মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ১৪৯০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) অধ্যায়ঃ কোন ব্যক্তি সারির পিছনে একাকী সালাত আদায় সম্পর্কে
(১৪৮৬) হেলাল ইবন ইয়াসাফ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জিয়াদ ইবন্ আবুল জাদ উপত্যকায় (দজলা ফোরাতের মধ্যবর্তী কোন স্থান) ওয়াবিসা ইবন্ মা'বাদ নামীয় এক ব্যক্তিকে দেখাইলেন। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি আমাকে তার কাছে নিলেন। অতঃপর তিনি বলেন, তিনি আমাকে এই হাদীস শুনিয়েছেন যে, একদা রাসূল (ﷺ) এক ব্যক্তিকে এক সারিতে একা একা সালাত আদায় করতে দেখলেন। তিনি তাকে নির্দেশ করলে উক্ত ব্যক্তি সালাত পুনর্বার আদায় করল। রাবী বলেন, আমার পিতা এ হাদীস বলতেন।
(হাদীসটি আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ ও বায়হাকীতে বর্ণিত হয়েছে। ইমাম তিরমিযী হাদীসটি হাসান বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(10) باب ما جاء فى صلاة الرجل خلف الصف وحده
(1490) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا محمَّد بن جعفرٍ ثنا شعبة عن حصينٍ عن هلال بن يسافٍ قال أرانى زياد بن أبى الجعد شيخًا بالجزيرة يقال له وابصة بن معبدٍ قال فأقامنى عليه وقال هذا حدَّثنى أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وعلى وآله وصحبه وسلَّم رأى رجلًا صلَّى فى الصَّفِّ وحده فأمره فأعاد الصلَّاة، قال وكان أبى يقول بهذا الحديث
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৯১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) অধ্যায়ঃ কোন ব্যক্তি সারির পিছনে একাকী সালাত আদায় সম্পর্কে
(১৪৮৭) ওয়াবিসা ইবন্ মা'বাদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করা হলো ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে, যে সারির পিছনে একাকী সালাত আদায় করে। তিনি বললেন, সে পুনর্বার সালাত আদায় করবে।
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীসটি মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাই নি। এর সনদ উত্তম।
كتاب الصلاة
(10) باب ما جاء فى صلاة الرجل خلف الصف وحده
(1491) عن وابصة بن معبدٍ رضي الله عنه قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن رجلٍ صلَّى خلف الصُّفوف وحده، فقال يعيد الصلَّاة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৯২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) অধ্যায়ঃ কোন ব্যক্তি সারির পিছনে একাকী সালাত আদায় সম্পর্কে
(১৪৮৮) আলী ইবন্ শাইবান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয়ই রাসূল (ﷺ) একদা এক ব্যক্তিকে দেখলেন যে, সে সারির পিছনে একাকী সালাত আদায় করছে। তিনি (ﷺ) সেখানে দাঁড়ালেন লোকটি সালাত সম্পন্ন করল। এবার রাসুল (ﷺ) তাঁকে বললেন, তুমি তোমার সালাত পুনরায় আদায় কর। কেননা, সারির পিছনে একাকী ব্যক্তির সালাত নেই।
(হাদীসটি ইবন মাজাহয় বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীসের সনদ সহীহ ও রাবীগণ বিশ্বস্ত।)
كتاب الصلاة
(10) باب ما جاء فى صلاة الرجل خلف الصف وحده
(1492) عن علي بن شيبان رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى رجلًا يصلَّى خلف الصَّفِّ فوقف حتَّى انصرف الرَّجل، فقال رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم استقبل صلاتك فلا صلاة لرجلٍ فردٍ خلف الصَّفِّ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৯৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) অধ্যায়: যে সারির পিছনে রুকু করে অতঃপর সারিতে শামিল হয়
(১৪৮৯) হাসান থেকে বর্ণিত, তিনি আবূ বাকরা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, একদা তিনি (মসজিদে) এলেন, এমতাবস্থায় রাসূল (ﷺ) রুকু করছিলেন তখন তিনিও সারির পিছন থেকেই রুকু করলেন, অতঃপর সারিতে শামিল হলেন। অতঃপর নবী (ﷺ) বললেন, কে সেই ব্যক্তি? যে রুকু করেছে অতঃপর সারিতে শামিল হয়েছে? আবু বাকরা বললেন, আমি। নবী (ﷺ) একথা শুনে বললেন, আল্লাহ তোমার আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দিন। তবে এ কাজের পুনরাবৃত্তি কর না।
(দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত) আব্দুল আযিয ইবন্ আবূ বাকরা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আবু বাকরা (মসজিদে) আসলেন এমতাবস্থায় নবী (ﷺ) রুকুতে ছিলেন। নবী (ﷺ) আবু বাকরার জুতার শব্দ শুনতে পেলেন যে, সে হাযির হচ্ছে এবং এই রাকা'আত পেতে চাচ্ছে। অতঃপর যখন নবী (ﷺ) সালাত শেষ করলেন তখন বললেন, দ্রুত আগমনকারী ব্যক্তিটি কে? আবূ বাকরা বললেন, আমি। তিনি (ﷺ) বললেন, আল্লাহ তোমার আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দিন। তবে এ কাজের পুনরাবৃত্তি কর না।
(হাদীসটি বুখারী, নাসায়ী, বায়হাকী ও তাহাভীতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(11) باب من ركع دون الصف ثم مشى اليه
(1493) عن الحسن عن أبى بكرة رضى الله عنه أنه جاء ورسول الله صلى الله عليه وسلم راكعٌ فركع دون الصَّف ثمَّ مشى إلى الصَّفِّ، فقال النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم من هذا الذى ركع ثمَّ مشى إلى الصَّفِّ؟ فقال أبو بكرة أنا، فقال النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم زادك الله حرصًا ولا تعد (ومن طريقٍ ثانٍ) عن عبد الله العزيز بن أبى بكرة أنَّ أبا بكرة جاء والنَّبيُّ صلى الله عليه وسلم راكعٌ فسمع النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم صوت نعل أبى بكرة وهو يحضر يريد أن يدرك الرَّكعة، فلما انصرف النَّبيُّ صلَّى عليه وآله وسلَّم قال من السَّاعة؟ قال أبو بكرة أنا، قال زادك الله حرصًا ولا تعد
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৯৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ জামা'আতের বিধি-বিধান সংশ্লিষ্ট অধ্যায়সমূহ

(১) অধ্যায়ঃ ইকামাতের পর ফরয সালাত ব্যতীত কোন সালাত নেই
(১৪৯০) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ইকামাতের পর ফরয সালাত ব্যতীত কোন সালাত নেই।
(উক্ত আবু হুরায়রা থেকে ২য় সূত্রে বর্ণিত) তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, নিশ্চয়ই তিনি বলেছেন, যখন কোন সালাতের ইমামত হয় তখন ফরয সালাত ব্যতীত কোন সালাত নেই।
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম, বায়হাকী, নাসায়ী, আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ্ ও দারেমীতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
أبواب تتعلق بأحكام الجماعة

(1) باب لا صلاة بعد الاقامة الا المكتوبة
(1494) عن أبى هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا صلاة بعد الإقامة إلاَّ المكتوبة "وفى لفظ إلاَّ الَّتى أقيمت" (وعنه من طريقٍ ثانٍ) عن النَّبيِّ أنَّه قال إذا أقيمت الصَّلاة فلا صلاة إلاَّ المكتوبة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৯৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ জামা'আতের বিধি-বিধান সংশ্লিষ্ট অধ্যায়সমূহ

(১) অধ্যায়ঃ ইকামাতের পর ফরয সালাত ব্যতীত কোন সালাত নেই
(১৪৯১) আব্দুল্লাহ ইবন সারজিস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা ফজরের সালাতের ইকামাত হলো, এমতাবস্থায় রাসূল (ﷺ) এক ব্যক্তিকে ফজরের দুই রাকা'আত সালাত আদায় করতে দেখলেন। অতঃপর তিনি তাঁকে বললেন, তুমি একাকী এ কিসের সালাত আদায় করছ? নাকি আমরা যে সালাত আদায় করছি তাই আদায় করছ?
(হাদীসটি মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ী ও ইবন মাজাহয় বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
أبواب تتعلق بأحكام الجماعة

(1) باب لا صلاة بعد الاقامة الا المكتوبة
(1495) عن طريق عبد الله بن سرجس رضى الله عنه قال أقيمت الصَّلاة صلاة الصُّبح قرأى رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم رجبلًا يصلَّى ركعتى الفجر فقال له بأيِّ صلاتك احتسبت بصلاتك وحدك
أو صلاتك الَّتى صلَّيت معنا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৯৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ জামা'আতের বিধি-বিধান সংশ্লিষ্ট অধ্যায়সমূহ

(১) অধ্যায়ঃ ইকামাতের পর ফরয সালাত ব্যতীত কোন সালাত নেই
(১৪৯২) আব্দুল্লাহ ইবন মালিক ইবন্ বুহাইনা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসূল (ﷺ) এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এমতাবস্থায় সালাতের ইকামাত হলো (কোন বর্ণনায় وقد أقيم في الصلاة এর পরিবর্তে وَقَدْ أَقيمت الصلاة বলা হয়েছে) আর তখন সে ফজর সালাতের পূর্ব দুই রাকা'আত সালাত আদায় করছিল। রাসূল (ﷺ) তাঁকে কি যেন বললেন, আমরা তা বুঝতে পারলাম না। অতঃপর যখন আমাদের সালাত শেষ হল আমরা তাঁকে ঘিরে ধরলাম, তাঁকে বললাম, রাসূল (ﷺ) তোমাকে কি বললেন? তিনি বললেন যে, তিনি (ﷺ) আমাকে বললেন, তোমাদের কেউ কি ফজরের সালাত ৪ রাকা'আত করে আদায় করতে চায়? (অর্থাৎ ২ রাকা'আত নফল ইকামাতের পারে আরও ২ রাকা'আত ফরয। যে এ রকম করবে সে যেন ৪ রাকা'আত আদায় করল। এমনটি করা অনুচিৎ)
(উক্ত আব্দুল্লাহ ইবন মালিক ইবন বুহাইনা (রা) থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত) তিনি বলেন, নিশ্চয়ই রাসূল (ﷺ) উক্ত ব্যাক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, আর সে দীর্ঘ করে সালাত আদায় করছিল। অথবা সে এমনটি করছিল ফজরের (ফরয) সালাতের সময়। এমতাবস্থায়, রাসূল (ﷺ) তাঁকে বললেন, তোমরা এই সালাতকে ইকামাতের পূর্বে বা পরে যোহরের সালাতের মত করে, (অর্থাৎ ৪ রাকা'আতের মত করে) আদায় কর না। বরং এতদুভয়ের মাঝে পার্থক্য সূচিত কর।
(প্রথম সূত্রে মুসলিমে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, ২য় সূত্রটি মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাই নি। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
أبواب تتعلق بأحكام الجماعة

(1) باب لا صلاة بعد الاقامة الا المكتوبة
(1496) عن عبد الله ابن مالكٍ ابن بحينة رضى الله عنه قال مرَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم برجلٍ وقد أقيم فى الصلَّاة "وفي روايةٍ وقد أقيمت الصَّلاة" وهو يصلَّى الرَّكعتين قبل الفجر، فقال له شيئًا لا ندرى ما هو، فلمَّا انصرفنا أحطنا به نقول ماذا قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ قال قال لى يوشك أحدكم أنَّ يصلَّى الصُّبح أربعًا (وعنه من طريقٍ ثانٍ) أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم مرَّ به وهو يصلَّى يطوِّل صلاته أة نحو هذا بين يدي صلاة الفجر، فقال له
النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم لا تجعلوا هذه مثل صلاة الظُّهر قبلها ويعدها، اجعلوا بينهما فصلًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৯৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ জামা'আতের বিধি-বিধান সংশ্লিষ্ট অধ্যায়সমূহ

(১) অধ্যায়ঃ ইকামাতের পর ফরয সালাত ব্যতীত কোন সালাত নেই
(১৪৯৩) হাফস ইবন আসিম ইবন উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে বর্ণিত, তিনি মালিক ইবন্ বুহাইনা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, একদা এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করল এমতাবস্থায় সালাতের ইকামাত হয়ে গেল, অতঃপর সে ফজরের দুই রাকা'আত সালাত আদায় করল। অতঃপর যখন রাসূল (ﷺ) সালাত সমাপ্ত করলেন, মানুষেরা তাঁর দিকে তাকাল। তিনি বললেন, তোমরা কি ফজরের সালাত চার রাকা'আত করে আদায় কর?
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম ও নাসায়ীতে বর্ণিত হয়েছে
كتاب الصلاة
أبواب تتعلق بأحكام الجماعة

(1) باب لا صلاة بعد الاقامة الا المكتوبة
(1497) عن حفص بن عاصم بن عمر بن الخطَّاب عن مالك بن بحينة أنَّ رجلًا دخل المسجد وقد أقيمت الصَّلاة فصلَّى ركعتى الفجر، فلمَّا قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم (يعنى الصَّلاة) لاث به النَّاس فقال الصُّبح أربعًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৯৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ জামা'আতের বিধি-বিধান সংশ্লিষ্ট অধ্যায়সমূহ

(১) অধ্যায়ঃ ইকামাতের পর ফরয সালাত ব্যতীত কোন সালাত নেই
(১৪৯৪) আদুল্লাহ ইবন মালিক ইবন বুহাইনা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা নবী (ﷺ) ফজরের সালাতের জন্য বের হলেন তখন ইবনুল কিশব সালাত আদায় করছিল নবী (ﷺ) তার ঘাড়ে হাত বুলালেন এবং বললেন, হে ইবনুল কিশব, তুমি কি ফজরের সালাত ৪ রাকা'আত পড় নাকি ২ বার করে পড়*?
*রাবী ইবন জুরাইজ সন্দেহ করেছেন।
(হাদীসটি বায়হাকীতে বর্ণিত হয়েছে। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
أبواب تتعلق بأحكام الجماعة

(1) باب لا صلاة بعد الاقامة الا المكتوبة
(1498) خط عن عبد الله بن مالك ابن بحينة أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم خرج لصلاة الصُّبح وابن القشب يصلِّى فضرب النَّبيُّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم منكبه وقال يا ابن القشب اتصلِّى الصُّبح أربعًا أو مرتين؟ ابن جريج يشَّك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৯৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ জামা'আতের বিধি-বিধান সংশ্লিষ্ট অধ্যায়সমূহ

(১) অধ্যায়ঃ ইকামাতের পর ফরয সালাত ব্যতীত কোন সালাত নেই
(১৪৯৫) ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ফজরের সালাতের ইকামাত বলা হলো। অতঃপর এক ব্যক্তি দাঁড়ালো এবং দুই রাকা'আত সালাত আদায় করল। (এ দেখে) রাসূল (ﷺ) তাঁর কাপড় ধরে টান দিলেন এবং বললেন, তুমি কি ৪ রাকাত ফজরের সালাত আদায় কর?
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, অজ্ঞাত ব্যক্তির এ ধরনের বর্ণনা মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাই নি। তবে হাদীসটি তায়ালিসী, বায়হাকী, বাযযার, আবু ইয়ালা, তবারানী, ইবন্ হিব্বান, হাকিম প্রমুখ ভিন্ন সনদে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
أبواب تتعلق بأحكام الجماعة

(1) باب لا صلاة بعد الاقامة الا المكتوبة
(1499) عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما قال أقيمت صلاة الصبُّبح فقام رجلٌ يصلِّى الرَّكعتين فجذب رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم بتوبه فقال أتصلَّى الصُّبح أربعًا؟
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫০০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়ঃ যে ব্যক্তি সালাত আদায় করার পর জামা'আত পাবে সে জামা'আতের সাথে নফল হিসেবে সালাত আদায় করবে
(১৪৯৬) জাবির ইবন্ ইয়াযিদ ইবনুল আসওয়াদ থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমরা রাসূল (ﷺ)-এর সাথে বিদায় হজ্জ সম্পাদন করেছি। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাদের ফজরের সালাতের ইমামতি করলেন, রাবীর সন্দেহ আছে এ ব্যাপারে। অতঃপর তিনি বসে বসে মুসল্লিদের প্রতি মুখ করলেন। এখানেও রাবীর সংশয় রয়েছে শব্দদ্বয়ের মাঝে। তখন তিনি এমন দুই ব্যক্তিকে দেখলেন যারা মানুষের সাথে তথা জামা'আতের সাথে সালাত আদায় করে নি। রাসূল (ﷺ) বললেন, ঐ দুই ব্যক্তিকে আমার কাছে নিয়ে আস। তাদের দুইজনকে নিয়ে আসা হল, তখন তাঁরা ভয়ে কাঁপছিল। তিনি তাদেরকে বললেন, জামা'আতের সাথে সালাত আদায় করতে কিসে তোমাদের বাধা দিয়েছিল? তারা জবাব দিল, হে আল্লাহর রাসূল, আমরা বাড়িতে সালাত আদায় করেছিলাম। তিনি বললেন, তোমরা এমনটি করবে না। তোমাদের কেউ যখন গৃহে সালাত আদায় করবে অতঃপর ইমামের সাথেও সালাত পাবে সে যেন ইমামের সাথেও সালাত আদায় করে। কেননা সেটা তার জন্য নফল হবে। রাবী বলেন, অতঃপর তাদের একজন বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, আপনি আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করলেন। অতঃপর মানুষরা রাসূল (ﷺ)-এর প্রতি এগুতে থাকল আমিও তাঁদের সাথে এগুতে থাকলাম। এমনকি আমি ভীড় ঠেলে রাসূল (ﷺ)-এর নিকট পৌছলাম, অতঃপর আমি তাঁর হাত ধরলাম এবং তা আমার বক্ষ বা মুখমণ্ডলে রাখলাম। তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর হস্ত মুবারকের চেয়ে পবিত্র ও শীতল কিছু পাই নি।
(রাবী বলেন) এ ঘটনার সময় তিনি (মিনায়) মসজিদে খাইফে অবস্থান করছিলেন।
(হাদীসটি দারাকুতনী, ইবন্ হিব্বান ও হাকিম তাঁর মুস্তাদরাকে বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী বলেন, হাদীসটি সহীহ।)
كتاب الصلاة
(2) باب من صلى ثم أدرك جماعة فليصلها معهم نافلة
(1500) عن جابر بن يزيد الأسود عن أبيه رضى الله عنه قال حججنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حجَّة الوداع، قال فصلَّى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم صلغاة الصبُّح أوالفجر، قال ثمَّ انحرف جالسًا أو استقبل النَّاس بوجهه فإذا هو برجلين من وراء النَّاس لم يصلِّيا مع النَّاس، فقال ائتونى بهذين الرَّجلين، فأتى بهما ترعد فرائصهما فقال مامنعكما أن تصلِّيا مع النَّاس؟ قالا يا رسول الله إنَّا كنَّا صلَّينا فى الرِّجال قال فلا تفعلا، إذا صلَّى أحدكم فى رحله ثمَّ أدرك الصَّلاة مع الإمام فليصلِّها معه
فإنَّها له نافلةً قال فقال أحدهما استغفر لى يا رسول الله، فاستغفر له، قال ونهض النَّاس إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ونهضت معهم وأنا يومئذ أشبُّ الرِّجال وأجلده قال فما زات أزحم النَّاس حتَّى وصلت إلى رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّى فأخذت بيده فوضعتها إمَّا على وجهى أو صدرى، قال فما وجدت شيئًا أطيب ولا أبرد من يد رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال وهو يومئذٍ في مسجد الخيف
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫০১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়ঃ যে ব্যক্তি সালাত আদায় করার পর জামা'আত পাবে সে জামা'আতের সাথে নফল হিসেবে সালাত আদায় করবে
(১৪৯৭) বুসর ইবন মিহজান থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, একদা আমি নবী (ﷺ)-এর দরবারে এলাম। অতঃপর সালাতের ইকামাত হলো, আমি বসে থাকলাম। অতঃপর যখন সালাত সম্পন্ন হল তিনি (ﷺ) আমাকে বললেন, তুমি কি মুসলিম নও? আমি বললাম, অবশ্যই। তিনি (ﷺ) বললেন, তবে কিসে তোমাকে মানুষদের সাথে (জামা'আতে) সালাত আদায় থেকে বিরত রাখল, রাবী বলেন, আমি বললাম, আমি বাড়িতেই সালাত আদায় করেছি। তিনি (ﷺ) বললেন তবুও মানুষদের সাথে (জামা'আতে) সালাত আদায় করবে। (কোন কোন বর্ণনায় এসেছে, যখন তুমি আসবে তখন জামা'আতে সালাত আদায় করবে যদিও বাড়িতে তোমার পরিবারের সাথে সালাত আদায় করে থাক।)
(উক্ত বুসর ইবন মিহজান থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত) তিনি বলেন, একদা মিহজান রাসূল (ﷺ)-এর দরবারে ছিলেন, ইতিমধ্যে সালাতের আযান হলো অতঃপর রাসূল (ﷺ) দাঁড়ালেন এবং তাঁদের সালাতের ইমামতি করলেন। অতঃপর রাসূল (ﷺ) ফিরে এলেন। মিহজান তখনও দরবারে (বসা) ছিলেন। রাসূল (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেন, মানুষদের সাথে (জামা'আতে) সালাত আদায়ে কিসে তোমাকে বিরত রাখল? তুমি কি মুসলিম নও। এবং পূর্বের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(হাদীসটি মুয়াত্তা মালিক, নাসায়ী, মুস্তাদরাকে হাকিম, প্রভৃতিতে বর্ণিত রয়েছে।)
كتاب الصلاة
(2) باب من صلى ثم أدرك جماعة فليصلها معهم نافلة
(1501) عن بسر بن محجن عن أبيه قال أتيت النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم قأقيمت الصلَّاة فجلست، فلمَّا صلَّى قال لى ألست بمسلمٍ؟ قلت بلى، قال فما منعك أن تصلَّى مع النَّاس؟ قال قلت قد صلَّيت فى أهلى، قال فصلِّ مع النَّاس "وفى روايةٍ إذا جئت فصلَّ مع النَّاس ولو كنت قد صلَّيت فى أهلك" (وعنه من طريقٍ ثانٍ) أنَّ محجنًا كان فى مجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم وأذِّن بالصلَّاة
فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلَّى بهم ثمَّ رجع رسول الله صلى الله عليه وسلم ومحجنٌ فى مجلسه، فقال رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم ما منعك أن تصلِّي مع النَّاس؟ ألست برجلٍ مسلمٍ؟ وذكر نحو الحديث المتقدِّم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫০২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়ঃ যে ব্যক্তি সালাত আদায় করার পর জামা'আত পাবে সে জামা'আতের সাথে নফল হিসেবে সালাত আদায় করবে
(১৪৯৮) হানযালা ইবন আলী আল আসলামী থেকে বর্ণিত, তিনি দীল গোত্রের এক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি আমার গৃহে যোহরের সালাত আদায় করলাম, অতঃপর আমার উটগুলো রাখালকে পৌছিয়ে দেবার জন্য বের হলাম। পথিমধ্যে রাসূল (ﷺ)-কে অতিক্রম করলাম। এমতাবস্থায় তিনি যোহরের সালাতের ইমামতি করছিলেন। আমি কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলাম, কিন্তু তাঁর সাথে সালাত আদায় করলাম না। অতঃপর যখন উটগুলো দিয়ে দিলাম এবং ফিরে এলাম- এ ঘটনা রাসূল (ﷺ)-এর কাছে বর্ণনা করা হলো। তিনি আমাকে বললেন, হে অমুক। তুমি যখন আমাদেরকে অতিক্রম করছিলে তখন কিসে তোমাকে আমাদের সাথে সালাত আদায় থেকে বিরত রেখেছিল? রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ), আমি তো বাড়িতেই সালাত আদায় করেছিলাম। তিনি বললেন, তবুও।
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীসটি মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাই নি। হাইসামী বলেন, এ হাদীসের সনদের রাবীগণ বিশ্বস্ত।)
كتاب الصلاة
(2) باب من صلى ثم أدرك جماعة فليصلها معهم نافلة
(1502) عن حنظلة بن علي الأسلميِّ عن رجلٍ من بنى الدِّيل قال صلَّيت الظّهر فى بيتى خرجت بأباعر لأصدِّرها إلى الرَّاعهى فمررت برسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يصلِّى بالنَّاس الظُّهر فمضيت فلم أصلِّ معه، فلمَّا أصدرت أباعرى ورجعت ذكر ذلك لرسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم، أصدرت أباعرى ورجعت ذكر ذلك لرسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم، فقال لى ما منعك يا فلان أن تصلِّي معنا حين مررت بنا؟ قال فقلت يا رسول الله إنِّى قد كنت صلَّيت فى بيتي قال وإن
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫০৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়ঃ যে ব্যক্তি সালাত আদায় করার পর জামা'আত পাবে সে জামা'আতের সাথে নফল হিসেবে সালাত আদায় করবে
(১৪৯৯) আবুল আলীয়া আল-বাররা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবন্ জিয়াদ সালাতে দেরী করত। আব্দুল্লাহ ইবন সামিত আমার কাছে আসল। আমি তাকে একটি চেয়ার দিলাম তিনি তাতে উপবেশন করলেন। অতঃপর আমি তাকে ইবন জিয়াদের ব্যাপারে অবহিত করলাম। তিনি ঠোঁটে কামড় দিলেন (ইবন জিয়াদের এ সব কাজের জন্য)। এবং আমার রানে আঘাত করলেন এবং তিনি বললেন, নিশ্চয়ই আমি আবু যারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যেমনটি তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করেছ, অতঃপর তিনি আমার রানে আঘাত করলেন, যেমনটি আমি তোমার রানে আঘাত করলাম এবং তিনি বলেছেন যে, নিশ্চয়ই আমি রাসূল (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করেছি যেমনটি তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করেছ। অতঃপর তিনি আমার রানে আঘাত করলেন যেমনটি আমি তোমার রানে আঘাত করেছি, অতঃপর তিনি বললেন, সালাতকে যথাসময়ে আদায় কর। আর যদি তাদের সালাত পেয়ে যাও তবে সালাত আদায় করে নিবে। আর এ কথা বলবে না যে, আমি তো সালাত আদায় করেছি (তাই) আর সালাত আদায় করব না।
(হাদীসটি মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে, অন্যান্য কিতাবে অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস এসেছে।)
كتاب الصلاة
(2) باب من صلى ثم أدرك جماعة فليصلها معهم نافلة
(1503) عن أبى العالية البرَّاء قال أخَّر ابن زيادٍ الصَّلاة فأتاني
عبد الله بن الصَّامت فألقيت له كرسيًا فجلس عليه فذكرت له صنيع بن زياد فعضَّ على شفيه وضرب فخذى وقال إنِّى سألت أبا ذرٍ كما سألتنى فضرب فخذى كما ضربت على فخذك وقال إنِّى سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم كما سألتنى وضرب فخذى كما ضربت فخذك فقال صلِّ الصَّلاة لوقتها، فإن أدركتك معهم فضلِّ ولا تقل إنِّى قد صلَّيت ولا أصلِّى
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫০৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়ঃ যে ব্যক্তি সালাত আদায় করার পর জামা'আত পাবে সে জামা'আতের সাথে নফল হিসেবে সালাত আদায় করবে
(১৫০০) আবূ উবাই ইবন ইমরাআতু উবাদা ইবন সামিত (অর্থাৎ ইবন্ উন্মু হারাম) থেকে বর্ণিত। তিনি উবাদা ইবন সামিত (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, খুব শীঘ্রই তোমাদের নেতৃবৃন্দ এমন হবে যেন তারা সালাত বৈ অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়বে। এমনকি সালাতকে তার সময় থেকে বিলম্বে আদায় করবে। অতএব, (সে সময়ে) তোমরা সালাতকে যথাসময়ে আদায় কর। (কোন কোন বর্ণনায় আছে আর তাদের সাথের সালাতকে নফল হিসেবে স্থির কর।) রাবী বলেন, অতঃপর এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসুল (ﷺ)। যদি আমি তাদের সাথে সালাত পেয়ে যাই তবে সালাত আদায় করব? তিনি বললেন, সেটা তোমার ইচ্ছা।
(উক্ত আবূ উবাই থেকে দ্বিতীয় সনদে অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণিত হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে) অতঃপর এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)। অতঃপর আমরা তাদের সাথেও সালাত আদায় করব? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আব্দুল্লাহ (ইমাম আহমদের পুত্র) বলেন, আমার পিতা (আহমদ (র)) বলেছেন, এটাই সঠিক।
(হাদীসটি আবু দাউদে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(2) باب من صلى ثم أدرك جماعة فليصلها معهم نافلة
(1504) عن أبى أبيِّ بن امرأة عبادة بن الصَّامت عن عبادة ابن الصَّامت رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنَّها ستكون عليكم
أمراء تشغلهم عن الصَّلاة حتَّى يؤخرَّوها عن وقتها فصلُّوها لوقتها "وفى روايةٍ ثمَّ اجعلوا صلاتكم معهم تطوُّعًا" قال فقال رجلٌ يارسول الله فإن أدركتها معهم أصلِّى؟ قال إن شئت (وعنه من طريقٍ ثانٍ بنحوه وفيه) فقال رجلٌ يارسول ثمَّ نصلِّى معهم قال نعم، قال عبد الله قال أبى رحمه الله وهذا هو الصَّواب
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫০৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অধ্যায়: মসজিদে দুইবার জামা'আত করা এবং "তোমরা একদিনে এক সালাত দুই বার আদায় করবে না" হাদীস প্রসঙ্গে
(১৫০১) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা নবী (ﷺ) সাহাবীদের সালাতের ইমামতি করলেন। অতঃপর এক ব্যক্তি আসল। তখন নবী (ﷺ) বললেন, যে এ (দীনের) ব্যাপারে ব্যবসা করতে চায় বা বিনিয়োগ করতে চায় সে যেন তাঁর সাথে সালাত আদায় করে। রাবী বলেন, অতঃপর এক ব্যক্তি (আবু বকর) তাঁর সাথে সালাত আদায় করলেন।
(হাদীসটি আবু দাউদে বর্ণিত হয়েছে। তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। হাইসামী বলেন, এর রাবীগণ সহীহ হাদীসের রাবীদের মত।)
كتاب الصلاة
(3) باب الجمع فى مسجد مرتين وحديث لا تصلوا صلاة فى يوم مرتين
(1505) عن أبى سعيدٍ الخدريِّ رضى الله عنه أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم صلَّى بأصحابه، ثمَّ جاء رجلٌ فقال نبيُّ الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم من ينَّجر على هذا أو يتصدَّق على هذا فيصلِّى معه، قال فصلَّى معه رجلٌ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫০৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অধ্যায়: মসজিদে দুইবার জামা'আত করা এবং "তোমরা একদিনে এক সালাত দুই বার আদায় করবে না" হাদীস প্রসঙ্গে
(১৫০২) মায়মুনা (রা)-এর ক্রীতদাস সুলাইমান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বিলাত নামক স্থানে আমি ইবন্ উমরের কাছে গেলাম। এমতাবস্থায় গোত্রের লোকজন মসজিদে সালাত আদায় করছিল। আমি বললাম, মানুষদের সাথে অথবা গোত্রের সাথে সালাত আদায়ে কিসে আপনাকে বিরত রাখছে? তিনি বললেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি- তিনি বলেছেন, তোমরা একই দিনে একই সালাত দুইবার আদায় করবে না।
(হাদীসটি আবু দাউদ, নাসায়ী, বায়হাকীতে বর্ণিত হয়েছে। নববী বলেন, এর সনদ সহীহ্ হাদীদের সনদের ন্যায়।)।
كتاب الصلاة
(3) باب الجمع فى مسجد مرتين وحديث لا تصلوا صلاة فى يوم مرتين
(1506) عن سليمان مولى ميمونة رضى الله عنها قال أتيت على ابن عمر وهو بالبلاط والقوم يصلُّون فى المسجد قلت ما يمنعك أن تصلَّى مع النَّاس أو القوم؟ قال إنِّى سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تصلُّوا صلاةً فى يومٍ مرَّتين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫০৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অধ্যায়: মাসবুক ব্যক্তির করণীয়
(১৫০৩) আব্দুর রাহমান ইবন আবু লাইলা থেকে বর্ণিত, তিনি মুআয ইবন জাবাল (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ)-এর যখন কোন ব্যক্তির সালাতের কিছু অংশ ছুটে যেত তখন সে (জামা'আতে হাযির হয়ে) তাদেরকে জিজ্ঞেস করত (যে কত রাকা'আত ছুটে গেছে?) তাঁরা (হাতের) ইশারায় বলে দিত যে, এত রাকাত সালাত ছুটে গেছে। অতঃপর সে শুরু করত এবং (জামা'আত শেষে) ছুটে যাওয়া সালাত আদায় করে নিত। এরপর তিনি সবার সাথে তাদের সালাতে অংশগ্রহণ করতেন। অতঃপর মুয়ায ইবন জাবাল (মসজিদে) আসলেন, এমতাবস্থায় সবাই তাঁদের সালাতে বসে ছিলেন ফলে তিনিও বসে পড়লেন। এরপর যখন রাসুল (ﷺ) সালাত সমাপ্ত করলেন তখন তিনি দাঁড়িয়ে ছুটে যাওয়া সালাত আদায় করে নিলেন। অতঃপর রাসূল (ﷺ) বললেন, মু'আয যেমনটি করেছে তোমরাও তেমনি কর। অর্থাৎ কথাবার্তা না বলে জামা'আতে শরিক হও, অতঃপর সালাম শেষে ছুটে যাওয়া সালাত আদায় করে নিবে।
(আবু দাউদ হাদীসটিকে আরো বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন। এছাড়াও হাদীসটি ইবন খুজাইমা তাঁর সহীহে ও বায়হাকী বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(4) باب ما يفعل المسبوق
(1507) عن عبد الرَّحمن بن أبى ليلى عن معاذ بن جبلٍ رضى الله عنه قال كان النَّاس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا سبق الرَّجل ببعض صلاته سألهم فأومؤا إليه بالذى سبق به من الصلَّاة فيبدأ فيقضى ما سبق ثمَّ يدخل مع القوم فى صلاتهم، فجاء معاذ بن جبلٍ والقوم قعودً فى صلاتهم فقعد فلمَّا فرغ رسول الله صلى الله عليه وسلم قام فقضى ما كان سبق به، فقال رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم اصنعوا كما صنع معاذٌ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫০৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অধ্যায়: মাসবুক ব্যক্তির করণীয়
(১৫০৪) উরওয়া ইবন মুগিরা থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা মুগিরা ইবন শু'বা (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, তাবুক যুদ্ধের সময় আমি রাসূল (ﷺ)-এর সাথে পিছনে রয়ে গেলাম। রাসূল (ﷺ) (প্রয়োজন পূরণার্থে) একটু দূরে গেলেন, অতঃপর তিনি আমার নিকটে ফিরে এলেন। যেহেতু পানির পাত্রটি আমার কাছেই ছিল। রাবী বলেন, অতঃপর আমি রাসূল (ﷺ)-এর দুই হাতেই পানি ঢেলে নিলাম। অতঃপর তিনি নাকে পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করলেন, অতঃপর তিনি তিনবার মুখমণ্ডল ধৌত করলেন। এরপর তিনি জুব্বার হাতা না খুলেই হস্তদ্বয় ধৌত করতে চাইলেন কিন্তু তাঁর জুব্বার হাতাদ্বয় বেশ সংকীর্ণ ছিল, সেজন্য তিনি জুব্বা থেকে হাত বের করলেন, অতঃপর তিনি তাঁর ডান হাত তিনবার ধৌত করলেন এবং এরপর তাঁর বামহাত তিনবার ধৌত করলেন এবং তাঁর মোজাদ্বয়ের উপর মাসহ করলেন, কিন্তু সে দু'টো খুলেন নি। এরপর তিনি মানুষদের দিকে গেলেন। দেখতে পেলেন তারা আব্দুর রহমান ইবন আওফকে ইমামতির জন্য সামনে পাঠিয়েছে। এক্ষণে রাসূল (ﷺ) দুই রাকা'আতের এক রাকা'আত পেলেন। তখন তিনি মানুষদের সাথে শেষের রাকা'আত সালাত আব্দুর রহমান ইবন আওফের ইমামতিতে আদায় করলেন। আব্দুর রাহমান যখন সালাম ফিরালেন রাসূল (ﷺ) দাঁড়িয়ে গেলেন এবং বাকী সালাত পূর্ণ করলেন। (এ অবস্থা। মুসলমানদের ভীত করে। ফলে তাঁরা বেশী বেশী তাসবীহ পাঠ করতে থাকে। অতঃপর রাসূল (ﷺ) যখন (সালাত) শেষ করলেন তখন তাঁদের দিকে ফিরে তাঁদেরকে বললেন, তোমরা ঠিক করেছ এবং যথার্থ করেছ এবং তাঁদের থেকে এ আশাবাদ ব্যক্ত করলেন যে, তাঁরা সর্বদাই যথাসময়ে সালাত আদায় করবে।
(দ্বিতীয় সূত্রে অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণিত হয়েছে, তাতে মুগিরা বলেন,) অতঃপর আমরা মানুষদের সাথে মিলিত হলাম, ততোক্ষণে সালাতের ইকামাত বলা হয়েছে, আব্দুর রাহমান ইবন 'আওফ ইমামতি করছেন এবং এক রাকা'আত সালাত হয়েও গেছে। আমি তাঁকে (রাসূল (ﷺ)-এর আগমন) সংবাদ দিতে যাচ্ছিলাম, রাসূল (ﷺ) আমাকে থামিয়ে দিলেন। অতঃপর আমরা সালাত যতটুকু পেলাম আদায় করে নিলাম। বাকিটুকু পরে পুরো করলাম।
(তৃতীয় একটি সূত্রেও অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণিত হয়েছে, তাতে মুগিরা বলেন) অতঃপর আমরা লোকজনের নিকট পৌছে গেলাম, তাঁরা আব্দুর রাহমান ইবন আওফের ইমামতিতে এক রাকা'আত সালাত আদায় করেছে। অতঃপর সে যখন নবী (ﷺ)-এর আগমন বুঝতে পারল সে পিছনে সরে আসতে চাইলো। নবী (ﷺ) তাঁকে সালাত পূর্ণ করার ইঙ্গিত দিলেন। অতঃপর (সালাত শেষে) তিনি বললেন, তুমি উত্তম কাজ করেছ। এমনই করবে।
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম ও বায়হাকীতে বর্ণিত হয়েছে। তাহাভী ও অন্যান্য সুনানের গ্রন্থসমূহে সংক্ষিপ্ত ও বিস্তৃত বিভিন্নভাবে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(4) باب ما يفعل المسبوق
(1508) عن عروة بن المغيرة عن أبيه المغيرة بن شعبة رضي الله
عنه أنَّه قال تخلَّفت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فى غزوة تبوك فتبرَّز رسول الله صلى الله عليه وسلم ثمَّ رجع إلىَّ ومعى الإدارة قال فصببت على يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم ثمَّ استنثر قال يعقوب ثمَّ تمضمض ثمَّ غسل وجهه ثلاث مرَّاتٍ ثمَّ أراد أن يغسل يديه قبل أن يخرجهما من كمَّى جبَّته فضاق عنه كماَّ ها فأخرج يده من الجبَّة فغسل يده اليمنى ثلاث مرَّاتٍ، ويده اليسرى ثلاث مرَّاتٍ، ومسح بخفَّية ولم ينزعها، ثمَّ عمد إلى النَّاس فوجدهم قد قدَّموا عبد الرَّحمن بن عوفٍ يصلِّى بهم، فأدرك رسول الله صلى الله عليه وسلم إحدى الرَّكعتين فصلَّى النَّاس الرَّكعة الآخرة بصلاة عبد الرَّحمن، فلمَّا سلَّم عبد الرَّحمن قام رسول الله صلى الله عليه وسلم يتمُّ صلاته فأفزع المسلمين فأكثروا التسبيح، فلمَّا قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم أقبل عليهم فقال أحسنتم وأصبتم ينبطهم أن صلَّوا الصَّلاة لوقتها
(ومن طريقٍ ثانٍ بنحوه وفيه قال المغيرة) ثمَّ لحقنا النَّاس وقد أقيمت الصلَّاة وعبد الرَّحمن بن عوفٍ يؤمُّهم وقد صلى ركعةً فذهبت لأوذنه فنهانى (يعنى النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم) التَّى أدركنا وقضينا الَّتى سبقنا بها (وفى لفظٍ) فصلَّينا الرَّكعة الَّتى أدركنا وقضينا الرَّكعة الَّتى سبقتنا (ومن طريقٍ ثالثٍ بنحوه أيضًا وفيه قال المغيرة) فانتهينا إلى القومٍ وقد صلَّى بهم عبد الرَّحمن ابن عوفٍ ركعةً، فلمَّا أحسَّ بالنَّبيَّ صلى الله عليه وسلم ذهب يتأخَّر فأومأ إليه أن يتمَّ الصلَّاة وقال قد أحسنت كذلك فافعل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫০৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ জুমু'আর নামায ও সে দিনের ফযীলত এবং উহার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়ের অধ্যায়

(১) পরিচ্ছেদঃ জুমু'আর দিনের ফযীলত
(১৫০৫) আবু লুবাবা আল বদরী ইবনে আবদুল মুনযির (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, জুমু'আর দিন সপ্তাহের দিনসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম দিন ও আল্লাহর নিকট সবচেয়ে মর্যাদাবান। এ দিনটি আল্লাহর নিকট ঈদুল ফিতর ও কুরবানীর দিনের চেয়েও অধিক সম্মানিত।
এদিনের পাঁচটি বৈশিষ্ট্য: এ দিন আল্লাহ আদম (আ)-কে সৃষ্টি করেন, এ দিনই তাঁকে জান্নাত থেকে পৃথিবীতে পাঠান, এ দিনই আল্লাহ তাঁকে মৃত্যু দান করেন, এ দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে কোন বান্দা সে মুহূর্তে আল্লাহর নিকট কোন প্রার্থনা করলে তিনি তাকে তা দান করেন, যদি না সে কোন হারাম (নিষিদ্ধ বস্তু) প্রার্থনা করে এবং এ দিন কিয়ামত সংঘটিত হবে। নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতাগণ, আসমান-যমীন, বায়ু, পাহাড়-পর্বত, সমুদ্র সবই জুমু'আর দিন উৎকণ্ঠিত থাকে।
(ইবনে মাজাহ্। ইরাকী বলেন, হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الجمعة وفضل يومها وكل ما يتعلق بها

(1) باب فى فضل يوم الجمعة
(1509) عحدّثنا عبد الله حدَّثني أبى ثنا أبو عامر عبد الملك بن عمرو قال ثنا زهير يعنى ابن محمَّد عن عبد الله بن محمَّد بن عقيل عن عبد الرحمن ابن يزيد الأنصاري عن أبى لبابة البدريِّ بن عبد المنذر أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال سيِّد الأيَّام يوم الجمعة (1) وأعظمها عند الله تعالى، وأعظم عند الله عزَّ وجل من يوم الفطر ويوم الأضحى (1) وفيه خمس خلالٍ (2) خلق الله فيه آدم، وأهبط الله فيه آدم إلى الأرض، وفيه توفَّى الله آدم، وفيه ساعةٌ لا يسأل العبد فيها شيئًا إلَّا آتاه الله تبارك وتعالى إيَّاه ما لم يسأل حرامًا (1) وفيه تقوم السَّاعة، مت من ملك مقرَّب ولا سماء ولا أرض ولا رياح ولا جبالٍ ولا بحرٍ إلَّا هنَّ يشفقن (2) من يوم الجمعة
tahqiq

তাহকীক: