মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ১৪১০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) অধ্যায়: মহল্লার নির্ধারিত ইমাম উপস্থিত না হলে তখন কি করা হবে?
(১৪০৬) আব্দুল্লাহ ইবন উসমান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি কাসিম থেকে তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, একদা ওয়ালিদ ইবন উকবা সালাতকে বিলম্বিত করলেন এমতাবস্থায় আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) দাঁড়িয়ে গেলেন এবং নিজে নিজেই একামাত দিলেন, অতঃপর তিনি ইমামতি করলেন, এরপর ওয়ালিদ তাঁর (ইবন মাসউদ) কাছে (লোক) পাঠালেন। (তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো) তুমি যা করলে তাতে কিসে তোমাকে প্ররোচিত করল? তোমার কাছে রাষ্ট্রপ্রধানের পক্ষ থেকে কোন নির্দেশ আছে কি? নাকি তুমি বিদ'আত করছ? তিনি জবাব দিলেন, রাষ্ট্রপ্রধানের পক্ষ থেকে কোন নির্দেশ আমার কাছে আসে নি এবং বিদ'আতীও নই। বরং আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেছেন যে, আমরা আমাদের সালাতের জন্য তোমার জন্য অপেক্ষা করব অন্যদিকে তুমি তোমার (ব্যক্তিগত) প্রয়োজনে ব্যস্ত থাকবে।
(হাদীসটি বায়হাকীতে বর্ণিত হয়েছে। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(10) باب ما يفعل اذا لم يحضر امام الحى
(1410) عن عبد الله بن عثمان عن القاسم عن أبيه أنَّ الوليد ابن عقبة أخرَّ الصلَّاة مرَّةً فقام عبد الله بن مسعودٍ رضي الله عنه فثوَّب بالصَّلاب فصلَّي بالنَّاس فأرسل إليه الوليد، ما حملك على ما صنعت أجاءك من أمير المؤمنين أمرٌ فيما فعلت أم ابتدعت؟ قال لم ياتنى أمرٌ من أمير المؤمنين ولم أبتدع، ولكن أبى الله عزَّ وجلَّ ورسوله أن ننتظرك بصلاتنا وأنت في حاجتك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪১১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) অধ্যায়ঃ ইমামের প্রথম রাকা'আত দীর্ঘ করা এবং কেউ পাবার জন্য মসজিদে প্রবেশ করছে বুঝা গেলে তার জন্য দেরী করা
(১৪০৭) আব্দুল্লাহ ইবন আবূ আওফা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) যোহরের সালাতের প্রথম রাকাআতে ততক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন যতক্ষণ কারো পায়ের আওয়াজ শুনতে পেতেন না।
(হাদীসটি বাযযার ও হাকিম বর্ণনা করেছেন। আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীসের সনদে একজন রাবী ব্যতীত সবাই বিশ্বস্ত। ছেকা।)
كتاب الصلاة
(11) باب إطالة الأمام الركعة الأولى وانتظار من أحسن به داخلا ليدرك الركعة
(1411) عن عبد الله بن أبى أوفى رضى الله عنه أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم كان يقوم فى الرَّكعة الأولى من صلاة الظُّهر حتَّى لا يسمع وقع قدمٍ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪১২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) অধ্যায়ঃ ইমামের প্রথম রাকা'আত দীর্ঘ করা এবং কেউ পাবার জন্য মসজিদে প্রবেশ করছে বুঝা গেলে তার জন্য দেরী করা
(১৪০৮) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, যোহরের সালাতের ইকামাত হতো অতঃপর আমাদের কেউ জান্নাতুল বাকীতে যেয়ে প্রয়োজন (পেশাব-পায়খানা) পূরণ করতো। অতঃপর ওযূ করতো এরপর মসজিদে আসতো। এমতাবস্থায় রাসূল (ﷺ) প্রথম রাকা'আতেই থাকতেন।
كتاب الصلاة
(11) باب إطالة الأمام الركعة الأولى وانتظار من أحسن به داخلا ليدرك الركعة
(1412) عن أبى سعيدٍ الخدريِّ رضى الله عنه قال كانت صلاة الظُّهر تقام فينطلق أحدنا البقيع فيقضى حاجته ثمَّ يأتى فيتوضأ ثمَّ يرجع إلى المسجد ورسول الله صلى الله عليه وسلم فى الركعة الأولى
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪১৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) অধ্যায়ঃ ইমামের প্রথম রাকা'আত দীর্ঘ করা এবং কেউ পাবার জন্য মসজিদে প্রবেশ করছে বুঝা গেলে তার জন্য দেরী করা
(১৪০৯) আব্দুল্লাহ ইবন আবু কাতাদা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাদের ইমামতি করতেন, তিনি যোহরের সালাতের প্রথম দুই রাকা'আতে কিরাত পড়তেন কখনও কখনও আমরা তাঁর পঠিত আয়াত শুনতে পেতাম। প্রথম রাকা'আতের কিরাআতকে তিনি লম্বা করতেন দ্বিতীয় রাকা'আতের কিরাআতকে ছোট করতেন। তিনি অনুরূপ ফজরের সালাতেও করতেন। প্রথম রাকা'আত দীর্ঘ করতেন দ্বিতীয় রাকা'আত ছোট করতেন এবং তিনি আসরের সালাতেও প্রথম দুই রাকা'আতে আমাদের ইমামতির সময় কিরাত পড়তেন।
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম ও আবু দাউদে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(11) باب إطالة الأمام الركعة الأولى وانتظار من أحسن به داخلا ليدرك الركعة
(1413) عن عبد الله بن أبى قتادة عن أبيه رضي الله عنه قال كان رسول الله صلَّي الله عليه وسلَّم يؤمنا يقرأ بنا فى الرَّكعتين الأوليين من صلاة الظُّهر ويسمعنا الآية أحيانًا ويطوِّل فى الأولى ويقصِّر فى الثَّانية وكان يفعل ذلك فى صلاة الصُّبح، يطوِّل الأولى ويقصِّر الثَّانية، وكان يقرأ بنا فى الرَّكعتين الأوليين من صلاة العصر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪১৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১২) অধ্যায়ঃ ইমামের জন্য জোরে তাকবীর বলা যেন মুক্তাদীগণ শুনতে পায় এটি জায়েয হওয়া এবং ইমাম ব্যতীত অন্যদের তাকবীর শুনানোর হুকুম
(১৪১০) সাঈদ ইবনুল হারিছ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন একবার আবু হুরায়রা (রা) অসুস্থ হলেন অথরা সালাতে অনুপস্থিত ছিলেন। এমতাবস্থায় আৰু সাঈদ খুদরী (রা) আমাদের ইমামতি করলেন। তিনি সালাত শুরুর প্রাক্কালে তাকবীর দিলেন জোরে, রুকুর সময় তাকবীর দিলেন জোরে سمع الله لمن حمده বললেন জোরে, রুকূ থেকে উঠার সময় তাকবীর বললেন জোরে, সিজদাতে যাবার সময় তাকবীর দিলেন জোরে। ২য় রাকাআতে উঠার সময় তাকবীর দিলেন জোরে এইভাবে তিনি সালাত সম্পন্ন করলেন। অতঃপর সালাত শেষে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, মানুষরা আপনার সালাতে মতবিরোধ করছে (অর্থাৎ তাকবীর জোরে বলার ব্যাপারে। কেননা তাদের অনেকেই জোরে তাকবীর দেয়, অনেকেই এটা অস্বীকার করে)। তখন তিনি বেরুলেন এবং মিম্বারের নিকট দাঁড়ালেন, বললেন, হে মানুষেরা, আমি তোমাদের সালাত বিচিত্র রকমের হোক আর না হোক তার পরোয়া করি না। বরং রাসূল (ﷺ)-কে আমি এইরূপেই সালাত আদায় করতে দেখেছি।
(হাদীসটি সংক্ষিপ্তভাবে বুখারী শরীফে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(12) باب جواز جهر الأمام بتكبير الصلاة ليسمعه المأمومون- وحكم التسميع من غير الأمام
(1414) عن سعيد بن الحارث قال اشتكى أبو هريرة رضى الله عنه أو غاب فصلى بنا أبو سعيد الخدرىُّ رضى الله عنه فجهر بالتَّكبير حين افتتح الصلَّاة وحين ركع وحين قال سمع الله لمن حمده وحين رفع رأسه من السُّجود وحين سجد وحين قام بين الرَّكعتين حتَّى قضى صلاته على ذلك، فلمَّا صلَّى قيل له قد اختلف النَّاس على صلاتك فخرج فقام عند المنبر فقال أيُّها النَّاس، والله ما أبالى اختلفت صلاتكم أو لم تختلف، هكذا رأيت رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم وصلَّي
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪১৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১২) অধ্যায়ঃ ইমামের জন্য জোরে তাকবীর বলা যেন মুক্তাদীগণ শুনতে পায় এটি জায়েয হওয়া এবং ইমাম ব্যতীত অন্যদের তাকবীর শুনানোর হুকুম
(১৪১১) জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, একদা তিনি (রাসূল (ﷺ)) অসুস্থ হলেন, আমরা পিছনেই সালাত আদায় করলাম আর তিনি বসে বসে ইমামতি করলেন। আর আবু বকর (রা) তাকবীর বলতেন, তিনি মানুষদের তাঁর তাকবীর শুনিয়ে দিতেন।
كتاب الصلاة
(12) باب جواز جهر الأمام بتكبير الصلاة ليسمعه المأمومون- وحكم التسميع من غير الأمام
(1415) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال اشتكى رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم فصلَّينا وراءه وهو قاعدٌ وأبو بكرٍ رضى الله عنه يكبِّر يسمع النَّاس تكبيره "الحديث"
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪১৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৩) অধ্যায়: ইমাম ও মুক্তাদীতেই জামা'আত হবে, চাই সে মুক্তাদী পুরুষ বালক বা নারী যাই হোক না কেন
(১৪১২) আবু উমামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) এক ব্যক্তিকে (একাকী) সালাত আদায় করতে দেখলেন, তিনি বললেন, এই লোকটিকে সাদকা করার মত কেউ নেই যে, তার সাথে সালাত আদায় করবে। এক ব্যক্তি দাঁড়াল এবং তাঁর সাথে সালাত আদায় করল। অতঃপর রাসূল (ﷺ) বললেন, এই দুজনেও জামা'আত হয়েছে।
(হাদীসটি তবারানী তাঁর মু'জামুল আওসাতে এবং আবু দাউদ ও তিরমিজী বর্ণনা করেছেন। তবে বুখারী হাদীসটিকে মুনকার বলেছেন। আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, হাদীসের هذان جماعة বাক্যাংশ ব্যতীত হাদীসটি সহীহ।)
كتاب الصلاة
(13) باب انعقاد الجماعة بامام ومأموم سواء كان المأموم رجلا أم صبيا ام امرأة
(1416) عن أبى أمامة رضى الله عنه أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم رأى رجلًا يصلِّي فقال ألا رجلٌ يتصدَّق على هذا فيصلِّى معه، فقام رجلٌ فصلَّى معه، فقال رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم هذان جماعةٌ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪১৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৩) অধ্যায়: ইমাম ও মুক্তাদীতেই জামা'আত হবে, চাই সে মুক্তাদী পুরুষ বালক বা নারী যাই হোক না কেন
(১৪১৩) আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমি রাসূল (ﷺ)-এর স্ত্রী আমার খালা মাইমুনা বিনতে হারিসের কাছে রাত্রি যাপন করলাম। রাসূল (ﷺ) সেদিন খালার ঘরেই ছিলেন। রাত্রিতে তিনি নফল সালাতের জন্য দাঁড়িয়ে গেলেন আমিও তাঁর বাম পাশে দাঁড়ালাম, তাঁর সাথে সালাত আদায় করব বলে। তিনি বলেন, অতঃপর রাসূল (ﷺ) আমার মাথা ধরে অথবা সামনের চুলের ঝুটি ধরে আমাকে তাঁর ডান পাশে নিয়ে এলেন।
(হাদিসটি বুখারী, মুসলিম ও অন্য চারটি সুনান গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(13) باب انعقاد الجماعة بامام ومأموم سواء كان المأموم رجلا أم صبيا ام امرأة
(1417) عن ابن عبَّاسٍ رضى الله عنهما قال بتُّ ليلةً عند خالتى ميمونة بنت الحارث ورسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم عندها فى ليلتها. فقام يصلَّى من اللَّيل، فقمت عن يساره لأصلِّى بصلاته قال فأخذ بذؤابة كانت لى أو برأسى حتَّى جعلنى عن يمينه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪১৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৩) অধ্যায়: ইমাম ও মুক্তাদীতেই জামা'আত হবে, চাই সে মুক্তাদী পুরুষ বালক বা নারী যাই হোক না কেন
(১৪১৪) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) (দু'আ করে) বলেছেন, আল্লাহ সে পুরুষের উপর রহম করুন, যে রাত্রিতে ঘুম থেকে উঠে, অতঃপর সালাত (নফল) আদায় করে এবং তার স্ত্রীকেও জাগিয়ে দেয়, সেও (নফল) সালাত আদায় করে। যদি সে উঠতে না চায় তবে তার মুখমণ্ডলে পানির ছিটা দেয়। আল্লাহ সে মহিলার উপর রহম করুন, যে রাত্রিতে ঘুম থেকে জাগ্রত হয়, অতঃপর নফল সালাত আদায় করে এবং তার স্বামীকেও জাগিয়ে দেয়, সেও (নফল) সালাত আদায় করে। যদি সে জাগতে না চায় তবে সে তার চোখে-মুখে পানি দেয়।
كتاب الصلاة
(13) باب انعقاد الجماعة بامام ومأموم سواء كان المأموم رجلا أم صبيا ام امرأة
(1418) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلَّي الله عليه وآله وسلَّم رحم الله رجلًا قام من اللَّيل فصلَّى وأيقظ امرأته فصلَّت، فإن أبت نضح فوجهها الماء، ورحم الله امرأةً قامت من اللَّيل فصلَّت وأيقظت زوجها فصلَّى، فإن أبى نضحت في وجهه الماء
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪১৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ এক্তেদার হুকুম আহকাম এবং মুক্তাদী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিভিন্ন অধ্যায়

(১) অধ্যায়ঃ ইমামের অনুসরণের অপরিহার্যতা এবং তাঁকে অগ্রগামীতার নিষেধাজ্ঞা
(১৪১৫) (ইমাম আহমদ বলেন,) আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন, আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবন সায়ীদ, তিনি বলেন আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন হিশাম, তিনি বলেন, আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন কাতাদা, তিনি ইউনুস ইবন্ যুবাইর হতে, তিনি হাত্তান ইবন্ আব্দুল্লাহ আর-রাকাশী হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আবূ মূসা আশআরী তাঁর সাথীদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তিনি যখন বসলেন তখন গোত্রের এক ব্যক্তি বলল, সালাত অবধারিত হয়েছে কল্যাণ এবং পবিত্রতার জন্য। আবূ মূসা আশ'আরী তাঁর সালাত শেষে গোত্রের লোকজনের সামনে এলেন এবং বললেন, তোমাদের মধ্যে এইসব এইসব কথা কে বললে? গোত্রের সবাই চুপ মেরে গেল। তিনি বললেন, হাত্তান ইবন আব্দুল্লাহকে লক্ষ্য করে বললেন, হে হাত্তান, সম্ভবত তুমিই এমনটি বলে থাকবে। হিত্তান বললো, আল্লাহর কসম! আমি এমন কথা শুনি নাই। আমাকে ভর্ৎসনা করা হবে এমন ব্যাপারে আমি ভয় পাই (এড়িয়ে চলি)। গোত্রের এক ব্যক্তি বলল, আমিই উক্ত কথা বলেছি তবে এর দ্বারা আমার কল্যাণ উদ্দেশ্য বৈ ছিল না। আবূ মূসা আশ'আরী বললেন, তোমরা কি জান, তোমরা তোমাদের সালাতের ব্যাপারে কি বলেছ? অথচ নবী (আ) আমাদের সামনে বক্তব্য দিলেন অতঃপর আমাদেরকে আমাদের সুন্নাত সম্পর্কে শিক্ষা দিলেন এবং আমাদের সামনে বর্ণনা দিলেন (আদায়ের পদ্ধতি) আমাদের সালাত আদায় সম্পর্কে। অতঃপর তিনি বললেন, তোমাদের লাইনগুলোকে সমান করে নাও। এরপর তোমাদের ইমাম হবেন তোমাদের মাঝে যার পড়া বেশী শুদ্ধ। এরপর তিনি যখন তাকবীর দিবেন অতঃপর তোমরাও তাকবীর বলবে। তিনি যখন وَلَا الضَّالِّينَ বলবেন তখন তোমরা آمِيْن বলবে। আল্লাহ তোমাদের এ দু'আর জবাব দিবেন। অতঃপর যখন ইমাম তাকবীর দিবেন এবং রুকুতে যাবেন তখন তোমরাও তাকবীর দিবে এবং রুকু করবে। হা নিশ্চয়ই ইমাম তোমাদের পূর্বে রুকুতে যাবে এবং তোমাদের পূর্বে রুকু থেকে উঠবে। নবী (ﷺ) বলেন, ইমামের কারণেই তোমরা এমনটি করছ। অতঃপর ইমাম যখন سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলবে তখন তোমরা اللَّهمَّ رَبَنَا لَكَ الْحَمْدُ বলবে। আল্লাহ তোমাদের এ দু'আও শ্রবণ করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর নবীর যবানে سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলেছেন। এরপর যখন ইমাম তাকবীর দিবে এবং সিজদায় যাবে তখন তোমরাও তাকবীর দিবে এবং সিজদায় যাবে। তবে ইমাম তোমাদের পূর্বেই সিজদায় যাবেন এবং তোমাদের পূর্বেই সিজদা থেকে উঠবেন। নবী (ﷺ) বলেছেন, ইমামের কারণেই তোমরা এমনটি করছ। অতঃপর ইমাম যখন বৈঠকে যাবেন (তাশাহহুদের বৈঠক। তখন তোমরা সর্বাগ্রে এ কথা বলবে।
التَّحِيَّاتُ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ لِلَّهِ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لآ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ.
(এমন দোয়া পাঠ করবে।)
(হাদীসটি মুসলিম ও আবু দাউদে আরো বিস্তারিত এবং ইবনু মাজাহ, নাসায়ী, দারাকুতনী ও তাহাভীতে সংক্ষেপে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
أبواب ما يتعلق بالمأمومين وأحكام الاقتداء

(1) باب وجوب متابعة الأمام والنهى عن مسابقة
(1419) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبة ثنا يحيى بن سعيدٍ ثنا هشامٌ قال ثنا قتادة يونس بن جبيرٍ عن حطَّان بن عبد الله الرَّقشى أنَّ الأشعرى صلَّى بأصحابه صلاةً، فقال رجلٌ من القوم حين أقرت الصلَّاة بالبرِّ والزَّكاة، فلمَّا قضى الأشعرى صلاته أقبل على القوم فقال أيكم القائل كلمة كذا وكذا فأرمَّ القوم، قال أبو عبد الرَّحمن قال أبي أرمَّ السكوت، قال لعلَّك يا حطَّان قلتها، لحطَّان بن عبد الله، قال والله إن قلتها، ولقد رهبت أن تبعكنى بها قال رجلٌ من القوم أنا قلتها وما أردت بها إلاَّ الخير، فقال الأشعرىُّ ألا تعلمون ما تقولون في صلاتكم؟ فإنَّ نبيَّ الله صلى الله عليه وسلم خطبنا فعلَّمنا سنَّتنا وبيَّن لنا صلاتنا فقال أقيموا صفوفكم ثمَّ ليؤمَّكم اقرؤكم، فإذا كبَّر فكبَّروا وإذا قال ولا الضَّالَّين فقولوا آمين بحبكم الله ثمَّ إذا كبَّر الإمام وركع فكبَّروا واركعوا فإنَّ الإمام يركع قبلكم ويرفع قبلكم، قال نبيُّ الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم فتلك بتلك فإذا قال سمع الله لمن حمده فقولوا االلَّهمَّ ربَّنا لك الحمد يسمع الله لكم فإنَّ الله عزَّ وجل قال على لسان نبيِّه صلى الله عليه وسلم سمع الله لمن حمده، وإذا كبَّر الإمام وسجد فكبِّروا واسجدوا، فإنَّ الإمام يسجد قبلكم ويرفع قبلكم، قال نبيُّ الله صلى الله عليه وسلم فتلك بتلك، فإذا كان عند القعدة فليكن من أول قول أحدكم أن يقول، التَّحيَّات الَّطَّيَّبات الصلوات لله، السلَّام عليك أيُّها النَّبيُّ ورحمة الله وبركاته، السلَّام علينا وعلى عباد الله الصَّالحين، أشهد أن لا إله إلاَّ الله وأشهد أنَّ محمَّدًا عبده ورسوله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪২০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ এক্তেদার হুকুম আহকাম এবং মুক্তাদী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিভিন্ন অধ্যায়

(১) অধ্যায়ঃ ইমামের অনুসরণের অপরিহার্যতা এবং তাঁকে অগ্রগামীতার নিষেধাজ্ঞা
(১৪১৬) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, ইমাম বানানো হয়েছে অনুসরণের জন্য। (অতএব তোমরা তার সাথে মতবিরোধ করো না।) সুতরাং তিনি যখন তাকবীর বলবেন, তোমরাও তাকবীর বলবে। আর তিনি তাকবীর না বলা পর্যন্ত তোমরা তাকবীর বলবে না। তিনি যখন রুকু করবেন তোমরাও তখন রুকু করবে তিনি রুকু না করা পর্যন্ত তোমরা রুকু করবে না। তিনি যখন سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলবেন, তোমরা তখন رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ বলবে, কোন কোন বর্ণনায় এসেছে তোমরা اللَّهُم رَبَّنَا لَكَ الحَمْدُ বলবে। অপর বর্ণনায় এসেছে رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ বলবে। তিনি যখন সিজদায় যাবেন তোমরাও তখন সিজদায় যাবে। তিনি সিজদায় না যাওয়া পর্যন্ত তোমরা সিজদায় যাবে না। আর তিনি যদি বসে বসে সালাত আদায়কারী হন তবে তোমরা সবাই বসে বসে সালাত আদায় করবে।
(হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
أبواب ما يتعلق بالمأمومين وأحكام الاقتداء

(1) باب وجوب متابعة الأمام والنهى عن مسابقة
(1420) عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال إنَّما الإمام ليؤتمَّ (فلا تختلفوا عليه) فإذا كبَّر فكبِّروا، ولا تكبِّروا حتَّى يكبِّر، وإذا ركع فاركعوا ولا تركعوا حتَّى يركع، وإذا قال سمع الله لمن حمده فقولوا ربَّنا ولك الحمد (وفى روايةٍ اللَّهمَّ ربَّنا لك الحمد، وفى أخرى ربَّنا لك الحمد) وإذا سجد فاسجدوا، ولا تسجدوا حتَّى يسجد، وإن صلَّى جالسًا فصلُّوا جلوسًا أجمعون
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪২১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ এক্তেদার হুকুম আহকাম এবং মুক্তাদী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিভিন্ন অধ্যায়

(১) অধ্যায়ঃ ইমামের অনুসরণের অপরিহার্যতা এবং তাঁকে অগ্রগামীতার নিষেধাজ্ঞা
(১৪১৭) বারা ইবন আযিব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) যখন রুকু থেকে মাথা উঠাতেন তখন আমাদের কেউই তার পিঠ ঝুঁকিয়ে রাখতো না। এরপর তিনি সিজদায় যেতেন। অতঃপর আমরা সবাই সিজদায় যেতাম।
(হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
أبواب ما يتعلق بالمأمومين وأحكام الاقتداء

(1) باب وجوب متابعة الأمام والنهى عن مسابقة
(1421) عن البراء بن عازبٍ رضى الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا رفع رأسه من الرُّكوع لم يحن رجلٌ منَّا ظهره حتَّى يسجد ثمَّ نسجد
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪২২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ এক্তেদার হুকুম আহকাম এবং মুক্তাদী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিভিন্ন অধ্যায়

(১) অধ্যায়ঃ ইমামের অনুসরণের অপরিহার্যতা এবং তাঁকে অগ্রগামীতার নিষেধাজ্ঞা
(১৪১৮) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর পিছনে সালাত আদায় করছিল। সে তাঁর (রাসূলের) আগেই রুকুতে যাচ্ছিল এবং তাঁর (রুকু থেকে) উঠার আগেই উঠছিল। অতঃপর রাসূল (ﷺ) যখন সালাত সমাপ্ত করলেন, বললেন, এমনটি কে করেছে? লোকটি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি করেছি। আমি চেয়েছি যে, আপনি এটা জেনেছেন কিনা জানব। রাসূল (ﷺ) বললেন, সালাতের ত্রুটি-বিচ্যুতি থেকে বেঁচে থাক। ইমাম যখন রুকুতে যাবে অতঃপর তোমরাও রুকুতে যাবে আর তিনি যখন (রুকু থেকে) উঠবেন। অতঃপর তোমরাও উঠবে।
(হাইসামী বলেন, হাদীসটি তবারানী তার মু'জামুল আওসাতে বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের সনদে আইয়ুব ইবন জাবির আছেন, যিনি দুর্বল। ইবনে আদী তাকে দুর্বল বলেছেন।)
كتاب الصلاة
أبواب ما يتعلق بالمأمومين وأحكام الاقتداء

(1) باب وجوب متابعة الأمام والنهى عن مسابقة
(1422) عن أبى سعيد الخدرى رضى الله عنه قال صلَّى رجلٌ خلف النبي صلى الله عليه وسلم فجعل يركع قبل أن يركع، ويرفع قبل أن يرفع، فلمَا قضى النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم الصلَّاة قال من فعل هذا؟ قال أنا يا رسول الله أحببت أن أعلم تعلم ذلك أم لا فنال اتَّقوا خداج الصلَّاة إذا ركع الإمام فاركعوا وإذا رفع فارفعوا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪২৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ এক্তেদার হুকুম আহকাম এবং মুক্তাদী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিভিন্ন অধ্যায়

(১) অধ্যায়ঃ ইমামের অনুসরণের অপরিহার্যতা এবং তাঁকে অগ্রগামীতার নিষেধাজ্ঞা
(১৪১৯) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন। একদা তিনি সালাত সমাপ্ত করলেন, অতঃপর আমাদের সামনে আসলেন, এরপর বললেন, হে মানুষেরা, আমি তোমাদের ইমাম। অতএব তোমরা আমা হতে অগ্রগামী হইও না। না রুকুতে, না সিজদায়, না উঠায়, না বসায়, আর না সালাতের সমাপ্তিতে, আর (জেনে রেখ) নিশ্চয়ই আমি দেখতে পাই আমার সামনে এবং পিছনে। যে সত্তার হাতে আমার প্রাণ তাঁর কসম করে বলছি! আমি যা দেখতে পাই তা যদি তোমরা দেখতে তবে হাসতে কম কাঁদতে বেশী। তাঁরা জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কি দেখতে পান? তিনি জবাব দিলেন, আমি জান্নাত ও জাহান্নাম দেখতে পাই। কোন কোন বর্ণনায় অতিরিক্ত একথা রয়েছে যে, তিনি তাঁদেরকে সালাতের প্রতি উৎসাহিত করলেন।
(হাদীসটি মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
أبواب ما يتعلق بالمأمومين وأحكام الاقتداء

(1) باب وجوب متابعة الأمام والنهى عن مسابقة
(1423) عن أنس بن مالك رضى الله عنه قال قال رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم ذات يومٍ وقد انصرف من الصلَّاة قأقبل إلينا فقال يا أيُّها النَّاس إنِّى إمامكم، فلا تسبقونى بالرُّكوع ولا بالسُّجود ولا بالقيام ولا بالعقود ولا بالانصراف فإنِّى أراكم من أمامى ومن خلفى، وأيم الَّذى نفسى بيده لو رأيتم ما رأيتم لضحكتم قليلًا ولبيتكم كثيرًا، قالوا يا رسول الله ما رأيت؟ رأيت الجنَّة والنَّار زاد فى روايةٍ وحضَّنهم على الصلَّاة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪২৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ এক্তেদার হুকুম আহকাম এবং মুক্তাদী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিভিন্ন অধ্যায়

(১) অধ্যায়ঃ ইমামের অনুসরণের অপরিহার্যতা এবং তাঁকে অগ্রগামীতার নিষেধাজ্ঞা
(১৪২০) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয়ই নবী (ﷺ) বলেছেন, অথবা (অন্য বর্ণনায়। তিনি বলেন, আবুল কাসিম (ﷺ) বলেছেন, তার কি কোন ভয় নেই যে, সে (সিজদা থেকে) মাথা উঠায় অথচ তখনও ইমাম সিজদায়। (যে এরকম করবে) আল্লাহ তার মাথাকে গাধার মাথায় রূপান্তরিত করে দিবেন।
(উক্ত আবু হুরায়রা (রা) থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত) তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ইমামের সাথে ইমামের পূর্বে তার মাথা (সিজদা থেকে) উঠায় তার কোন নিরাপত্তা নেই। আল্লাহ তার আকৃতিকে গাধার আকৃতিতে রূপান্তরিত করবেন।
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম ও অপরাপর চারটি সুনানে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
أبواب ما يتعلق بالمأمومين وأحكام الاقتداء

(1) باب وجوب متابعة الأمام والنهى عن مسابقة
(1424) عن أبي هريرة رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أو قال قال أبو القاسم صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم أما يخاف الذَّى يرفع رأسه والإمام سادٌ أن يحوِّل رأسه رأس حمارٍ (وعنه من طريقٍ ثانٍ) قال قال رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم ما يأمن الذى يرفع رأسه قبل الإمام وهو مع الإمام أن يحوِّل الله صورته صورة حمارٍ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪২৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ এক্তেদার হুকুম আহকাম এবং মুক্তাদী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিভিন্ন অধ্যায়

(১) অধ্যায়ঃ ইমামের অনুসরণের অপরিহার্যতা এবং তাঁকে অগ্রগামীতার নিষেধাজ্ঞা
(১৪২১) মু'আবিয়া ইবন আবু সুফিয়ান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, তোমরা আমার থেকে অগ্রগামী হবে না, না রুকুতে না সিজদায়। আমি যদি কখনো তোমাদের চেয়ে অগ্রগামীও হই বা তাড়াহুড়া করি রুকুর সময়ে আমি রুকু থেকে উঠার আগেই তোমরা পেলেই চলবে। অনুরূপভাবে সিজদাতেও যদি তাড়াহুড়া করি সেখান থেকে মাথা উঠানোর পূর্বে আমাকে সিজদায় পেলেই চলবে। আমি তো স্থুলকায় হয়ে গেছি। অর্থাৎ এতবেশী তাড়াহুড়া করি না।
(এ হাদীসটি আবু দাউদ, ইবন মাজাহ ও তবারানীর মু'জামুল কাবীরে বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীসের সনদের রাবীগণ সহীহ্ হাদীসের রাবীদের ন্যায়।)
كتاب الصلاة
أبواب ما يتعلق بالمأمومين وأحكام الاقتداء

(1) باب وجوب متابعة الأمام والنهى عن مسابقة
(1425) عن معاوية بن أبى سفيان رضي الله عنه عن النَّبيَّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم قال لا تبادروني بركوعٍ ولا سجودٍ فإنَّه مهما أسبقكم به إذا ركعت، تدركونى إذا رفعت، ومهما أسبقكم سجدت، تدركونى إذا رفعت، إنِّى قد بدنت
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪২৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ এক্তেদার হুকুম আহকাম এবং মুক্তাদী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিভিন্ন অধ্যায়

(১) অধ্যায়ঃ ইমামের অনুসরণের অপরিহার্যতা এবং তাঁকে অগ্রগামীতার নিষেধাজ্ঞা
(১৪২২) আবূ ইসহাক থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন ইয়াযিদ আল আনসারীকে বক্তৃতা দিতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন যে, বারা ইবন আযিব (রা) আমাদেরকে খবর দিয়েছেন (আর তিনি হাদীস বর্ণনায় মিথ্যাবাদী নন) যে, নিশ্চয়ই রাসূল (ﷺ) যখন রুকু থেকে মাথা উঠাতেন তখন ঠিকমত সোজা হয়ে দাঁড়াতেন, অতঃপর তিনি সিজদায় যেতেন এরপর তাঁরা (মুক্তাদী/সাহাবা) সবাই সিজদায় যেতেন।
(হাদীসটি বুখারী ও নাসায়ীতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
أبواب ما يتعلق بالمأمومين وأحكام الاقتداء

(1) باب وجوب متابعة الأمام والنهى عن مسابقة
(1426) عن أبى إسحاق أنَّه سمع عبد الله بن يزيد الأنصاريَّ يخطب فقال أخبرنا البراء (بن عازبٍ) رضى الله عنه وهو غير كذوبٍ أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا رفع رأسه من الرُّكوع قاموا قيامًا حتَّى يسجد ثمَّ يسجدون
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪২৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়ঃ নফল আদায়কারীর পিছনে ফরয আদায়কারীর ইক্তিদা এবং মুসাফিরের পিছনে মুকীমের ইক্তিদা প্রসঙ্গ
(১৪২৩) জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে মু'আয ইবন জাবাল (রা) রাসূল (ﷺ)-এর সাথে ইশার সালাত আদায় করতেন, অতঃপর স্বীয় গোত্রে গিয়ে ইশার সালাতের ইমামতি করতেন।
(হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(2) باب اقتداء المفترض بالمتنقل والمقيم بالمسافر
(1427) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما أن معاذ بن جبلٍ رضى الله عنه كانم يصلِّى مع رسول الله صلَّى عليه وآله وسلَّم العشاء ثمَّ يأتى قومه فيصلِّى بهم تلك الصلَّاة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪২৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়ঃ নফল আদায়কারীর পিছনে ফরয আদায়কারীর ইক্তিদা এবং মুসাফিরের পিছনে মুকীমের ইক্তিদা প্রসঙ্গ
(১৪২৪) ইমরান ইবন্ হুসাইন (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের সময় আমি (রাসূলের) সাথে সাক্ষাৎ করলাম, সে সময় তিনি মক্কায় ১৮ দিন অবস্থান করেন। মক্কায় অবস্থানকালীন তিনি দুই রাকা'আত বৈ সালাত আদায় করতেন না। আর স্থায়ী বাসিন্দাদের অর্থাৎ মক্কাবাসীদের তিনি বলেন, তোমরা চার রাকাতই আদায় কর। কেননা, আমরা মুসাফির।
(হাদীসটি বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(2) باب اقتداء المفترض بالمتنقل والمقيم بالمسافر
(1428) عن عمر ان بن حصينٍ رضي الله عنه قال شهدت معه (يعنى النبيَّ صلى الله عليه وسلم) الفتح فأقام بمكَّة ثمان عشرة لا يصلِّى إلا ركعتين ويقول
لأهل البلد صلُّوا أربعًا فإنَّا سفرٌ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪২৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অধ্যায়: তায়াম্মুমকারীর পিছনে ওযুকারীর ইক্তিদা জায়েয হওয়া প্রসঙ্গে
(১৪২৫) আমর ইবনুল 'আস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) যখন ذات السَّلاسل বছর তাঁকে প্রেরণ করেন তখন এক প্রচণ্ড শীতের রাত্রে আমার স্বপ্নদোষ হল তখন গোসল করে নিজেকে ক্ষতিগ্রস্ততায় নিক্ষেপ করার ব্যাপারে নিজের প্রতি দয়াদ্র হলাম (গোসল করলাম না)। অতঃপর আমি তায়াম্মুম করলাম এবং আমার সাথীদের ফজরের সালাতের ইমামতি করলাম। তিনি বলেন, এরপর যখন আমরা রাসূল (ﷺ)-এর কাছে আসলাম তখন তাঁকে এ ঘটনা বললাম। (একথা শুনে রাসূল (ﷺ) বললেন, হে আমর, তুমি কি অপবিত্র অবস্থায় তোমার সাথীদের সালাতের ইমামতি করেছ? তিনি বলেন, আমি বললাম, হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ। কেননা এক প্রচণ্ড শীতের রাতে আমার স্বপ্নদোষ হল। অতঃপর আমি নিজেকে ক্ষতিগ্রস্ত করার ব্যাপারে দয়াদ্র হলাম, (গোসল করলাম না।) এবং আমি আল্লাহর এই আয়াত স্মরণ করলাম {وَلَا تَقْتُلُوا أَنْفُسَكُمْ إِنَّ اللَّهَ كَانَ بِكُمْ رَحِيمًا} [النساء: 29] অর্থাৎ তোমরা নিজেদেরকে হত্যা করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের প্রতি দয়াদ্র। এরপরেই আমি তায়াম্মুম করলাম এবং সালাত আদায় করলাম। (এতদশ্রবণে) রাসূল (ﷺ) হেসে দিলেন আর কিছুই বললেন না।
كتاب الصلاة
(3) باب جواز اقتداء المتوضئ بالمتيمم
(1429) عن عمرو بن العاص رضى الله عنه أنَّه قال لماَّ بعثه رسول الله صلى الله عليه وسلم عام ذات السَّلاسل قال احتملت في ليلة باردةٍ شديدة البرد فأشفقت إن اغتسلت أن أهلك فتيمَّمت ثمَّ صلَّيت باصحابى صلاة الصُّبح، قال فلمَّما قدمنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكرت ذلك له، فقال يا عمرو وصلَّيت بأصحابك وأنت جنبٌ؟ قال قلت نعم يارسول الله، إنِّى احتلمت فى ليلةٍ باردةٍ شديدة البرد فاشفقت إن اغتسلت أن أهلك وذكرت قول الله عزَّ
وجلَّ "ولا تقتلوا أنفسكم إنَّ الله كان بكم رحيمًا" فتيمَّمت ثمَّ صلَّيت فضحك رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم ولم يقل شيئًا
tahqiq

তাহকীক: