মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ১৪৫০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অধ্যায়ঃ বালক, নারী ও অন্যরা পুরুষদের কোন, পাশে দাঁড়াবে
(১৪৪৬) ইসহাক ইবন আব্দুল্লাহ ইবন্ আবূ তালহা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর চাচা আনাস থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি এবং এক ছোট বালক যে আমার কাছে ছিল, আমাদের গৃহে রাসূল (ﷺ)-এর পিছনে সালাত আদায় করলাম। রাসূল (ﷺ) তাদের গৃহে এলেন এবং উম্মু সুলাইম (আনাসের মা) আমাদের পিছনে সালাত আদায় করলেন।
হাদীসের রাবী সুফিয়ান عندنا في البيت এর স্থলে عدنا في بيتناবলেছেন।
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম ও মুয়াত্তা মালিকে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(3) باب موقف الصبيان والنساء من الرجال وغير ذلك
(1450) عن إسحاق بن عبد الله بن أبى طلحة عن عمه أنسٍ قال صلَّيت أنا ويتيم كان عندنا في البيت وقال سفيان مرَّةً فى بيتنا خلف
رسول الله صلى الله عليه وسلم وأتاهم رسول الله صلى الله عليه وسلم في داهرهم وصلَّت أمِّ سليمٍ خلفنا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৫১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অধ্যায়ঃ বালক, নারী ও অন্যরা পুরুষদের কোন, পাশে দাঁড়াবে
(১৪৪৭) ইসহাক ইবন আব্দুল্লাহ ইবন আবু তালহা থেকে বর্ণিত, তিনি আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন যে, একদা তার নানী মুলাইকা (রা) তাঁর গৃহে রাসূল (ﷺ) কে নিমন্ত্রণ করলেন। তিনি সেখান থেকে খেলেন। অতঃপর রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমরা সবাই দাঁড়াও আমি তোমাদের সালাত আদায় করিয়ে দিব। আনাস (রা) বলেন, আমি আমাদের একটি চাটাইয়ে দাঁড়ালাম, যে চাটাই দীর্ঘ ব্যবহারের কারণে ময়লা হয়ে গেছে সেজন্য তাতে কিছু পানির ছিটা দিলাম। রাসূল (ﷺ) তার উপরে দাঁড়ালেন, অতঃপর আমি ও একটি ছোট বালক তাঁর পিছনে দাঁড়ালাম আর আমাদের পিছনে বৃদ্ধা (মুলাইকা) দাঁড়ালেন। অতঃপর রাসূল (ﷺ) আমাদের দুই রাকা'আত সালাত আদায় করিয়ে দিলেন। এরপর তিনি চলে গেলেন।
(হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(3) باب موقف الصبيان والنساء من الرجال وغير ذلك
(1451) عن إسحاق بن عبد الله بن أبى طلحة عن أنس بن مالك رضى الله عنه أنَّ جدَّته مليكه رضى الله عنها دعت رسول الله صلى الله عليه وسلم لطعامٍ صنعته فأكل منه، ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قوموا فلا صليِّ لكم قال أنسٌ فقمت إلى حصيرٍ لنا قد اسودَّ من طول ما ليس فنضحته بماء فقام عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقمت أنا واليتيم وراءه والعجوز من ورائنا
فصلَّى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ركعتين ثمَّ انصرف
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৫২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অধ্যায়ঃ বালক, নারী ও অন্যরা পুরুষদের কোন, পাশে দাঁড়াবে
(১৪৪৮) ছাবিত হতে বর্ণিত, তিনি আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাদের নফল সালাতের ইমামতি করলেন। তখন উম্মু সুলাইম ও উম্মু হারাম আমাদের পিছনে দাঁড়ালেন। ছাবিত বলেন, আমার জানামতে আনাস বলেছেন যে, তিনি (রাসূল) আমাকে তাঁর ডানদিকে দাঁড় করালেন, তারপর আমরা একটি চাটাইয়ের ওপর সালাত আদায় করলাম।
(হাদীসটি আবু দাউদ ও বায়হাকীতে বর্ণিত হয়েছে। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(3) باب موقف الصبيان والنساء من الرجال وغير ذلك
(1452) عن ثابتٍ عن أنس بن مالكٍ رضى الله عنه قال صلَّى الله بنا رسول الله صلَّى عليه وسلَّم تطوعًا قال فقامت أمُّ سليمٍ وأمُّ حرامٍ خلفنا قال ثابثٌ لا أعلمه إلاَّ قال وأقامنى عن يمينه فصلَّينا على بساطٍ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৫৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অধ্যায়: ইমাম মুক্তাদীর চেয়ে উঁচুস্থানে এবং মুক্তাদী ইমামের চেয়ে উঁচু স্থানে দাঁড়ানো প্রসঙ্গে
(১৪৪৯) আব্দুল আযীয ইবন্ আবূ হাযিম থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি সাহল ইবন সা'দ (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) যেদিন মসজিদে প্রথম মিম্বার স্থাপন করা হয় সেদিন মিম্বারে উপবেশন করলেন। অতঃপর (সালাতের শুরুতে) তিনি মিম্বারের উপর থেকে তাকবীর দিলেন, অতঃপর রুকু করলেন এরপর (সিজদার প্রাক্কালে) একটু পিছনে সরে আসলেন। অতঃপর সিজদা করলেন এবং সব মানুষও তাঁর সাথে সিজদা করল। তিনি পুনরায় মিম্বরে ফিরে এলেন। এভাবে সালাত আদায় সম্পন্ন করলেন। অতঃপর যখন (সালাত) সম্পন্ন করলেন, বললেন, হে মানুষেরা, আমি এমনটি করেছি যেন তোমরা আমার অনুসরণ করতে পার এবং আমার সালাত (নিয়ম কানুন) শিখতে পার।
অতঃপর সাহলকে জিজ্ঞেস করা হল যে, খর্জুর বৃক্ষের খুঁটির কি কোন বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে? তার সম্পর্কে মানুষ যা বলাবলি করে তাকি সঠিক? তিনি বললেন, তার সম্পর্কে যেমনটি শুনা যায় তেমনই।
(হাদীসটি বুখারী, আবু দাউদ, নাসায়ী, ইবন মাজাহ্ ও বায়হাকীতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(4) باب وقوف الامام أعلامن المأموم وبالعكس
(1453) عن عبد العزيز بن أبى حازمٍ عن أبيه عن سهل بن سعد رضى الله عنه أنَّ النَّبيَّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم جلس على المنبر أوَّل يومٍ وضع فكبَّر وهو عليه ثمَّ ركع ثمَّ نزل
القهقرى فسجد وسجد النَّاس معه، ثمَّ عاد حتَّى فرغ، فلمَّا انصرف قال يا أيُّها النَّاس إنَّما فعلت، هذا لتاتمُّوا بت ولتعلَّموا صلاتى، فقيل لسهلٍ هل كان من شأن الجذع ما يقول النَّاس قال قد كان منه الَّذي كان
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৫৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) অধ্যায় : প্রাপ্ত বয়স্ক ও জ্ঞানবানদের ইমামের নিকটবর্তী স্থানে দাঁড়ানোর শরয়ী বিধান প্রসঙ্গ
(১৪৫০) আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি (নবী) বলেন, আমার নিকটে দাঁড়াবে তোমাদের মধ্য থেকে যারা প্রাপ্ত বয়স্ক এবং জ্ঞানবান। অতঃপর দাঁড়াবে যারা তাদের কাছাকাছি, অতঃপর যারা তাদের কাছাকাছি। আর মতবিরোধ কর না। যদি কর তবে তোমাদের অন্তরও মতদ্বৈততায় ভূগবে। আর তোমরা (মসজিদে) বাজারের ফিতনা তথা হট্টগোল থেকে বেঁচে থাকবে।
(হাদীসটি মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী ও বায়হাকীতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(5) باب مشروعية وقوف أولى الأحلام والنهى قريبا من الامام
(1454) عن عبد الله (يعنى ابن مسعودٍ رضي اله عنه) عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال ليلينى منكم أولوا الأحلام والنَّهى، ثمَّ الَّذين يلونهم ثمَّ الَّذين يلونهم، ولا تختلفوا فتختلف قلوبكم، وإيَّاكم وهو شات الأسواق
হাদীস নং: ১৪৫৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) অধ্যায় : প্রাপ্ত বয়স্ক ও জ্ঞানবানদের ইমামের নিকটবর্তী স্থানে দাঁড়ানোর শরয়ী বিধান প্রসঙ্গ
(১৪৫১) আবূ মা'মার আব্দুল্লাহ ইবন মাজবারাহ আল-আযরাকী থেকে বর্ণিত, তিনি আবু মাসউদ আল আনসারী (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) সালাতের মধ্যে আমাদের ঘাড়ে হাত দিতেন (ঘাড়ে হাত দিয়ে সালাতের লাইন সোজা করে দিতেন)। আর বলতেন, লাইন সোজা কর আর মতবিরোধ তথা আঁকাবাঁকা কর না। যদি কর তবে তোমাদের অন্তরও বাঁকা হয়ে যাবে। আমার নিকটে দাঁড়াবে তোমাদের মধ্য থেকে যারা প্রাপ্তবয়স্ক ও জ্ঞানবান, অতঃপর দাঁড়াবে যারা তাদের নিকটবর্তী। অতঃপর দাঁড়াবে যারা তাদের নিকটবর্তী। আবু মাসউদ বললেন, আজকের দিনে তোমরা প্রচণ্ড মতবিরোধে লিপ্ত।
(হাদীসটি নাসায়ী, ইবন মাজাহ ও বায়হাকীতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(5) باب مشروعية وقوف أولى الأحلام والنهى قريبا من الامام
(1455) عن أبي معمرٍ عبد الله بن سخبرة الأزدي عن أبى مسعودٍ الأنصارىِّ رضى الله عنه قال كان رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم يمسح مناكبنا فى الصَّلاة ويقول استووا ولا تختلفوا فتختلف قلوبكم، ليلنىِّ منكم أولوا الأحلام والنُّهى، ثمَّ الَّذين يلونهم، ثمَّ الَّذين يلونهم، قال أبو مسعودٍ فأنتم اليوم أشدُّ اختلافًا
হাদীস নং: ১৪৫৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) অধ্যায় : প্রাপ্ত বয়স্ক ও জ্ঞানবানদের ইমামের নিকটবর্তী স্থানে দাঁড়ানোর শরয়ী বিধান প্রসঙ্গ
(১৪৫২) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) চাইতেন যে, সালাতে তাঁর কাছাকাছি দাঁড়াক মুহাজির এবং আনসারগণ, যেন তারা তাঁর থেকে গ্রহণ করতে পারে। (এবং তা বিশ্বস্ততার সাথে অন্যের কাছে পৌছিয়ে দিতে পারে)।
(হাদীসটি তিরমিযী, নাসায়ী ও ইবন মাজাহয় বর্ণিত হয়েছে এবং এ হাদীসের সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(5) باب مشروعية وقوف أولى الأحلام والنهى قريبا من الامام
(1456) عن أنس بن مالكٍ رضى الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يحبُّ أن يليه المهاجرون والأنصار فى الصلّاة ليأخذوا عنه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৫৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) অধ্যায় : প্রাপ্ত বয়স্ক ও জ্ঞানবানদের ইমামের নিকটবর্তী স্থানে দাঁড়ানোর শরয়ী বিধান প্রসঙ্গ
(১৪৫৩) কায়স ইবন আব্বাদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমি মদীনায় আসলাম রাসূল (ﷺ)-এর সাহাবীদের সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য। তাদের মধ্যে উবাই ইবন কা'ব এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় কারো সাথে সাক্ষাৎ হয়নি। অতঃপর সালাতের (সময় হলে) ইকামাত বলা হল। উমর (রা) কিছু সাহাবীসহ বাইরে গেলেন। তখন আমি প্রথম লাইনে দাঁড়ালাম। অতঃপর এক ব্যক্তি আসলেন তিনি সবার দিকে তাকালেন, আমাকে ছাড়া সবাইকে চিনলেন। এক্ষণে তিনি আমাকে সরিয়ে দিলেন এবং আমার স্থানে তিনি দাঁড়ালেন। আমি আমার সালাত ভালভাবে সম্পন্ন করতে পারি নি (উক্ত ব্যক্তির এমন কাজের জন্য)। অতঃপর যখন তিনি সালাত সমাপ্ত করলেন। বললেন, বৎস, আল্লাহ তোমার কোন ক্ষতি না করুক। আমি তোমার সাথে যে আচরণ করেছি তা এমনি এমনি বোকামী স্বরূপ করি নি। বরং রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে বলেছেন, তোমরা আমার নিকটবর্তী লাইনে থাক বা দাঁড়াও। আমি যখন সকলের দিকে তাকালাম তখন আমি তোমাকে ছাড়া সকলকেই চিনলাম। অতঃপর উবাই (রা) তিনি হাদীস বর্ণনা করলেন, তাঁর কথা বলার সময় মানুষদের এত মনোযোগীতা অন্য কারো আমি দেখি নি। আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, শপথ গ্রহণকারী প্রশাসক/গভর্ণরগণ ধ্বংস হবে। কা'বার মালিকের শপথ করে বলছি, তাদের জন্য আমার কোন আফসোস নেই। বরং তাদের কারণে যেসব মুসলমান ধ্বংস হয় তাদের জন্য আমার আফসোস হাদীসের শব্দাবলী সুলাইমান ইবন্ দাউদের শব্দে বর্ণনা করা হয়েছে।
(হাদীসটি নাসায়ীতে ও ইবন খুযাইমা তাঁর সহীহে বর্ণনা করেছেন। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(5) باب مشروعية وقوف أولى الأحلام والنهى قريبا من الامام
(1457) عن قيس بن عبادٍ قال أتيت المدينة للقاء أصحاب محمَّدٍ صلى الله عليه وسلم ولم يكن فيهم رجلٌ ألقاه أحبَّ إلىَّ من أبىً فأقيمت الصَّلاة وخرج عمر مع أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقمت فى الصَّفِّ الأوَّل رجلٌ فنظر فى وجوه القوم فعرفهم غيرى فنحَّانى وقام فى مكانى، فما علقت صلاتى فلمَّا صلَّى قال يا بنىَّ لا يسؤك الله فإنَّى لم آتك الذَّى أتيتك بجهالةٍ ولكن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لنا كونوا فى الصَّفِّ الذَّ يلينى، وإنِّى نظرت فى وجوه القوم فعرفتهم غيرك، ثمَّ حدَّث فما رايت الرِّجال متحت أعناقها إلى شيءٍ متوحها إليه قال فسمعته يقول هلك أهل العقدةٍ وربِّ الكعبة، ألا لا عليهم آسى ولكن على من يهلكون من المسلمين، وإذا هو أتيٌّ، والحديث على لفظ سليمان بن داود
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৫৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অধ্যায়: সালাতের সারি সোজা সুসামঞ্জস্যপূর্ণ করার ব্যাপারে উৎসাহ এবং তার কল্যাণ ও অকল্যাণ বর্ণনা প্রসঙ্গ
(১৪৫৪) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) একদা বললেন, আমি কি তোমাদেরকে এমন বিষয়ের খবর দিব না যার মাধ্যমে আল্লাহ পাপরাশি মুছে দেন এবং পূণ্যরাশি বর্ধিত করে দেন? তাঁরা বললো, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল, তিনি বললেন, (সে বিষয়গুলো হল) কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণভাবে ওহ্ করা, এই মসজিদ পানে ঘনঘন পদক্ষেপ রাখা, এক সালাতের পর আরেক সালাতের জন্য অপেক্ষা করা। তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে বাড়ি থেকে পবিত্রাবস্থায় বের হয় অতঃপর মুসলমানদের সাথে (জামাতে) সালাত আদায় করে। অতঃপর কোন মজলিসে বসে পরবর্তী সালাতের অপেক্ষা করতে থাকে। এ অবস্থা ব্যতীত যে ফেরেশতারা দু'আ ভরে বলতে থাকে, হে আল্লাহ, তাকে ক্ষমা করে দাও। হে আল্লাহ! তার উপর রহমত বর্ধিত কর اللهم اغفرله,اللهم ارحمه অতএব, তোমরা যখন সালাতের জন্য দাঁড়াবে তখন তোমাদের লাইনগুলো সোজা করে নিবে এবং ঠিক করে নিবে আর মধ্যস্থিত ফাঁক বন্ধ করে দিবে (ঘনঘন/চেপেচেপে দাঁড়াবে)। কেননা আমি তোমাদেরকে আমার পিছন হতে দেখতে পাই। তাই তোমাদের ইমাম যখন আল্লাহু আকবার বলবেন, তখন তোমরাও আল্লাহু আকবার বলবে। তিনি যখন রুকু করেন তখন তোমরাও রুকু করবে। আর তিনি যখন سمع الله لمن حمده বলবেন তখন তোমরা اللهم رَبَّنَا لك الحمد বলবে। আর পুরুষদের সর্বোত্তম কাতার হল সামনেরটি। আর নিকৃষ্ট (কম ফযীলতের) কাতার হল পিছনেরটা। (এমনিভাবে) মেয়েদের সর্বোত্তম কাতার হলো পিছনেরটা আর নিকৃষ্ট (কম ফযীলতের) কাতার হল সামনেরটা*। হে নারী জাতি, পুরুষরা যখন সিজদা করবে তখন তোমরা তোমাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখবে। তাদের বস্ত্র স্বল্পতায় তাদের গোপনাঙ্গের প্রতি তাকাবে না।
*এ হাদীসের বক্তব্য নারী-পুরুষ একত্রে সালাত আদায়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আলাদাভাবে নারীদের সালাতেও প্রথম সারির মর্যাদা সর্বাধিক।
(হাইসামী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের সনদে আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন উকাইল রয়েছেন, যিনি দুর্বল। অবশ্য কেউ কেউ তাঁকে বিশ্বস্ত বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(6) باب الحث على تسوية الصفوف ورصها وبيان خيرها من شرها
(1458) عن أبى سعيدٍ الخدريِّ رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ألا أدلُّكم على ما يكِّفر الله به الخطايا ويزيد به فى الحسنات، قالوا بلى يا رسول الله، إسباغ الوضوء على المكاره وكثره الخطا إلى هذه المساجد وانتظار الصَّلاة بعد الصَّلاة، مامنكم من رجلٍ يخرج من بيته متطهَّرًا فيصلِّى مع المسلمين الصَّلاة ثمَّ يجلس ينتظر الصلَّاة الأخرى إلاَّ الملائكة تقول اللَّهمَّ اغفر له اللَّهمَّ ارحمه، فإذا قمتم إلى الصَّلاة فاعدلوا صفوفكم وأقيموها وسدُّوا الفرج فإنِّى أراكم من وراء ظهرى، فإذا قال إمامكم اله أكبر، فقولوا الله أكبر، وإذا ركع فاركعوا، وإذا قال سمع الله لمن حمده فقولوا اللَّهمَّ ربَّنا لك الحمد، وإنَّ خير صفوف الرِّجال المقدَّم، وشرها المؤخَّر، وخير صفوف النَّساء المؤخَّر، وشرَّها المقدَّم يا معشر النِّساء إذا سجد الرِّجال فاغضضن أبصاركنَّ عورات الرِّجال من ضيق الأزر
হাদীস নং: ১৪৫৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অধ্যায়: সালাতের সারি সোজা সুসামঞ্জস্যপূর্ণ করার ব্যাপারে উৎসাহ এবং তার কল্যাণ ও অকল্যাণ বর্ণনা প্রসঙ্গ
(১৪৫৫) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয়ই রাসূল (ﷺ) বলেছেন, পুরুষদের সর্বোত্তম কাতার হলো সামনেরটা, আর নিকৃষ্ট (কম ফযীলতের) কাতার হল পিছনেরটা। আর মেয়েদের নিকৃষ্ট (কম ফযীলতের) কাতার হল সামনেরটা আর সর্বোত্তম কাতার হলো পিছনেরটা।
(হাদীসটি মুসলিম ও অন্যান্য ৪টি সুনান গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(6) باب الحث على تسوية الصفوف ورصها وبيان خيرها من شرها
(1459) عن أبى هريرة رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم قال خير صفوف الرِّجال المقدَّم وشرُّها المؤخرَّ، وشرُّ صفوف النِّساء المقدَّم وخيرها المؤخرَّ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৬০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অধ্যায়: সালাতের সারি সোজা সুসামঞ্জস্যপূর্ণ করার ব্যাপারে উৎসাহ এবং তার কল্যাণ ও অকল্যাণ বর্ণনা প্রসঙ্গ
(১৪৫৬) জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রা) থেকে অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণিত হয়েছে। সেখানে আরো বলা হয়েছে। অতঃপর তিনি (রাসূল (ﷺ) বললেন, হে নারী সমাজ, পুরুষরা যখন সিজদায় যাবে তখন তোমরা তোমাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখবে। তাদের বস্ত্র স্বল্পতায় তাদের গোপনাঙ্গের প্রতি তাকাবে না।
(হাদীসটি ৪টি সুনান গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীসের সনদে কোন সন্দেহ নেই।)
كتاب الصلاة
(6) باب الحث على تسوية الصفوف ورصها وبيان خيرها من شرها
(1460) وعن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما بنحوه وزاد- ثمَّ قال يا معشر النِّساء إذا سجد الرِّجال فاغضضن أبصاركنَّ لاترين عورات الرجال من ضيق الأزر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৬১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অধ্যায়: সালাতের সারি সোজা সুসামঞ্জস্যপূর্ণ করার ব্যাপারে উৎসাহ এবং তার কল্যাণ ও অকল্যাণ বর্ণনা প্রসঙ্গ
(১৪৫৭) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমরা সালাতের লাইন সোজা করে নাও। কেননা লাইন সোজা করা সালাতের উত্তমতর অঙ্গ।
(হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(6) باب الحث على تسوية الصفوف ورصها وبيان خيرها من شرها
(1461) عن ابى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أقيموا الصَّفَّ فى الصَّلاة فإنَّ إقامة الصَّفِّ من حسن الصَّلاة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৬২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অধ্যায়: সালাতের সারি সোজা সুসামঞ্জস্যপূর্ণ করার ব্যাপারে উৎসাহ এবং তার কল্যাণ ও অকল্যাণ বর্ণনা প্রসঙ্গ
(১৪৫৮) বুশাইর ইবনু ইয়াসার (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আনাস ইবনু মালিক (বসরা হতে) মদীনায় এলেন, আমরা তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি নবী (ﷺ)-এর কিছু অস্বীকার করতে পারবেন? অর্থাৎ এমন কিছু কি আপনি আমাদের মাঝে দেখছেন যা নবী (ﷺ)-এর যুগে ছিল না? তিনি বললেন, এমন কিছুই আমি অস্বীকার করছি না (দেখতে পাচ্ছি না) এটা ব্যতীত যে, তোমরা তোমাদের (সালাতের) লাইনগুলো ঠিক করে দাঁড়াও না।
(হাদীসটি বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(6) باب الحث على تسوية الصفوف ورصها وبيان خيرها من شرها
(1462) عن بشير بن يسارٍ قال جاء أنس بن مالكٍ رضى الله عنه إلى الميدنة فقلنا له أنكرت من عهد نبيِّ الله صلَّى الله عليه وسلمَّ؟ فقال ما أنكرت منكم شيئًا غير أنَّكم لا تقيمون صفوفكم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৬৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অধ্যায়: সালাতের সারি সোজা সুসামঞ্জস্যপূর্ণ করার ব্যাপারে উৎসাহ এবং তার কল্যাণ ও অকল্যাণ বর্ণনা প্রসঙ্গ
(১৪৫৯) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) তাকবীরে তাহরীমা বলার আগে আমাদের দিকে তাকাতেন। অতঃপর বলতেন تراصوا অর্থাৎ তোমরা সমান হয়ে দাঁড়াও (কোন কোন বর্ণনায় এসেছে তিনি বলতেন, তোমরা তোমাদের লাইনগুলো সোজা এবং সমান কর।) এবং সুন্দরভাবে দাঁড়াও। কেননা আমি তোমাদেরকে আমার পিছন হতে দেখতে পাই।
(হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(6) باب الحث على تسوية الصفوف ورصها وبيان خيرها من شرها
(1463) عن أنس بن مالكٍ رضى الله عنه قال كان رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم يقبل علينا بوجهه قبل أن يكبِّر فيقول تراصُّوا "وفى روايةٍ أقيموا صفوفكم وتراصُّوا" وأهتدوا فإنىِّ أراكم من وراء ظهرى
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৬৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অধ্যায়: সালাতের সারি সোজা সুসামঞ্জস্যপূর্ণ করার ব্যাপারে উৎসাহ এবং তার কল্যাণ ও অকল্যাণ বর্ণনা প্রসঙ্গ
(১৪৬০) নু'মান ইবন বাশীর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) আমাদের লাইনগুলো সোজা করতেন। যেমন যন্ত্র দ্বারা কাঠের গা মসৃণ করা হয়। তিনি ততক্ষণ পর্যন্ত এই কাজ করতেন যতক্ষণ না তিনি মনে করতেন যে, আমরা তাঁর থেকে বিষয়টি গ্রহণ করেছি এবং বুঝতে পেরেছি। একদা তিনি আমাদের দিকে মুখ করে দেখলেন এক ব্যক্তি বুক উচিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে আছে (অর্থাৎ লাইনের শৃঙ্খলা নষ্ট করে)। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমরা অবশ্যই সারিকে সোজা কর নতুবা আল্লাহ তোমাদের মুখমণ্ডল বিকৃত করে দিবেন।
(হাদীসটি মুসলিম ও সুনানে আরবা'আতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(6) باب الحث على تسوية الصفوف ورصها وبيان خيرها من شرها
(1464) عن النعمان بن بشيرٍ رضى الله عنه قال كان رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم يسوِّينا فى الصُّفوف كما تقوَّم القداح حتَّى إذا ظنَّ أنَّا أخذنا ذلك عنه وفهمناه أقبل ذات يومٍ بوجهه فإذا رجلٌ منتبذٌ بصدره فقال لتسوُّونَّ صفوفكم أو ليخالفنَّ الله بين وجوهكم
হাদীস নং: ১৪৬৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অধ্যায়: সালাতের সারি সোজা সুসামঞ্জস্যপূর্ণ করার ব্যাপারে উৎসাহ এবং তার কল্যাণ ও অকল্যাণ বর্ণনা প্রসঙ্গ
(১৪৬১) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) তাঁর সাহাবীগণের প্রতি লক্ষ্য করে দেখলেন তারা পেছনের কাতারে রয়েছেন। তখন বললেন, সামনে এসে কাতার পূর্ণ কর। এবং তোমাদের পরে যারা আসবে তারা পরবর্তী কাতার পূর্ণ করবে। কেননা যে জাতি পেছনে থাকতে চায়, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা তাদেরকে পেছনেই রাখবেন।
كتاب الصلاة
(6) باب الحث على تسوية الصفوف ورصها وبيان خيرها من شرها
(1465) عن ابى سعيدٍ الخدريِّ الله عنه قال رآى النَّبيُّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم فى أصحابه تأخُّرًا فقال تقدَّموا فأتمُّوا، وليأتمَّ بكم من بعدكم لا يزال قومٌ يتأخَّرون حتَّى يؤخِّرهم الله عزَّ وجلَّ يوم القيامة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৬৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অধ্যায়: সালাতের সারি সোজা সুসামঞ্জস্যপূর্ণ করার ব্যাপারে উৎসাহ এবং তার কল্যাণ ও অকল্যাণ বর্ণনা প্রসঙ্গ
(১৪৬২) বারা ইবন আযিব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা যখন সালাতের জন্য দাঁড়াতাম তখন রাসূল (ﷺ) আমাদের মাঝে আসতেন। অতঃপর তিনি আমাদের ঘাড় অথবা বক্ষ স্পর্শ করতেন এবং বলতেন, (সালাতের কাতার) তোমরা আঁকাবাঁকা কর না। তাহলে তোমাদের অন্তরও আঁকাবাঁকা হয়ে যাবে। তিনি আরো বলতেন, আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাকুল প্রথম কাতারের উপর সালাত পাঠ করে থাকেন। কোন কোন বর্ণনায় আছে, প্রথম কাতারসমূহের উপর (সালাত পাঠ করে থাকেন)।
(হাদীসটি আবূ দাউদ, নাসায়ী, হাকিম, মুস্তাদরাক, বায়হাকী, ইবন্ হিব্বান ও ইবন খুযাইমার সহীহে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(6) باب الحث على تسوية الصفوف ورصها وبيان خيرها من شرها
(1466) عن البراءٍ بن عازب رضي الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يأتينا إذا قمنا إلى الصَّلاة فيمسح عواتقنا أو صدورنا وكان يقول لا تختلفوا فتختلف قلوبكم وكان يقول إن الله وملائكته يصلُّون على الصَّفِّ الأوَّل أو الصُّفوف الأول
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৬৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অধ্যায়: সালাতের সারি সোজা সুসামঞ্জস্যপূর্ণ করার ব্যাপারে উৎসাহ এবং তার কল্যাণ ও অকল্যাণ বর্ণনা প্রসঙ্গ
(১৪৬৩) জাবির ইবন্ সামুরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসূল (ﷺ) বের হয়ে আমাদের মাঝে এলেন। অতঃপর বললেন, আমার কি হল যে, আমি দেখছি তোমরা এতবেশী হাত নাড়াচাড়া করছ, তথা হাত উঠানামা করছ চতুষ্পদের কানের মত (এমনটি মোটেও সমীচীন নয়)। তোমরা সালাতের মধ্যে স্থির থাক। অতঃপর তিনি আমাদের মাঝে এলেন আমাদেরকে ছোট ছোট দলে বিভক্ত দেখতে পেলেন। এরপর তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে বিক্ষিপ্তাবস্থায় দেখতে পাচ্ছি কেন? অতঃপর তিনি আবার আমাদের মাঝে এলেন এবং বললেন, ফেরেশতারা তাদের রবের নিকটে যেমন সারিবদ্ধ থাকে তোমরা কি তেমন সারিবদ্ধ হতে চাও না? রাবী বলেন, (সাহাবীরা) তাঁরা জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল, ফেরেশতারা তাঁদের রবের নিকটে কিভাবে সারিবদ্ধ থাকে? রাসূল (ﷺ) বললেন, তাঁরা তাঁদের প্রথমের সারিগুলো পরিপূর্ণ করে এবং সারিগুলোকে সোজা করে।
(হাদীসটি আবু দাউদ, নাসায়ী, হাকিম, মুস্তাদরাক। বায়হাকী, ইবন্ হিব্বান ও ইবন খুযাইমার সহীহে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(6) باب الحث على تسوية الصفوف ورصها وبيان خيرها من شرها
(1467) عن جابر بن سمرة رضى الله عنه قال خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات فقال مالى أراكم رافعى أيديكم كأنَّما أذناب خيلٍ شمسٍ اسكنوا فى الصلَّاة، ثمَّ خرج علينا فرآنا حلقًا فقال مالى أراكم عزين ثمَّ خرج علينا فقال ألا تصفُّون كما تصفُّ الملائكة عند ربِّها؟ قال قالوا يا رسول الله كيف تصفُّ الملائكة عند ربِّها؟ قال يتمُّون الصُّفوف الأولى ويتراصُّون فى الصَّفِّ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৬৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অধ্যায়: সালাতের সারি সোজা সুসামঞ্জস্যপূর্ণ করার ব্যাপারে উৎসাহ এবং তার কল্যাণ ও অকল্যাণ বর্ণনা প্রসঙ্গ
(১৪৬৪) আবূ উমামা (রা) থেকে বর্ণিত তিনি রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নিশ্চয়ই রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমরা (তোমাদের সালাতের) সারিগুলোকে অবশ্যই সোজা করবে নতুবা তোমাদের চেহারা বিকৃতি ঘটবে এবং চক্ষুসমূহ বন্ধ হয়ে যাবে। অন্য বর্ণনায় تخطفن শব্দ এসেছে تغمضن এর স্থলে। শব্দ একার্থবোধক।
(হাদীসটি মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ী, ইবন মাজাহ ও বায়হাকীতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(6) باب الحث على تسوية الصفوف ورصها وبيان خيرها من شرها
(1468) عنأبى أمامة رضى الله عنه عن رصول الله صلَّى الله عليه وسلم وآله وسلَّم أنَّه قال لتسوُّنَّ الصُّفوف أو لتطمسنَّ وجوهكم ولتغمضنَّ أبصاركم أو لتخطفنَّ أبصاركم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৬৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অধ্যায়: সালাতের সারি সোজা সুসামঞ্জস্যপূর্ণ করার ব্যাপারে উৎসাহ এবং তার কল্যাণ ও অকল্যাণ বর্ণনা প্রসঙ্গ
(১৪৬৫) ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয় রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমরা (তোমাদের সালাতের সারিগুলোকে) সোজা কর। কেননা তোমরা ফেরেশতাদের সারির ন্যায় সারি করে থাক। আর তোমরা পরস্পরের ঘাড় মিলিয়ে দাঁড়াও। (সারির মধ্যস্থিত) ফাঁকা জায়গাসমূহ পূরণ করে নাও। তোমাদের ভাইদের প্রতি নম্র হও। (অর্থাৎ যখন কেউ হাতের ইশারায় সারি সোজা করতে বলবে তখন সারি সোজা করে নিবে।) আর শয়তানের জন্য (লাইনের মাঝে) কোন ফাঁকা জায়গা রাখবে না। যে ব্যক্তি সারি সম্পূর্ণ করে তথা সারির সাথে মিলে দাঁড়ায় আল্লাহ তাঁকে পূর্ণ করে দিবেন ও মিলিয়ে দিবেন। আর যে ব্যক্তি সারির শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে তথা বিচ্ছিন্ন হয়ে দাঁড়ায় আল্লাহও তাকে বিচ্ছিন্ন করে দিবেন।
(হাদীসটি তবারানী মু'জামুল কাবীরে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(6) باب الحث على تسوية الصفوف ورصها وبيان خيرها من شرها
(1469) عن ابن عمر رضى الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أقيموا الصُّفوف فإنَّما تصفُّون بصفوف الملائكة وحاذوا بين المناكب وسدُّوا الخلل ولينوا فى أيدى إخوانكم ولا تذروا فرجاتٍ للشيطان ومن وصل صفًا وصله الله تبارك وتعالى ومن قطع صفًا قطعه الله
tahqiq

তাহকীক: