাতিক নং: ১২৪৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৪. শত্রু হত্যার উদ্দেশ্যে অনুসন্ধানকারীর নামায সম্পর্কে।
১২৪৯. আবু মামার আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাহঃ) ...... আব্দুল্লাহ ইবনে উনায়স (রাহঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে খালিদ ইবনে সুফিয়ান আল-হাযালীকে হত্যার জন্য উরানা ও আরাফাতের দিকে প্রেরণ করেন। তিনি বলেন, আমি তাঁকে আসরের নামাযের সময় দেখতে পাই। এই সময় আমার মনে এরূপ আশঙ্কার সৃষ্টি হয় যে, যদি আমি নামাযে রত হই তবে সে আমার নাগালের বাইরে চলে যাবে। তখন আমি ইশারায় নামায আদায় করতে করতে তাঁর দিকে রওয়ানা হই।

অতঃপর আমি তাঁর নিকটবর্তী হলে সে আমাকে জিজ্ঞাসা করে, তুমি কে? আমি বলি, আমি আরবের একজন অধিবাসী। আমি জানতে পারলাম যে তুমি মুহাম্মাদ (ﷺ) এর বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য সৈন্য যোগাড় করছ। তাই আমি তোমার নিকট এসেছি। তখন সে ব্যক্তি বলে, আমি এইরূপ করছি। রাবী বলেন, অতঃপর আমি তাঁর সাথে পথ চলতে থাকি। এমতাবস্থায় আমি সুযোগ মত তাঁর উপর তরবারির আঘাত হেনে তাঁকে হত্যা করি।
كتاب الصلاة
باب صَلاَةِ الطَّالِبِ
حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، عَنِ ابْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُنَيْسٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ بَعَثَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى خَالِدِ بْنِ سُفْيَانَ الْهُذَلِيِّ - وَكَانَ نَحْوَ عُرَنَةَ وَعَرَفَاتٍ - فَقَالَ " اذْهَبْ فَاقْتُلْهُ " . قَالَ فَرَأَيْتُهُ وَحَضَرَتْ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَقُلْتُ إِنِّي لأَخَافُ أَنْ يَكُونَ بَيْنِي وَبَيْنَهُ مَا إِنْ أُؤَخِّرُ الصَّلاَةَ فَانْطَلَقْتُ أَمْشِي وَأَنَا أُصَلِّي أُومِئُ إِيمَاءً نَحْوَهُ فَلَمَّا دَنَوْتُ مِنْهُ قَالَ لِي مَنْ أَنْتَ قُلْتُ رَجُلٌ مِنَ الْعَرَبِ بَلَغَنِي أَنَّكَ تَجْمَعُ لِهَذَا الرَّجُلِ فَجِئْتُكَ فِي ذَاكَ . قَالَ إِنِّي لَفِي ذَاكَ فَمَشَيْتُ مَعَهُ سَاعَةً حَتَّى إِذَا أَمْكَنَنِي عَلَوْتُهُ بِسَيْفِي حَتَّى بَرَدَ .
হাদীস নং: ১২৫০
আন্তর্জাতিক নং: ১২৫০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৯৫. নফল ও সুন্নত নামাযের বিভিন্ন দিক ও রাক'আত সম্পর্কে।
১২৫০. মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা (রাহঃ) .... উম্মে হাবীবা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি দৈনিক বারো রাকাআত (সুন্নত) নামায আদায় করবে, এর বিনিময়ে আল্লাহ তাআলা তাঁর জন্য বেহেশতের মধ্যে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করবেন।
كتاب الصلاة
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ أَبِي هِنْدٍ، حَدَّثَنِي النُّعْمَانُ بْنُ سَالِمٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَوْسٍ، عَنْ عَنْبَسَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ، قَالَتْ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " مَنْ صَلَّى فِي يَوْمٍ ثِنْتَىْ عَشْرَةَ رَكْعَةً تَطَوُّعًا بُنِيَ لَهُ بِهِنَّ بَيْتٌ فِي الْجَنَّةِ " .