কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
كتاب السنن للإمام أبي داود
২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১১৬৫ টি
হাদীস নং: ৭১১
আন্তর্জাতিক নং: ৭১১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৮. মহিলারা নামাযের সামনে দিয়ে অতিক্রম করলে নামায নষ্ট না হওয়ার বর্ণনা।
৭১১. আহমদ ইবনে ইউনুস .... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) রাতে নামায পাঠকালে (আয়িশা) তাঁর বিছানায় নবী (ﷺ) ও কিবলার মধ্যবর্তী স্থানে ঘুমিয়ে থাকতেন।* অতঃপর যখন বিতরের নামায আদায়ের সংকল্প করতেন, তখন তাকে জাগ্রত করলে- তিনি বিতরের নামায পড়তেন।
* নবী (ﷺ) আয়েশা (রাযিঃ)-এর সাথে যে হুজরায় বসবাস করতেন তা এত সংকীর্ণ ছিল যে, দুইজনের শয়ন স্থান ব্যতীত সেখানে অতিরিক্ত কোন জায়গা ছিল না। ফলে তিনি এইরূপে নামায আদায় করতেন।
* নবী (ﷺ) আয়েশা (রাযিঃ)-এর সাথে যে হুজরায় বসবাস করতেন তা এত সংকীর্ণ ছিল যে, দুইজনের শয়ন স্থান ব্যতীত সেখানে অতিরিক্ত কোন জায়গা ছিল না। ফলে তিনি এইরূপে নামায আদায় করতেন।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ الْمَرْأَةُ لاَ تَقْطَعُ الصَّلاَةَ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي صَلاَتَهُ مِنَ اللَّيْلِ وَهِيَ مُعْتَرِضَةٌ بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ رَاقِدَةً عَلَى الْفِرَاشِ الَّذِي يَرْقُدُ عَلَيْهِ حَتَّى إِذَا أَرَادَ أَنْ يُوتِرَ أَيْقَظَهَا فَأَوْتَرَتْ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭১২
আন্তর্জাতিক নং: ৭১২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৮. মহিলারা নামাযের সামনে দিয়ে অতিক্রম করলে নামায নষ্ট না হওয়ার বর্ণনা।
৭১২. মুসাদ্দাদ ..... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এটা খুবই পরিতাপের বিষয় যে, তোমরা নামায নষ্ট হওয়ার ব্যাপারে আমাদেরকে গাঁধা ও কুকুরের পর্যায়ভূক্ত করেছ। পক্ষান্তরে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে এরূপ অবস্থায় নামায আদায় করতে দেখেছি যে, আমি তার সম্মুখে শুয়ে থাকতাম, তখন তিনি আমার পায়ে খোঁচা দিলে আমি পা টেনে নিতাম এবং তিনি সিজদায় যেতেন।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ الْمَرْأَةُ لاَ تَقْطَعُ الصَّلاَةَ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ سَمِعْتُ الْقَاسِمَ، يُحَدِّثُ عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ بِئْسَمَا عَدَلْتُمُونَا بِالْحِمَارِ وَالْكَلْبِ لَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي وَأَنَا مُعْتَرِضَةٌ بَيْنَ يَدَيْهِ فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَسْجُدَ غَمَزَ رِجْلِي فَضَمَمْتُهَا إِلَىَّ ثُمَّ يَسْجُدُ .
হাদীস নং: ৭১৩
আন্তর্জাতিক নং: ৭১৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৮. মহিলারা নামাযের সামনে দিয়ে অতিক্রম করলে নামায নষ্ট না হওয়ার বর্ণনা।
৭১৩. আসিম ইবনুন-নাদর ..... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রাতে নফল নামায পড়াকালে- নিদ্রিত অবস্থায় আমার পদযুগল তাঁর সম্মুখে থাকত। অতঃপর তিনি যখন সিজদায় যাওয়ার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি আমার পায়ে খোঁচা দিতেন এবং আমি পা সরিয়ে নেয়ার পর তিনি সিজদা করতেন।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ الْمَرْأَةُ لاَ تَقْطَعُ الصَّلاَةَ
حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ النَّضْرِ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ كُنْتُ أَكُونُ نَائِمَةً وَرِجْلاَىَ بَيْنَ يَدَىْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَسْجُدَ ضَرَبَ رِجْلَىَّ فَقَبَضْتُهُمَا فَسَجَدَ .
হাদীস নং: ৭১৪
আন্তর্জাতিক নং: ৭১৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৮. মহিলারা নামাযের সামনে দিয়ে অতিক্রম করলে নামায নষ্ট না হওয়ার বর্ণনা।
৭১৪. উছমান ইবনে আবি শাঈবা .... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) রাতে নফল নামায পাঠকালে আমি তার সামনে কিবলার দিকে শুয়ে থাকতাম। অতঃপর যখন তিনি বিতরের নামায পড়ার ইচ্ছা করতেন তখন তিনি আমাকে পা সরানোর জন্য খোঁচা দিতেন।
রাবী উছমানের বর্ণনায় “খোঁচা দেয়া” শব্দটি উল্লেখ আছে।
রাবী উছমানের বর্ণনায় “খোঁচা দেয়া” শব্দটি উল্লেখ আছে।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ الْمَرْأَةُ لاَ تَقْطَعُ الصَّلاَةَ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، ح قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَحَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ وَهَذَا لَفْظُهُ - عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ كُنْتُ أَنَامُ وَأَنَا مُعْتَرِضَةٌ، فِي قِبْلَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَيُصَلِّي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا أَمَامَهُ فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يُوتِرَ . زَادَ عُثْمَانُ غَمَزَنِي ثُمَّ اتَّفَقَا فَقَالَ " تَنَحَّىْ " .
হাদীস নং: ৭১৫
আন্তর্জাতিক নং: ৭১৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৯. নামাযীর সামনে দিয়ে গাধা অতিক্রম করলে নামাযের কোন ক্ষতি হয় না।
৭১৫. উছমান ইবনে আবি শাঈবা ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার কাছাকাছি সময়ে একদিন গাধীর পিঠে আরোহণ করে মিনায় যাই যখন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) সেখানে নামাযের ইমামতি করছিলেন। তখন আমি নামাযীদের কাতারের সামনে দিয়ে অতিক্রম করি আমি আমার গাধীকে বিচরণের জন্য ছেড়ে দিয়ে নামাযের কাতারে শামিল হই। এ সময় কেউই আমাকে এ কাজের জন্য নিষেধ করেনি।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ الْحِمَارُ لاَ يَقْطَعُ الصَّلاَةَ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ جِئْتُ عَلَى حِمَارٍ ح وَحَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ أَقْبَلْتُ رَاكِبًا عَلَى أَتَانٍ وَأَنَا يَوْمَئِذٍ، قَدْ نَاهَزْتُ الاِحْتِلاَمَ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي بِالنَّاسِ بِمِنًى فَمَرَرْتُ بَيْنَ يَدَىْ بَعْضِ الصَّفِّ فَنَزَلْتُ فَأَرْسَلْتُ الأَتَانَ تَرْتَعُ وَدَخَلْتُ فِي الصَّفِّ فَلَمْ يُنْكِرْ ذَلِكَ أَحَدٌ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَهَذَا لَفْظُ الْقَعْنَبِيِّ وَهُوَ أَتَمُّ . قَالَ مَالِكٌ وَأَنَا أَرَى ذَلِكَ وَاسِعًا إِذَا قَامَتِ الصَّلاَةُ .
হাদীস নং: ৭১৬
আন্তর্জাতিক নং: ৭১৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৯. নামাযীর সামনে দিয়ে গাধা অতিক্রম করলে নামাযের কোন ক্ষতি হয় না।
৭১৬. মুসাদ্দাদ .... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি এবং বনী আব্দুল মুত্তালিবের এক যুবক গাধার পিঠে আরোহণ করে ঐ স্থানে গমন করি যেখানে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) নামাযের ইমামতি করছিলেন। আমরা আমাদের গাধাকে বিচরণের জন্য কাতারের সামনে ছেড়ে দেই এবং তাতে তিনি কোন আপত্তি করেন নি। এ সময় সেখানে বনী আব্দুল মুত্তালিবের দুই যুবতী এসে নামাযের কাতারের মধ্যে প্রবেশ করে এবং তাতেও তিনি কোন আপত্তি করেন নি।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ الْحِمَارُ لاَ يَقْطَعُ الصَّلاَةَ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ الْجَزَّارِ، عَنْ أَبِي الصَّهْبَاءِ، قَالَ تَذَاكَرْنَا مَا يَقْطَعُ الصَّلاَةَ عِنْدَ ابْنِ عَبَّاسٍ فَقَالَ جِئْتُ أَنَا وَغُلاَمٌ مِنْ بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ عَلَى حِمَارٍ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي فَنَزَلَ وَنَزَلْتُ وَتَرَكْنَا الْحِمَارَ أَمَامَ الصَّفِّ فَمَا بَالاَهُ وَجَاءَتْ جَارِيَتَانِ مِنْ بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ فَدَخَلَتَا بَيْنَ الصَّفِّ فَمَا بَالَى ذَلِكَ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭১৭
আন্তর্জাতিক নং: ৭১৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৯. নামাযীর সামনে দিয়ে গাধা অতিক্রম করলে নামাযের কোন ক্ষতি হয় না।
৭১৭. উছমান ইবনে আবি শাঈবা .... মানসুর হতে একই সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। রাবী বলেন, এ সময় সেখানে বনী আব্দুল মুত্তালিবের দুই যুবতী ঝগড়া রত অবস্হায় এসে উপস্থিত হয়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের ধরে ফেলেন অথবা পৃথক করে দেন এবং এরূপ করা দূষনীয় মনে করেননি।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ الْحِمَارُ لاَ يَقْطَعُ الصَّلاَةَ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَدَاوُدُ بْنُ مِخْرَاقٍ الْفِرْيَابِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، بِهَذَا الْحَدِيثِ بِإِسْنَادِهِ قَالَ فَجَاءَتْ جَارِيَتَانِ مِنْ بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ اقْتَتَلَتَا فَأَخَذَهُمَا - قَالَ عُثْمَانُ فَفَرَّعَ بَيْنَهُمَا وَقَالَ دَاوُدُ - فَنَزَعَ إِحْدَاهُمَا مِنَ الأُخْرَى فَمَا بَالَى ذَلِكَ .
হাদীস নং: ৭১৮
আন্তর্জাতিক নং: ৭১৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২০. নামাযীর সামনে দিয়ে কুকুর গেলে নামাযের ক্ষতি হয় না।
৭১৮. আব্দুল মালিক ইবনে শুআয়ব ..... আল-ফাদল-ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) আমাদের নিকট আসেন। আমরা তখন আমাদের জঙ্গলে ছিলাম। আব্বাস (রাযিঃ)-ও তাঁর সাথে ছিলেন। অতঃপর ঐ জঙ্গলে সুতরাবিহীন অবস্থায় নামায পড়েন যখন তাঁর সামনে আমাদের গাধা ও কুকুর দৌড়দৌড়ি করছিল কিন্তু এটাকে তিনি আপত্তিকর মনে করেন নি।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ الْكَلْبُ لاَ يَقْطَعُ الصَّلاَةَ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ اللَّيْثِ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ عَبَّاسِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ الْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ أَتَانَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَنَحْنُ فِي بَادِيَةٍ لَنَا وَمَعَهُ عَبَّاسٌ فَصَلَّى فِي صَحْرَاءَ لَيْسَ بَيْنَ يَدَيْهِ سُتْرَةٌ وَحِمَارَةٌ لَنَا وَكَلْبَةٌ تَعْبَثَانِ بَيْنَ يَدَيْهِ فَمَا بَالَى ذَلِكَ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৭১৯
আন্তর্জাতিক নং: ৭১৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২১. কোন কিছুই সামনে দিয়ে অতিক্রম করলে নামায নষ্ট হয় না।
৭১৯. মুহাম্মাদ ইবনুল-আলা ..... আবু সাঈদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ কোন নামাযীর সম্মুখ দিয়ে যাওয়ার কারণে নামাযের কোন ক্ষতি হয় না, তবে তোমরা সাধ্যানুযায়ী এরূপ করতে বাধা দেবে। কেননা (নামাযীর সামনে দিয়ে) গমনকারী একটা শয়তান।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ لاَ يَقْطَعُ الصَّلاَةَ شَىْءٌ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنْ أَبِي الْوَدَّاكِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَقْطَعُ الصَّلاَةَ شَىْءٌ وَادْرَءُوا مَا اسْتَطَعْتُمْ فَإِنَّمَا هُوَ شَيْطَانٌ " .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৭২০
আন্তর্জাতিক নং: ৭২০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২১. কোন কিছুই সামনে দিয়ে অতিক্রম করলে নামায নষ্ট হয় না।
৭২০. মুসাদ্দাদদ ..... আবুল-ওয়াদ্দাক বলেন, আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাযিঃ) নামায আদায়ের সময় তার সামনে দিয়ে এক ব্যক্তি গমন করতে চাইলে তিনি তাকে বাধা দেন। পুনঃ ঐ ব্যক্তি যেতে চাইলে তিনি আবারও তাকে বাধা দেন। এইরূপে তিনি তিন বার তাকে বাধা দেন। অতঃপর তিনি নামায শেষে বলেন, (নামাযের সামনে দিয়ে অতিক্রমকারী) কোন কিছুই নামায নষ্ট করতে পারে না। তবে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ নামাযের সামনে দিয়ে গমনকারীকে তোমরা যথাসম্ভব বাধা দিবে। কেননা সে একটি শয়তান।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ لاَ يَقْطَعُ الصَّلاَةَ شَىْءٌ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، حَدَّثَنَا مُجَالِدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الْوَدَّاكِ، قَالَ مَرَّ شَابٌّ مِنْ قُرَيْشٍ بَيْنَ يَدَىْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ وَهُوَ يُصَلِّي فَدَفَعَهُ ثُمَّ عَادَ فَدَفَعَهُ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ إِنَّ الصَّلاَةَ لاَ يَقْطَعُهَا شَىْءٌ وَلَكِنْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " ادْرَءُوا مَا اسْتَطَعْتُمْ فَإِنَّهُ شَيْطَانٌ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ إِذَا تَنَازَعَ الْخَبَرَانِ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نُظِرَ إِلَى مَا عَمِلَ بِهِ أَصْحَابُهُ مِنْ بَعْدِهِ .
হাদীস নং: ৭২১
আন্তর্জাতিক নং: ৭২১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২২. রাফউল ইয়াদাইন (নামাযের মধ্যে উভয় হাত উপরে উঠানো)
৭২১. আহমদ ইবনে হাম্বল .... সালেম থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)কে নামায আরম্ভ করার সময় তার দুহাত স্বীয় কাঁধ পর্যন্ত উঠাতে দেখেছি। অনুরূপভাবে এবং রুকূ করার সময় এবং রুকূ হতে মাথা উঠানোর পরও তাকে হাত উঠাতে দেখেছি। কিন্তু তিনি দুই সিজদার মাঝে হাত উঠাতেন না।
كتاب الصلاة
باب رَفْعِ الْيَدَيْنِ فِي الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا اسْتَفْتَحَ الصَّلاَةَ رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ مَنْكِبَيْهِ وَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ وَبَعْدَ مَا يَرْفَعُ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ - وَقَالَ سُفْيَانُ مَرَّةً وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ . وَأَكْثَرُ مَا كَانَ يَقُولُ وَبَعْدَ مَا يَرْفَعُ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ - وَلاَ يَرْفَعُ بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭২২
আন্তর্জাতিক নং: ৭২২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২২. রাফউল ইয়াদাইন (নামাযের মধ্যে উভয় হাত উপরে উঠানো)
৭২২. ইবনুল মুসাফফা আল-হিমসী ..... আব্দুল্লাহ্ ইবনে উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) নামাযে দাঁড়ানোর সময় নিজের দুই হাত কান পর্যন্ত উঠাতেন। তাকবীর বলে রুকুতে যেতেন এবং দুই হাতের উপরে তুলতেন। রুকূ হতে উঠার সময়ও স্বীয় উভয় হাত কাঁধ পর্যন্ত উঠিয়ে “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলতেন। তিনি সিজদার মধ্যে হাত উঠাতেন না এবং প্রত্যেক রুকূর জন্য তাকবীর বলার সময় হাত উঠাতেন এবং এইরূপে নামায শেষ করতেন।
كتاب الصلاة
باب رَفْعِ الْيَدَيْنِ فِي الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُصَفَّى الْحِمْصِيُّ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ، حَدَّثَنَا الزُّبَيْدِيُّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا قَامَ إِلَى الصَّلاَةِ رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى تَكُونَا حَذْوَ مَنْكِبَيْهِ ثُمَّ كَبَّرَ وَهُمَا كَذَلِكَ فَيَرْكَعُ ثُمَّ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْفَعَ صُلْبَهُ رَفَعَهُمَا حَتَّى تَكُونَا حَذْوَ مَنْكِبَيْهِ ثُمَّ قَالَ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ وَلاَ يَرْفَعُ يَدَيْهِ فِي السُّجُودِ وَيَرْفَعُهُمَا فِي كُلِّ تَكْبِيرَةٍ يُكَبِّرُهَا قَبْلَ الرُّكُوعِ حَتَّى تَنْقَضِيَ صَلاَتُهُ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭২৩
আন্তর্জাতিক নং: ৭২৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২২. রাফউল ইয়াদাইন (নামাযের মধ্যে উভয় হাত উপরে উঠানো)
৭২৩. উবাইদুল্লাহ্ ইবনে উমর ..... আবু ওয়ায়েল ইবনে হূজর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর সাথে নামায আদায় করি তাকবীর বলার সময় নিজের দুই হাত উঠাতেন, পরে তিনি তার হাত কাপড়ের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে ডান হাত দিয়ে বাম হাত ধরতেন। রাবী বলেন, অতঃপর যখন রুকূর ইরাদা করেন, তখন স্বীয় হাত দু’খানা বের করে উপরে উঠাতেন। তিনি রুকু হতে মাথা উঠানোর সময়ও দুই হাত উপরে উঠান। অতঃপর তিনি সিজদায় যান এবং স্বীয় চেহারা দুই হাতের তালুর মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপন করেন। অতঃপর তিনি সিজদা হতে মাথা উঠাবার সময়ও স্বীয় হাত দুইখানা উত্তোলন করেন। এভাবে তিনি তাঁর নামায শেষ করেন। রাবী মুহাম্মাদ বলেন, এ সম্পর্কে আমি হাসান ইবনে আবুল হাসানকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, এমনি ছিল রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামায আদায়ের নিয়ম। যে ব্যক্তি এর অনুসরণ করেছে, সে তো করেছে এবং যে ব্যক্তি তা ত্যাগ করেছে- সে তো তা ত্যাগ করেছে।
كتاب الصلاة
باب رَفْعِ الْيَدَيْنِ فِي الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مَيْسَرَةَ الْجُشَمِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جُحَادَةَ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، قَالَ كُنْتُ غُلاَمًا لاَ أَعْقِلُ صَلاَةَ أَبِي قَالَ فَحَدَّثَنِي وَائِلُ بْنُ عَلْقَمَةَ عَنْ أَبِي وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَكَانَ إِذَا كَبَّرَ رَفَعَ يَدَيْهِ - قَالَ - ثُمَّ الْتَحَفَ ثُمَّ أَخَذَ شِمَالَهُ بِيَمِينِهِ وَأَدْخَلَ يَدَيْهِ فِي ثَوْبِهِ قَالَ فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ أَخْرَجَ يَدَيْهِ ثُمَّ رَفَعَهُمَا وَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ رَفَعَ يَدَيْهِ ثُمَّ سَجَدَ وَوَضَعَ وَجْهَهُ بَيْنَ كَفَّيْهِ وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ السُّجُودِ أَيْضًا رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى فَرَغَ مِنْ صَلاَتِهِ . قَالَ مُحَمَّدٌ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِلْحَسَنِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ فَقَالَ هِيَ صَلاَةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَعَلَهُ مَنْ فَعَلَهُ وَتَرَكَهُ مَنْ تَرَكَهُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ هَمَّامٌ عَنِ ابْنِ جُحَادَةَ لَمْ يَذْكُرِ الرَّفْعَ مَعَ الرَّفْعِ مِنَ السُّجُودِ .
হাদীস নং: ৭২৪
আন্তর্জাতিক নং: ৭২৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২২. রাফউল ইয়াদাইন (নামাযের মধ্যে উভয় হাত উপরে উঠানো)
৭২৫. উছমান ইবনে আবি শাঈবা ..... আব্দুল জব্বার ইবনে ওয়ায়েল থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তাঁর পিতা নবী (ﷺ) নামাযে দণ্ডায়মান হয়ে স্বীয় হস্তদ্বয় কাঁধ পর্যন্ত এবং বৃদ্ধাগুলিদ্বয় কান পর্যন্ত উঠিয়ে তাকবীর বলতে দেখেছেন।
كتاب الصلاة
باب رَفْعِ الْيَدَيْنِ فِي الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ النَّخَعِيِّ، عَنْ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ وَائِلٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ أَبْصَرَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم حِينَ قَامَ إِلَى الصَّلاَةِ رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى كَانَتَا بِحِيَالِ مَنْكِبَيْهِ وَحَاذَى بِإِبْهَامَيْهِ أُذُنَيْهِ ثُمَّ كَبَّرَ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৭২৫
আন্তর্জাতিক নং: ৭২৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২২. রাফউল ইয়াদাইন (নামাযের মধ্যে উভয় হাত উপরে উঠানো)
৭২৪. মুসাদ্দাদ ....... আব্দুল জব্বার ইবনে ওয়ায়েল বলেন, আমার পরিবারের লোকেরা আমার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, আমার পিতা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)কে তাকবীর বলার সময় দুই হাত উঠাতে দেখেছেন।
كتاب الصلاة
باب رَفْعِ الْيَدَيْنِ فِي الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ زُرَيْعٍ - حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ وَائِلٍ، حَدَّثَنِي أَهْلُ، بَيْتِي عَنْ أَبِي أَنَّهُ، حَدَّثَهُمْ أَنَّهُ، رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَرْفَعُ يَدَيْهِ مَعَ التَّكْبِيرَةِ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৭২৬
আন্তর্জাতিক নং: ৭২৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২২. রাফউল ইয়াদাইন (নামাযের মধ্যে উভয় হাত উপরে উঠানো)
৭২৬. মুসাদ্দাদ ..... ওয়ায়েল ইবনে হুজর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তোমাদেরকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নামায পড়ার নিয়ম দেখাব। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কিবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে তাকবীর বলে নিজের উভয় হাত কান পর্যন্ত উত্তোলন করেন। অতঃপর তিনি স্বীয় বাম হাত ডান হাত দিয়ে ধরেন এবং রুকূ করার সময় উভয় হাত ঐরূপ উত্তোলন করেন। অতঃপর তিনি তাঁর দুই হাত দুই হাটুর উপর রাখেন। রুকূ হতে মাথা উঠাবার সময় তিনি উভয় হাত তদ্রূপ উত্তোলন করেন। অতঃপর তিনি সিজদায় স্বীয় মাথা দুই হাতের মধ্যবর্তী স্থানে রাখেন এবং বাম পা বিছিয়ে বসেন। অতঃপর তিনি তাঁর বাম হাত বাম রানের উপর এবং ডান হাত ডান রানের উপর বিচ্ছিন্নভাবে রাখেন। পরে তিনি স্বীয় ডান হাতের কনিষ্ঠ ও অনামিকা অঙ্গুলিদ্বয় আব্দ্ধ করে রাখেন এবং মধ্যমা ও বৃদ্ধাংগুলি বৃত্তাকার করেন এবং শাহাদাত অঙ্গুলি (তর্জনী) দ্বারা ইাশারা করেন।
আমি তাদেরকে এভাবে বলতে দেখেছি। আর বিশর নিজের মধ্যমা ও বৃদ্ধাগুলি দ্বারা বৃত্ত করেন এবং তর্জনী দ্বারা ইশারা করেন।
আমি তাদেরকে এভাবে বলতে দেখেছি। আর বিশর নিজের মধ্যমা ও বৃদ্ধাগুলি দ্বারা বৃত্ত করেন এবং তর্জনী দ্বারা ইশারা করেন।
كتاب الصلاة
باب رَفْعِ الْيَدَيْنِ فِي الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، قَالَ قُلْتُ لأَنْظُرَنَّ إِلَى صَلاَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَيْفَ يُصَلِّي قَالَ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ فَكَبَّرَ فَرَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى حَاذَتَا أُذُنَيْهِ ثُمَّ أَخَذَ شِمَالَهُ بِيَمِينِهِ فَلَمَّا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ رَفَعَهُمَا مِثْلَ ذَلِكَ ثُمَّ وَضَعَ يَدَيْهِ عَلَى رُكْبَتَيْهِ فَلَمَّا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ رَفَعَهُمَا مِثْلَ ذَلِكَ فَلَمَّا سَجَدَ وَضَعَ رَأْسَهُ بِذَلِكَ الْمَنْزِلِ مِنْ بَيْنِ يَدَيْهِ ثُمَّ جَلَسَ فَافْتَرَشَ رِجْلَهُ الْيُسْرَى وَوَضَعَ يَدَهُ الْيُسْرَى عَلَى فَخِذِهِ الْيُسْرَى وَحَدَّ مِرْفَقَهُ الأَيْمَنَ عَلَى فَخِذِهِ الْيُمْنَى وَقَبَضَ ثِنْتَيْنِ وَحَلَّقَ حَلْقَةً وَرَأَيْتُهُ يَقُولُ هَكَذَا . وَحَلَّقَ بِشْرٌ الإِبْهَامَ وَالْوُسْطَى وَأَشَارَ بِالسَّبَّابَةِ .
হাদীস নং: ৭২৭
আন্তর্জাতিক নং: ৭২৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২২. রাফউল ইয়াদাইন (নামাযের মধ্যে উভয় হাত উপরে উঠানো)
৭২৭. আল-হাসান ইবনে আলী ..... আসেম থেকে এই সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। রাবী বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) স্বীয় ডান হাত দ্বারা বাম হাতের কব্জি ও এর জোরে আকড়িয়ে ধরেন। রাবী বলেন, অতঃপর আমি কিছুদিন পর সেখানে গিয়ে দেখতে পাই যে, সাহাবায়ে কিরাম অত্যধিক শীতের কারণে শরীর আবৃত করে রেখেছেন। এবং তাদের হাতগুলো স্ব-স্ব কাপড়ের মধ্যে নড়াচড়া করছে।
كتاب الصلاة
باب رَفْعِ الْيَدَيْنِ فِي الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبٍ، بِإِسْنَادِهِ وَمَعْنَاهُ قَالَ فِيهِ ثُمَّ وَضَعَ يَدَهُ الْيُمْنَى عَلَى ظَهْرِ كَفِّهِ الْيُسْرَى وَالرُّسْغِ وَالسَّاعِدِ وَقَالَ فِيهِ ثُمَّ جِئْتُ بَعْدَ ذَلِكَ فِي زَمَانٍ فِيهِ بَرْدٌ شَدِيدٌ فَرَأَيْتُ النَّاسَ عَلَيْهِمْ جُلُّ الثِّيَابِ تَحَرَّكُ أَيْدِيهِمْ تَحْتَ الثِّيَابِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭২৮
আন্তর্জাতিক নং: ৭২৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২২. রাফউল ইয়াদাইন (নামাযের মধ্যে উভয় হাত উপরে উঠানো)
৭২৮. উছমান ইবনে আবি শাঈবা .... ওয়ায়েল ইবনে হুজর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ)-কে নামায শুরুর সময় স্বীয় হস্তদ্বয় নিজের কান পর্যন্ত উঠাতে দেখেছি। রাবী বলেন, কিছু দিন পর আমি পুনরায় সেখানে গিয়ে দেখি যে, সাহাবায়ে কিরাম নামায আরম্ভের সময় তাদের হাতগুলি বুক পর্যন্ত উঠাচ্ছেন। এ সময় তাদের শরীর কোট ও অন্যান্য কাপড় দ্বারা আবৃত ছিল।
كتاب الصلاة
باب رَفْعِ الْيَدَيْنِ فِي الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم حِينَ افْتَتَحَ الصَّلاَةَ رَفَعَ يَدَيْهِ حِيَالَ أُذُنَيْهِ - قَالَ - ثُمَّ أَتَيْتُهُمْ فَرَأَيْتُهُمْ يَرْفَعُونَ أَيْدِيَهُمْ إِلَى صُدُورِهُمْ فِي افْتِتَاحِ الصَّلاَةِ وَعَلَيْهِمْ بَرَانِسُ وَأَكْسِيَةٌ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৭২৯
আন্তর্জাতিক নং: ৭২৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২৩. নামায শুরু করার বর্ণনা।
৭২৯. মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান .... ওয়ায়েল ইবনে হুজর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি শীতের সময় নবী (ﷺ)-এর খিদমতে উপস্থিত হই। এ সময় আমি দেখি যে, তাঁর সাহাবীগণ নামাযের মধ্যে তাদের কাপড়ের ভিতর থেকে নিজ নিজ হাত উত্তোলন করছিলেন।
كتاب الصلاة
باب افْتِتَاحِ الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الأَنْبَارِيُّ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَائِلٍ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي الشِّتَاءِ فَرَأَيْتُ أَصْحَابَهُ يَرْفَعُونَ أَيْدِيَهُمْ فِي ثِيَابِهِمْ فِي الصَّلاَةِ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৭৩০
আন্তর্জাতিক নং: ৭৩০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১২৩. নামায শুরু করার বর্ণনা।
৭৩০. আহমদ ইবনে হাম্বল .... মুহাম্মাদ ইবনে আমর হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবু হুমায়েদ আস-সাইদী (রাযিঃ)-কে দশজন সাহাবীর উপস্থিতিতে যাদের মধ্যে আবু কাতাদা (রাযিঃ)-ও ছিলেন- বলতে শুনেছিঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর নামায সম্পর্কে আপনাদের চেয়ে সমধিক অবগত আছি। তাঁরা বলেন, তা কিরূপে? আল্লাহর শপথ! আপনি তাঁর অনুসরণের ও সাহচর্যের দিক দিয়ে আমাদের চাইতে অধিক অগ্রগামী নন। তিনি বলেন, হ্যাঁ। অতঃপর তারা বলেন, এখন আপনি আপনার বক্তব্য পেশ করুন। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) নামাযে দাঁড়াতেন তখন তিনি, তাঁর হস্তদ্বয় কাঁধ পর্যন্ত উঠিয়ে আল্লাহু আকবার বলে পূর্ণরূপে সোজা হয়ে দাঁড়াতেন। তিনি কিরাআত পাঠের পর তাকবীর বলে রুকূতে যাওয়ার সময় আল্লাহু আকবার বলে নিজের উভয় হাত কাঁধ পর্যন্ত উঠাতেন। রুকূতে গিয়ে তিনি দুই হাতের তালু দ্বারা হাঁটুদ্বয় মজবুতভাবে ধরতেন।
অতঃপর তিনি এমনভাবে রুকু করতেন যে, তাঁর মাথা পিঠের সাথে সমান্তরাল থাকত। অতঃপর তিনি মাথা উঠিয়ে “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলে স্বীয় উভয় হাত কাঁধ পর্যন্ত উঠিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াতেন। পুনরায় আল্লাহু আকবার বলে তিনি সিজদায় গিয়ে উভয় বাহু স্বীয় পাজরের পাশ হতে দূরে সরিয়ে রাখতেন। অতঃপর সিজদা হতে মাথা উঠিয়ে বাম পা বিছিয়ে দিয়ে তার উপর বসতেন এবং সিজদার সময় পায়ের আঙ্গুলগুলি নরম করে কিবলামুখী করে রাখতেন। তিনি আল্লাহু আকবার বলে (দ্বিতীয়) সিজদা হতে উঠে বাম পা বিছিয়ে দিয়ে তার উপর সোজা হয়ে বসতেন। অতঃপর তিনি সর্বশেষ রাকআতে স্বীয় বাম পা ডান দিকে বের করে দিয়ে বাম পাশের পাছার উপর ভর করে বসতেন। তখন তারা সকলে বলেন, হ্যাঁ, আপনি ঠিক বলেছেন। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এই রূপেই নামায আদায় করতেন।*
* ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ)-এর মতানুযায়ী নামাযের মধ্যে তাকবীরে তাহরীমা ব্যতীত আর কোথাও হাত উঠাতে হবে না এবং তাঁর মতের স্বপক্ষে বহু সহীহ হাদীস বর্ণিত আছে। অপর পক্ষে, ইমাম শাফিঈ ও অন্যান্যদের মতে নামাযের মধ্যে তাকবীর তাহরীমা এবং অন্যান্য স্থানেও হাত উঠাতে হবে। - অনুবাদক
অতঃপর তিনি এমনভাবে রুকু করতেন যে, তাঁর মাথা পিঠের সাথে সমান্তরাল থাকত। অতঃপর তিনি মাথা উঠিয়ে “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলে স্বীয় উভয় হাত কাঁধ পর্যন্ত উঠিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াতেন। পুনরায় আল্লাহু আকবার বলে তিনি সিজদায় গিয়ে উভয় বাহু স্বীয় পাজরের পাশ হতে দূরে সরিয়ে রাখতেন। অতঃপর সিজদা হতে মাথা উঠিয়ে বাম পা বিছিয়ে দিয়ে তার উপর বসতেন এবং সিজদার সময় পায়ের আঙ্গুলগুলি নরম করে কিবলামুখী করে রাখতেন। তিনি আল্লাহু আকবার বলে (দ্বিতীয়) সিজদা হতে উঠে বাম পা বিছিয়ে দিয়ে তার উপর সোজা হয়ে বসতেন। অতঃপর তিনি সর্বশেষ রাকআতে স্বীয় বাম পা ডান দিকে বের করে দিয়ে বাম পাশের পাছার উপর ভর করে বসতেন। তখন তারা সকলে বলেন, হ্যাঁ, আপনি ঠিক বলেছেন। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এই রূপেই নামায আদায় করতেন।*
* ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ)-এর মতানুযায়ী নামাযের মধ্যে তাকবীরে তাহরীমা ব্যতীত আর কোথাও হাত উঠাতে হবে না এবং তাঁর মতের স্বপক্ষে বহু সহীহ হাদীস বর্ণিত আছে। অপর পক্ষে, ইমাম শাফিঈ ও অন্যান্যদের মতে নামাযের মধ্যে তাকবীর তাহরীমা এবং অন্যান্য স্থানেও হাত উঠাতে হবে। - অনুবাদক
كتاب الصلاة
باب افْتِتَاحِ الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدٍ، ح وَحَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، - وَهَذَا حَدِيثُ أَحْمَدَ قَالَ - أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ، - يَعْنِي ابْنَ جَعْفَرٍ - أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ عَطَاءٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا حُمَيْدٍ السَّاعِدِيَّ، فِي عَشْرَةٍ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْهُمْ أَبُو قَتَادَةَ قَالَ أَبُو حُمَيْدٍ أَنَا أَعْلَمُكُمْ بِصَلاَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . قَالُوا فَلِمَ فَوَاللَّهِ مَا كُنْتَ بِأَكْثَرِنَا لَهُ تَبَعًا وَلاَ أَقْدَمَنَا لَهُ صُحْبَةً . قَالَ بَلَى . قَالُوا فَاعْرِضْ . قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا قَامَ إِلَى الصَّلاَةِ يَرْفَعُ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ بِهِمَا مَنْكِبَيْهِ ثُمَّ يُكَبِّرُ حَتَّى يَقِرَّ كُلُّ عَظْمٍ فِي مَوْضِعِهِ مُعْتَدِلاً ثُمَّ يَقْرَأُ ثُمَّ يُكَبِّرُ فَيَرْفَعُ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ بِهِمَا مَنْكِبَيْهِ ثُمَّ يَرْكَعُ وَيَضَعُ رَاحَتَيْهِ عَلَى رُكْبَتَيْهِ ثُمَّ يَعْتَدِلُ فَلاَ يَصُبُّ رَأْسَهُ وَلاَ يُقْنِعُ ثُمَّ يَرْفَعُ رَأْسَهُ فَيَقُولُ " سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ " . ثُمَّ يَرْفَعُ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ بِهِمَا مَنْكِبَيْهِ مُعْتَدِلاً ثُمَّ يَقُولُ " اللَّهُ أَكْبَرُ " . ثُمَّ يَهْوِي إِلَى الأَرْضِ فَيُجَافِي يَدَيْهِ عَنْ جَنْبَيْهِ ثُمَّ يَرْفَعُ رَأْسَهُ وَيَثْنِي رِجْلَهُ الْيُسْرَى فَيَقْعُدُ عَلَيْهَا وَيَفْتَحُ أَصَابِعَ رِجْلَيْهِ إِذَا سَجَدَ وَيَسْجُدُ ثُمَّ يَقُولُ " اللَّهُ أَكْبَرُ " . وَيَرْفَعُ رَأْسَهُ وَيَثْنِي رِجْلَهُ الْيُسْرَى فَيَقْعُدُ عَلَيْهَا حَتَّى يَرْجِعَ كُلُّ عَظْمٍ إِلَى مَوْضِعِهِ ثُمَّ يَصْنَعُ فِي الأُخْرَى مِثْلَ ذَلِكَ ثُمَّ إِذَا قَامَ مِنَ الرَّكْعَتَيْنِ كَبَّرَ وَرَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ بِهِمَا مَنْكِبَيْهِ كَمَا كَبَّرَ عِنْدَ افْتِتَاحِ الصَّلاَةِ ثُمَّ يَصْنَعُ ذَلِكَ فِي بَقِيَّةِ صَلاَتِهِ حَتَّى إِذَا كَانَتِ السَّجْدَةُ الَّتِي فِيهَا التَّسْلِيمُ أَخَّرَ رِجْلَهُ الْيُسْرَى وَقَعَدَ مُتَوَرِّكًا عَلَى شِقِّهِ الأَيْسَرِ . قَالُوا صَدَقْتَ هَكَذَا كَانَ يُصَلِّي صلى الله عليه وسلم .