কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
كتاب السنن للإمام أبي داود
২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১১৬৫ টি
হাদীস নং: ১১৫১
আন্তর্জাতিক নং: ১১৫১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৫৭. ঈদের নামাযের তাকবীর।
১১৫১. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) বলেছেন, ঈদুল ফিতরের প্রথম রাকআতে সাত তাকবীর এবং দ্বিতীয় রাকআতে পাঁচ তাকবীর এবং উভয় রাকআতে তাকবীরের পরেই কিরাআত পড়তে হয়।
كتاب الصلاة
باب التَّكْبِيرِ فِي الْعِيدَيْنِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الطَّائِفِيَّ، يُحَدِّثُ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، قَالَ قَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " التَّكْبِيرُ فِي الْفِطْرِ سَبْعٌ فِي الأُولَى وَخَمْسٌ فِي الآخِرَةِ وَالْقِرَاءَةُ بَعْدَهُمَا كِلْتَيْهِمَا " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৫২
আন্তর্জাতিক নং: ১১৫২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৫৭. ঈদের নামাযের তাকবীর।
১১৫২. আবু তাওবা (রাহঃ) ..... আমর ইবনে শুয়াইব (রাহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী করীম (ﷺ) ঈদুল ফিতরের নামাযের প্রথম রাকআতে সাতটি তাকবীর বলার পর কিরাআত পাঠ শুরু করতেন। কিরাআত শেষে তাকবীর বলার পর প্রথম রাকআত সমাপনান্তে দ্বিতীয় রাকআতের জন্য দণ্ডায়মান হয়ে চারবার তাকবীর বলে কিরাআত শুরু করতেন এবং পরে রুকুতে যেতেন।
كتاب الصلاة
باب التَّكْبِيرِ فِي الْعِيدَيْنِ
حَدَّثَنَا أَبُو تَوْبَةَ الرَّبِيعُ بْنُ نَافِعٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، - يَعْنِي ابْنَ حَيَّانَ - عَنْ أَبِي يَعْلَى الطَّائِفِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُكَبِّرُ فِي الْفِطْرِ فِي الأُولَى سَبْعًا ثُمَّ يَقْرَأُ ثُمَّ يُكَبِّرُ ثُمَّ يَقُومُ فَيُكَبِّرُ أَرْبَعًا ثُمَّ يَقْرَأُ ثُمَّ يَرْكَعُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ وَكِيعٌ وَابْنُ الْمُبَارَكِ قَالاَ سَبْعًا وَخَمْسًا .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১১৫৩
আন্তর্জাতিক নং: ১১৫৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৫৭. ঈদের নামাযের তাকবীর।
১১৫৩. মুহাম্মাদ ইবনুল আলা (রাহঃ) ..... সাঈদ ইবনুল আস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি আবু মুসা আল-আশআরী (রাযিঃ)-কে এবং হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞাসা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার তাকবীর কিরূপে আদায় করতেন। তিনি (আবু মুসা) বলেন, তিনি জানাযার নামাযে চার তাকবীর আদায় করতেন (অর্থাৎ তিনি জানাযার নামাযের অনুরূপ ঈদের নামাযের প্রতি রাকআতে চারটি তাকবীর বলতেন এবং তা তাহরীমা ও রুকুর তাকবীর সহ।)। হুযাইফা (রাযিঃ) বলেন, আবু মুসা আল-আশআরী সত্য বলেছেন। তিনি বলেন, আমি বসরার আমির থাকাকালে এইরূপে তাকবীর দিয়েছি।
রাবী আবু আয়িশা বলেন, সাঈদ ইবনুল আস (রাযিঃ) ও আবু মুসা (রাযিঃ)-এর মধ্যে কথোপকথনকালে আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম।
রাবী আবু আয়িশা বলেন, সাঈদ ইবনুল আস (রাযিঃ) ও আবু মুসা (রাযিঃ)-এর মধ্যে কথোপকথনকালে আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম।
كتاب الصلاة
باب التَّكْبِيرِ فِي الْعِيدَيْنِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، وَابْنُ أَبِي زِيَادٍ، - الْمَعْنَى قَرِيبٌ - قَالاَ حَدَّثَنَا زَيْدٌ، - يَعْنِي ابْنَ حُبَابٍ - عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَكْحُولٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو عَائِشَةَ، جَلِيسٌ لأَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ سَعِيدَ بْنَ الْعَاصِ، سَأَلَ أَبَا مُوسَى الأَشْعَرِيَّ وَحُذَيْفَةَ بْنَ الْيَمَانِ كَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُكَبِّرُ فِي الأَضْحَى وَالْفِطْرِ فَقَالَ أَبُو مُوسَى كَانَ يُكَبِّرُ أَرْبَعًا تَكْبِيرَهُ عَلَى الْجَنَائِزِ . فَقَالَ حُذَيْفَةُ صَدَقَ . فَقَالَ أَبُو مُوسَى كَذَلِكَ كُنْتُ أُكَبِّرُ فِي الْبَصْرَةِ حَيْثُ كُنْتُ عَلَيْهِمْ . وَقَالَ أَبُو عَائِشَةَ وَأَنَا حَاضِرٌ سَعِيدَ بْنَ الْعَاصِ .
হাদীস নং: ১১৫৪
আন্তর্জাতিক নং: ১১৫৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৫৮. উভয় ঈদের নামাযে কিরা’আত পাঠ।
১১৫৪. আল কানবী (রাহঃ) ..... উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি আবু ওয়াকিদ আল-লায়ছি (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞাসা করেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার নামাযে কোন সূরা পাঠ করতেন? তিনি বলেন, তিনি সূরা “কাফ ওয়াল কুরআনিল মাজিদ” এবং সূরা “ইকতারাবাতিস সাআতু ওয়ান শাককাল ক্বমারু” পাঠ করতেন।
كتاب الصلاة
باب مَا يُقْرَأُ فِي الأَضْحَى وَالْفِطْرِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ ضَمْرَةَ بْنِ سَعِيدٍ الْمَازِنِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، سَأَلَ أَبَا وَاقِدٍ اللَّيْثِيَّ مَاذَا كَانَ يَقْرَأُ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الأَضْحَى وَالْفِطْرِ قَالَ كَانَ يَقْرَأُ فِيهِمَا ( ق وَالْقُرْآنِ الْمَجِيدِ ) وَ ( اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانْشَقَّ الْقَمَرُ ) .
হাদীস নং: ১১৫৫
আন্তর্জাতিক নং: ১১৫৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৫৯. খুতবা শুনার জন্য বসা।
১১৫৫. মুহাম্মাদ ইবনুল সাব্বাহ (রাহঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনুস সায়েব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে ঈদের নামায আদায় করি। নামায শেষে তিনি বলেন, আমি এখন খুতবা দেব। যে তা শুনতে চায়, সে যেন বসে থাকে এবং যে চলে যেতে চায় সে দেতে পারে।
كتاب الصلاة
باب الْجُلُوسِ لِلْخُطْبَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ الْبَزَّازُ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى السِّيْنَانِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ السَّائِبِ، قَالَ شَهِدْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْعِيدَ فَلَمَّا قَضَى الصَّلاَةَ قَالَ " إِنَّا نَخْطُبُ فَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَجْلِسَ لِلْخُطْبَةِ فَلْيَجْلِسْ وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَذْهَبَ فَلْيَذْهَبْ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ هَذَا مُرْسَلٌ عَنْ عَطَاءٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
হাদীস নং: ১১৫৬
আন্তর্জাতিক নং: ১১৫৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬০. ঈদের নামাযের জন্য এক পথ দিয়ে যাওয়া ও অন্য পথ দিয়ে প্রত্যাবর্তন।
১১৫৬. আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামা .... ইবনে উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঈদের নামায আদায়ের জন্য এক রাস্তা দিয়ে যেতেন এবং অন্য রাস্তা দিয়ে প্রত্যাবর্তন করতেন।
كتاب الصلاة
باب يَخْرُجُ إِلَى الْعِيدِ فِي طَرِيقٍ وَيَرْجِعُ فِي طَرِيقٍ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، - يَعْنِي ابْنَ عُمَرَ - عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَخَذَ يَوْمَ الْعِيدِ فِي طَرِيقٍ ثُمَّ رَجَعَ فِي طَرِيقٍ آخَرَ .
হাদীস নং: ১১৫৭
আন্তর্জাতিক নং: ১১৫৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬১. কোন ওযরের কারণে ইমাম প্রথম দিন ঈদের নামাযের জন্য বের হতে না পারলে তা পরের দিন আদায় করা সম্পর্কে।
১১৫৭. হাফস ইবনে উমর (রাহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে তাঁর চাচা এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবীর সূত্রে বর্ণিত। একদা কয়েকজন আরোহী রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর খিদমতে হাযির হয়ে বলেন যে, তারা গতকাল চাঁদ দেখেছেন। তখন তিনি তাদেরকে রোযা ভঙ্গ করতে এবং পরের দিন সকালে ঈদের নামায আদায় করতে বলেন।
كتاب الصلاة
باب إِذَا لَمْ يَخْرُجِ الإِمَامُ لِلْعِيدِ مِنْ يَوْمِهِ يَخْرُجُ مِنَ الْغَدِ
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي وَحْشِيَّةَ، عَنْ أَبِي عُمَيْرِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ عُمُومَةٍ، لَهُ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ رَكْبًا جَاءُوا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَشْهَدُونَ أَنَّهُمْ رَأَوُا الْهِلاَلَ بِالأَمْسِ فَأَمَرَهُمْ أَنْ يُفْطِرُوا وَإِذَا أَصْبَحُوا أَنْ يَغْدُوا إِلَى مُصَلاَّهُمْ .
হাদীস নং: ১১৫৮
আন্তর্জাতিক নং: ১১৫৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬১. কোন ওযরের কারণে ইমাম প্রথম দিন ঈদের নামাযের জন্য বের হতে না পারলে তা পরের দিন আদায় করা সম্পর্কে।
১১৫৮. হামযা ইবনে নুসায়ের (রাহঃ) ..... বকর ইবনে মুবাশশির আল-আনসারী (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সকাল বেলা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাহাবীদের সাথে ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার নামায আদায়ের জন্য ঈদগাহে যেতাম। আমরা ‘বাতনে বাতহা’ নামক স্থান অতিক্রম করে ঈদগাহে পৌঁছার পর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে ঈদের নামায আদায় করতাম। অতঃপর ‘বাতনে বাতহা’ হয়ে আমাদের ঘরে ফিরে আসতাম।
كتاب الصلاة
باب إِذَا لَمْ يَخْرُجِ الإِمَامُ لِلْعِيدِ مِنْ يَوْمِهِ يَخْرُجُ مِنَ الْغَدِ
حَدَّثَنَا حَمْزَةُ بْنُ نُصَيْرٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سُوَيْدٍ، أَخْبَرَنِي أُنَيْسُ بْنُ أَبِي يَحْيَى، أَخْبَرَنِي إِسْحَاقُ بْنُ سَالِمٍ، مَوْلَى نَوْفَلِ بْنِ عَدِيٍّ أَخْبَرَنِي بَكْرُ بْنُ مُبَشِّرٍ الأَنْصَارِيُّ، قَالَ كُنْتُ أَغْدُو مَعَ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْمُصَلَّى يَوْمَ الْفِطْرِ وَيَوْمَ الأَضْحَى فَنَسْلُكُ بَطْنَ بَطْحَانَ حَتَّى نَأْتِيَ الْمُصَلَّى فَنُصَلِّيَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ نَرْجِعُ مِنْ بَطْنِ بَطْحَانَ إِلَى بُيُوتِنَا .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১১৫৯
আন্তর্জাতিক নং: ১১৫৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬২. ঈদের নামাযের পর অন্য নামায আদায় করা সম্পর্কে।
১১৫৯. হাফস ইবনে উমর (রাহঃ) ...... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঈদুল ফিতরের নামায আদায়ের জন্য রওয়ানা হয়ে দুই রাকআত ঈদের নামায আদায় করেন। তিনি তার আগে বা পরে কোন নামায আদায় করেননি। অতঃপর তিনি বিলাল (রাযিঃ)-কে সঙ্গে নিয়ে মহিলাদের নিকট যান এবং তাদেরকে দান-খয়রাতের নির্দেশ দেন। মহিলাগণ তাদের কানের বালা ও গলার হার দান-খয়রাত করেন।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ بَعْدَ صَلاَةِ الْعِيدِ
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنِي عَدِيُّ بْنُ ثَابِتٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ فِطْرٍ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ لَمْ يُصَلِّ قَبْلَهُمَا وَلاَ بَعْدَهُمَا ثُمَّ أَتَى النِّسَاءَ وَمَعَهُ بِلاَلٌ فَأَمَرَهُنَّ بِالصَّدَقَةِ فَجَعَلَتِ الْمَرْأَةُ تُلْقِي خُرْصَهَا وَسِخَابَهَا .
হাদীস নং: ১১৬০
আন্তর্জাতিক নং: ১১৬০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৩. বৃষ্টির দিনে লোকদের নিয়ে ঈদের নামায মসজিদে আদায় করা।
১১৬০। হিশাম ইবনে আম্মার ও আর-বাবী ইবনে সুলাইমান (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা ঈদের দিন বৃষ্টি হলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাহাবীদের নিয়ে মসজিদে নামায আদায় করেন।
كتاب الصلاة
باب يُصَلَّى بِالنَّاسِ الْعِيدُ فِي الْمَسْجِدِ إِذَا كَانَ يَوْمَ مَطَرٍ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، ح وَحَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا رَجُلٌ، مِنَ الْفَرْوِيِّينَ - وَسَمَّاهُ الرَّبِيعُ فِي حَدِيثِهِ عِيسَى بْنَ عَبْدِ الأَعْلَى بْنِ أَبِي فَرْوَةَ - سَمِعَ أَبَا يَحْيَى عُبَيْدَ اللَّهِ التَّيْمِيَّ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ أَصَابَهُمْ مَطَرٌ فِي يَوْمِ عِيدٍ فَصَلَّى بِهِمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم صَلاَةَ الْعِيدِ فِي الْمَسْجِدِ .
হাদীস নং: ১১৬১
আন্তর্জাতিক নং: ১১৬১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৪. ইসতিসকার বিধানসমূহ ও এই নামাযের বর্ণনা।
১১৬১. আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) ...... আব্বাদ ইবনে তামীম থেকে তাঁর চাচার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইসতিসকার নামায আদায়ের উদ্দেশ্যে ময়দানে যান। অতঃপর তিনি সেখানে লোকদের নিয়ে উচ্চস্বরে কিরাআত পড়ে দুই রাকআত নামায আদায় করেন। এ সময় তিনি স্বীয় চাদর মুবারক উল্টিয়ে গায়ে দেন এবং কিবলামুখী হয়ে হস্তদ্বয় উপরে তুলে বৃষ্টির জন্য দু'আ করেন।
كتاب الصلاة
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ ثَابِتٍ الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ عَمِّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ بِالنَّاسِ لِيَسْتَسْقِيَ فَصَلَّى بِهِمْ رَكْعَتَيْنِ جَهَرَ بِالْقِرَاءَةِ فِيهِمَا وَحَوَّلَ رِدَاءَهُ وَرَفَعَ يَدَيْهِ فَدَعَا وَاسْتَسْقَى وَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ .
হাদীস নং: ১১৬২
আন্তর্জাতিক নং: ১১৬২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৪. ইসতিসকার বিধানসমূহ ও এই নামাযের বর্ণনা।
১১৬২. ইবনুস সারহ (রাহঃ) ..... আব্বাদ ইবনে তামীম আল-মাযিনী (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি তার চাচা ও রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাহাবীকে বলতে শুনেছেন: রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইসতিসকার নামায আদায় করতে গিয়ে লোকদের দিকে পিঠ ফিরিয়ে আল্লাহ তাআলার নিকট বৃষ্টির জন্য দু'আ করেন।
রাবী সুলাইমান ইবনে দাউদের বর্ণনায় আছে, তিনি কিবলামুখী হয়ে তাঁর চাদর উল্টিয়ে গায়ে দিয়ে দুই রাকআত নামায আদায় করেন। অন্য বর্ণনায় উল্লেখ আছে যে, তিনি উক্ত নামাযে কিরাআত শব্দ করে পাঠ করেন।
রাবী সুলাইমান ইবনে দাউদের বর্ণনায় আছে, তিনি কিবলামুখী হয়ে তাঁর চাদর উল্টিয়ে গায়ে দিয়ে দুই রাকআত নামায আদায় করেন। অন্য বর্ণনায় উল্লেখ আছে যে, তিনি উক্ত নামাযে কিরাআত শব্দ করে পাঠ করেন।
كتاب الصلاة
حَدَّثَنَا ابْنُ السَّرْحِ، وَسُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، وَيُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَبَّادُ بْنُ تَمِيمٍ الْمَازِنِيُّ، أَنَّهُ سَمِعَ عَمَّهُ، - وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا يَسْتَسْقِي فَحَوَّلَ إِلَى النَّاسِ ظَهْرَهُ يَدْعُو اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ - قَالَ سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ وَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ وَحَوَّلَ رِدَاءَهُ ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ - قَالَ ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ - وَقَرَأَ فِيهِمَا زَادَ ابْنُ السَّرْحِ يُرِيدُ الْجَهْرَ .
হাদীস নং: ১১৬৩
আন্তর্জাতিক নং: ১১৬৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৪. ইসতিসকার বিধানসমূহ ও এই নামাযের বর্ণনা।
১১৬৩. মুহাম্মাদ ইবনে আউফ (রাহঃ) .... মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম (রাহঃ) হতে এই সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এই বর্ণনায় নামাযের কথা উল্লেখ নাই। তিনি (নবী (ﷺ)) তাঁর চাদর উল্টিয়ে ডান দিক বাম কাধেঁর উপর এবং বাম দিক ডান কাধেঁর উপর রেখে আল্লাহ তাআলার নিকট দু'আ করেন।
كتاب الصلاة
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَوْفٍ، قَالَ قَرَأْتُ فِي كِتَابِ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ - يَعْنِي الْحِمْصِيَّ - عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَالِمٍ، عَنِ الزُّبَيْدِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ، بِهَذَا الْحَدِيثِ بِإِسْنَادِهِ لَمْ يَذْكُرِ الصَّلاَةَ قَالَ وَحَوَّلَ رِدَاءَهُ فَجَعَلَ عِطَافَهُ الأَيْمَنَ عَلَى عَاتِقِهِ الأَيْسَرِ وَجَعَلَ عِطَافَهُ الأَيْسَرَ عَلَى عَاتِقِهِ الأَيْمَنِ ثُمَّ دَعَا اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১১৬৪
আন্তর্জাতিক নং: ১১৬৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৪. ইসতিসকার বিধানসমূহ ও এই নামাযের বর্ণনা।
১১৬৪. কুতাইবা ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনে যায়দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইসতিসকার নামায আদায়কালে তাঁর গায়ে কাল ডোরাবিশিষ্ট চাদর ছিল। তিনি এর নীচের দিক উল্টিয়ে উপরের দিকে উঠাবার সময় ভারী বোধ করলেন। তখন তিনি তা উল্টিয়ে নিজ কাধেঁর উপর রাখলেন।
كتاب الصلاة
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ غَزِيَّةَ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ زَيْدٍ، قَالَ اسْتَسْقَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَعَلَيْهِ خَمِيصَةٌ لَهُ سَوْدَاءُ فَأَرَادَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَأْخُذَ بِأَسْفَلِهَا فَيَجْعَلَهُ أَعْلاَهَا فَلَمَّا ثَقُلَتْ قَلَبَهَا عَلَى عَاتِقِهِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৬৫
আন্তর্জাতিক নং: ১১৬৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৪. ইসতিসকার বিধানসমূহ ও এই নামাযের বর্ণনা।
১১৬৫. আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামা (রাহঃ) ....... আব্দুল্লাহ ইবনে যায়দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইসতিসকার নামাযে যান। নামায শেষে তিনি যখন দু'আ করার ইচ্ছা করেন, তখন কিবলামুখী হয়ে স্বীয় চাদর উল্টিয়ে গায়ে দেন।
كتاب الصلاة
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، - يَعْنِي ابْنَ بِلاَلٍ - عَنْ يَحْيَى، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ زَيْدٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ إِلَى الْمُصَلَّى يَسْتَسْقِي وَأَنَّهُ لَمَّا أَرَادَ أَنْ يَدْعُوَ اسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ ثُمَّ حَوَّلَ رِدَاءَهُ .
হাদীস নং: ১১৬৬
আন্তর্জাতিক নং: ১১৬৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৪. ইসতিসকার বিধানসমূহ ও এই নামাযের বর্ণনা।
১১৬৬. আল-কানবী (রাহঃ) ...... আব্দুল্লাহ ইবনে যায়দ আল-মাযেনী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মাঠে গিয়ে ইসতিসকার নামায আদায় করেন এবং কিবলামুখী হয়ে স্বীয় চাদর উল্টিয়ে গায়ে দেন।
كتاب الصلاة
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عَبَّادَ بْنَ تَمِيمٍ، يَقُولُ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ زَيْدٍ الْمَازِنِيَّ، يَقُولُ خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْمُصَلَّى فَاسْتَسْقَى وَحَوَّلَ رِدَاءَهُ حِينَ اسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ .
হাদীস নং: ১১৬৭
আন্তর্জাতিক নং: ১১৬৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৪. ইসতিসকার বিধানসমূহ ও এই নামাযের বর্ণনা।
১১৬৭. আন-নুফায়লী এবং উছমান ইবনে আবু শাইবা (রাহঃ) ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাধারণ বেশভূষা পরিধান করে বিনম্র হৃদয়ে ইসতিসকার নামায আদায়ের জন্য মাঠে যান। অতঃপর তিনি মিম্বরে উঠেন। (রাবী উছমানের মতে) এ সময় তিনি সাধারণ নামাযের খুতবার অনুরূপ খুতবা না দিয়ে সম্পূর্ণ সময়টি কাকুতি-মিনতির সাথে দু'আ ও তাকবীরের মধ্যে অতিবাহিত করেন। অতঃপর তিনি ঈদের নামাযের মত দুই রাকাআত নামায আদায় করেন।
كتاب الصلاة
حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ، وَعُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، نَحْوَهُ قَالاَ حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كِنَانَةَ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي قَالَ، أَرْسَلَنِي الْوَلِيدُ بْنُ عُتْبَةَ - قَالَ عُثْمَانُ ابْنُ عُقْبَةَ وَكَانَ أَمِيرَ الْمَدِينَةِ - إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ أَسْأَلُهُ عَنْ صَلاَةِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الاِسْتِسْقَاءِ فَقَالَ خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُتَبَذِّلاً مُتَوَاضِعًا مُتَضَرِّعًا حَتَّى أَتَى الْمُصَلَّى - زَادَ عُثْمَانُ فَرَقِيَ عَلَى الْمِنْبَرِ ثُمَّ اتَّفَقَا - وَلَمْ يَخْطُبْ خُطَبَكُمْ هَذِهِ وَلَكِنْ لَمْ يَزَلْ فِي الدُّعَاءِ وَالتَّضَرُّعِ وَالتَّكْبِيرِ ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ كَمَا يُصَلِّي فِي الْعِيدِ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَالإِخْبَارُ لِلنُّفَيْلِيِّ وَالصَّوَابُ ابْنُ عُتْبَةَ .
হাদীস নং: ১১৬৮
আন্তর্জাতিক নং: ১১৬৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৫. ইসতিসকার নামায আদায়কালে দুই হাত তুলে দু'আ করা।
১১৬৮. মুহাম্মাদ ইবনে সালামা (রাহঃ) ..... উমায়ের (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা তিনি নবী করীম (ﷺ)-কে আল-জাওয়া নামক স্থানের নিকটবর্তী আহজারুল যায়েত’ নামক স্থানে দাঁড়িয়ে উভয় হাত মাথা পর্যন্ত উত্তোলন করে ইসতিসকার নামাযের পর দু'আ করেন।
كتاب الصلاة
باب رَفْعِ الْيَدَيْنِ فِي الاِسْتِسْقَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ الْمُرَادِيُّ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ حَيْوَةَ، وَعُمَرَ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ الْهَادِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عُمَيْرٍ، مَوْلَى بَنِي آبِي اللَّحْمِ أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَسْتَسْقِي عِنْدَ أَحْجَارِ الزَّيْتِ قَرِيبًا مِنَ الزَّوْرَاءِ قَائِمًا يَدْعُو يَسْتَسْقِي رَافِعًا يَدَيْهِ قِبَلَ وَجْهِهِ لاَ يُجَاوِزُ بِهِمَا رَأْسَهُ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১১৬৯
আন্তর্জাতিক নং: ১১৬৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৫. ইসতিসকার নামায আদায়কালে দুই হাত তুলে দু'আ করা।
১১৬৯. ইবনে আবু খালাফ (রাহঃ) ..... জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) এর খিদমতে কিছু লোক বৃষ্টি না হওয়ার কারণে ক্রন্দনরত অবস্থায় আগমন করে (বৃষ্টির জন্য দু'আ করতে বলে)। তখন তিনি (ﷺ) এই দু'আ করেনঃ “ইয়া আল্লাহ! আমাদের জন্য এমন বৃষ্টি বর্ষণ করুন যা আমাদের জনকল্যাণকর এবং মঙ্গলজনক হয়, ফলমূল ও ফসলাদি উৎপাদনে সহায়ক হয়, যা আমাদের জন্য অপকারী না হয়ে উপকারী হয় এবং তা বিলম্বের পরিবর্তে অবিলম্বে দান করুন”। রাবী বলেন এই দু'আর সাথে সাথেই আসমান মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বৃষ্টিপাত শুরু হয়।
كتاب الصلاة
باب رَفْعِ الْيَدَيْنِ فِي الاِسْتِسْقَاءِ
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي خَلَفٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ، عَنْ يَزِيدَ الْفَقِيرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ أَتَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بَوَاكِي فَقَالَ " اللَّهُمَّ اسْقِنَا غَيْثًا مُغِيثًا مَرِيئًا مَرِيعاً نَافِعًا غَيْرَ ضَارٍّ عَاجِلاً غَيْرَ آجِلٍ " . قَالَ فَأَطْبَقَتْ عَلَيْهِمُ السَّمَاءُ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৭০
আন্তর্জাতিক নং: ১১৭০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৬৫. ইসতিসকার নামায আদায়কালে দুই হাত তুলে দু'আ করা।
১১৭০. নসর ইবনে আলি (রাহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) ইসতিসকার নামাযে ব্যতীত অন্য কোন নামাযে হাত তুলে দুআ করতেন না। তিনি এই নামাযে হাত এত উপরে উত্তোলন করতেন যে, তাঁর বগলের নীচের সাদা অংশ দেখা যেত।
كتاب الصلاة
باب رَفْعِ الْيَدَيْنِ فِي الاِسْتِسْقَاءِ
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ لاَ يَرْفَعُ يَدَيْهِ فِي شَىْءٍ مِنَ الدُّعَاءِ إِلاَّ فِي الاِسْتِسْقَاءِ فَإِنَّهُ كَانَ يَرْفَعُ يَدَيْهِ حَتَّى يُرَى بَيَاضُ إِبْطَيْهِ .