মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ১১৫০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: পবিত্রতা অর্জন পরবর্তী সালাত প্রসঙ্গে
(১১৪৬) উবাইদুল্লাহ ইবন্ বুরাইদা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু বুরাইদাকে বলতে শুনেছি, একদিন সকালে রাসূল (সা) বেলালকে ডাকলেন। অতঃপর বললেন, হে বেলাল! বেহেশতে কোন আমল তোমাকে আমার থেকে অগ্রগামী করেছে। আমি যতবারই বেহেশতে প্রবেশ করেছি ততবারই আমার সামনে তোমার পাদুকার খসখস শব্দ শুনতে পেয়েছি, আমি গত রাতে প্রবেশ করেছিলাম তখনও তোমার পাদুকার খসখস শব্দ শুনতে পেলাম।
(অতঃপর উমর ইবনুল খাত্তাব (রা)-এর সাথে সংশ্লিষ্ট হাদীসের বাকি অংশ উল্লেখ করেন।) এবং তিনি বেলালকে বললেন কোন আমল জান্নাতে তোমাকে আমার হতে অগ্রগামী করেছে। তিনি বললেন, আমার যখন হদস হয়েছে তখনই আমি অযু করি এবং দু'রাকাত সালাত আদায় করি, তখন রাসূল (সা) বললেন, তাহলে এ আমলের কারণেই (এমনটি হয়েছে)।
(তিরমিযী ও ইবন খুজাইমা। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
باب الصلاة عقب الطهور
(1150) عن عبد الله بن بريدة قال سمعت أبى بريدة يقول أصبح رسول الله صلى الله عليه وسلم فدعا بلالًا فقال يا بلال بم سبقتنى إلى الجنَّة؟ ما دخلت الجنَّة قطُّ إلاَّ سمعت خشخشتك أمامى، إنِّى دخلت البارحة فسمعت خشخشتك (فذكر حديثًا يختصُّ بعمر بن الخطَّاب) وقال لبلال بم سبقتني
إلى الجنَّة قال ما أحدثت إلاَّ توضَّأت وصلَّيت ركعتين فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم بهذا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৫১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: তাহিয়্যাতুল মসজিদ প্রসঙ্গে বর্ণিত হাদীস
(১১৪৭) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা এক জুমার দিনে আমরা রাসুল (সা)-এর সাথে ছিলাম। তখন রাসূল (সা) মিম্বারে আরোহিত ছিলেন। এমতাবস্থায় এক বেদুইন আগমন করল এবং জনতার শেষে উপবেশন করল। তখন নবী (সা) তাকে বললেন তুমি কি দু'রাকাত সালাত আদায় করেছ? তিনি বললেন, না। রাবী বলেন, অতঃপর নবী (সা) তাকে তা পড়তে বললেন, এরপর তিনি মিম্বারের নিকটবর্তী খালি স্থানে এলেন এবং দু'রাকাত সালাত আদায় করলেন।
(ইবন মাজাহ, নাসায়ী ও তিরমিযী, তিনি হাদীসটি সহীহ বলে মন্তব্য করেন। বুখারী, মুসলিম-এর হাদীসটি আহমদ জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
باب ما جاء فى تحية المسجد
(1151) عن أبى سعيد الخدرىِّ رضى الله عنه قال كنَّا مع رسول الله
صلى الله عليه وسلَّم يوم الجمعة، فدخل أعرابىٌّ ورسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر فجلس الأعرابىُّ فى آخر النَّاس، فقال له النَّبيُّ صلَّى الله عليه وسلَّم أركعت ركعتين؟ قال لا، قال فأمره فأنى الرَّحبة الَّتى عند المنبر فركع ركعتين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৫২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: তাহিয়্যাতুল মসজিদ প্রসঙ্গে বর্ণিত হাদীস
(১১৪৮) আবু কাতাদা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মসজিদে (নববীতে) প্রবেশ করলাম তখন রাসূল (সা) জনগণ বেষ্টিত অবস্থায় বসা ছিলেন। তখন আমিও বসলাম। এমতাবস্থায় রাসূল (সা) বললেন, মসজিদে ঢুকে বসবার পূর্বে দু'রাকাত সালাত আদায় করতে কিসে তোমাকে বারণ করল? রাবী বলেন, আমি বললাম, আমি - আপনাকে বসা দেখলাম ও মানুষেরা ও বসা (তাই আমিও বসে পড়লাম)। রাসূল (সা) বললেন, তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করবে সে যেন দু'রাকাত সালাত আদায় না করে না বসে।।
তার (আবু কাতাদা থেকে দ্বিতীয় সুত্রে বর্ণিত) তিনি বলেন, রাসুল (সা) বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করে তখন সে যেন বসবার আগেই দু'রাকাত সালাত আদায় করে নেয়।
(বুখারী, মুসলিম ও চার সুমানে বর্ণিত।)
كتاب الصلاة
باب ما جاء فى تحية المسجد
(1152) عن أبى قتادة رضي الله عنه قال دخلت المسجد ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس بين ظهراني الناس فجلست، فقال رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم ما منعك أن تركع ركعتين قبل أن تجلس، قال قلت إنى رأيتك جالسا والناس جلوس، قال وإذا دخل أحدكم المسجد فلا يجلس حتى
يركع ركعتين (وعنه من طريق ثان) قال قال رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم إذا دخل أحدكم المسجد فليركع ركعتين قبل أن يجلس
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৫৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: ইস্তিখারার সালাত প্রসঙ্গে
(১১৪৯) জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূল (সা) আমাদেরকে ইস্তিখারার সালাত শিখাতেন যেমন তিনি কুরআন থেকে সূরা শিখান। তিনি বলেন, যখন তোমাদের কেউ কোন কাজের ইচ্ছা করবে সে যেন দু'রাকাত নফল সালাত আদায় করে। অতঃপর এই দু'আ পড়ে-

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْتَخِيرُكَ بِعِلْمِكَ وَأَسْتَقْدِرُكَ بِقُدْرَتِكَ وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ الْعَظِيمِ فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلَا أَقْدِرُ وَتَعْلَمُ وَلَا أَعْلَمُ وَأَنْتَ عَلَّامُ الْغُيُوبِ اللَّهُمَّ فَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ هَذَا الْأَمْرَ يُسَمِّيهِ بِاسْمِهِ خَيْرًا لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي قَالَ أَبُو سَعِيدٍ وَمَعِيشَتِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي فَاقْدُرْهُ لِي وَيَسِّرْهُ ثُمَّ بَارِكْ لِي فِيهِ اللَّهُمَّ وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُهُ شَرًّا لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي فَاصْرِفْنِي عَنْهُ وَاصْرِفْهُ عَنِّي وَاقْدُرْ لِي الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ ثُمَّ رَضِّنِي بِه

(দু'আটির অনুবাদ): হে আল্লাহ্ আমি তোমার নিকটে তোমার ইলম অনুযায়ী কল্যাণ কামনা করছি। তোমার কুদরত অনুযায়ী ভাগ্য কামনা করছি এবং তোমার মহান অনুগ্রহের প্রত্যাশা করছি। কেননা, নিশ্চয়ই ভাগ্যের নিয়ামক তুমি, আমি নই, তুমিই জান আমি জানি না, আর তুমিই অদৃশ্য সম্পর্কে সর্বজ্ঞাত। হে আল্লাহ্! তুমি যদি জান এ কাজটি আমার দীন ও জীবন যাপনের জন্য কল্যাণপ্রদ তবে তা আমার জন্য নির্ধারণ করে দাও এবং আমার জন্য সহজ করে দাও। অনন্তর তাতেই আমার জন্য বরকত দাও। হে আল্লাহ্ তুমি যদি জান যে, এটা আমার দীন, জীবন যাপনের ও পরকালের জন্য অকল্যাণকর তবে তা থেকে আমাকে সরিয়ে দাও এবং তাকেও আমার হতে সরিয়ে নাও, আর আমার জন্য কল্যাণ নিরূপণ করে দাও তা যেথায় হোক, অনন্তর তাতেই আমাকে সন্তুষ্টচিত্ত কর।
(বুখারী ও চার সুনানে বর্ণিত।)
كتاب الصلاة
باب صلاة الاستخارة
(1153) عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال كان رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم يعلِّمنا السُّورة من القرآن
يقول إذا همَّ أحدكم بالأمر فليركع ركعتين من غير الفريضة ثمَّ اليقل اللَّهم إنِّى أستخيرك بعلمك وأستقدرك بقدرتك وأسألك من فضلك
العظيم فإنَّك تقدر ولا أقدر وتعلم ولا أعلم وأمن علاَّم الغيوب اللَّهم فإن كنت تعلم هذا الأمير خيرًا لى فى دينى ومعاشى قال أبو سعيد ومعيشتى وعاقبة أمرى فاقدره لى ويسِّره ثمَّ بارك لى فيه اللَّهمَّ وإن كنت تعلمه شرًّا لى فى دينى ومعاشي وعاقبة
أمري فاصرفني عنه واصرفه عنِّى واقدر لى الخير حيث كان ثمَّ رضِّنى به
হাদীস নং: ১১৫৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: বিবাহ ইচ্ছুক ব্যক্তির ইস্তিখারা প্রসঙ্গে
(১১৫০) আবু আইয়ূব আল আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূল (সা) তাঁকে বলেছেন, তুমি বিবাহের প্রস্তাবের ব্যাপারটি গোপন রাখ। বরং প্রথমে সুন্দরভাবে ওযু কর অতঃপর আল্লাহ তোমার জন্য যে সালাত নির্ধারণ করেছেন তা আদায় কর এরপর তোমার রবের প্রশংসা জ্ঞাপন কর এবং তাঁর মহানত্ব বর্ণনা কর এরপর এই দু'আটি পাঠ কর-

اللهُمَّ إنكَ تَقْدِرُ وَلَا أقْدِرْ وَتَعْلَمُ وَلَا أعْلَمْ وأنْتَ عَلاَّمُ الغيُوبِ فإنْ رَأيْتَ لي فِي فُلانَةَ يُسَمِّيها باسْمِها خَيْراً فِي دِيني وَدُنْيايَ وآخِرَتِي فاقْدُرْها لِي وإنْ كانَ غَيْرُها خَيْراً لِيَ مِنْها فِي دِينِي وَدُنْيايَ وَآخِرَتي فاقْدُرْها لِي

হে আল্লাহ! তুমিই ভাগ্য নির্ণয় কর, আমি করি না, তুমিই জান আমি জানি না তুমি অদৃশ্য সম্পর্কে সর্বজ্ঞ। তুমি যদি অমুক মহিলাতে (মেয়ের নাম বলতে হবে আমার জন্য কল্যাণ রাখ আমার দীন, পার্থিব ও পরকালীন বিষয়ে, তবে তাকে আমার জন্য নির্ধারণ করে দাও, আর যদি উক্ত মহিলা ব্যতীত অন্য কাউকে আমার দীনি, পার্থিব ও পরকালীন বিষয়ে কল্যাণকর মনে কর তবে তাকে আমার জন্য ফায়সালা করে দাও। অথবা বললেন, তাকে আমার ভাগ্যে মুকাদ্দার করে দাও।
(তবারানী ও ইবন্ হিব্বান হাদীসের সনদে ইবন লাহিয়া আছে যার ব্যাপারে কথা আছে। হাদীসটি হাকিম ও মুস্তাদরাক গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এর রাবীগণ শেষ দিকে বিশ্বস্ত। যাহাবী তাঁর এ অভিমত সমর্থন করেন।)
كتاب الصلاة
فصل منه فى الاستخارة لمن يريد الزواج
(1154) عن أبى أيوب الأنصارىِّ رضى الله عنه صاحب رسول الله
صلى الله عليه وسلم أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال له اكتم الخطبة ثمَّ توضَّأ فأحسن وضوءك وصلِّ ما كتب الله لك ثمَّ احمد ربَّك ومجِّده ثمَّ قل اللَّهم إنَّك تقدر ولا أقدر، وتعلم ولا أعلم، أنت علاَّم الغيوب، فإن رأيت لى فى فلانة تسمِّيها باسمها خيرًا فى دينى ودنياى وآخرتى وإن كان غيرها خيرًا لى منها فى دينى ودنياى وآخرتى فاقض لى بها أو قال فاقدرها لي
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৫৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সফরের সালাতের বৈশিষ্ট্য ও তার যিকির ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়াবলী সম্পৃক্ত অনুচ্ছেদসমূহ

(১) অনুচ্ছেদ: সফরের ফযীলত সফরের প্রতি উৎসাহ দান এবং তার কতিপয় নিয়ম-নীতি প্রসঙ্গে
(১১৫১) আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, তোমরা সফর কর সুস্থ থাকবে, জিহাদ কর গনীমতের মাল লাভ করবে।
(এ হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদে ইবন্ লাহিয়া আছে। এতদ সত্ত্বও মুনাবী সহীহ্ বলে আর সুয়ুতী হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة السفر وآدابه وأذكاره وما يتعلق به

(1) باب فضل السفر والحث عليه وشيء من آدابه
(1155) عن أبي هريرة رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وآله
وسلَّم قال سافروا تصحوا واغزوا تستغنوا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৫৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সফরের সালাতের বৈশিষ্ট্য ও তার যিকির ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়াবলী সম্পৃক্ত অনুচ্ছেদসমূহ

(১) অনুচ্ছেদ: সফরের ফযীলত সফরের প্রতি উৎসাহ দান এবং তার কতিপয় নিয়ম-নীতি প্রসঙ্গে
(১১৫২) তার (আবূ হুরায়রা (রা)) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, যখনই কোন ব্যক্তি গৃহ থেকে বের হয় তখন তার ফটকে দুটি পতাকা থাকে। যার একটি বহন করে ফেরেশতা অন্যটি বহন করে শয়তান। যদি কোন ব্যক্তি আল্লাহর সন্তষ্টিমূলক কাজে বের হয় তখন ফেরেশতা তার পতাকা নিয়ে তার অনুসরণ করে এবং সে সর্বদা ফেরেশতার পতাকার নিচেই থাকে যতক্ষণ না সে গৃহে প্রত্যাবর্তন করে। আর যদি সে আল্লাহর অসন্তুষ্টিমূলক কাজে বের হয় তখন শয়তান তার পতাকা নিয়ে তার অনুসরণ করে চলে। শয়তান
অবিরত তার পতাকা নিয়ে তার অনুসরণ করে চলে যতক্ষণ না সে গৃহে প্রত্যাবর্তন করে।
(বায়হাকী ও তবারানীর আওসাত গ্রন্থে বর্ণিত, হাদীসের সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة السفر وآدابه وأذكاره وما يتعلق به

(1) باب فضل السفر والحث عليه وشيء من آدابه
(1156) وعنه أيضًا عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال ما من خارج يخرج يعنى من بيته إلاَّ ببابه رايتان راية بيد ملك، وراية بيد شيطان فإن خرج لما يحبُّ الله عزَّ وجلَّ اتَّبعه الملك برايته فلم يزل تحت راية الملك حتَّى يرجع إلى بيته، وإن خرج لما يسخط الله اتَّبعه الشيَّطان برايته فلم يزل تحت راية الشَّيطان حتَّى يرجع إلى بيته
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৫৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সফরের সালাতের বৈশিষ্ট্য ও তার যিকির ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়াবলী সম্পৃক্ত অনুচ্ছেদসমূহ

(১) অনুচ্ছেদ: সফরের ফযীলত সফরের প্রতি উৎসাহ দান এবং তার কতিপয় নিয়ম-নীতি প্রসঙ্গে
(১১৫৩) তাঁর (আবু হুরাইরা (রা)) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যে কাফেলার সাথে কুকুর ও ঘন্টা থাকে সেখানে ফেরেশতারা থাকে না।
(মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী ও ইবন হিব্বান।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة السفر وآدابه وأذكاره وما يتعلق به

(1) باب فضل السفر والحث عليه وشيء من آدابه
(1157) وعنه رضى الله عنه عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال لا تصحب الملائكة رفقةً
فيها كلب أو جرس
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৫৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সফরের সালাতের বৈশিষ্ট্য ও তার যিকির ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়াবলী সম্পৃক্ত অনুচ্ছেদসমূহ

(১) অনুচ্ছেদ: সফরের ফযীলত সফরের প্রতি উৎসাহ দান এবং তার কতিপয় নিয়ম-নীতি প্রসঙ্গে
(১১৫৪) সুহাইল থেকে বর্ণিত, তিনি তার পিতা থেকে তার পিতা আবু হুরাইরা (রা) থেকে বলেছেন, যখন তোমরা সুজলা-সুফলা ভূমিতে সফর করবে তখন উটকে তার প্রাপ্য দিবে আর যখন শুষ্ক মরু অঞ্চলে সফর করবে তখন দ্রুত পথ চলবে। আর যখন রাত্রিবেলা যাত্রা বিরতি দিয়ে বিশ্রামের নিয়াত করবে তখন রাস্তায় যাত্রা বিরতি দিবে না।
(উক্ত সুহাইল থেকে দ্বিতীয় সূত্রেও অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণিত হয়েছে সেখানে রয়েছে) যখন তোমরা রাত্রিবেলায় বিশ্রামের জন্য বিরতি দিবে তখন পথ এড়িয়ে বিশ্রাম নিবে, কেননা তা রাত্রিতে প্রাণীদের পথ এবং কীটপতঙ্গের আবাসস্থল।
(মুসলিম, মুয়াত্তা মালিক, আবু দাউদ ও তিরমিযী।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة السفر وآدابه وأذكاره وما يتعلق به

(1) باب فضل السفر والحث عليه وشيء من آدابه
(1158) عن سهيل عن أبيه عن أبى هريرة أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا سافرتم في الخصب فأعطوا الإبل حظَّها، وإذا سافرتم فى الجدب فأسرعوا السَّير، وإذا أردتم التَّعربس فتنكبوا الطَّريق (وعنه من
طريق ثان بنحوه وفيه) وإذا عرستم فاجتنبوا الطُّرق فإنَّها طرق الدَّوابِّ ومأوى الهوامِّ باللَّيل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৫৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সফরের সালাতের বৈশিষ্ট্য ও তার যিকির ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়াবলী সম্পৃক্ত অনুচ্ছেদসমূহ

(১) অনুচ্ছেদ: সফরের ফযীলত সফরের প্রতি উৎসাহ দান এবং তার কতিপয় নিয়ম-নীতি প্রসঙ্গে
(১১৫৫) জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, যখন তোমরা সুজলা-সুফলা ভূমিতে সফর করবে তখন উটকে চারবার সুযোগ দিবে এবং যাত্রী ছাউনীগুলি (যাত্রা বিরতিতে) অতিক্রম করবে না, আর যখন মরু ও শুষ্ক অঞ্চলে সফর করবে তখন যাত্রা-বিরতি কমিয়ে দিবে আর তোমাদের রাত্রিবেলা সফর করবে, কেননা রাতের পৃথিবীই নিরব থাকে। আর যখন কোন জীন কিংবা শয়তান তোমাদেরকে পথ ভুলিয়ে দেয় তখন তোমরা আযান দিও। (অর্থাৎ আল্লাহর স্মরণের মাধ্যমে তাদের অনিষ্টতা বিদূরিত কর।) আর রাস্তার মধ্যখানে এবং সড়ক দ্বীপে সালাত আদায় ও বিশ্রাম করা থেকে সাবধান থেকো। কেননা, তা সাপ পোকা মাকড় ও হিংস্রপ্রাণীর আবাসস্থল এবং পেশাব পায়খানা করা থেকে বিরত থেকো কেননা তথায় অভিসম্পাত করা হয়।
(হাইছামী বলেন, হাদীসটি আবূ দাউদে সংক্ষেপে বর্ণিত হয়েছে। আবূ ইয়ালা তা বর্ণনা করে বলেন, এর সনদের বারীগণ সহীহ্ শর্তে উত্তীর্ণ।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة السفر وآدابه وأذكاره وما يتعلق به

(1) باب فضل السفر والحث عليه وشيء من آدابه
(1159) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا سرتم فى الخصب فأمكنوا الرِّكاب أسنانها ولا تجاوزوا المنازل وإذا سرتم فى الجدب فاستجدُّوا وعليكم بالدَّلج فإنَّ الأرض تطوى
باللَّيل، وإذا تغوَّلت لكم الغيلان فنادوا بالأذان، وإيَّاكم والصَّلاة على جوادِّ الطَّريق والنُّزول عليها، فإنَّها مأوى الحيَّات والسبِّاع، وقضاء الحاجة فإنَّها الملاعن
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৬০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সফরের সালাতের বৈশিষ্ট্য ও তার যিকির ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়াবলী সম্পৃক্ত অনুচ্ছেদসমূহ

(১) অনুচ্ছেদ: সফরের ফযীলত সফরের প্রতি উৎসাহ দান এবং তার কতিপয় নিয়ম-নীতি প্রসঙ্গে
(১১৫৬) আবূ কাতাদা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) যখন সফরে রাত্রি বেলায় কোথাও যাত্রাবিরতি দিতেন তখন তিনি ডান পাশ ফিরে শুইতেন। আর যখন সুবহে সাদিকের পূর্ব যাত্রা বিরতি দিতেন তখন তাঁর দুই বাহু খাড়া রেখে তাঁর দুই হাতের তালুর মাঝখানে মাথা রেখে ঘুমাতেন।
(হাদীসটি ইবন হিব্বান ও হাকেম তার মুস্তাদরাকে বর্ণনা করেছেন। এর সনদসমূহ সহীহ।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة السفر وآدابه وأذكاره وما يتعلق به

(1) باب فضل السفر والحث عليه وشيء من آدابه
(1160) عن أبى قتادة رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم كان إذا عرَّس بليل اضطجع على يمينه، وإذا عرَّس قبيل
الصُّبح نصب ذراعيه ووضع رأسه بين كفَّيه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৬১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সফরের সালাতের বৈশিষ্ট্য ও তার যিকির ও তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়াবলী সম্পৃক্ত অনুচ্ছেদসমূহ

(১) অনুচ্ছেদ: সফরের ফযীলত সফরের প্রতি উৎসাহ দান এবং তার কতিপয় নিয়ম-নীতি প্রসঙ্গে
(১১৫৭) আবূ হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত তিনি নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, সফর আযাবের একটি টুকরা। কেননা সফর সফরকারীর পানাহার ও নিদ্রায় ব্যাঘাত ঘটায়। যখন তোমাদের কারো সফরের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে যায় তখন সে যেন দ্রুত গৃহে ফিরে আসে।
(বুখারী, মুসলিম, মুয়াত্তা মালিক, ইবন মাজাহ প্রভৃতি।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة السفر وآدابه وأذكاره وما يتعلق به

(1) باب فضل السفر والحث عليه وشيء من آدابه
(1161) عن أبى هريرة رضى الله عنه عن النَّبيِّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم قال السَّفر قطعة من العذاب، يمنع أحدكم طعامه وشرابه ونومه فإذا قضى أحدكم نهمته من سفره فليعجِّل إلى أهله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৬২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অনুচ্ছেদ: সফরের জন্য সর্বোত্তম দিবস, মুসাফিরকে বিদায়ী সম্ভাষণ জানানো, তাকে উপদেশ দেয়া এবং তার জন্য দু'আ করা ইত্যাদি প্রসঙ্গে
(১১৫৮) ইবন কা'ব ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত তিনি তার পিতা ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ (সা) যখন সফরের ইচ্ছা করতেন তখন তিনি বৃহঃবার ছাড়া সফরে বের হতেন না।
(উক্ত ইবন কাব থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত) কা'ব ইবন মালিক বলেন, রাসূল (সা) সফরের ইচ্ছা করলে বৃহস্পতিবার ব্যতীত খুব কমই সফরে কের হতেন।
(বুখারী ও আবু দাউদ।)
كتاب الصلاة
(2) باب أفضل الأيام للسفر وتوديع المسافر وايصاله والدعاء له
(1162) عن ابن كعب بن مالك عن أبيه رضي الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا أراد أن يسافر لم يسافر إلاَّ يوم الخميس (وعنه من طريق ثان) أنَّ كعب بن مالك قال قلَّما كان رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم يخرج إذا أرادوا سفرًا إلاَّ يوم الخميس
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৬৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অনুচ্ছেদ: সফরের জন্য সর্বোত্তম দিবস, মুসাফিরকে বিদায়ী সম্ভাষণ জানানো, তাকে উপদেশ দেয়া এবং তার জন্য দু'আ করা ইত্যাদি প্রসঙ্গে
(১৯৫৯) আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সফরের ইচ্ছা পোষণকারী এক ব্যক্তি রাসূলের (সা) এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসুল, আমাকে উপদেশ দিন। আল্লাহর রাসূল (সা) বললেন, তোমাকে উপদেশ দিচ্ছি যে, তুমি আল্লাহভীতি অবলম্বন করবে এবং প্রত্যেক উঁচু স্থানে উঠবার সময় اللَّهُ أَكْبَر বলবে। অতঃপর যখন লোকটি চলে গেল নবী (সা) বললেন, হে আল্লাহ! যমীনকে তার জন্য সংক্ষিপ্ত করে দাও এবং সফরকে সহজ করে দাও।
(হাদীসটি তিরমিযীতে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, হাদীসটি হাসান।)
كتاب الصلاة
(2) باب أفضل الأيام للسفر وتوديع المسافر وايصاله والدعاء له
(1163) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال جاء رجل إلى النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم يريد سفرًا فقال يا رسول الله أوصنى، قال أوصيك بتقوى الله والتَّكبير على كلِّ شرف فلمَّ ولَّى الرَّجل قال النَّبيُّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم اللَّهمَّ ازوله الأرض وهوِّن عليه السَّفر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৬৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অনুচ্ছেদ: সফরের জন্য সর্বোত্তম দিবস, মুসাফিরকে বিদায়ী সম্ভাষণ জানানো, তাকে উপদেশ দেয়া এবং তার জন্য দু'আ করা ইত্যাদি প্রসঙ্গে
(১১৬০) সালিম ইবন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার বাবা আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা)-এর কাছে যখন সফরের ইচ্ছা পোষণকারী কোন লোক আসত তখন তিনি তাকে বলতেন, কাছে এস। আমি তোমাকে আল্লাহর কাছে বিদায় দিব (সোপার্দ করব) যেমন রাসূল (সা) আমাদেরকে বিদায় জানাতেন। অতঃপর তিনি বলতেন, আমি আল্লাহর নিকট সোপার্দ করছি তোমার দ্বীন, আমানত ও সর্বশেষ আমল।
(দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত) কাজাআ' থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবন উমর আমাকে তাঁর কোন কাজে পাঠাচ্ছিলেন, সে সময় তিনি বলেন, এসো আমি তোমাকে বিদায় জানাব যেমন রাসুল (সা) আমাকে বিদায় জানিয়ে ছিলেন। আর তিনি মহানবী (সা) তার প্রয়োজনে আমাকে পাঠিয়ে ছিলেন তখন আমার হাত ধরে বলেছিলেন আমি আল্লাহর নিকটে সোপার্দ করছি তোমার দ্বীন, আমানত ও সর্বশেষ আমল।
(তিরমিযী ও আবু দাউদ, তিনি বলেন, এ হাদীসটি হাসান, সহীহ।)
كتاب الصلاة
(2) باب أفضل الأيام للسفر وتوديع المسافر وايصاله والدعاء له
(1164) عن سالم بن عبد الله قال كان أبى عبد الله بن عمر رضي الله
عنهما إذا أتى الرَّجل وهو يريد السَّفر قال له ادن أودِّعك الله كما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يودِّعنا فيقول، استودع الله دينك وأمانتك وخواتيم عملك (ومن طريق ثان) عن قزعة عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما قال قال عبد الله بن عمر وأرسلنى في حاجة له تعالى حتَّى أودِّعك كما ودَّعنى رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم وأرسلنى فى حاجة له فأخذ بيدي فقال استودع الله دينك وأمانتك وخواتيم عملك
হাদীস নং: ১১৬৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অনুচ্ছেদ: সফরের জন্য সর্বোত্তম দিবস, মুসাফিরকে বিদায়ী সম্ভাষণ জানানো, তাকে উপদেশ দেয়া এবং তার জন্য দু'আ করা ইত্যাদি প্রসঙ্গে
(১১৬১) মুসা ইবন ওয়ারদান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু হুয়াইরা (রা) এক ব্যক্তিকে বললেন, আমি তোমাকে বিদায় জানাব, যেমন রাসূল (সা) আমাকে বিদায় জানাতেন। অথবা বলেছিলেন, যেমন রাসূল (সা) বিদায় জানিয়েছিলেন। আমি তোমাকে আল্লাহর হিফাজতে সোপার্দ করছি, যিনি কোন সংরক্ষিত বিষয় নষ্ট করেন না।
(ইবন মাজাইয ইবনে সুন্নি ও নাসায়ী। 'আল ইয়াউম ওয়াল লাইলা গ্রন্থে এর সনদ হাসান।)
كتاب الصلاة
(2) باب أفضل الأيام للسفر وتوديع المسافر وايصاله والدعاء له
(1165) عن موسى بن وردان قال قال أبو هريرة لرجل أودِّعك كما ودَّعنى رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم أو كما ودَّع رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم، أستودعك الله الَّذي لا يضيِّع ودائعه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৬৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: সফরে সাথী নেয়া এবং তার কারণ প্রসঙ্গে
(১১৬২) ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন খায়বার থেকে এক ব্যক্তি সফরে বের হল তাকে অপর দুই ব্যক্তি অনুসরণ করল, অতঃপর অন্য আরেক ব্যক্তি ঐ দুই ব্যক্তিকে অনুসরণ করল, সে তাদেরকে বলল থাম! থাম! এমনকি সে তাদেরকে থামিয়ে দিল। অতঃপর শেষোক্ত ব্যক্তি প্রথম ব্যক্তির সাথে মিলিত হল এবং তাকে বলল, এই দুইজন শয়তান (অর্থাৎ তারা ছিল ডাকাত)। সেই জন্যই আমি তাদেরকে সর্বোতাভাবে থামিয়ে দিয়েছি। তুমি যখন রাসূলের (সা) কাছে পৌঁছবে তাঁকে আমার সালাম বলবে। আর তাঁকে খবর দিবে যে, আমরা এখানে যাকাত উশুলের কাজে নিয়োজিত আছি। তা যদি রাসূলের (সা) কোন প্রয়োজনে লাগে তবে আমরা তা তাঁর কাছে পৌছিয়ে দিব। রাবী বলেন, অতঃপর যখন লোকটি মদিনায় এল তখন সে রাসূল (সা)-কে এ খবর দিল। নবী (সা) তখনই একাকী সফর করতে নিষেধ করলেন।
(এ হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি-এর সনদে এমন রাবী আছেন যার পরিচয় জানা যায় নি।)
كتاب الصلاة
(3) باب اتخاذ الرفيق فى السفر وسببه
(1166) عن ابن عبَّاس رضى الله عنهما قال خرج رجل من خيبر فاتَّبعه رجلان وآخر يتلوهما يقول اربعا اربعا حتَّى ردَّهما، ثمَّ لحق الأوَّل فقال إنَّ هذان شيطانان وإنِّى لم أزل بهما حتَّى رددتهما، فإذا أتيت
رسول الله صلى الله عليه وسلم فاقرئه السَّلام وأخبره أنَّا ههنا فى جمع صدقاتنا ولو كانت تصلح له لبعثنا بها إليه، قال فلمَّا قدم الرَّجل المدينة أخبر النَّبيَّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم، فعند ذلك نهى رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم عن الخلوة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৬৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: সফরে সাথী নেয়া এবং তার কারণ প্রসঙ্গে
(১১৬৩) আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, মানুষ যদি জানত যে, একাকী ভ্রমণে কি ক্ষতি রয়েছে। তবে কোন মানুষই কখনই রাত্রিবেলা একাকী সফর করত না।
(বুখারী, নাসায়ী, তিরমিযী ও ইবন মাজাহ)
كتاب الصلاة
(3) باب اتخاذ الرفيق فى السفر وسببه
(1167) عن ابن عمر رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لو يعلم النَّاس ما فى الوحدة ما سار أحد وحده بليل أبدًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৬৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: সফরে সাথী নেয়া এবং তার কারণ প্রসঙ্গে
(১১৬৪) উক্ত (আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা)) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সা) একাকী (اَلوَحْدَةُ ) কাজ করতে নিষেধ করেছেন, কেউ যেন একাকী রাত্রিযাপন না করে কিংবা একাকী ভ্রমণে বের না হয়।
(মুসনাদে আহমাদ ব্যতীত অন্যত্র হাদীসটি পাওয়া যায়নি। সুয়ুতি হাদীসটি বর্ণনা করে তাতে হাসান হওয়ার চিহ্ন ব্যবহার করেছেন।)
كتاب الصلاة
(3) باب اتخاذ الرفيق فى السفر وسببه
(1168) وعنه أيضًا أنَّ النَّبيَّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم نهى
عن الوحدة أن يبيت الرجل وحده أو يسافر وحده
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৬৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: সফরে সাথী নেয়া এবং তার কারণ প্রসঙ্গে
(১১৬৫) আমর ইবন শুয়াইব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, নবী (সা) বলেছেন, একাকী সফরকারী একটি শয়তান সদৃশ, দুইজন সফরকারী দু'টি শয়তান সদৃশ, আর তিনজন সফরকারী একটি কাফেলা।
মুয়াত্তা, মালিক ও চার সুনান গ্রন্থে বর্ণিত (অর্থাৎ একজন কিংবা দুইজন সফর করলে প্রায়শই শয়তানের খপ্পরে পড়তে হয়, তিনজনের ক্ষেত্রে সে সম্ভাবনা ক্ষীণ।)
كتاب الصلاة
(3) باب اتخاذ الرفيق فى السفر وسببه
(1169) عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده أنَّ النَّبيَّ صلَّى الله عليه وسلَّم قال الرَّاكب شيطان والرَّاكبان شيطانان، والثَّلاثة ركب
tahqiq

তাহকীক: