মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ১২৯০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: নবী (সা)-এর বসে বসে নফল সালাত আদায় করা প্রসঙ্গে
(১২৮৬) নবী-পত্নী হাফসা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সা)-কে কখনই তাঁর নফল সালাত বসে বসে আদায় করতে দেখি নি। অবশ্য যখন তাঁর ওফাতের এক বৎসর কিংবা দুই বৎসর পূর্বের সময় হল তখন তিনি বসে বসে নফল সালাত আদায় করতেন। তিনি সূরা পড়লে তারতীলের সাথে তিলাওয়াত করতেন, এমনকি তাঁর তিলাওয়াত ক্রমশ দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হত।
(বুখারী, মুসলিম, নাসায়ী।)
(বুখারী, মুসলিম, নাসায়ী।)
كتاب الصلاة
(4) باب تطوع النبى صلى الله عليه وسلم قاعدا
(1290) عن حفصة زوج النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم ورضى عنها أنَّها قالت لم أر رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم يصلَّى فى سبحته جالسًا قطُّ حتَّى إذا كان قبل موته بعامٍ أو بعامين فكان يصليِّ فى سبحته جالسًا ويقرأ السورة فيرتِّلها حتَّى تكون أطول من أطول منها
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৯১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ জামায়াতে সালাত আদায়ের অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১২৮৭) আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, কোন ব্যক্তির মসজিদের সালাত তার বাড়ি কিংবা বাজারের সালাত অপেক্ষা সাতাশ এরও বেশী গুণ ফযীলত জ্ঞাপক। এটা এজন্য যে, যখন তোমাদের কেউ উত্তমরূপে ওযু করে অতঃপর মসজিদ পানে আসে আর সালাত ব্যতীত তার অন্য কোন উদ্দেশ্য থাকে না, সালাত ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে তাকে অগ্রগামী করে না, তখন তার প্রতিটি পদক্ষেপেই তার একটি মর্যাদা সমুন্নত করা হয় এবং এর দ্বারা তার একটি পাপ ঢেকে দেয়া হয়, মসজিদে প্রবেশ না করা পর্যন্ত। অতঃপর সে যখন মসজিদে প্রবেশ করে তখন সে সালাতে নিবিষ্ট এর হুকুমে হয়, যতক্ষণ সালাত তাকে আটকে রাখে আর ফেরেশতারা তাঁর জন্য দু'আ ও ইস্তিগফার করতে থাকে যতক্ষণ সে ঐ মজলিসে থাকে যেখানে সালাত আদায় করেছে। (এমতাবস্থায় ফেরেশতারা) বলতে থাকে, হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা করে দাও, হে আল্লাহ! তার প্রতি রহম কর। হে আল্লাহ! তার তাওবা কবুল করুন, এ দু'আ চলতে থাকে যতক্ষণ না সে সেখানে কষ্টদায়ক কিছু করে বা তার হদস (ওযু নষ্ট) হয়।
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, ইবন মাজাহ্ ও বায়হাকী।)
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, ইবন মাজাহ্ ও বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الجماعة
(1) باب ماورد فى فضلها
(1) باب ماورد فى فضلها
(1291) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة الرَّجل في جماعةٍ تزيد عن صلاته فى بيته وصلاته فى سوقه بضعًا وعشرين درجةً، وذلك أنَّ أحدكم إذا توضَّأ فأحسن الوضوء ثمَّ أتى المسجد لا يريد إلاَّ الصلَّاة لا ينهزه إلاَّ الصَّلاة لم يخط خطوةً إلاَّ رفع له بها درجةٌ وحطَّ بهاعنه خطيئةٌ حتَّى يدخل المسجد، فإذا دخل المسجد كان في صلاةٍ ما كانت الصَّلاة هى تحبسه والملائكة يصلُّون على أحدهم ما دام في مجلسه الَّذى صلَّى فيه يقولون اللَّهمَّ اغفر له، اللَّهمَّ ارحمه، اللَّهمَّ تب عليه، ما لم يؤذ فيه مالم يحدث
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৯২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ জামায়াতে সালাত আদায়ের অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১২৮৮) আব্দুল্লাহ ইবন্ মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আগামীকাল আল্লাহর সাথে মুসলিম অবস্থায় সাক্ষাৎ করে খুশী হতে চায়, সে যেন এই ফরয সালাতগুলোর হেফাযত করে, যেখানেই তাকে তৎপ্রতি আহবান করা হয়। কেননা এটিই সঠিক পন্থা। আর আল্লাহ তোমাদের নবীর জন্য হিদায়েতের সঠিক পন্থা প্রবর্তিত করেছেন। আর তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার ঘরে তার সালাতের জায়গা নেই। যদি তোমরা তোমাদের গৃহে সালাত আদায় কর এই পশ্চাৎপদ ব্যক্তির ন্যায়, তবে তোমাদের নবীর সুন্নাত বর্জন করবে। আর নবীর সুন্নাত বর্জন করলে তোমরা পথভ্রষ্ট হবে। সুস্পষ্ট মুনাফিক ব্যতীত সালাতের জামাত থেকে পশ্চাৎপদ থাকতে পারে বলে আমি মনে করি না। আর আমি দেখেছি এক ব্যক্তি অপর দুই ব্যক্তির কাঁধে ভর দিয়ে এসে সালাতের কাতারে দাঁড়িয়ে যায়, রাসূল (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি ভাল করে ওযু করে অতঃপর যেমন মসজিদে আসে তার প্রতিটি পদক্ষেপেই একটি করে মর্যাদা বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয় কিংবা এর জন্য একটি পাপ মুছে দিয়ে তদস্থলে একটি পূণ্য লিখা হয়। এজন্যই আমরা ঘন ঘন পদক্ষেপ ফেলতাম। আর ব্যক্তির একাকী সালাতের চেয়ে জামাতে সালাতের মর্যাদা পঁচিশ গুণ বেশী।
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ী ও ইবন মাজাহ।)
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ী ও ইবন মাজাহ।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الجماعة
(1) باب ماورد فى فضلها
(1) باب ماورد فى فضلها
(1292) عن عبد الله (يعنى ابن مسعودٍ) رضى الله عنه قال من سرَّه أن يلقى عزَّ غدًا مسلمًا فليحافظ على هؤلاء الصَّلوات المكتوبات حيث ينادى بهنَّ فإنَّهنَّ من سنن الهدى وإنَّ الله عزَّ وجلَّ شرع لنبيكم سنن الهدى، وما منكم إلاَّ وله مسجدٌ فى بيته، ولو صلَّيتم فى بيوتكم كما يصلِّى هذا المتخلَّف فى بيته لتركتم سنَّة نبيِّكم، ولو تركتم سنَّة نبيِّكم لضللتم ولقد رأيتنى وما يتخلَّف عنها إلاَّ منافقٌ معلومٌ نفاقه ولقد رأيت الرَّجل يهادى بين الرَّجلين حتَّى يقام في الصَّفِّ، وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما من رجلٍ يتوضأ فيحسن الوضوء ثمَّ يأتى مسجدًا من المساجد فيخطو خطوةً إلاَّ رفع بها درجةٌ أوحطَّ بها عنه خطيئةٌ وكتبت له حسنةٌ، حتَّى أن كنَّا لنقارب بين الخطا وإنَّ فضل صلاة الرَّجل فى جماعةٍ على صلاته وحده بخمسٍ وعشرين درجةً
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৯৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ জামায়াতে সালাত আদায়ের অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১২৮৯) আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, জামাতে সালাতের ফযীলত একাকী সালাতের চেয়ে পঁচিশ গুণ বেশী। আর দিবা রাত্রির ফেরেশতাগণ ফজরের সালাতের সময় একত্রিত হয়। অতঃপর আবূ হুরাইরা (রা) বলেন, তোমরা চাইলে তিলাওয়াত কর وَقُرْآنَ الْفَجْرِ إِنَّ قُرْآنَ الْفَجْرِ كَانَ مَشْهُوْدًا (অর্থাৎ প্রত্যুষের কুরআনের শপথ। কেননা প্রত্যুষের কুরআনে ফেরেশতারা উপস্থিত হয়ে থাকবে।
(বুখারী, মুসলিম ও নাসায়ী।)
(বুখারী, মুসলিম ও নাসায়ী।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الجماعة
(1) باب ماورد فى فضلها
(1) باب ماورد فى فضلها
(1293) عن أبى هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم قال تفضل الصلَّاة في الجميع صلاة الرَّجل وحده خمسًا وعشرين ويجتمع ملائكة اللَّيل وملائكة النَّهار فى صلاة الفجر، ثمَّ يقول أبو هريرة اقرؤا إن شئتم {وقرآن الفجر إنَّ قرآن الفجر كان مشهودًا}
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৯৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ জামায়াতে সালাত আদায়ের অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১২৯০) উক্ত (আবূ হুরাইরা (রা)) থেকে আরও বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেন যে, তোমাদের কেউ যদি জানত যে, সে যদি আমার সাথে সালাতে হাজির হয় তবে তার জন্য একটি মোটা ছাগল কিংবা দুইটি ছাগল থাকবে তবে সে অবশ্যই তা করত। এতে সে যে ফযীলত লাভ করবে তা এসবের চেয়ে উত্তম।
(হাদীসের এ শব্দাবলী অন্যত্র পাওয়া যায়নি। তবে এর কিয়দাংশ বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে। এর সনদ উত্তম।)
(হাদীসের এ শব্দাবলী অন্যত্র পাওয়া যায়নি। তবে এর কিয়দাংশ বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الجماعة
(1) باب ماورد فى فضلها
(1) باب ماورد فى فضلها
(1294) وعنه أيضًا أنَّ نبيَّ الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم قال لو أنَّ أحدكم يعلم أنَّه إذا شهد الصلّاة معى كانت له أعظم من شاةٍ سمينةٍ أو شاتين لفعل، فما يصيب من الأجر أفضل
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৯৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ জামায়াতে সালাত আদায়ের অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১২৯১) ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, জামাতে সালাতে ব্যক্তির একাকী সালাতের চেয়ে সাতাশগুণ বেশী (ফযীলত রয়েছে)।
উক্ত (ইবন্ উমর (রা)) থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, একাকী সালাতের চেয়ে জামাতে সালাতের ফযীলত সাতাশগুণ বেশী।
(বুখারী ও মুসলিম।)
উক্ত (ইবন্ উমর (রা)) থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, একাকী সালাতের চেয়ে জামাতে সালাতের ফযীলত সাতাশগুণ বেশী।
(বুখারী ও মুসলিম।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الجماعة
(1) باب ماورد فى فضلها
(1) باب ماورد فى فضلها
(1295) عن ابن عمر رضى الله عنهما عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال صلاةٌ في الجميع تزيد على صلاة الرَّجل وحده سبعًا وعشرين (وعنه من طريقٍ ثانٍ) قال قال رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم صلاة الجماعة تفضل صلاة أحدكم بسبعٍ وعشرين درجةً
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৯৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ জামায়াতে সালাত আদায়ের অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১২৯২) আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, জামাতে সালাতের ফযীলত একাকী সালাতের চেয়ে সাতাশ গুণ বেশী।
(এ হাদীসটি কেবল ইমাম আহমদ বর্ণনা করেছেন। এর সনদে শরীক আলকাযী নামক একজন রাবী রয়েছেন, যার বিশ্বস্ততা ও মুখস্থশক্তি নিয়ে কথা রয়েছে।)
(এ হাদীসটি কেবল ইমাম আহমদ বর্ণনা করেছেন। এর সনদে শরীক আলকাযী নামক একজন রাবী রয়েছেন, যার বিশ্বস্ততা ও মুখস্থশক্তি নিয়ে কথা রয়েছে।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الجماعة
(1) باب ماورد فى فضلها
(1) باب ماورد فى فضلها
(1296) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم تفضل صلاة الجماعة على الوحدة سبعًا وعشرين درجةً
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৯৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ জামায়াতে সালাত আদায়ের অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১২৯৩) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, জামাতে সালাতকে একাকী সালাতের উপরে পঁচিশগুণ ফযীলত দেওয়া হয়েছে।
(নাসায়ী, এর সনদ উত্তম।)
(নাসায়ী, এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الجماعة
(1) باب ماورد فى فضلها
(1) باب ماورد فى فضلها
(1297) عن عائشة رضى الله عنها عن النَّبيِّ صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم فضِّلت الجماعة على صلاة الفذِّ خمسًا وعشرين
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৯৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ জামায়াতে সালাত আদায়ের অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১২৯৪) আব্দুল্লাহ ইবন্ মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ব্যক্তির জামাতে সালাতের ফযীলত তার একাকী সালাতের বেশিগুণের চেয়েও বেশী।
উক্ত (আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা)) থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, জামাতে সালাতের ফযীলত একাকী সালাতের ওপর পঁচিশ গুণ। প্রত্যেক গুণই তার আলাদা আলাদা সালাতের মত।
(আবু ইয়ালা, তবারানী কাবীর, তবারানী আওসাত প্রভৃতি গ্রন্থে বর্ণিত। হাইসামী বলেন, আহমদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
উক্ত (আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা)) থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, জামাতে সালাতের ফযীলত একাকী সালাতের ওপর পঁচিশ গুণ। প্রত্যেক গুণই তার আলাদা আলাদা সালাতের মত।
(আবু ইয়ালা, তবারানী কাবীর, তবারানী আওসাত প্রভৃতি গ্রন্থে বর্ণিত। হাইসামী বলেন, আহমদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الجماعة
(1) باب ماورد فى فضلها
(1) باب ماورد فى فضلها
(1298) عن عبد الله (بن مسعودٍ) رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فضل صلاة الرَّجل فى الجماعة على صلاته وحده بضعٌ وعشرون درجةً (وعنه من طريقٍ ثانٍ) أنَّ نبيَّ صلَّى الله عليه وسلَّم قال صلاة الجمع تفضل على صلاة الرَّجل وحده خمسةً وعشرين ضعفًا كلُّها مثل صلاته
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৯৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ জামায়াতে সালাত আদায়ের অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১২৯৫) আবূ হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, জামাতে সালাত আদায় তোমাদের কারো একাকী সালাত আদায়ের চেয়ে পঁচিশগুণ উত্তম।
(বুখারী ও মুসলিম।)
(বুখারী ও মুসলিম।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الجماعة
(1) باب ماورد فى فضلها
(1) باب ماورد فى فضلها
(1299) عن أبى هريرة رضى الله أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال صلاة الجماعة أفضل من صلاة أحدكم وحده يخمسةٍ وعشرين جزءًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩০০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ জামায়াতে সালাত আদায়ের অনুচ্ছেদসমূহ
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১) অনুচ্ছেদ: জামায়াতের ফযীলত প্রসঙ্গে
(১২৯৬) (উক্ত) আবূ হুরাইরা (রা) থেকে আরও বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে উত্তমভাবে ওযু করে এরপর মসজিদে যায় এবং গিয়ে দেখে যে, সালাত আদায় করে ফেলেছে, আল্লাহ্ তাকে যারা ঐ সালাত আদায় করেছেন অথবা যারা ঐ সালাতে হাজির হয়েছেন, তাদের সমান প্রতিদান দিবেন এতে তাদের কোন প্রতিদানে কমানো হবে না।
(আবু দাউদ, নাসায়ী, বায়হাকী ও মুস্তাদরাকে হাকেম।)
(আবু দাউদ, নাসায়ী, বায়হাকী ও মুস্তাদরাকে হাকেম।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الجماعة
(1) باب ماورد فى فضلها
(1) باب ماورد فى فضلها
(1300) وعنه أيضًا رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم قال من توضَّأ فأحسن وضوءه ثمَّ راح فوجد النَّاس قد صلَّوا أعطاه الله مثل أجر من صلاَّها أو حضرها لا ينقص ذلك من أجورهم شيئًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩০১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অনুচ্ছেদ: ইশা ও ফজরের জামাতে হাজির হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান প্রসঙ্গে।
(১২৯৭) উসমান ইবন আফ্ফান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, যে ইশার সালাত জামাতে আদায় করল, সে যেন অর্ধরাত্রি দাঁড়িয়ে ইবাদত করল, আর যে ফজরের সালাতও জামাতে আদায় করল, সে যেন পূর্ণ রাত্রি দাঁড়িয়ে ইবাদত করল।
(মুসলিম ও মুয়াত্তা মালিক।)
(মুসলিম ও মুয়াত্তা মালিক।)
كتاب الصلاة
(2) باب الترغيب فى حضور الجماعة فى العشاء والفجر
(1301) عن عثمان بن عفَّان رضى الله عنه أنَّ النَّبيَّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم قال من صلَّى العشاء في جماعةٍ فهو كمن قام نصف اللَّيل، ومن صلّى الصبُّح في جماعة فهوى كمن قام اللَّيل كلَّه
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩০২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অনুচ্ছেদ: ইশা ও ফজরের জামাতে হাজির হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান প্রসঙ্গে।
(১২৯৮) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যদি মানুষেরা জানত যে, ইশা ও ফজরের জামাতে কি আছে তবে অবশ্যই তারা ঐ জামাতদ্বয়ে হাজির হত এমনকি হামাগুড়ি দিয়ে হলেও।
(ইবন্ মাজাহ-এর সনদে ইয়াহইয়া ইবনে কাসীর নামক এক রাবী আছেন যিনি হাদীস বর্ণনার ব্যাপারে لين الحديث)
(ইবন্ মাজাহ-এর সনদে ইয়াহইয়া ইবনে কাসীর নামক এক রাবী আছেন যিনি হাদীস বর্ণনার ব্যাপারে لين الحديث)
كتاب الصلاة
(2) باب الترغيب فى حضور الجماعة فى العشاء والفجر
(1302) عن عائشة رضى الله عنها أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم قال لو أن الناس يعلمون ما في صلاة العتمة وصلاة الصبُّح لأتوهما ولو حبوًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩০৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অনুচ্ছেদ: ইশা ও ফজরের জামাতে হাজির হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান প্রসঙ্গে।
(১২৯৯) উবাই ইবন্ কা'ব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) ফজরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, অমুক কি আছে? তাঁরা বললো, না। তিনি বললেন, অমুক কি আছে? তাঁরা। বলল, না। অতঃপর তিনি বললেন, অমুক কি আছে? তাঁরা বলল, না। এবার তিনি বললেন, এই দুই সালাত মুনাফিকদের জন্য সর্বাপেক্ষা ভারী, তারা যদি জানত যে এই দুই সালাতে কি আছে, তবে অবশ্যই তারা হাজির হত এমনকি হামাগুড়ি দিয়ে হলেও। আর (জামাতের) প্রথম কাতার ফেরেশতাদের কাতারের মত যদি তোমরা তার ফযীলত সম্পর্কে জানতে, তবে সে ব্যাপারে তোমরা প্রতিযোগিতা করতে। আর কোন ব্যক্তির অপর দুই ব্যক্তির সাথে আদায়কৃত সালাত এক ব্যক্তির সাথে আদায়কৃত সালাতের চেয়ে উত্তম। আর লোক সংখ্যা যেখানে অধিক সেটা আল্লাহর নিকট আরও অধিক পছন্দনীয়
(উক্ত উবাই ইবন কা'ব (রা) থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত)
তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) ফজরের সালাত আদায় করলেন, সালাতান্তে জিজ্ঞেস করলেন, অমুক কি আছে? তখন উপস্থিত লোকজন চুপ থাকল। অতঃপর তারা বলল, হ্যাঁ, সে উপস্থিত হয় নাই। অতঃপর রাসূল (ﷺ) বললেন, মুনাফিকদের জন্য সবচেয়ে ভারী সালাত হল ইশা ও ফজর। (অতঃপর তিনি পূর্বে বর্ণিত অনুরূপ হাদীসের উল্লেখ করেছেন, সেখানে আরো রয়েছে) তোমার দুই জনের সাথে আদায়কৃত সালাত একজনের সাথে আদায়কৃত সালাতের চেয়ে উত্তম আর একজনের সাথে আদায়কৃত সালাত একাকী আদায়কৃত সালাতের চেয়ে উত্তম। আর (লোকজন) যেখানে আরো বেশী তা আল্লাহর নিকট অতি পছন্দনীয়।
(উক্ত উবাই ইবন কা'ব (রা) থেকে তৃতীয় সূত্রে বর্ণিত)
তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন। সালাতান্তে তিনি মুসল্লিদের পরিমাণ কম দেখলেন। তখন তিনি বললেন, অমুক কি আছে? আমরা বললাম, হ্যাঁ, এভাবে তিনি তিনজনের নাম করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, মুনাফিকদের জন্য ইশা ও ফজরের সালাত অপেক্ষা বেশী ভারী আর কোন সালাত নেই। অতঃপর রাবী দীর্ঘ হাদীস উল্লেখ করেছেন।
(আবু দাউদ, নাসায়ী, ইবন মাজাহ, বায়হাকী, ইবন্ খুযাইমা, ইবন্ হিব্বান ও মুস্তাদরাকে হাকিম।)
(উক্ত উবাই ইবন কা'ব (রা) থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত)
তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) ফজরের সালাত আদায় করলেন, সালাতান্তে জিজ্ঞেস করলেন, অমুক কি আছে? তখন উপস্থিত লোকজন চুপ থাকল। অতঃপর তারা বলল, হ্যাঁ, সে উপস্থিত হয় নাই। অতঃপর রাসূল (ﷺ) বললেন, মুনাফিকদের জন্য সবচেয়ে ভারী সালাত হল ইশা ও ফজর। (অতঃপর তিনি পূর্বে বর্ণিত অনুরূপ হাদীসের উল্লেখ করেছেন, সেখানে আরো রয়েছে) তোমার দুই জনের সাথে আদায়কৃত সালাত একজনের সাথে আদায়কৃত সালাতের চেয়ে উত্তম আর একজনের সাথে আদায়কৃত সালাত একাকী আদায়কৃত সালাতের চেয়ে উত্তম। আর (লোকজন) যেখানে আরো বেশী তা আল্লাহর নিকট অতি পছন্দনীয়।
(উক্ত উবাই ইবন কা'ব (রা) থেকে তৃতীয় সূত্রে বর্ণিত)
তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন। সালাতান্তে তিনি মুসল্লিদের পরিমাণ কম দেখলেন। তখন তিনি বললেন, অমুক কি আছে? আমরা বললাম, হ্যাঁ, এভাবে তিনি তিনজনের নাম করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, মুনাফিকদের জন্য ইশা ও ফজরের সালাত অপেক্ষা বেশী ভারী আর কোন সালাত নেই। অতঃপর রাবী দীর্ঘ হাদীস উল্লেখ করেছেন।
(আবু দাউদ, নাসায়ী, ইবন মাজাহ, বায়হাকী, ইবন্ খুযাইমা, ইবন্ হিব্বান ও মুস্তাদরাকে হাকিম।)
كتاب الصلاة
(2) باب الترغيب فى حضور الجماعة فى العشاء والفجر
(1303) عن أبى بن كعبٍ رضى الله عنه أنَّه قال صلَّى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصبُّح فقال شاهدٌ فلانٌ؟ فقالوا لا، فقال شاهدٌ فلانٌ؟ فقالوا لا، فقال شاهدٌ فلانٌ؟ فقالوا لا، إنَّ هاتين الصَّلاتين من أثقل الصَّلوات على المنافقين ولو يعلمون ما فيهما لأتوهما ولو حبوًا، والصَّفُّ المقدَّم على مثل صف الملائكة ولو تعلمون فضيلته لابتدرتموه وصلاة الرَّجل مع الرَّجلين أزكى من صلاته مع رجل، وما كان أكثر فهو أحب إلى لله تعالى
(وعنه من طريقٍ ثانٍ) قال صلَّى رسول الله صلى الله عليه وسلم الفجر فلمّا صلَّي قال شاهد فلانٌ؟ فسكت القوم، قالوا نعم ولم يحضر فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنَّ أثقل الَّصلَّاة على المنافقين صلاة العشاء والفجر (فذكر نحو ما تقدَّم وفيه) إنَّ صلاتك مع رجلين أزكى من صلاتك مع رجلٍ، وصلاتك مع رجلٍ أزكى من صلاتك وحدك، وما كثر فهو أحب إلى الله تعالى
(وعنه من طريقٍ ثالثٍ) ز قال صلَّي بنا رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم صلاة الفجر، فلمَّا قضي الصَّلاة رأى من أهل المسجد قلَّة، فقال شاهدٌ فلانٌ؟ قلنا نعم حتَّى عد ثلاثة نفرٍ، فقال إنَّه ليس من صلاةٍ أثقل على المنافقين من صلاة العشاء الآخرة ومن صلاة الفجر وذكر الحديث بطوله
(وعنه من طريقٍ ثانٍ) قال صلَّى رسول الله صلى الله عليه وسلم الفجر فلمّا صلَّي قال شاهد فلانٌ؟ فسكت القوم، قالوا نعم ولم يحضر فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنَّ أثقل الَّصلَّاة على المنافقين صلاة العشاء والفجر (فذكر نحو ما تقدَّم وفيه) إنَّ صلاتك مع رجلين أزكى من صلاتك مع رجلٍ، وصلاتك مع رجلٍ أزكى من صلاتك وحدك، وما كثر فهو أحب إلى الله تعالى
(وعنه من طريقٍ ثالثٍ) ز قال صلَّي بنا رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم صلاة الفجر، فلمَّا قضي الصَّلاة رأى من أهل المسجد قلَّة، فقال شاهدٌ فلانٌ؟ قلنا نعم حتَّى عد ثلاثة نفرٍ، فقال إنَّه ليس من صلاةٍ أثقل على المنافقين من صلاة العشاء الآخرة ومن صلاة الفجر وذكر الحديث بطوله
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩০৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অনুচ্ছেদ: ইশা ও ফজরের জামাতে হাজির হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান প্রসঙ্গে।
(১৩০০) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ইশা ও ফজর সালাতের জামাত থেকে পশ্চাৎপদরা যদি জানত যে, এতে তাদের জন্য কি রয়েছে, তবে অবশ্যই তারা ঐ দুই জামাতে হাজির হত এমনকি হামাগুড়ি দিয়ে হলেও।
(এ হাদীসটি মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাওয়া যায় নি, হায়ছামী হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এটা আহমদ বর্ণনা করেছেন এবং সনদের রাবীগণ বিশ্বস্ত।)
(এ হাদীসটি মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাওয়া যায় নি, হায়ছামী হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এটা আহমদ বর্ণনা করেছেন এবং সনদের রাবীগণ বিশ্বস্ত।)
كتاب الصلاة
(2) باب الترغيب فى حضور الجماعة فى العشاء والفجر
(1304) عن أنس بن مالكٍ رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لو يعلم المتخلَّفون عن صلاة العشاء وصلاة الغداة مالهم فيهما لأتوهما ولو حبوًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩০৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: জামাতের গুরুত্ব ও তৎপ্রতি উৎসাহ প্রদান প্রসঙ্গে
(১৩০১) জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবন উম্মু মাকতুম নবী (ﷺ)-এর কাছে এলেন। অতঃপর বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার বাড়ী দূরে আর আমি অন্ধ মানুষ, কিন্তু আযান শুনতে পাই। তিনি বললেন, যদি আযান শুনতে পাও তবে জামাতে আসবেই। হামাগুড়ি দিয়ে হলেও। অথবা কষ্ট করে হলেও।
(আবু ইয়ালা ও তবারানী আওসাত গ্রন্থে, তবারানীর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। আর আহমদের রাবীগণের মধ্যে কারো কারো সম্বন্ধে নানান কথা রয়েছে।)
(আবু ইয়ালা ও তবারানী আওসাত গ্রন্থে, তবারানীর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। আর আহমদের রাবীগণের মধ্যে কারো কারো সম্বন্ধে নানান কথা রয়েছে।)
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى تأكيدها والحث عليها
(1305) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال أتي ابن أدمِّ مكتومٍ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله منزلى شاسع وأنا مكفوف البصر وأنا أسمع الأذان، قال فإن سمعت الأذان فأجب ولو حبوًا أو زحفًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩০৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: জামাতের গুরুত্ব ও তৎপ্রতি উৎসাহ প্রদান প্রসঙ্গে
(১৩০২) আমর ইবন উম্মু মাকতুম (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমি রাসুল (ﷺ) এর-কাছে এলাম। এরপর বললাম, হে আল্লাহর রাসূল। আমি অন্ধ, বাড়ীও দূরে, আমার এক চালক আছে, যে আমাকে সহযোগিতা করে না তবে আপনি কি আমার জন্য বাড়িতে সালাত আদায়ের অনুমতি দিবেন? তিনি বললেন, তুমি কি আযান শুনতে পাও? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আমি তোমার জন্য (বাড়ীতে সালাত আদায়ের) কোন সুযোগ দেখছি না।
(ইবন মাজাহ তবারানী ও ইবনে হিব্বান এর সনদ উত্তম।
(ইবন মাজাহ তবারানী ও ইবনে হিব্বান এর সনদ উত্তম।
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى تأكيدها والحث عليها
(1306) عن عمرو بن أم مكتومٍ رضى الله عنه قال جئت إلى رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم فقلت يا رسول الله كنت ضريرًا شاسع الدَّار قائدٌ لا يلائمنى فهل تجد لى رخصةً أن أصلِّي فى بيتي؟ قال أتسمع النِّداء؟ قلت نعم، قال ما أجد لك رخصةً
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩০৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: জামাতের গুরুত্ব ও তৎপ্রতি উৎসাহ প্রদান প্রসঙ্গে
(১৩০৩) যুহরী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইতবান ইবন্ মালিক অন্ধ ছিলেন। তিনি নবী (ﷺ)-কে তাঁর সালাতের জামাত থেকে পশ্চাৎপদ থাকা সম্পর্কে অবহিত করলেন। তিনি বললেন, তুমি কি আযান শুনতে পাও? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন তাঁকে কোন অনুমতি দিলেন না।
(বুখারী, মুসলিম, নাসায়ী ও ইবন মাজাহ্।)
(বুখারী, মুসলিম, নাসায়ী ও ইবন মাজাহ্।)
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى تأكيدها والحث عليها
(1307) حدّثنا عبد الله حدَّثني أبى حدثنا سفيان عن الزُّهرِّى ِّ فسئل سفيان عمَّن قال هو محمودٌ إن شاء الله أنَّ عتبان بن مالكٍ كان رجلًا محجوب البصر وإنَّه ذكر للنَّبيِّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم التَّخلُّف عن الصلَّاة، قال هل تسمع النِّداء؟ قال نعم، قال فلم يرخَّص له
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩০৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: জামাতের গুরুত্ব ও তৎপ্রতি উৎসাহ প্রদান প্রসঙ্গে
(১৩০৪) আবূ মূসা আশ'আরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে শিখিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তোমরা যখন সালাতে দাঁড়াবে তখন তোমাদের একজনকে ইমাম বানিয়ে দিবে। আর ইমাম যখন পড়বে তখন তোমরা চুপ থাকবে।
(মুসলিম ইত্যাদি।)
(মুসলিম ইত্যাদি।)
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى تأكيدها والحث عليها
(1308) عن أبى موسي (الأشعريِّ) رضى الله عنه قال علَّمنا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا قمتم إلى الصَّلاة فليؤمَّكم أحدكم، وإذا قرأ الإمام فأنصتوا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩০৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: জামাতের গুরুত্ব ও তৎপ্রতি উৎসাহ প্রদান প্রসঙ্গে
(১৩০৫) মা'দান ইবন আবূ তালহা আল ইয়ামারী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাকে আবু দারদা (রা) বললেন, তোমার বাড়ী কোথায়? রাবী বলেন, আমি বললাম, হিমছ-এর নিকট একটি গ্রামে। তিনি বললেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, এমন কোন গ্রাম থাকতে পারে না সেখানে তিনজন লোক থাকবে অথচ সেখানে আযান হবে না এবং সালাতের ইকামাত হবে না (অর্থাৎ জামাত হবে না) তবে শয়তান তাদের উপর সওয়ার হবে। অতএব, জামাত তোমার জন্য জরুরী, কেননা পাল থেকে বিচ্ছিন্ন ছাগীকে বাঘ খেয়ে ফেলে।
(আবু দাউদ, নাসায়ী, ইবন খুযাইমা, ইবন্ হিব্বান ও মুস্তাদরাকে হাকীম। তিনি বলেন। এর সনদ সহীহ, নববীও হাদীসটি সহীহ বলে মন্তব্য করেন।)
(আবু দাউদ, নাসায়ী, ইবন খুযাইমা, ইবন্ হিব্বান ও মুস্তাদরাকে হাকীম। তিনি বলেন। এর সনদ সহীহ, নববীও হাদীসটি সহীহ বলে মন্তব্য করেন।)
كتاب الصلاة
(3) باب ما جاء فى تأكيدها والحث عليها
(1309) عن معدان بن أبى طلحة اليعمرىِّ قال قال لى أبو الدَّرداء رضي الله عنه أين مسكنك؟ قال قلت فى قريةٍ دون حمص، قال سمعت رسول الله صلى االله عليه وسلم يقول مامن ثلاثةٍ فى قريةٍ لا يؤذَّن ولا تقام فيهم الصَّلاة إلاَّ استحوذ عليهم الشَّيطان فعليك بالجماعة فإنَّ الذِّنب يأكل القاصية
তাহকীক: