মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ১১১০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ তারাবীহর সালাত সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ

(১) অনুচ্ছেদ: তারাবীহর সালাতের ফযীলত, তা সুন্নাত হওয়া এবং ওয়াজিব না হওয়া প্রসঙ্গে
(১১০৬) আব্দুর রহমান ইবন আউফ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (সা) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আল্লাহ তা'আলা রমযানের সিয়াম সাধনা ফরয করেছেন আর আমি তাতে (জামায়াতে) তারাবীহর সালাত আদায় সুন্নাত করে দিয়েছি। সুতরাং যে ব্যক্তি সাওয়াবের আশায় রমযানে সিয়াম সাধনা করবে এবং (জামা'আতে) তারাবীহর সালাত আদায় করবে সে এমনভাবে পাপমুক্ত হবে যেমন তার মা তাকে প্রসবকালে পাপমুক্ত প্রসব করে ছিল।
(নাসায়ী ও ইবন মাজাহ। এ হাদীসের সনদে একজন দুর্বল রাবী আছেন।)
كتاب الصلاة
ابواب صلاة التراويح

(1) باب ما جاء فى فضلها وانها سنة وليست بواجبة
(1110) عن عبد الرَّحمن بن عوف رضي الله عنه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إنَّ الله عز وجلَّ فرض صيام رمضان وسننت قيامه فمن صامه وقامه احتسابًا خرج من الذُّنوب كيوم ولدته أُّمُّه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১১১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) তারাবীহর সালাতের কারণ এবং মসজিদে তা জামায়াতে আদায় করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(১১০৭) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) রমযান মাসে (তারাবীহর) সালাত আদায় করছিলেন। আমি এসে তাঁর পিছনে দাঁড়ালাম। তিনি বলেন, এরপর আরো এক ব্যক্তি এসে আমার পাশে দাঁড়াল। অতঃপর আরো এক ব্যক্তি আসল। এভাবে আসতে আসতে আমরা বেশ কয়েকজন হয়ে গেলাম। এরপর রাসূল (সা) যখন বুঝতে পারলেন যে, আমরা তার পিছনে রয়েছি তখন তিনি সালাতকে সংক্ষিপ্ত করলেন। এরপর দাঁড়িয়ে নিজ গৃহ অভ্যন্তরে প্রবেশ করলেন সেখানে তিনি দীর্ঘক্ষণ সালাত আদায় করলেন যা আমাদের সাথে করেন নি। অতঃপর যখন প্রত্যুষ হল তখন আমরা জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল (সা) আপনি গত রাত্রে আমাদের উপস্থিতি অনুভব করেছিলেন কি? রাসূল (সা) জবাবে বললেন, হ্যাঁ। আমি সে কারণেই এরূপ করেছি।
বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি বিরতিহীনভাবে সিয়ামব্রত পালন শুরু করলেন, এটা ছিল রমযান মাসের শেষের দিকে। বর্ণনাকারী বলেন, তখন তাঁর সাহাবীদের অনেকেই বিরতিহীনভাবে সিয়ামব্রত পালন শুরু করলেন, বর্ণনাকারী বলেন, তখন রাসূল বললেন, লোকদের কি হলো যে, তারা বিরতিহীন সিয়ামব্রত পালন শুরু করে দিল। অথচ তোমরা আমার মত নও। আল্লাহর কসম, যদি আমার জন্য রমযান আরো দীর্ঘ করা হত তবুও আমি এমন বিরতিহীন সিয়ামব্রত পালন করতাম যে, (দীনের ব্যাপারে) বাড়াবাড়িকারীগণ তাদের বাড়াবাড়ি ছেড়ে দিত।
(উক্ত আনাস ইবন্ মালিক (রা) হতে ২য় সূত্রে বর্ণিত আছে) রমযান মাসে নবী করীম (সা) তাঁদের কাছে বের হলেন, তারপর সাহাবীদের নিয়ে সংক্ষিপ্তাকারে সালাত আদায় করলেন, অতঃপর গৃহে প্রবেশ করলেন এবং দীর্ঘক্ষণ রইলেন, তারপর গৃহ থেকে বের হলেন এবং তাদের নিয়ে সংক্ষিপ্তাকারে সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি আবারো গৃহে প্রবেশ করলেন এবং দীর্ঘক্ষণ রইলেন, অতঃপর প্রত্যুষ হলে আমরা জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর নবী। গত রাত্রে আমরা বসা ছিলাম তখন আপনি আমাদের মাঝে এলেন, সংক্ষিপ্তাকারে সালাত আদায় করলেন, অতঃপর ভিতরে গেলেন এবং দীর্ঘক্ষণ রইলেন, রাসূল (সা) বললেন, এটা তোমাদের জন্যই করেছি।
(উক্ত আনাস ইবন মালিক হতে ৩য় সূত্রেও) অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণিত আছে। যাতে আরো উল্লেখিত আছে, তারা বলল, হে আল্লাহর রাসূল (সা)! আপনি সালাত আদায় করলেন অথচ আমরা চাচ্ছিলাম যে, আপনি সালাতকে আরো দীর্ঘ করবেন। তিনি বললেন, আমি তোমাদের অবস্থা সম্পর্কে সম্যক অবগত ছিলাম এবং জেনে শুনেই এমনটি করেছি।
(বুখারী, মুসলিম ইত্যাদিতে বর্ণিত।)
كتاب الصلاة
(2) باب ما جاء فى سببها وجواز فعلها جماعة فى المسجد
(1111) عن أنس "بن مالك" رضي الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلِّى فى رمضان، فجئت فقمت خلفه، قال وجاء رجل فقام إلى جنبى، ثمَّ جاء آخر حتَّى كنَّا رهطًا فلمَّا أحسَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم أنا خلفه تجوَّز فى الصلاة ثمَّ قام فدخل منزله فصلَّى صلاة لم يصلِّها عندنا قال فلمَّا أصبحنا قال قلنا يا رسول الله أفطنت بما اللَّيلة؟ قال نعم فذاك الَّذى حملنى على الَّذي صنعت قال ثمَّ أخذ يواصل وذاك فى آخر الشهَّر، قال فأخذ رجال يواصلوت من أصحابه، قال فقال
رسول الله صلى الله عليه وسلم ما بال رجال يواصلون، إنَّكم لستم مثلى، أما والله لو مدَّ لى الشَّهر لواصلت وصالًا يدع المتعمقون تعمُّقهم (وعنه من طريق ثان) أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم خرج إليهم فى رمضان فخفَّف بهم، ثمَّ دخل فأطال ثمَّ خرج فخفَّف بهم، ثمَّ دخل فأطال، فلمَّا أصبحنا قلنا يا نبيَّ الله جلسنا اللَّيلة فخرجت إلينا فخفَّفت ثمَّ دخلت فأطلت قال من أجلكم (وعنه من طريق ثالث) بنحوه وفيه قالوا يا رسول الله صلَّيت ونحن نحب أن تمدَّ فى صلاتك، قال قد علمت بمكانكم وعمدًا فعلت ذلك.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১১২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) তারাবীহর সালাতের কারণ এবং মসজিদে তা জামায়াতে আদায় করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(১১০৮) উরওয়া ইবন যুবাইর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আয়েশা (রা) বলেছেন, একদা এক মধ্যরাতে রাসুলুল্লাহ (সা) গৃহ থেকে বের হলেন, তারপর মসজিদে সালাত আদায় করলেন। তখন কতিপয় সাহাবী মসজিদে এলেন এবং তার সাথে সালাত আদায় করলেন, পরদিন প্রত্যুষে মানুষরা বলাবলি করতে লাগল যে, নবী (সা)- মসজিদে গিয়েছিলেন এবং মধ্য রাতে সালাত আদায় করেছেন। পরের রাতে আরো বেশী মানুষ জমায়েত হলো- বর্ণনাকারী (আয়েশা (রা)) বলেন, নবী (সা) গৃহ থেকে বের হলেন মধ্যরাতে গোসল করলেন, অতঃপর সালাত আদায় করলেন মানুষেরাও তাঁর সাথে সালাত আদায় করল। এর পরদিন সকালে তারা এ নিয়ে বলাবলি করতে লাগল। এমনিভাবে তৃতীয় রাতেও অনেক মানুষ জমায়েত হল এবং মসজিদে সালাতীদের সংখ্যা বেড়ে গেল। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর নবী (সা) মধ্যরাতে বের হলেন এবং সালাত আদায় করলেন তাঁরাও তাঁর সাথে সালাত আদায় করল। এমনিভাবে চতুর্থ রাত যখন হল তখন এত মানুষ মসজিদে সমবেত হলো যে, মসজিদে লোক সংকুলান কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ল। এ দিনে নবী (সা) বসে থাকলেন এবং বের হলেন না। তিনি বলেন, এমনকি আমি শুনতে পেলাম যে, কিছু মানুষ সালাত! সালাত!! বলে ডাকছে। তথাপিও নবী (সা) তাদের উদ্দেশ্যে বের হলেন না, যখন তিনি ফজরের সালাত আদায় শেষে সালাম দিলেন তখন মানুষদের মাঝে দাঁড়িয়ে গেলেন, শাহাদাতবাণী উচ্চারণ করলেন এবং বললেন, গতরাতে তোমাদের অবস্থা (সালাতের প্রতি তোমাদের আগ্রহ) আমার অজানা ছিল না, কিন্তু আমি আশঙ্কা করেছি যে, তা তোমাদের ওপর ফরয হয়ে গেলে, যা আদায়ে তোমরা অক্ষম হয়ে পড়বে। (কোন কোন বর্ণনায় এও এসেছে যে) এটা ছিল রামাযান মাসের ঘটনা।
(বুখারী, মুসলিম, হাকেম, আবু দাউদ, নাসায়ী ও বায়হাকীতে বর্ণিত।)
كتاب الصلاة
(2) باب ما جاء فى سببها وجواز فعلها جماعة فى المسجد
(1112) عن عروة بن الزبير قال قالت عائشة رضى الله عنها خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلةً من جوف اللَّيل فصلَّى في المسجد فثاب رجال فصلَّوا معه بصلاته فلمَّا أصبح النَّاس تحدَّثوا أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم قد خرج فصلَّى فى المسجد من جوف اللَّيل فاجتمع اللَّيلة المقبلة أكثر منهم، قالت فخرج النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم اغتسل من جوف اللَّيل فصلَّي وصلَّوا معه بصلاته ثمَّ أصبح فتحدَّثوا بذلك، فاجتمع
اللَّيلة الثَّالثة ناس كثير حتَّى كثر أهل المسجد قالت فخرج النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم من جوف اللَّيل فصلَّى فصلَّوا معه، فلمَّا كانت اللَّيلة الرَّابعة اجتمع النَّاس حتَّى كاد المسجد يعجز عن أهله فجلس النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم فلم يخرج، قالت حتَّى سمعت ناسًا منهم يقولون الصَّلاة الصَّلاة، فلم يخرج إليهم النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم فلمَّا صلَّى صلاة الفجر سلَّم ثمَّ ثام فى النَّاس فتشهَّد ثمَّ قال أمَّا بعد فإنَّه لم يخف علىَّ شأنكم اللَّيلة ولكنِّي خشيت أن تفرض عليكم فتعجزوا عنها (زاد فى رواية) وذلك فى رمضان.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১১৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) তারাবীহর সালাতের কারণ এবং মসজিদে তা জামায়াতে আদায় করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(১১০৯) আবু সালামা ইবন আব্দুর রহমান ইবন আওফ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (সা)-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, মানুষেরা রমযান মাসের রাত্রিতে মসজিদে নববীতে বিচ্ছিন্ন জামাতে সালাত আদায় করতো। কারো কিছু কুরআন মুখস্ত থাকলে তখন তার সাথে পাঁচ জনের কিংবা ছয় জনের অথবা তার কিছু কম বা বেশী লোক এখানে সালাত আদায় করতো। আয়েশা (রা) বলেন, এমনি এক রাত্রিতে রাসূল (সা) আমাকে আমার গৃহের ফটকের সামনে একটি চাটাই বিছিয়ে দিতে নির্দেশ দিলেন, আমি তাই করলাম, নবী (সা) এ সালাত আদায়ের পর উক্ত চাটাইয়ের দিকে গেলেন। তখন যারা মসজিদে ছিলেন তারা তাঁর কাছে সমবেত হলেন, নবী (সা) দীর্ঘ রাত পর্যন্ত তাঁদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি সালাত থেকে চাটাইটি ঐ অবস্থায় রেখে গৃহে প্রবেশ করলেন। পরদিন সকাল হলে গত রাত্রে মসজিদবাসীদের নিয়ে রাসূল (সা)-এর সালাত বিষয়ে লোকজন বলাবলি করতে থাকল। বর্ণনাকারী বলেন, সন্ধ্যা হলে মসজিদে জনগণের সরব পদাচারণা শুরু হল। রাসূল (সা) তাদের নিয়ে এশার সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি নিজ গৃহে প্রবেশ করলেন, কিন্তু মানুষেরা মসজিদে রয়ে গেল। তিনি বলেন, রাসূল (সা) আমাকে বললেন, হে আয়েশা। মানুষদের কি হয়েছে বলতো? তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল। মানুষেরা গতরাতে যারা মসজিদে ছিল তাদের নিয়ে আপনার সালাত আদায়ের কথা শুনেছে, তাই তারা জমা হয়েছে, যেন আপনি তাদের নিয়ে সালাত আদায় করেন। তিনি বলেন, রাসূল (সা) বললেন, হে আয়েশা তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, আজ নবী (সা) বের হবেন না। তিনি বলেন, আমি তা-ই করলাম, এবং নবী (সা) সতর্কাবস্থায় রাত্রি যাপন করলেন। আর মানুষরাও তাদের স্ব স্ব অবস্থানে থাকল। এমনকি নবী (সা) ফজরের সালাতের উদ্দেশ্যে বের হলেন। তিনি বলেন, তারপর রাসূল (সা) বললেন, হে মানুষেরা! সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহর কসম। আমি অসতর্কাবস্থায় গত রাত্রি যাপন করি নি এবং গতরাতে তোমাদের অবস্থাও আমার অজানা ছিল না। বরং আমি এ আশঙ্কা করেছি যে, তা তোমাদের উপর ফরয হয়ে যাবে। সুতরাং তোমরা তোমাদের স্কন্ধে এমন আসন তুলে নাও যা আদায় করতে পারবে। কেননা আল্লাহ্ ততক্ষণ পর্যন্ত বিরক্তিবোধ করেন না যতক্ষণ না তোমরা বিরক্তিবোধ কর। বর্ণনাকারী বলেন, আয়েশা (রা) বলতেন, আল্লাহর নিকট প্রিয়তম আমল হচ্ছে যা সর্বদা করা হয় যদিও তা পরিমাণে অল্প হয়।
এ হাদীসটি মুহাম্মদ ইবন নসর আয়েশা (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন, আর মুসলিম ও আহমদ হাদীসটি যাইদ ইবনে সাবিত (রা) থেকেও বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب ما جاء فى سببها وجواز فعلها جماعة فى المسجد
(1113) عن أبى سلمة بن عبد الرَّحمن بن عوف عن عائشة زوج النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قالت كان النَّاس يصلُّون فى مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم فى رمضان باللَّيل أوزاعًا يكون مع الرَّجل شئ من القرآن فيكون معه النَّفر الخمسة أو السِّتة
أو أقل من ذلك أو أكثر فيصلُّون بصلاته قالت فأمرنى رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلةً من ذلك أن أنصب له حصيرًا على باب حجرتى ففعلت فخرج إليه رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم بعد أن صلَّى العشاء الآخرة قالت فاجتمع إليه من فى المسجد فصلى بهم رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلًا طويلًا ثمَّ انصرف رسول الله صلى الله عليه وسلم فدخل وترك الحصير على حاله فلمَّا أصبح النَّاس تحدَّثوا بصلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم بمن كان معه فى المسجد تلك اللَّيلة قالت وأمسى المسجد راجًّا بالنَّاس فصلَّى بهم رسول الله صلى الله عليه وسلم العشاء الآخرة ثمَّ دخل بيته وثبت النَّاس قالت فقال لى رسول الله صلى الله عليه وسلم ما شأن النَّاس يا عائشة؟ قالت فقلت له يا رسول الله سمع النَّاس بصلاتك البارحة بمن كان فى المسجد فحشدوا لذلك لتصلِّى بهم قالت فقال اطوعنَّا حصيرك يا عائشة قالت ففعلت وبات رسول الله صلى الله عليه وسلم غير غافل وثبت النَّاس مكانهم حتَّى خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى الصُّبح فقالت فقال أيُّها النَّاس أما والله ما بتُّ والحمد لله ليلتى هذه غافلًا وما خفى علىَّ مكانكم ولكنىِّ تخوَّفت أن يفترض
عليكم فاكلفوا من الأعمال ما تطيقون، فإنَّ الله لا يملُّ حتَّى تملُّوا، قال وكانت عائشة تقول إنَّ أحب الأعمال إلى الله أدومها وإنَّ قلَّ.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১১৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) তারাবীহর সালাতের কারণ এবং মসজিদে তা জামায়াতে আদায় করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(১১১০) শুরাইহ ইবন উবাইদ, হাদরামী থেকে বর্ণিত, তিনি বর্ণনা সূত্রকে আবূ যার (রা) পর্যন্ত প্রত্যার্পণ করেছেন। তিনি বলেন যখন রমযানের শেষ দশক সমাগত হল তখন রাসূল (সা) মসজিদে (নববীতে) ই'তিকাফ করলেন। রমযানের বাইশ তারিখে আসরের সালাত সমাপনান্তে রাসূল (সা) বললেন, ইনশাআল্লাহ আজ রাতে আমরা (তারাবীহর) সালাত আদায় করব। অতএব, তোমাদের মধ্যে যারা ইবাদাতে মাশগুল থাকতে চায় তারা থাকতে পারে। এটি ছিল রমযানের তেইশ তারিখের (পূর্ব) রাত্রি, অতঃপর তিনি (সা) এশার সালাতের পর জামায়াতবদ্ধভাবে (নফল) সালাত আদায় করলেন, এমনিভাবে রাত্রির ত্রি প্রহরের এক প্রহর কেটে গেল। এরপর তিনি সালাত থেকে বিরত হলেন। এরপর চব্বিশ তারিখ এল সেদিন তিনি কিছুই বললেন না এবং সালাতও আদায় করলেন না। অতঃপর পঁচিশ তারিখের রাত যখন এল তিনি চব্বিশই রমযান আসরের সালাতান্তে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং বললেন, ইনশাআল্লাহ আজ রাতে অর্থাৎ পঁচিশ তারিখের রাতে আমরা নফল সালাত আদায় করব, অতএব, তোমাদের মধ্যে যারা চায় তারা সালাতে শামিল হতে পারে। অতঃপর তিনি মানুষদের নিয়ে সালাত আদায় করতে থাকলেন, এভাবেই রাত্রের তিন প্রহরের এক প্রহর কেটে গেল। এরপর তিনি সালাত থেকে বিরত হলেন, এরপর ছাব্বিশ তারিখের রাত হল তিনি কিছুই বললেন না এবং কোন সালাতও আদায় করলেন না। অতঃপর ছাব্বিশ রমযানের আসরের সালাত শেষে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং বললেন, ইনশাআল্লাহ্ আজ রাতেও অর্থাৎ সাতাশ তারিখেও আমরা সালাত আদায় করব। অতএব তোমাদের মধ্যে যারা তা করতে চায় তারা তা করতে পারে। আবূ যার বলেন, আমরা সালাত আদায় করে রাতযাপনের উদ্দেশ্যে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হলাম এবং নবী (সা) আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন এমনি করে রাত্রের তিন প্রহরের দুই প্রহর কেটে গেল। অতঃপর তিনি মসজিদে নববীতে তৈরীকৃত তাঁর ই'তিকাফকালীন অবস্থানস্থলে ফিরে গেলেন। তখন আমি তাঁকে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল। আমরা প্রত্যাশা করছিলাম যে, আপনি আমাদের নিয়ে সুবহে সাদিক পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকবেন। তিনি জবাবে বললেন, হে আবূ যার। যখন তুমি তোমার ইমামের সাথে সালাত আদায় কর অতঃপর তিনি সালাত শেষ করলে তুমিও তখন সালাত শেষ কর, তখন পুরা রাত্রিতে ইবাদতের সাওয়াব তোমার আমলনামায় লিখা হয়। আবু আব্দুর রাহমান বলেন, আমি হাদীসটি আমার পিতার কিতাবে তাঁর স্বহস্তে লিখিত পেয়েছি।
(নাসায়ী, ইবন মাজাহ, হাকেম, তিরমিযী, মুহাম্মদ ইবন্ নাছর ও ত্বাহাবী ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب ما جاء فى سببها وجواز فعلها جماعة فى المسجد
(1114) خط عن شريح بن عبيد الحضرمىِّ يردُّه إلى أبى ذر رضى الله عنه قال لماَّ كان العشر الأواخر اعتكف رسول الله صلى الله عليه وسلم فى المسجد فلمَّا صلَّى النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم صلاة العصر من يوم اثنين وعشرين قال إنَّا قائمون اللَّيلة إن شاء الله، فمن شاء منكم أن يقوم فليقم، وهى ليلة ثلاث وعشرين، فصلاَّها
النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم جماعةً بعد العتمة حتَّى ذهب ثلث اللَّيل ثم انصرف، فلمَّا كان ليلة أربع وعشرين لم يقل شيئًا ولم يقم، فلمَّا كان ليلة خمس وعشرين قام بعد صلاة العصر يوم أربع وعشرين فقال إنَّا قائمون اللَّيلة إن شاء الله يعنى ليلة خمس وعشرين فمن شاء فليقم، فصلَّى بالنَّاس حتَّى ذهب ثلث اللَّيل ثمَّ انصرف، فلمَّا كان ليلة ست وعشرين لم يقل شيئًا ولم يقم، فلمَّا كان عند صلاة العصر من يوم ست وعشرين قام فقال إنَّا قائمون إن شاء الله يعنى ليلة سبع وعشرين فمن شاء أن يقوم فليقم، قال أبو ذرّ فتجلَّدنا للقيام فصلَّى بنا النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم حتّى ذهب ثلثا اللَّيل ثمَّ انصرف إلى قبَّته فى المسجد فقلت له إن كنَّا لقد طمعنا يا رسول الله أن تقوم بنا حتى تصبح، فقال يا أبا ذرّ إنَّ إذا صلَّيت مع إمامك وانصرفت إذا انصرف كتب لك قنوت ليلتك قال أبو عبد الرَّحمن وجدت هذا الحديث فى كتاب أبى بخطِّ يده
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১১৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) তারাবীহর সালাতের কারণ এবং মসজিদে তা জামায়াতে আদায় করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(১১১১) জুবাইর ইবন্ নুফাইর আল খাদরামী থেকে বর্ণিত, তিনি আবূ যার (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমরা রমযান মাসে রাসূল (সা)-এর সাথে রোযা রাখতাম, তিনি আমাদের নিয়ে গোটা মাস কোন সালাত আদায় করলেন না। অতঃপর রমযানের সাত দিন বাকি থাকলে তিনি (সা) আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। প্রায় রাত্রির এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত অতঃপর চব্বিশ তারিখে আর এমনটি করলেন না। তৎপরবর্তী রাত্রে প্রায় অর্ধরাত্র পর্যন্ত সালাত আদায় করে কাটিয়ে দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! কতই না সুন্দর হত যদি গোটা রাতটাই এভাবে নফল ইবাদতে কাটিয়ে দিতেন। রাসূল (সা) বললেন, যখন কোন ব্যক্তি ইমামের সাথে নফল সালাত আদায়ে ব্যস্ত থেকে অবশেষে ফিরে তখন পুরারাত্রি দাঁড়িয়ে ইবাদত করার সাওয়াব তার আমলনামায় লিপিবদ্ধ করা হয়, অতঃপর ছাব্বিশ তারিখে তিনি আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করেন নি। আবার সাতাশ তারিখে আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি গোত্রে গোত্রে প্রতিনিধি পাঠিয়ে দিলেন। জনগণ একত্রিত হল, তখন তিনি আমাদের নিয়ে এত দীর্ঘক্ষণ সালাত আদায় করলেন। যে আমরা আশঙ্কা করতে থাকলাম যে, কল্যাণ হারিয়ে ফেলব, আমি বললাম, কল্যাণ কি? তিনি বলেন, সাহরী।
(মুস্তাদরাকে হাকেম, বায়হাকী ও চার সুনান গ্রন্থে বর্ণিত। হাফেয ও তিরমিযী হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب ما جاء فى سببها وجواز فعلها جماعة فى المسجد
(1115) عن جبير بن نفير الحضرمىِّ عن أبى ذرّ رضى الله عنه قال صمنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم رمضان فلم يقم بنا شيئًا من الشَّهر حتَّى بقى سبع فقام بنا حتَّى ذهب نحو ثلث اللَّيل ثمَّ، لم يقم بنا اللَّيلة الرَّابعة وقام بنا اللَّيلة التى تليها حتَّى ذهب نحو من شطر اللَّيل، قال فقلنا يا رسول الله لو نفَّلتنا بقيَّة ليلتنا هذه، قال إن الرَّجل إذا قام مع الإمام حتى ينصرف حسب له بقيَّة ليلته، ثمَّ لم يقم بنا السَّادسة وقام بنا السَّابعة، وقال: وبعث إلى أهله واجتمع النَّاس فقام بنا حتَّى خشينا أن يفوتنا الفلاح قال قلت وما الفلاح؟ قال السُّحور
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১১৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) তারাবীহর সালাতের কারণ এবং মসজিদে তা জামায়াতে আদায় করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(১১১২) নু'আইম ইবন যিয়াদ আবু তালহা আল আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নু'মান ইবন বশির (রা)-কে হিমছ-এর মিম্বারে বলতে শুনেছেন যে, আমরা রমযান মাসের তেইশ তারিখ রাসূল ((সা)-এর সাথে রাত্রির প্রায় প্রথম এক তৃতীয়াংশ সালাত আদায় করেছিলাম। অতঃপর পঁচিশ তারিখের রাত্রে প্রায় অর্ধরাত্রি সালাত আদায় করলাম। অতঃপর সাতাশ তারিখের রাত্রিতে এত বেশী সালাত আদায় করলাম যে, কল্যাণ হারিয়ে ফেলবার আশঙ্কা করলাম। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা সাহরীকে কল্যাণ বলতাম। আমরা সাতাশের রাত্রিকে সপ্তম রাত্রি বলি আর তোমরা তেইশের রাত্রিকে সপ্তম রাত্রি বলে থাক। আসলে কোনটি বেশি সঠিক? তোমরা না আমরা?
(নাসায়ী। ইত্যাদি।)
(কোন কোন হাদীসে বর্ণিত হয়েছে কদরের রাত্রি সপ্তম তারিখে হয়। এ কারণে কেউ কেউ রমযানের সাতাশ তারিখের রাত্রিকে সপ্তম রাত্রি আর কেউ কেউ পিছনের দিক থেকে গণনা করে তেইশ তারিখের রাত্রিকে সপ্তম রাত্রি মনে করেন, এর মধ্যে কোনটি সঠিক? আল্লাহই ভাল জানেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب ما جاء فى سببها وجواز فعلها جماعة فى المسجد
(1116) عن نعيم بن زياد أبى طلحة الأنمارىِّ أنَّه سمع النُّعمان بن بشير رضي الله عنه يقول على منبر حمص قمنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة ثلاث وعشرين فى شهر رمضان إلى ثلث اللَّيل الأوَّل، ثمَّ قمنا معه ليلة خمس وعشرين إلى نصف اللَّيل، ثمَّ قام بنا ليّلة سبع وعشرين حتَّى ظننَّا أن لا ندرك الفلاح، قال وكنَّا ندعوا السُّحور الفلاح، فأمَّا نحن فنقول ليلة السَّابعة ليلة سبع وعشرين وأنتم تقولون ليلة ثلاث وعشرين السَّابعة فمن أصوب؟ نحن أو أنتم؟
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১১৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) অনুচ্ছেদ: যারা বলে যে তারাবীহর সালাত বাড়ীতে আদায় করা উত্তম তাদের দলিল
(১১১৩) যায়িদ ইবন্ ছাবিত (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সা) মসজিদে (নববীতে) চাটাইয়ের একটি কামরা বানালেন। অতঃপর কয়েক রাত্রি সেখানে সালাত আদায় করলেন, পরিশেষে কিছু লোক তাঁর কাছে একত্রিত হল অতঃপর তারা রাসূলের (সা) আওয়াজ হারিয়ে ফেলত। তখন তারা ধারণা করল যে, তিনি ঘুমিয়ে গেছেন। তখন তাদের কেউ কেউ গলা হাকারি দিতে লাগলেন, যেন তিনি তাঁদের কাছে বাইরে বেরিয়ে আসেন। অতঃপর তিনি বললেন, আমি তোমাদের কাজকর্ম সম্পর্কে অনবহিত নই, কিন্তু আমি তা তোমাদের উপর ফরয হবার আশঙ্কা করি। যদি তা তোমাদের উপর ফরয করা হয় তবে তোমরা তা আদায় করতে পারবে না। অতএব, হে মানুষেরা তোমরা তোমাদের গৃহেই তারাবীহর সালাত আদায় কর। কেননা কোন মানুষের ফরয সালাত ব্যতীত উত্তম সালাত হচ্ছে তার গৃহের সালাত। ।
(বুখারী ও মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(3) باب حجة من قال ان فعلها فى البيت أفضل
(1117) عن زيد بن ثابت رضي الله عنه أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم أتَّخذ حجرة فى المسجد من حصير فصلَّى فيها رسول الله صلى الله عليه وسلم ليالى حتَّى اجتمع إليه ناس ثمَّ فقدوا صوته فظنُّوا أنَّه قد نام فجعل بعضهم يتنحنح ليخرج إليهم، فقال ما زال بكم الذَّى رأيت من صنيعكم حتَّى خشيت أن يكتب عليكم ولو كتب عليكم ما قمتم به، فصلُّوا أيُّها النَّاس فى بيوتكم، فإنَّ أفضل
صلاة المرء فى بيته إلاَّ المكتوبة.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১১৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: যারা বলে যে তারাবীহর সালাত বিতর ব্যতীত আট রাকাত তাদের দলিল প্রসঙ্গে
(১১১৪) জাবির ইবন্ আব্দুল্লাহ্ থেকে বর্ণিত, তিনি উবাই ইবনু কা'ব (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, একদা এক ব্যক্তি রাসূল (সা)-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল (সা) আমি অদ্য রাত্রি কিছু আমল করেছি রাসূল (সা) বললেন, কি সেটা? তিনি বললেন, বাড়ীতে কয়েকজন স্ত্রীলোক আমাকে বলল, আপনি কুরআন পড়তে পারেন আমরা পড়তে পারি না। অতএব, আপনি আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করেন। অতঃপর আমি আট রাকাত তারাবীহর সালাত ও বিতর সালাত আদায় করলাম। রাবী বলেন, তখন নবী (সা) চুপ থাকলেন, রাবী বলেন, আমরা তাঁর চুপ থাকাকে সন্তুষ্টি মনে করলাম।
(মুসনাদে আহমাদ, তাবরানী কর্তৃক অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণিত হয়েছে, হাদীসটির সনদ হাসান।)
كتاب الصلاة
(4) باب حجة من قال انها ثمان ركعات غير الوتر
(1118) عن جابر بن عبد الله عن أبىِّ بن كعب رضي الله عنهم قال جاء رجل إلى النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله عملت اللَّيلة عملًا، قال ما هو؟ قال نسوة معى فى الدَّار قلن لى إنَّك تقرأ ولا نقرأ، فصلِّ بنا، فصلَّيت ثمانيًا والوتر قال فسكت النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم قال فرأينا أنَّ سكوته رضًا بما كان
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১১৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: যারা বলে যে তারাবীহর সালাত বিতর ব্যতীত আট রাকাত তাদের দলিল প্রসঙ্গে
(১১১৫) আবূ সালামা ইবন্ আবদুর রহমান ইবন আউ'ফ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রা)-কে রাসূল (সা)-এর রমযান মাসের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, রাসূল (সা) রমযান মাস অথবা অন্য মাসে এগার রাকা'আতের বেশী সালাত আদায় করতেন না, তিনি প্রথমত চার রাকা'আত সালাত আদায় করতেন এ সালাতের সৌন্দর্য ও দীর্ঘতা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করো না। অতঃপর তিনি আবারো চার রাকা'আত সালাত আদায় করতেন, উক্ত সালাতের সৌন্দর্যতা ও দীর্ঘতা সম্পর্কে জানতে চেও না। অতঃপর তিন রাকা'আত সালাত আদায় করতেন। আয়েশা (রা) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কি বিতরের পূর্বে ঘুমাবেন? তিনি বললেন হে আয়েশা, আমি কিংবা আমার চোখ ঘুমায় কিন্তু আমার অন্তর ঘুমায় না।
كتاب الصلاة
(4) باب حجة من قال انها ثمان ركعات غير الوتر
(1119) عن أبي سلمة بن عبد الرَّحمن بن عوف" قال سألت عائشة رضى الله عنها عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم فى رمضان فقالت ما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يزيد في رمضان ولا فى غيره على إحدى عشرة ركعةً، يصلِّى أربعًا فلا تسأل عن حسنهنَّ وطولهنَّ، ثمَّ يصلِّى أربعًا فلا تسأل عن حسنهنَّ وطولهنَّ، ثمَّ يصلِّى ثلاثًا، قالت قلت يا رسول الله تنام قبل أن توتر؟ قال يا عائشة إنَّه أو إنِّى تنام عيناى ولا ينام قلبى
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১২০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) অনুচ্ছেদ: যারা বলে যে তারাবীহর সালাত বিতর ব্যতীত আট রাকাত তাদের দলিল প্রসঙ্গে
(১১১৬) তাঁর (আবূ সালামা ইবন আব্দুর রাহমান ইবন আউফ) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রা)-কে বললাম, মা আপনি আমাকে রাসূল (সা)-এর সালাত সম্পর্কে বলুন, তিনি বললেন রমযান মাস ও অন্যান্য মাসে তিনি তের রাকাত সালাত আদায় করতেন, এর মধ্যে ফজরের দুই রাকাত সালাতও ছিল। আমি বললাম, আমাকে রাসূল (সা)-এর সিয়াম সম্পর্কে খবর দিন, তিনি বললেন, তিনি সিয়াম রাখতেন এমনকি আমরা বলতাম তিনি সিয়াম রাখছেন। আর তিনি সিয়াম ভাঙ্গতেন এমনকি আমরা বলতাম, তিনি সিয়াম ভেঙ্গেছেন। আমি শা'বান মাসের চাইতে অন্য কোন মাসে তাঁকে এত বেশী সিয়াম রাখতে দেখি নি। শা'বানে তিনি খুব অল্প কিছু দিন ব্যতীত বাকি দিনগুলো সিয়াম পালন করতেন।
(বুখারী ও মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(4) باب حجة من قال انها ثمان ركعات غير الوتر
(1120) وعنه أيضا قال قلت لعائشة رضي الله عنها أى أمه أخبرينى عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت كانت صلاته فى رمضان وغيره سواء ثلاث عشرة ركعة فيها ركعتا الفجر قلت فأخبرينى عن صيامه، قالت كان يصوم حتى نقول قد صام ويفطر حتى نقول قد أفطر وما رأيته صام
شهرا أكثر من صيامه فى شعبان كان يصومه إلا قليلا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১২১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দ্বিপ্রহরের সালাত সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ

(৫) অনুচ্ছেদ: দ্বিপ্রহরের সালাতের ফযীলত ও হুকুম প্রসঙ্গে
(১১১৭) আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল 'আস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) একদা এক সারিয়া প্রেরণ করলেন। উক্ত বাহিনী গনীমত লাভ করল এবং দ্রুত ফিরে এল। তখন জনগণ দ্রুত যুদ্ধ থেকে ফিরে আসা সম্পর্কে এবং অধিক পরিমাণ গনীমত লাভ সম্পর্কে বলাবলি করতে লাগল। তখন রাসূল (সা) বললেন, আমি কি তোমাদেরকে আরো বেশী লাভজনক বিষয় আরও অধিক গনীমত লাভ ও দ্রুত ফিরে আসা সম্পর্কে খবর দিব না। সেটি হল যে ওযু করে অতঃপর দ্বিপ্রহরে সালাতের জন্য মসজিদ অভিমুখী হয়। এটিই হচ্ছে বেশী লাভজনক অত্যাধিক গনীমত লাভ ও দ্রুত ফিরে আসার মতই।
(সারিয়া হল বিশেষ সৈন্য বাহিনী যাদেরকে শত্রু দমনের জন্য প্রেরণ করা হয়।)
(এ হাদীসের সনদে "ইবন লাহিয়া" আছেন যার ব্যাপারে কথা আছে। তবে তবারানী হাদীসটি অপর এক উত্তম সনদে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الضحى

(5) باب ما ورد فى فضلها وحكمها
(1121) عن عبد الله بن عمرو بن العاص رضى الله عنهما قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم سريةً فغنموا وأسرعوا الرَّجعة فتحدَّث النَّاس بقرب
مغزاهم وكثرة غنيمتهم وسرعة رجعتهم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ألا أدلُّكم على أقرب منه مغزًي وأكثر غنيمةً وأوشك رجعةً من توضَّأ ثمَّ غدا إلى المسجد لسبحة الضُّحى فهو أقرب مغزًى وأكثر غنيمةً وأوشك رجعةً
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১২২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দ্বিপ্রহরের সালাত সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ

(৫) অনুচ্ছেদ: দ্বিপ্রহরের সালাতের ফযীলত ও হুকুম প্রসঙ্গে
(১১১৮) আবূ হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, যে দ্বিপ্রহরের দু'রাকাত সালাত সংরক্ষণ করবে তার গুনাহরাশি মাফ করে দেওয়া হবে। যদিও তা সমুদ্রের ঢেউ এর মত বিশাল আকারের হোক না কেন।
(গুনাহরাশি বলতে এখানে সগীরা গুনাহ্ বুঝানো হয়েছে। কারণ কাবিরা গুনাহ মাফের জন্য তওবা করা পূর্বশর্ত।)
(ইবন মাজাহ ও তিরমিযীর সনদে একজন দুর্বল রাবী আছেন।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الضحى

(5) باب ما ورد فى فضلها وحكمها
(1122) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من حافظ على شفعة الضُّحي غفرت له ذنوبه وإن كانت مثل زبد البحر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১২৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দ্বিপ্রহরের সালাত সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ

(৫) অনুচ্ছেদ: দ্বিপ্রহরের সালাতের ফযীলত ও হুকুম প্রসঙ্গে
(১১১৯) তাঁর (আবূ হুরাইরা (রা) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার বন্ধু আমাকে তিনটি কাজের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রত্যেক মাসে তিনদিন সিয়ামব্রত পালন করা, দ্বিপ্রহরের পূর্বে সালাত আদায় করা এবং বিতরের সালাত আদায় না করে ঘুম না যাওয়া।
(বুখারী, মুসলিম ও চার সুনানে বর্ণিত।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الضحى

(5) باب ما ورد فى فضلها وحكمها
(1123) وعنه أيضًا قال أوصانى خليلى بثلاثٍ، صوم ثلاثة أيَّام من كلِّ شهر، وصلاة الضُّحى، ولا أنام إلا على وترٍ.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১২৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দ্বিপ্রহরের সালাত সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ

(৫) অনুচ্ছেদ: দ্বিপ্রহরের সালাতের ফযীলত ও হুকুম প্রসঙ্গে
(১১২০) উকবা ইবন আমির (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (সা)-এর সাথে তাবুক যুদ্ধে বের হলেন, একদা রাসূল (সা) তাঁর সাহাবীদের সাথে কথা বলতে বসলেন। এবং তিনি এরশাদ করলেন, যখন সূর্য একটু বেড়ে যাবে এমন সময় কেউ উঠে সুন্দর করে ওযু সম্পাদন করে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দু'রাকাত সালাত আদায় করবে তার সমস্ত পাপরাশি মার্জনা করা হবে। তার অবস্থা এমন হবে যেন সদ্য তার মা তাকে প্রসব করল।
(হাদীসটি হাইছামী ও আবু ইয়ালা স্ব স্ব গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের সনদে একজন রাবী আছেন যার পরিচয় জানা যায় না।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الضحى

(5) باب ما ورد فى فضلها وحكمها
(1124) عن عقبة بن عامر رضى الله عنه أنَّه خرج مع رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم فى غزوة تبوك فجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم يومًا يحدِّث أصحابه فقال، من قام إذا استقلَّت الشَّمس فتوضَّأ فأحسن الوضوء ثمَّ قام فصلى ركعتين غفر له خطاياه فكان كما ولدته أمُّه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১২৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দ্বিপ্রহরের সালাত সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ

(৫) অনুচ্ছেদ: দ্বিপ্রহরের সালাতের ফযীলত ও হুকুম প্রসঙ্গে
(১১২১) আবু দারদা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, হে আদম সন্তান! তোমরা দিনের প্রথম ভাগে চার রাকাত সালাত কখনও ছেড়ে দিও না। আমি তাকে তোমার দিনের শেষ ভাগের জন্যও যথেষ্ট করে দিব।
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الضحى

(5) باب ما ورد فى فضلها وحكمها
(1125) عن أبى الدَّرداء رضى الله عنه أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم قال إنَّ الله تعالى يقول يا بان آدم لا تعجزنَّ من الأربع ركعات من أوَّل نهارك أكفك آخره
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১২৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দ্বিপ্রহরের সালাত সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ

(৫) অনুচ্ছেদ: দ্বিপ্রহরের সালাতের ফযীলত ও হুকুম প্রসঙ্গে
(১১২২) নুয়াইম ইবন হাম্মার আলগাতফানী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তিনি রাসূল (সা)-কে বলতে শুনেছেন , তোমাদের রব বলেছেন। হে আদম সন্তান, তোমরা আমার উদ্দেশ্যে দিনের প্রথম ভাগে চার রাকাত সালাত আদায় কর, আমি তোমার দিনের শেষ ভাগের জন্যও যথেষ্ট করে দিব।
(হাদীসটি আবূ দাউদ, নাসায়ী ও দারেমীতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الضحى

(5) باب ما ورد فى فضلها وحكمها
(1126) عن نعيم بن همَّار (الغطفانىِّ) رضى الله عنه أنَّه سمع رسول الله صلَّي الله عليه وآله وسلَّم يقول قال ربُّكم عزَّ وجلَّ صلِّ لى يا ابن آدم أربعًا فى أوَّل النَّهار أكفك آخره
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১২৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দ্বিপ্রহরের সালাত সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ

(৫) অনুচ্ছেদ: দ্বিপ্রহরের সালাতের ফযীলত ও হুকুম প্রসঙ্গে
(১১২৩) আবু দারদা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার বন্ধু আবুল কাসিম (মুহাম্মদ সা) আমাকে তিনটি কাজের নির্দেশ দিয়েছেন, যে তিনটি কাজ যেন অন্য কোন কিছুর জন্য ছেড়ে না দিই। তিনি আমাকে প্রত্যেক মাসে তিনটি সিয়াম পালন করতে আদেশ করেছেন। বিতরের সালাত আদায় না করে ঘুম যেতে নিষেধ করেছেন এবং সফর ও একামত উভয় অবস্থায় যেন দ্বিপ্রহরের পূর্বে সালাত আদায় করি।
(মুসলিম, আবু দাউদ ও নাসায়ী।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الضحى

(5) باب ما ورد فى فضلها وحكمها
(1127) عن أبى الدَّرداء رضي الله عنه قال أوصانى خليلى أبو القاسم صلى الله عليه وسلم بثلاث لا أدعهنَّ لشئ وصانى بثلاثة أيام كم كلِّ شهر، وأن لا أنام إلاَّ على وتر وسبحة الضُّحى في الحضر والسَّفر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১২৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দ্বিপ্রহরের সালাত সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ

(৫) অনুচ্ছেদ: দ্বিপ্রহরের সালাতের ফযীলত ও হুকুম প্রসঙ্গে
(১১২৪) আবূ যার (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, তোমাদের প্রত্যেকের প্রতিটি গ্রন্থির উপর সাদাকা রয়েছে। প্রতিটি তাসবীহ সাদাকা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু বলা সাদাকা, আল্লাহু আকবার বলা সাদাকা, আলহামদু লিল্লাহ বলা সাদাকা, সৎকাজের আদেশ করা সাদাকা, অসৎ কাজে প্রতিরোধ করা সাদাকা, আর দ্বিপ্রহরের পূর্বে দু'রাকাত সালাত এ সকল সাদাকার সম্পূরক।
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الضحى

(5) باب ما ورد فى فضلها وحكمها
(1128) عن أبى ذرٍّ رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يصبح على كلِّ سلامى من أحدكم صدقة، وكلُّ تسبيحة صدقة وتهليلة صدقة وتكبيرة
صدقة وتحميدة صدقة وأمر بمعروف صدقة، ونهى عن المنكر صدقة، ويجزئ أحدكم من ذلك كلِّه ركعتان يركعهما من الضُّحى
হাদীস নং: ১১২৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ দ্বিপ্রহরের সালাত সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ

(৫) অনুচ্ছেদ: দ্বিপ্রহরের সালাতের ফযীলত ও হুকুম প্রসঙ্গে
(১১২৫) আব্দুল্লাহ্ ইবন আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত, তিনি নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি (নবী সা) বলেন, আমার উপরে কুরবানী করা ওয়াজিব করে দেয়া হয়েছে আর তা তোমাদের জন্য ওয়াজিব করা হয়নি। অনুরূপভাবে আমাকে দ্বিপ্রহরের পূর্বে দু'রাকাত সালাতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল আর তোমাদেরকে তার নির্দেশ দেওয়া হয়নি।
(উক্ত আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা) থেকে দ্বিতীয় সূত্রে বর্ণিত) তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, আমাকে দ্বিপ্রহরের পূর্বে দু'রাকাত এবং বিতরের সালাতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর তা তোমাদের জন্য ওয়াজিব করা হয় নি।
(তাবরানী, আবু ইয়ালা' বাজ্জারও মুস্তাদরাকে হাকেমে বর্ণিত। ইবনে হাজার বলেন, হাদীসের সবগুলো সনদই দুর্বল।)
كتاب الصلاة
أبواب صلاة الضحى

(5) باب ما ورد فى فضلها وحكمها
(1129) عن ابن عباس رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال كتب على النحر ولم يكتب عليكم، وأمرت بركعتى الضحى ولم تؤمروا بها وعنه من طريق ثان) قال قال رسول صلى الله عليه وسلم أمرت بركعتى الضحى وبالوتر ولم يكتب
tahqiq

তাহকীক: