মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ১১৩০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অনুচ্ছেদঃ দ্বিপ্রহরের পূর্বের সালাতের ওয়াক্ত ও তা জামায়াতে আদায় করা জায়েয হওয়া প্রসঙ্গে
(১১২৬) আলী (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (সা) দ্বিপ্রহরের পূর্বের সালাত আদায় করেছেন সূর্য উঠবার এতটুকু পরে যতটুকু সময় আসর হতে মাগরিব পর্যন্ত অবশিষ্ট থাকে (অর্থাৎ সূর্যোদয়ের প্রায় ২ ঘন্টা পর)
(নাসায়ী, ইবনু মাজাহ ও তিরমিজীতে বর্ণিত।)
كتاب الصلاة
(2) باب ما جاء فى وقتها وجواز فعلها جماعة
(1130) ز عن علىّ رضى الله عنه قال صلَّى رسول الله صلى الله عليه وسلم الضُّحى حين كانت الشَّمس من المشرق من مكانها من المغرب من صلاة العصر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৩১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অনুচ্ছেদঃ দ্বিপ্রহরের পূর্বের সালাতের ওয়াক্ত ও তা জামায়াতে আদায় করা জায়েয হওয়া প্রসঙ্গে
(১১২৭) যায়িদ ইবন্ আরকাম (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসূল (সা) কুবাবাসীর উদ্দেশ্যে বের হলেন, তখন তারা দ্বিপ্রহরের পূর্ব সালাত আদায় করছিল। তিনি বললেন, আওয়াবীনের সালাত।
(এখানে আওয়াবীনের সালাত বলতে যোহার নামাযের কথা বুঝানো হয়েছে।)
দ্বিপ্রহরের পূর্বে যখন সূর্যের তেজ ও প্রখরতা বৃদ্ধি পায় তখন আদায় করতে হয়। (উক্ত যায়িদ ইবন্ আরকাম (রা) থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত) তিনি বলেন, একদা নবী (সা) কুবা মসজিদে এলেন অথবা কুবা মসজিদে প্রবেশ করলেন সূর্য খানিকটা উপরে উঠে যাবার পরে। তখন তারা সালাত আদায় করছিল তখন তিনি বলেন, আওয়াবীনের সালাত যখন সূর্যের প্রখরতা বৃদ্ধি পেত তখন আদায় করতো।
(মুসলিম, তিরমিযী, তাবরানী ও মুছান্নাফে ইবনে আবূ শায়বায় বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(2) باب ما جاء فى وقتها وجواز فعلها جماعة
(1131) عن زيد بن أرقم رضى الله عنه قال خرج رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم على أهل قباء وهم يصلُّون الضُّحى فقال صلاة الأوَّابيت إذا رمضت الفصال من الضُّحى (وعنه من طريق ثان) أنَّ نبيَّ الله صلى الله عليه وسلم أتى على مسجد قباء أو دخل مسجد قباء بعدما أشرقت الشَّمس فإذا هم يصلُّون، فقال إنَّ صلاة الأوَّابين كانوا يصلُّونها إذا رمضت الفصال
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৩২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অনুচ্ছেদঃ দ্বিপ্রহরের পূর্বের সালাতের ওয়াক্ত ও তা জামায়াতে আদায় করা জায়েয হওয়া প্রসঙ্গে
(১১২৮) সাঈদ ইবন নাফি (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা)-এর সাহাবী আবূ বশীর আল আনসারী আমাকে দেখলেন যে, আমি সূর্যোদয়কালে সালাতুদ্দোহা আদায় করছিলাম। তিনি এ ব্যাপারে আমার নিন্দা করলেন এবং আমাকে নিষেধ করলেন। অতঃপর তিনি বললেন রাসূল (সা) বলেছেন সূর্য খানিকটা উদিত না হওয়া পর্যন্ত তোমরা সালাত আদায় করিও না। কেননা, তা শয়তানের শিং-এর মধ্যে উদিত হয়।
(হাদীসটি মুসনাদে আহমাদ ছাড়া অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ উত্তম। মুসলিম ও আহমদে হাদীসটি অন্য সাহাবী থেকেও বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(2) باب ما جاء فى وقتها وجواز فعلها جماعة
(1132) عن سعيد بن نافع قال رآنى أبو بشير الأنصارىُّ رضى الله عنه صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا أصلِّى صلاة الضُّحى حين طلعت الشِّمس فعاب على ذلك ونهانى، ثمَّ قال إنَّ رسول الله صلَّي الله عليه وآله وسلَّم قال لا تصلُّوا حتَّى ترتفع الشَّمس، فإنَّها تطلع بين قرني الشَّيطان
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৩৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অনুচ্ছেদঃ দ্বিপ্রহরের পূর্বের সালাতের ওয়াক্ত ও তা জামায়াতে আদায় করা জায়েয হওয়া প্রসঙ্গে
(১১২৯) ইতবান ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) তাঁর ঘরেই সালাতুদ্দোহা আদায় করছিলেন, (তা দেখে) সাহাবীরা তাঁরা পিছনে দাঁড়িয়ে এবং তাঁর সালাতের সাথে সালাত আদায় করলেন।
كتاب الصلاة
(2) باب ما جاء فى وقتها وجواز فعلها جماعة
(1133) عن عتبان بن مالك رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم صلَّى فى بيته سبحة الضُّحى فقاموا وراءه فصلَّوا بصلاته
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৩৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: সালাতুদ্বোহার ব্যাপারে সাহাবীদের মতবিরোধ এবং এতদসম্পর্কে কয়েকটি পরিচ্ছেদ।

প্রথম পরিচ্ছেদ: এ ব্যাপারে সাহাবীদের একটি দল থেকে যা বর্ণিত হয়েছে।
(১১৩০) আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) দ্বোহার সময় সালাত আদায় করতেন।
(মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত, এবং তার সনদের রাবীগণ বিশ্বস্ত। হাকেম ও নাসায়ী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, এর সনদগুলো উত্তম।)
كتاب الصلاة
(3) باب اختلاف الصحابة فيها وفيه فصول
الفصل الأول فيما روى عن جماعة من الصحابة فى ذلك
(1134) عن علىّ رضي الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلِّى من الضُّحى
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৩৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: সালাতুদ্বোহার ব্যাপারে সাহাবীদের মতবিরোধ এবং এতদসম্পর্কে কয়েকটি পরিচ্ছেদ।

প্রথম পরিচ্ছেদ: এ ব্যাপারে সাহাবীদের একটি দল থেকে যা বর্ণিত হয়েছে।
(১১৩১) আবূ সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) যোহার সালাত আদায় করতেন এমনকি আমরা বলতাম যে, তিনি এই সালাত ছাড়বেন না। আবার (কখনো) তিনি এই সালাত ছেড়ে দিতেন, এমনকি আমরা বলতাম তিনি এই সালাত আর আদায় করবেন না।
(তিরমিযী, তিনি এর সনদ হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
(3) باب اختلاف الصحابة فيها وفيه فصول
الفصل الأول فيما روى عن جماعة من الصحابة فى ذلك
(1135) عن أبى سعيد الخدرىِّ رضى الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّى الضُّحى حتى تقول لا يدعها ويدعها حتَّى نقول لا يصلِّيها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৩৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: সালাতুদ্বোহার ব্যাপারে সাহাবীদের মতবিরোধ এবং এতদসম্পর্কে কয়েকটি পরিচ্ছেদ।

প্রথম পরিচ্ছেদ: এ ব্যাপারে সাহাবীদের একটি দল থেকে যা বর্ণিত হয়েছে।
(১১৩২) আবূ হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা)-কে (জীবনে) একবার ব্যতীত আর কখনো দ্বোহার সালাত আদায় করতে দেখি নাই।
(আহমাদ ও বাযযার। এর সনদের রাবীগণ বিশ্বস্ত।)
كتاب الصلاة
(3) باب اختلاف الصحابة فيها وفيه فصول
الفصل الأول فيما روى عن جماعة من الصحابة فى ذلك
(1136) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال ما رأيت رسول الله
صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم صلَّى الضُّحى قطُّ إلاَّ مرَّةً
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৩৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: সালাতুদ্বোহার ব্যাপারে সাহাবীদের মতবিরোধ এবং এতদসম্পর্কে কয়েকটি পরিচ্ছেদ।

প্রথম পরিচ্ছেদ: এ ব্যাপারে সাহাবীদের একটি দল থেকে যা বর্ণিত হয়েছে।
(১১৩৩) আব্দুর রহমান ইবন আবু বাকরাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আবু বাকরাহ (রা) কিছু মানুষকে সালাতুদ্বোহা আদায় করতে দেখলেন। অতঃপর তিনি বললেন, তারা এমন সালাত আদায় করছে যা রাসূল (সা) ও তাঁর সাহাবীগণ কখনও আদায় করেনি।
(হাদীসটির সনদ উত্তম। মুসনাদে আহমাদ ছাড়া হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি।)
كتاب الصلاة
(3) باب اختلاف الصحابة فيها وفيه فصول
الفصل الأول فيما روى عن جماعة من الصحابة فى ذلك
(1137) عن عبد الرَّحمن بن أبى بكرة قال رأى أبو بكرة رضى الله عنه ناسًا يصلُّون الضُّحى، فقال إنَّهم ليصلُّون صلاةً ما صلاَّها رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم ولا عامَّة أصحابه رضى الله عنهم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৩৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: সালাতুদ্বোহার ব্যাপারে সাহাবীদের মতবিরোধ এবং এতদসম্পর্কে কয়েকটি পরিচ্ছেদ।

প্রথম পরিচ্ছেদ: এ ব্যাপারে সাহাবীদের একটি দল থেকে যা বর্ণিত হয়েছে।
(১১৩৪) মুয়াররাক আল ইজলী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবন উমর (রা)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি সালাতুদ্বোহা আদায় করেন? তিনি বললেন, না। আমি জিজ্ঞেস করলাম উমর (রা) কি এ সালাত পড়তেন? তিনি বললেন, না। আমি জিজ্ঞেস করলাম, আবু বকর (রা) কি এ সালাত পড়তেন? তিনি বললেন, না। আমি বললাম, রাসূল (সা) কি এ সালাত পড়তেন? তিনি বললেন, সম্ভবত না।
(বুখারী।)
كتاب الصلاة
(3) باب اختلاف الصحابة فيها وفيه فصول
الفصل الأول فيما روى عن جماعة من الصحابة فى ذلك
(1138) عن مورِّق العجلىِّ قال قلت لابن عمر رضى الله عنهما أتصلِّى الضُّحى؟ قال لا، قلت صلاَّها أبو بكر؟ قال لا، قلت أصلاَّها النَّبيُّ صلَّي الله عليه وآله وسلَّم؟ قال لا إخاله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৩৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: সালাতুদ্বোহার ব্যাপারে সাহাবীদের মতবিরোধ এবং এতদসম্পর্কে কয়েকটি পরিচ্ছেদ।

প্রথম পরিচ্ছেদ: এ ব্যাপারে সাহাবীদের একটি দল থেকে যা বর্ণিত হয়েছে।
(১১৩৫) মুজাহিদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এবং উরওয়া ইবন জুবাইর মসজিদে প্রবেশ করলাম। এমতাবস্থায় আমরা আব্দুল্লাহ ইবন উমরকে পেলাম তখন আমরা তার সাথে বসলাম। এমতাবস্থায় কিছু মানুষ সালাতুদ্বোহা আদায় করছিল। আমরা বললাম, হে আবু আব্দুর রহমান, এটা কিসের সালাত? তিনি জবাব দিলেন, এটা বিদ'আত।
(এটা একটা দীর্ঘ হাদীসের অংশবিশেষ। হাদীসটি বুখারী ইত্যাদি গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(3) باب اختلاف الصحابة فيها وفيه فصول
الفصل الأول فيما روى عن جماعة من الصحابة فى ذلك
(1139) عن مجاهد قال دخلت أنا وعروة بن الزُّبير لمسجد فإذا نحن بعبد الله بن عمر فجالسناه قال فإذا رجال يصلُّون الضُّحى، فقلنا يا أبا عبد الرَّحمن ما هذه الصَّلاة؟ قال بدعة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৪০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: সালাতুদ্বোহার ব্যাপারে সাহাবীদের মতবিরোধ এবং এতদসম্পর্কে কয়েকটি পরিচ্ছেদ।

প্রথম পরিচ্ছেদ: এ ব্যাপারে সাহাবীদের একটি দল থেকে যা বর্ণিত হয়েছে।
(১১৩৬) আবূ লায়লা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাকে উম্মে হানী ছাড়া এমন সংবাদ কেউ দেয় নি যে, সে নবী (সা)-কে সালাতুদ্বোহা আদায় করতে দেখেছেন। তিনি (উম্মু হানী) বলেন, নবী (সা) মক্কা বিজয়ের দিন তার গৃহে প্রবেশ করলেন, অতঃপর গোসল করলেন এবং আট রাকাত সালাত আদায় করলেন (এক বর্ণনায় আছে, উক্ত সালাতে তিনি রুকু সিজদা খুব সংক্ষিপ্ত করেছেন) কখনও তাঁকে এর চেয়ে বেশী সংক্ষিপ্ত করে কোন সালাত আদায় করতে দেখিনি। তবে তিনি রুকু সিজদাগুলো ঠিক মত আদায় করেছেন। (দ্বিতীয় এক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে) উবাইদুল্লাহ ইবন আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিছ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তাঁর পিতা আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিছ ইবন নওফেল তাকে বর্ণনা করেছেন যে, উম্মু হানী বিনতে আবূ তালিব তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, রাসূল (সা) মক্কা বিজয়ের দিন সূর্য কিছুটা উপরে উঠবার পর এলেন, অতঃপর একটি কাপড় আনতে বললেন এবং তা দিয়ে পর্দা দিলেন এরপরে গোসল করলেন। অতঃপর তিনি দাঁড়িয়ে গিয়ে আট রাকাত সালাত আদায় করলেন। রাবী বলেন, আমি জানি না যে, তার দাঁড়িয়ে থাকা, রুকু করা, সিজদা করা, এর মধ্যে কোনটি বেশী দীর্ঘ ছিল। বরং সবগুলোই প্রায় সমান ছিল। বর্ণনাকারী বলেন, এ ঘটনার আগে পরে তাঁকে আমি সালাতুদ্বোহা আদায় করতে দেখি নি।
(বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ, তবারানী প্রভৃতি।)
كتاب الصلاة
(3) باب اختلاف الصحابة فيها وفيه فصول
الفصل الأول فيما روى عن جماعة من الصحابة فى ذلك
(1140) عن ابن أبى ليلى قال ما أخبرنى أحد أنَّه رأى النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم
يصلِّي الضُّحى غير أمِّ هانئ فإنَّها حدَّثت أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم دخل بيتها يوم فتح مكَّة فاغتسل وصلَّى ثمان ركعات (زاد فى رواية يخفِّف فيهنَّ الرُّكوع والسُّجود) ما رأته صلَّى صلاة قطُّ أخفَّ منها غير أنَّه كان يتم الرُّكوع والسُّجود (ومن طريق ثان) عن عبيد الله بن عبد الله
ابن الحارث أنَّ أباه عبد الله بن الحارث بن نوفل حدَّثه أنَّ أمَّ هانئ بنت بى طالب أخبرته أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم أتي بعد ما ارتفع النَّهار يوم الفتح فأمر بثوب فستر عليه فاغتسل، ثمَّ قام فركع ثمانى ركعات لا أدرى أقيامه فيها أطول أو ركوعه أو سجوده، كلُّ ذلك منه متقارب قالت فلم أره سبَّحها قبل ولا بعد
ابن الحارث أنَّ أباه عبد الله بن الحارث بن نوفل حدَّثه أنَّ أمَّ هانئ بنت بى طالب أخبرته أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم أتي بعد ما ارتفع النَّهار يوم الفتح فأمر بثوب فستر عليه فاغتسل، ثمَّ قام فركع ثمانى ركعات لا أدرى أقيامه فيها أطول أو ركوعه أو سجوده، كلُّ ذلك منه متقارب قالت فلم أره سبَّحها قبل ولا بعد
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৪১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এ প্রসঙ্গে ইবন মালিক (রা) থেকে যা বর্ণিত হয়েছে
(১১৩৭) আনাস ইবন্ সিরীন থেকে বর্ণিত তিনি আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন। এক মোটা ব্যক্তি ছিল সে রাসূল (সা)-এর সাথে জামাতে সালাত আদায় করতে সক্ষম ছিল না। সে নবী (সা)-কে বলল, আমি আপনার সাথে সালাত আদায় করতে পারি না। তাই যদি আপনি আমার বাড়িতে আসতেন এবং সালাত আদায় করতেন তবে আমি আপনার অনুসরণ করতাম। এরপর উক্ত ব্যক্তি তার বাড়িতে খাবারের আয়োজন করল। অতঃপর নবী (সা)-কে দাওয়াত করল। এরপর তাদের চাটাইয়ের এক পাশে একটু পানির ছিটা দিল। (তা পিছিয়ে দিল) তখন নবী (সা) দু'রাকাত সালাত আদায় করলেন। এবার জারুদ সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, নবী (সা) কি সালাতুদ্বোহা আদায় করতেন? তিনি বললেন, আমি সেদিন ব্যতীত তাঁকে এ সালাত আদায় করতে আর কখনও দেখিনি।
(বুখারী, আবু দাউদ, ইবন মাজাহ্ প্রভৃতি।)
كتاب الصلاة
الفصل الثاني فيما روى عن أنس بن مالك رضى الله عنه فى ذلك
(1141) عن أنس بن سيرين عن أنس بن مالك رضى الله عنه قال كان رجل ضخم لا يستطيع أن يصلِّى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال للنَّبيِّ صلى الله عليه وسلم
لا أستطيع أن أصلِّي معك فلو أتيت منزلي فصلَّيت فأقتدي بك فصنع الرَّجل طعامًا، ثمَّ دعا النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم فنضح طرف حصير لهم، فصلَّى النَّبيُّ صلَّى الله عليه وآله وسلَّم ركعتين، فقال رجل من آل الجاود لأنس وكان النَّبيُّ صَّلى الله عليه وسلَّم يصلِّى الضُّحى؟ قال ما رأيته صلاَّها إلاَّ يومئذ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৪২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এ প্রসঙ্গে ইবন মালিক (রা) থেকে যা বর্ণিত হয়েছে
(১১৩৮) আব্দুল্লাহ ইবন রাওয়াহা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবন মালিক (রা)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি রাসূল (সা)-কে সফরের প্রাক্কালে অথবা সফর থেকে ফেরার পরমুহূর্ত ব্যতীত অন্য কোন সময় সালাতুদ্বাহা আদায় করতে দেখি নি।
(হাইছামী হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এটা আহমাদ ও আবূ ইয়ালা বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
الفصل الثاني فيما روى عن أنس بن مالك رضى الله عنه فى ذلك
(1142) عن عبد الله بن رواحة رضى الله عنه قال سمعت أنس بن مالك يقول إنَّه لم ير رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم يصلِّى الضُّحى إلاَّ أن يخرج فى سفر أو يقدم من سفر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৪৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: এ প্রসঙ্গে ইবন মালিক (রা) থেকে যা বর্ণিত হয়েছে
(১১৩৯) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসূল (সা)-কে সফররত অবস্থায় সালাতুদ্বোহা আট রাকাআ'ত আদায় করতে দেখেছি। অতঃপর যখন তিনি সফর থেকে প্রত্যাবর্তন করতেন তখন বলতেন, আমি রহমত ও ক্ষমা এবং আযাব থেকে মুক্তির প্রত্যাশায় সালাতুদ্বোহা আদায় করেছি। আমি আমার প্রতিপালকের কাছে তিনটি জিনিস প্রার্থনা করেছি, তন্মধ্যে দু'টি আমাকে দেয়া হয়েছে আর একটি থেকে বারণ করা হয়েছে। আমি প্রার্থনা করেছি, যেন আমার উম্মতকে দুর্ভিক্ষ দ্বারা পরীক্ষা না করা হয়- এটি কবুল করা হয়েছে। আমি প্রার্থনা করেছি, যেন আমার উম্মতের উপরে তাদের শত্রুরা বিজয়ী হতে না পারে- এটিও কবুল করা হয়েছে। আমি প্রার্থনা করেছি, যেন তারা মতবিরোধে লিপ্ত না হয়। এটি আমার পক্ষ থেকে কবুল করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করা হয়েছে।
(নাসায়ী, মুসতাদরাকে হাকেম ও ইবন খুযাইমা।)
كتاب الصلاة
الفصل الثاني فيما روى عن أنس بن مالك رضى الله عنه فى ذلك
(1143) عن أنس بن مالك رضى الله عنه أنَّه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر صلَّي سبحة الضُّحى ثمان ركعات، فلمَّا انصرف قال إنِّي صلَّيت صلاة رغبة ورهبة سألت ربِّى عزَّ وجلَّ ثلاثًا فاعطانى ثنتين ومنعنى واحدة، سألته أن لا يبتلى أمَّتى بالسِّنين ففعل، وسألت أن لا يظهر عليهم عدوَّهم
ففعل، وسألته أن لا يلبسهم شيعًا فأبى علىَّ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৪৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ: উন্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রা) থেকে যা বর্ণিত হয়েছে
(১১৪০) উরওয়া থেকে বর্ণিত, তিনি আয়েশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আল্লাহর কসম, রাসূল (সা) কখনও সালাতুদ্বোহা আদায় করেন নি কিন্তু আমি তা আদায় করেছি। তিনি আরো বলেন, রাসূল (সা) কিছু কিছু পছন্দনীয় আমল ছেড়ে দিতেন এ আশঙ্কায় যে, মানুষেরা উক্ত আমল করতে শুরু করলে পরবর্তীতে তা তাদের উপর ফরয হয়ে যাবে। রাসূল (সা) চাইতেন যে, মানুষের ওপর ফরয কর্মগুলো হাল্কা বা সহজ হোক।
(বুখারী, মুসলিম, মুয়াত্তা মালিক, আবূ দাউদ, নাসায়ী, বায়হাকী প্রভৃতি।)
كتاب الصلاة
الفصل الثالث فيما روى عن أم المؤمنين عائشة رضى الله عنها
(1144) عن عروة عن عائشة قالت والله ما سبَّح رسول الله صلى الله عليه وسلم
سبحة الضُّحى قطُّ وإنِّى لأسبِّحها وقالت إنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم كان يترك العمل وهو يحب أن يعمله خشية أن يستنَّ به النَّاس فيفرض عليهم، وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يحب ما خفَّ على النَّاس من الفرائض
হাদীস নং: ১১৪৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ: উন্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রা) থেকে যা বর্ণিত হয়েছে
(১১৪১) উক্ত আয়েশা (রা) থেকে আরও বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সা) সফর কিংবা একামত কোন আবস্থাতেই সালাতুদ্বোহা আদায় করেন নি।
(হাদীসটি মুসনাদে আহমাদ ছাড়া অন্যত্র পাওয়া যায়নি, তবে বুখারী ও মুসলিমে এ ধরনের হাদীস আছে।)
كتاب الصلاة
الفصل الثالث فيما روى عن أم المؤمنين عائشة رضى الله عنها
(1145) وعنها أيضًا قالت ما سبَّح رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم سبحة الضُّحى فى سفر ولا حضر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৪৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ: উন্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রা) থেকে যা বর্ণিত হয়েছে
(১১৪২) আব্দুল্লাহ ইবন শাকীক হতে বর্ণিত, তিনি আয়েশা (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সা)-কে সফর থেকে আসা ছাড়া কখনও সালাতুদ্বোহা আদায় করতে দেখি নি। তিনি সফর থেকে এসে দু'রাকাত সালাতুদ্বোহা আদায় করতেন।
كتاب الصلاة
الفصل الثالث فيما روى عن أم المؤمنين عائشة رضى الله عنها
(1146) عن عبد الله بن شقيق عن عائشة قالت ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّى الضُّحى إلاَّ أن يقدم من سفر فيصلِّى ركعتين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৪৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ: উন্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রা) থেকে যা বর্ণিত হয়েছে
(১১৪৩) মুয়াজা থেকে বর্ণিত, তিনি আয়েশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসুল (সা) আমার গৃহে চার রাকাত সালাতুদ্বোহা আদায় করেছিলেন।
(হাদীসটি মুসনাদে আহমাদ ছাড়া এ ভাষায় অন্যত্রে পাওয়া যায়নি, তবে পরের হাদীস এর সমর্থন করে।)
كتاب الصلاة
الفصل الثالث فيما روى عن أم المؤمنين عائشة رضى الله عنها
(1147) عن معاذة عن عائشة رضى الله عنها قالت صليَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم فى بيتى الضُّحى أربع ركعات
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৪৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ: উন্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রা) থেকে যা বর্ণিত হয়েছে
(১১৪৪) উক্ত মুয়াজা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রা)-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, রাসূল (সা) কত রাকাত সালাতুদ্বোহা আদায় করতেন। তিনি বললেন, চার রাকাত এবং আল্লাহ্ চাইলে আরো বেশী আদায় করতেন।
(মুসলিম, নাসায়ী ও তিরমিযী।)
كتاب الصلاة
الفصل الثالث فيما روى عن أم المؤمنين عائشة رضى الله عنها
(1148) وعنها أيضا قالت سألت عائشة رضى الله عنها كم كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلى الضحى؟ قالت أربع كعات ويزيد ما شاء الله عز وجل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৪৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: পবিত্রতা অর্জন পরবর্তী সালাত প্রসঙ্গে
(১১৪৫) আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, হে বেলাল! তোমার সর্বোত্তম আমল সম্পর্কে আমাকে বল, যা ইসলামে তুমি করেছ এবং তোমার জন্য বেশী ফলদায়ক মনে করেছ। কেননা, আমি গত রাতে জান্নাতের সামনে তোমার পাদুকার শব্দ পেয়েছি। তখন বেলাল (রা) বললেন, আমি ইসলাম গ্রহণের পর আমার মতে বেশী ফলদায়ক সর্বোত্তম কোন আমল করি নি, তবে হ্যাঁ, দিবা রাত্রির যখনই পূর্ণ ওযু করেছি তখনই এ ওযু দ্বারা আল্লাহ যা মুকাদ্দর করেছেন সে সালাতসমূহ আদায় করতাম।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
باب الصلاة عقب الطهور
(1149) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا بلال حدِّثنى بأرجى عمل عملته في الإسلام عندك منفعةً، فإنِّى سمعت اللَّيلة
خشف نعليك بين يدىَّ في الجنَّة فقال بلال ما عملت عملًا في الإسلام أرجى عندى منفعة إلاَّ أنِّى لم أتطهَّر طهورًا تامًا فى ساعة من ليل أو نهار إلاَّ صلَّيت بذلك الطُّهور ما كتب الله لى أن أصلِّي