মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ১৩১০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: জামাতের গুরুত্ব ও তৎপ্রতি উৎসাহ প্রদান প্রসঙ্গে
(১৩০৬) মুয়ায ইবন জাবাল (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, নবী (ﷺ) বলেছেন, শয়তান হলো মানুষের জন্য বাঘ স্বরূপ, যেমন ছাগলের জন্য বাঘ। সে পাল থেকে বিচ্ছিন্ন ও দলছুট ছাগল ধরে থাকে। অতএব, তোমরা বিচ্ছিন্নতা থেকে বেঁচে থাক। আর তোমরা জামাতবদ্ধ থাক, সাধারণের সাথে থাক, মসজিদের সাথে থাক।
(হাদীসটি আব্দুর রাযযাকের জামেতে বর্ণিত হয়েছে। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى تأكيدها والحث عليها
(1310) عن معاذ بن جبلٍ رضى الله عنه أنَّ النَّبيَّ صلَّى الله عليه وسلَّم قال إنَّ الشيطان ذئب الإنسان كذئب الغنم يأخذ الشَّاة القاصية والنَّاحية فإيَّاكم والشِّعاب وعليكم بالجماعة والعامَّة والمسجد
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩১১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪। অনুচ্ছেদ: জামা'আতের সালাত বিশেষত ইশা এবং ফজরের জামা'আতে অংশগ্রহণে বিমুখ ব্যক্তির ওপর কঠোরতা আরোপ প্রসঙ্গে
(১৩০৭) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, মসজিদের আশে পাশের কিছু লোকজন হয় ইশার জামা'আতে অংশগ্রহণ করবে (অর্থাৎ জামা'আতে হাজির হবে) অন্যথায় আমি অবশ্যই কাঠের বোঝা দিয়ে তাদের বাড়ীঘর জ্বালিয়ে দিব।
(হাইসামী বলেন- ممن حول المسجد বাক্যাংশ ব্যতীত হাদীসটি সহীহ, ইমাম আহমদ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, তাঁর হাদীসের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(4) باب ما جاء فى التشديد على من تخلف عن الجماعة خصوصا العشاء والفجر
(1311) عن أبى هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم لينتهنَّ رجالٌ مَّمن حول المسجد لا يشهدون العشاء الآخرة فى الجميع أو لأحرَّقن حول بيوتهم بحزم الحطب
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩১২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪। অনুচ্ছেদ: জামা'আতের সালাত বিশেষত ইশা এবং ফজরের জামা'আতে অংশগ্রহণে বিমুখ ব্যক্তির ওপর কঠোরতা আরোপ প্রসঙ্গে
(১৩০৮) তাঁর (আবূ হুরায়রা (রা)) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যদি গৃহসমূহে নারী ও শিশুরা না থাকতো তবে অবশ্যই আমি ইশার জামা'আত কায়েম করে তারপর আমার যুবকদের নির্দেশ দিতাম যেন তারা বাড়িতে যারা আছে তাদেরকে অগ্নি দিয়ে ভষ্মীভূত করে দেয়।
(এ হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি, হায়ছামী বলেন, এটি নির্ভরযোগ্য নয়। রাবীদের একজন আবু মা'শার দুর্বল।)
كتاب الصلاة
(4) باب ما جاء فى التشديد على من تخلف عن الجماعة خصوصا العشاء والفجر
(1312) وعنه أيضًا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لولا ما فى البيوت من النساء والذَّريَّة لأقمت صلاة العشاء وأمرت فتيانى يحرِّقون ما فى البيوت بالنَّار
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩১৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪। অনুচ্ছেদ: জামা'আতের সালাত বিশেষত ইশা এবং ফজরের জামা'আতে অংশগ্রহণে বিমুখ ব্যক্তির ওপর কঠোরতা আরোপ প্রসঙ্গে
(১৩০৯) উক্ত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, মুনাফিকের জন্য সর্বাপেক্ষা কঠিন সালাত হচ্ছে ইশার ও ফজরের সালাত। যদি তারা জানতো এতদুভয়ের মাঝে কি আছে, তবে তারা অবশ্যই উক্ত সালাতদ্বয়ে (জামা'আতে), হামাগুড়ি দিয়ে হলেও হাযির হতো। আমার ইচ্ছা হয় যে, আমি মুয়াযযিনকে নির্দেশ দিই সে আযান (ইকামত) দিবে, অতঃপর আরেকজনকে নির্দেশ দিই সে সালাতের ইমামতি করবে, এরপর আমি কিছু মানুষ যাদের নিকটে খড়ির বোঝা থাকবে তাদের নিয়ে বেরিয়ে পড়ি, যারা জামাতে হাযির হয় নি এমন জনগোষ্ঠীর বাড়ীঘর আগুনে জ্বালিয়ে দিই।
(বুখারী ও মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(4) باب ما جاء فى التشديد على من تخلف عن الجماعة خصوصا العشاء والفجر
(1313) وعنه أيضًا قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أثقل الصلَّاة على المنافقين صلاةى العشاء وصلاة الفجر، ولو يعلمون ما فيهما لأتوهما ولو حبوًا ولقد هممت أن آمر المؤذَّن فيؤذَّن آمر رجلًا يصلَّى بالنَّاس ثمَّ أنطلق معى برجالٍ معهم حزم الحطب إلى قومٍ يتخلَّفون عن الصَّلاة فأخرِّق عليهم بيوتهم بالنَّار
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩১৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪। অনুচ্ছেদ: জামা'আতের সালাত বিশেষত ইশা এবং ফজরের জামা'আতে অংশগ্রহণে বিমুখ ব্যক্তির ওপর কঠোরতা আরোপ প্রসঙ্গে
(১৩১০) ইবন উম্মে মাকতুম (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূল (ﷺ) মসজিদে আসলেন, তখন মুসল্লী সংখ্যা কম দেখতে পেলেন। তিনি বললেন, আমার ইচ্ছা হয় সমবেত মুসল্লীদের জন্য একজন ইমাম ঠিক করে দেই আর আমি যারা জামা'আতে আসে নি তাদের বাড়িতে বেরিয়ে পড়ি এবং তা জ্বালিয়ে দেই। তখন ইবন উম্মে মাকতুম জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল, মসজিদ এবং আমার বাড়ির মাঝখানে কিছু খেজুর গাছ ও অন্য গাছ আছে। আমি সব সময় এমন লোক পাই না যে আমাকে মসজিদে পৌছিয়ে দিবে। আমি কি আমার গৃহে সালাত আদায় করতে পারি? রাসূল (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি আযান শুনতে পাও? ইবন উম্মে মাকতুম বললেন, হ্যাঁ। রাসূল (ﷺ) বললেন, তাহলে তুমি জামা'আতে হাযির হবে*।
*উক্ত সাহাবী অন্ধ ছিলেন বিধায় মসজিদে যেতে তার সাহায্যকারী প্রয়োজন হত।
(সহীহ ইবনে খুযাইমা ও হাকেম। তিনি বলেন, এর সনদ সহীহ। যাহাবী তার অভিমত সমর্থন করেননি)
كتاب الصلاة
(4) باب ما جاء فى التشديد على من تخلف عن الجماعة خصوصا العشاء والفجر
(1314) عن عبد الله بن شدَّاد بن الهاد عن ابن أم مكتومٍ رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم أتي المسجد فرأى فى القوم رقَّةً فقال إنَّى لأهمُّ أن أجعل للنَّاس إمامًا أخرج فلا أقدر على إنسانٍ يتخلًف عن الصَّلاة في بيته إلاَّ أحرقته عليه، فقال ابن أمِّ مكتومٍ يا رسول الله إنَّ بينى وبين المسجد نخلًا وشجرًا ولا أقدر على قائدٍ كلَّ ساعةٍ، أيسعنى أن أصلِّى فى بيتى؟ قال أتسمع الإقامة؟ قال نعم، قال فأتها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩১৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪। অনুচ্ছেদ: জামা'আতের সালাত বিশেষত ইশা এবং ফজরের জামা'আতে অংশগ্রহণে বিমুখ ব্যক্তির ওপর কঠোরতা আরোপ প্রসঙ্গে
(১৩১১) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আমার ইচ্ছা হয় যে, আমি আমার যুবকদেরকে কাঠ সংগ্রহের নির্দেশ দেই। অতঃপর একজনকে ইমামতির নির্দেশ দিয়ে আমি বেরিয়ে পড়ি তাদের খোঁজে যারা (সালাতে) হাযির হয় নি এবং তাদের বাড়িঘরগুলো জ্বালিয়ে দেই। আল্লাহর কসম! তারা যদি জানত যে, তথায় উপস্থিত হলে সামান্য গোশত অথবা ছাগলের পায়ের খুড়া পাওয়া যাবে তবে অবশ্যই তারা সেখানে হাযির হত। তারা যদি জানতো, জামাতে কী (ফযীলত) আছে, তবে অবশ্যই তাতে শামিল হত, হামাগুড়ি দিয়ে হলেও।
(বুখারী, মুসলিম এবং চার সুনানে বর্ণিত।)
كتاب الصلاة
(4) باب ما جاء فى التشديد على من تخلف عن الجماعة خصوصا العشاء والفجر
(1315) عن أبى هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم لقد هممت أن آمر فتياني فيجمعوا حطبًا، ثمَّ آمر رجلًا يومُّ النَّاس ثمَّ أخالف إلى رجالٍ يتخلَّفون عن الصلّاة فأحرِّق عليهم بيوتهم وايم الله لو يعلم أحدهم أنَّ له بشهودها عرقًا سمينًا أو مر ماتين لشهدها ولو يعلمون ما فيها لأتوها ولو حبوًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩১৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪। অনুচ্ছেদ: জামা'আতের সালাত বিশেষত ইশা এবং ফজরের জামা'আতে অংশগ্রহণে বিমুখ ব্যক্তির ওপর কঠোরতা আরোপ প্রসঙ্গে
(১৩১২) উক্ত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে আরও বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) মসজিদে আসলেন, অপর এক বর্ণনায় আছে তিনি ইশার সালাতের জন্য মসজিদে প্রবেশ করলেন, সেখানে অল্প কিছু লোককে এদিক-সেদিক বিচ্ছিন্ন অবস্থায় হালকাবদ্ধ জড়ো অবস্থায় দেখতে পেলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন রাসূল (ﷺ) প্রচণ্ড ক্রোধান্বিত হলেন। তাঁকে এত বেশী ক্রোধান্বিত হতে আমরা আর কখনো দেখি নি। রাসূল (ﷺ) বললেন, আমার ইচ্ছা হয় কোন একজনকে ইমামতির দায়িত্ব দিয়ে- তাদের অন্বেষণে বেরিয়ে পড়ি, যারা জামা'আতে আসে নি। অতঃপর তাদের বাড়ি-ঘরে আগুন জ্বালিয়ে দেই।
(হাদীসটি শব্দাবলী সমেত অন্যত্র পাওয়া যায়নি। তবে এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য, পূর্বের হাদীসগুলো একে শক্তিশালী করছে।)
كتاب الصلاة
(4) باب ما جاء فى التشديد على من تخلف عن الجماعة خصوصا العشاء والفجر
(1316) وعنه أيضًا قال جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى المسجد "وفى رواية دخل رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم المسجد صلاة العشاء" فرآهم عزين متفرِّقين قال فغضب غضبًا شديدًا ما رأيناه غضب غضبًا أشد منه، قال والله لقد هممت أن آمر رجلًا يؤمُّ النَّاس ثمَّ أتتبَّع هؤلاء الَّذين يتخلَّفون عن الصًّلاة فى دورهم فأحرَّقها عليهم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩১৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪। অনুচ্ছেদ: জামা'আতের সালাত বিশেষত ইশা এবং ফজরের জামা'আতে অংশগ্রহণে বিমুখ ব্যক্তির ওপর কঠোরতা আরোপ প্রসঙ্গে
(১৩১৩) উক্ত আবু হুরায়রা (রা) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা এক রাত্রিতে রাসূল (ﷺ) ইশার সালাতকে বিলম্বিত করলেন, এমনকি রাত্রির এক তৃতীয়াংশ বা তার কাছাকাছি সময় প্রায় অতিবাহিত হয়ে গেলো। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, অতঃপর রাসূল (ﷺ) (মসজিদে) আসলেন এবং খুব কম সংখ্যক মানুষকে উপস্থিত পেলেন, যারা ছিলেন ইতস্তত বিক্ষিপ্ত হালকাবদ্ধ। তখন তিনি প্রচণ্ডভাবে রেগে গেলেন। বললেন, যদি কোন গ্রাম্য লোক লোকদেরকে (সামান্য) এক টুকরা গোশত বা ছাগলের পায়ের দু'টো খুড়ার জন্যও দাওয়াত দেয় তবে তারা তা গ্রহণ করে (সেখানে হাযির হয়)। অথচ তারা এই সালাত (জামা'আত) থেকে বিরত থাকে। আমার ইচ্ছা হয় যে, কোন একজনকে এমন নির্দেশ দেই যে, যারা এই জামা'আত থেকে বিমুখ রয়েছে ঐ সকল গৃহবাসীকে খুঁজে বের করে অতঃপর তাদের বাড়ীশুদ্ধ আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়।
(ইবনে হাজার বলেন, হাদীসটি, সিরাজ ও ইবন্ হিব্বান একই সনদে বর্ণনা করেছেন। আমার মতে হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(4) باب ما جاء فى التشديد على من تخلف عن الجماعة خصوصا العشاء والفجر
(1317) وعنه رضي الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم أخَّر العشاء الآخرة ذات ليلة حتَّى كاد يذهب ثلث اللَّيل أو قرابه قال ثمَّ جاء وفي النَّاس رقَّةٌ وهم عزون فغضب غضبًا شديًدا، ثمَّ قال او أنَّ رجلًا بدا النَّاس إلى عرقٍ أو مر ماتين لأجابوا له، وهم يتخلَّفون عن هذه الصَّلاة، لقد هممت أن آمر رجلًا فيتخلَّف على أهل هذه الدُّور الَّذين يتخلَّفون عن هذه الصَّلاة فأحرِّقها عليهم بالنِّيران
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩১৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪। অনুচ্ছেদ: জামা'আতের সালাত বিশেষত ইশা এবং ফজরের জামা'আতে অংশগ্রহণে বিমুখ ব্যক্তির ওপর কঠোরতা আরোপ প্রসঙ্গে
(১৩১৪) আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আমার ইচ্ছা হয় কাউকে সালাতের ব্যাপারে (ইমামতির) দায়িত্ব দেই। অতঃপর নির্দেশ দেই যে, যারা আমাদের সাথে সালাতে হাযির হয় নি তাদেরকে তাদের বাড়িঘর সহ জ্বালিয়ে দেই।
(হাদীসটি ইমাম তবারানী মুজামুল আওসাত গ্রন্থে বর্ণনা করেন। ইমাম হাইসামী বলেন, হাদীসের রাবীগণ সহীহ হাদীসের রাবী।
كتاب الصلاة
(4) باب ما جاء فى التشديد على من تخلف عن الجماعة خصوصا العشاء والفجر
(1318) عن عبد الله (يعنى ابن مسعودٍ) رضى الله عنه قال قال رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم لقد هممت أن آمر رجلًا فيصلَّى بالنَّاس، ثمَّ آمر بأناسٍ لا يصلُّون فنحرِّق عليهم بيوتهم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩১৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪। অনুচ্ছেদ: জামা'আতের সালাত বিশেষত ইশা এবং ফজরের জামা'আতে অংশগ্রহণে বিমুখ ব্যক্তির ওপর কঠোরতা আরোপ প্রসঙ্গে
(১৩১৫) সাহল থেকে, তিনি তার পিতা (অর্থাৎ মুয়ায ইবন আনাস আল জুহানী (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন- রাসূল (ﷺ) বলেন, সে ব্যক্তি আল্লাহর রহমত থেকে অনেক দূরে সরে যাবে এবং কুফরী ও নিফাকীতে পতিত হবে, যে ব্যক্তি আল্লাহর আহবানকারীর (মুয়াযযিন-কে) সালাতের প্রতি এবং কল্যাণের (বেহেশতের) প্রতি আহ্বান করতে শুনে অথচ তাতে সাড়া দেয় না।
(হাদীসটি ইমাম তবারানী তাঁর মুজামুল কাবীর এ বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের সনদে زبان بن فائد নামক একজন রানী আছেন যার নির্ভরযোগ্যতা ও দুর্বলতার ব্যাপারে মতবিরোধ রয়েছে। ইমাম আহমদের রেওয়ায়েতে ইবন্ লাহিয়া আছেন যিনি দুর্বল। অবশ্য কেউ কেউ তবারানীর বর্ণনাটিকে হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
(4) باب ما جاء فى التشديد على من تخلف عن الجماعة خصوصا العشاء والفجر
(1319) عن سهلٍ عن أبيه (يعنى معاذ بن أنسٍ الجهنىَّ رضى الله عنه) عن رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم أنَّه قال الجفاء كلُّ الجفاء والكفر والنَّفاق من سمع منادى الله ينادى بالصَّلاة يدعو إلى الفلاح ولا يجيبه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩২০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) যে সকল কারণে জামা'আতে হাযির না হওয়া জায়েয হওয়ার ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে সে সম্পর্কিত অধ্যায়
(১৩১৬) নাফে' (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা) ঠাণ্ডা এবং ঝড়-বাতাসের এক রাতে আযান দিলেন। আযানের শেষাংশে তিনি বলতেন, 'তোমরা তোমাদের বাড়িতে সালাত আদায় করো' 'তোমরা তোমাদের বাড়িতে সালাত আদায় করো' 'তোমরা তোমাদের বাড়ীতে সালাত আদায় করো'। কেননা রাসুল (ﷺ) সফর অবস্থায় ঠাণ্ডা এবং ঝড়-বাতাস প্রবাহের রাত্রিতে মুয়াযীযনকে একথা বলতে নির্দেশ দিতেন যে, 'তোমরা (رحال) তাঁবুতে সালাত আদায় করো।'
উক্ত নাফে' (রা) থেকে অপর এক সনদে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবন উমর (রা) দাজনান* পাহাড়ের উপর জোরে সালাতের আযান দিলেন, অতঃপর বললেন, "তোমরা তাঁবুতে সালাত আদায় করো। অতঃপর তিনি (ইবনে উমর (রা)) রাসূল (ﷺ) থেকে হাদীস বর্ণনা করে বলেন, রাসূল (ﷺ) মুয়াযযিনকে সালাতের আযান দিতে বলতেন-তখন মুয়াযযিন আযান দিত। তারপর মুয়াযযিন সফরে ঠাণ্ডা এবং ঝড়ো রাত্রিতে আযানে বলতো, "তোমরা তাঁবুতে সালাত আদায় করো।"
* رحال শব্দটি رحل এর বহুবচন, যার উদ্দেশ্য হবে বাড়ি। চাই তা ইট, কাঠ, পাথর, খড়, তাঁবু জাতীয় বা যেমনই হোক না কেন।
*এটি একটি পাহাড়ের নাম-যা মক্কায় বা মক্কা ও মদীনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।
(বুখারী, মুসলিম ও মুয়াত্তা মালিক।)
كتاب الصلاة
(5) باب ما جاء فى الأعذار التى تبيح التخلف عن الجماعة
(1320) عن نافع أنَّ ابن عمر رضى الله عنهما نادى بالصَّلاة في ليلةٍ ذات بردٍ وريحٍ، ثمَّ قال في آخر ألا صلُّوا في رحالكم ألا صلُّوا فى رحالكم، ألا صلُّوا في الِّرحال، فإنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يأمر المؤذِّن إذا كانت ليلةٌ باردةٌ أو ذات ريحٍ فى السَّفر ألاَّ صلُّوا في الرِّحال (وعنه من طريق ثانٍ) قال نادى ابن عمر بالصَّلاة بضجنان ثم نادى أن صلُّوا فى رحالكم ثمَّ حدَّث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنَّه كان يأمر المنادي فينادي بالصلَّاة، ثمَّ ينادى أن صلُّوا فى رحالكم في اللَّيلة الباردة وفي اللَّيلة المطيرة في السفَّر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩২১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) যে সকল কারণে জামা'আতে হাযির না হওয়া জায়েয হওয়ার ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে সে সম্পর্কিত অধ্যায়
(১৩১৭) জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন- আমরা রাসূল (ﷺ)-এর সাথে সফরে বের হলাম- অতঃপর (বেশ) বৃষ্টি হয়ে গেল। নবী (ﷺ) ঘোষণা দিলেন তোমাদের যে চাইবে সে তার তাঁবুতেই সালাত আদায় করে নিতে পারবে।
(হাদীসটি মুসলিম, আবু দাউদ ও বায়হাকীতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(5) باب ما جاء فى الأعذار التى تبيح التخلف عن الجماعة
(1321) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فى سفر فمطرنا، قال ليصل من شاء منكم في رحله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩২২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) যে সকল কারণে জামা'আতে হাযির না হওয়া জায়েয হওয়ার ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে সে সম্পর্কিত অধ্যায়
(১৩১৮) আমর ইবন আউস থেকে বর্ণিত, তিনি এক ব্যাক্তি থেকে, যাকে নবী (ﷺ)-এর মুয়াযযিন হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন- নবী (ﷺ)-এর মুয়াযযিনগণ এক বর্ষণমুখর দিনে আযানে বললো, "ওহে তোমরা বাড়িতে সালাত আদায় করো।"
(ইমাম হায়ছামী হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এই হাদীসটি আহমদ বর্ণনা করেছেন, এর রাবীগণ সহীহ হাদীসের রাবী। আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এর সনদে এক অজ্ঞাত রাবী আছেন, সম্ভবত হায়ছামী কোনভাবে তার পরিচয় জেনেছিলেন।)
كتاب الصلاة
(5) باب ما جاء فى الأعذار التى تبيح التخلف عن الجماعة
(1322) عن عمر بن أوس عن رجلٍ حدَّثه مؤذّن النَّبي صلى الله عليه وسلم قال نادى منادى النَّبي صلَّي الله عليه وآله وسلَّم فى يومٍ مطيرٍ ألا صلُّوا فى الرِّحال
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩২৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) যে সকল কারণে জামা'আতে হাযির না হওয়া জায়েয হওয়ার ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে সে সম্পর্কিত অধ্যায়
(১৩১৯) নুয়াইম ইবন আল নাহহাম (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, শীতের এক সকালে (ফজরের) আযান দেয়া হলো তখন আমি আমার স্ত্রীর চাদরের মধ্যেই ছিলাম। তখন আমি বললাম, হায়, যদি সে কেউ বলতো, যে বসে থাকবে তার কোন ক্ষতি নেই (তাহলে ভাল হত।) অতঃপর নবী (ﷺ)-এর মুয়াযযিন আযানের শেষে বললো, 'যে বসে থাকবে তার কোন ক্ষতি নেই।'
উক্ত নুয়াইম (রা) থেকে দ্বিতীয় এক সনদে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ)-এর মুয়াযযিনকে শীতের রাত্রে আযান বলতে শুনেছি- আমি তখন লেপের ভিতরে ছিলাম। তখন আমি আশা করলাম, মুয়াযীযন বলুক তোমরা বাড়িতে সালাত আদায় করো, মুয়াযযিন যখন (حَىَّ عَلى الْفَلَاحِ) "তোমরা কল্যাণের প্রতি ধাবিত হও" পর্যন্ত পৌছল তখন বললো, "তোমরা বাড়ীতেই সালাত আদায় করো।" অতঃপর আমি এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে সে বলল, নবী (ﷺ) তাঁকে এরূপ বলতে নির্দেশ দিয়েছেন।
(হাদীসটি তবারানী তাঁর মুজামুল কাবীর এ বর্ণনা করেছেন তবে কোন কোন অংশ বাদ দিয়ে। হাদীসটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে বর্ণিত নয়)
كتاب الصلاة
(5) باب ما جاء فى الأعذار التى تبيح التخلف عن الجماعة
(1323) عن نعيم بن النَّحَّام رضى الله عنه قال نودى بالصبُّح فى يوم بارد وأنا فى مرط امرأتى فقلت ليت المنادى قال من قعد فلا حرج عليه، فنادى النَّبيّ صلى الله عليه وسلم في آخر أذانه ومن قعد فلا حرج عليه (وعنه من طريقٍ ثان) قال سمعت مؤذّن النَّبيّ صلى الله عليه وسلم فى ليلة باردةٍ وأنا فى لحافي فتمنَّيت أن يقول صلوا في رحالكم، فلمَّا بلغ حىَّ على الفلاح قال صلُّوا فى رحالكم ثمَّ سألت عنها فإذا النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم أمره بذلك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩২৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) যে সকল কারণে জামা'আতে হাযির না হওয়া জায়েয হওয়ার ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে সে সম্পর্কিত অধ্যায়
(১৩২০) সামুরা ইবনে জুনদুব (রা) থেকে বর্ণিত (তিনি বলেন) নবী (ﷺ) হুনাইনের যুদ্ধের সময় বর্ষণমুখর দিনে বলেছেন, 'সালাত যার যার তাঁবুতে"।
(হাদীসটি তবারানী তাঁর মুজামুল কাবীর এ বর্ণনা করেছেন। ইমাম আহমদের বর্ণিত এ হাদীসের সনদ সহীহ।)
كتاب الصلاة
(5) باب ما جاء فى الأعذار التى تبيح التخلف عن الجماعة
(1324) عن سمرة (بن جندبٍ رضي الله عنه) أنَّ النَّبيَّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم قال يوم حنين في يوم مطيرٍ الصَّلاة فى الرِّحال
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩২৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) যে সকল কারণে জামা'আতে হাযির না হওয়া জায়েয হওয়ার ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে সে সম্পর্কিত অধ্যায়
(১৩২১) আবুল মালীহ ইবনে উসামা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন-এক বর্ষণমুখর রাত্রিতে মসজিদের উদ্দেশ্যে বের হলাম, অতঃপর যখন ফিরে আসলাম তখন আমি দরজা খুলতে বললাম। আমার পিতা জিজ্ঞেস করলেন, কে? তারা (বাড়ীর লোকজন) বললো, আবুল মালীহ। তিনি বললেন, হুদায়বিয়ার সময় আমরা রাসুল (ﷺ)-এর সাথে দেখেছি যে, একদা আমাদেরকে বৃষ্টি পেয়ে বসলো তাতে এমনকি আমাদের জুতার তলাও সিক্ত হল না। এমতাবস্থায় রাসূলের মুয়াযযিন আযান দিল, সে বললো যে, তোমরা গৃহেই সালাত আদায় করো।
(উক্ত আবুল মালীহ ইবন্ উসামা থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত।) তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে হুনাইন দিবস ছিল বর্ষণমুখর। রাবী বলেন- তখন নবী (ﷺ) মুয়াযযিনকে নির্দেশ দিলেন যেন তাঁবুতে সালাত আদায়ের ঘোষণা দেয়।
(প্রথম সূত্রের হাদীসটি আবু দাউদ, নাসায়ী ও বায়হাকীতে বর্ণিত। আর দ্বিতীয় সূত্রের হাদীসটি আবু দাউদ, বায়হাকী ও মুস্তাদরাক হাকিমে বর্ণিত হয়েছে। উভয় সূত্রের সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(5) باب ما جاء فى الأعذار التى تبيح التخلف عن الجماعة
(1325) عن أبى المليح بن أسامة قال خرجت إلى المسجد فى ليلة مطيرةٍ، فلمَّا رجعت استفتحت فقال أبى من هذا؟ قالوا أبو المليح، قال لقد رأيتنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم زمن الحديبية وأصابتنا سماءٌ لم تبل أسافل نعالنا، فنادى منادي رسول الله صلى الله عليه وسلم أن صلُّوا في رحالكم (وعنه من طريقٍ ثانٍ) عن أبيه أنَّ يوم حنينٍ كان مطيرًا قال فأمر النَّبيَّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم مناديه أن الصَّلاة فى الرَّحال
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩২৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) যে সকল কারণে জামা'আতে হাযির না হওয়া জায়েয হওয়ার ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে সে সম্পর্কিত অধ্যায়
(১৩২২) ইবনে আউন থেকে বর্ণিত, তিনি মুহাম্মদ থেকে বর্ণনা করেন যে, ইবনে আববাস বলেছেন, ইবনে আউন বলেন সম্ভবত তিনি তা মারফু বর্ণনা করেছেন- রাসুল (ﷺ) মুয়াযীনকে নির্দেশ দিলেন, তখন সে এক বর্ষণমুখর বাত্রিতে ঘোষণা দিলেন যে, "তোমরা তোমাদের তাঁবুতে সালাত আদায় করো।"
(অত্র হাদীসের শব্দাবলীর উপর মুহাদ্দিসগণ নির্ভর করেন নি।)
كتاب الصلاة
(5) باب ما جاء فى الأعذار التى تبيح التخلف عن الجماعة
(1326) حّدثنا عبد الله حدَّثنى أبى ابن أبى عدىّ عن ابن عون عن محمَّدٍ أنَّ ابن عبَّاسٍ قال ابن عونٍ أظنُّه رفعه قال أمر مناديًا فنادى في يومٍ مطيرٍ أن صلُّوا في رحالكم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩২৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) যে সকল কারণে জামা'আতে হাযির না হওয়া জায়েয হওয়ার ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে সে সম্পর্কিত অধ্যায়
(১৩২৩) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে মারফু' হিসেবে বর্ণনা করেন, যখন তোমাদের সামনে খাবার রাখা হয় এবং সে সময় সালাতের ইকামাত হয় তোমরা আগে খাবার খেয়ে নিবে।
(বুখারী, মুসলিম ও দারেমী।)
كتاب الصلاة
(5) باب ما جاء فى الأعذار التى تبيح التخلف عن الجماعة
(1327) عن عائشة رضى الله عنها تبلغ به النَّبيَّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم إذا وضع العشاء وأقيمت الصَّلاة فابدؤا بالعشاء
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩২৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) যে সকল কারণে জামা'আতে হাযির না হওয়া জায়েয হওয়ার ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে সে সম্পর্কিত অধ্যায়
(১৩২৪) উম্মে সালামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যখন খাবার এবং সালাত দুটোই উপস্থিত হয় তখন খাবারকেই অগ্রাধিকার দিবে।
(ইবনে আবি শাইবা। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(5) باب ما جاء فى الأعذار التى تبيح التخلف عن الجماعة
(1328) عن أم سلمة رضى اله عنها قغالت رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم إذا حضر العشاء وحضرت الصَّلاة فابدؤا بالعشاء
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৩২৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) যে সকল কারণে জামা'আতে হাযির না হওয়া জায়েয হওয়ার ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে সে সম্পর্কিত অধ্যায়
(১৩২৫) আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, যখন খাবার প্রস্তুত হয় এবং সালাত ও জামা'আত দাঁড়িয়ে যায় তখন খাবারকে অগ্রাধিকার দিবে। একদা ইবনে উমর (রা) রাতের খাবার খাচ্ছিলেন এ অবস্থায় যে, তিনি ইমামের ক্বিরাত শুনতে শুনতে রাতের খাবার খাচ্ছিলেন।
(বুখারী ও মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(5) باب ما جاء فى الأعذار التى تبيح التخلف عن الجماعة
(1329) عن ابن عمر عن النَّبى صلَّى الله عليه وآله وسلَّم قال إذا وضع العشاء وأقيمت الصَّلاة فابدؤا بالعشاء قال ولقد تمشَّى ابن عمر مرةً وهو يسمع قراءة الإمام
tahqiq

তাহকীক: