কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
كتاب السنن للإمام أبي داود
২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১১৬৫ টি
হাদীস নং: ৬৯১
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০৯. সুতরা দেওয়ার মত লাঠি না পেলে মাটিতে রেখা টানা।
৬৯১. আব্দুল্লাহ্ ইবনে মুহাম্মাদ .... সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি শারীক (রাহঃ)-কে দেখেছি, তিনি এক জানাযায় হাযির হয়ে আমাদের সাথে আসরের নামায পড়েন তিনি (সুতরা স্বরূপ) নিজের টুপি সামনে রাখেন।
كتاب الصلاة
باب الْخَطِّ إِذَا لَمْ يَجِدْ عَصًا
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الزُّهْرِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، قَالَ رَأَيْتُ شَرِيكًا صَلَّى بِنَا فِي جَنَازَةٍ الْعَصْرَ فَوَضَعَ قَلَنْسُوَتَهُ بَيْنَ يَدَيْهِ - يَعْنِي - فِي فَرِيضَةٍ حَضَرَتْ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৬৯২
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১০. জন্তুযান সামনে রেখে নামায পড়া।
৬৯২. উছমান ইবনে আবি শাঈবা ..... ইবনে উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নবী (ﷺ) তাঁর উটের দিকে মুখ করে নামায পড়তেন।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ إِلَى الرَّاحِلَةِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَوَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، وَابْنُ أَبِي خَلَفٍ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، - قَالَ عُثْمَانُ - حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي إِلَى بَعِيرِهِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৯৩
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১১. নামায পড়ার সময় সুতরা কোন জিনিসের বিপরীতে স্থাপন করবে।
৬৯৩. মাহমুদ ইবনে খালিদ আদ-দিমাশকী ..... দুবাআ বিনতেল মিকদাদ থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি (মিকদাদ) বলেন, আমি কখনও রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)কে সরাসরি স্বীয় সম্মুখে কাঠ, খুটি অথবা গাছ রেখে নামায পড়তেন। তখন তিনি তা নিজের ডান বা বাম পাশে রেখে নামায পড়তেন এবং নিজের দুই চোখ বরাবর স্থাপন করতেন না (যাতে মূর্তি পূজার সাথে সাদৃশ্য না হয়)।
كتاب الصلاة
باب إِذَا صَلَّى إِلَى سَارِيَةٍ أَوْ نَحْوِهَا أَيْنَ يَجْعَلُهَا مِنْهُ
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ خَالِدٍ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَيَّاشٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدَةَ الْوَلِيدُ بْنُ كَامِلٍ، عَنِ الْمُهَلَّبِ بْنِ حُجْرٍ الْبَهْرَانِيِّ، عَنْ ضُبَاعَةَ بِنْتِ الْمِقْدَادِ بْنِ الأَسْوَدِ، عَنْ أَبِيهَا، قَالَ مَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي إِلَى عُودٍ وَلاَ عَمُودٍ وَلاَ شَجَرَةٍ إِلاَّ جَعَلَهُ عَلَى حَاجِبِهِ الأَيْمَنِ أَوِ الأَيْسَرِ وَلاَ يَصْمُدُ لَهُ صَمْدًا .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৬৯৪
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১২. বাক্যালাপে রত এবং ঘুমন্ত ব্যক্তিদের সামনে রেখে নামায পড়া।
৬৯৪. আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামা আল-কানবী .... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নবী (ﷺ) বলেনঃ তোমরা ঘুমন্ত ব্যক্তি ও আলাপে রত ব্যক্তিদের সামনে রেখে নামায পড় না।*
* জনৈক রাবী দুর্বল ও অনির্ভরযোগ্য হওয়ায় মুহাদ্দিছগণের নিকট এই হাদীস গ্রহণযোগ্য নয়। তাছাড়া মহানবী (ﷺ) ঘুমন্ত ব্যক্তিকে সামনে রেখে নামায পড়েছেন- তা হাদীস থেকে প্রমাণিত।
* জনৈক রাবী দুর্বল ও অনির্ভরযোগ্য হওয়ায় মুহাদ্দিছগণের নিকট এই হাদীস গ্রহণযোগ্য নয়। তাছাড়া মহানবী (ﷺ) ঘুমন্ত ব্যক্তিকে সামনে রেখে নামায পড়েছেন- তা হাদীস থেকে প্রমাণিত।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ إِلَى الْمُتَحَدِّثِينَ وَالنِّيَامِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَيْمَنَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَعْقُوبَ بْنِ إِسْحَاقَ، عَمَّنْ حَدَّثَهُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ الْقُرَظِيِّ، قَالَ قُلْتُ لَهُ - يَعْنِي لِعُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ - حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تُصَلُّوا خَلْفَ النَّائِمِ وَلاَ الْمُتَحَدِّثِ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৯৫
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৩. সুতরার নিকটবর্তী হয়ে দাঁড়ানো।
৬৯৫. মুহাম্মাদ ইবনুনুস-সাব্বাহ ..... সাহল ইবনে আবু হাছমা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নবী (ﷺ) বলেনঃ তোমাদের কেউ যখন সুতরা স্থাপন করে নামায পড়ে তখন সে যেন তার নিকটবর্তী হয়ে দাঁড়ায়- যাতে শয়তান তার নামাযের মধ্যে কোনরূপ কুমন্ত্রণা দিতে না পারে।
كتاب الصلاة
باب الدُّنُوِّ مِنَ السُّتْرَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ بْنِ سُفْيَانَ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، ح وَحَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَحَامِدُ بْنُ يَحْيَى، وَابْنُ السَّرْحِ، قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ إِلَى سُتْرَةٍ فَلْيَدْنُ مِنْهَا لاَ يَقْطَعُ الشَّيْطَانُ عَلَيْهِ صَلاَتَهُ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ وَاقِدُ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ صَفْوَانَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَهْلٍ عَنْ أَبِيهِ أَوْ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَهْلٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ بَعْضُهُمْ عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ وَاخْتُلِفَ فِي إِسْنَادِهِ .
হাদীস নং: ৬৯৬
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৩. সুতরার নিকটবর্তী হয়ে দাঁড়ানো।
৬৯৬. আল্-কানবী ও আন-নুফায়লী ..... সাহল (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ)-এর দাঁড়ানোর স্থান ও কিবলার দেওয়ালের মাঝখানে একাটি বকরী অতিক্রম করার মত ফাঁক থাকত।
كتاب الصلاة
باب الدُّنُوِّ مِنَ السُّتْرَةِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، وَالنُّفَيْلِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ سَهْلٍ، قَالَ وَكَانَ بَيْنَ مُقَامِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ مَمَرُّ عَنْزٍ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ الْخَبَرُ لِلنُّفَيْلِيِّ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৬৯৭
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৪. নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকারীকে বাধা দেয়া।
৬৯৭. আল-কানবী ..... আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ নামাযে রত অবস্থায় তার সামনে দিয়ে অতিক্রমকারীকে যথাসাধ্য বাধা দিবে। যদি সে বাধা উপেক্ষা করে তবে তার সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে। কারণ সে একটা শয়তান।*
* ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) ও অধিকাংশ আলেমের মতে নামাযীর সম্মুখ দিয়ে গমন করা নিন্দনীয়। তবে নামাযরত ব্যক্তি গমনকারীর সাথে ঝগড়া-বিবাদ না করে বরং চুপ থাকাই বাঞ্ছনীয়। – (অনুবাদক)
* ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) ও অধিকাংশ আলেমের মতে নামাযীর সম্মুখ দিয়ে গমন করা নিন্দনীয়। তবে নামাযরত ব্যক্তি গমনকারীর সাথে ঝগড়া-বিবাদ না করে বরং চুপ থাকাই বাঞ্ছনীয়। – (অনুবাদক)
كتاب الصلاة
باب مَا يُؤْمَرُ الْمُصَلِّي أَنْ يَدْرَأَ عَنِ الْمَمَرِّ بَيْنَ يَدَيْهِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ يُصَلِّي فَلاَ يَدَعْ أَحَدًا يَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْهِ وَلْيَدْرَأْهُ مَا اسْتَطَاعَ فَإِنْ أَبَى فَلْيُقَاتِلْهُ فَإِنَّمَا هُوَ شَيْطَانٌ " .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৬৯৮
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৪. নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকারীকে বাধা দেয়া।
৬৯৮. মুহাম্মাদ ইবনুল-আলা ...... আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ নামায পড়ার সময় যেন সুতরার নিকটবর্তী স্থানে দাঁড়ায়। অতঃপর রাবী পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থের (হাদীস) বর্ণনা করেছেন।
كتاب الصلاة
باب مَا يُؤْمَرُ الْمُصَلِّي أَنْ يَدْرَأَ عَنِ الْمَمَرِّ بَيْنَ يَدَيْهِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ فَلْيُصَلِّ إِلَى سُتْرَةٍ وَلْيَدْنُ مِنْهَا " . ثُمَّ سَاقَ مَعْنَاهُ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৬৯৯
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৪. নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকারীকে বাধা দেয়া।
৬৯৯. আহমদ ইবনে আবু শুরায়হ (সুরায়জ) আর-রাযী ..... আবু উবাইেদ (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আতা ইবনে ইয়াযীদকে দাঁড়িয়ে নামায পড়তে দেখি। আমি তাঁর সামনে দিয়ে অতিক্রমকালে তিনি আমাকে বাধা দিয়ে বলেন, আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাযিঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, তোমাদের মধ্যে যে নামাযী এরূপ ক্ষমতা রাখে যে, সে তার ও কিবলার মাঝখান দিয়ে কোন ব্যক্তিকে যেতে দেবে না- তবে সে যেন তাই করে।
كتاب الصلاة
باب مَا يُؤْمَرُ الْمُصَلِّي أَنْ يَدْرَأَ عَنِ الْمَمَرِّ بَيْنَ يَدَيْهِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي سُرَيْجٍ الرَّازِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ، أَخْبَرَنَا مَسَرَّةُ بْنُ مَعْبَدٍ اللَّخْمِيُّ، - لَقِيتُهُ بِالْكُوفَةِ - قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو عُبَيْدٍ، حَاجِبُ سُلَيْمَانَ قَالَ رَأَيْتُ عَطَاءَ بْنَ يَزِيدَ اللَّيْثِيَّ قَائِمًا يُصَلِّي فَذَهَبْتُ أَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْهِ فَرَدَّنِي ثُمَّ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنِ اسْتَطَاعَ مِنْكُمْ أَنْ لاَ يَحُولَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ قِبْلَتِهِ أَحَدٌ فَلْيَفْعَلْ " .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৭০০
আন্তর্জাতিক নং: ৭০০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৪. নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকারীকে বাধা দেয়া।
৭০০. মুসা ইবনে ইসমাঈল ..... আবু সালেহ্ (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবু সাঈদ (রাযিঃ) হতে আমি যা শুনেছি ও দেখেছি তা তোমার নিকট বর্ণনা করব। আবু সাঈদ (রাযিঃ) মারওয়ানের নিকট তিনি গেলে বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি যখন কোন বস্তু সামনে রেখে নামাযে রত হয়, তখন তা তার জন্য পর্দা হিসাবে গণ্য হয়। এমতাবস্থায় যদি কোন ব্যক্তি তার সামনে অতিক্রম করতে চায়, তবে সে যেন তাকে ইশারায় বাধা দেয়। অতিক্রমকারী যদি ইশারার প্রতি ভ্রক্ষেপ না করে তবে সে যেন তার সাথে যুদ্ধ করে। কেননা সে একটা শয়তান।
كتاب الصلاة
باب مَا يُؤْمَرُ الْمُصَلِّي أَنْ يَدْرَأَ عَنِ الْمَمَرِّ بَيْنَ يَدَيْهِ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، - يَعْنِي ابْنَ الْمُغِيرَةِ - عَنْ حُمَيْدٍ، - يَعْنِي ابْنَ هِلاَلٍ - قَالَ قَالَ أَبُو صَالِحٍ أُحَدِّثُكَ عَمَّا رَأَيْتُ مِنْ أَبِي سَعِيدٍ وَسَمِعْتُهُ مِنْهُ، دَخَلَ أَبُو سَعِيدٍ عَلَى مَرْوَانَ فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ إِلَى شَىْءٍ يَسْتُرُهُ مِنَ النَّاسِ فَأَرَادَ أَحَدٌ أَنْ يَجْتَازَ بَيْنَ يَدَيْهِ فَلْيَدْفَعْ فِي نَحْرِهِ فَإِنْ أَبَى فَلْيُقَاتِلْهُ فَإِنَّمَا هُوَ شَيْطَانٌ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ: قَالَ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ: يَمُرُّ الرَّجُلُ يَتَبَخْتَرُ بَيْنَ يَدَيَّ وَأَنَا أُصَلِّي فَأَمْنَعُهُ وَيَمُرُّ الضَّعِيفُ فَلَا أَمْنَعُهُ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭০১
আন্তর্জাতিক নং: ৭০১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৫. নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করা নিষেধ।
৭০১. আল্-কানবী .... বুসর ইবনে সাঈদ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা যায়দ ইবনে খালিদ আল-জুহানী (রাযিঃ) তাকে আবু জুহায়েম (রাযিঃ) এর নিকট এইজন্য প্রেরণ করেন যে, তিনি যেন তাকে জিজ্ঞাসা করেন- রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) নামাযীর সম্মুখভাগ দিয়ে গমনকারীর সম্পর্কে কি বলেছেন?
আবু জুহায়েম (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ নামাযীর সম্মুখভাগ দিয়ে গমনকারী যদি তার গুনাহ সম্পর্কে অবগত থাকত, তবে সে নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করার পরিবর্তে সেখানে চল্লিশ (বছর) পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকতে ভাল মনে করত।
রাবী আবু নাদর বলেন, বর্ণনাকারী (বুসর) চল্লিশ দিন, বা মাস অথবা বছর বলেছেন- তা আমি অবগত নই।
আবু জুহায়েম (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ নামাযীর সম্মুখভাগ দিয়ে গমনকারী যদি তার গুনাহ সম্পর্কে অবগত থাকত, তবে সে নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করার পরিবর্তে সেখানে চল্লিশ (বছর) পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকতে ভাল মনে করত।
রাবী আবু নাদর বলেন, বর্ণনাকারী (বুসর) চল্লিশ দিন, বা মাস অথবা বছর বলেছেন- তা আমি অবগত নই।
كتاب الصلاة
باب مَا يُنْهَى عَنْهُ مِنَ الْمُرُورِ بَيْنَ يَدَىِ الْمُصَلِّي
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّ زَيْدَ بْنَ خَالِدٍ الْجُهَنِيَّ، أَرْسَلَهُ إِلَى أَبِي جُهَيْمٍ يَسْأَلُهُ مَاذَا سَمِعَ مِنْ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْمَارِّ بَيْنَ يَدَىِ الْمُصَلِّي فَقَالَ أَبُو جُهَيْمٍ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لَوْ يَعْلَمُ الْمَارُّ بَيْنَ يَدَىِ الْمُصَلِّي مَاذَا عَلَيْهِ لَكَانَ أَنْ يَقِفَ أَرْبَعِينَ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَمُرَّ بَيْنَ يَدَيْهِ " . قَالَ أَبُو النَّضْرِ لاَ أَدْرِي قَالَ أَرْبَعِينَ يَوْمًا أَوْ شَهْرًا أَوْ سَنَةً .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৭০২
আন্তর্জাতিক নং: ৭০২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৬. যে জিনিসের কারণে নামায নষ্ট হয়।
৭০২. হাফস ইবনে উমর ..... আবু যর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ নামায নষ্ট করে দেয় অথবা নামাযীর নামায ঐ সময় নষ্ট হয়-যখন তার সামনে উটের পিঠের হাওদার পিছন ভাগের কাঠের মতো কোন কিছু না থাকে (অর্থাৎ সুতরা না থাকে) এবং তার সামনে দিয়ে গাধা, কাল কুকুর এবং স্ত্রীলোক গমন করে।
রাবী বলেন, আমি বললাম, কালো কুকুরের কি বিশেষত্ব আছে? যদি লাল, হলুদ ও সাদা রংয়ের হয় তবে কি হবে? তিনি বলেন, হে আমার ভ্রাতুষ্পুত্র! তুমি যেরূপ আমাকে প্রশ্ল করলে, আমিও তদ্রূপ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে জিজ্ঞাসা করেছলাম। তিনি বলেনঃ কাল কুকুর হল শয়তান।
রাবী বলেন, আমি বললাম, কালো কুকুরের কি বিশেষত্ব আছে? যদি লাল, হলুদ ও সাদা রংয়ের হয় তবে কি হবে? তিনি বলেন, হে আমার ভ্রাতুষ্পুত্র! তুমি যেরূপ আমাকে প্রশ্ল করলে, আমিও তদ্রূপ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে জিজ্ঞাসা করেছলাম। তিনি বলেনঃ কাল কুকুর হল শয়তান।
كتاب الصلاة
باب مَا يَقْطَعُ الصَّلاَةَ
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، ح وَحَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ مُطَهَّرٍ، وَابْنُ، كَثِيرٍ - الْمَعْنَى - أَنَّ سُلَيْمَانَ بْنَ الْمُغِيرَةِ، أَخْبَرَهُمْ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلاَلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الصَّامِتِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، - قَالَ حَفْصٌ - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَالاَ عَنْ سُلَيْمَانَ قَالَ أَبُو ذَرٍّ " يَقْطَعُ صَلاَةَ الرَّجُلِ - إِذَا لَمْ يَكُنْ بَيْنَ يَدَيْهِ قِيدُ آخِرَةِ الرَّحْلِ الْحِمَارُ وَالْكَلْبُ الأَسْوَدُ وَالْمَرْأَةُ " . فَقُلْتُ مَا بَالُ الأَسْوَدِ مِنَ الأَحْمَرِ مِنَ الأَصْفَرِ مِنَ الأَبْيَضِ فَقَالَ يَا ابْنَ أَخِي سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَمَا سَأَلْتَنِي فَقَالَ " الْكَلْبُ الأَسْوَدُ شَيْطَانٌ " .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৭০৩
আন্তর্জাতিক নং: ৭০৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৬. যে জিনিসের কারণে নামায নষ্ট হয়।
৭০৩. মুসাদ্দাদ ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ঋতুবতী মহিলা ও কুকুর নামাযীর সম্মুখ দিয়ে গমন করলে তার নামায নষ্ট হয়ে যায়।
كتاب الصلاة
باب مَا يَقْطَعُ الصَّلاَةَ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ شُعْبَةَ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، قَالَ سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ زَيْدٍ، يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، - رَفَعَهُ شُعْبَةُ - قَالَ " يَقْطَعُ الصَّلاَةَ الْمَرْأَةُ الْحَائِضُ وَالْكَلْبُ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَقَفَهُ سَعِيدٌ وَهِشَامٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ جَابِرِ بْنِ زَيْدٍ عَلَى ابْنِ عَبَّاسٍ .
হাদীস নং: ৭০৪
আন্তর্জাতিক নং: ৭০৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৬. যে জিনিসের কারণে নামায নষ্ট হয়।
৭০৪. মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন যখন তোমাদের কেউ সুতরা বিহীন অবস্থায় নামায আদায় করে এবং এমতাবস্থায় তার সামনে গাধা, শুকর, ইহুদী, অগ্নি উপাসক, এবং স্ত্রীলোক গমন করলে, তার নামায নষ্ট হয়ে যায়। অপরপক্ষে, প্রস্তর নিক্ষেপের সীমানার বাইরে দিয়ে গমন করলে তাতে নামাযীর নামাযের কোন ক্ষতি হবে না।
كتاب الصلاة
باب مَا يَقْطَعُ الصَّلاَةَ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاذٌ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ أَحْسَبُهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ إِلَى غَيْرِ سُتْرَةٍ فَإِنَّهُ يَقْطَعُ صَلاَتَهُ الْكَلْبُ وَالْحِمَارُ وَالْخِنْزِيرُ وَالْيَهُودِيُّ وَالْمَجُوسِيُّ وَالْمَرْأَةُ وَيُجْزِئُ عَنْهُ إِذَا مَرُّوا بَيْنَ يَدَيْهِ عَلَى قَذْفَةٍ بِحَجَرٍ " ، قَالَ أَبُو دَاوُدَ: «فِي نَفْسِي مِنْ هَذَا الْحَدِيثِ شَيْءٌ كُنْتُ أُذَاكِرُ بِهِ إِبْرَاهِيمَ وَغَيْرَهُ فَلَمْ أَرَ أَحَدًا جَاءَ بِهِ عَنْ هِشَامٍ وَلَا يَعْرِفُهُ، وَلَمْ أَرَ أَحَدًا يُحَدِّثُ بِهِ عَنْ هِشَامٍ وَأَحْسَبُ الْوَهْمَ مِنَ ابْنِ أَبِي سَمِينَةَ يَعْنِي مُحَمَّدَ بْنَ إِسْمَاعِيلَ الْبَصْرِيَّ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ، وَالْمُنْكَرُ فِيهِ ذِكْرُ الْمَجُوسِيِّ، وَفِيهِ عَلَى قَذْفَةٍ بِحَجَرٍ، وَذِكْرُ الْخِنْزِيرِ، وَفِيهِ [ص:188] نَكَارَةٌ» ، قَالَ أَبُو دَاوُدَ: «وَلَمْ أَسْمَعْ هَذَا الْحَدِيثَ إِلَّا مِنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي سَمِينَةَ وَأَحْسَبُهُ وَهِمَ لِأَنَّهُ كَانَ يُحَدِّثُنَا مِنْ حِفْظِهِ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭০৫
আন্তর্জাতিক নং: ৭০৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৬. যে জিনিসের কারণে নামায নষ্ট হয়।
৭০৫. মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান ........... ইয়াযীদ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন তাবুক নামক স্হানে আমি এক খোড়া ব্যক্তিকে দেখতে পাই তখন ঐ ব্যক্তি বলে, একদা নবী (ﷺ) নামায আদায়কালে আমি গাধার পিঠে আরোহণ পূর্বক তাঁর সম্মুখ দিয়ে গমন করি তখন তিনি বলেনঃ ইয়া আল্লাহ্! তার চলৎশক্তি রহিত করুন। এরপর থেকে আমার চলার শক্তি রহিত হয়ে যায়।
كتاب الصلاة
باب مَا يَقْطَعُ الصَّلاَةَ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الأَنْبَارِيُّ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ مَوْلًى، لِيَزِيدَ بْنِ نِمْرَانَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ نِمْرَانَ، قَالَ رَأَيْتُ رَجُلاً بِتَبُوكَ مُقْعَدًا فَقَالَ مَرَرْتُ بَيْنَ يَدَىِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا عَلَى حِمَارٍ وَهُوَ يُصَلِّي فَقَالَ " اللَّهُمَّ اقْطَعْ أَثَرَهُ " . فَمَا مَشَيْتُ عَلَيْهَا بَعْدُ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৭০৬
আন্তর্জাতিক নং: ৭০৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৬. যে জিনিসের কারণে নামায নষ্ট হয়।
৭০৬. কাছীর ইবনে উবাইেদ ..... সাঈদ হতে পূর্ববর্তী হাদীসের সূত্রে ও অর্থে এই হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। তবে তাতে আরও আছে, নবী (ﷺ) বলেনঃ সে আমাদের নামায নষ্ট করেছে কাজেই আল্লাহ্ তার চলৎশক্তি রহিত করুন।
كتاب الصلاة
باب مَا يَقْطَعُ الصَّلاَةَ
حَدَّثَنَا كَثِيرُ بْنُ عُبَيْدٍ يَعْنِي الْمَذْحِجِيَّ، حَدَّثَنَا أَبُو حَيْوَةَ، عَنْ سَعِيدٍ، بِإِسْنَادِهِ وَمَعْنَاهُ زَادَ فَقَالَ " قَطَعَ صَلاَتَنَا قَطَعَ اللَّهُ أَثَرَهُ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَاهُ أَبُو مُسْهِرٍ عَنْ سَعِيدٍ قَالَ فِيهِ " قَطَعَ صَلاَتَنَا " .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৭০৭
আন্তর্জাতিক নং: ৭০৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৬. যে জিনিসের কারণে নামায নষ্ট হয়।
৭০৭. আহমদ ইবনে সাঈদ ..... সাঈদ ইবনে গাযওয়ান থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা তিনি হজ্জব্রত পালনের উদ্দেশ্যে গমনকালে তাবুকে অবতরণ করেন। সেখানে তিনি এক খোঁড়া ব্যক্তিকে দেখতে পেয়ে তার কারণ জিজ্ঞাসা করেন। ঐ ব্যক্তি বলে, আমি তোমার নিকট এমন একটি বিষয়ের অবতারণা করব যা অন্যের নিকট প্রকাশের যোগ্য নয়। অতঃপর সে বলে, একদা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তাবুক একটি খেজুর গাছের নিকট অবতরণের পর বলেনঃ এটা আমাদের জন্য কিবলা বা সুতরা স্বরূপ। অতঃপর তিনি সেদিকে মুখ করে নামায আদায় করেন। তখন আমার বয়স কম থাকায় আমি তাঁর ও খেজুর গাছের মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে দৌড়িয়ে যাই। তখন নবী (ﷺ) বলেনঃ সে আমাদের নামায নষ্ট করেছে, কাজেই আল্লাহ্ তার চলার শক্তি রহিত করুক। অতঃপর আমি আজ পর্যন্ত আর দাঁড়াতে সক্ষম হই নি।
كتاب الصلاة
باب مَا يَقْطَعُ الصَّلاَةَ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ الْهَمْدَانِيُّ، ح حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي مُعَاوِيَةُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ غَزْوَانَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ نَزَلَ بِتَبُوكَ وَهُوَ حَاجٌّ فَإِذَا رَجُلٌ مُقْعَدٌ فَسَأَلَهُ عَنْ أَمْرِهِ فَقَالَ لَهُ سَأُحَدِّثُكَ حَدِيثًا فَلاَ تُحَدِّثْ بِهِ مَا سَمِعْتَ أَنِّي حَىٌّ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَزَلَ بِتَبُوكَ إِلَى نَخْلَةٍ فَقَالَ " هَذِهِ قِبْلَتُنَا " . ثُمَّ صَلَّى إِلَيْهَا فَأَقْبَلْتُ وَأَنَا غُلاَمٌ أَسْعَى حَتَّى مَرَرْتُ بَيْنَهُ وَبَيْنَهَا فَقَالَ " قَطَعَ صَلاَتَنَا قَطَعَ اللَّهُ أَثَرَهُ " . فَمَا قُمْتُ عَلَيْهَا إِلَى يَوْمِي هَذَا .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৭০৮
আন্তর্জাতিক নং: ৭০৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৭. ইমামের সুতরা মুক্তাদীর জন্য যথেষ্ট।
৭০৮. মুসাদ্দাদ ..... আমর ইবনে শুআয়েব থেকে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা এবং পিতার দাদা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর সাথে (মক্কা ও মদীনার মধ্যবর্তী) আযাখির উপত্যকায় অবতরণ করি নামাযের সময় উপনীত হলে তিনি একটি দেওয়ালের নিকটবর্তী হয়ে তা সুতরা হিসেবে ধরে নামায আদায় করেন। এ সময় একটি চতুষ্পদ শুকর শাবক তাঁর সম্মুখ দিয়ে যেতে চাইলে তিনি তাকে এমনভাবে বাধা দেন যে, তাঁর পেট দেওয়ালের সাথে লেগে যায়। অতঃপর শাবকটি তাঁর পেছন দিক দিয়ে (অথবা দেওয়ালের অপর পাশ দিয়ে) যায়।
كتاب الصلاة
باب سُتْرَةُ الإِمَامِ سُتْرَةُ مَنْ خَلْفَهُ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ الْغَازِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ هَبَطْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ ثَنِيَّةِ أَذَاخِرَ فَحَضَرَتِ الصَّلاَةُ - يَعْنِي - فَصَلَّى إِلَى جِدَارٍ فَاتَّخَذَهُ قِبْلَةً وَنَحْنُ خَلْفَهُ فَجَاءَتْ بَهْمَةٌ تَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْهِ فَمَا زَالَ يُدَارِئُهَا حَتَّى لَصِقَ بَطْنُهُ بِالْجِدَارِ وَمَرَّتْ مِنْ وَرَائِهِ . أَوْ كَمَا قَالَ مُسَدَّدٌ .
হাদীস নং: ৭০৯
আন্তর্জাতিক নং: ৭০৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৭. ইমামের সুতরা মুক্তাদীর জন্য যথেষ্ট।
৭০৯. সুলাইমান ইবনে হারব্ ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) নামায আদায়কালে একটি বকরীর বাচ্চা তাঁর সম্মুখ দিয়ে যেতে চাইলে তিনি তাকে বাঁধা দেন।
كتاب الصلاة
باب سُتْرَةُ الإِمَامِ سُتْرَةُ مَنْ خَلْفَهُ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، وَحَفْصُ بْنُ عُمَرَ، قَالاَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ الْجَزَّارِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي فَذَهَبَ جَدْىٌ يَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْهِ فَجَعَلَ يَتَّقِيهِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৭১০
আন্তর্জাতিক নং: ৭১০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১১৮. মহিলারা নামাযের সামনে দিয়ে অতিক্রম করলে নামায নষ্ট না হওয়ার বর্ণনা।
৭১০. মুসলিম ইবনে ইবরাহীম .... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) নামায পড়াকালে আমি তাঁর ও বিছানার মাঝখানে ছিলাম। শো’বার বর্ণনায় আছে, সন্তবতঃ আয়িশা (রাযিঃ) বলেন, এ সময় আমি ঋতুবতী ছিলাম। এ হাদীস আয়িশা (রাযিঃ) হতে বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, এবং কোন কোন বর্ণনায় “আমি ঋতুবতী ছিলাম” এক কথার উল্লেখ নেই।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ الْمَرْأَةُ لاَ تَقْطَعُ الصَّلاَةَ
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كُنْتُ بَيْنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ - قَالَ شُعْبَةُ أَحْسَبُهَا قَالَتْ - وَأَنَا حَائِضٌ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ الزُّهْرِيُّ وَعَطَاءٌ وَأَبُو بَكْرِ بْنُ حَفْصٍ وَهِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ وَعِرَاكُ بْنُ مَالِكٍ وَأَبُو الأَسْوَدِ وَتَمِيمُ بْنُ سَلَمَةَ كُلُّهُمْ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ وَإِبْرَاهِيمُ عَنِ الأَسْوَدِ عَنْ عَائِشَةَ وَأَبُو الضُّحَى عَنْ مَسْرُوقٍ عَنْ عَائِشَةَ وَالْقَاسِمُ بْنُ مُحَمَّدٍ وَأَبُو سَلَمَةَ عَنْ عَائِشَةَ لَمْ يَذْكُرُوا " وَأَنَا حَائِضٌ " .
তাহকীক: