মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ১২৩০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১২) অনুচ্ছেদ: কসর সালাতের সময়সীমা। মুসাফির কখন সালাত পূর্ণ করবে এবং যে ইকামাতের নিয়্যত করেন তার হুকুম প্রসঙ্গে।
(১২২৬) ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) সফরে (মক্কা বিজয়ের) জন্য বের হলেন। সেখানে তিনি উনিশ দিন অবস্থান করলেন। সে সময়ে তিনি দুই রাকাত দুই রাকাত করে সালাত আদায় করতেন। ইবন আব্বাস (রা) বলেন, আমরা যখন সফরে বের হতাম এবং উনিশ দিন অবস্থান করতাম তখন দুই রাকাত দুই রাকাত করে সালাত আদায় করতাম। আর যখন এর চেয়েও বেশী সময় অবস্থান করতাম তখন চার রাকাত করে সালাত আদায় করতাম।
(উক্ত ইবন আববাস (রা) থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত) তিনি বলেন, যখন নবী (সা) মক্কা বিজয় করলেন, তখন তিনি তথায় সতের দিন অবস্থান করলেন। সে সময় তিনি দুই রাকাত করে সালাত আদায় করলেন।
(প্রথম সূত্রের হাদীসাটি বুখারী ও ইবন মাজাহ তে বর্ণিত, আর দ্বিতীয় সুত্রের হাদীসটি ইবন হিব্বান ও আবু দাউদে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(12) باب مدة القصر ومتى يتم المسافر وحكم من لم يجمع اقامة
(1230) عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما قال سافر رسول الله صلى الله عليه وسلم فأقام تسع عشرة يصلِّي ركعتين ركعتين، قال ابت عباس فنحن إذا سافرنا فأقمنا تسع عشرة صلينا ركعتين ركعتين، فإذا أقمنا أكثر من ذلك صلَّينا أربعًا (وعنه من طريق ثان) قال لماَّ فتح النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم مكَّة أقام فيها سبع عشرة يصلِّي ركعتين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৩১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১২) অনুচ্ছেদ: কসর সালাতের সময়সীমা। মুসাফির কখন সালাত পূর্ণ করবে এবং যে ইকামাতের নিয়্যত করেন তার হুকুম প্রসঙ্গে।
(১২২৭) জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা) তাবুকে বিশ দিন অবস্থান করেন। তখন তিনি সালাত কসর (সংক্ষিপ্ত) করেছিলেন।
(আবু দাউদ, ইবন হিব্বান ও বায়হাকী ইবন হাযম ও নববী হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেন।)
كتاب الصلاة
(12) باب مدة القصر ومتى يتم المسافر وحكم من لم يجمع اقامة
(1231) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال أقام رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم بتبوك عشرين يومًا يقصر الصَّلاة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৩২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১২) অনুচ্ছেদ: কসর সালাতের সময়সীমা। মুসাফির কখন সালাত পূর্ণ করবে এবং যে ইকামাতের নিয়্যত করেন তার হুকুম প্রসঙ্গে।
(১২২৮) ছুমামা ইবন্ শারাহিল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবন উমর (রা)-এর কাছে গেলাম। অতঃপর তাঁকে বললাম, মুসাফিরের সালাত কি? তিনি বললেন, দুই রাকাত দুই রাকাত করে তবে মাগরিবের সালাত তিন রাকাত। আমি বললাম, আমরা যদি জুলমাজাযে অবস্থান করি তবুও কি আপনি তাই বলবেন? তিনি বললেন, জুলমাজায কি? আমি বললাম, যেখানে আমরা একত্রিত হই এবং কেনাবেচা করি পনের কিংবা বিশ দিন অবস্থান করি (তাই হল জুলমাজায)। তিনি বললেন, হে লোক, আমি আজারবাইজানে ছিলাম। রাবী বলেন, তিনি কি দু'মাস না চার মাস বলেছিলাম আমার মনে নেই, সেখানে আমি তাদেরকে দুই রাকাত দুই রাকাত করে সালাত আদায় করতে দেখেছি এবং নবী (সা)-কে নিজ চোখে দেখেছি দুই রাকাত দুই রাকাত করে সালাত আদায় করতে। অতঃপর তিনি এই আয়াতটি শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করেন لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ ‘‘নিশ্চয়ই রাসূল (সা) এর মধ্যেই রয়েছে তোমাদের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ।’’
(বাইহাকী ও হাইছামী। এর সনদ সহীহ।)
كتاب الصلاة
(12) باب مدة القصر ومتى يتم المسافر وحكم من لم يجمع اقامة
(1232) عن ثمامة بن شراحيل قال خرجت إلى ابن عمر فقلت ما صلاة المسافر؟ فقال ركعتين ركعتين إلاَّ صلاة المغرف ثلاثًا، قلت أرأيت إن كنَّا بذى المجاز، قال وما ذو المجاز؟ قلت مكان نجتمع فيه ونبيع فيه ونمكث عشرين ليلةً أو خمس عشرة ليلةً، قال يا أيُّها الرَّجل كنت بأذربيجان لا أدرى قال أربعة أشهر أو شهرين فرأيتم يصلُّونها ركعتين ركعتين، ورأيت نبيَّ الله صلى الله عليه وسلم نصب عينىَّ يصلِّيهما ركعتين ركعتين، ثمَّ نزع هذه الآية {لقد كان لكم فى رسول الله أسوة حسنة} حتَّى فرغ من الآية
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৩৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১২) অনুচ্ছেদ: কসর সালাতের সময়সীমা। মুসাফির কখন সালাত পূর্ণ করবে এবং যে ইকামাতের নিয়্যত করেন তার হুকুম প্রসঙ্গে।
(১২২৯) আবূ নাদরাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা ইমরান ইবন্ হুসাইন যাচ্ছিলেন, তখন আমরা বসা ছিলাম, এমতাবস্থায় লোকদের মধ্য হতে এক যুবক তাঁর কাছে গেল, এবং তাকে যুদ্ধ, হজ্জ ও উমরাহ্ সময় রাসূল (সা)-এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল। তখন তিনি আমাদের সামনে দাঁড়ালেন। অতঃপর বললেন, এ লোক আমাকে এক বিষয়ে জিজ্ঞেসা করেছে, আমি চাই যে, তোমরাও উত্তরটি শুনাে অথবা তিনি যেমনটি বলেছেন। আমি রাসূল (সা) এর সাথে যুদ্ধ করেছি তখন তিনি মদীনায় ফিরে না আসা পর্যন্ত কেবল দুই রাকাত করেই সালাত আদায় করেছেন। আমি তাঁর সাথে হজ্জও করেছি তিনি মদীনায় ফিরে না আসা পর্যন্ত দুই রাকাত বৈ বেশী সালাত আদায় করেন নি। আমি মক্কা বিজয় অভিযানে তাঁর সাথে ছিলাম। সেবারে তিনি মক্কায় আঠার দিন অবস্থান করেছিলেন। তখনও তিনি দুই রাকাতের বেশী সালাত আদায় করেন নি এবং তিনি নগরবাসীকে বলেছিলেন, তোমরা চার রাকাত করে সালাত আদায় কর। কেননা আমরা সফর অবস্থায় আছি। আমি তাঁর সাথে তিনবার উমরাহ্ করেছি তখনও তিনি দুই রাকাতের বেশী সালাত আদায় করেন নি। আমি আবূ বকর ও উমর (রা)-এর সাথে একাধিক বার হজ্জ করেছি তাঁরা উভয়েই মদীনা ফিরে না আসা পর্যন্ত দুই রাকাতের বেশী সালাত আদায় করেন নি।
(উক্ত আবু নাদরাহ্ থেকে দ্বিতীয় সূত্রেও অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে, সেখানে আরও রয়েছে) রাসূল (সা) যখনই সফরে যেতেন তখন সফর হতে না ফেরা পর্যন্ত দুই রাকাতের বেশী সালাত আদায় করতেন না। আর তিনি মক্কা বিজয়কালে মক্কায় আঠার দিন অবস্থান করেছিলেন সেখানে তিনি মানুষদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন দুই রাকাত দুই রাকাত করে। আমার পিতা বলেন, তাঁকে ইউনুস ইবন্ মুহাম্মাদও এই সনদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। সেখানে অতিরিক্ত রয়েছে তবে "মাগরিবের সালাত ব্যতীত"। অতঃপর তিনি (রাসূল) বলেন, হে মক্কাবাসী! তোমরা দাড়াও আরো দুই রাকাত সালাত আদায় কর কেননা আমরা মুসাফির। অতঃপর তিনি হুনাইনে ও তায়েফের যুদ্ধ করেছেন, সেখানেও তিনি দুই রাকাত দুই রাকাত করে সালাত আদায় করেছেন। অতঃপর তিনি ফিরে জিরানায় এসেছেন সেখান থেকে জুলক্বাদা মাসে উমরাহ্ করলেন। অতঃপর আমি আবু বকরের সাথে যুদ্ধ করেছি। তাঁর সাথে হজ্জ ও উমরাহ করেছি তিনিও দুই রাকাত দুই রাকাত করে সালাত আদায় করতেন। আমি উমর (রা)-এর সাথেও ছিলাম তিনিও দুই রাকাত দুই রাকাত করে সালাত আদায় করতেন (ইউনুস বলেন,) মাগরিব ব্যতীত। আমি উসমানের সাথেও তাঁর খিলাফতের প্রথম দিকে তাঁর সাথে সফরে ছিলাম। ইউনুস বলেন, তিনিও দুই রাকাত করে সালাত আদায় করতেন, মাগরিবের সালাত ব্যতীত। এরপর থেকে উসমান (রা) চার রাকাত করে সালাত আদায় করতেন।
(আবু দাউদ ও তিরমিযীতে সংক্ষেপে বর্ণিত, তিনি হাদীসটি হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
(12) باب مدة القصر ومتى يتم المسافر وحكم من لم يجمع اقامة
(1233) عن أبى نضرة قال مرَّ عمران بن حصين فجلسنا فقام إليه فتىً من القوم فسأله عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم فى الغزو والحجِّ والعمرة، فجاء فوقف علينا فقال إن هذا سألنى عن أمر فأردت أن تسمعوه أو كما قال، غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم يصلِّ إلاَّ ركعتين حتَّى رجع إلى المدينة، وحججت معه فلم يصلِّ إلاَّ ركعتين حتَّى رجع إلى المدينة، وحججت معه فلم يصلِّ إلا ركعتين حتَّى رجع إلى المدينة، وشهدت معه الفتح فأقام بمكَّة ثمان عشرة لا يصلِّى إلاَّ ركعتين، ويقول لأهل البلد صلُّوا
أربعًا فإنَّا سفر، واعتمرت معه ثلاث عمر فلم يصلِّ إلاَّ ركعتين، وحججت مع أبى بكر وعمر رضي الله تعالى عنهما حجَّات فلم يصلِّيا إلاَّ ركعتين حتَّى رجعا إلى المدينة (وعنه من طريق ثان بنحوه وفيه) ما سافر رسول الله صلى الله عليه وسلم سفرًا إلاَّ صلَّى ركعتين ركعتين حتَّى يرجع، وإنّه أقام بمكَّة زمان الفتح ثمانى عشرة ليلةً يصلِّى بالنَّاس ركعتين ركعتين، قال أبى وحدَّثناه يونس بن محمَّد بهذا الإسناد وزاد فيه إلاَّ المغرب، ثمَّ يقول يا أهل مكَّة قوموا فصلُّوا ركعتين أخريين فإنَّا سفر، ثمَّ غزا حنينًا والطَّائف فصلَّي ركعتين ركعتين، ثمَّ رجع إلى جعرانة فاعتمر منها فى ذى القعدة، ثمَّ غزوت مع بى بكر رضى الله تعالى عنه وحججت واعتمرت فصلَّى ركعتين ركعتين، ومع عمر رضى الله فصلَّى ركعتين ركعتين، قال يونس إلاَّ المغرب،
ومع عثمان رضي الله عنه صدر إمارته قال يونس ركعتين إلاَّ المغرب، ثمَّ إنَّ عثمان رضى الله عنه صلَّي بعد ذلك أربعًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৩৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৩) অনুচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি কোন শহর অতিক্রম করার সময় তথায় বিয়ে করে অথবা সেখানে তার কোন স্ত্রী থেকে থাকে তবে সে পুরো সালাত আদায় করবে।
(১২৩০) আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুর রহমান ইবন আবু জুবাব থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে উসমান ইবন আফফান (রা) মিনায় চার রাকাত করে সালাত আদায় করেছেন। তখন মানুষ তাঁর এই কাজের নিন্দা করল। তখন তিনি বললেন, হে মানুষেরা! আমি মক্কায় আসার পর সেখানে বিবাহ করেছি। আর আমি রাসূল (সা)-কে বলতে শুনেছি, যে লোক কোন শহরে বিবাহ করবে সে যেন (সেখানে মুকীমের সালাত) পূর্ণ সালাত আদায় করে।
(হাইছামী হাদীসটি সংকলন করে বলেন, এটা আহমদ বর্ণনা করেছেন, আবু ইয়ালাও এ ধরনের হাদীস বর্ণনা করেছেন, এর সনদে একজন দুর্বল রাবী রয়েছেন।)
كتاب الصلاة
(13) باب من اجتاز ببلد فتزوج فيه أو كان لديه زوجة فليتم
(1234) عن عبد الله بن عبد الرَّحمن بن أبى ذباب عن أبيه أنَّ عثمان ابن عفَّان رضى الله عنه صلَّى بمنى أربع ركعات فأنكره النَّاس عليه، فقال يا أيُّها النَّاس إنِّى تأهَّلت بمكَّة منذ قدمت، وإنِّى سمعت رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم يقول من تأهَّلت بمكَّة منذ قدمت، وإنِّى سمعت رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم يقول من تأهَّل فى بلد فليصلِّ صلاة المقيم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৩৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দুই সালাত একত্রিতকরণ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ

(১) অনুচ্ছেদঃ সফরে দুই সালাত একত্রিত করণের বৈধতা প্রসঙ্গে
(১২৩১) ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) সফরে দুই সালাত একত্রে পড়তেন মাগরিব ও ইশা এবং যোহর ও আসর (একত্রে আদায় করতেন)।
(বুখারী, মুসলিম প্রভৃতি।)
كتاب الصلاة
أبواب الجمع بين الصلاتين

(1) باب مشروعية فى السفر
(1235) عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يجمع بين الصَّلاتين في السَّفر، المغرب والعشاء والظُّهر والعصر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৩৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দুই সালাত একত্রিতকরণ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ

(১) অনুচ্ছেদঃ সফরে দুই সালাত একত্রিত করণের বৈধতা প্রসঙ্গে
(১২৩২) আব্দুল্লাহ ইবন্ শাকীক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আব্দুল্লাহ্ ইবন আব্বাস (রা) বাদ আসর আমাদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা দিলেন। এমনকি (বক্তৃতার দীর্ঘতায়) সূর্য ডুবে গেল, (আকাশে) এবং তারকারাজি দেখা যেতে লাগল তখন মানুষেরা তাঁকে সালাতের জন্য আহবান করতে শুরু করল। জনগণের মধ্যে বানু তামীম গোত্রের এক লোক ছিল, যে আস-সালাত, আস্-সালাত বলতে শুরু করল। রাবী বলেন, তখন ইবন্ আব্বাস ক্রোধান্বিত হয়ে বললেন, তোমরা কি আমাকে (রাসূলের) সুন্নাত শিখাচ্ছ? আমি রাসূল (সা)-কে যোহর ও আসর এবং মাগরিব ও ইশাকে একত্রে আদায় করতে দেখেছি।
(মুসলিম।)
كتاب الصلاة
أبواب الجمع بين الصلاتين

(1) باب مشروعية فى السفر
(1236) عن عبد الله بن شقيق قال خطبنا ابن عبَّاس يومًا بعد العصر حتَّى غربت الشَّمس وبدت النُّجوم وعلق النَّاس ينادونه الصَّلاة، وفى القوم رجل من بنى تميم فجعل يقول الصَّلاة الصَّلاة، قال فغضب قال أتعلِّمنى بالسُّنَّة؟ شهدت رسول الله صلى الله عليه وسلم جمع بين الظُّهر والعصر والمغرب والعشاء، قال عبد الله فوجدت في نفسى من ذلك شيئًا فلقيت أبا هريرة فسألته فوافقته
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৩৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দুই সালাত একত্রিতকরণ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ

(১) অনুচ্ছেদঃ সফরে দুই সালাত একত্রিত করণের বৈধতা প্রসঙ্গে
(১২৩৩) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) সফরে যোহর ও আসর এবং মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রে আদায় করতেন।
(হাদীসটি এ ভাষায় মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাওয়া যায় নি, তবে বুখারী ও মুসলিমে অন্য ভাষায় হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
أبواب الجمع بين الصلاتين

(1) باب مشروعية فى السفر
(1237) عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يجمع بين الظُّهر والعصر والمغرب والعشاء في السَّفر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৩৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দুই সালাত একত্রিতকরণ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ

(১) অনুচ্ছেদঃ সফরে দুই সালাত একত্রিত করণের বৈধতা প্রসঙ্গে
(১২৩৪) আবু তোফাইল হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুয়ায ইবন জাবাল আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূল (সা) তাবুক যুদ্ধের সফরে বের হলেন, তখন তিনি যোহর ও আসর এবং মাগরিব ও ইশার সালাতকে একত্রে আদায় করলেন। আমি বললাম, তিনি এরূপ করার কারণ কি? তিনি বললেন, তিনি চেয়েছিলেন যে, উম্মতের কষ্ট না হোক।
(মুসলিম।)
كتاب الصلاة
أبواب الجمع بين الصلاتين

(1) باب مشروعية فى السفر
(1238) عن أبي الطُّفيل ثنا معاذ بن جبل رضى الله عنه قال خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفرة سافرها وذلك فى غزوة تبوك فجمع بين الظُّهر والعصر والمغرب والعشاء، قلت ما حمله على ذلك؟ قال أراد أن لا يخرج أمَّته
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৩৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অনুচ্ছেদ: সফরকালে দুই সালাতেকে এতদুভয়ের যে কোন একটার সময় একত্রকরণ বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে। এ সংক্রান্ত কয়েকটি পরিচ্ছেদ রয়েছে।

(প্রথম পরিচ্ছেদ: যোহর ও আসর এবং মাগরিব ও ইশার সালাত অগ্রবর্তী ও পশ্চাৎবর্তী করে একত্রিকরণ প্রসঙ্গে)
(১২৩৫) কুরাইব থেকে বর্ণিত, তিনি ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি কি তোমাদেরকে রাসূল (সা)-এর সফরের সালাত সম্পর্কে খবর দিব না? তিনি বলেন, আমরা বললাম, হ্যাঁ, তিনি বললেন, যখন তাঁর মনযিলে অবস্থানকালেই সূর্য ঝুঁকে পড়ত তখন তিনি বাহনে আরোহণ করবার পূর্বেই যোহর ও আসরকে একত্রে আদায় করতেন। আর মনযিলে অবস্থানকালে যদি সূর্য ঝুঁকে না পড়ত তবে সফর করতে থাকতেন আসরের ওয়াক্ত হওয়া পর্যন্ত। অতঃপর বাহন থেকে নামতেন এবং যোহর ও আসরকে একত্রে আদায় করতেন। আর যখন তাঁর মনযিলে থাকাবস্থায় মাগরিবের সময় হত তখন মাগরিব ও ইশাকে একত্রে আদায় করতেন। আর মানযিলে অবস্থানকালে যদি মাগরিবের ওয়াক্ত না হতো তবে বাহন চালিয়ে যেতেন ইশার ওয়াক্ত পর্যন্ত। যখন ইশার ওয়াক্ত হত তখন মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করতেন।
(শাফেয়ী, বাইহাকী ও তিরমিযী, তিনি হাদীসটি হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب جواز الجمع بين الصلاتين فى السفر فى وقت احداهما وفيه فصول
(الفصل الأول فى الجمع بين الظهر والعصر وبين المغرب والعشاء تقديما وتأخيرًا)
(1239) عن كريب عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما قال ألا أحدِّثكم عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم في السَّفر، قال قلنا بلى، قال كان إذا زاعت الشَّمس فى منزله جمع بين الظُّهر والعصر قبل أن يركب وإذا لم تزغ له في منزله سار حتى إذا حانت العصر نزل فجمع بين الظُّهر والعصر وإذا حانت المغرب فى منزله جمع بينها وبين العشاء، وإذا لم تحن في منزله ركب حتَّى إذا حانت العشاء نزل فجمع بينهما
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৪০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অনুচ্ছেদ: সফরকালে দুই সালাতেকে এতদুভয়ের যে কোন একটার সময় একত্রকরণ বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে। এ সংক্রান্ত কয়েকটি পরিচ্ছেদ রয়েছে।

(প্রথম পরিচ্ছেদ: যোহর ও আসর এবং মাগরিব ও ইশার সালাত অগ্রবর্তী ও পশ্চাৎবর্তী করে একত্রিকরণ প্রসঙ্গে)
(১২৩৬) মুয়ায ইবন জাবাল (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তাবুকের যুদ্ধে নবী (সা) যখন সূর্য ঢলে পড়ার পূর্বে সফর শুরু করতেন, তখন যোহরকে বিলম্বিত করতেন এবং আসরের ওয়াক্তে দুই সালাত একত্রে আদায় করতেন। আর যখন সূর্য ঢলে পড়ার পর সফরে বের হতেন তখন যোহর ও আসর একত্রে আদায় করতেন। অতঃপর সফর শুরু করতেন। আবার তিনি যখন মাগরিবের পূর্বে বের হতেন তখন মাগরিবকে বিলম্বিত করতেন, এমনকি তাকে ইশার সাথে একত্রে আদায় করতেন। আর যখন মাগরিবের পর বের হতেন তখন ইশাকে এগিয়ে নিয়ে আসতেন এবং তাকে মাগরিবের সাথে একত্রে আদায় করতেন।
(ইবন হিব্বান, মুস্তাদরাক হাকেম, দারাকুতনী, বায়হাকী, আবু দাউদ, তিরমিযী প্রভৃতি। এ হাদীস সহীহ্ কি না সে ব্যাপারে বহু বিতর্ক আছে। আহমদ ইবনে আব্দুর রহমানআল বান্নার বক্তব্য হতে তাঁর মতে হাদীসটি সহীহ।)
كتاب الصلاة
(2) باب جواز الجمع بين الصلاتين فى السفر فى وقت احداهما وفيه فصول
(الفصل الأول فى الجمع بين الظهر والعصر وبين المغرب والعشاء تقديما وتأخيرًا)
(1240) عن معاذ (بن جبل رضى الله عنه) أنَّ النَّبيّ صلى الله عليه وسلم كان في غزوة تبوك إذا ارتحل قبل زيغ الشَّمس أخَّر الظُّهر حتَّى يجمعها إلى العصر يصليِّهما جميعًا وإذا ارتحل بعد زيغ الشَّمس صلَّى الظُّهر والعصر جميعًا ثم سار، وكان إذا ارتحل قبل المغرب أخَّر المغرب حتَّى يصلِّيها مع العشاء، وإذا ارتحل بعد المغرب عجَّل العشاء فصلاَّها مع المغرب
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৪১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অনুচ্ছেদ: সফরকালে দুই সালাতেকে এতদুভয়ের যে কোন একটার সময় একত্রকরণ বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে। এ সংক্রান্ত কয়েকটি পরিচ্ছেদ রয়েছে।

(প্রথম পরিচ্ছেদ: যোহর ও আসর এবং মাগরিব ও ইশার সালাত অগ্রবর্তী ও পশ্চাৎবর্তী করে একত্রিকরণ প্রসঙ্গে)
(১২৩৭) আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) সফরে যোহরকে বিলম্বিত করতেন এবং আসরকে এগিয়ে নিতেন আর মাগরিবকে বিলম্বিত করতেন এবং ইশাকে এগিয়ে নিতেন।
(তাহাবী ও মুস্তাদরাকে হাকেম। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(2) باب جواز الجمع بين الصلاتين فى السفر فى وقت احداهما وفيه فصول
(الفصل الأول فى الجمع بين الظهر والعصر وبين المغرب والعشاء تقديما وتأخيرًا)
(1241) عن عائشة رضى الله عنها أنَّ النَّبيَّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم كان يؤخِّر الظُّهر ويعجِّل العصر ويؤخِّر المغرب ويعجِّل العشاء في السَّفر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৪২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: যোহর ও আসরের সালাত একত্রিতকরণ প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে)
(১২৩৮) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (সা) যখন সূর্য ঢলে পড়ার পূর্বেই সফরে বের হতেন তখন যোহরকে আসর পর্যন্ত বিলম্বিত করতেন, অতঃপর যাত্রা বিরতি করতেন এবং যোহর ও আসরকে একত্রে আদায় করতেন। আর যখন সফরের পূর্বেই সূর্য ঢলে পড়ত তখন তিনি যোহর পড়ে নিতেন অতঃপর বাহনে আরোহন করতেন।
(বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসায়ী ও বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
الفصل الثاني فيما روى فى الجمع بين الظهر والعصر
(1242) عن أنس بن مالك رضى الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ارتحل قبل أن تزيع الشَّمس أخَّر الظُّهر إلى وقت العصر ثمَّ نزل فجمع بينهما فإذا زاغت الشَّمس قبل أن يرتحل صلَّى الظُّهر ثمَّ ركب
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৪৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: যোহর ও আসরের সালাত একত্রিতকরণ প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে)
(১২৩৯) আবু কিলাবা থেকে বর্ণিত, তিনি ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, ইবন আব্বাস (রা) আমার জানা মতে মারফু হাদীসই বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, তিনি যখন কোন মনযিলে যাত্রাবিরতি করতেন, অপর এক বর্ণনায় আছে, তিনি যখন সফরে থাকতেন এবং কোন মনযিলে যাত্রা বিরতি করতেন। স্থানটি তার পছন্দ হলে তখন যোহরকে বিলম্বিত করে যোহর ও আসরকে একত্রিত করে আদায় করতেন। আর যখন সফরে থাকতেন আর তাঁর জন্য কোন মনযিল প্রস্তুত করা হত না, তখন তিনি যোহরকে বিলম্বিত করতেন, এভাবে কোন মনযিলে এসে পৌঁছতেন। অতঃপর যোহর ও আসর একত্রিত করে আদায় করতেন।
(বায়হাকী, হাফিজ ইবন হাজার আসকালানী বলেন, এ হাদীসের সনদের রাবীগণ বিশ্বস্ত। তবে হাদীসটি মারফু' হবার ব্যাপারটি সন্দেহজনক, সত্য কথা হল তা মাওকুফ।)
كتاب الصلاة
الفصل الثاني فيما روى فى الجمع بين الظهر والعصر
(1243) عن أبى قلابة عن ابن عبَّاس قال لا أعلمه إلاَّ قد رفعه، قال كان إذا نزل منزلًا (وفي رواية كان إذا سافر فنزل منزلًا) فأعجبه المنزل أخَّر الظُّهر حتَّى يجمع بين الظُّهر والعصر، وإذا سار ولم يتهيَّأ له المنزل أخَّر الظُّهر حتَّى يأتى المنزل فيجمع بين الظُّهر والعصر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৪৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: যোহর ও আসরের সালাত একত্রিতকরণ প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে)
(১২৪০) হামযা আল-দাব্বা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবন মালিক (রা)-কে বলতে শুনেছি, রাসূল (সা) যখন কোন মনযিলে যাত্রা বিরতি করতেন, তখন সেখান হতে যোহরের সালাত আদায় না করে যাত্রা শুরু করতেন না। রাবী বলেন, তখন মুহাম্মদ ইবন উমর আনাসকে বললেন, হে আবু হামযা! যদিও তা দিনের মধ্যভাগে হয় তবুও। তিনি বললেন, যদিও তা দিনের মধ্যভাগে হয়।
(আবু দাউদ ও নাসায়ী।)
এখানে দিনের মধ্যভাগ বলতে সূর্য ঢলে পড়ার পর বুঝানো হয়েছে। কারণ রাসুল (সা) কখনো যোহরের সালাত সূর্য ঢলে পড়ার আগে আদায় করতেন না।
كتاب الصلاة
الفصل الثاني فيما روى فى الجمع بين الظهر والعصر
(1244) عن حمزة الضَّبِّيِّ قال سمعت أنس بن مالك رضي الله عنه يقول كان رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم إذا نزل منزلًا لم يرتحل حتَّى يصلِّى الظُّهُر، قال فقال محمَّد بن عمر لأنس يا أبا حمزة وإن كان بنصف النَّهار؟ قال وإن كان بنصف النَّهار
(الفصل الثالث فيما روى فى الجمع بين المغرب والعشاء)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৪৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (তৃতীয় পরিচ্ছেদ: মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রীকরণ প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে)
(১২৪১) জাবির ইবন আব্দুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) সূর্যাস্তের সময় মক্কা থেকে বের হলেন, এমতাবস্থায় তিনি (মাগরিব) সালাত আদায় করেন নি যতক্ষণ না 'সারিফ'-এ এলেন। 'সারিফ' মক্কা থেকে নয় মাইল দূরে।
(উক্ত জাবির ইবন্ আব্দুল্লাহ্ থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত) "সারিফ" নামক স্থানে সূর্যাস্ত গেল, কিন্তু নবী (সা) সেখানে মাগরিব আদায় না করেই মক্কা চলে এলেন।
(প্রথম সূত্রের হাদীসটি আবু দাউদ, নাসায়ী ও বায়হাকীতে বর্ণিত হয়েছে। এর সনদ উত্তম। দ্বিতীয় সূত্রের সনদে হাজ্জাজ ইবন আরতাত নামক এক বর্ণনাকারী রয়েছেন, যার ব্যাপারে তাদলীস করণের অভিযোগ রয়েছে।)
كتاب الصلاة
الفصل الثالث فيما روى فى الجمع بين المغرب والعشاء
(1245) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم من مكَّة عند غروب الشَّمس فلم يصلِّ حتَّى أتى سرف وهي تسعة
أميال من مكَّة (وعنه من طريق ثان) أنَّ النَّبيَّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم غابت له الشمس يسرف فلم يصلِّ المغرب حتَّى أتى مكَّة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৪৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (তৃতীয় পরিচ্ছেদ: মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রীকরণ প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে)
(১২৪২) যঃ আব্দুল্লাহ্ ইবন মুহাম্মদ ইবন্ উমর ইবন আলী থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আধী (রা) সফরে চলছিলেন। এমতাবস্থায় সূর্যাস্ত হয়ে গেল এবং অন্ধকার হয়ে এল। তখন তিনি যাত্রাবিরতি করলেন, এরপর মাগরিবের সালাত আদায় করলেন, তারপর ইশার সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, আমি রাসূল (সা)-কে এমনটি করতে দেখেছি।
(আবু দাউদ। এর সনদ সংশয়মুক্ত।)
كتاب الصلاة
الفصل الثالث فيما روى فى الجمع بين المغرب والعشاء
(1246) ز عن عبد الله بن محمَّد بن عمر بن علىّ عن أبيه عن جدِّه أن عليًّا رضى الله عنه كان يسير حتَّى إذا غابت الشَّمس وأظلم
نزل فصلَّى المغرب ثمَّ صلَّى العشاء على أثرها ثمَّ يقول هكذا رأيت رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم يصنع
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৪৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (তৃতীয় পরিচ্ছেদ: মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রীকরণ প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে)
(১২৪৩) আবূ যুবাইর থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি জাবিরকে জিজ্ঞাসা করলাম, রাসূল (সা) কি মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রে আদায় করেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমরা বনী মুস্তালিকের সাথে যুদ্ধ করার সময় (তিনি উক্ত সালাত দু'টি একত্রে আদায় করেছিলেন)।
(মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র হাদীসটি পাওয়া যায় নি, হাদীসের সনদে ইবন লাহিয়া আছেন যার ব্যাপারে কথা আছে।)
كتاب الصلاة
الفصل الثالث فيما روى فى الجمع بين المغرب والعشاء
(1247) عن أبى الزُّبير قال سألت جابرًا هل جمع رسول الله صلى الله عليه وسلم بين المغرب والعشاء؟ قال نعم زمان غزونا بني المصطلق
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৪৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (তৃতীয় পরিচ্ছেদ: মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রীকরণ প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে)
(১২৪৪) আমর ইবন শুয়াইব থেকে বর্ণিত তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন তিনি বলেন, নবী (সা) যেদিন বানু মুস্তালিকের বিরুদ্ধে অভিযান চালান সেদিন দুই সালাত একত্রে আদায় করেছিলেন।
(এ হাদীসটি মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাওয়া যায়নি। এর সনদে হাজ্জাজ ইবন আরতাত আছেন, যার ব্যাপারে কথা আছে।)
كتاب الصلاة
الفصل الثالث فيما روى فى الجمع بين المغرب والعشاء
(1248) عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جدِّه قال جمع النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم بين الصَّلاتين يوم غزا بنى المصطلق
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২৪৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (তৃতীয় পরিচ্ছেদ: মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রীকরণ প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে)
(১২৪৫) নাফি' থেকে বর্ণিত, তিনি ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি সন্ধ্যা পরবর্তী শুভ্রতা বিদূরিত হবার পর মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রে আদায় করেছেন। তিনি বলেন, রাসূল (সা)-ও এই দুই সালাতকে একত্রে আদায় করেছিলেন, যখন সফরে দ্রুত যাওয়ার প্রয়োজন হত।
(অপর বর্ণনায় আছে, যখন তাঁর সফরে দ্রুত যাওয়ার প্রয়োজন হত, তখন রাত্রির এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত এতদুভয়ের বিলম্বিত করে আদায় করতেন।)
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, দারেমী, বায়হাকী প্রভৃতি।)
كتاب الصلاة
الفصل الثالث فيما روى فى الجمع بين المغرب والعشاء
(1249) عن نافع عن ابن عمر رضي الله عنهما أنَّه كان يجمع
بين الصّلاتين المغرب والعشاء إذا غاب الشَّفق قال وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يجمع بينهما إذا جدَّ به السَّير "وفى رواية إذا جدَّ به السير إلى ربع اللَّيل أخَّرهما جميعًا"
tahqiq

তাহকীক: