কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
كتاب السنن للإمام أبي داود
২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১১৬৫ টি
হাদীস নং: ১১৯১
আন্তর্জাতিক নং: ১১৯১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭০. সূর্যগ্রহণের সময় দান-খয়রাত করা।
১১৯১. আল কানবী (রাহঃ) ..... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ চন্দ্র সূর্যগ্রহণ কারও জন্ম মৃত্যুর ফলে হয়না। যখন তোমরা তা এই অবস্থায় দেখবে, তখন আল্লাহর যিক্র করবে, দুআ করবে এবং দান খয়রাত করবে।
كتاب الصلاة
باب الصَّدَقَةِ فِيهَا
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ لاَ يُخْسَفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ وَلاَ لِحَيَاتِهِ فَإِذَا رَأَيْتُمْ ذَلِكَ فَادْعُوا اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ وَكَبِّرُوا وَتَصَدَّقُوا " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৯২
আন্তর্জাতিক নং: ১১৯২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭১. সূর্যগ্রহণের সময় গোলাম আযাদ করা।
১১৯২. যুহায়ের ইবনে হারব (রাহঃ) ..... আসমা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) সূর্য বা চন্দ্র গহনের সময় গোলাম আযাদ করার নির্দেশ দিতেন।
كتاب الصلاة
باب الْعِتْقِ فِيهِ
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ فَاطِمَةَ، عَنْ أَسْمَاءَ، قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُ بِالْعَتَاقَةِ فِي صَلاَةِ الْكُسُوفِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৯৩
আন্তর্জাতিক নং: ১১৯৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭২. যারা বলেন, সূর্যগ্রহণের সময় দুই রাকআত নামায পড়বে।
১১৯৩. আহমাদ ইবনে আবু শুয়ায়েব (রাহঃ) ...... আন-নুমান ইবনে বাশির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) এর যুগে সূর্যগ্রহণ হলে তিনি দুই রাকআত নামায আদায় করেন এবং জিজ্ঞাসা করতে থাকেনঃ সূর্যগ্রহণ কি শেষ হয়েছে?
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ يَرْكَعُ رَكْعَتَيْنِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي شُعَيْبٍ الْحَرَّانِيُّ، حَدَّثَنِي الْحَارِثُ بْنُ عُمَيْرٍ الْبَصْرِيُّ، عَنْ أَيُّوبَ السَّخْتِيَانِيِّ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، قَالَ كُسِفَتِ الشَّمْسُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَجَعَلَ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ وَيَسْأَلُ عَنْهَا حَتَّى انْجَلَتْ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৯৪
আন্তর্জাতিক নং: ১১৯৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭২. যারা বলেন, সূর্যগ্রহণের সময় দুই রাকআত নামায পড়বে।
১১৯৪. মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সময় সূর্যগ্রহণ হলে তিনি নামাযের রাকআতে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেন। অতঃপর রুকুতে গিয়ে সেখানেও অধিক্ষণ কাতান। অতঃপর তিনি দীর্ঘক্ষণ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকার পর সিজদায় গিয়েও দীর্ঘক্ষণ অতিবাহিত করেন। অতঃপর তিনি প্রথম সিজদা হতে মাথা তোলার পর অনেক্ষণ বসে থাকেন এবং পুনরায় সিজদায় গিয়ে সেখানে অনেক বিলম্ব করেন। অতঃপর সিজদা শেষে দ্বিতীয় রাকআতের জন্য দাঁড়ান এবং তাও প্রথম রাকআতের মত আদায় করেন। তিনি সর্বশেষ সিজদা দেওয়ার সময় উহ উহ শব্দ করেন এবং বলেন, ইয়া আল্লাহ! তুমি কি আমার সাথে ওয়াদা করনি যে, যতক্ষণ আমি তাদের মধ্যে থাকব ততক্ষণ তুমি তাদেরকে আযাবে নিক্ষেপ করবে না, তুমি আমার সাথে এইরূপ ওয়াদা করনি যে, যতক্ষণ তাঁরা ইস্তিগফার করতে থাকবে, ততক্ষণ তুমি তাদেরকে শাস্তি দিবে না? অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নামায শেষে সূর্যগ্রহণও শেষ হয়। এরূপে হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ يَرْكَعُ رَكْعَتَيْنِ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ انْكَسَفَتِ الشَّمْسُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمْ يَكَدْ يَرْكَعُ ثُمَّ رَكَعَ فَلَمْ يَكَدْ يَرْفَعُ ثُمَّ رَفَعَ فَلَمْ يَكَدْ يَسْجُدُ ثُمَّ سَجَدَ فَلَمْ يَكَدْ يَرْفَعُ ثُمَّ رَفَعَ فَلَمْ يَكَدْ يَسْجُدُ ثُمَّ سَجَدَ فَلَمْ يَكَدْ يَرْفَعُ ثُمَّ رَفَعَ وَفَعَلَ فِي الرَّكْعَةِ الأُخْرَى مِثْلَ ذَلِكَ ثُمَّ نَفَخَ فِي آخِرِ سُجُودِهِ فَقَالَ " أُفْ أُفْ " . ثُمَّ قَالَ " رَبِّ أَلَمْ تَعِدْنِي أَنْ لاَ تُعَذِّبَهُمْ وَأَنَا فِيهِمْ أَلَمْ تَعِدْنِي أَنْ لاَ تُعَذِّبَهُمْ وَهُمْ يَسْتَغْفِرُونَ " . فَفَرَغَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ صَلاَتِهِ وَقَدْ أَمْحَصَتِ الشَّمْسُ وَسَاقَ الْحَدِيثَ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৯৫
আন্তর্জাতিক নং: ১১৯৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭২. যারা বলেন, সূর্যগ্রহণের সময় দুই রাকআত নামায পড়বে।
১১৯৫. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ..... আব্দুর রহমান ইবনে সামুরা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর জীবদ্দশায় আমি একটি নির্দিষ্ট স্থানে তীর চালনা শিক্ষা করার সময় সূর্যগ্রহণ হতে দেখি। তখন আমি সবকিছু ত্যাগ করে বলি যে, আজ সূর্যগ্রহণের দিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি করেন তা দেখব। আমি তাঁর নিকট এসে দেখতে পাই যে, তিনি দুই হাত তুলে তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ), হামদ (আলহামদুলিল্লাহ) এবং তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) পাঠ করছেন। তাঁর দুআ করাকালীন সময়ের মধ্যে সূর্যগ্রহণ শেষ হয়ে যায়। এ সময় তিনি দুটি সূরা সহ দুই রাকআত নামায আদায় করেন।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ يَرْكَعُ رَكْعَتَيْنِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، حَدَّثَنَا الْجُرَيْرِيُّ، عَنْ حَيَّانَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ بَيْنَمَا أَنَا أَتَرَمَّى، بِأَسْهُمٍ فِي حَيَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذْ كُسِفَتِ الشَّمْسُ فَنَبَذْتُهُنَّ وَقُلْتُ لأَنْظُرَنَّ مَا أُحْدِثَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي كُسُوفِ الشَّمْسِ الْيَوْمَ فَانْتَهَيْتُ إِلَيْهِ وَهُوَ رَافِعٌ يَدَيْهِ يُسَبِّحُ وَيُحَمِّدُ وَيُهَلِّلُ وَيَدْعُو حَتَّى حُسِرَ عَنِ الشَّمْسِ فَقَرَأَ بِسُورَتَيْنِ وَرَكَعَ رَكْعَتَيْنِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৯৬
আন্তর্জাতিক নং: ১১৯৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৩. দুর্যোগ-দুর্বিপাকের সময় নামায আদায় করা।
১১৯৬. মুহাম্মাদ ইবনে আমর (রাহঃ) ..... উবাইদুল্লাহ ইবনে নাদর (রাহঃ) তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস (রাযিঃ) এর সময় একবার আকাশ অন্ধকারচ্ছন্ন হলে আমরা তাঁর নিকট এসে বলি, হে আবু হামযা! রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর যুগে কোন সময় এরূপ হয়েছিল কি? তিনি বলেন, আল্লাহর পানাহ! তাঁর যুগে এমনকি জোরে বাতাস প্রবাহিত হতে দেখলেও আমরা কিয়ামতের আশঙ্কায় দৌড়িয়ে মসজিদে আশ্রয় নিতাম।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ عِنْدَ الظُّلْمَةِ وَنَحْوِهَا
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ جَبَلَةَ بْنِ أَبِي رَوَّادٍ، حَدَّثَنِي حَرَمِيُّ بْنُ عُمَارَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ النَّضْرِ، حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ، كَانَتْ ظُلْمَةٌ عَلَى عَهْدِ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ - قَالَ - فَأَتَيْتُ أَنَسًا فَقُلْتُ يَا أَبَا حَمْزَةَ هَلْ كَانَ يُصِيبُكُمْ مِثْلُ هَذَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَعَاذَ اللَّهِ إِنْ كَانَتِ الرِّيحُ لَتَشْتَدُّ فَنُبَادِرُ الْمَسْجِدَ مَخَافَةَ الْقِيَامَةِ .
হাদীস নং: ১১৯৭
আন্তর্জাতিক নং: ১১৯৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৪. কোন অশুভ আলামত দেখে সিজদা করা।
১১৯৭. মুহাম্মাদ ইবনে উসমান (রাহঃ) .... ইকরিমা (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনে আব্বাস (রাযিঃ)-কে নবী করীম (ﷺ) এর কোন এক স্ত্রীর ইন্তিকালের খবর দেওয়া হলে তিনি সাথে সাথে সিজদায় যান। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলঃ আপনি এখন সিজদা করলেন? তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ যখন তোমরা আল্লাহর কোন নিদর্শন দেখবে তখন সিজদা করবে। নবী করীম (ﷺ) এর স্ত্রীর ইন্তিকালের চেয়ে অধিক বড় নিদর্শন আর কি হতে পারে?
كتاب الصلاة
باب السُّجُودِ عِنْدَ الآيَاتِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي صَفْوَانَ الثَّقَفِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ كَثِيرٍ، حَدَّثَنَا سَلْمُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ أَبَانَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، قَالَ قِيلَ لاِبْنِ عَبَّاسٍ مَاتَتْ فُلاَنَةُ بَعْضُ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَخَرَّ سَاجِدًا فَقِيلَ لَهُ أَتَسْجُدُ هَذِهِ السَّاعَةَ فَقَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا رَأَيْتُمْ آيَةً فَاسْجُدُوا " . وَأَىُّ آيَةٍ أَعْظَمُ مِنْ ذَهَابِ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৯৮
আন্তর্জাতিক নং: ১১৯৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৫. মুসাফিরের নামায।
১১৯৮. আল কানবী (রাহঃ) ..... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সফরে ও আবাসে দুই দুই রাকআত নামাযই ফরয করা হয়েছিল। অতঃপর সফরের সময়ের নামায ঠিক রাখা হয়েছে এবং আবাসের নামায বৃদ্ধি করা হয়েছে (তিন এবং চার রাকআতে)।*
* বাড়িতে অবস্থানকে 'হযর' আর বাড়ি হতে দুরের যাত্রাকে 'সফর' বলা হয়। ৪৮ মাইল হতে অধিক দুরত্বের যাত্রায় ফরয নামায চার রাকআতের স্থলে দুই রাকআত কসর (সংক্ষেপ) করে পড়তে হয়। মিরাজ রজনীতে সর্বপ্রথম পাঁচ ওয়াক্ত নামাযই দুই দুই রাকআত করে ফরয করা হয়। পরে পূর্ববর্তী নবীদের অনুকরণে হযর অবস্থায় আসর ও ইশার ফরয নামায চার রাকআতে এবং মাগরিব তিন রাকআতে উন্নীত করা হয়। সফরের সময়ে ঐ বর্ধিত নামাযটিই বাদ দেওয়া হয়েছে। মাগরিবের তিন রাকআত সফরেও বহাল রয়েছে। - অনুবাদক
* বাড়িতে অবস্থানকে 'হযর' আর বাড়ি হতে দুরের যাত্রাকে 'সফর' বলা হয়। ৪৮ মাইল হতে অধিক দুরত্বের যাত্রায় ফরয নামায চার রাকআতের স্থলে দুই রাকআত কসর (সংক্ষেপ) করে পড়তে হয়। মিরাজ রজনীতে সর্বপ্রথম পাঁচ ওয়াক্ত নামাযই দুই দুই রাকআত করে ফরয করা হয়। পরে পূর্ববর্তী নবীদের অনুকরণে হযর অবস্থায় আসর ও ইশার ফরয নামায চার রাকআতে এবং মাগরিব তিন রাকআতে উন্নীত করা হয়। সফরের সময়ে ঐ বর্ধিত নামাযটিই বাদ দেওয়া হয়েছে। মাগরিবের তিন রাকআত সফরেও বহাল রয়েছে। - অনুবাদক
كتاب الصلاة
باب صَلاَةِ الْمُسَافِرِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ فُرِضَتِ الصَّلاَةُ رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ فِي الْحَضَرِ وَالسَّفَرِ فَأُقِرَّتْ صَلاَةُ السَّفَرِ وَزِيدَ فِي صَلاَةِ الْحَضَرِ .
হাদীস নং: ১১৯৯
আন্তর্জাতিক নং: ১১৯৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৫. মুসাফিরের নামায।
১১৯৯. আহমাদ ইবনে হাম্বল (রাহঃ) ..... ইয়ালা ইবনে উমাইয়া (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ)-কে বললাম, বর্তমানে লোকেরা নামায কসর (সংক্ষেপ) করছে, অথচ আল্লাহর নির্দেশঃ ″যদি তোমরা কাফিরদের হামলার আশঙ্কা কর তবে তোমরা নামায কসর হিসেবে আদায় করতে পার″। বর্তমানে ঐ সময় অতিবাহিত হয়েছে। তখন উমর (রাযিঃ) বলেন, তুমি যাতে বিস্ময় প্রকাশ করছ, এ ব্যাপারে আমিও বিস্মিত হয়েছিলাম। আমি এ ব্যপারে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেনঃ তা আল্লাহর তরফ হতে তোমাদের জন্য সাদ্কাস্বরূপ। কাজেই তোমরা তাঁর দান গ্রহণ কর।
كتاب الصلاة
باب صَلاَةِ الْمُسَافِرِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، وَمُسَدَّدٌ، قَالاَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، ح وَحَدَّثَنَا خُشَيْشٌ، - يَعْنِي ابْنَ أَصْرَمَ - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي عَمَّارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَابَيْهِ، عَنْ يَعْلَى بْنِ أُمَيَّةَ، قَالَ قُلْتُ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَرَأَيْتَ إِقْصَارَ النَّاسِ الصَّلاَةَ وَإِنَّمَا قَالَ تَعَالَى ( إِنْ خِفْتُمْ أَنْ يَفْتِنَكُمُ الَّذِينَ كَفَرُوا ) فَقَدْ ذَهَبَ ذَلِكَ الْيَوْمُ . فَقَالَ عَجِبْتُ مِمَّا عَجِبْتَ مِنْهُ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " صَدَقَةٌ تَصَدَّقَ اللَّهُ بِهَا عَلَيْكُمْ فَاقْبَلُوا صَدَقَتَهُ " .
হাদীস নং: ১২০০
আন্তর্জাতিক নং: ১২০০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৫. মুসাফিরের নামায।
১২০০. আহমাদ ইবনে হাম্বল (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ ইবনে আবু আম্মার (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
كتاب الصلاة
باب صَلاَةِ الْمُسَافِرِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَبِي عَمَّارٍ، يُحَدِّثُ فَذَكَرَهُ نَحْوَهُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ أَبُو عَاصِمٍ وَحَمَّادُ بْنُ مَسْعَدَةَ كَمَا رَوَاهُ ابْنُ بَكْرٍ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১২০১
আন্তর্জাতিক নং: ১২০১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৬. মুসাফির কখন নামায কসর পড়বে।
১২০১. ইবনে বাশশার (রাহঃ) .... ইয়াহয়া ইবনে ইয়াযিদ আল হানানি (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ)-কে সফরের সময় নামায ″কসর″ পড়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তিন মাইল অথবা তিন ফারসাখ দূরত্ব অতিক্রম করতেন, তখন তিনি চার রাকআত ফরয নামাযের পরিবর্তে দুই রাকআত নামায পড়তেন।
كتاب الصلاة
باب مَتَى يُقْصِرُ الْمُسَافِرُ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَزِيدَ الْهُنَائِيِّ، قَالَ سَأَلْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ عَنْ قَصْرِ الصَّلاَةِ، فَقَالَ أَنَسٌ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا خَرَجَ مَسِيرَةَ ثَلاَثَةِ أَمْيَالٍ أَوْ ثَلاَثَةِ فَرَاسِخَ - شُعْبَةُ شَكَّ - يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২০২
আন্তর্জাতিক নং: ১২০২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৬. মুসাফির কখন নামায কসর পড়বে।
১২০২. যুহায়ের ইবনে হারব (রাহঃ) .... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে (সফরে রওয়ানা হয়ে) মদীনাতে চার রাকআত যোহরের নামায আদায় করেছি এবং যুল হুলাইফাতে গিয়ে আসরের নামায দুই রাকআত আদায় করি।
كتاب الصلاة
باب مَتَى يُقْصِرُ الْمُسَافِرُ
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، وَإِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ، سَمِعَا أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الظُّهْرَ بِالْمَدِينَةِ أَرْبَعًا وَالْعَصْرَ بِذِي الْحُلَيْفَةِ رَكْعَتَيْنِ .
হাদীস নং: ১২০৩
আন্তর্জাতিক নং: ১২০৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৭. সফরের সময় আযান দেওয়া।
১২০৩. হারুন ইবনে মারুফ (রাহঃ) .... উকবা ইবনে আমের (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে বলতে শুনেছিঃ যখন কোন বকরীর পালের রাখাল পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থানকালে আযান দিয়ে নামায আদায় করে, তখন মহান আল্লাহ পাক তাঁর উপর সন্তুষ্ট হয়ে যান এবং বলেন, (হে আমার ফিরিশতারা) তোমরা আমার বান্দার প্রতি নজর কর। এই ব্যক্তি (পাহাড়ের চূড়ায়ও) আযান দিয়ে নামায আদায় করছে। সে আমার ভয়েই তা করছে। অতএব আমি আমার এই বান্দার যাবতীয় গুনাহ (পাপ) মাফ করে দিলাম এবং আমি তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করাব।
كتاب الصلاة
باب الأَذَانِ فِي السَّفَرِ
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ، أَنَّ أَبَا عُشَّانَةَ الْمَعَافِرِيَّ، حَدَّثَهُ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " يَعْجَبُ رَبُّكُمْ مِنْ رَاعِي غَنَمٍ فِي رَأْسِ شَظِيَّةٍ بِجَبَلٍ يُؤَذِّنُ بِالصَّلاَةِ وَيُصَلِّي فَيَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ انْظُرُوا إِلَى عَبْدِي هَذَا يُؤَذِّنُ وَيُقِيمُ الصَّلاَةَ يَخَافُ مِنِّي فَقَدْ غَفَرْتُ لِعَبْدِي وَأَدْخَلْتُهُ الْجَنَّةَ " .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১২০৪
আন্তর্জাতিক নং: ১২০৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৮. সময়ের ব্যাপারে সন্দিহান অবস্থায় মুসাফিরের নামায আদায় করা।
১২০৪. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে সফরের মধ্যে থাকাবস্থায় যোহরের নামায আদায় করে পুনঃ রওয়ানা হই। তবে নামায আদায়কালে সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলে পড়েছিল কিনা সে ব্যাপারে আমরা মনে মনে সন্দিহান ছিলাম।
كتاب الصلاة
باب الْمُسَافِرِ يُصَلِّي وَهُوَ يَشُكُّ فِي الْوَقْتِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْمِسْحَاجِ بْنِ مُوسَى، قَالَ قُلْتُ لأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ حَدِّثْنَا مَا، سَمِعْتَ مِنْ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . قَالَ كُنَّا إِذَا كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي السَّفَرِ فَقُلْنَا زَالَتِ الشَّمْسُ أَوْ لَمْ تَزُلْ صَلَّى الظُّهْرَ ثُمَّ ارْتَحَلَ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২০৫
আন্তর্জাতিক নং: ১২০৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৮. সময়ের ব্যাপারে সন্দিহান অবস্থায় মুসাফিরের নামায আদায় করা।
১২০৫. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ..... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যোহরের নামাযের সময় কোন গণ্তব্যে পৌঁছে সেখান হতে যোহরের নামায আদায়ের পূর্বে বের হতেন না।
রাবী বলেন, এক ব্যক্তি আনাস (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞাসা করেন, যদি তিনি ঠিক দ্বিপ্রহরের সময়ও কোন গণ্তব্যে পৌঁছতেন, তখন তিনি কি নামায আদায় করতেন? তিনি বলেন, হ্যাঁ করতেন।
রাবী বলেন, এক ব্যক্তি আনাস (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞাসা করেন, যদি তিনি ঠিক দ্বিপ্রহরের সময়ও কোন গণ্তব্যে পৌঁছতেন, তখন তিনি কি নামায আদায় করতেন? তিনি বলেন, হ্যাঁ করতেন।
كتاب الصلاة
باب الْمُسَافِرِ يُصَلِّي وَهُوَ يَشُكُّ فِي الْوَقْتِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ شُعْبَةَ، حَدَّثَنِي حَمْزَةُ الْعَائِذِيُّ، - رَجُلٌ مِنْ بَنِي ضَبَّةَ - قَالَ سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا نَزَلَ مَنْزِلاً لَمْ يَرْتَحِلْ حَتَّى يُصَلِّيَ الظُّهْرَ فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ وَإِنْ كَانَ بِنِصْفِ النَّهَارِ قَالَ وَإِنْ كَانَ بِنِصْفِ النَّهَارِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২০৬
আন্তর্জাতিক নং: ১২০৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৯. দুই ওয়াক্তের নামায একত্র করা।
১২০৬. আল-কানবী (রাহঃ) .... মুআয ইবনে জাবাল (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তাবুকের যুদ্ধের সময় তাঁরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে সফরে বের হলে তিনি তখন যোহর ও আসরের নামায একত্রে এবং মাগরিব ও এশার নামায একত্রে আদায় করেন। একদিন তিনি যোহরের নামায বিলম্ব করে যোহর ও আসরের নামায একত্রে পড়েন। অতঃপর তিনি মাগরিব ও এশা একত্রে আদায় করেন।
كتاب الصلاة
باب الْجَمْعِ بَيْنَ الصَّلاَتَيْنِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ، عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ، عَامِرِ بْنِ وَاثِلَةَ أَنَّ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ، أَخْبَرَهُمْ أَنَّهُمْ، خَرَجُوا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي غَزْوَةِ تَبُوكَ فَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَجْمَعُ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ وَالْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ فَأَخَّرَ الصَّلاَةَ يَوْمًا ثُمَّ خَرَجَ فَصَلَّى الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا ثُمَّ دَخَلَ ثُمَّ خَرَجَ فَصَلَّى الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ جَمِيعًا .
হাদীস নং: ১২০৭
আন্তর্জাতিক নং: ১২০৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৯. দুই ওয়াক্তের নামায একত্র করা।
১২০৭. সুলাইমান ইবনে দাউদ (রাহঃ) ..... নাফে থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কায় অবস্থানকালে ইবনে উমর (রাযিঃ) এর নিকট সাফিয়্যা (রাযিঃ) এর মৃত্যু সংবাদ পৌঁছলে তিনি দ্রুত রওয়ানা হন। ঐ সময় সূর্যাস্তের ফলে আকাশের তারকারাজি দৃষ্টিগোচর হচ্ছিল। অতঃপর তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) যখন কোন সফর কালে ব্যাস্ত থাকতেন, তখন তিনি এই দুই নামায (মাগরিব ও ইশা) একত্রে আদায় করতেন। পশ্চিমাকাশের লালিমা দূরীভূত হওয়ার পর তিনি (ইবনে উমর) বাহন হতে অবতরণ করে প্রথমে মাগরিব ও পরে ইশার নামাযের (সময় শুরু হলে) একত্রে আদায় করেন।
كتاب الصلاة
باب الْجَمْعِ بَيْنَ الصَّلاَتَيْنِ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْعَتَكِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، اسْتُصْرِخَ عَلَى صَفِيَّةَ وَهُوَ بِمَكَّةَ فَسَارَ حَتَّى غَرَبَتِ الشَّمْسُ وَبَدَتِ النُّجُومُ فَقَالَ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا عَجِلَ بِهِ أَمْرٌ فِي سَفَرٍ جَمَعَ بَيْنَ هَاتَيْنِ الصَّلاَتَيْنِ . فَسَارَ حَتَّى غَابَ الشَّفَقُ فَنَزَلَ فَجَمَعَ بَيْنَهُمَا .
হাদীস নং: ১২০৮
আন্তর্জাতিক নং: ১২০৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৯. দুই ওয়াক্তের নামায একত্র করা।
১২০৮. ইয়াযীদ ইবনে খালিদ (রাহঃ) ..... মুআয ইবনে জাবাল (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তাবুকের যুদ্ধের সময় (মনযিল থেকে) রওয়ানা হওয়ার পূর্বে সূর্য ঢলে পড়লে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যোহরের ও আসরের নামায একত্রে আদায় করতেন এবং সূর্য ঢলে পরার পূর্বে রওয়ানা করলে তিনি যোহর তার শেষ সময়ে এবং আসর তার প্রথম সময়ে একত্রে আদায় করতেন। তিনি মাগরিবেও তাই করতেন। অর্থাৎ রওয়ানার পূর্বে সূর্যাস্ত গেলে তিনি মাগরিব এবং ইশা তার প্রথম সময়ে একত্রে আদায় করতেন আর রওয়ানা হওয়ার পরে সূর্যাস্ত গেলে তিনি মাগরিব বিলম্ব করে ইশার সাথে একত্রে পড়তেন।
كتاب الصلاة
باب الْجَمْعِ بَيْنَ الصَّلاَتَيْنِ
حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَوْهَبٍ الرَّمْلِيُّ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُفَضَّلُ بْنُ فَضَالَةَ، وَاللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ أَبِي الطُّفَيْلِ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ فِي غَزْوَةِ تَبُوكَ إِذَا زَاغَتِ الشَّمْسُ قَبْلَ أَنْ يَرْتَحِلَ جَمَعَ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ وَإِنْ يَرْتَحِلْ قَبْلَ أَنْ تَزِيغَ الشَّمْسُ أَخَّرَ الظُّهْرَ حَتَّى يَنْزِلَ لِلْعَصْرِ وَفِي الْمَغْرِبِ مِثْلَ ذَلِكَ إِنْ غَابَتِ الشَّمْسُ قَبْلَ أَنْ يَرْتَحِلَ جَمَعَ بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ وَإِنْ يَرْتَحِلْ قَبْلَ أَنْ تَغِيبَ الشَّمْسُ أَخَّرَ الْمَغْرِبَ حَتَّى يَنْزِلَ لِلْعِشَاءِ ثُمَّ جَمَعَ بَيْنَهُمَا . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ حُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ كُرَيْبٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ حَدِيثِ الْمُفَضَّلِ وَاللَّيْثِ .
হাদীস নং: ১২০৯
আন্তর্জাতিক নং: ১২০৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৯. দুই ওয়াক্তের নামায একত্র করা।
১২০৯. কুতায়বা (রাহঃ) ..... ইবনে উমর হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সফরকালে একবারের অধিক মাগরিব ও এশার নামায একত্রে আদায় করেন নি। অন্য এক বর্ণনায় নাফে (রাহঃ) বলেছেন যে, সাফিয়্যা (রাযিঃ) এর মৃত্যু সংবাদ প্রাপ্তির পর ইবনে উমর (রাযিঃ) সেই রাতেই শুধু মাগরিব ও এশার নামায একত্রে আদায় করেন। নাফে (রাহঃ) হতে অন্য এক বর্ণনায় উল্লেখ আছে যে, তিনি ইবনে উমর (রাযিঃ)-কে এক বা দুইবার দুই ওয়াক্তের নামায একত্রে আদায় করতে দেখেছেন।
كتاب الصلاة
باب الْجَمْعِ بَيْنَ الصَّلاَتَيْنِ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَافِعٍ، عَنْ أَبِي مَوْدُودٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ أَبِي يَحْيَى، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ مَا جَمَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ قَطُّ فِي السَّفَرِ إِلاَّ مَرَّةً . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَهَذَا يُرْوَى عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ مَوْقُوفًا عَلَى ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ لَمْ يُرَ ابْنُ عُمَرَ جَمَعَ بَيْنَهُمَا قَطُّ إِلاَّ تِلْكَ اللَّيْلَةَ يَعْنِي لَيْلَةَ اسْتُصْرِخَ عَلَى صَفِيَّةَ وَرُوِيَ مِنْ حَدِيثِ مَكْحُولٍ عَنْ نَافِعٍ أَنَّهُ رَأَى ابْنَ عُمَرَ فَعَلَ ذَلِكَ مَرَّةً أَوْ مَرَّتَيْنِ .
হাদীস নং: ১২১০
আন্তর্জাতিক নং: ১২১০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৭৯. দুই ওয়াক্তের নামায একত্র করা।
১২১০. আল-কানবী (রাহঃ) ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ভয়ভীতি ও সফরকালীন সময় ছাড়াও যোহর ও আসর এবং মাগরিব ও এশার নামায একত্রে আদায় করেছেন। রাবী মালিক (রাহঃ) বলেন, সম্ভবত তিনি বৃষ্টির কারণে এইরূপ করেন। আবুয যুবায়ের হতে অন্য এক বর্ণনায় উল্লেখ আছে- আমরা তাবুকের যুদ্ধের সফরে এইরূপ করেছিলাম।
كتاب الصلاة
باب الْجَمْعِ بَيْنَ الصَّلاَتَيْنِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا وَالْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ جَمِيعًا فِي غَيْرِ خَوْفٍ وَلاَ سَفَرٍ . قَالَ مَالِكٌ أُرَى ذَلِكَ كَانَ فِي مَطَرٍ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَاهُ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ نَحْوَهُ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ وَرَوَاهُ قُرَّةُ بْنُ خَالِدٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ قَالَ فِي سَفْرَةٍ سَافَرْنَاهَا إِلَى تَبُوكَ .