মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ১১৯০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) অনুচ্ছেদঃ মুসাফিরের প্রত্যাবর্তনের শিষ্টাচার, রাত্রে পরিবারের নিকট ফিরে না আসা এবং দুই রাকাত সালাত আদায় প্রসঙ্গে
(১১৮৬) কা'ব ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন' নবী (সা) দিনের বেলায় চাশতের সময় ব্যতীত সফর হতে আসতেন না। যখন সফর হতে ফিরে আসতেন তখন প্রথমেই মসজিদে যেতেন এবং তথায় দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন এরপর সেখানে বসতেন। (কোন কোন বর্ণনায় অতিরিক্ত এসেছে যে,) তখন মানুষেরা তাঁর নিকট আসত এবং তাঁকে সালাম জানাত।
(বুখারী, মুসলিম প্রভৃতি।)
كتاب الصلاة
(7) باب آداب رجوع المسافر وعدم طروق أهله ليلا وصلاة ركعتين
(1190) عن كعب بن مالك رضى الله عنه قال كان النَّبيُّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم لا يقدم من سفر إلاَّ نهارًا فى الضُّحى، فإذا قدم بدأ بالمسجد فصلَّى فيه ركعتين ثمِّ جلس فيه (زاد فى روايةٍ) فيأتيه النَّاس فيسلِّمون عليه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৯১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) অনুচ্ছেদঃ মুসাফিরের প্রত্যাবর্তনের শিষ্টাচার, রাত্রে পরিবারের নিকট ফিরে না আসা এবং দুই রাকাত সালাত আদায় প্রসঙ্গে
(১১৮৭) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) রাত্রের (সফর থেকে) তাঁর পরিবারের নিকট ফিরতেন না। বরং তিনি সকালে কিংবা সন্ধ্যায় গৃহে প্রবেশ করতেন।
(বুখারী, মুসলিম প্রভৃতি।)
كتاب الصلاة
(7) باب آداب رجوع المسافر وعدم طروق أهله ليلا وصلاة ركعتين
(1191) عن أنس بن مالك رضى الله عنه قال إنَّ النَّبيَّ صلَّي الله عليه وآله وسلَّم كان لا يطرق أهله ليلًا كان يدخل عليهم غدوةً أو عشيةً
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৯২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) অনুচ্ছেদঃ মুসাফিরের প্রত্যাবর্তনের শিষ্টাচার, রাত্রে পরিবারের নিকট ফিরে না আসা এবং দুই রাকাত সালাত আদায় প্রসঙ্গে
(১১৮৮) জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সা) তাঁকে বলেছেন, তুমি (সফর থেকে) রাত্রিবেলা ফিরলে তৎক্ষনাৎ পরিবারের (তথা স্ত্রীর) কাছে যাবে না, যাতে স্বামী অনুপস্থিত থাকা মহিলারা ক্ষুর ব্যবহার করে পরিচ্ছন্ন হতে পারে এবং এলোকেশ আঁচড়িয়ে নিতে পারে। রাবী বলেন, রাসূল (সা) আরো বলেছেন, তুমি যখন প্রবেশ করবে তখন বুদ্ধিমত্তা অবলম্বন করবে, বুদ্ধিমত্তা অবলম্বন করবে।
(বুখারী, মুসলিম, নাসায়ী, আবু দাউদ ও তিরমিযী।)
كتاب الصلاة
(7) باب آداب رجوع المسافر وعدم طروق أهله ليلا وصلاة ركعتين
(1192) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما أن النَّبيَّ صلَّى الله عليه وسلَّم قال له إذا دخلت ليلًا فلا تدخل على أهلك حتَّى تستحدَّ المغيبة وتمتشط الشَّعثة قال وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا دخلت فعليك الكيس الكيس
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৯৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) অনুচ্ছেদঃ মুসাফিরের প্রত্যাবর্তনের শিষ্টাচার, রাত্রে পরিবারের নিকট ফিরে না আসা এবং দুই রাকাত সালাত আদায় প্রসঙ্গে
(১১৮৯) আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) আকীক নামক স্থানে যাত্রাবিরতি করলেন, তখন তিনি যে রাত্রি আগমন করেছেন সে রাত্রে স্ত্রীদের দরজায় করাঘাত করতে নিষেধ করলেন, দুই যুবক এ নিষেধ বাণী শুনল না। তখন তারা উভয়েই অপছন্দনীয় কিছু দেখতে পেল।
(মুসনাদে আহমদ ছাড়া হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি, এর সনদ উত্তম। তিরমিযীতে এর সমর্থক একটি হাদীস আছে।)
كتاب الصلاة
(7) باب آداب رجوع المسافر وعدم طروق أهله ليلا وصلاة ركعتين
(1193) عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم نزل العقيق فنهى عن طروق النِّساء اللَّيلة الَّتى يأتى فيها، فعصاه فتيان فكلاهما رآي ما يكره
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৯৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) অনুচ্ছেদঃ মুসাফিরের প্রত্যাবর্তনের শিষ্টাচার, রাত্রে পরিবারের নিকট ফিরে না আসা এবং দুই রাকাত সালাত আদায় প্রসঙ্গে
(১১৯০) নুবাইহ, আল আনাযী থেকে বর্ণিত, তিনি জাবির ইবন আব্দুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, তোমরা যখন (সফর থেকে) রাত্রিতে আগমন কর তখন কেউ যেন রাত্রিতেই স্ত্রীদের কাছে আগমন না করে, জাবির বলেন আল্লাহর কসম। এর পরে আমরা তাদের কাছে রাত্রে আগমন করিনি |
(বুখারী ও মুসলিম, নাসায়ী, আবু দাউদ ও তিরমিয়ী।)
كتاب الصلاة
(7) باب آداب رجوع المسافر وعدم طروق أهله ليلا وصلاة ركعتين
(1194) عن نبيح العنزىِّ عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم إذا دخلتم
ليلًا فلا يأتينَّ أحدكم أهله طروقًا فقال جابر فوا الله لقد طرقناهنَّ بعد
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৯৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) অনুচ্ছেদঃ মুসাফিরের প্রত্যাবর্তনের শিষ্টাচার, রাত্রে পরিবারের নিকট ফিরে না আসা এবং দুই রাকাত সালাত আদায় প্রসঙ্গে
(১১৯১) জাবির ইবন আব্দুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) (সফর থেকে) রাত্রে স্ত্রীর কাছে অগত হতে নিষেধ করেছেন, যাতে তাদের প্রতি কিছু খেয়ানত করা না হয়, অথবা তাদের ত্রুটি-বিচ্যুতি অনুসন্ধান না করা হয়।
(বুখারী ও মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(7) باب آداب رجوع المسافر وعدم طروق أهله ليلا وصلاة ركعتين
(1195) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال نهى رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم أن يطرق الرَّجل أهله ليلًا، أن يخوِّنهم أن يلتمس عثراتهم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৯৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) অনুচ্ছেদঃ মুসাফিরের প্রত্যাবর্তনের শিষ্টাচার, রাত্রে পরিবারের নিকট ফিরে না আসা এবং দুই রাকাত সালাত আদায় প্রসঙ্গে
(১১৯২) আবূ সালামা থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন রাওয়াহা (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, একদা তিনি সফর থেকে রাত্রিতে ফিরলেন, অতঃপর তড়িঘড়ি করে স্ত্রীর কাছে গেলেন, এমতাবস্থায় তার গৃহে একটি প্রদীপ জ্বলছিল। তখন তিনি তার স্ত্রীর সাথে কিছু একটা দেখতে পেলেন। তখন তিনি তরবারী হাতে নিলেন। এমতাবস্থায় তার স্ত্রী বলল, সরে যাও! অমুক মহিলা আমাকে চুল আঁচড়িয়ে দিচ্ছে। (তার পরে এস)। অতঃপর তিনি নবী (সা) -এর নিকট এলেন এবং এ সংবাদ দিলেন। তখন নবী (সা) (সফর থেকে এসে) রাত্রিতেই স্ত্রীর কাছে আগত হতে নিষেধ করলেন।
(মুসনাদে আহমাদ ছাড়া হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। তবে এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(7) باب آداب رجوع المسافر وعدم طروق أهله ليلا وصلاة ركعتين
(1196) عن أبى سلمة عن عبد الله بن رواحة رضى الله عنه أنَّه قدم من سفر ليلًا فتعجَّل إلى امرأته فإذا فى بيته مصباح، وإذا مع امرأته شيء، فأخذ السَّيف فقالت امرأته إليك إليك عنِّى، فلانة تمشطنى، فأتى النَّبيَّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم فأخبره، فنهى أن يطرق الرَّجل أهله ليلًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৯৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) অনুচ্ছেদঃ ঘরে স্বামী নেই এমন মহিলার ঘরে একাকী গমন নিষেধ। এর কারণ এবং যে এমনটি করবে তার শান্তি প্রসঙ্গে
(১১৯৩) আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বনু হাশেমের একটি ক্ষুদ্র দল আসমা বিনতে উমাইস-এর কাছে গেল। অতঃপর আবূ বকর (রা) প্রবেশ করলেন। আসমা বিনেত উমাইস তখন আবু বকরের অধীনে ছিল। হযরত আবূ বকর (রা) তাদেরকে দেখলেন এবং ব্যাপারটিকে অপছন্দ করলেন। তিনি ব্যাপারটি রাসুল (সা)-এর কাছে উপস্থাপন করলেন। তিনি বললেন, ব্যাপারটি আমি খারাপ মনে করছি না। অতঃপর রাসুল (সা) বললেন, আল্লাহ্ খারাপ থেকে তাকে মুক্ত রেখেছেন। তারপর রাসূল (সা) মিম্বারে দাঁড়ালেন অতঃপর বললেন, আজকের পর থেকে স্বামী উপস্থিত নেই এমন কোন মহিলার গৃহে কোন পুরুষ একাকী প্রবেশ করবে না। তবে সাথে একজন বা দুইজন সাথী থাকলে তার ঘরে প্রবেশ করতে পারে।
(মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(8) باب النهي عن الدخول على المغيبة منفردا وسبب ذلك ووعيد من فعله
(1197) عن عبد الله بن عمرو بن العاص رضى الله عنهما أنَّ نفرًا من بنى هاشم دخلوا على أسماء بنت عميس فدخل أبو بكر وهى تحته يومئذ فرآهم فكره ذلك، فذكر ذلك لرسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم، فقال
لم أر إلاَّ خيرًا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنَّ الله قد برَّأها من ذلك، ثمَّ قام رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم على المنبر فقال لا يدخلنَّ رجل بعد يومى هذا على مغيبة إلاَّ ومعه رجل أو اثنان
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৯৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) অনুচ্ছেদঃ ঘরে স্বামী নেই এমন মহিলার ঘরে একাকী গমন নিষেধ। এর কারণ এবং যে এমনটি করবে তার শান্তি প্রসঙ্গে
(১১৯৪) খত: জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) আমাদেরকে বলেছেন, যেসব মহিলার ঘরে স্বামী উপস্থিত নেই তার গৃহে তোমরা প্রবেশ কর না। কেননা শয়তান তোমাদের রক্তের শিরায় চলাচল করে। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল। আপনারও কি? তিনি বলেন, আমারও তবে আল্লাহ আমাকে তার ব্যাপারে সাহায্য করেন ফলে আমি নিরাপদ থাকি।
(বুখারী, মুসলিম প্রভৃতি।)
كتاب الصلاة
(8) باب النهي عن الدخول على المغيبة منفردا وسبب ذلك ووعيد من فعله
(1198) خط عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال قال لنا رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم لا تلجوا على المغيبات فإنَّ الشيطان يجرى من أحدكم مجرى الدَّم قلنا من أحدكم مجرى الدَّم قلنا ومنك يا رسول الله؟ قال ومنِّى، ولكنَّ الله
أعانني عليه فأسلم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৯৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) অনুচ্ছেদঃ ঘরে স্বামী নেই এমন মহিলার ঘরে একাকী গমন নিষেধ। এর কারণ এবং যে এমনটি করবে তার শান্তি প্রসঙ্গে
(১১৯৫) আবু সালেহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমর ইবনুল 'আস ফাতিমা (রা)-এর কাছে যেতে অনুমতি চাইলেন, ফাতিমা তাঁকে অনুমতি দিলেন। তখন তিনি বললেন, সেখানে কি আলী (রা) আছেন? লোকেরা বললেন, না। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি ফিরে এলেন। অতঃপর তিনি পুনর্বার তাঁর কাছে যাবার অনুমতি প্রার্থনা করলেন এবং তিনি বললেন, সেখানে কি আলী (রা) আছেন? লোকেরা বললেন, হ্যাঁ। এবার তিনি তাঁর কাছে প্রবেশ করলেন, অতঃপর আলী (রা) তাঁকে বললেন, আমি যখন এখানে ছিলাম না তখন কেন আপনি এখানে আসতে চাইলেন না। তিনি বলেন, রাসূল (সা) আমাদেরকে স্বামী উপস্থিত নেই এমন মহিলার কাছে যেতে বারণ করেছেন।
(মুসনদে আহমাদ ছাড়া হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি, তবে এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(8) باب النهي عن الدخول على المغيبة منفردا وسبب ذلك ووعيد من فعله
(1199) عن أبى صالح قال استأذن عمرو بن العاص على فاطمة فأذنت له، قال ثمَّ علىُّ؟ قالوا لا، قال فرجع، ثمَّ استأذن عليها مرةً أخرى فقال ثمَّ علىُّ؟ قالوا نعم، فدخل عليها، فقال له علىُّ ما منعك أن تدخل حين لم تجدنى ههنا؟ قال إنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم نهانا أنّ ندخل على المغيبات
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২০০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) অনুচ্ছেদঃ ঘরে স্বামী নেই এমন মহিলার ঘরে একাকী গমন নিষেধ। এর কারণ এবং যে এমনটি করবে তার শান্তি প্রসঙ্গে
(১১৯৬) ইবন আবু কাতাদা থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন যে, রাসূল (সা) বলেছেন, যে ব্যক্তি স্বামী উপস্থিত নেই এমন কোন মহিলার শয্যায় উপবেশন করবে আল্লাহ কিয়ামাতের দিন তার জন্য একটি বিষধর সাপ নির্ধারণ করবেন।
(এ হাদীসটি মুসনাদে আহমদ ছাড়া অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদে ইবন লাহিয়া আছে। যার ব্যাপারে কথা আছে। সুয়ূতী জামেউস সাগীরে হাদীসটি সংকলন করে বলেন, এটা আহমদ বর্ণনা করেছেন, অতএব তার পাশে হাসান হবার প্রতীক ব্যবহার করেছেন।)
كتاب الصلاة
(8) باب النهي عن الدخول على المغيبة منفردا وسبب ذلك ووعيد من فعله
(1200) عن ابن بى قتادة عن أبيه أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم قال من قعد على فراش مغيبة قيَّض الله له يوم القيامة ثعبانًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২০১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) অনুচ্ছেদঃ মহিলাদের সফর ও তাদের সাথী হওয়া এবং সফরের নিমিত্তে স্ত্রীদের মাঝে লটারীর ব্যবস্থাকরণ ও মাহরাম ব্যতীত তাদের সফর না করা প্রসঙ্গে
(১১৯৭) আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, কোন মহিলা মাহরীম ব্যতীত সফর করবে না। এরপর এক ব্যক্তি রাসূল (সা)-এর কাছে এলো এবং বলল, আমি অমুক যুদ্ধে নাম লিখিয়েছি এবং আমার স্ত্রী হজ্জ করতে চায়, রাসূল (সা) বললেন, তুমি ফিরে যাও তার সাথে হজ্জ কর।
(বুখারী ও মুসলিম প্রভৃতি।)
كتاب الصلاة
(9) باب سفر النساء والرفق بهن
والأقراع بينهن لأجل السفر وعدم سفرهن بدون محرم
(1201) عن ابن عبَّاس رضي الله عنهما عن النَّبيِّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم قال لا تسافر امرأة إلاَّ ومعها ذو محرم وجاء النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم رجل فقال إنِّى اكتتبت فى غزوة كذا وكذا وامرأتى حاجَّة، قال فارجع فحجَّ معها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২০২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) অনুচ্ছেদঃ মহিলাদের সফর ও তাদের সাথী হওয়া এবং সফরের নিমিত্তে স্ত্রীদের মাঝে লটারীর ব্যবস্থাকরণ ও মাহরাম ব্যতীত তাদের সফর না করা প্রসঙ্গে
(১১৯৮) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, কোন মহিলা তিন দিন বা ততোধিক দিনের সফর করবে না তার পিতা, ভাই, ছেলে, স্বামী অথবা কোন মাহরাম ছাড়া।
(মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী ও ইবন মাজাহ।)
كتاب الصلاة
(9) باب سفر النساء والرفق بهن
والأقراع بينهن لأجل السفر وعدم سفرهن بدون محرم
(1202) عن أبي سعيد الخدرىِّ رضى الله عنه قال قال رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم لا تسافر المرأة سفر ثلاثة أيَّام فصاعدًا إلاَّ مع أبيها أو أخيها أو ابنها أو زوجها أو مع ذى محرم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২০৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) অনুচ্ছেদঃ মহিলাদের সফর ও তাদের সাথী হওয়া এবং সফরের নিমিত্তে স্ত্রীদের মাঝে লটারীর ব্যবস্থাকরণ ও মাহরাম ব্যতীত তাদের সফর না করা প্রসঙ্গে
(১১৯৯) আব্দুল্লাহ্ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী করীম (সা) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, কোন মহিলা তিনদিনের সফর মাহরাম ব্যতীত করবে না।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ প্রভৃতি।)
كتاب الصلاة
(9) باب سفر النساء والرفق بهن
والأقراع بينهن لأجل السفر وعدم سفرهن بدون محرم
(1203) عن ابن عمر رضى الله عنهما عن النَّبيِّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم قال لا تسافر المرأة ثلاثًا إلاَّ ومعها ذو محرم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২০৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) অনুচ্ছেদঃ মহিলাদের সফর ও তাদের সাথী হওয়া এবং সফরের নিমিত্তে স্ত্রীদের মাঝে লটারীর ব্যবস্থাকরণ ও মাহরাম ব্যতীত তাদের সফর না করা প্রসঙ্গে
(১২০০) আবূ হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, যে মহিলা আল্লাহ ও কিয়ামাত দিবসের প্রতি ঈমান রাখে তার জন্য এক দিন ও রাত্রির সফর তার পরিবারের কোন মাহরীমের সাথে ব্যতীত বৈধ নয়। অপর এক বর্ণনায় ٍمَحْرَم শব্দের স্থলে ٍوَفِيْ رِحْم শব্দের উল্লেখ রয়েছে।
(উক্ত আবু হুরাইয়া (রা) থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত) তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, কোন মুসলিম মহিলার জন্য মাহরাম ব্যতীত একদিনের সফর করা বৈধ নয়।
(উক্ত আবূ হুরাইরা (রা) থেকে তৃতীয় সূত্রে বর্ণিত) তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, কোন মহিলা পূর্ণ একদিনের পথ মাহরাম ব্যতীত অতিক্রম করতে পারবে না।
(বুখারী, মুসলিম, মুয়াত্তা মালিক, আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ, ইবন খুজাইমা প্রভৃতি।
كتاب الصلاة
(9) باب سفر النساء والرفق بهن
والأقراع بينهن لأجل السفر وعدم سفرهن بدون محرم
(1204) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يحلُّ
لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر تسافر يومًا وليلةً إلاَّ مع ذى محرم من أهلها (وفى لفظ) إلاَّ مع ذى رحم (وعنه من طريق ثان) قال إنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم لا تسافر امرأة مسيرة يوم تام إلاَّ مع ذى محرم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২০৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) অনুচ্ছেদঃ মহিলাদের সফর ও তাদের সাথী হওয়া এবং সফরের নিমিত্তে স্ত্রীদের মাঝে লটারীর ব্যবস্থাকরণ ও মাহরাম ব্যতীত তাদের সফর না করা প্রসঙ্গে
(১২০১) আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) যখন সফরে বের হতেন তখন স্ত্রীদের মধ্যে লটারীর ব্যবস্থা করতেন (কে তাঁর সাথী হবেন।)
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম ও নাসায়ীতে আরও দীর্ঘ আকারে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(9) باب سفر النساء والرفق بهن
والأقراع بينهن لأجل السفر وعدم سفرهن بدون محرم
(1205) عن عائشة رضي الله عنها قالت كان رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم إذا خرج أقرع بين نسائه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২০৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) অনুচ্ছেদঃ মহিলাদের সফর ও তাদের সাথী হওয়া এবং সফরের নিমিত্তে স্ত্রীদের মাঝে লটারীর ব্যবস্থাকরণ ও মাহরাম ব্যতীত তাদের সফর না করা প্রসঙ্গে
(১২০২) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূল (সা) তাঁর স্ত্রীদের নিয়ে সফরে চলছিলেন, এমতাবস্থায় এক লোক গান গেয়ে উট হাঁকাচ্ছিলেন (তা দেখে রাসূল (সা) হেসে দিলেন।, তখন স্ত্রীদের নিয়ে উটটি ঝুঁকে গেল। তখন রাসূল (সা) তাকে বললেন, হে আনজাশা! তোমার ধ্বংস হোক। স্ত্রীলোকদের প্রতি বিনম্র হও।
(বুখারী, মুসলিম ও নাসায়ী।)
كتاب الصلاة
(9) باب سفر النساء والرفق بهن
والأقراع بينهن لأجل السفر وعدم سفرهن بدون محرم
(1206) عن أنس بن مالك رضى الله عنه قال بينما رسول الله صلى الله عليه وسلم يسير وحاد يحدو بنسائه فضحك رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم فإذا هو قد تنحَّي بهنَّ قال فقال له يا أنجشة ويحك ارفق بالقوارير
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২০৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) অনুচ্ছেদঃ মহিলাদের সফর ও তাদের সাথী হওয়া এবং সফরের নিমিত্তে স্ত্রীদের মাঝে লটারীর ব্যবস্থাকরণ ও মাহরাম ব্যতীত তাদের সফর না করা প্রসঙ্গে
(১২০৩) উম্মু সুলাইম (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (সা)-এর স্ত্রীদের সাথে ছিলেন এমতাবস্থায় এক চালক উটগুলো চালিয়ে নিচ্ছিল। তখন নবী (সা) বললেন, হে আনজাশা। ধীরে চালাও নারীদের প্রতি বিনম্র হও।
(নাসায়ী, এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(9) باب سفر النساء والرفق بهن
والأقراع بينهن لأجل السفر وعدم سفرهن بدون محرم
(1207) عن أمِّ سليم رضي الله عنها أنَّها كانت مع نساء النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم وهنَّ يسوق بهنَّ سوَّاق فقال النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم أي أنجشة رويدك سوقًا بالقوارير
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২০৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) অনুচ্ছেদ: সফরের সালাতের ফরয হওয়া এবং তার হুকুম প্রসঙ্গে
(১২০৪) নবী পত্নী আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, প্রথমে রাসূল (সা)-এর উপরে সালাত ফরয করা হয়েছিল দুই রাকাত দুই রাকাত করে শুধুমাত্র মাগরিব ব্যতীত। কেননা তা হল তিন রাকাত বিশিষ্ট। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা যোহর, আসর ও ইশার সালাতকে মুকীম অবস্থায় চার রাকাত হিসেবে পূর্ণ করে দিলেন। আর ফজরের সালাত প্রথম ফরযকৃত অবস্থার ওপর (দুই রাকাত) বহাল রাখলেন।
(উক্ত আয়েশা (রা) থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত) তিনি বলেন, মক্কায় দুই রাকাত দুই রাকাত করে সালাত ফরয করা হয়েছিল। অতঃপর রাসূল (সা) যখন মদীনায় এলেন তখন সকল সালাতের সাথে আরো দুই রাকাত করে বাড়িয়ে দেয়া হল, তবে মাগরিবের সালাত ব্যতিক্রম করা হল, কেননা তা দিনের বেজোড় সালাত এবং ফজরের সালাতও ক্বিরাত দীর্ঘ হবার কারণে ব্যতিক্রম করা হল। (রাকাত বৃদ্ধি করা হয়নি।) তিনি বলেন, রাসূল (সা) যখন সফরে যেতেন তখন তিনি প্রথমাবস্থার মত সালাত (দুই রাকাত) আদায় করতেন।
(প্রথম সূত্রের হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমে এবং দ্বিতীয় সূত্রের হাদীসটি বায়হাকী, ইবন হিব্বান ও সহীহ ইবনে খুযাইমায় বর্ণিত হয়েছে। সনদের রাবীগণ বিশ্বস্ত।)
كتاب الصلاة
(10) باب افتراض صلاة السفر وحكمها
(1208) عن عائشة رزوج النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم ورضي عنها قالت كان أوَّل ما افترض على رسول الله صلى الله عليه وسلم الصَّلاة ركعتان ركعتان إلاَّ المغرب فإنَّها كانت ثلاثًا ثمَّ أتمَّ الله الظُّهر والعصر والعشاء الآخرة أربعًا فى الحضر، وأقرَّ الصَّلاة على فرضها الأوَّل في السَّفر (وعنها من طريق ثان) قالت قد فرضت الصَّلاة ركعتين ركعتين بمكَّة، فلمَّا قدم رسول الله صلَّي الله عليه وآله وسلَّم المدينة زاد مع كلِّ ركعتين ركعتين إلاَّ المغرب فإنَّها وتر النَّهار، وصلاة الفجر لطول قراءاتها، قالت وكان إذا سافر صلَّى الصَّلاة الأولى
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২০৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) অনুচ্ছেদ: সফরের সালাতের ফরয হওয়া এবং তার হুকুম প্রসঙ্গে
(১২০৫) মুজাহিদ থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আল্লাহ তা'আলা তাঁর নবীর যবানীতে মুকীম অবস্থায় চার রাকাত, মুসাফির অবস্থায় দুই রাকাত এবং ভীতিজনক অবস্থায় এক রাকাত সালাত ফরয করেছেন।
(মুসলিম ও নাসায়ী।)
كتاب الصلاة
(10) باب افتراض صلاة السفر وحكمها
(1209) عن مجاهد عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما قال فرض الله عزَّ وجلَّ صلاة الحضر أربعًا وفي السَّفر ركعتين، والخوف
ركعةً على لسان نبيِّه صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم
tahqiq

তাহকীক: