কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
كتاب السنن للإمام أبي داود
২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১১৬৫ টি
হাদীস নং: ৬৭১
আন্তর্জাতিক নং: ৬৭১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০০. কাতার সোজা করা।
৬৭১. মুসাদ্দাদ ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা সর্বাগ্রে প্রথম কাতার পূর্ণ কর, অতঃপর পর্যায়ক্রমে পরবর্তী কাতারগুলো পূর্ণ কর। যদি কোন কাতার অসম্পূর্ণ থাকে তবে তা অবশ্যই সর্বশেষ কাতার হবে।
كتاب الصلاة
باب تَسْوِيَةِ الصُّفُوفِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الأَنْبَارِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، - يَعْنِي ابْنَ عَطَاءٍ - عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " أَتِمُّوا الصَّفَّ الْمُقَدَّمَ ثُمَّ الَّذِي يَلِيهِ فَمَا كَانَ مِنْ نَقْصٍ فَلْيَكُنْ فِي الصَّفِّ الْمُؤَخَّرِ " .
হাদীস নং: ৬৭২
আন্তর্জাতিক নং: ৬৭২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০০. কাতার সোজা করা।
৬৭২. ইবনে বাশশার ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ নামাযের কাতারে দাঁড়াবার সময় যে ব্যক্তি নিজের কাঁধ বেশী নরম করে দেবে সেই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম।
كتاب الصلاة
باب تَسْوِيَةِ الصُّفُوفِ
حَدَّثَنَا ابْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ يَحْيَى بْنِ ثَوْبَانَ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَمِّي، عُمَارَةُ بْنُ ثَوْبَانَ عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " خِيَارُكُمْ أَلْيَنُكُمْ مَنَاكِبَ فِي الصَّلاَةِ " ، قَالَ أَبُو دَاوُدَ: جَعْفَرُ بْنُ يَحْيَى مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৭৩
আন্তর্জাতিক নং: ৬৭৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০১. খামসমূহের মাঝখানে কাতার বাঁধা।
৬৭৩. মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার .... আব্দুল হামীদ ইবনে মাহমুদ (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) এর সাথে জুমআর নামায আদায় করি অধিক ভীড়ের কারণে আমরা স্তম্ভের নিকটে সরে যেতে বাধ্য হই। ফলে আমরা আগে পিছে হয়ে যাই। অতঃপর আনাস (রাযিঃ) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর যুগে দুই স্তম্ভের মধ্যবর্তী স্থানে দণ্ডায়মান হওয়া হতে বিরত থাকতাম।
كتاب الصلاة
باب الصُّفُوفِ بَيْنَ السَّوَارِي
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ هَانِئٍ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ مَحْمُودٍ، قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَدُفِعْنَا إِلَى السَّوَارِي فَتَقَدَّمْنَا وَتَأَخَّرْنَا فَقَالَ أَنَسٌ كُنَّا نَتَّقِي هَذَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৭৪
আন্তর্জাতিক নং: ৬৭৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০২. ইমামের নিকটতম স্থানে দাঁড়ানো মুস্তাহাব এবং তার থেকে দূরে থাকা অপছন্দনীয়।
৬৭৪. ইবনে কাছীর ..... ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যেকার আলেম ও জ্ঞানী ব্যক্তিরা যেন আমার নিকটবর্তী স্থানে দাঁড়ায়। অতঃপর পর্যায়ক্রমে জ্ঞানে ও বুদ্ধিমত্তায় তাদের নিকটতম লোকেরা দাঁড়াবে, অতঃপর এদের নিকটতম লোকেরা।
كتاب الصلاة
باب مَنْ يُسْتَحَبُّ أَنْ يَلِيَ الإِمَامَ فِي الصَّفِّ وَكَرَاهِيَةِ التَّأَخُّرِ
حَدَّثَنَا ابْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنِي سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لِيَلِنِي مِنْكُمْ أُولُو الأَحْلاَمِ وَالنُّهَى ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ " .
হাদীস নং: ৬৭৫
আন্তর্জাতিক নং: ৬৭৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০২. ইমামের নিকটতম স্থানে দাঁড়ানো মুস্তাহাব এবং তার থেকে দূরে থাকা অপছন্দনীয়।
৬৭৫. মুসাদ্দাদ ..... আব্দুল্লাহ ইবনে মাস্উদ (রাযিঃ) থেকে এই সনদেও নবী (ﷺ)-এর পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তিনি আরও বলেছেনঃ তোমরা কাতার বাঁকা করে দাঁড়িও না। যদি এরূপ কর তবে তোমাদের অন্তরের মধ্যে বিভেদ হবে। সাবধান! তোমরা মসজিদের মধ্যে বাজারের স্থানের ন্যায় হৈ-হুল্লোড় করবে না।
كتاب الصلاة
باب مَنْ يُسْتَحَبُّ أَنْ يَلِيَ الإِمَامَ فِي الصَّفِّ وَكَرَاهِيَةِ التَّأَخُّرِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ . وَزَادَ " وَلاَ تَخْتَلِفُوا فَتَخْتَلِفَ قُلُوبُكُمْ وَإِيَّاكُمْ وَهَيْشَاتِ الأَسْوَاقِ " .
হাদীস নং: ৬৭৬
আন্তর্জাতিক নং: ৬৭৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০২. ইমামের নিকটতম স্থানে দাঁড়ানো মুস্তাহাব এবং তার থেকে দূরে থাকা অপছন্দনীয়।
৬৭৬. উছমান ইবনে আবি শাঈবা .... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ্ এবং তাঁর ফিরিশতাগণ কাতারের ডান দিকের মুসল্লীদের উপর রহমত বর্ষণ করে থাকেন।
كتاب الصلاة
باب مَنْ يُسْتَحَبُّ أَنْ يَلِيَ الإِمَامَ فِي الصَّفِّ وَكَرَاهِيَةِ التَّأَخُّرِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ اللَّهَ وَمَلاَئِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى مَيَامِنِ الصُّفُوفِ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৭৭
আন্তর্জাতিক নং: ৬৭৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০৩. কাতারে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের দাঁড়ানোর স্থান।
৬৭৭. ঈসা ইবনে শাযান ..... আবু মালিক আল-আশআরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কি তোমাদের নিকট রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর নামায সম্পর্কে বর্ণনা করব না? অতঃপর তিনি নামাযে দাঁড়ান এবং প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষেরা কাতারবদ্ধ হন। অতঃপর অপ্রাপ্ত বয়স্করা তাদের পেছনে দাঁড়ায়। অতঃপর তিনি তাদের সাথে নিয়ে নামায পড়েন।
অতঃপর রাবী রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর নামায সম্পর্কে বর্ণনা দেন। অতঃপর তিনি বলেন, তোমরা এইরূপে নামায আদায় করবে। রাবী আব্দুল আলা বলেন, আমার ধারণা অনুযায়ী কুররা ইবনে খালিদ বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেনঃ আমার উম্মত এইরূপে নামায আদায় করবে।
অতঃপর রাবী রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর নামায সম্পর্কে বর্ণনা দেন। অতঃপর তিনি বলেন, তোমরা এইরূপে নামায আদায় করবে। রাবী আব্দুল আলা বলেন, আমার ধারণা অনুযায়ী কুররা ইবনে খালিদ বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেনঃ আমার উম্মত এইরূপে নামায আদায় করবে।
كتاب الصلاة
باب مُقَامِ الصِّبْيَانِ مِنَ الصَّفِّ
حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ شَاذَانَ، حَدَّثَنَا عَيَّاشٌ الرَّقَّامُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا قُرَّةُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا بُدَيْلٌ، حَدَّثَنَا شَهْرُ بْنُ حَوْشَبٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ غَنْمٍ، قَالَ قَالَ أَبُو مَالِكٍ الأَشْعَرِيُّ أَلاَ أُحَدِّثُكُمْ بِصَلاَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ فَأَقَامَ الصَّلاَةَ وَصَفَّ الرِّجَالَ وَصَفَّ خَلْفَهُمُ الْغِلْمَانَ ثُمَّ صَلَّى بِهِمْ فَذَكَرَ صَلاَتَهُ ثُمَّ قَالَ هَكَذَا صَلاَةُ قَالَ عَبْدُ الأَعْلَى لاَ أَحْسَبُهُ إِلاَّ قَالَ " صَلاَةُ أُمَّتِي " .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৬৭৮
আন্তর্জাতিক নং: ৬৭৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০৪. মহিলাদের কাতার এবং তারা প্রথম কাতারে দাঁড়াবে না।
৬৭৮. মুহাম্মাদ ইবনুস সাবাহ .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ পুরুষদের প্রথম কাতার হল সর্বোত্তম এবং শেষ কাতার হল নিকৃষ্টতম। অপরপক্ষে মহিলাদের জন্য সর্বশেষ কাতারই হল সর্বোত্তম এবং প্রথম কাতার হল নিকৃষ্টতম।
كتاب الصلاة
باب صَفِّ النِّسَاءِ وَكَرَاهِيَةِ التَّأَخُّرِ عَنِ الصَّفِّ الأَوَّلِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ الْبَزَّازُ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ زَكَرِيَّا، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " خَيْرُ صُفُوفِ الرِّجَالِ أَوَّلُهَا وَشَرُّهَا آخِرُهَا وَخَيْرُ صُفُوفِ النِّسَاءِ آخِرُهَا وَشَرُّهَا أَوَّلُهَا " .
হাদীস নং: ৬৭৯
আন্তর্জাতিক নং: ৬৭৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০৪. মহিলাদের কাতার এবং তারা প্রথম কাতারে দাঁড়াবে না।
৬৭৯. ইয়াহয়া ইবনে মুইন .... আয়িশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ আমার যে সমস্ত উম্মত প্রথম কাতারে দাঁড়াতে গড়িমসি করে, আল্লাহ্ তাআলা তাদেরকে দোজখে সবচেয়ে পেছনে রাখবেন।
كتاب الصلاة
باب صَفِّ النِّسَاءِ وَكَرَاهِيَةِ التَّأَخُّرِ عَنِ الصَّفِّ الأَوَّلِ
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ عِكْرِمَةَ بْنِ عَمَّارٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَزَالُ قَوْمٌ يَتَأَخَّرُونَ عَنِ الصَّفِّ الأَوَّلِ حَتَّى يُؤَخِّرَهُمُ اللَّهُ فِي النَّارِ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৮০
আন্তর্জাতিক নং: ৬৮০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০৪. মহিলাদের কাতার এবং তারা প্রথম কাতারে দাঁড়াবে না।
৬৮০. মুসা ইবনে ইসমাঈল ..... আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তাঁর সাহাবীদেরকে প্রথম কাতেরে গিয়ে দাঁড়াতে দেরী করতে দেখে বলেনঃ তোমরা প্রথম কাতারে এসো এবং আমার অনুসরণ কর। অতঃপর পরবর্তী লোকেরাও তোমাদের অনুসরণ করবে। এক শ্রেণীর লোক সবসময় সামনের কাতার থেকে পেছনে থাকবে। মহান আল্লাহ্ও তাদেরকে পেছনে ফেলে রাখবেন।
كتاب الصلاة
باب صَفِّ النِّسَاءِ وَكَرَاهِيَةِ التَّأَخُّرِ عَنِ الصَّفِّ الأَوَّلِ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْخُزَاعِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو الأَشْهَبِ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَأَى فِي أَصْحَابِهِ تَأَخُّرًا فَقَالَ لَهُمْ " تَقَدَّمُوا فَائْتَمُّوا بِي وَلْيَأْتَمَّ بِكُمْ مَنْ بَعْدَكُمْ وَلاَ يَزَالُ قَوْمٌ يَتَأَخَّرُونَ حَتَّى يُؤَخِّرَهُمُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ " .
হাদীস নং: ৬৮১
আন্তর্জাতিক নং: ৬৮১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০৫. কাতারের সামনে ইমামের দাঁড়ানোর স্থান।
৬৮১. জাফর ইবনে মুসাফির ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ ইমামকে কাতারের সামনে মধ্যবর্তী স্থানে দাঁড় করাও এবং কাঁতারের মধ্যেকার ফাঁক বন্ধ কর।
كتاب الصلاة
باب مُقَامِ الإِمَامِ مِنَ الصَّفِّ
حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُسَافِرٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ بَشِيرِ بْنِ خَلاَّدٍ، عَنْ أُمِّهِ، أَنَّهَا دَخَلَتْ عَلَى مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ الْقُرَظِيِّ فَسَمِعَتْهُ يَقُولُ حَدَّثَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " وَسِّطُوا الإِمَامَ وَسُدُّوا الْخَلَلَ " .
হাদীস নং: ৬৮২
আন্তর্জাতিক নং: ৬৮২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০৬. যে ব্যক্তি কাতারের পিছনে একাকী দাঁড়িয়ে নামায পড়ে।
৬৮২. সুলাইমান ইবনে হারব্ ..... ওয়াবিসা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এক ব্যক্তিকে কাতারের পিছনে একাকী দাঁড়িয়ে নামায পড়তে দেখেন। তিনি তাকে পুনরায় নামায পড়ার নির্দেশ দেন।*
* কাতারের পেছনে একাকী দাঁড়িয়ে নামায পড়লে- ইমাম আহমাদ (রাহঃ)-এর মতে নামায় ফাসেদ হয়ে যাবে। এবং তা পুনবার পড়তে হবে। কিন্তু ইমাম আবু হানীফা, মালেক ও শাফিঈ (রাহঃ)-এর মতে নামায জায়েয হবে, কিন্তু এভাবে দাঁড়িয়ে নামায পড়া মাকরূহ। তাদের মতে পুনরায় নামাযের নির্দেশ মুস্তাহাব পর্যায়ের।
* কাতারের পেছনে একাকী দাঁড়িয়ে নামায পড়লে- ইমাম আহমাদ (রাহঃ)-এর মতে নামায় ফাসেদ হয়ে যাবে। এবং তা পুনবার পড়তে হবে। কিন্তু ইমাম আবু হানীফা, মালেক ও শাফিঈ (রাহঃ)-এর মতে নামায জায়েয হবে, কিন্তু এভাবে দাঁড়িয়ে নামায পড়া মাকরূহ। তাদের মতে পুনরায় নামাযের নির্দেশ মুস্তাহাব পর্যায়ের।
كتاب الصلاة
باب الرَّجُلِ يُصَلِّي وَحْدَهُ خَلْفَ الصَّفِّ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، وَحَفْصُ بْنُ عُمَرَ، قَالاَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ هِلاَلِ بْنِ يِسَافٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ رَاشِدٍ، عَنْ وَابِصَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَأَى رَجُلاً يُصَلِّي خَلْفَ الصَّفِّ وَحْدَهُ فَأَمَرَهُ أَنْ يُعِيدَ - قَالَ سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ - الصَّلاَةَ .
হাদীস নং: ৬৮৩
আন্তর্জাতিক নং: ৬৮৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০৭. (ইমামকে রুকুতে দেখে) কাতারে না পৌঁছেই রুকুতে যাওয়া।
৬৮৩. হুমায়দ ইবনে মাসআদা .... আল-হাসান হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবু বাকরা (রাযিঃ) বলেছেন। একদা তিনি মসজিদে প্রবেশ করে নবী (ﷺ)কে রুকূ অবস্থায় পান। রাবী বলেন, তখন আমি কাতারে না পৌছেই রুকূতে যাই। নামাযান্তে নবী (ﷺ) বলেনঃ ইবাদাতের প্রতি আল্লাহ তোমার আগ্রহ আরো বৃদ্ধি করুন। তুমি পুনর্বার এরূপ করবে না।
كتاب الصلاة
باب الرَّجُلِ يَرْكَعُ دُونَ الصَّفِّ
حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، أَنَّ يَزِيدَ بْنَ زُرَيْعٍ، حَدَّثَهُمْ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ زِيَادٍ الأَعْلَمِ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ، أَنَّ أَبَا بَكْرَةَ، حَدَّثَ أَنَّهُ، دَخَلَ الْمَسْجِدَ وَنَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَاكِعٌ - قَالَ - فَرَكَعْتُ دُونَ الصَّفِّ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " زَادَكَ اللَّهُ حِرْصًا وَلاَ تَعُدْ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৮৪
আন্তর্জাতিক নং: ৬৮৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০৭. (ইমামকে রুকুতে দেখে) কাতারে না পৌঁছেই রুকুতে যাওয়া।
৬৮৪. মুসা ইবনে ইসমাঈল .... আবু বাকরা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। একদা তিনি মসজিদে এসে নবী (ﷺ)কে রুকূতে দেখে কাতারে শামিল না হয়েই রুকূতে যান। শেষে তিনি কাতারে গিয়ে শামিল হন। নামাযান্তে নবী (ﷺ) বলেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তি কাতারে শামিল হওয়ার পূর্বে রুকূ করেছে, অতঃপর সে কাতারে শামিল হয়েছে? আবু বাকরা (রাযিঃ) বলেনঃ আমি। নবী (ﷺ) বলেনঃ আল্লাহ্ ইবাদাতের প্রতি তোমার আগ্রহ করুন! তুমি পুনর্বার এরূপ করবে না।
كتاب الصلاة
باب الرَّجُلِ يَرْكَعُ دُونَ الصَّفِّ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا زِيَادٌ الأَعْلَمُ، عَنِ الْحَسَنِ، أَنَّ أَبَا بَكْرَةَ، جَاءَ وَرَسُولُ اللَّهِ رَاكِعٌ فَرَكَعَ دُونَ الصَّفِّ ثُمَّ مَشَى إِلَى الصَّفِّ فَلَمَّا قَضَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم صَلاَتَهُ قَالَ " أَيُّكُمُ الَّذِي رَكَعَ دُونَ الصَّفِّ ثُمَّ مَشَى إِلَى الصَّفِّ " . فَقَالَ أَبُو بَكْرَةَ أَنَا . فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " زَادَكَ اللَّهُ حِرْصًا وَلاَ تَعُدْ "، قَالَ أَبُو دَاوُدَ: زِيَادٌ الْأَعْلَمُ زِيَادُ بْنُ فُلَانِ بْنِ قُرَّةَ وَهُوَ ابْنُ خَالَةِ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৬৮৫
আন্তর্জাতিক নং: ৬৮৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০৮. নামাযের সময় কিরূপ সুতরা বা আড় ব্যবহার করবে।
৬৮৫. মুহাম্মাদ ইবনে কাছীর আল-আব্দী ..... তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেনঃ যদি তুমি (খোলা স্থানে নামায পড়ার সময়) উটের পিঠের হাওদার পিছন দিকের কাঠের অনুরূপ একটি কাঠ তোমার সম্মুখে রাখ-তবে তোমার সম্মুখ কেউ যাতায়াত করলে তোমার নামাযের কোন ক্ষতি হবে না।
كتاب الصلاة
باب مَا يَسْتُرُ الْمُصَلِّي
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ الْعَبْدِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ أَبِيهِ، طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا جَعَلْتَ بَيْنَ يَدَيْكَ مِثْلَ مُؤَخَّرَةِ الرَّحْلِ فَلاَ يَضُرُّكَ مَنْ مَرَّ بَيْنَ يَدَيْكَ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৮৬
আন্তর্জাতিক নং: ৬৮৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০৮. নামাযের সময় কিরূপ সুতরা বা আড় ব্যবহার করবে।
৬৮৬. আল্-হাসান ইবনে আলী ..... আতা (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাওদার পিছনের কাঠ এক হাত বা তার চেয়ে কিছুটা লম্বা হয়ে থাকে।
كتاب الصلاة
باب مَا يَسْتُرُ الْمُصَلِّي
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، قَالَ آخِرَةُ الرَّحْلِ ذِرَاعٌ فَمَا فَوْقَهُ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৬৮৭
আন্তর্জাতিক নং: ৬৮৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০৮. নামাযের সময় কিরূপ সুতরা বা আড় ব্যবহার করবে।
৬৮৭. আল-হাসান ..... ইবনে উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঈদের নামায আদায়ের জন্য যখন বের হতেন, তখন তিনি “হিরবাহ” বা ছোট বল্লম (বা এর অনুরূপ কিছু) সঙ্গে নেয়ার নির্দেশ দিতেন। এটা তাঁর সম্মুখে স্থাপন করা হত এবং সেদিক ফিরে নামায পড়তেন এবং এ সময় সাহাবীরা তাঁর পিছনে থাকতেন। সফরের সময়ও এইরূপ করতেন। এজন্য শাসকগণ তখন থেকে নিজেদের সাথে বর্শা রাখতেন।
كتاب الصلاة
باب مَا يَسْتُرُ الْمُصَلِّي
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا خَرَجَ يَوْمَ الْعِيدِ أَمَرَ بِالْحَرْبَةِ فَتُوضَعَ بَيْنَ يَدَيْهِ فَيُصَلِّي إِلَيْهَا وَالنَّاسُ وَرَاءَهُ وَكَانَ يَفْعَلُ ذَلِكَ فِي السَّفَرِ فَمِنْ ثَمَّ اتَّخَذَهَا الأُمَرَاءُ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৮৮
আন্তর্জাতিক নং: ৬৮৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০৮. নামাযের সময় কিরূপ সুতরা বা আড় ব্যবহার করবে।
৬৮৮. হাফস ইবনে উমর ..... আওফ ইবনে আবু জুহায়ফা থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী (ﷺ) তাদের সাথে আল-বাতহা নামক প্রান্তরে নামায আদায় করেন। এই সময় তাঁর সম্মুখভাগে একটি বর্শা প্রতিষ্ঠিত ছিল। ঐদিন তিনি যোহর ও আসরের নামায দুই দুই রাকআত করে আদায় করেন। এই সুতরার অপর পাশ দিয়ে মহিলা ও গাধা অতিক্রম করত।*
* খালি জায়্গায় বা মাঠে নামায পড়ার সময় নামাযীর সম্মুখে সিজদার স্থানের একটু সামনে অন্ততঃ এক হা উঁচু একটি কাঠি, লাঠি বা অনুরূপ কোন বস্তু আড় রেখে নামায আদায় করতে হয়। ঐ কাঠি বা বস্তুকে সুতরা বলা হয়। - (অনুবাদক)
* খালি জায়্গায় বা মাঠে নামায পড়ার সময় নামাযীর সম্মুখে সিজদার স্থানের একটু সামনে অন্ততঃ এক হা উঁচু একটি কাঠি, লাঠি বা অনুরূপ কোন বস্তু আড় রেখে নামায আদায় করতে হয়। ঐ কাঠি বা বস্তুকে সুতরা বলা হয়। - (অনুবাদক)
كتاب الصلاة
باب مَا يَسْتُرُ الْمُصَلِّي
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِي جُحَيْفَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى بِهِمْ بِالْبَطْحَاءِ وَبَيْنَ يَدَيْهِ عَنَزَةٌ الظُّهْرَ رَكْعَتَيْنِ وَالْعَصْرَ رَكْعَتَيْنِ يَمُرُّ خَلْفَ الْعَنَزَةِ الْمَرْأَةُ وَالْحِمَارُ .
হাদীস নং: ৬৮৯
আন্তর্জাতিক নং: ৬৮৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০৯. সুতরা দেওয়ার মত লাঠি না পেলে মাটিতে রেখা টানা।
৬৮৯. মুসাদ্দাদ ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ (কোন খোলা স্থানে) নামায আদায় করবে, তখন সে যেন সুতরা হিসাবে তার সামনে কিছু স্থাপন করে। যদি না পায় তবে সে যেন একটি লাঠি তার সামনে স্থাপন করে। যদি তার সাথে লাঠি না থাকে, তবে সে যেন তার সামনের মাটিতে দাগ টেনে নেয়। অতঃপর কেউ তার সম্মুখভাগ দিয়ে যাতায়াত করলে তার কোন ক্ষতি হবে না।
كتاب الصلاة
باب الْخَطِّ إِذَا لَمْ يَجِدْ عَصًا
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أُمَيَّةَ، حَدَّثَنِي أَبُو عَمْرِو بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حُرَيْثٍ، أَنَّهُ سَمِعَ جَدَّهُ، حُرَيْثًا يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ فَلْيَجْعَلْ تِلْقَاءَ وَجْهِهِ شَيْئًا فَإِنْ لَمْ يَجِدْ فَلْيَنْصِبْ عَصًا فَإِنْ لَمْ يَكُنْ مَعَهُ عَصًا فَلْيَخْطُطْ خَطًّا ثُمَّ لاَ يَضُرُّهُ مَا مَرَّ أَمَامَهُ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৯০
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০৯. সুতরা দেওয়ার মত লাঠি না পেলে মাটিতে রেখা টানা।
৬৯০. মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহয়া ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী (ﷺ) হতে মাটিতে দাগ দেওয়া সম্পর্কিত হাদীসটি বর্ণনা করেন। সুফিয়ান বলেন, এ হাদীসকে শক্তিশালী প্রামাণ করার মত কোন দলীল আমি পাইনি। হাদীসটি কেবলমাত্র উপরোক্ত সনদ সূত্রেই বর্ণিত হয়েছে। রাবী আলী ইবনুল মাদিনী বলেন, আমি সুফিয়ানকে জিজ্ঞাসা করলাম, লোকেরা তার নাম সম্পর্কে মতানৈক্য প্রকাশ করেছে। এতদশ্রবণে তিনি কিছুক্ষণ চিন্তার পর বলেন, আমার জানা মতে তার নাম আবু মুহাম্মাদ ইবনে আমর। সুফিয়ান বলেন, ইসমাঈল উমাইয়ার ইন্তিকালের পর কুফা হতে জনৈক ব্যক্তি এসে আবু মুহাম্মাদের সন্ধান করে তাকে পেয়ে যান। তিনি তাকে মাটিতে দাগ দেওয়ার ব্যাপারে প্রশ্ন করেন। তখন তিনি এর সঠিক কোন জবাব দিতে সক্ষম হন নাই।
كتاب الصلاة
باب الْخَطِّ إِذَا لَمْ يَجِدْ عَصًا
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا عَلِيٌّ، - يَعْنِي ابْنَ الْمَدِينِيِّ - عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أُمَيَّةَ، عَنْ أَبِي مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ، عَنْ جَدِّهِ، حُرَيْثٍ - رَجُلٍ مِنْ بَنِي عُذْرَةَ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ أَبِي الْقَاسِمِ، صلى الله عليه وسلم قَالَ فَذَكَرَ حَدِيثَ الْخَطِّ . قَالَ سُفْيَانُ لَمْ نَجِدْ شَيْئًا نَشُدُّ بِهِ هَذَا الْحَدِيثَ وَلَمْ يَجِئْ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ . قَالَ قُلْتُ لِسُفْيَانَ إِنَّهُمْ يَخْتَلِفُونُ فِيهِ فَتَفَكَّرَ سَاعَةً ثُمَّ قَالَ مَا أَحْفَظُ إِلاَّ أَبَا مُحَمَّدِ بْنَ عَمْرٍو قَالَ سُفْيَانُ قَدِمَ هَا هُنَا رَجُلٌ بَعْدَ مَا مَاتَ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أُمَيَّةَ فَطَلَبَ هَذَا الشَّيْخَ أَبَا مُحَمَّدٍ حَتَّى وَجَدَهُ فَسَأَلَهُ عَنْهُ فَخَلَطَ عَلَيْهِ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ سُئِلَ عَنْ وَصْفِ الْخَطِّ غَيْرَ مَرَّةٍ فَقَالَ هَكَذَا عَرْضًا مِثْلَ الْهِلاَلِ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَسَمِعْتُ مُسَدَّدًا قَالَ قَالَ ابْنُ دَاوُدَ الْخَطُّ بِالطُّولِ، قَالَ أَبُو دَاوُدَ: " وسَمِعْت أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَل وَصَفَ الْخَطَّ غَيْرَ مَرَّةٍ فَقَالَ: هَكَذَا يَعْنِي بِالْعَرْضِ حَوْرًا دَوْرًا مِثْلَ الْهِلَالِ يَعْنِي مُنْعَطِفًا "