মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ১৪১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ মাগরিবের নামায দ্রুত আদায় এবং মাগরিবকে ইশা নামকরণের আপত্তি
(১৪১) ইয়াযিদ ইবন্ আবূ হাবীব আল-মিসরী মারছাদ ইবনু আব্দুল্লাহ্ আল ইয়ামানী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আবু আইয়ূব খালিদ ইবন যায়েদ আল-আনসারী (রা) মিসরে বিজয়ী গাজী রূপে আগমন করেন, উকবাহ ইবন্ আমির ইবন্ আবছ আল-জুহানীকে মুয়াবিয়া ইবন্ আবু সুফইয়ান আমাদের শাসক নির্বাচন করেছিলেন। উকবাহ ইবন্ আমির মাগরিবের নামায বিলম্বে আদায় করলেন (অপর এক বর্ণনায় মাগরিবের নামায আদায় করতে দেরী করলেন) তিনি নামায আদায় করলে আবূ আইয়্যুব আল আনসারী তাঁর কাছে এসে বললেন, হে উকবাহ! আপনি কি রাসূল (ﷺ)-কে এরূপ করতে দেখেছেন? (অর্থাৎ মাগরিবের নামায বিলম্বে পড়তে) আপনি কি রাসূল (ﷺ)-কে এরূপ বলতে শুনেন নি যে, তারকারাজি উদিত না হওয়া পর্যন্ত, মাগরিবের নামায আদায় করতে বিলম্ব না করা পর্যন্ত আমার উম্মতের উপর কল্যাণ অব্যাহত থাকবে। উকবাহ বলেন, হ্যাঁ, আমি রাসূল (ﷺ)-কে এরূপ বলতে শুনেছি। আবু আইয়ুব (রা) বলেন, আপনাকে কিসে এরূপ করতে (বিলম্বে মাগরিবের নামায পড়তে) বাধ্য করেছে? তিনি বললেন, আমি (জরুরী কাজে) ব্যস্ত ছিলাম। বর্ণনাকারী বলেন যে, (একথা শুনে) আবু আইয়ুব আল আনসারী, (রা) বলেন যে, আমার অন্য কোন আশংকা নেই বরং লোকেরা মনে করতে পারে যে, আপনি রাসূল (ﷺ)-কে এরূপ করতে দেখেছেন।
(আবু দাউদ, হাকিম। তিনি হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।)
(আবু দাউদ, হাকিম। তিনি হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(8) باب ما جاء في تعجيلها وكراهة تسميتها بالعشاء
(141) عن يزيد بن أبي حبيب المصريِّ عن مرثد بن عبد الله اليزنيِّ ويزن بطن من حمير قال قدم علينا أبو أيُّوب خالد بن زيدٍ الأنصاريُّ رضى الله عنه صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم مصر غازيًا وكان عقبة بن عامر بن عبسٍ الجهني أمَّره علينا معاوية بن أبي سفيان قال فحبس عقبة بن عامر بالمغرب (وفي رواية فأخَّر المغرب) فلمَّا صلَّى قام إليه أبو أيُّوب الأنصاري فقال له يا عقبة أهكذا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ أما سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا تزال أمتي بخير أو على الفكرة ما لم يؤخِّر المغرب حتَّى تشتبك الَّنُّجوم قال فقال بلى، قال فما حملك على ما صنعت؟ قال شغلت، قال فقال أيُّوب أما والله ما بي إلاَّ أن يظن النَّاس أنَّك رأيت رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم يصنع هذا.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ মাগরিবের নামায দ্রুত আদায় এবং মাগরিবকে ইশা নামকরণের আপত্তি
(১৪২) আব্দুল্লাহ আল-মুযানী (অর্থাৎ ইবন্ মুগাফ্ফাল (রা)) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেন, মাগরিবের নামাযের ব্যাপারে বেদুইনরা যেন তোমাদের উপর বিজয়ী না হয়, তিনি বলেন, তারা মাগরিবকে ইশা বলতো।
كتاب الصلاة
(8) باب ما جاء في تعجيلها وكراهة تسميتها بالعشاء
(142) عن عبد الله المزنيِّ (يعني بن مغفَّل) رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تغلبنَّكم الأعراب على اسم صلاة المغرب، قال وتقول الأعراب هي العشاء.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদ: ইশার নামাযের সময় এবং বেদুইনরা ইশার পরে গল্পগুজব করা এবং ইশাকে 'আতামা' বলা মাকরূহ
(১৪৩) নু'মান ইবন্ বশীর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মানুষদের মধ্যে রাসূল (ﷺ)-এর ইশার নামাযের সময় সম্পর্কে সবচেয়ে বেশী অবগত, অথবা প্রায় সবচেয়ে বেশী অবগত। রাসূল (ﷺ) মাসের ৩য় দিনের চাঁদ অস্ত যাবার পর ইশার নামায আদায় করতেন। (একই বর্ণনাকারীর অপর বর্ণনায়) মাসের ৩য় অথবা ৪র্থ রাতের চাঁদ অস্ত যাওয়ার পর তিনি (ﷺ) ইশার নামায পড়তেন।
(আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ। সনদ সহীহ।
(আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ। সনদ সহীহ।
كتاب الصلاة
(9) باب وقت صلاة العشاء وكراهة السمر بعدها وتسميتها بالعتمة
(143) عن النُّعمان بن بشير رضى الله عنه قال إنِّي أعلم النَّاس أو كأعلم النَّاس بوقت صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم للعشاء، كان يصلِّيها بعد سقوط القمر في اللَّيلة الثَّالثة من أوَّل الشَّهر (وعنه من طريقٍ ثانٍ بنحوه وفيه) كان يصلِّيها مقدار ما يغيب القمر ليلة ثالثةٍ أو رابعةٍ.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদ: ইশার নামাযের সময় এবং বেদুইনরা ইশার পরে গল্পগুজব করা এবং ইশাকে 'আতামা' বলা মাকরূহ
(১৪৪) জুহাইনা গোত্রের এক ব্যক্তি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, কখন ইশার নামায পড়বো? তিনি বলেন, রাত যখন সকল প্রান্তকে আবৃত করবে (যখন পুরোপুরি রাত হয়েছে বুঝতে পারবে) তখন ইশার নামায পড়বে।
(হায়ছামী বলেন, হাদীসটি আহমদ বর্ণনা করেছেন এবং বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।)
(হায়ছামী বলেন, হাদীসটি আহমদ বর্ণনা করেছেন এবং বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(9) باب وقت صلاة العشاء وكراهة السمر بعدها وتسميتها بالعتمة
(144) عن رجلٍ من جهينة قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم متى أصلِّي العشاء؟ قال إذا ملأ اللَّيل بطن كلِّ وادٍ.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদ: ইশার নামাযের সময় এবং বেদুইনরা ইশার পরে গল্পগুজব করা এবং ইশাকে 'আতামা' বলা মাকরূহ
(১৪৫) আব্দুল্লাহ ইবন্ মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ইশার নামাযের পর কোন আড্ডাবাজি বা গালগল্প করো না। তবে দুই ব্যক্তি ব্যতীত নামাযী বা মুসাফির।
(হায়ছামী বলেন, হাদীসটি আবূ ইয়ালা, আহমদ ও তবারানী, কাবীর ও আওসাত গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হায়ছামী বলেন, হাদীসটি আবূ ইয়ালা, আহমদ ও তবারানী, কাবীর ও আওসাত গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(9) باب وقت صلاة العشاء وكراهة السمر بعدها وتسميتها بالعتمة
(145) عن عبد الله ابن مسعود رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا سمر بعد الصلَّاة يعني العشاء الآخرة إلا لأخذ رجلين، مصلّ أو مسافرٍ.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদ: ইশার নামাযের সময় এবং বেদুইনরা ইশার পরে গল্পগুজব করা এবং ইশাকে 'আতামা' বলা মাকরূহ
(১৪৬) একই বর্ণনাকারী বলেন, ইশার নামাযের পরে আড্ডাবাজি করতে রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে বারণ করেছেন।
বর্ণনাকারী (অপর বর্ণনায়) বলেন যে, রাসূল (ﷺ) ইশার নামাযের পর আড্ডাবাজি করতে নিষেধ করেছেন।
খালিদ (রা) বলেন, (যিনি অপর বর্ণনাকারী) আমাদের বারণ বা নিষেধ করার অর্থ হচ্ছে আমাদেরকে দোষারোপ ও তিরস্কার করেছেন।
(ইবন মাজাহ। সনদ সহীহ।)
বর্ণনাকারী (অপর বর্ণনায়) বলেন যে, রাসূল (ﷺ) ইশার নামাযের পর আড্ডাবাজি করতে নিষেধ করেছেন।
খালিদ (রা) বলেন, (যিনি অপর বর্ণনাকারী) আমাদের বারণ বা নিষেধ করার অর্থ হচ্ছে আমাদেরকে দোষারোপ ও তিরস্কার করেছেন।
(ইবন মাজাহ। সনদ সহীহ।)
كتاب الصلاة
(9) باب وقت صلاة العشاء وكراهة السمر بعدها وتسميتها بالعتمة
(146) وعنه أيضًا قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يجدب لنا السَّمر بعد العشاء (وعنه من طريق ثانٍ) قال جدب إلينا رسول الله صلى الله عليه وسلم السَّمر بعد العشاء. قال خالد (أحد الرُّواة) معنى جدب إلبنا يقول عابه ذمَّه.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদ: ইশার নামাযের সময় এবং বেদুইনরা ইশার পরে গল্পগুজব করা এবং ইশাকে 'আতামা' বলা মাকরূহ
(১৪৭) আবূ বারযাহ (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) ইশার নামাযের পূর্বে ঘুমাতে এবং পরে কথা বলা অপছন্দ করতেন।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন্ মাজাহ ও অন্যান্য।)
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন্ মাজাহ ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
(9) باب وقت صلاة العشاء وكراهة السمر بعدها وتسميتها بالعتمة
(147) عن أبي برزة رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يكره النَّوم قبل العشاء ولا يحبُّ الحديث بعدها.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদ: ইশার নামাযের সময় এবং বেদুইনরা ইশার পরে গল্পগুজব করা এবং ইশাকে 'আতামা' বলা মাকরূহ
(১৪৮) উমর (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) মুসলমানদের জরুরী বিষয়ে রাতে আবু বকর (রা)-এর সাথে কথা বলতেন এবং আমি তাঁর সাথে থাকতাম।
(নাসাঈ ও তিরমিযী। তিনি হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।)
(নাসাঈ ও তিরমিযী। তিনি হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(9) باب وقت صلاة العشاء وكراهة السمر بعدها وتسميتها بالعتمة
(148) عن عمر رضى الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يسمر عند أبي بكرٍ الليلة كذلك في الأمر من أمر المسلمين وأنا معه.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদ: ইশার নামাযের সময় এবং বেদুইনরা ইশার পরে গল্পগুজব করা এবং ইশাকে 'আতামা' বলা মাকরূহ
(১৪৯) ইবন্ উমর (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেন, তোমাদের নামাযের নামের ব্যাপারে বেদুঈনরা যেন তোমাদের ওপর বিজয়ী না হয়। সাবধান এটি হচ্ছে ইশার নামায। তারা রাতে উটকে আস্তানায় নিয়ে যেত, (ভিন্ন বর্ণনায়) তারা ইশাকে আতামা বলতো। কারণ, তারা রাতে উটকে দোহন করতো।
(মুসলিম, নাসায়ী, ইবন মাজাহ, ইমাম শাফেয়ী।)
(মুসলিম, নাসায়ী, ইবন মাজাহ, ইমাম শাফেয়ী।)
كتاب الصلاة
(9) باب وقت صلاة العشاء وكراهة السمر بعدها وتسميتها بالعتمة
(149) عن أبي سلمة سمعت ابن عمر عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال لا تغلبنَّكم الأعراب على اسم صلاتكم، ألا وإنَّها العشاء وإنَّهم يعتمون بالإبل أو عن الإبل
(وفي لفظ) إنَّما يدعونها العتمة لإعتامهم بالإبل لحلابها
(وفي لفظ) إنَّما يدعونها العتمة لإعتامهم بالإبل لحلابها
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) ইশার নামায রাতের এক তৃতীয়াংশ বা মধ্যরাত পর্যন্ত বিলম্ব করা মুস্তাহাব.
(১৫০) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করতেন যে, আমি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করলে তাদেরকে প্রতি নামাযের সময় মিসওয়াক করতে আদেশ দিতাম এবং ইশার নামায বিলম্ব করতে আদেশ করতাম। (অন্য শব্দে আছে) আমি ইশার নামায রাতের এক তৃতীয়াংশ বা অর্ধরাত পর্যন্ত বিলম্ব করতাম।
(আবু দাউদ, ইবন্ মাজাহ, ইবন্ হিব্বান, ইবন্ খুযাইমা, ও হাকিম। তিনি ও তিরমিযী হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।)
(আবু দাউদ, ইবন্ মাজাহ, ইবন্ হিব্বান, ইবন্ খুযাইমা, ও হাকিম। তিনি ও তিরমিযী হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
(10) باب استحباب تأخيرها إلى ثلث الليل أو نصفه
(150) عن أبي هريرة رضي الله عنه ببلغ به النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم لولا أن أشقَّ على أمتي لأمرتهم بالسِّواك عند كلِّ صلاة وتأخير العشاء (وفي لفظٍ) ولأخَّرت العشاء إلى ثلث الليل أو شطر اللَّيل.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) ইশার নামায রাতের এক তৃতীয়াংশ বা মধ্যরাত পর্যন্ত বিলম্ব করা মুস্তাহাব.
(১৫১) ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূল (ﷺ) ইশার নামায (একদিন) এত বিলম্ব করলেন যে, কেউ নামায পড়ে নিলেন আর জাগ্রতরা জাগ্রত রইলেন আর ঘুমন্তরা ঘুমিয়ে পড়লেন, আর তাহাজ্জুদ আদায়কারীরা তাহাজ্জুদ পড়ে নিলেন। অতঃপর বেরিয়ে এসে বললেন, আমি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করলে তাদেরকে এ সময় নামায পড়তে বলতাম। অথবা এই নামায কিংবা অনুরূপ কিছু বললেন।
(মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ।)
(মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ।)
كتاب الصلاة
(10) باب استحباب تأخيرها إلى ثلث الليل أو نصفه
(151) عن ابن عمر رضى الله عنهما قال مسَّى رسول الله صلى الله عليه وسلم بصلاة العشاء حتَّى صلَّى المصلِّي واستيقظ المستيقظ ونام النَّائمون وتهجَّد المتهجِّدون ثمَّ هرج فقال لولا أن أشقَّ على أمَّتي أمرتهم أن يصلُّوا هذا الوقت أو هذه الصَّلاة أو نحو ذا.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) ইশার নামায রাতের এক তৃতীয়াংশ বা মধ্যরাত পর্যন্ত বিলম্ব করা মুস্তাহাব.
(১৫২) তাঁর থেকে আরও বর্ণিত যে, রাসূল (ﷺ) এক রাতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। তখন (ইশার নামায) এত বিলম্ব করলেন যে, আমরা মসজিদেই ঘুমিয়ে পড়লাম। তারপর ঘুম থেকে জেগে উঠলাম, তারপর আবার ঘুমিয়ে পড়লাম। আবার জাগ্রত হলাম। তখন রাসূল (ﷺ) বের হয়ে আমাদের কাছে আসলেন এবং বললেন, তোমরা ছাড়া এ পৃথিবীতে আর কেউ নামাযের জন্য অপেক্ষা করছে না।
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ)
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ)
كتاب الصلاة
(10) باب استحباب تأخيرها إلى ثلث الليل أو نصفه
(152) وعنه أيضًا أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم شغل عنها ليلةً فأخرها حتَّى رقدنا في المسجد ثمَّ استيقظنا، ثمَّ رقدنا، ثمَّ استيقظنا فخرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليس أحدٌ من أهل الأرض ينتظر الصَّلاة غيركم.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) ইশার নামায রাতের এক তৃতীয়াংশ বা মধ্যরাত পর্যন্ত বিলম্ব করা মুস্তাহাব.
(১৫৩) জাবির ইবন্ সামুরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাদের নিয়ে ফরয নামাযগুলো পড়তেন, তা দীর্ঘও করতেন না, আবার সংক্ষিপ্তও করতেন না। এতদুভয়ের মধ্যেই রাখতেন। আর 'আতামার (অন্য শব্দে) ইশার নামায বিলম্ব করতেন।
(মুসলিম, নাসাঈ।)
(মুসলিম, নাসাঈ।)
كتاب الصلاة
(10) باب استحباب تأخيرها إلى ثلث الليل أو نصفه
(153) عن جابر بن سمرة رضى الله عنهما قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم
يصلَّي بنا الصَّلاة المكتوبة ولا يطيل فيها ولا يخفِّف، وسطًا من ذلك، وكان يؤخِّر العتمة (وفي لفظٍ العشاء الآخرة).
يصلَّي بنا الصَّلاة المكتوبة ولا يطيل فيها ولا يخفِّف، وسطًا من ذلك، وكان يؤخِّر العتمة (وفي لفظٍ العشاء الآخرة).
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) ইশার নামায রাতের এক তৃতীয়াংশ বা মধ্যরাত পর্যন্ত বিলম্ব করা মুস্তাহাব.
(১৫৪) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক রাতে আমরা ইশার নামাযের পড়ার উদ্দেশ্যে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য অপেক্ষা করছিলাম। রাতের প্রায় অর্ধেক চলে গেল। তিনি বলেন, তারপর তিনি এসে আমাদের নিয়ে নামায পড়লেন। তারপর বললেন, তোমরা তোমাদের স্থানে বসে থাকো। কারণ, লোকেরা তাদের ঘুমাবার স্থানে ঘুমিয়ে পড়েছে। তোমরা যতক্ষণ পর্যন্ত নামাযের জন্য অপেক্ষা কর ততক্ষণ পর্যন্ত নামাযেই থাক। যদি দুর্বলদের দুর্বলতা, অসুস্থদের অসুস্থতা ও ব্যস্তদের ব্যস্ততা বা প্রয়োজন না থাকত তাহলে আমি এ নামায অর্ধরাত পর্যন্ত বিলম্ব করতাম।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন্ মাজাহ, ইবন খুযাইমা ও বায়হাকী -এর সনদ সহীহ।)
(আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন্ মাজাহ, ইবন খুযাইমা ও বায়হাকী -এর সনদ সহীহ।)
كتاب الصلاة
(10) باب استحباب تأخيرها إلى ثلث الليل أو نصفه
(154) عن أبي سميد الخدري رضى الله عنه قال انتظرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلةً بصلاة العشاء حتَّى ذهب نحو من شطر اللَّيل، قال فجاء فصلى بنا، ثمَّ قال خذوا مقاعدكم فإنَّ الناس قد أخذوا مضاجعهم وإنَّكم لن تزالوا في صلاة منذ انتظرتموها، ولولا ضعف الضَّعيف وسقم السَّقيم وحاجة دي الحاجة لأخَّرت هذه الصَّلاة إلى شطر اللَّيل.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) ইশার নামায রাতের এক তৃতীয়াংশ বা মধ্যরাত পর্যন্ত বিলম্ব করা মুস্তাহাব.
(১৫৫) আবূ বাকরা (রা) থেকে, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) নয় রাতে (অন্য বর্ণনায় আট রাত) ইশার নামায রাতের এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত বিলম্ব করেন। তখন আবু বকর (রা) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল। আপনি যদি ইশার নামায আরও আগে পড়েন তাহলে আমাদের রাতে তাহাজ্জুদের জন্য উঠার জন্য উত্তম হয়। (রাবী) বলেন, এরপর রাসূল (ﷺ) আগে পড়তে আরম্ভ করেন।
ইমাম আহমদ বলেন, কোন কোন রাবী সাত রাত, কেউ নয় রাত বলেছেন।
(হায়ছামী বলেন, হাদীসটি আহমদ কর্তৃক বর্ণিত। তবারানী মু'জামুল কাবীরে এরূপ একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাতে একজন বিতর্কিত রাবী আছেন।)
ইমাম আহমদ বলেন, কোন কোন রাবী সাত রাত, কেউ নয় রাত বলেছেন।
(হায়ছামী বলেন, হাদীসটি আহমদ কর্তৃক বর্ণিত। তবারানী মু'জামুল কাবীরে এরূপ একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাতে একজন বিতর্কিত রাবী আছেন।)
كتاب الصلاة
(10) باب استحباب تأخيرها إلى ثلث الليل أو نصفه
(155) حدثنا عبد الله حدَّثني أبي ثنا روح وأبو داود قالا ثنا حمَّاد ابن سلمة قال ابو داود ثنا عليُّ بن زيدٍ عن الحسن عن أبي بكرة (رضي الله عنه) قال أخَّر رسول الله صلى الله عليه وسلم العشاء تسع ليالٍ، قال أبو داود ثمان ليالٍ إلى ثلث اللَّيل، فقال أبو بكر يا رسول الله لو أنَّك عجلت لكان أمثل لقيامنا من اللَّيل قال فعجل بعد ذلك، قال أبي وحدَّثنا عبد الصَّمد فقال في حديثه سبع ليال وقال عفَّان تسع ليال
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) ইশার নামায রাতের এক তৃতীয়াংশ বা মধ্যরাত পর্যন্ত বিলম্ব করা মুস্তাহাব.
(১৫৬) আসিম ইবন্ হুমাইদ আশশাকুনী থেকে বর্ণিত। তিনি মু'আয ইবন্ জাবালের (রা) সাথী ছিলেন, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহর জন্য ইশার নামাযের সময় অপেক্ষা করছিলাম। তিনি তখন আটকা পড়লেন, তখন আমরা মনে করতে থাকলাম, তিনি বোধ হয় আর আসবেন না। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ বলতে লাগলেন, তিনি হয়ত নামায পড়ে নিয়েছেন কাজেই আর আসবেন না। এমতাবস্থায় রাসূল (ﷺ) বের হয়ে আসলেন তখন আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল, আমরা মনে করতে ছিলাম যে, আপনি আর আসবেন না, আমাদের মধ্যে কেউ কেউ বলতে আরম্ভ করেছিলেন যে, আপনি ইতিমধ্যেই নামায পড়ে নিয়েছেন সুতরাং আসবেন না। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমরা এ নামাযটি বিলম্ব করে পড় সমস্ত উম্মতদের মধ্যে এ নামাযটির ব্যাপারে তোমাদের অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। তোমাদের পূর্বে এ নামায আর কোন উম্মত পড়ে নি.।
(আবু দাউদ, বায়হাকী। এর সনদ উত্তম।)
(আবু দাউদ, বায়হাকী। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(10) باب استحباب تأخيرها إلى ثلث الليل أو نصفه
(156) عن عاصم بن حميدٍ الشكونيِّ وكان من أصحاب معاذ بن جبلٍ عن معاذٍ قال رقبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في صلاة العشاء فاحتبس حتى ظننَّا أن لن يخرج والقائل منَّا يقول قد صلَّى ولمن يخرج، فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقلنا يا رسول الله ظننَّا أنَّك لن تخرج والقائل منَّا يقول قد صلَّى ولن يخرج، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أعتموا بهذه الصَّلاة فقد فضِّلتم بها على سائر الأمم ولم يصلِّها أمَّة قبلكم.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) ইশার নামায রাতের এক তৃতীয়াংশ বা মধ্যরাত পর্যন্ত বিলম্ব করা মুস্তাহাব.
(১৫৭) ইবন জুরাইজ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি 'আতাকে বললাম আমার ইশার নামাযটি ইমাম হিসাবে অথবা একাকী কোন সময় আপনি বেশি পছন্দ করেন তিনি বলেন? আমি ইবন্ আব্বাসকে বলতে শুনেছি যে, একরাত রাসূল (ﷺ) ইশার নামায এত বিলম্ব করলেন যে লোকেরা ঘুমিয়ে পড়ে আবার জাগ্রত হলেন। তখন উমর (রা) উঠে বলতে লাগলেন, নামায নামায, 'আতা বলেন, ইবন্ আব্বাস (রা) বলেছেন, তখন নবী (ﷺ) বের হয়ে আসলেন, আমি যেন তাঁকে এখনও দেখতে পাচ্ছি, যে, তাঁর মাথা থেকে পানি পড়ছে আর তিনি তার মাথার এক পাশে হাত রেখেছেন। তারপর বললেন, আমি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করলে এভাবেই তাদেরকে এ নামায পড়তে বলতাম। (অপর এক সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে।) তাতে আরও আছে তখন উমর (রা) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল, নারী ও শিশুরা ঘুমিয়ে পড়েছে। তখন রাসূল (ﷺ) বের হয়ে এসে বললেন, আমি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করলে তাদেরকে এ সময় নামায পড়তে বলতাম।
(বুখারী, মুসলিম ও নাসাঈ ।)
(বুখারী, মুসলিম ও নাসাঈ ।)
كتاب الصلاة
(10) باب استحباب تأخيرها إلى ثلث الليل أو نصفه
(157) حدّثنا عبد الله حدَّثني أبى ثنا عبد الرَّزَّاق وابن بكرٍ قالا أنا ابن جريج قال قلت لعطاءٍ أي حين أحبُّ إليك أن أصلِّي العشاء إمامًا أو خلوًا قال سمعت ابن عباسٍ يقول أعتم رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلةً بالعشاء حتَّى رقد النَّاس واستيقظوا، فقام عمر بن الخطَّاب رضى الله عنه فقال الصَّلاة، قال عطاء قال ابن عبَّاس فخرج نبيُّ اله صلى الله عليه وسلم كأنِّي أنظر إليه الآن يقطر رأسه ماءً واضعًا يده على شقِّ رأسه، فقال لولا أن أشقَّ على أمَّتي لأمرتهم أن يصلُّوها كذلك
(ومن طريقٍ آخر) بنحوه وفيه فقال عمر يا رسول الله نام النِّساء والولدان فخرج فقال لولا أن أشقَّ على أمَّتي لأمرتهم أن يصلُّوها هذه السَّاعة.
(ومن طريقٍ آخر) بنحوه وفيه فقال عمر يا رسول الله نام النِّساء والولدان فخرج فقال لولا أن أشقَّ على أمَّتي لأمرتهم أن يصلُّوها هذه السَّاعة.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) ইশার নামায রাতের এক তৃতীয়াংশ বা মধ্যরাত পর্যন্ত বিলম্ব করা মুস্তাহাব.
(১৫৮) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) ইশার নামায দেরী করলেন, শেষ পর্যন্ত উমর (রা) তাঁকে একথা বলে ডাকলেন যে, শিশু ও নারীরা ঘুমিয়ে পড়েছে, তখন রাসূল (ﷺ) বের হয়ে আসলেন, তারপর বললেন, তোমরা ছাড়া পৃথিবীর আর কেউ এ নামাযটি পড়ছে না, সে সময় মদীনাবাসী ছাড়া আর কেউ এ নামায পড়তো না। (অন্য বর্ণনায় আছে, একথা বলা হয় ইসলাম বিকশিত হবার পূর্বে।)
(মুসলিম, নাসাঈ ইত্যাদি।)
(মুসলিম, নাসাঈ ইত্যাদি।)
كتاب الصلاة
(10) باب استحباب تأخيرها إلى ثلث الليل أو نصفه
(158) عن عائشة رضي الله عنها قالت أعتم رسول الله صلى الله عليه وسلم بالعشاء حتَّى ناداه عمر بن الخطَّاب رضى الله عنه قد نام النِّساء والصِّبيان فخرج
رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إنه ليس أحد من أهل الأرض يصلِّي هذه الصَّلاة غيركم، ولم يكن أحد يصلِّي يومئذٍ غير أهل المدينة (وفي روايةٍ وذلك قبل أن يفشوا الإسلام.
رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إنه ليس أحد من أهل الأرض يصلِّي هذه الصَّلاة غيركم، ولم يكن أحد يصلِّي يومئذٍ غير أهل المدينة (وفي روايةٍ وذلك قبل أن يفشوا الإسلام.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) ইশার নামায রাতের এক তৃতীয়াংশ বা মধ্যরাত পর্যন্ত বিলম্ব করা মুস্তাহাব.
(১৫৯) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) একরাতে ইশার নামায এমন দেরী করলেন যে, প্রায় রাত শেষ হয়ে গেছে, এমনকি মসজিদবাসীরা পর্যন্ত ঘুমিয়ে পড়েছে। (ইবন্ বকর (এক রাবী) বলেন, শুয়ে পড়েছে।) অতঃপর তিনি বের হয়ে এসে নামায পড়লেন। তারপর বললেন, এটাই হল এ নামাযের ওয়াক্ত, আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর না হলে, (ইবন্ বকর বলেন, আমি কষ্টকর মনে না করলে) আমি তাদেরকে এ সময়ে নামায পড়তে বলতাম।
(মুসলিম ও নাসাঈ।)
(মুসলিম ও নাসাঈ।)
كتاب الصلاة
(10) باب استحباب تأخيرها إلى ثلث الليل أو نصفه
(159) حدّثنا عبد الله حدَّثني أبى ثنا عبد الرَّزَّاق ومحمَّد بن بكر قالا أنا ابن جريجٍ أخبرني المغيرة بن حكيمٍ عن أم كلثوم بنت أبي بكرٍ أنَّها أخبرته عن عائشة قالت أعتم النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم ذات ليلة حتَّى ذهب عامَّة اللَّيل وحتَّى نام
أهل المسجد "وقال ابن بكر رقد" ثمَّ خرج فصلَّى فقال إنَّه لوقتها لولا أن يشق على أمتي وقال بن بكر أنَّ أشقَّ.
أهل المسجد "وقال ابن بكر رقد" ثمَّ خرج فصلَّى فقال إنَّه لوقتها لولا أن يشق على أمتي وقال بن بكر أنَّ أشقَّ.
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) ফজরের নামাযের ওয়াক্ত এবং তা খুব ভোরে পড়া ও আলোকিত করে পড়া প্রসঙ্গে
(১৬০) কায়েস ইবন্ তালক থেকে, তিনি তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, প্রকৃত ফজর পূর্ব দিগন্তের উপরের দিকে লম্বালম্বিভাবে সূর্যের শুভ্র আভা নয়। তবে তা হলো আড়াআড়িভাবে পরিলক্ষিত লাল আভা।
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান, এ হাদীসটি আমি অন্যত্র পাই নি। তবে সুয়ূতী হাদীসটি জামেয়ুস সাগীরে উল্লেখ করে হাদীসটি হাসান হবার প্রতীক ব্যবহার করেছেন। বায়হাকীর একটি হাদীসও এর সমর্থন করে।)
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান, এ হাদীসটি আমি অন্যত্র পাই নি। তবে সুয়ূতী হাদীসটি জামেয়ুস সাগীরে উল্লেখ করে হাদীসটি হাসান হবার প্রতীক ব্যবহার করেছেন। বায়হাকীর একটি হাদীসও এর সমর্থন করে।)
كتاب الصلاة
(11) باب وقت صلاة الصبح وما جاء في التغليس بها والأسفار
(160) عن قيس بن طلقٍ عن أبيه رضي الله عنه أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم قال ليس الفجر المستطيل في الأفق ولكنَّه المعترض الأحمر.
তাহকীক: