মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ১২১০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) অনুচ্ছেদ: সফরের সালাতের ফরয হওয়া এবং তার হুকুম প্রসঙ্গে
(১২০৬) উবাইদুল্লাহ ইবন জাহর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু হুরাইরা (রা) বলেছেন, হে মানুষেরা। আল্লাহ্ তা'আলা তোমাদের জন্য তাঁর রাসূলের (সা) জবানীতে মুকীম অবস্থায় চার রাকাত এবং মুসাফির অবস্থায় দুই রাকাত সালাত ফরয করেছেন।
(হাইছামী বলেন, ইমাম আহমদ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের অন্যতম রাবী উবাইদুল্লাহ ইবন্ জাহর সম্পর্কে কিছু জানা যায় না। তিনি ব্যতীত অন্যান্য রাবীগণ সহীহ হাদীসের শর্তে উত্তীর্ণ।
(হাইছামী বলেন, ইমাম আহমদ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের অন্যতম রাবী উবাইদুল্লাহ ইবন্ জাহর সম্পর্কে কিছু জানা যায় না। তিনি ব্যতীত অন্যান্য রাবীগণ সহীহ হাদীসের শর্তে উত্তীর্ণ।
كتاب الصلاة
(10) باب افتراض صلاة السفر وحكمها
(1210) عن عبيد الله بن زحر أنَّ أبا هريرة رضي الله عنه قال أيُّها النَّاس إنَّ الله فرض لكم على لسان نبيِّكم صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم الصَّلاة في الحضر أربعًا، وفي السَّفر ركعتين
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২১১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) অনুচ্ছেদ: সফরের সালাতের ফরয হওয়া এবং তার হুকুম প্রসঙ্গে
(১২০৭) উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সফরের সালাত দুই রাকাত, ঈদুল আযহার সালাত দুই রাকাত, ঈদুল ফিতরের সালাত দুই রাকাত, জুমার সালাত দুই রাকাত, এ সবগুলোই পরিপূর্ণ সালাত কসর তথা সংক্ষিপ্ত নয়, যা মুহাম্মদ (সা)-এর ভাষ্য দ্বারা প্রমাণিত।
(নাসায়ী ও ইবন মাজাহ সনদের রাবীগণ বিশ্বস্ত।)
(নাসায়ী ও ইবন মাজাহ সনদের রাবীগণ বিশ্বস্ত।)
كتاب الصلاة
(10) باب افتراض صلاة السفر وحكمها
(1211) عن عمر (بن الخطَّاب) رضى الله عنه قال صلاة السَّفر
ركعتان، وصلاة الأضحى ركعتان، وصلاة الفطر ركعتان، وصلاة الجمعة ركعتان تمام غير قصر على لسان محمد صلَّي الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم
ركعتان، وصلاة الأضحى ركعتان، وصلاة الفطر ركعتان، وصلاة الجمعة ركعتان تمام غير قصر على لسان محمد صلَّي الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২১২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) অনুচ্ছেদ: সফরের সালাতের ফরয হওয়া এবং তার হুকুম প্রসঙ্গে
(১২০৮) ইয়ালা ইবন উমাইয়া (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি উমর ইবনুল খাত্তাব (রা)-কে জিজ্ঞেস করলাম, বললাম, لَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَنْ تَقْصُرُوا مِنَ الصَّلاةِ إِنْ خِفْتُمْ أَنْ يَفْتِنَكُمُ الَّذِينَ كَفَرُوا যারা কুফুরী করে তারা তোমাদেরকে ফিৎনায় ফেলবে এরূপ আশংকা করলে তবে সালাতকে সংক্ষিপ্তকরণে তোমাদের কোন গুনাহ নেই।" মানুষ তো এখন নিরাপদ। (এখন কেন সফরে কসর পড়া হবে?) তখন উমর (রা) আমাকে বললেন, তুমি যেমন বিস্মিত হয়েছ তেমনি আমিও বিস্মিত হয়েছিলাম এবং রাসূল (সা)-কে বিষয়টি জিজ্ঞেস করেছিলাম। প্রত্যুত্তরে তিনি বলেছিলেন, (এ কসর) একটি অনুগ্রহ, যা আল্লাহ পাক তোমাদের জন্য করেছেন। অতএব তোমরা তাঁর অনুগ্রহ গ্রহণ কর।
(মুসলিম এবং চার সুনানে বর্ণিত।)
(মুসলিম এবং চার সুনানে বর্ণিত।)
كتاب الصلاة
(10) باب افتراض صلاة السفر وحكمها
(1212) عن يعلى بن أميَّة رضى الله عنه قال سألت عمر بن الخطَّاب رضى الله عنه قلت "ليس عليكم جناح أن تقصروا من الصَّلاة إن خفتم إن يفتنكم الَّين كفروا" وقد أمن النَّاس، فقال لى عمر رضى الله عنه عجبت ممَّا عجبت منه، فسألت رسول الله صلَّي الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم فقال صدقة تصدَّق الله بها عليكم فاقبلوا صدقته
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২১৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) অনুচ্ছেদ: সফরের সালাতের ফরয হওয়া এবং তার হুকুম প্রসঙ্গে
(১২০৯) আবু হানযালা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা)-কে সফর অবস্থায় সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি জবাব দিলেন, সফর অবস্থায় সালাত দুই রাকাত। আমি বললাম, নিশ্চয়ই আমরা তো এখন নিরাপদ। তিনি বললেন, (এটাই) নবীর সুন্নাত।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি, তবে এর সনদ উত্তম।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি, তবে এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(10) باب افتراض صلاة السفر وحكمها
(1213) عن أبى حنظلة سألت ابن عمر رضى الله عنهما عن الصَّلاة
فى السَّفر، قال الصَّلاة فى السَّفر ركعتان، قلت إنَّا آمنون قال سنَّة النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم
فى السَّفر، قال الصَّلاة فى السَّفر ركعتان، قلت إنَّا آمنون قال سنَّة النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২১৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) অনুচ্ছেদ: সফরের সালাতের ফরয হওয়া এবং তার হুকুম প্রসঙ্গে
(১২১০) খালিদ ইবন উসাইদ বংশের জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবন্ উমর (রা)-কে বললাম, আমরা কুরআন শরীফে ভয়ের সালাত ও মুকীম অবস্থার সালাত সম্পর্কে পেয়েছি, কিন্তু মুসাফিরের সালাত সম্পর্কে কিছু পাই নি। তিনি বললেন, আল্লাহ্ তা'আলা মুহাম্মদ (সা)-কে প্রেরণ করেছেন এবং আমরা কিছুই জানতাম না, আমরা মুহাম্মদ (সা)-কে কোন কাজ যেমন করে করতে দেখেছি আমরাও ঠিক তেমনি করে সে কাজটি করে থাকি।
(২য় সূত্রে বর্ণিত) উমাইয়া ইবন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি ইবন উমর (রা)-কে বললেন, আমরা কুরআনে ভয়ের সালাত ও মুকীমের সালাত সম্পর্কে পেয়েছি কিন্তু মুসাফিরের সালাত সম্পর্কে পাই নি। ইবন উমর (রা) বললেন, আল্লাহ তাঁর নবী (সা)-কে প্রেরণ করেছেন আর আমরা ছিলাম স্বল্প বুদ্ধির মানুষ। অতএব, আমরা তেমন করে থাকি যেমনটি রাসূল (সা) করেছেন।
(মুয়াত্তা মালিক, নাসায়ী, ইবন মাজাহ, বায়হাকী, এর সনদ উত্তম।)
(২য় সূত্রে বর্ণিত) উমাইয়া ইবন আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি ইবন উমর (রা)-কে বললেন, আমরা কুরআনে ভয়ের সালাত ও মুকীমের সালাত সম্পর্কে পেয়েছি কিন্তু মুসাফিরের সালাত সম্পর্কে পাই নি। ইবন উমর (রা) বললেন, আল্লাহ তাঁর নবী (সা)-কে প্রেরণ করেছেন আর আমরা ছিলাম স্বল্প বুদ্ধির মানুষ। অতএব, আমরা তেমন করে থাকি যেমনটি রাসূল (সা) করেছেন।
(মুয়াত্তা মালিক, নাসায়ী, ইবন মাজাহ, বায়হাকী, এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(10) باب افتراض صلاة السفر وحكمها
(1214) عن رجل من آل خالد بن أسيد قال قلت لابن عمر إنَّا نجد صلاة الخوف في القرآن وصلاة الحضر ولا نجد صلاة السَّفر فقال إنَّ الله تعالى بعث محمَّدًا صلى الله عليه وسلم ولا نعلم شيئًا، فإنَّما نفعل كما رأينا محمَّدًا صلى الله عليه وسلم يفعل (ومن طريق ثان) عن أميَّة بن عبد الله أنَّه قال لابن عمر نجد صلاة الخوف وصلاة الحضر في القرآن ولا نجد صلاة المسافر قال ابن عمر بعث
الله نبيَّه صلى الله عليه وسلم ونحن أجفى النَّاس فنصنع كما صنع رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم
الله نبيَّه صلى الله عليه وسلم ونحن أجفى النَّاس فنصنع كما صنع رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২১৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) অনুচ্ছেদ: সফরের সালাতের ফরয হওয়া এবং তার হুকুম প্রসঙ্গে
(১২১১) দাহহাক ইবন মুযাহিম থেকে বর্ণিত, তিনি ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল (সা) যখন সফরে থাকতেন তখন দুই রাকাত দুই রাকাত করে সালাত আদায় করতেন। আর যখন (গৃহে) অবস্থান করতেন তখন সালাত আদায় করতেন চার রাকাত করে। রাবী বলেন, বনু আব্বাস (রা) বলেন, যে ব্যক্তি সফরে চার রাকাত সালাত আদায় করল সে যেন ঐ লোকের মত, যে মুকীম অবস্থায় দুই রাকাত সালাত আদায় করল। রাবী বলেন, ইবন আব্বাস (রা) আরো বলেন, একবার ব্যতীত সালাত সংক্ষিপ্ত করা হয় নি। তখন রাসূল (সা) দুই রাকাত সালাত আদায় করেছিলেন আর মানুষেরা একেক রাকাত সালাত আদায় করেছিলেন।
(ইবন হিব্বান বলেন, সনদের রাবীগণ বিশ্বস্ত।)
(ইবন হিব্বান বলেন, সনদের রাবীগণ বিশ্বস্ত।)
كتاب الصلاة
(10) باب افتراض صلاة السفر وحكمها
(1215) عن الضَّحَّاك بن مزاحم عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما قال صلَّى رسول الله صلى الله عليه وسلم حين سافر ركعتين ركعتين وحين قام أربعًا قال وقال ابن عبَّاس فمن صلَّى فى السَّفر أربعًا كمن صلَّي فى الحضر ركعتين قال وقال ابن عبَّاس لم تقصر الصَّلاة إلاَّ مرَّة حيث صلَّى رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم ركعتين وصلَّى النَّاس ركعةً ركعةً
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২১৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) অনুচ্ছেদ: সফরের সালাতের ফরয হওয়া এবং তার হুকুম প্রসঙ্গে
(১২১২) সায়ীদ ইবন্ শুফী থেকে তিনি ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, মানুষেরা তাঁকে মুসাফিরের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন তখন তিনি বললেন, রাসূল (সা) যখন তাঁর পরিজন থেকে সফরে বের হতেন তখন পরিবারের কাছে ফিরে না আসা পর্যন্ত দুই রাকাত ব্যতীত সালাত আদায় করতেন না।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। তবে সনদ উত্তম।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। তবে সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(10) باب افتراض صلاة السفر وحكمها
(1216) عن سعيد بن شفىٍّ عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما قال جعل النَّاس يسألونه عن الصَّلاة في السَّفر، فقال كان رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم
إذا خرج من أهله لم يصلِّ إلاَّ ركعتين حتَّى رجع إلى أهله
إذا خرج من أهله لم يصلِّ إلاَّ ركعتين حتَّى رجع إلى أهله
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২১৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) অনুচ্ছেদ: সফরের সালাতের ফরয হওয়া এবং তার হুকুম প্রসঙ্গে
(১২১৩) আব্দুল্লাহ্ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী (সা) ও উমরের সাথে সফর করেছি, তখন তাঁরা উভয়েই দুই রাকাতের বেশী (সালাত আদায়) করতেন না। আমরা ছিলাম পথভ্রান্ত আল্লাহ তাঁর মাধ্যমে আমাদের পথের দিশা দিয়েছেন। অতএব আমরা তাঁরই অনুসরণ করি।
(বুখারী, মুসলিম প্রভৃতি।)
(বুখারী, মুসলিম প্রভৃতি।)
كتاب الصلاة
(10) باب افتراض صلاة السفر وحكمها
(1217) عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما قال سافرت مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم ومع عمر فكانا لا يزيدان على ركعتين وكنَّا ضلاَّلًا فهدانا الله به فبه نقتدي
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২১৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) অনুচ্ছেদ: সালাত কসর করার দূরত্ব এবং যে ব্যক্তি কোন শহরে পৌঁছে, অতঃপর মুকীম হওয়ার নিয়্যত করে তার হুকুম। মুসাফির যখন মুকীমের ইক্তিদা করবে তখন সে পুরা সালাতই আদায় করবে। আর মক্কাবাসী কি মিনায় সালাত কসর করবে?
(১২১৪) জুবাইর ইবন্ নুফাইর হতে বর্ণিত, তিনি আবু সামত্ হতে বর্ণনা করেন যে, একদা তিনি হিমছ-এর দাওমিন শহরে এলেন, যার দূরত্ব প্রায় ১৮ মাইল। তখন তিনি দুই রাকাত করে সালাত আদায় করলেন। আমি তাঁকে বললাম, আপনি কি সালাত দুই রাকাত আদায় করলেন? তিনি বললেন, আমি হযরত উমর (রা)-কে দেখেছি যে, তিনি জুল হুলাইফায় দুই রাকাত করে সালাত আদায় করতেন। তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তিনি বলেছিলেন, আমি রাসূল (সা)-কে যা করতে দেখেছি তাই করেছি। অথবা বললেন, যেরূপ রাসূল (সা)-কে দেখেছি সেরূপ করেছি।
(হাদীসটি মুসলিম, নাসায়ী, বায়হাকী প্রভৃতি গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।)
(হাদীসটি মুসলিম, নাসায়ী, বায়হাকী প্রভৃতি গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(11) باب مسافة القصر وحكم من نزل ببلد فنوى الأقامة فيه
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
(1218) عن جبير بن نفير عن أبى السِّمط أنَّه أتى أرضًا يقال لها دومين من حمص على رأس ثمانية عشر ميلًا فصلَّى ركعتين، فقلت له أتصلِّى ركعتين؟ فقال رأيت عمر بن الخطَّاب بذى الحليفة يصلِّي ركعتين فسألته فقال إنَّما أفعل كما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم أو قال كما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২১৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) অনুচ্ছেদ: সালাত কসর করার দূরত্ব এবং যে ব্যক্তি কোন শহরে পৌঁছে, অতঃপর মুকীম হওয়ার নিয়্যত করে তার হুকুম। মুসাফির যখন মুকীমের ইক্তিদা করবে তখন সে পুরা সালাতই আদায় করবে। আর মক্কাবাসী কি মিনায় সালাত কসর করবে?
(১২১৫) ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা) মদীনা হতে সফরে বের হলেন (অপর এত বর্ণনায় এসেছে) আমরা রাসূল (সা)-এর সাথে মক্কা-মদীনায় সফর করেছিলাম। তখন তিনি আল্লাহ্ ছাড়া আর কাউকে ভয় করছিলেন না। তখন সফর হতে প্রত্যাবর্তন করা পর্যন্ত দুই রাকাত করে সালাত আদায় করেছিলেন।
(বুখারী, মুসলিম ও বায়হাকী।)
(বুখারী, মুসলিম ও বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(11) باب مسافة القصر وحكم من نزل ببلد فنوى الأقامة فيه
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
(1219) عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم سافر من المدينة (وفى رواية سرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بين مكَّة والمدينة) لا يخاف إلاَّ الله عزَّ وجلَّ فصلَّى ركعتين حتَّى رجع
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২২০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) অনুচ্ছেদ: সালাত কসর করার দূরত্ব এবং যে ব্যক্তি কোন শহরে পৌঁছে, অতঃপর মুকীম হওয়ার নিয়্যত করে তার হুকুম। মুসাফির যখন মুকীমের ইক্তিদা করবে তখন সে পুরা সালাতই আদায় করবে। আর মক্কাবাসী কি মিনায় সালাত কসর করবে?
(১২১৬) হারিছা ইবন্ ওহাব আল-খুযায়ী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী (সা)-এর সাথে মিনায় যোহর ও আসরের সালাত আদায় করেছি দুই রাকাত করে, অথচ তখন আমাদের অধিকাংশই ছিল নিরাপদ।
(বুখারী, মুসলিম, নাসায়ী, আবু দাউদ ও তিরমিযী।)
(বুখারী, মুসলিম, নাসায়ী, আবু দাউদ ও তিরমিযী।)
كتاب الصلاة
(11) باب مسافة القصر وحكم من نزل ببلد فنوى الأقامة فيه
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
(1220) عن حارثة بن وهب الخزاعىِّ رضى الله عنه قال صلَّينا مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم الظُّهر والعصر بمنىً أكثر ما كان النَّاس وآمنه ركعتين
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২২১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) অনুচ্ছেদ: সালাত কসর করার দূরত্ব এবং যে ব্যক্তি কোন শহরে পৌঁছে, অতঃপর মুকীম হওয়ার নিয়্যত করে তার হুকুম। মুসাফির যখন মুকীমের ইক্তিদা করবে তখন সে পুরা সালাতই আদায় করবে। আর মক্কাবাসী কি মিনায় সালাত কসর করবে?
(১২১৭) মুসা ইবন সালামা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মক্কায় ইবন আব্বাসের সাথে ছিলাম, তখন আমি বললাম, আমি যখন তোমাদের সাথে (মসজিদে মুক্তাদী হিসাবে) থাকব তখন চার রাকাত করে সালাত আদায় করব। আর যখন বাহনের দিকে যাব তখন দুই রাকাত করে সালাত আদায় করব। (একথা শুনে) তিনি বললেন, এটা আবুল কাসিম (সা)-এর সুন্নাত।
তার (মূসা ইবন সালামা) থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি ইবন্ আব্বাস (রা)-কে বললাম বাতহায় (মিনায়) যখন তোমরা মসজিদে জামাত পেতে না তখন কয় রাকাত করে সালাত আদায় করতে? তিনি বললেন, দুই রাকাত করে, এটাই আবুল কাসিম (সা)-এর সুন্নাত।
(তাঁর মুসা ইবন্ সালামা) থেকে তৃতীয় সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবন আববাস (রা)-কে জিজেস করলাম, যখন আমি মক্কায় অবস্থান করছি তখন কিরূপে সালাত আদায় করব? তিনি বললেন, দুই রাকাত করে। সেটাই আবুল কাসিম (সা)-এর সুন্নাত।
তার (মূসা ইবন সালামা) থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি ইবন্ আব্বাস (রা)-কে বললাম বাতহায় (মিনায়) যখন তোমরা মসজিদে জামাত পেতে না তখন কয় রাকাত করে সালাত আদায় করতে? তিনি বললেন, দুই রাকাত করে, এটাই আবুল কাসিম (সা)-এর সুন্নাত।
(তাঁর মুসা ইবন্ সালামা) থেকে তৃতীয় সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবন আববাস (রা)-কে জিজেস করলাম, যখন আমি মক্কায় অবস্থান করছি তখন কিরূপে সালাত আদায় করব? তিনি বললেন, দুই রাকাত করে। সেটাই আবুল কাসিম (সা)-এর সুন্নাত।
كتاب الصلاة
(11) باب مسافة القصر وحكم من نزل ببلد فنوى الأقامة فيه
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
(1221) عن موسى بن سلمة قال كنَّا مع ابن عبَّاس بمكة فقلت إذا كنَّا معكم صلَّينا أربعًا، وإذا رجعنا إلى رحالنا صلَّينا ركعتين قال سنَّة أبى القاسم صلى الله عليه وسلم (وعنه من طريق ثان) قال قلت لابن عبَّاس إذا لم تدرك الصَّلاة فى المسجد كم تصلِّى فى البطحاء قال ركعتين سنَّة أبى القاسم صلى الله عليه وسلم (وعنه من طريق ثالث) قال سألت ابن عبَّاس قلت إنِّى أكون بمكَّة فكيف أصلِّى؟ فقال ركعتين سنِّة أبى القاسم صلَّى الله عليه وآله وسلَّم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২২২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) অনুচ্ছেদ: সালাত কসর করার দূরত্ব এবং যে ব্যক্তি কোন শহরে পৌঁছে, অতঃপর মুকীম হওয়ার নিয়্যত করে তার হুকুম। মুসাফির যখন মুকীমের ইক্তিদা করবে তখন সে পুরা সালাতই আদায় করবে। আর মক্কাবাসী কি মিনায় সালাত কসর করবে?
(১২১৮) আব্দুল্লাহ্ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মিনায় ছয় বছর নবী (সা), আবু বকর, উমর, উসমান (রা) প্রমুখের সাথে সালাত আদায় করেছি, তখন তাঁরা মুসাফিরের সালাত আদায় করেছিলেন।
(হাদীসটি মুসলিম, নাসায়ী প্রভৃতি গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।)
(হাদীসটি মুসলিম, নাসায়ী প্রভৃতি গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(11) باب مسافة القصر وحكم من نزل ببلد فنوى الأقامة فيه
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
(1222) عن ابن عمر رضي الله عنهما قال صلَّيت مع النَّبيِّ صلَّى الله عليه وسلَّم وأبى بكر وعمر وعثمان ستَّ سنين بمنىً فصلوا صلاة المسافر
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২২৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) অনুচ্ছেদ: সালাত কসর করার দূরত্ব এবং যে ব্যক্তি কোন শহরে পৌঁছে, অতঃপর মুকীম হওয়ার নিয়্যত করে তার হুকুম। মুসাফির যখন মুকীমের ইক্তিদা করবে তখন সে পুরা সালাতই আদায় করবে। আর মক্কাবাসী কি মিনায় সালাত কসর করবে?
(১২১৯) আনাস ইবন মালিক আল-আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা) তাঁর মদীনার মসজিদে আমাদের নিয়ে আসরের দুই রাকাত সালাত পড়ালেন। তখন নিরাপদ ছিলাম, ভয়ভীতি ছিল না, আর তা বিদায় হজ্জের সফরে।
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম ও অপরাপর তিন সুনানে বর্ণিত হয়েছে।)
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম ও অপরাপর তিন সুনানে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(11) باب مسافة القصر وحكم من نزل ببلد فنوى الأقامة فيه
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
(1223) عن أنس بن مالك الأنصارىِّ رضي الله عنه قال صلَّى بنا رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم الظُّهر فى مسجده بالمدينة أربع ركعات،
ثمَّ صلَّى بنا العصر بذى الحليفة ركعتين آمنًا لا يخاف في حجَّة الوداع
ثمَّ صلَّى بنا العصر بذى الحليفة ركعتين آمنًا لا يخاف في حجَّة الوداع
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২২৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) অনুচ্ছেদ: সালাত কসর করার দূরত্ব এবং যে ব্যক্তি কোন শহরে পৌঁছে, অতঃপর মুকীম হওয়ার নিয়্যত করে তার হুকুম। মুসাফির যখন মুকীমের ইক্তিদা করবে তখন সে পুরা সালাতই আদায় করবে। আর মক্কাবাসী কি মিনায় সালাত কসর করবে?
(১২২০) শু'বা থেকে বর্ণিত, তিনি ইয়াহইয়া ইবন ইয়াযিদ আল হুনায়ী থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবন মালিক (রা)-কে কসর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি কুফার উদ্দেশ্যে বের হতাম তখন সফর থেকে ফিরে আসা পর্যন্ত দুই রাকাত করে সালাত আদায় করতাম। আনাস (রা) বলেন, রাসূল (সা) যখন তিন মাইল অথবা তিন ফরসখের পথ সফরে বের হতেন তখন তিনি দুই রাকাত করে সালাত আদায় করতেন। তিন মাইল বা তিন ফরসখ এই সন্দেহ রাবী শু'বার।
(মুসলিম ও আবূ দাউদ।)
(মুসলিম ও আবূ দাউদ।)
كتاب الصلاة
(11) باب مسافة القصر وحكم من نزل ببلد فنوى الأقامة فيه
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
(1224) عن شعبة عن يحيى بن يزيد الهنائىِّ قال سألت أنس بن مالك رضى الله عنه عن قصر الصَّلاة، قال كنت أخرج إلى الكوفة فأصلِّى ركعتين حتى أرجع، وقال أنس كان رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم إذا خرج مسيرة ثلاثة أميال أو ثلاثة فراسخ شعبة الشَّاكُّ صلَّى ركعتين
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২২৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) অনুচ্ছেদ: সালাত কসর করার দূরত্ব এবং যে ব্যক্তি কোন শহরে পৌঁছে, অতঃপর মুকীম হওয়ার নিয়্যত করে তার হুকুম। মুসাফির যখন মুকীমের ইক্তিদা করবে তখন সে পুরা সালাতই আদায় করবে। আর মক্কাবাসী কি মিনায় সালাত কসর করবে?
(১২২১) হাফস্ থেকে বর্ণিত তিনি আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমাদেরকে সিরিয়ায় (খলীফা) আব্দুল মালিকের নিকট আমাদের ভাতা নির্ধারণের জন্য নিয়ে যাওয়া হল, তখন আমরা ছিলাম চল্লিশজন আনসারী। অতঃপর আমরা ফেরার পথে ফাজুন নাকাহ নামক স্থানে পৌঁছলাম তখন তিনি (আনাস) আমাদের আসরের সালাত পড়ালেন। অতঃপর সালাম ফিরালেন এবং তাঁর তাঁবুতে প্রবেশ করলেন। আর এ দিকে লোকজন তাঁর সেই দুই রাকাতের সাথে আরো দুই রাকাত সালাত বৃদ্ধি করতে থাকল। রাবী বলেন, তখন তিনি বললেন, আল্লাহ তাদের মুখমণ্ডল ধুলামলিন করুক। তারা সুন্নাত মতে আমল করে নি আর না রুখসাত (সুযোগ) গ্রহণ করেছে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি রাসূল (সা)-কে বলতে শুনেছি, কিছু কিছু লোক দীন নিয়ে বাড়াবাড়ি করবে। প্রকৃত পক্ষে তারা এর মাধ্যমে দীন থেকে বের হয়ে যাবে যেমন ধনুক থেকে তীর বের হয়ে যায়।
(মুসনাদে আহমদ ছাড়া হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এ হাদীসের সনদ উত্তম।)
(মুসনাদে আহমদ ছাড়া হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এ হাদীসের সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(11) باب مسافة القصر وحكم من نزل ببلد فنوى الأقامة فيه
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
(1225) عن حفص عن أنس بن مالك رضى الله عنه أنَّه قال انطلق بنا إلى الشَّام إلى عبد الملك ونحن أربعون رجلًا من الأنصار ليفرض لنا، فلمَّا رجع وكنَّا بفجِّ النَّاقة صلَّى بنا العصر ثمَّ سلَّم ودخل فسطاطه وقام القوم يضيفون إلى ركعتيه ركعتين أخريين، قال فقال قبح الله الوجوه فوالله ما أصابت السُّنَّة ولا قبلت الرُّخصة، فأشهد لسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إنَّ أقوامًا يتعمقون فى الدِّين يمرقون كما يمرق السَّهم من الرّميَّة
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২২৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) অনুচ্ছেদ: সালাত কসর করার দূরত্ব এবং যে ব্যক্তি কোন শহরে পৌঁছে, অতঃপর মুকীম হওয়ার নিয়্যত করে তার হুকুম। মুসাফির যখন মুকীমের ইক্তিদা করবে তখন সে পুরা সালাতই আদায় করবে। আর মক্কাবাসী কি মিনায় সালাত কসর করবে?
(১২২২) ইয়াহইয়া ইবন আবু ইসহাক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবন মালিক (রা)-কে জিজ্ঞেস করলাম কসর সালাত সম্পর্কে। তিনি বলেন, আমরা নবী (সা), সাথে মদীনা থেকে মক্কার দিকে সফরে গেলাম সেখানে তিনি (সা) আমাদের নিয়ে ফিরে আসা পর্যন্ত দুই রাকাত সালাত পড়ালেন। তখন আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কি তথায় অবস্থান করেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তিনি তথায় দশ দিন অবস্থান করেছিলেন।
(বুখারী, মুসলিম, নাসায়ী ও বায়হাকী প্রভৃতি।)
(বুখারী, মুসলিম, নাসায়ী ও বায়হাকী প্রভৃতি।)
كتاب الصلاة
(11) باب مسافة القصر وحكم من نزل ببلد فنوى الأقامة فيه
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
(1226) عن يحيى بن أبى إسحاق قال سألت أنس بن مالك رضي الله عنه
عن قصر الصَّلاة، فقال سافرنا مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم من المدينة إلى مكَّة فصلَّى بنا ركعتين حتَّى رجعنا، فسألته هل أقام؟ فقال، نعم، أقام بمكَّة عشرًا
عن قصر الصَّلاة، فقال سافرنا مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم من المدينة إلى مكَّة فصلَّى بنا ركعتين حتَّى رجعنا، فسألته هل أقام؟ فقال، نعم، أقام بمكَّة عشرًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২২৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) অনুচ্ছেদ: সালাত কসর করার দূরত্ব এবং যে ব্যক্তি কোন শহরে পৌঁছে, অতঃপর মুকীম হওয়ার নিয়্যত করে তার হুকুম। মুসাফির যখন মুকীমের ইক্তিদা করবে তখন সে পুরা সালাতই আদায় করবে। আর মক্কাবাসী কি মিনায় সালাত কসর করবে?
(১২২৩) ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মিনায় নবী (সা), আবূ বকর, উমর এবং উসমানের সাথে তাঁর খেলাফতের প্রথম দিকে দুই রাকাত করে সালাত আদায় করেছি। অতঃপর তিনি (উসমান) পরিপূর্ণভাবে আদায় করেছেন।
(বুখারী ও মুসলিম।)
(বুখারী ও মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(11) باب مسافة القصر وحكم من نزل ببلد فنوى الأقامة فيه
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
(1227) عن ابن عمر رضى الله عنهما قال صلَّيت مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم بمنىً ركعتين، ومع أبى بكر ومع عمر ومع عثمان صدرًا من إمارته ثمَّ أتمَّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২২৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) অনুচ্ছেদ: সালাত কসর করার দূরত্ব এবং যে ব্যক্তি কোন শহরে পৌঁছে, অতঃপর মুকীম হওয়ার নিয়্যত করে তার হুকুম। মুসাফির যখন মুকীমের ইক্তিদা করবে তখন সে পুরা সালাতই আদায় করবে। আর মক্কাবাসী কি মিনায় সালাত কসর করবে?
(১২২৪) আবূ জুহাইফা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবতাহে (মুহাম্মাদ) রাসূল (সা)-এর সাথে আসরের সালাত আদায় করেছি দুই রাকাত। অন্য বর্ণনায় আছে, যোহর ও আসরের সালাত আদায় করেছি দুই রাকাত দুই রাকাত করে। অপর এক বর্ণনায় আরো এসেছে যে, অতঃপর তিনি মদীনায় ফিরে আসা পর্যন্ত দুই রাকাত করেই সালাত আদায় করেছিলেন।
(বুখারী, মুসলিম ও চার সুনান।)
(বুখারী, মুসলিম ও চার সুনান।)
كتاب الصلاة
(11) باب مسافة القصر وحكم من نزل ببلد فنوى الأقامة فيه
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
(1228) عن أبى جحيفة رضى الله عنه قال صلَّيت مع رسول الله
صلى الله عليه وسلم بالأبطح العصر ركعتين (وفى لفظ) الظُّهر والعصر ركعتين ركعتين (زاد فى رواية) ثمَّ لم يزل يصلِّى ركعتين حتَّى أتى المدينة
صلى الله عليه وسلم بالأبطح العصر ركعتين (وفى لفظ) الظُّهر والعصر ركعتين ركعتين (زاد فى رواية) ثمَّ لم يزل يصلِّى ركعتين حتَّى أتى المدينة
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২২৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) অনুচ্ছেদ: সালাত কসর করার দূরত্ব এবং যে ব্যক্তি কোন শহরে পৌঁছে, অতঃপর মুকীম হওয়ার নিয়্যত করে তার হুকুম। মুসাফির যখন মুকীমের ইক্তিদা করবে তখন সে পুরা সালাতই আদায় করবে। আর মক্কাবাসী কি মিনায় সালাত কসর করবে?
(১২২৫) ইয়াহইয়া ইবন আব্বাদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন যুবাইর থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা আব্বাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, মুয়াবিয়া ইবন আবু সুফিয়ান (রা) যখন হজ্জের জন্য আমাদের নিকট এলেন, তখন আমরাও তাঁর সাথে মক্কায় গেলাম। রাবী বলেন, এরপর তিনি আমাদের নিয়ে দুই রাকাত সালাত পড়লেন। এরপর দারুন নদওয়া গেলেন। রাবী বলেন, উসমান যখন মক্কায় আসতেন তখন তিনি সালাত পুরোপুরি আদায় করতেন। যোহর, আসর ও ইশা চার রাকাত করে আদায় করতেন আর যখন তিনি মিনা ও আরাফাতের উদ্দেশ্যে বের হতেন তখন সালাতকে কসর করতেন। আর যখন হজ্জব্রত পালন শেষ করতেন এবং মিনায় অবস্থান করতেন তখন মক্কা থেকে বের হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সালাত পুরোপুরি আদায় করতেন। আর মুয়াবিয়া (রা) যখন আমাদের নিয়ে যোহরের সালাত দুই রাকাত আদায় করলেন, তখন মারওয়ান ইবনুল হাকাম এবং আমর ইবন উসমান তাঁর দিকে উঠে গেলেন এবং তাঁকে বললেন, আপনি আপনার চাচাত ভাইকে যে নিকৃষ্ট দোষে দোষী করেছেন, তাঁকে কেউ সে দোষে দোষী করেন নি। তখন তিনি তাঁদের দুই জনকেই বললেন, কি সেটা? তখন তাঁরা দুইজন তাঁকে বললেন, আপনি কি জানেন না যে, তিনি উসমান (রা) মক্কায় পূর্ণ সালাত আদায় করতেন? রাবী বলেন, এবার তিনি এতদুভয়কে বললেন, তোমাদের ধ্বংস হোক। আমি কি উল্টো কিছু করেছি। আমি রাসূল (সা) আবূ বকর ও উমরের সাথে ঐ সালাত আদায় করেছি। তখন তাঁরা দুইজনই বললেন, আপনার চাচাত ভাই কিন্তু তা পূর্ণ করতেন। আর আপনার তাঁর উল্টো কাজ করাটা তার জন্য দোষেরই বটে। রাবী বলেন, অতঃপর মুয়াবিয়া (রা) আসর সালাতের জন্য বের হলেন এবং আমাদের নিয়ে চার রাকাত সালাত আদায় করলেন।
(হাইছামী বলেন, হাদীসটি ইমাম আহমদ ও তবারানী তাঁর কিছু অংশ বর্ণনা করেছেন। আহমদের রাবীগণ সবাই বিশ্বস্ত।)
(হাইছামী বলেন, হাদীসটি ইমাম আহমদ ও তবারানী তাঁর কিছু অংশ বর্ণনা করেছেন। আহমদের রাবীগণ সবাই বিশ্বস্ত।)
كتاب الصلاة
(11) باب مسافة القصر وحكم من نزل ببلد فنوى الأقامة فيه
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
وإتمام المسافر اذا اقتدى بمقيم - وهل يقصر الصلاة بمنى أهل مكة؟
(1229) عن يحيى بن عبَّاد بن عبد الله بن الزُّبير عن أبيه عبَّاد قال لمَّا قدم علينا معاوية يعنى (بن أبى سفيان) رضى الله عنه حاجَّا قدمنا معه مكَّة، قال فصلَّى بنا ركعتين ثمَّ انصرف إلى دار النَّدوة، قال وكان عثمان حين أتمَّ الصَّلاة إذا قدم مكَّة صلَّى بها الظُّهر والعصر والعشاء الآخرة أربعًا أربعًا، فإذا خرج إلى منى وعرفات قصر الصَّلاة، فإذا فرغ من الحجِّ وأقام بمنى أتمَّ الصَّلاة حتَّى يخرج من مكَّة، فلمَّا صلَّى بنا الظهُّر ركعتين (يعنى معاوية) نهض إليه مروان ابن الحكم وعمرو بن عثمان فقالا له ما عاب أحد ابن عمِّك بأقبح ما عبته به، فقال لهما وما ذاك؟ قال فقالا له ألم تعلم أنَّه أتمَّ الصَّلاة بمكَّة؟ قال فقال لهما ويحكما، وهل كان غير ما صنعت؟ قد صلَّيتها مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ومع أبى بكر وعمر رضى الله عنهما، قالا فإنَّ ابن عمَّك قد كان أتَّمها، وإنَّ خلافك إيَّاه له عيب، قال فخرج معاوية إلى العصر فصلاَّها بنا أربعًا
তাহকীক: