মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ১৪৩০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অধ্যায়: ইমাম ও মুক্তাদীর মাঝে যদি কোন পর্দা বা অন্তরায় থাকে তবে সে ইমামের ইক্তিদা জায়েয হওয়া প্রসঙ্গ
(১৪২৬) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) আমার ঘরে সালাত আদায় করতেন আর মানুষেরা ঘরের পিছন হতে তাঁর ইমামতি গ্রহণ করত। তাঁরা তাঁর সালাতই আদায় করত।
(হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(4) باب جواز الاقتداء بامام بينه وبين المأموم حائل
(1430) عن عائشة رضي الله عنها قالت صلَّى النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم فى حجرتى والنَّاس يأتُّمون به من وراء الحجرة يصلُّون بصلاته
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৩১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অধ্যায়: ইমাম ও মুক্তাদীর মাঝে যদি কোন পর্দা বা অন্তরায় থাকে তবে সে ইমামের ইক্তিদা জায়েয হওয়া প্রসঙ্গ
(১৪২৭) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসূল (ﷺ) রাত্রি বেলায় তাঁর ঘরে সালাত আদায় করছিলেন, অতঃপর কিছু মানুষ আসলো তাঁরা তাঁর সালাতের অনুসরণ করলো। তিনি (রাসূল) সালাতকে সংক্ষিপ্ত করলেন। তিনি বেশ কয়েকবার ঘরে বাইরে পায়চারী করলেন। প্রত্যেকবার তিনি সালাত আদায় করছিলেন। অতঃপর যখন ভোর হল তারা জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসুল (ﷺ)। আপনি সালাত আদায় করছিলেন, আর আমরা চাচ্ছিলাম যে, আপনি আপনার সালাতকে দীর্ঘায়িত করবেন। রাসুল (ﷺ) বললেন, আমি তোমাদের অবস্থান জানতাম এবং আমি ইচ্ছা করেই (তোমাদের প্রতি করুণাবশত এক স্নেহের কারণে) এমনভাবে (সংক্ষিপ্ত করে) সালাত আদায় করেছি।
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীসটি মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাই নি। এর সকল রাবীই বিশ্বস্ত।)
كتاب الصلاة
(4) باب جواز الاقتداء بامام بينه وبين المأموم حائل
(1431) عن أنس بن مالكٍ رضى الله عنه أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم كان يصلَّي ذات ليلةٍ فى حجرته فجاء أناسٌ فصلَّوا بصلاته فخفَّف فدخل البيت ثمَّ خرج فعاد مرارًا كل ذلك صلِّى، فلمَّا أصبح قالوا يا رسول الله صلَّيت ونحن نحب أن نمدَّ فى صلاتك قال قد علمت بمكانكم وعمدًا فعلت ذلك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৩২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) অধ্যায়: দাঁড়াতে সক্ষম ব্যক্তির বসা ব্যক্তির ইক্তিদা এবং সমস্যার কারণে বসা ব্যক্তির দাঁড়ানো ব্যক্তির ইক্তিদা
(১৪২৮) আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা তিনি রাসূল (ﷺ)-এর নিকটে একদল সাহাবার সাথে ছিলেন। রাসূল (ﷺ) তাঁদের সামনে এলেন। অতঃপর বললেন, হে (মানুষের) উপস্থিতি। তোমরা কি জান না যে, আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহর প্রেরিত পুরুষ? তারা বললো, হ্যাঁ, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি আল্লাহর প্রেরিত পুরুষ। তিনি (রাসূল) বললেন, তোমরা কি জান না যে, আল্লাহ তাঁর কিতাবে এ কথা নাযিল করেছেন, যে আমার আনুগত্য করল সে আল্লাহর আনুগত্য করল। তারা বলল, হ্যাঁ, আমরা সাক্ষা দিচ্ছি, যে আপনার আনুগত্য করল সে আল্লাহর আনুগত্য করল। আর, যে আল্লাহর আনুগত্য করল সে আপনার আনুগত্য করল। তিনি (রাসূল) বললেন, নিশ্চয়ই আল্লাহর আনুগত্য এটাই যে, তোমরা আমার আনুগত্য করবে। আর আমার আনুগত্য এটা যে, তোমরা নেতাদের আনুগত্য করবে। অতএব, তোমরা তোমাদের নেতাদের আনুগত্য কর। অতএব, যদি তারা বসে বসে সালাত আদায় করে তবে তোমরাও বসে বসে সালাত আদায় কর।
(হাদীসটি মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ীতে ও ইবন মাজাহয় বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(5) باب اقتداء القادر على القيام بالجالس والجالس لعذر بالقائم
(1432) عن ابن عمر رضى الله عنهما أنَّه كان ذات يومٍ عند رسول الله صلى الله عليه وسلم مع نفرٍ من أصحابه فأقبل عليهم رسول الله صلَّي الله عليه وآله وسلَّم فقال يا هؤلاء، ألستم تعلمون أنِّى رسول الله إليكم؟ قالوا بلى نشهد أنَّك رسول الله، قال ألستم تعلمون أنَّ الله أنزل فى كتابه من أطاعنى فقد أطاع الله؟ قالوا بلى نشهد أنَّه من أطاعك فقد أطاع الله وإنَّ من طاعة الله طاعتك،
قال فإنَّ من طاعة الله أن تطيوعنى، وإنَّ من طاعتى أن تطيعوا أئمَّتكم أطيعوا أئمَّتكم فإن صلَّوا قعودًا فصلُّوا قعودًا
হাদীস নং: ১৪৩৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) অধ্যায়: দাঁড়াতে সক্ষম ব্যক্তির বসা ব্যক্তির ইক্তিদা এবং সমস্যার কারণে বসা ব্যক্তির দাঁড়ানো ব্যক্তির ইক্তিদা
(১৪২৯) জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) অসুস্থ ছিলেন আমরা তাঁর পিছনে সালাত আদায় করলাম, এমতাবস্থায় তিনি বসে বসে (সালাত আদায় করছিলেন) আর আবু বকর (রা) তাকবীর বলে মানুষদেরকে তাঁর (রাসূলের) তাকবীর শুনিয়ে দিলেন। অতঃপর তিনি (রাসূল) আমাদের দিকে তাকালেন, আমাদেরকে দাঁড়ানো দেখতে পেলেন। এরপর তিনি আমাদেরকে ইশারা করলেন ফলে আমরা সবাই বসে পড়লাম। অতঃপর তাঁর ইমামতিতে বসে বসে সালাত আদায় করলাম। তিনি যখন সালাত শেষ করলেন, বললেন, একটু আগে তোমরা যা করেছ তা যেন পারস্য ও রোমানদের মতই করেছ। তাদের রাজা-বাদশাদের সামনে তারা দাঁড়িয়ে থাকে আর তারা (বাদশারা) থাকে বসে। তোমরা এমনটি করবে না। বরং তোমরা তোমাদের ইমামকেই অনুসরণ করবে। যদি তিনি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করেন তবে তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে, আর যদি তিনি বসে বসে সালাত আদায় করেন তবে তোমরাও বসে বসে সালাত আদায় করবে।
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীসটি মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাই নি। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(5) باب اقتداء القادر على القيام بالجالس والجالس لعذر بالقائم
(1433) عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال اشتكى رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم فصلَّينا وراءه وهو قاعدٌ وأبو بكرٍ رضى الله عنه يكبَّر يسمع النَّاس تكبيره فالتفت إلينا فرآنا قيامًا فأشار إلينا فقعدنا فصلَّينا بصلانه قعودًا، فلمَّا صلَّى قال إن كدتم آنفًا تفعلون فعل فارس والرَّوم يقومون على ملوكهم وهم قعودٌ فلا تفعلوا وائتمُّوا بأئمَّتكم، إن صلَّى قائمًا فصلُّوا قيامًا وإنَّ صلَّى قاعدًا فصلوُّا قعودًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৩৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) অধ্যায়: দাঁড়াতে সক্ষম ব্যক্তির বসা ব্যক্তির ইক্তিদা এবং সমস্যার কারণে বসা ব্যক্তির দাঁড়ানো ব্যক্তির ইক্তিদা
(১৪৩০) উরওয়া থেকে বর্ণিত, তিনি আয়িশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) তাঁর ওফাতকালীন অসুস্থতার সময় বলেছেন, তোমরা আবু বকরকে নির্দেশ দাও সে যেন মানুষদের সালাত আদায় করিয়ে দেয়। আয়িশা (রা) বললেন, আবু বকর তো নরম মানুষ। তিনি যখন আপনার স্থানে দাঁড়াবেন তখন তাঁকে দয়ার্দ্রতা পেয়ে বসবে। নবী (ﷺ) বললেন, তোমরা তো ইউসুফ (আ)-এর সাথী। তোমরা আবু বকরকে নির্দেশ দাও সে যেন মানুষদের সালাত আদায় করিয়ে দেয়, অতঃপর আবু বকর (রা) সালাত আদায় করলেন, আর নবী (ﷺ) তাঁর পিছনে বসে বসে সালাত আদায় করলেন।
كتاب الصلاة
(5) باب اقتداء القادر على القيام بالجالس والجالس لعذر بالقائم
(1434) عن عروة عن عائشة رضى الله عنها قالت قال رسول الله
صلى الله عليه وسلم فى مرضه الَّذى مات فيه مروا أبا بكرٍ يصلِّى بالنَّاس، قالت عائشة أبا بكرٍ أسيفٌ، فمتى مقامك تدركه الرقَّة، قال النَّبي صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم إنكنَّ صواحب يوسف، مروا أبا بكرٍ فليصلِّ بالنَّاس، فصلَّى أبو بكرٍ وصلَّى النَّبىُّ صلى الله عليه وسلم خلفه قاعدًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৩৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অধ্যায়ঃ বেশী মর্যাদাবানের কম মর্যাদাবানের ইক্তিদা প্রসঙ্গ
(১৪৩১) মুগীরা ইবন শো'বা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, দু'টি বৈশিষ্ট্য এমন আছে, যে ব্যাপারে আমি কোন দিন কাউকে জিজ্ঞেস করি নি। কিন্তু কাজ দু'টো রাসূল (ﷺ)-কে করতে দেখেছি। (প্রথমত) তাঁর অধীনস্থ ব্যক্তির পিছনে সালাত আদায় করা। আমি রাসূল (ﷺ)-কে আব্দুর রহমান ইবন আওফ-এর পিছনে ফজরের সালাতের এক রাকা'আত আদায় করতে দেখেছি। (দ্বিতীয়ত) মোজার ওপর মাসেহ করা। আমি রাসূল (ﷺ)-কে তাঁর মোজার ওপর মাসহ করতে দেখেছি।
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম, নাসায়ী, ইবন মাজাহ্ ও বায়হাকীতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(6) باب جواز اقتداء الفاضل بالمفضول
(1435) عن المغيرة بن شعبة رضى الله عنه أنَّه قال خصلتان لا أسال عنهما أحدًا من النَّاس رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فعلهما، صلاة الإمام خلف الرَّجل من رعيته وقد رأيت رسول الله صلَّى عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم صلَّى خلف عبد الرَّحمن بن عوفٍ من صلاة الصبُّح
ومسح الرَّجل على خفَّيه وقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يمسح على الخفَّين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৩৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অধ্যায়ঃ বেশী মর্যাদাবানের কম মর্যাদাবানের ইক্তিদা প্রসঙ্গ
(১৪৩২) উক্ত মুগীরা ইবন্ শু'বা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার জিজ্ঞেস করা হল যে, রাসুল (ﷺ) কি আবু বকর (রা) ব্যতীত এ উম্মতের আর কারো পিছনে সালাত আদায় করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমরা সফরে ছিলাম (তাবুক যুদ্ধের)। এ ব্যাপারে বড় একটি হাদীস রয়েছে, যাতে রাসূল (ﷺ)-এর ওযূর বৈশিষ্ট্যের বর্ণনাও রয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে তিনি বলেন, অতঃপর আমরা সকলের সাথে মিলিত হলাম সালাতের ইকামাত বলা হলো। আবদুর রাহমান ইবন আওফ তাদের ইমামতি করছিলেন। তিনি এক রাকা'আত সালাত আদায় করলেন, অতঃপর আমি তাঁকে (রাসূল (ﷺ) আগমনের) সংবাদ জানানোর জন্য যেতে লাগলাম তিনি (রাসূল) আমাকে নিষেধ করলেন। অতঃপর আমরা সালাতের যেটুকু পেলাম তা আদায় করলাম আর যেটুকু ছুটে গিয়েছিল তা পূর্ণ করলাম।
كتاب الصلاة
(6) باب جواز اقتداء الفاضل بالمفضول
(1436) وعنه أيضًا وقد سئل هل أم النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم أحدٌ من هذه الأمَّة غير أبى بكر رضى الله عنه؟ قال نعم، كنَّا في سفرٍ وذكر حديثًا طويلًا فيه صفة وضوء النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم وفيه ثمَّ لحقنا النَّاس وقد أقيمت الصَّلاة وعبد الرَّحمن بن عوف يؤمُّهم وقد صلَّى ركعةً فذهبت لأوذنه فنهانى فصلَّينا الَّتى أدركنا وقضينا الَّتى سبقنا بها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৩৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) অধ্যায়ঃ বেশী মর্যাদাবানের কম মর্যাদাবানের ইক্তিদা প্রসঙ্গ
(১৪৩৩) আবু সালামা ইবন আবদুর রহমান ইবন 'আওফ থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যে তিনি রাসূল (ﷺ)-এর সাথে সফরে ছিলেন অতঃপর নবী (ﷺ) তাঁর ব্যক্তিগত প্রয়োজনে একটু দূরে গেলেন। ইতিমধ্যে সালাতের ওয়াক্ত হয়ে গেল তারা সালাতের ইকামার বলল, অতঃপর আব্দুর রাহমান সামনে গেলেন (ইমাম হলেন)। এরপর নবী (ﷺ) এসে সকল মানুষের সাথেই তাঁর পিছনে এক রাকা'আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি যখন সালাম ফিরালেন (সালাত শেষ করলেন) বললেন, তোমরা যথার্থ কাজ করেছ এবং উত্তম কাজ করেছ।
(হাদীসটির বিশুদ্ধতার ব্যাপারে মতবিরোধ রয়েছে। হাইসামী বলেন, এ হাদীসের সনদে رشدین بن سعد আছে যিনি দুর্বল। অবশ্য হাইছাম ইবনে খারিজা তাকে বিশ্বস্ত বলেছেন। একদল মুহাদ্দিস হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। আর আবু সালামা তাঁর পিতা থেকে শোনেননি।)
كتاب الصلاة
(6) باب جواز اقتداء الفاضل بالمفضول
(1437) عن ابى سلمة بن عبد الرَّحمن بن عوفٍ عن أبيه أنَّه كان مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فى سفرٍ فذهب النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم لحاجته فأدركهم وقت الصلَّاة فأقاموا الصَّلاة فتقدَّمهم عبد الرَّحمن، فجاء الَّنَّبيُّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم
فصليَّ مع النَّاس خلفه ركعةً فلمَّا قال أصبت وأحسنتم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৩৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইমাম ও মুক্তাদীর অবস্থান এবং সালাতের লাইনের হুকুমসমূহের ব্যাপারে অধ্যায়সমূহ

(১) অধ্যায়ঃ মুক্তাদী একজন হলে সে ইমামের কোন পাশে দাঁড়াবে
(১৪৩৪) আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, নবী (ﷺ) রাত্রি বেলা সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে উঠেন, আমিও উঠলাম। অতঃপর ওযু করলাম এবং তাঁর বাম পাশে দাঁড়ালাম। তিনি আমাকে ধরলেন এবং টেনে নিয়ে তাঁর ডান পাশে আমাকে দাঁড় করিয়ে দিলেন। এরপর তিনি তের রাকা'আত সালাত আদায় করলেন যার প্রত্যেক রাকাআতের দাঁড়ানোর পরিমাণ ছিল সমান।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
أبواب موقف الامام والمأموم وأحكام الصفوف

(1) باب موقف الواحد من الامام
(1438) عن ابن عبَّاسٍ رضى الله عنهما أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم قام من اللَّيل يصلِّي فقمت فتوضَّأت فقمت عن يساره فجذبنى فجرَّنى فأقامنى عن يمينه فصلَّى
ثلاث عشرة ركعةً قيامه فيهنَّ سواه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৩৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইমাম ও মুক্তাদীর অবস্থান এবং সালাতের লাইনের হুকুমসমূহের ব্যাপারে অধ্যায়সমূহ

(১) অধ্যায়ঃ মুক্তাদী একজন হলে সে ইমামের কোন পাশে দাঁড়াবে
(১৪৩৫) উক্ত আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমি রাত্রির শেষভাগে রাসূল (ﷺ)-এর কাছে আসলাম, অতঃপর সালাত আদায়ের জন্য তাঁর পিছনে দাঁড়ালাম। এরপর তিনি আমার হাত ধরে টেনে তাঁর বামে এনে দাঁড় করালেন। অতঃপর রাসূল (ﷺ) যখন তাঁর সালাতের জন্য সামনে এলেন তখন আমি একটু পিছনে এলাম। এরপর রাসূল (ﷺ) সালাত আদায় করলেন। তারপর যখন তাঁর সালাত আদায় শেষ করলেন আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি হল যে, আমি তোমাকে আমার পাশে আনলাম অথচ তুমি পিছনে সরে দাঁড়ালে। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! কারো জন্য কি এটা উচিত যে, আপনার পাশে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে অথচ আপনি আল্লাহ প্রদত্ত রিসালাতের মর্যাদাপ্রাপ্ত? আমার এ কথা শুনে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) প্রীত হলেন, অতঃপর তিনি আল্লাহর কাছে আমার জন্য দু'আ করলেন, যেন তিনি আমার জ্ঞান ও বুদ্ধি বাড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, অতঃপর আমি রাসূল (ﷺ)-কে দেখলাম তিনি ঘুমিয়ে গেছেন এমনকি আমি তাঁর নাক ডাকার* শব্দ শুনতে পেলাম। অতঃপর বেলাল (রা) তাঁর কাছে এলেন, অতঃপর তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, সালাত। অর্থাৎ সালাতের সময় হয়েছে। রাসূল (ﷺ) উঠলেন, অতঃপর সালাত আদায় করলেন। পুনর্বার ওযু করলেন না।
*ঘুমালে ওযু নষ্ট হয় কিন্তু রাসূল (ﷺ) এর ব্যতিক্রম, কেননা তিনি যখন ঘুমান তখনও তাঁর অন্তর জাগ্রত থাকে।
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য সুনানের কিতাবে সংক্ষিপ্তাকারে, বিস্তারিতাকারে ও শাব্দিক বিভিন্নতায় বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
أبواب موقف الامام والمأموم وأحكام الصفوف

(1) باب موقف الواحد من الامام
(1439) وعنه أيضًا قال أتيت رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم من آخر اللَّيل فصلَّيت خلفه تأخذ بيدى فجرَّنى فجعلنى حذاءه فلمَّا أقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم على صلاته خنست فصلَّى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فلمَّا انصرف قال لى ما شأنى أجعلك حذائى فتخنس؟ فقلت يا رسول الله أو ينبغى لأحد أن يصلِّي حذاءك وأنت رسول الله الَّذى أعطاك الله، قال فأعجبته، فدعا الله لى أن يزيدنى علمًا وفهمًا، قال ثمَّ رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم نام حتَّى سمعته ينفخ ثم أتاه بلالٌ فقال يارسول الله الصَّلاة، فقام فصلَّى ما أعاد وضوءًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৪০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইমাম ও মুক্তাদীর অবস্থান এবং সালাতের লাইনের হুকুমসমূহের ব্যাপারে অধ্যায়সমূহ

(১) অধ্যায়ঃ মুক্তাদী একজন হলে সে ইমামের কোন পাশে দাঁড়াবে
(১৪৩৬) আ'মাশ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইব্রাহীম (নাখয়ী)-কে জিজ্ঞেস করলাম এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ইমামের সাথে সালাত আদায় করে। তিনি বলেন, সে তাঁর বামপাশে দাঁড়াবে, অতঃপর আমি বললাম, আমাকে সুমাঈ আল-জাইয়াত হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি ইবন আব্বাসকে বলতে শুনেছি, তিনি হাদীস বর্ণনা করেন যে, নবী (ﷺ) তাঁকে তাঁর ডান পাশে দাঁড় করিয়েছেন। অতঃপর তিনি (নাখয়ী) এ কথা গ্রহণ করলেন।
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীসটি মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাই নি, এর রাবীগণ বিশ্বস্ত।)
كتاب الصلاة
أبواب موقف الامام والمأموم وأحكام الصفوف

(1) باب موقف الواحد من الامام
(1440) عن الأعمش قال سألت إبراهيم عن الرَّجل يصلِّى مع الإمام، فقال يقوم عن يساره، فقلت حدثنى الزَّيَّات قال سمعت ابن
عبَّاس رضي الله عنهما يحدِّث أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم أقامه عن يمينه، فأخذ به
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৪১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইমাম ও মুক্তাদীর অবস্থান এবং সালাতের লাইনের হুকুমসমূহের ব্যাপারে অধ্যায়সমূহ

(১) অধ্যায়ঃ মুক্তাদী একজন হলে সে ইমামের কোন পাশে দাঁড়াবে
(১৪৩৭) জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, রাসূল (ﷺ) একদা এক কাপড়ে সালাত আদায় করছিলেন যার দুই পাশ পিছনে ছিল। অতঃপর আমি তাঁর পিছনে দাঁড়ালাম। এরপর তিনি আমার কান ধরলেন এবং তাঁর ডান পাশে দাঁড় করিয়ে দিলেন।
(হাদীসটি মুসলিম, আবু দাউদ ও বায়হাকীতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
أبواب موقف الامام والمأموم وأحكام الصفوف

(1) باب موقف الواحد من الامام
(1441) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلَّى فى ثوبٍ واحدٍا خالف بين طرفيه، فقمت خلفه فأخذ بأذنى فجعلنى عن يمينه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৪২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইমাম ও মুক্তাদীর অবস্থান এবং সালাতের লাইনের হুকুমসমূহের ব্যাপারে অধ্যায়সমূহ

(১) অধ্যায়ঃ মুক্তাদী একজন হলে সে ইমামের কোন পাশে দাঁড়াবে
(১৪৩৮) জাব্বার ইবন সাখর হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসূল (ﷺ) সালাত আদায়ের জন্য দাঁড়ালেন। তিনি বলেন, অতঃপর আমিও তাঁর বামপাশে দাঁড়ালাম। এরপর তিনি আমার হাত ধরলেন এবং আমাকে ঘুরিয়ে তাঁর ডান পাশে নিয়ে এলেন। অতঃপর আমরা সালাত আদায় করলাম। একটু পরেই মানুষ আসতে থাকল।
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীসটি মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাই নি।)
كتاب الصلاة
أبواب موقف الامام والمأموم وأحكام الصفوف

(1) باب موقف الواحد من الامام
(1442) عن جبَّار بن ضخرٍ أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم قام يصِّلى قال فقمت عن يساره فأخذ بيدى فحوَّلنى عن يمينه
فصلَّينا فلم يلبث يسيرًا أن جاء النَّاس
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৪৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইমাম ও মুক্তাদীর অবস্থান এবং সালাতের লাইনের হুকুমসমূহের ব্যাপারে অধ্যায়সমূহ

(১) অধ্যায়ঃ মুক্তাদী একজন হলে সে ইমামের কোন পাশে দাঁড়াবে
(১৪৩৯) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) সালাত আদায় করতেন, আমি তাঁর পাশেই থাকতাম।
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীসটি মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাই নি। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
أبواب موقف الامام والمأموم وأحكام الصفوف

(1) باب موقف الواحد من الامام
(1443) عن عائشة قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّى وأنا بإرائه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৪৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইমাম ও মুক্তাদীর অবস্থান এবং সালাতের লাইনের হুকুমসমূহের ব্যাপারে অধ্যায়সমূহ

(১) অধ্যায়ঃ মুক্তাদী একজন হলে সে ইমামের কোন পাশে দাঁড়াবে
(১৪৪০) উম্মু সালামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ)-এর মুসাল্লার পাশেই ছিল আমার শয্যা। অতএব, তিনি যখন সালাত আদায় করতেন আমি তাঁর পাশে থাকতাম।
(হাদীসটি আবূ দাউদ ও ইবন মাজাহয় বর্ণিত হয়েছে। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
أبواب موقف الامام والمأموم وأحكام الصفوف

(1) باب موقف الواحد من الامام
(1444) عن أمِّ سلمة رضى الله عنها قالت كان يفرش لى حيال مصلَّى رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم فكان يصلِّى وأنا حياله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৪৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়: মুক্তাদী দুই জন তারা ইমামের কোন্ পাশে দাঁড়াবে
(১৪৪১) জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) মাগরিবের সালাতের জন্য দাঁড়ালেন অতঃপর আমি আসলাম এবং তাঁর বামপাশে দাঁড়ালাম। তিনি আমাকে নিষেধ করলেন এবং তাঁর ডান পাশে নিয়ে এলেন। অতঃপর আমার এক সাথী আসল তখন আমরা তাঁর পিছনে লাইন করে দাঁড়ালাম। এরপর রাসূল (ﷺ) একটি মাত্র পোশাকে আমাদের ইমামতি করলেন, যে পোশাকের দুই পাশই তাঁর পিছনের দিকে ছিল।
(হাদীসটি মুসলিম ও আবু দাউদে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(2) باب في موقف الاثنين من الامام
(1445) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال قام النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم يصلِّى المغرب فجئت فقمت إلى جنبه عن يساره فنهانى فجعلنى عن يمينه فجاء صاحبٌ لى فصفَّنا خلفه فصلَّى بنا رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم
في ثوب واحدٍ مخالفًا بين طرفيه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৪৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়: মুক্তাদী দুই জন তারা ইমামের কোন্ পাশে দাঁড়াবে
(১৪৪২) আব্দুর রহমান ইবনুল আসওয়াদ থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি এবং আলকামা হাজিরা উপত্যকায় আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদের কাছে গেলাম, সূর্য যখন ঢলে পড়তে লাগল, (যোহরের) সালাতের ইকামাত বলা হল তখন আমরা তাঁর পিছনে দাঁড়ালাম। অতঃপর তিনি আমার এবং আমার সাথীর হাত ধরে আমাদেরকে তাঁর পাশে রেখে মাঝখানে তিনি দাঁড়ালেন। অতঃপর তিনি বললেন, রাসূল (ﷺ) এমন করতেন যখন তারা তিনজন হতেন। অতঃপর তিনি আমাদের সালাতের ইমামতি করলেন। তিনি সালাত শেষে বললেন, খুব শীঘ্রই কিছু ইমাম হবে যারা সালাতকে প্রকৃত সময় থেকে বিলম্বিত করবে। সে সময় তোমরা তাদের সালাতের অপেক্ষা করবে না (বরং নিজেরাই সালাত আদায় করে নিবে।) আর তাদের সাথে সালাত আদায় করবে (পুনর্বার) নফল হিসেবে।
(উক্ত আব্দুর রহমান ইবনুল আসওয়াদ হতে দ্বিতীয় সনদে বর্ণিত) তিনি ইব্রাহীম (নাখয়ী) হতে বর্ণনা করেন যে, আসওয়াদ ও আলকামা একদা আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদের সাথে গৃহে অবস্থান করছিলেন। আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ বললেন, আমরা তাদের সাথে সালাত আদায় করব? তারা বললো, হ্যাঁ। তিনি বলেন, অতঃপর তিনি আযান ও ইকামাত ব্যতীতই সালাতের ইমামতি করলেন এবং তিনি তাদের মাঝখানে দাঁড়ালেন। তিন বললেন, তোমরা যখন তিনজন থাকবে তখন এমনই করবে। আর যখন আরো বেশী হবে তখন তোমাদের একজন তোমাদের ইমামতি করবে। তোমাদের মধ্য থেকে কেউ যখন রুকু করবে সে যেন ঝুঁকে পড়ে এবং তার হস্তদ্বয় হাঁটুর উপর রাখে। আমার মনে হচ্ছে যেন আমি রাসূল (ﷺ)-এর এ অবস্থায় তাঁর ছড়ানো আঙ্গুলগুলো দেখতে পাচ্ছি।
(হাদীসটি মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী ও নাসায়ীতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(2) باب في موقف الاثنين من الامام
(1446) عن عبد الرَّحمن بن الأسود عن أبيه قال دخلت أنا وعلقمة على عبد الله بن مسعودٍ بالهاجرة فلمَّا مالت الشَّمس أقام الصَّلاة وقمنا خلفه، فأخذ بيدى وبيد صاحبى فجعلنا عن ناحيته وقام بيننا، ثمَّ قال هكذا كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع إذا كانوا ثلاثةً ثمَّ صلَّى بنا، فلمَّا انصرف إنَّها ستكون أئمَّةٌ يؤخِّرون الصَّلاة عن مواقيتها فلا تنتظروهم بها واجعلوا الصَّلاة معهم سبحةٍ (ومن طريقٍ ثان)
عن إبراهيم أنَّ الأسود وعلقمة كانا مع عبد الله (يعنى ابن مسعودٍ رضى الله عنه) فى الدَّار فقال عبد الله أصلَّى هؤلاء؟ قال نعم، قال فصلَّى بهم بغير أذانٍ ولا إقامةٍ وقام وسطهم وقال إذا كنتم ثلاثةً فاصنعوا هكذا، فإذا كنتم أكثر فليؤمكم أحدكم وليضع أحدكم يديه بين فخذيه إذا ركع فليحنأ فكمأنما أنظر إلى اختلاف أصابع رسول الله صلَّى الله عليه وسلم وعلى آله وصحبه وسلَّم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৪৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়: মুক্তাদী দুই জন তারা ইমামের কোন্ পাশে দাঁড়াবে
(১৪৪৩) আব্দুল্লাহ ইবন্ আববাস (রা) থেকে বর্ণিত, আমি নবী (ﷺ)-এর সাথে সালাত আদায় করেছি এ অবস্থায় যে, আয়িশা আমাদের পিছনে আর আমি নবী (ﷺ)-এর পাশে তাঁর সাথে সালাত আদায় করছি।
(হাদীসটি নাসায়ীতে বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীসের সনদের রাবীগণ বিশ্বস্ত।)
كتاب الصلاة
(2) باب في موقف الاثنين من الامام
(1447) عن ابن عباسٍ رضي الله عنهما قال صلَّيت مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم
وعائشة خلفنا وأنا إلى جنب النَّبيِّ الله عليه وسلَّم أصلِّى معه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৪৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়: মুক্তাদী দুই জন তারা ইমামের কোন্ পাশে দাঁড়াবে
(১৪৪৪) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমি উম্মু হারামের (খালা) গৃহে রাসুল (ﷺ)-এর সাথে সালাত আদায় করলাম। তিনি (ﷺ) আমাকে তাঁর ডান পাশে দাঁড় করালেন আর উম্মু হারাম আমাদের পিছনে ছিল।
(হাদীসটি মুসলিম ও আবু দাউনে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(2) باب في موقف الاثنين من الامام
(1448) عن أنس بن مالكٍ رضي الله عنه قال صلَّيت مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم فى بيت أمِّ حرامٍ فأقامنى عن يمينه وأمُّ حرامٍ خلفنا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৪৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অধ্যায়ঃ বালক, নারী ও অন্যরা পুরুষদের কোন, পাশে দাঁড়াবে
(১৪৪৫) আব্দুর রাহমান ইবন্ গানম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ মালিক আশ'আরী (রা) তাঁর গোত্রকে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে রাসূল (ﷺ)-এর সালাত আদায় করে দেখাব না। অতঃপর তিনি পুরুষদের লাইন করলেন, অতঃপর বালকদের, এরপর তিনি বালকদের পিছনে মেয়েদের লাইন করলেন।
(হাদীসটি আবু দাউদ ও বায়হাকীতে বর্ণিত হয়েছে। আবূ দাউদ এ হাদীসের ব্যাপারে নীরব থেকেছেন। হাদীসটি দলীলযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(3) باب موقف الصبيان والنساء من الرجال وغير ذلك
(1449) عن عبد الرَّحمن بن غنيم قال قال أبو مالك الأشعريُّ رضي الله عنه لقومه ألا أصلِّى لكم صلاة رسول الله صلَّى الله عليه وسلم وآله وسلَّم فصفَّ الرِّجال ثمَّ صفَّ الوالدان ثمَّ صفَّ النِّساء خلف الوالدان
tahqiq

তাহকীক: