মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ১২৫০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (তৃতীয় পরিচ্ছেদ: মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রীকরণ প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে)
(১২৪৬) বানু আসাদ ইবন আব্দুল উজ্জা গোত্রের ইসমাঈল ইবন আব্দুর রহমান ইবন্ জুয়াইব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা হেমার উদ্দেশ্যে ইবন উমরের সাথে রওয়ানা করলাম। যখন সূর্য অস্ত গেল তখন আমরা তাঁকে সালাতের কথা বলতে আশংকা করলাম। এমনিভাবে দিগন্তের শুভ্রতা বিলীন হয়ে গেল এবং রাত্রির প্রথম প্রহরের কালো দাগও বিদূরিত হল, এরপর তিনি যাত্রা বিরতি করলেন। তারপর আমাদের নিয়ে তিন রাকাত (মাগরিবের) সালাত আদায় করলেন। অতঃপর দুই রাকাত (এশার) সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি আমাদের দিকে তাকালেন এবং বললেন, আমি রাসূল (সা)-কে এমনটিই করতে দেখেছি।
(নাসায়ী, বায়হাকী ও তাহাবী, শাফেয়ী। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
الفصل الثالث فيما روى فى الجمع بين المغرب والعشاء
(1250) عن إسماعيل بن عبد الرحَّمن بن ذؤيب من بنى أسد بن عبد العزَّى قال خرجنا مع ابن عمر إلى الحمى، فلمَّا غربت الشَّمس هبنا أن نقول له الصَّلاة حتَّى ذهب بياض الأفق وذهبت فحمة العشاء نزل فصلَّى بنا ثلاثًا واثنتين فالتفت إلينا وقال هكذا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فعل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৫১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (তৃতীয় পরিচ্ছেদ: মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রীকরণ প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে)
(১২৪৭) নাফি' থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবন উমর (রা) একবার দুই সালাত একত্রে আদায় করেছিলেন একদা তাঁর নিকট সংবাদ এল যে, সাফিয়্যা বিনতে আবু উবাইদ অসুস্থ, তখন তিনি আসর সালাত শেষে যাত্রা শুরু করলেন এবং তিনি (সফরের বাড়তি) বোঝা বর্জন করলেন। অতঃপর বাহনকে দ্রুত চালিয়ে দিলেন। যখন মাগরিবের সময় হয়ে এল, এ পর্যায়ে তাঁর সাথীদের একজন তাঁকে বলল, আস-সালাত (সালাতের সময় হয়েছে) তিনি তার দিকে বিন্দুমাত্র কর্ণপাত করলেন না। অতঃপর অন্য একজন বললেন, তিনি সেদিকেও বিন্দুমাত্র কর্ণপাত করলেন না। এবার অন্য আরেকজন বললেন। তখন তিনি বললেন, আমি রাসূল (সা)-কে দেখেছি যে, তিনি যখন সফর দ্রুত করতে চাইতেন, তখন এই সালাতকে (মাগরিব) বিলম্বিত করে দুই সালাত (মাগরিব ও ইশা) একত্রে আদায় করতেন।
(উক্ত নাফি' হতে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত) তিনি বলেন, একদা ইবন উমরকে (তাঁর স্ত্রী) সাফিয়্যার অসুস্থতার সংবাদ দেওয়া হল। তখন সে রাত্রেই তিনি তিন রাতের সমপরিমাণ পথের সফরে বের হলেন। তিনি চলতে চলতে সন্ধ্যা হয়ে এল। তখন আমি বললাম, আস্-সালাত (সালাতের সময় হয়েছে।) তিনি চলতেই থাকলেন কর্ণপাত করলেন না। এমনকি অন্ধকার হয়ে এল। তখন সালেম কিংবা অপর কোন ব্যক্তি তাঁকে বললেন, আস্ সালাত সন্ধ্যা তো হয়ে এসেছে। তখন তিনি বললেন, রাসূল (সা)-এর যখন সফরে দ্রুত যাওয়ার প্রয়োজন হত তখন তিনি এই দুই সালাতকে একত্র করতেন। আর আমিও এই দুই সালাতকে একত্র করতে চাই। অতএব, তোমরা ভ্রমণ করতে থাক। তখন তিনি চলতে থাকলেন। এমনকি দিগন্তের শুভ্রতা বিদূরিত হলে যাত্রাবিরতি করলেন। অতঃপর উক্ত দুই সালাত একত্রে আদায় করলেন।
(বুখারী, মুসলিম, নাসায়ী, আবূ দাউদ ও তিরমিযী ইত্যাদি।)
كتاب الصلاة
الفصل الثالث فيما روى فى الجمع بين المغرب والعشاء
(1251) عن نافع قال جمع ابن عمر بين الصَّلاتين مرَّةً واحدةً جاءه خبر عن صفيَّة بنت أبى عبيد أنَّها وجعة فارتحل بعد أن صلَّى العصر
وترك الأثقال ثمَّ أسرع السيَّر فسار حتَّى حانت صلاة المغرب فكلمه رجل من أصحابه فقال الصَّلاة فلم يرجع إليه شيئًا ثمَّ كلمه آخر فلم يرجع إليه شيئًا، ثمَّ كلَّمه آخر فقال إنِّي رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا استعجل به السَّير أخَّر هذه الصَّلاو حتَّى يجمع بين الصَّلاتين (وعنه من طريق ثان) أنَّ ابن عمر رضى الله عنهما استصرخ على صفيَّة فسار فى تلك اللَّيلة مسيرة ثلاث ليال سار حتَّى أمسى، فقلت الصَّلاة فسار ولم يلتفت، فسار حتَّى أظلم فقال له سالم أو رجل الصّلاة وقد أمسيت، فقال إنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا عجل به السَّير جمع بين هاتين الصَّلاتين، وإنِّى أريد أن أجمع بينهما فسيروا، فسار حتَّى غاب الشَّفق ثمَّ نزل فجمع بينهما
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৫২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (তৃতীয় পরিচ্ছেদ: মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রীকরণ প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে)
(১২৪৮) আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সা)-কে ওয়াক্ত ব্যতীত সালাত আদায় করতে দেখি নাই, তবে দুই সালাত এমন করতে দেখেছি। মাগরিবের ও ইশার সালাত একত্রে আদায় করেছেন এবং সেই দিন ফজরের সালাত ওয়াক্তের পূর্বে আদায় করেছেন।
(অন্য বাক্যে আছে, ইবন্ নুমাইর দুই সালাত-এর পরিবর্তে দুই ইশার বাক্য ব্যবহার করেছেন। তিনি এই দুই সালাতকে একত্রে আদায় করেছেন।
(বুখারী, মুসলিম মুয়াত্তা মালিক, আবু দাউদ, নাসায়ী।)
* এখানে ওয়াক্তের পূর্বে অর্থ স্বাভাবিক ওয়াক্তের পূর্বে, নামাযের ওয়াক্ত হওয়ার পূর্বে নয়।
كتاب الصلاة
الفصل الثالث فيما روى فى الجمع بين المغرب والعشاء
(1252) عن عبد الله بن مسعود رضى الله عنه قال ما رأيت رسول الله
صلى الله عليه وسلم صلي صلاة إلا لميقاتها إلا صلاتين، صلاة المغرب والعشاء بجمع وصلاة الفجر يومئذ قبل ميقاتها (وفى لفظ) قال ابن نمير العشاءين "أى بدل قوله صلاتين" فإنه صلاهما بجمع جميعا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৫৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদঃ বৃষ্টি কিংবা অন্য কারণে মুকীমদের দুই সালাত একত্রীকরণ প্রসঙ্গে
(১২৪৯) জাবির ইবন যায়িদ থেকে বর্ণিত। তিনি ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল (সা) মদীনায় অবস্থানকালে কোন ভয়-ভীতি এবং বৃষ্টির কারণ ব্যতিরেকেই যোহর, আসর, মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রে আদায় করেছেন। ইবন আব্বাস (রা)-কে জিজ্ঞেস করা হল, এই কাজের দ্বারা তাঁর উদ্দেশ্য কি ছিল। তিনি বললেন, উম্মতের কষ্ট না হওয়াটাই তাঁর প্রত্যাশা।
(মুসলিম ও মুয়াত্তা মালিক।)
كتاب الصلاة
(3) باب جمع المقيم لمطر أو غيره
(1253) عن جابر بن زيد عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما قال جمع رسول الله صلى الله عليه وسلم بين الظهر والعصر والمغرب والعشاء بالمدينة من غير خوف ولا مطر قيل لابن عبَّاس وما أراد لغير ذلك قال أراد أن لا يحرج أمَّته
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৫৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদঃ বৃষ্টি কিংবা অন্য কারণে মুকীমদের দুই সালাত একত্রীকরণ প্রসঙ্গে
(১২৫০) ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূল (সা) মদীনায় মুকীম অবস্থায় সাত রাকা'আতী আট আট করে সালাত আদায় করেছেন।
(বুখারী, মুসলিম প্রভৃতি।)
كتاب الصلاة
(3) باب جمع المقيم لمطر أو غيره
(1254) عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما قال صلَّى رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم فى المدينة مقيمًا غير مسافر سبعًا وثمانيًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৫৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদঃ বৃষ্টি কিংবা অন্য কারণে মুকীমদের দুই সালাত একত্রীকরণ প্রসঙ্গে
(১২৫১) জাবির ইবন যায়িদ থেকে বর্ণিত তিনি ইবন আব্বাস (রা)-কে বলতে শুনেছেন, আমি রাসূল (সা)-এর সাথে মোট আট রাকাত ও মোট সাত রাকাত করে সালাত আদায় করেছি, রাবী বলেন, আমি তাঁকে বললাম, হে আবূ শা'ছা আমার ধারণা তিনি যোহরকে বিলম্বিত ও আসরকে এগিয়ে নিয়ে এবং মাগরিবকে বিলম্বিত ও ইশাকে এগিয়ে নিতেন। তিনি বললেন, আমার তা-ই ধারণা।
(বুখারী, মুসলিম প্রভৃতি।)
(আট রাকাত বলতে যোহরের চার ও আসরের চার মোট আট রাকাত উদ্দেশ্য। সাত রাকাত বলতে মাগরিবের তিন ও ইশার চার রাকাত উদ্দেশ্য।)
كتاب الصلاة
(3) باب جمع المقيم لمطر أو غيره
(1255) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى سفيان قال عمرو أخبرنى جابر بن زيد أنَّه سمع ابن عبَّاس يقول صلَّيت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ثمانيًا جميعًا وسبعًا جميعًا، قال قلت له يا أبا الشعَّثاء أظنُّه أخَّر الظُّهر وعجَّل وأخَّر المغرب وعجَّل العشاء، قال وأنا أظنُّ ذلك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৫৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: দুই সালাতের মধ্যে নফল সালাত ব্যতিরেকে এক আযান ও এক ইকামাতে একত্রকরণ প্রসঙ্গে
(১২৫২) আব্দুর রহমান ইবন ইয়াযিদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা)-এর সাথে মুযদালিফায় ছিলাম। তিনি সেখানে মাগরিব ও ইশার সালাত আলাদাভাবে আলাদা আযান ও আলাদা ইকামাতে আদায় করলেন। আর এই দুই সালাতের মাঝখানে রাতের খাবার খেয়ে নিলেন, এরপর প্রত্যুষ হলে, অথবা রাবী বলেন, যখন একজন তাঁকে বলল যে, ভোর হয়েছে তখন তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন। তখন জনৈক লোক বললেন, ভোর এখনও হয় নি। তারপর তিনি বললেন, নিশ্চয়ই রাসূল (সা) বলেছেন, এই স্থানে এই দুই সালাতের সময় কিছুটা পরিবর্তন হয়। মানুষেরা ইশার ওয়াক্ত না হওয়া পর্যন্ত মুজদালিফায় আসে না আর ফজরের সালাত তা এই সময় আদায় করা হয়।
(বুখারী, নাসায়ী, বায়হাকী প্রভৃতি।)
(মুযদালিফাকে جمع বলা হয় যেহেতু ঐ স্থানেই আদম ও হাওয়া একত্রিত হয়েছিলেন।)
كتاب الصلاة
(4) باب الجمع بأذان واقامة من غير صلاة تطوع بين المجموعتين
(1256) عن عبد الرَّحمن بن يزيد قال كنت مع عبد الله بن مسعود رضى الله عنه بجمع فصلَّى الصَّلاتين كلَّ صلاة وحدها بأذان وإقامة والعشاء بينهما وصلَّي الفجر حين سطع الفجر أو قال حين قائل طلع الفجر، وقال
قائل لم يطلع ثمَّ قال إنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم قال إنَّ هاتين الصَّلاتين تحوَّلان عن وقتهما فى هذا المكان لا يقدم النَّاس جمعًا حتَّى يعتموا وصلاة الفجر هذه السَّاعة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৫৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: দুই সালাতের মধ্যে নফল সালাত ব্যতিরেকে এক আযান ও এক ইকামাতে একত্রকরণ প্রসঙ্গে
(১২৫৩) হাকাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন সাঈদ ইবন যুবাইর আমাদের সালাত পড়ালেন। তিনি এক ইকামতে মাগরিবের তিন রাকাত সালাত আদায় করলেন, তিনি বলেন, অতঃপর সালাম ফিরালেন অতঃপর ইশার দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি উল্লেখ করলেন যে, আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা) ও এরূপ করেছেন। তিনি আরো উল্লেখ করলেন যে, রাসূল (সা)-ও এরূপ করেছিলেন।
(বুখারী, মুসলিম, নাসায়ী ও তাহাবী।)
كتاب الصلاة
(4) باب الجمع بأذان واقامة من غير صلاة تطوع بين المجموعتين
(1257) عن الحكم قال صلَّى بنا سعيد بن جبير فجمع المغرب ثلاثًا بإقامةٍ قال ثمَّ سلَّم ثمَّ صلَّى العشاء ركعتين، ثمَّ ذكر أنَّ عبد الله بن عمر فعل ذلك وذكر أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم أنه كان يصلِّى المغرب والعشاء بإقامة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৫৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: দুই সালাতের মধ্যে নফল সালাত ব্যতিরেকে এক আযান ও এক ইকামাতে একত্রকরণ প্রসঙ্গে
(১২৫৪) আবু আইয়ূব আল-আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি মাগরিব ও ইশার সালাত এক ইকামাতে আদায় করেছেন।
(মুসলিম, তাহাবী।)
كتاب الصلاة
(4) باب الجمع بأذان واقامة من غير صلاة تطوع بين المجموعتين
(1258) عَنْ أَبِي أَيُّوبُ الأَنْصَارِيُّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلَّم أَنَّهَ كَانَ يُصَلِّ الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاء بِإِقَامَةِ.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৫৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: দুই সালাতের মধ্যে নফল সালাত ব্যতিরেকে এক আযান ও এক ইকামাতে একত্রকরণ প্রসঙ্গে
(১২৫৫) ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সা) মুজদালিফায় মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রে আদায় করেছেন। তিনি মাগরিবের তিন রাকাত ও ইশার দুই রাকাত এক ইকামাতে আদায় করেছেন।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ী ও তাহাবী।)
كتاب الصلاة
(4) باب الجمع بأذان واقامة من غير صلاة تطوع بين المجموعتين
(1259) عن ابن عمر رضي الله عنهما أنَّ النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم جمع بين المغرب والعشاء بجمع، صلَّى المغرب ثلاثًا والعشاء ركعتين بإقامة واحدة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৬০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: দুই সালাতের মধ্যে নফল সালাত ব্যতিরেকে এক আযান ও এক ইকামাতে একত্রকরণ প্রসঙ্গে
(১২৫৬) সালিম হতে বর্ণিত, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসুল (সা) মুজদালিফায় এক ইকামাতে মাগরিব ও ইশার সালাত আদায় করেছেন এবং এতদুভয়ের মাঝে এবং এতদুভয়ের একটির পরেও কোন নফল সালাত আদায় করেন নি।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ী ও তাহাবী।)
كتاب الصلاة
(4) باب الجمع بأذان واقامة من غير صلاة تطوع بين المجموعتين
(1260) عن سالم عن أبيه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم جمع بين المغرب والعشاء بجمع بإقامة ولم يسبِّح بينهما ولا على أثر واحدة منهما
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৬১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: দুই সালাতের মধ্যে নফল সালাত ব্যতিরেকে এক আযান ও এক ইকামাতে একত্রকরণ প্রসঙ্গে
(১২৫৭) উসামা ইবন যায়িদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) যখন মুজদালিফায় এলেন যাত্রাবিরতি করলেন, অতঃপর উত্তমরূপে ওযু করলেন। এরপর সালাতের ইকামাত বলা হল, তিনি মাগরিবের সালাত আদায় ভরলেন। অতঃপর মানুষেরা তাদের উটগুলোকে তাদের অবস্থানে বেঁধে নিল, অতঃপর সালাতের ইকামাত বলা হল, তখন তিনি (ইশার) সালাত আদায় করলেন এবং তিনি এই দুই সালাতের মাঝে আর কোন (নফল) সালাত আদায় করেন নি।
উক্ত উসামা ইবন যায়িদ থেকে দ্বিতীয় সূত্রেও অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে সেখানে আরও আছে, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বাহনে আরোহণ করে মুজদালিফা পৌছলেন, অতঃপর মাগরিবের ইকামাত বলা হল (এবং সালাত আদায় করা হল) এরপর মানুষেরা তাদের উটগুলোকে তাদের অবস্থানে বাঁধল তখনও জিনিসপত্র নামলো না। ইতিমধ্যে ইশার ইকামাত হল তখন তিনি সালাত আদায় করলেন। এবার মানুষেরা আসবাবপত্র নামিয়ে বিশ্রাম করলেন।
(উক্ত উসামা বিন যায়িদ থেকে তৃতীয় সূত্রেও অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে। সেখানে আছে) তিনি বলেন, তিনি মুজদালিফায় এলেন, অতঃপর তারা মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। এরপর তারা তাদের বাহনগুলোকে মুক্ত করলেন এবং আমি তাঁকে সহযোগিতা করলাম। এরপর তিনি ইশার সালাত আদায় করলেন।
(১ম সূত্রটি বুখারী ও মুসলিম, ২য় সূত্রটি শুধু মুসলিম এবং ৩য় সূত্রটি মুসনাদে আহমাদে ছাড়া অন্য কোথাও বর্ণিত হয়েছে কিনা জানা যায় নি। অবশ্য ৩য় সূত্রে সনদের রাবীগণ সহীহর শর্তে উত্তীর্ণ।)
كتاب الصلاة
(4) باب الجمع بأذان واقامة من غير صلاة تطوع بين المجموعتين
(1261) عن أسامة بن زيد رضى الله عنهما أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم لمَّا جاء المزدلفة نزل فتوضأ فأسبغ الوضوء ثمَّ أقيمت الصَّلاة فصلَّى المغرب
ثم َّأناخ كلُّ إنسان بعيره فى منزله ثمَّ أقيمت الصَّلاة فصلاَّها ولم يصلِّ بينهما شيئًا (وعنه من طريق ثان بنحوه وفيه) قال ركب رسول الله صلى الله عليه وسلم حتَّى قدم المزدلفة فأقام المغرب ثمَّ أناح النَّاس في منازلهم ولم يحلُّوا حتَّى أقام العشاء فصلَّى ثمَّ حلَّ النَّاس (وعنه من طريق ثالث بنحوه وفيه) قال أتي المزلدفة فصلَّوا المنرب ثمَّ حلُّوا رحالهم وأعنته ثمَّ صلَّى العشاء
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৬২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) অনুচ্ছেদ: সফরের সময় সুন্নাত সালাতের হুকুম প্রসঙ্গে। এতে কয়েকটি পরিচ্ছেদ রয়েছে*

প্রথম পরিচ্ছেদ: যারা সফরের সময় সুন্নাত সালাত আদায়করণ প্রসঙ্গে বর্ণনা করেছেন
(১২৫৮) ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সা)-এর সাথে মুকীম ও মুসাফির উভয় অবস্থায় সালাত আদায় করেছি। মুকীম অবস্থায় তিনি যোহরের সালাত আদায় করতেন চার রাকাত, অতঃপর আরো দুই রাকাত (নফল)। আসরের সালাত আদায় করতেন চার রাকাত পরে আর কোন (নফল) সালাত আদায় করতেন না। মাগরিবের সালাত আদায় করতেন তিন রাকাত, পরে আরো দুই রাকাত (নফল)। আর ইশার সালাত আদায় করতেন চার রাকাত। আর সফর অবস্থায় যোহরের সালাত আদায় করতেন দুই রাকাত পরে আরো দুই রাকাত (নফল)। আর আসরের সালাত আদায় করতেন দুই রাকাত পরে কোন সালাত আদায় করতেন না। মাগরিবের সালাত আদায় করতেন তিন রাকাত পরে আরো দুই রাকাত (নফল)। আর ইশার সালাত আদায় করতেন দুই রাকাত, পরে আরো দুই রাকাত (নফল)।
(তিরমিযী, তিনি বলেন, হাদীসটি হাসান।)
*(ফরয, ওয়াজিব সালাত ব্যতীত বাকি সব সালাত মূলত নফল সালাত, তবে ওযরের মধ্যে ফরয সালাতের আগের পরের নফলগুলোকে সাধারণত সুন্নাত সালাত বলা হয়, আর বাকিগুলোকে নফল, এখানে ফরযের আগে পরের নফলের কথা বুঝানো হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(5) باب حكم صلاة الرواتب فى السفر وفيه فصول
(الفصل الاول فيمن روى فعلها فى السفر)
(1262) عن ابن عمر رضى الله عنهما قال صلَّيت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في الحضر والسَّفر، فصلَّى الظُّهر فى الحضر أربعًا وبعدها ركعتين، وصلَّى العصر أربعًا وليس بعدها شئ، وصلَّى المغرب ثلاثًا وبعدها ركعتين، وصلَّى العشاء أربعًا، وصلَّى فى السَّفر الظُّهر ركعتين وبعدها ركعتين، والعصر ركعتين وليس بعدها شئ، والمغرب ثلاثًا وبعدها ركعتين، والعشاء ركعتين وبعدها ركعتين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৬৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) অনুচ্ছেদ: সফরের সময় সুন্নাত সালাতের হুকুম প্রসঙ্গে। এতে কয়েকটি পরিচ্ছেদ রয়েছে*

প্রথম পরিচ্ছেদ: যারা সফরের সময় সুন্নাত সালাত আদায়করণ প্রসঙ্গে বর্ণনা করেছেন
(১২৫৯) উসামা ইবন যায়িদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি তাউসকে সফরে নফল সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তখন সেখানে হাসান ইবন্ মুসলিম ইবন্ হানাক বসা ছিলেন। তখন হাসান ইবন মুসলিম বলেছিলেন আর তাউস শুনছিলেন, ইবন আব্বাস (রা) থেকে আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূল (সা) মুকীম ও মুসাফিরের সালাত নির্ধারিত করেছেন তা হলো মুকীম অবস্থায় তোমরা ফরযের আগে পরে যেমনটি (নফল) আদায় কর। সফর অবস্থায়ও তেমনি আগে পরে (নফল) আদায় কর, ওয়াকী (হাদীসের এক রাবী) একবার বলেছিলেন, তোমরা সফরেও ঐ সব সালাত আদায় কর।
(বায়হাকী, এর সনদ গ্রহণ করা যেতে পারে।)
كتاب الصلاة
(5) باب حكم صلاة الرواتب فى السفر وفيه فصول
(الفصل الاول فيمن روى فعلها فى السفر)
(1263) عن أسامة بن زيد قال سألت طاوسًا عن السُّبحة في السَّفر قال وكان الحسن بن يسلم بن ينَّاق جالسًا، فقال الحسن بن مسلم وطاوس يسمع حدَّثنا طاوس عن ابن عبَّاس رضي الله عنهما قال فرض رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة الحضر والسَّفر فكما تصلِّي في الحضر قبلها وبعدها فصلِّ فى السَّفر قبلها وبعدها، قال وكيع مرَّة وصلِّها فى السَّفر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৬৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) অনুচ্ছেদ: সফরের সময় সুন্নাত সালাতের হুকুম প্রসঙ্গে। এতে কয়েকটি পরিচ্ছেদ রয়েছে*

প্রথম পরিচ্ছেদ: যারা সফরের সময় সুন্নাত সালাত আদায়করণ প্রসঙ্গে বর্ণনা করেছেন
(১২৬০) বারা ইবন আযিব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী (সা)-এর সাথে আঠার বার সফর করেছি। তাঁকে কখনই যোহরের পূর্বের দুই রাকাত সালাত ছেড়ে দিতে দেখি নি।
(আবূ দাউদ, বায়হাকী ও তিরমিযী, তিনি বলেন হাদীসটি হাসান ও গরীব।)
كتاب الصلاة
(5) باب حكم صلاة الرواتب فى السفر وفيه فصول
(الفصل الاول فيمن روى فعلها فى السفر)
(1264) عن البراء بن عازب رضى الله عنه قال سافرت مع النَّبيِّ صلَّى الله عليه وسلَّم ثمانية عشر سفرًا فلم أره ترك الرَّكعتين قبل الظُّهر
(الفصل الثانى فى استحباب صلاة الوتر والتهجد بالليل فى السفر)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৬৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: সফর অবস্থায় বিতর ও রাত্রে তাহাজ্জুদের সালাত মুস্তাহাব হওয়া প্রসঙ্গে
(১২৬১) ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) সফর অবস্থায় দুই রাকাত সালাতের সুন্নাত নিয়ম প্রবর্তন করেছেন, সেটিই পূর্ণতা। আর সফরে বিতর সালাত সুন্নাত।
(হাদীসটির অন্যতম রাবী জাবির আল-কুফী-এর বিশ্বস্ততা ও দুর্বলতার ব্যাপারে ইমামগণ মতবিরোধ করেছেন।)
كتاب الصلاة
الفصل الثانى فى استحباب صلاة الوتر والتهجد بالليل فى السفر
(1265) عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما قال سنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم الصَّلاة في السَّفر ركعتين وهى تمام والوتر فى السَّفر سنَّة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৬৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: সফর অবস্থায় বিতর ও রাত্রে তাহাজ্জুদের সালাত মুস্তাহাব হওয়া প্রসঙ্গে
(১২৬২) জাবির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সালিম ইবন আবদুল্লাহকে ইবন উমর হতে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। তিনি বলেন, রাসূল (সা) সফরে দুই রাকাত ব্যতীত সালাত আদায় করতেন না। তবে রাত্রিতে তিনি তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করতেন। জাবির বলেন, আমি সালিমকে জিজ্ঞেস করলাম, তাঁরা দুইজন (নবী (সা) ও ইবন উমর (রা)) কি বিতরের সালাত আদায় করতেন। তিনি বললেন, হ্যাঁ।
(মুসনাদে আহমদ ছাড়া হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় না, হাদীসটির অন্যতম রাবী জাবির আল সুফী এর ব্যাপারে ইমামগণের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে।)
كتاب الصلاة
الفصل الثانى فى استحباب صلاة الوتر والتهجد بالليل فى السفر
(1266) عن جابر سمعت سالم بن عبد الله يحدِّث عن ابن عمر قال كان رسول الله صلَّي الله عليه وآله وسلَّم لا يصلِّى في السَّفر إلاَّ ركعتين غير أنَّه كان يتهجَّد من اللَّيل، قال جابر فقلت لسالم كانا يواتران؟ قال نعم
(الفصل الثالث فيمن روى عدم صلاة التطوع فى السفر)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৬৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় পরিচ্ছেদ: যারা সফর অবস্থায় নফল সালাত নাই মর্মে বর্ণনা করেছেন সে প্রসঙ্গে
(১২৬৩) ঈসা ইবন হাফস ইবন আসিম থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমরা ইবন উমর (রা)-এর সাথে সফরে বের হলাম তখন আমরা ফরয সালাত আদায় করলাম। তখন তিনি প্রত্যক্ষ করলেন যে, তাঁর জনৈক সন্তান নফল সালাত আদায় করছে। তখন ইবন উমর (রা) বললেন, আমি নবী (সা) আবু বকর, উমর ও উসমান প্রমুখের সাথে সফরে সালাত আদায় করেছি। তাঁরা ফরযের পূর্বে বা পরে কোন (সুন্নাত) সালাত আদায় করতেন না। ইবনু উমর (রা) বললেন, যদি নফল সালাতই আদায় করব তবে তো পুরোপুরি সালাতই আদায় করতাম।
(উক্ত ঈসা ইবন হাফস থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন যে, আমি ইবন উমরের সাথে সফরে ছিলাম, এমতাবস্থায় তিনি যোহর ও আসরের সালাত আদায় করলেন দুই রাকাত দুই রাকাত করে। এরপর তিনি তাঁর মাদুরের দিকে গেলেন তখন দেখতে পেলেন যে, কিছু লোক ফরয সালাতের পর নফল সালাত আদায় করছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, এরা কি করছে? আমি বললাম তাঁরা নফল সালাত আদায় করছে। তিনি বললেন, আমি যদি ফরযের আগে ও পরে সালাত আদায় করতাম, তবে ফরযই পুরোপুরি আদায় করতাম (কসর করতাম না), আমি নবী (সা)-এর সাথী ছিলাম তাঁর ওফাত পর্যন্ত, তিনি দুই রাকাতের বেশী পড়তেন না। আমি আবু বকরের সাথেও ছিলাম তাঁর ওফাত পর্যন্ত, তিনিও দুই রাকাতের বেশী পড়তেন না। উমর এবং উসমান (রা)-এর অবস্থাও অনুরূপ ছিল।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ী, ইবন মাজাহ্ ও বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
الفصل الثالث فيمن روى عدم صلاة التطوع فى السفر
(1267) عن عيسى بن حفص بن عاصم عن أبيه قال خرجنا مع ابن عمر فصلَّينا الفريضة فرآي بعض ولده يتطوَّع، فقال ابن عمر صلَّيت مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم وأبى بكر وعمر وعثمان فى السّفر فلم يصلُّوا قبلها ولا بعدها، قال ابن عمر ولو تطوَّعت لأتممت (وعنه من طريق ثان) حدثنى أبى أنَّه قال كنت مع ابن عمر فى سفر فصلَّى الظُّهر والعصر ركعتين ركعتين، ثمَّ قام إلى طنفسة له فرأى ناسًا يسبِّحون بعدها، فقال ما يصنع هؤلاء؟ قلت يسبِّحون قال لو كنت مصلِّيًا قبلها أو بعدها لأتممتها، صحبت النَّبيَّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم حتَّى قبض فكان لا يزيد على ركعتين، وأبا بكر رضى الله عنه حتَّى قبص فكان لا يزيد عليهما، وعمر وعثمان كذلك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৬৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অসুস্থ ব্যক্তির সালাত ও বসা ব্যক্তির সালাত সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ

(১) অনুচ্ছেদ: যে বাক্তি অসুস্থতা কিংবা অনুরূপ কোন কারণে দাঁড়াতে অক্ষম সে যেভাবে সম্ভব সালাত আদায় করবে, এতে সে দাঁড়িয়ে সালাত আদায়কারীর মত সাওয়াব পাবে
(১২৬৪) আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন যে, কোন মানুষ তার শরীরে কোন আঘাতপ্রাপ্ত হলে আল্লাহ তার হেফাযতকারী ফেরেশতাদের নির্দেশ দেন। তিনি বললেন, আমার বান্দা অসুস্থ হবার পূর্বে দিবা রাত্রে যে সব ভাল কাজ করতো সে পরিমাণ নেকি তার জন্য লিখে দাও যতদিন সে আমার আওতায় (তথা অসুস্থ) থাকে।
(মানযারী, তিনি বলেন, এটা আহমদ বর্ণনা করেছেন, এর ভাষা আহমদেরই হাদীসটি হাফেজও বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, এটা বুখারী, মুসলিমের শর্তে উত্তীর্ণ।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة المريض وصلاة القاعد

(1) باب من لم يقدر على القيام لمرض ونحوه يصلى كيفما يستطيع وله مثل أجر القائم
(1268) عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال ما أحد من النَّاس يصاب ببلاء فى جسده إلاَّ أمر الله عزَّ وجلَّ الملائكة الَّذين يحفظونه فقال اكتبوا لعبدى كلَّ يوم وليلة ما كان يعمل من خير ما كان في وثاقي
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৬৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অসুস্থ ব্যক্তির সালাত ও বসা ব্যক্তির সালাত সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ

(১) অনুচ্ছেদ: যে বাক্তি অসুস্থতা কিংবা অনুরূপ কোন কারণে দাঁড়াতে অক্ষম সে যেভাবে সম্ভব সালাত আদায় করবে, এতে সে দাঁড়িয়ে সালাত আদায়কারীর মত সাওয়াব পাবে
(১২৬৫) ইমরান ইবন হুসাইন (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার পায়ে রোগ ছিল। আমি নবী (সা)-কে (এ অবস্থায়) সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, তুমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় কর। তা সম্ভব না হলে তবে বসে বসে (আদায় কর) তাও সম্ভব না হলে তবে কাত হয়ে শুয়ে (আদায় কর)।
(বুখারী, চার সুনান গ্রন্থ।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة المريض وصلاة القاعد

(1) باب من لم يقدر على القيام لمرض ونحوه يصلى كيفما يستطيع وله مثل أجر القائم
(1269) عن عمران بن حصين رضي الله عنه قال كان بى النَّاصور فسألت النَّبيَّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم عن الصَّلاة فقال صلِّ قائمًا
فإن لم تستطع فقاعدًا، فإن لم تستطع فعلى جنب.
tahqiq

তাহকীক: