মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ৭১১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) বিতরে কুনূত পাঠ এবং এর শব্দাবলি সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৭০৭) হাসান ইবন্ আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাকে কিছু শব্দাবলি শিখিয়েছেন, যা আমি বিতরের কুনূতে পাঠ করে থাকি। তা হল,
اللَّهُمَّ أَهْدِنِي فَيُمَنْ هَدَيْتَ وَعَافِنِي فَيُمَنْ عَافَيْتَ وَتَوَلَّنِي فِيمَنْ تَوَلَّيْتُ، وَبَارِكْ لِي فِيمَا أَعْطَيْتَ، وَقُنِي شَرِّمًا قَضَيْتَ فَإِنَّكَ تَقْضَى وَلَا يُقْضَى عَلَيْكَ إِنَّهُ لَا يَذِلُّ مَنْ وَالَيْت تَبَارَكْتَ رَبَّنَا وَتَعَالَيْتَ
হে আল্লাহ! আপনি আমাকে হিদায়াত দিন যাঁদেরকে হিদায়াত দিয়েছেন তাঁদের পথে, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, যাঁদেরকে ক্ষমা করেছেন তাঁদের মত, আপনি আমাকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করুন, যাঁদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেছেন তাঁদের মত, আপনি আমাকে যা দিয়েছেন তাতে বরকত দান করুন, আমার প্রতি আসা সকল অমঙ্গল থেকে আমাকে মুক্ত করুন, আপনিই সম্পাদনকারী। আপনার ওপর কর্তৃত্বকারী কেউ নেই, যে আপনাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে সে কখনও অপমানিত হয় না, আপনিই বরকতময় ও শ্রেষ্ঠ। হে আমাদের প্রভু!
(আবু দাউদ, তিরমিযী ও নাসাঈ (র) থেকে হাদীসটি সহীহ সনদে বর্ণিত, তিরমিযী (র) বলেন, হাদীসটি হাসান, রাসূল (ﷺ) থেকে এটাই কুনুতের উত্তম হাদীস।)
كتاب الصلاة
(5) باب القنوت فى الوتر وألفاظه
(711) عن الحسن بن على رضي الله عنهما قال علمنى رسول الله صلى الله عليه وسلم كلماتٍ أقولهنَّ فى قنوت الوتر، اللَّهمَّ اهدني فيمن هديت (1) وعافنى فيمن عافيت، وتولَّنى فيمن تولَّيت، وبارك لى فيما أعطيت، وقنى شرَّ ما قضيت (2) فإنَّك تقضى ولا يقضى عليك (3) إنَّه لا يذل (4) من واليت، تباركت ربَّنا وتعاليت (5)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭১২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অধ্যায়: তাশাহহুদ সংক্রান্ত

(১) পরিচ্ছেদ: তাশাহহুদের শব্দাবলী সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।

অনুচ্ছেদ: উক্ত বিষয়ে আব্দুল্লাহ্ ইবন মাস্উদ (রা) থেকে বর্ণিত হাদীসসমূহ
(৭০৮) আবদুল্লাহ্ ইবন মাস্উদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) আমাকে সালাতের মধ্যখানে এবং শেষে তাশাহহুদ পাঠ করার নিয়ম শিক্ষা দিয়েছেন। তাই আমরা আব্দুল্লাহ্ থেকে তা মুখস্ত করতাম, যখন তিনি আমাদের জানালেন যে, রাসুলুল্লাহ (সা) তাঁকে তা শিক্ষা দিয়েছেন। যখন তিনি সালাতের মধ্যখানে এবং শেষে তাঁর বাম উরুর উপরে বসতেন তখন বলতেন-
التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لا إِلهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ
সমস্ত (মৌখিক, দৈহিক ও আর্থিক) ইবাদত আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার প্রতি সালাম এবং আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক। সালাম আমাদের প্রতি এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের প্রতি। আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, আল্লাহ্ ব্যতীত আর কোন মা'বুদ নাই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই মুহাম্মদ (সা) আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।

তিনি (রাবী) বলেন, যদি তা সালাতের প্রথম তাশাহহুদ হত, তা হলে তিনি তাশাহহুদ শেষ করেই দাঁড়িয়ে যেতেন। আর যদি সালাতের শেষ তাশাহহুদ হত তাহলে তাঁর তাশাহহুদ শেষ হওয়ার পরেও সম্ভব অনুযায়ী দু'আ পাঠ করে সালাম ফিরাতেন।
(ইমাম হাইছামী মাজমাউয্ যাওয়াদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হাদীসটি সহীহ্ গ্রন্থে এর চেয়ে সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণিত হয়েছে। হাদীসটি আহমদও বর্ণনা করেছেন। তার রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
أبواب التشهد

(1) - باب ما ورد في ألفاظه

فصل فيما روي في ذلك عن عبد الله بن مسعود
(712) - عن عبد الرحمن بن الأسود بن يزيد النخعي عن أبيه عن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه قال: علمني رسول الله صلى الله عليه وسلم التشهد في وسط الصلاة وفي آخرها. فكنا نحفظ عن عبد الله حين أخبرنا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم علمه إياه، فكان يقول إذا جلس في وسط الصلاة وفي آخرها على وركه اليسرى: التحيات لله (1) والصلوات (2) والطيبات (3) السلام عليك أيها النبي ورحمة الله (1) وبركاته، السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين، أشهد أن لا إله إلا الله (2)، وأشهد أن محمدًا عبده (3) ورسوله، قال: ثم إن كان في وسط الصلاة (4) نهض حين يفرغ من تشهده، وإن كان في آخرها دعا بعد تشهده (5) بما شاء الله أن يدعو ثم يسلم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭১৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অধ্যায়: তাশাহহুদ সংক্রান্ত

(১) পরিচ্ছেদ: তাশাহহুদের শব্দাবলী সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।

অনুচ্ছেদ: উক্ত বিষয়ে আব্দুল্লাহ্ ইবন মাস্উদ (রা) থেকে বর্ণিত হাদীসসমূহ
(৭০৯) কাসিম ইবন্ মুখাইমিরা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আলকামা আমার হাত ধরে বর্ণনা করেছেন যে, আবদুল্লাহ্ ইবন্ মাস্উদ তাঁর হাত ধরে বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা) আবদুল্লাহর হাত ধরে তাঁকে সালাতের তাশাহহুদ শিক্ষা দিয়েছেন এবং বলেছেন যে, তুমি التَّحِيَّاتُ لِله থেকে وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدهُ وَرَسُولُهُ পর্যন্ত (পূর্বের হাদীসের অনুরূপ) পাঠ করবে।
অতঃপর বলেছেন: যখন তুমি তা শেষ করবে বা এই কাজ করবে, তখন তোমার সালাত শেষ হবে। তখন তুমি দাঁড়ানোর ইচ্ছা করলে দাঁড়াতে পারবে এবং বসে থাকতে চাইলে তাও পারবে।
(আবূ দাউদ, দারাকুতনী, বাইহাকী, ইবন হাব্বান। হাইছামী বলেন। আহমদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
أبواب التشهد

(1) - باب ما ورد في ألفاظه

فصل فيما روي في ذلك عن عبد الله بن مسعود
(713) - عن القاسم بن مخيمرة قال: أخذ علقمة بيدي وحدثني أن عبد الله بن مسعود أخذ بيده وأن رسول الله صلى الله عليه وسلم أخذ بيد عبد الله فعلمه التشهد في الصلاة، فقال: قل التحيات لله (كما تقدم (2) إلى قوله «وأن محمدًا عبده ورسوله») قال: فإذا قضيت هذا (3) أو قال: فإذا فعلت هذا فقد قضيت صلاتك، إن شئت أن تقوم فقم، وإن شئت أن تقعد فاقعد.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭১৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অধ্যায়: তাশাহহুদ সংক্রান্ত

(১) পরিচ্ছেদ: তাশাহহুদের শব্দাবলী সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।

অনুচ্ছেদ: উক্ত বিষয়ে আব্দুল্লাহ্ ইবন মাস্উদ (রা) থেকে বর্ণিত হাদীসসমূহ
(৭১০) আব্দুল্লাহ্ ইবন্ মাস্উদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নিশ্চয়ই মুহাম্মদ (সা) মঙ্গলের (সালাতের) প্রারম্ভ, সমষ্টি ও সমাপ্তির শিক্ষা দান করেছেন। (অন্য রেওয়ায়াতে অতিরিক্ত আছে যে, সালাতের ভেতরে আমাদের যা পড়া প্রয়োজন (রাসূল (সা) আমাদেরকে শিক্ষা না দেয়া পর্যন্ত আমরা জানতাম না।) অতঃপর তিনি বলেছেন, তোমরা প্রতি দু'রাক'আতে যখন বসবে, 'তখন বলবে ٖالتَّحِيَّاتُ لِلّٰه (পূর্বের বর্ণনা অনুসারে عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ পর্যন্ত উল্লেখ করেন।) তিনি বলেন: তারপর তোমাদের যার যে দু'আ ভাল লাগে, সে দু'আ (পড়ার জন্য) গ্রহণ করবে। অতঃপর আল্লাহ্ তা'আলার নিকট দু'আ করবে।
(নাসায়ী, হাউসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
أبواب التشهد

(1) - باب ما ورد في ألفاظه

فصل فيما روي في ذلك عن عبد الله بن مسعود
(714) - عن أبي الأحوص عن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه أنه قال: إن محمدًا صلى الله عليه وسلم علم (1) فواتح الخير وجوامعه وخواتمه. (زاد في رواية «وإنا كنا لا ندري ما نقوله في صلاتنا حتى علمنا») فقال: إذا قعدتم في كل ركعتين فقولوا: التحيات لله (فذكر مثل ما تقدم إلى قوله «عبده ورسوله») قال: ثم ليتخير أحدكم من الدعاء أعجبه إليه (2) فليدع ربه عز وجل (3)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭১৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অধ্যায়: তাশাহহুদ সংক্রান্ত

(১) পরিচ্ছেদ: তাশাহহুদের শব্দাবলী সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।

অনুচ্ছেদ: উক্ত বিষয়ে আব্দুল্লাহ্ ইবন মাস্উদ (রা) থেকে বর্ণিত হাদীসসমূহ
(৭১১) আব্দুল্লাহ্ ইবন্ মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) তাঁকে তাশাহহুদ শিক্ষা দিয়েছেন এবং মানুষদেরকে তা শিক্ষা দানের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। আর তা নিম্নরূপ-

التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللّٰهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لا إِلهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

সমস্ত (মৌখিক, দৈহিক ও আর্থিক) ইবাদত আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার প্রতি সালাম এবং আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক। সালাম আমাদের প্রতি এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের প্রতি। আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, আল্লাহ্ ব্যতীত আর কোন মা'বুদ নাই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই মুহাম্মদ (সা) আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।

(টীকা: এ হাদীসের সনদে আবূ উবায়দাহ্ ইবন্ আবদুল্লাহ্ রয়েছেন, তাঁর সম্পর্কে হাফেয ইবন্ হাজার বলেন যে, তিনি তাঁর পিতার নিকট হতে তা শুনেন নাই। তাই ইমাম বুখারী ও মুসলিম আব্দুল্লাহ্ ইবন্ মাস্উদ থেকে অনুরূপ হাদীস আবূ উবায়দার মাধ্যম ব্যতিরেকে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
أبواب التشهد

(1) - باب ما ورد في ألفاظه

فصل فيما روي في ذلك عن عبد الله بن مسعود
(715) عن أبي عبيدة بن عبد الله عن عبد الله (بن مسعود رضي الله عنه) قال: علمه رسول الله صلى الله عليه وسلم التشهد وأمره أن يعلم الناس: التحيات لله والصلوات والطيبات، السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته، السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين، أشهد أن لا إله إلا الله، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭১৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অধ্যায়: তাশাহহুদ সংক্রান্ত

(১) পরিচ্ছেদ: তাশাহহুদের শব্দাবলী সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।

অনুচ্ছেদ: উক্ত বিষয়ে আব্দুল্লাহ্ ইবন মাস্উদ (রা) থেকে বর্ণিত হাদীসসমূহ
(৭১২) আব্দুল্লাহ্ ইবন্ মাস্উদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সা) আমাকে তাশাহ্হুদ শিক্ষা দিয়েছেন আমার হাত তাঁর হাতের মধ্যে রেখে, যেমনিভাবে তিনি আমাকে কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন। তিনি বলেছেন:
التَّحِيَّاتُ لِلّٰهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لا إِلهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ
অর্থাৎ সমস্ত (মৌখিক, দৈহিক ও আর্থিক) ইবাদত আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার প্রতি সালাম এবং আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক, সালাম আমাদের প্রতি এবং আল্লাহ্‌র নেক বান্দাদের প্রতি। আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, আল্লাহ ব্যতীত আর কোন মাবুদ নাই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সা) আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। তাঁর জীবদ্দশায় اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ বলতাম আর মৃত্যুর পর السَّلامُ عَلَى النَّبِي বলতাম।
(বুখারী ও মুসলিম।)
كتاب الصلاة
أبواب التشهد

(1) - باب ما ورد في ألفاظه

فصل فيما روي في ذلك عن عبد الله بن مسعود
(716) عن عبد الله بن سخبرة أبي معمر قال سمعت عبد الله بن مسعود رضي الله عنه قال: علمني رسول الله صلى الله عليه وسلم التشهد كفي بين كفيه كما يعلمني السورة من القرآن، قال: التحيات لله، والصلوات والطيبات، السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته، السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين، أشهد أن لا إله إلا الله، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله. وهو بين ظهرانينا (1) فلما قبض قلنا: السلام على النبي.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭১৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অধ্যায়: তাশাহহুদ সংক্রান্ত

(১) পরিচ্ছেদ: তাশাহহুদের শব্দাবলী সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।

অনুচ্ছেদ: উক্ত বিষয়ে আব্দুল্লাহ্ ইবন মাস্উদ (রা) থেকে বর্ণিত হাদীসসমূহ
(৭১৩) আবদুল্লাহ ইবন্ মাসউদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর সাথে সালাতে যখন বসতাম তখন বলতাম السلام على الله من عباده السلام على فلان وفلان (অর্থাৎ বান্দার পক্ষ হতে আল্লাহর বান্দার প্রতি সালাম, সালাম অমুকের প্রতি, সালাম অমুকের প্রতি) রাসূলুল্লাহ (সা) আমাদের বললেন, তোমর আসসালামু আলাল্লাহ বলো না। কেননা আল্লাহ্ তা'আলাই সালাম। বরং তোমাদের কেউ যখন সালাতে বসবে তখন সে যেন বলে-
التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لا إِلهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

অর্থাৎ সমস্ত (মৌখিক, দৈহিক ও আর্থিক) ইবাদত আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার প্রতি সালাম, এবং আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক। সালাম আমাদের প্রতি এবং আমাদের নেক বান্দাদের প্রতি।
(কেননা) তোমরা যখন তা বলবে তখন আসমান ও যমীনের মধ্যের সকল নেক বান্দার কাছে তা পৌঁছে যাবে। (এরপর বলবে) أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ وَاشْهَدَ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولَهُ (অর্থাৎ আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, আল্লাহ্ ব্যতীত আর কোন মাবুদ নাই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সা) আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।)
তারপর তোমাদের যার যে, দু'আ ভাল লাগে সে দু'আ (পড়ার জন্য) গ্রহণ করবে। অতঃপর আল্লাহ্ তা'আলার নিকট দু'আ করবে।

(আব্দুল্লাহ্ ইবন মাসউদ (রা) থেকে অন্য সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে) তাতে আরও আছে যে, আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর সাথে সালাতে যখন বসতাম তখন আমরা বলতাম।
السَّلَامُ عَلَى اللهِ قَبْلَ عِبَادِهِ، السَّلامُ عَلَى جِبْرِيلَ السَّلامُ عَلَى مِيْكَائِيلَ السَّلَامُ عَلَى فَلَانٍ
(অর্থাৎ বান্দার পূর্বে আল্লাহর উপর সালাম, জিব্রাঈলের উপর সালাম। মিকাঈলের উপর সালাম, অমুকের উপর সালাম।) বাকি হাদীস পূর্বানুরূপ)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
أبواب التشهد

(1) - باب ما ورد في ألفاظه

فصل فيما روي في ذلك عن عبد الله بن مسعود
(717) عن عبد الله (بن مسعود) رضي الله عنه قال: كنا إذا جلسنا مع رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم في الصلاة (1) قلنا: السلام على الله من عباده (2) السلام على فلان وفلان (3) فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا تقولوا السلام على الله، فإن الله هو السلام (4)، ولكن إذا جلس أحدكم فليقل: التحيات لله، والصلوات والطيبات، السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته، السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين (5)، فإنكم إذا قلتم ذلك أصابت كل عبد صالح بين السماء والأرض (6)، أشهد أن لا إله إلا الله، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله، ثم ليتخير أحدكم من الدعاء أعجبه إليه فليدع به.
(وعنه من طريق ثان بنحوه) (7) وفيه : كنا إذا جلسنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في الصلاة قلنا: السلام على الله قبل (1) عباده، السلام على جبريل، السلام على ميكائيل، السلام على فلان (الحديث كما تقدم)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭১৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ : উক্ত বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবন্ আব্বাস ও আবু মূসা আল আশ'আরী (রা) থেকে বর্ণিত হাদীসসমূহ
(৭১৪) আব্দুল্লাহ ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) আমাদের তাশাহ্হুদ শিক্ষা দিতেন, যেভাবে আমাদের কুরআন শিখাতেন। তিনি বলতেন হুজাইন (একজন রাবী) বলেন-

التَّحِيَّاتُ الْمُبَارَكَاتُ الصَّلَوَاتُ الطَّيِّبَاتُ لِلهِ السَّلامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ، سَلَامٌ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللّٰهِ الصَّالِحِيْنَ وَأَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ الله

(মুসলিম, আবূ দাউদ, তিরমিযী ও নাসায়ী ।)
كتاب الصلاة
فصل فيما روي في ذلك عن ابن عباس وأبي موسى الأشعري رضي الله عنهم
(718) - عن ابن عباس رضي الله عنهما قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعلمنا التشهد كما يعلمنا القرآن، فكان يقول: التحيات المباركات الصلوات الطيبات لله (2) السلام عليك. قال حُجين: سلام عليك (3) أيها النبي ورحمة الله وبركاته، سلام علينا وعلى عباد الله الصالحين، وأشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدًا رسول الله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭১৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ : উক্ত বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবন্ আব্বাস ও আবু মূসা আল আশ'আরী (রা) থেকে বর্ণিত হাদীসসমূহ
(৭১৫) আবূ মূসা আল-আশ'আরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী করীম (সা) থেকে বর্ণিত একটি হাদীসে উল্লেখ করেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা) তাঁদের (সাহাবীদের)-কে সালাত শিক্ষা দিতেন। (বর্ণনার এক পর্যায়ে বলেন) যখন তোমরা (সালাতে) বসবে তখন তোমাদের কারো প্রথম কথা যেন এই হয়:
التَّحِيَّاتُ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ لِلَّهِ، السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللّٰه وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللهِ الصَّالِحِينَ، أشْهَدُ أن لآ إلٰهَ إلَّا اللّٰهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدهُ وَرَسُولُهُ
সমস্ত পবিত্র (মৌখিক, দৈহিকও আর্থিক) ইবাদত আল্লাহ্‌র জন্য। হে নবী! আপনার প্রতি সালাম এবং আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক। সালাম আমাদের প্রতি এবং আল্লাহর নেককার বান্দাদের উপর। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ব্যতীত আর কোন মাবুদ নাই এবং আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সা) আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।
(মুসলিম ও আবূ দাউদ হাদীসটির বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী ইবন্ মাজাহ্ দারাকুতনী, ও ইমাম তাহাবী সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
فصل فيما روي في ذلك عن ابن عباس وأبي موسى الأشعري رضي الله عنهم
(719) - عن أبي موسى الأشعري رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم في حديث ذكر فيه أن النبي صلى الله عليه وسلم علمهم الصلاة (إلى أن قال): فإذا كان عند القعدة فليكن من أول قول أحدكم أن يقول: التحيات الطيبات الصلوات لله، السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته، السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين، أشهد أن لا إله إلا الله، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭২০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: তাশাহহুদের জন্য বসার অবস্থা এবং তর্জনী (আঙ্গুল) দ্বারা ইঙ্গিত করা প্রসঙ্গে
(৭১৬) ইবন ইসহাক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইমরান ইবন আবী আসান আমার নিকট রাসূল (সা)-এর সালাতের মধ্যে ও শেষ বৈঠকে বাম উরু বিছিয়ে দিয়ে তার উপরে বসার, বাম হাত বাম উরুর উপরে রাখার, ডান পা খাড়া করে রাখার, ডান হাত ডান উরুর উপরে রাখার, ডান পা খাড়া করে রাখার, ডান হাত ডান উরুর উপরে রাখার। আর তর্জনী (অঙ্গুলী) খাড়া করে তার দ্বারা আল্লাহর একত্বতা প্রকাশ করার বর্ণনা দেন। আবদুল্লাহ ইবন হারিছের আযাদকৃত গোলাম আবুল কাসিম তথা মিকসান হতে বর্ণনা করে ইমরান ইবন আনাস আমাকে বলেছেন, তিনি আমির ইবন লুআই-এর ভাই এবং সত্যবাদী, তিনি বলেন, আমাকে এক ব্যক্তি বলেন যে, আমি বনী গিফারের মসজিদে সালাত আদায় করেছিলাম। যখন আমি সালাতের মধ্যে বসেছিলাম। তখন আমার বাম উরু বিছিয়ে দিয়েছিলাম এবং তর্জনী অঙ্গুলী খাড়া করে রেখেছিলাম তখন এমতাবস্থায় খুফাফ ইবন ইমা আল গিফারী যিনি রাসূলুল্লাহ (সা)-এর সুহবাত পেয়েছেন, আমাকে এরূপ করতে দেখেন এবং আমি সালাত শেষ করলে তিনি বলেন, হে বৎস! তোমার অঙ্গুলীকে এভাবে খাড়া করেছিলে কেন? তিনি বলেন দ্বিধাহীনভাবে কোন পরিবর্তন ব্যতীরেকে সাহসের জবাবে বলল, আমি লোকদেরকে এরূপ করতে দেখেছি। তখন তিনি বললেন, তুমি ঠিক করেছ। কেননা রাসূল (সা) সালাতে এরূপ করতেন। তখন মুশরিকগণ বলতে থাকল যে, রাসূলুল্লাহ তাঁর আঙ্গুল দ্বারা এরূপ করে যাদু করছেন। তারা তা মিথ্যা বলেছে। আসলে রাসূলুল্লাহ্ (সা) এরূপ করে তাঁর প্রভুর একত্বতা প্রকাশ করতেন।
(টীকা: বাইহাকী। এ হাদীসের সনদে একজন অজ্ঞাত লোক আছেন, তবে হাদীসটি তবারানীও আল কাবীরে বর্ণনা করেছেন। হাইছামী বলেন, তার রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
2 - باب هيئة الجلوس للتشهد والإشارة بالسبابة وغير ذلك
(720) - عن ابن إسحاق قال حدثني عن افتراش رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم فخذه اليسرى في وسط الصلاة وفي آخرها وقعوده على وركه اليسرى ووضعه يده اليسرى على فخذه اليسرى ونصبه قدمه اليمنى ووضعه يده اليمنى على فخذه اليمنى ونصبه إصبعه السبابة يوحد بها ربه عز وجل عمرانُ (1) بن أبي أنس أخو بني عامر بن لؤي وكان ثقة عن أبي القاسم مقسم مولى عبد الله بن الحارث بن نوفل، قال: حدثني رجل من أهل المدينة قال: صليت في مسجد بني غفار، فلما جلست في صلاتي افترشت فخذي اليسرى ونصبت السبابة، قال: فرآني خُفاف بن إيماء (2) رحضة الغفاري، وكانت له صحبة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا أصنع ذلك، قال: فلما انصرفت من صلاتي قال لي: أي بني لم نصبت إصبعك هكذا؟ قال: وما تنكر (3) رأيت الناس يصنعون ذلك. قال: فإنك أصبت، إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا صلى يصنع ذلك، فكان المشركون يقولون: إنما يصنع هذا محمد بإصبعه يسحر بها (4) وكذبوا، إنما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع ذلك يوحد بها ربه عز وجل (5)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭২১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: তাশাহহুদের জন্য বসার অবস্থা এবং তর্জনী (আঙ্গুল) দ্বারা ইঙ্গিত করা প্রসঙ্গে
(৭১৭) আবুয যুবাইর থেকে বর্ণিত, তিনি তাউসকে বলতে শুনেছেন যে, আমরা ইবন আব্বাসকে দু'পায়ের উপরে ভর দিয়ে বসা সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি উত্তরে বলেছিলেন, তা সুন্নাত। আমরা তাঁকে বললাম, আমাদের মনে হয় তা মানুষের পক্ষে কঠিন। তখন আবদুল্লাহ্ ইবন্ আব্বাস বললেন, আপনার নবীর সুন্নত।

তাঁর (আবুয যুবাইর) থেকে অন্য সূত্রে তাউস থেকেই বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবন্ আব্বাসকে তাঁর দু'পায়ের সম্মুখভাগের উপর ভর করে বসতে দেখেছি। তখন আমি তাঁকে বলেছি যে, মানুষ এটাকে কঠিন মনে করে, তখন তিনি বললেন যে, তাই আপনার নবীর সুন্নত।
(মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী।)
كتاب الصلاة
2 - باب هيئة الجلوس للتشهد والإشارة بالسبابة وغير ذلك
(721) - عن أبي الزبير أنه سمع طاوسًا يقول: قلنا لابن عباس في الإقعاء (1) على القدمين. فقال: هي السنة. قال: فقلنا: إنا لنراه جفاءً (2) بالجرل. فقال ابن عباس: هي سنة نبيك صلى الله عليه وسلم. وعنه من طريق ثان (3) عن طاوس أيضًا قال: رأيت ابن عباس يحبو على صدور قدميه، فقلت: هذا يزعم الناس أنه من الجفاء. قال: هو سنة نبيك صلى الله عليه وسلم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭২২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: তাশাহহুদের জন্য বসার অবস্থা এবং তর্জনী (আঙ্গুল) দ্বারা ইঙ্গিত করা প্রসঙ্গে
(৭১৮) আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ (সা)-এর সালাতের বিবরণ দিতে গিয়ে বলেন, তিনি প্রতি দু‘রাকা‘তে ( التَّحِيَّاتُ ) ‘‘আততাহিয়্যাতু” পাঠ করতেন। হিংস্র প্রাণীর মত উভয় বাহু (সিজদায়) বিছিয়ে দেয়া পছন্দ করতেন না। আর তিনি বসার সময় বাম পা বিছিয়ে দিতেন এবং ডান পা খাড়া করে রাখতেন। শয়তানের পশ্চাৎবর্তী হওয়া থেকে বারণ করতেন। আর সালামের মাধ্যমে সালাত শেষ করতেন।
(মুসলিম, আবু দাউদ, ইবন মাজাহ্)
كتاب الصلاة
2 - باب هيئة الجلوس للتشهد والإشارة بالسبابة وغير ذلك
(722) - عن عائشة رضي الله عنها في صفة صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت: وكان يقول في كل ركعتين التحية، وكان يكره أن يفترش ذراعيه افتراش السبع، وكان يفرش رجله اليسرى وينصب رجله اليمنى، وكان ينهى عن عقب الشيطان، وكان يختم الصلاة بالتسليم.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭২৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: তাশাহহুদের জন্য বসার অবস্থা এবং তর্জনী (আঙ্গুল) দ্বারা ইঙ্গিত করা প্রসঙ্গে
(৭১৯) ওয়াইল ইবন্ হুজর আল হাদরামী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ (সা)-এর সালাতের বর্ণনা করে বলেন, তিনি (রাসূল (সা) বসলেন এবং তাঁর বাম পা বিছিয়ে দিলেন ও তাঁর বাম হাত তাঁর উরু ও বাম হাঁটুর উপর রাখলেন। আর তাঁর ডান উরুর উপর ডান কনুই খাড়া রাখলেন। তারপর তাঁর সকল আঙ্গুলী বন্ধ রেখে (দুটি দ্বারা) গোলাকার বৃত্ত বানালেন।
(অন্য রেওয়ায়াতে আছে, মধ্যমা ও বৃদ্ধাঙ্গুলী দ্বারা গোলাকার বৃত্ত বানালেন। এবং তর্জনী দ্বারা ইশারা করলেন।) অতঃপর তাঁর একটি অঙ্গুলী উঠালেন। আমি দেখলাম যে, তিনি সে অঙ্গুলী নাড়িয়ে দু'আ করছেন।
(আবু দাউদ, নাসায়ী, ইবন মাজাহ,বাইহাকী ইত্যাদি। হাদীসটির সনদ সহীহ)
كتاب الصلاة
2 - باب هيئة الجلوس للتشهد والإشارة بالسبابة وغير ذلك
(723) - عن وائل بن حجر الحضرمي رضي الله عنه يصف صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ثم قعد فافترش رجله اليسرى فوضع كفه اليسرى على فخذه وركبته اليسرى، وجعل حد مرفقه الأيمن على فخذه اليمنى، ثم قبض بين أصابعه فحلق حلقة (وفي رواية: حلق بالوسطى والإبهام وأشار بالسبابة) ثم رفع إصبعه فرأيته يحركها يدعو بها.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭২৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: তাশাহহুদের জন্য বসার অবস্থা এবং তর্জনী (আঙ্গুল) দ্বারা ইঙ্গিত করা প্রসঙ্গে
(৭২০) শু'বা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবূ ইসহাককে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি বনী তামীমের এক বাক্তিকে বলতে শুনেছেন যে, তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ্ ইবন্ আব্বাসকে সালাতের মধ্যে অঙ্গুলীকে এরূপ ব্যবহার করা সম্পর্কে প্রশ্ন করেছি। তার উত্তরে তিনি বলেছেন, তা হল ইখলাস। (একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি)
(বাইহাকী তাঁর সুনানে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। মুসনাদে আহমদের এ হাদীসের সনদে এক অজ্ঞাত রাবী আছেন। বাইহাকী তাঁর নাম উল্লেখ করেছেন, আর নাসায়ী তিনি নির্ভরযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন। আহমদ ইবন আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, হাদীসের বাকি রাবীগণও নির্ভরযোগ্য কাজেই হাদীসটি গ্রহণ করা যায়।)
كتاب الصلاة
2 - باب هيئة الجلوس للتشهد والإشارة بالسبابة وغير ذلك
(724) - عن شعبة قال: سمعت أبا إسحاق يحدث أنه سمع رسجلاً من بني تميم قال: سألت ابن عباس عن قول الرجل بإصبعه يعني هكذا في الصلاة قال: ذاك الإخلاص.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭২৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: তাশাহহুদের জন্য বসার অবস্থা এবং তর্জনী (আঙ্গুল) দ্বারা ইঙ্গিত করা প্রসঙ্গে
(৭২১) নাফি' (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ্ ইবন উমর (রা) যখন সালাতে বসতেন, তখন তাঁর উভয় হাত উভয় হাঁটুর উপর রাখতেন। এবং (তর্জনী) অঙ্গুলী দ্বারা ইশারা করতেন এবং তার দৃষ্টি তা অনুসরণ করতো। অতঃপর তিনি বললেন: আল্লাহর রসূল (আল্লাহ তাঁর উপর বরকত বর্ষণ করুন) বলেন: এটা শয়তানের জন্য লোহার (মারের) চেয়েও কঠিন।
(ইমাম হাইছামী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি আরও বলেন, হাদীসটি বাযযার ও আহমদও বর্ণনা করেছেন। তাতে একজন রাবী আছেন, তাকে কেউ নির্ভরযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন আর কেউ কেউ নির্ভরযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন।।
كتاب الصلاة
2 - باب هيئة الجلوس للتشهد والإشارة بالسبابة وغير ذلك
(725) - عن نافع قال: كان عبد الله بن عمر رضي الله عنهما إذا جلس في الصلاة وضع يديه على ركبتيه، وأشار بإصبعه وأتبعها بصره، ثم قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لهي أشد على الشيطان من الحديد. (1) يعني السبابة.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭২৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: তাশাহহুদের জন্য বসার অবস্থা এবং তর্জনী (আঙ্গুল) দ্বারা ইঙ্গিত করা প্রসঙ্গে
(৭২২) আমির ইবন আবদুল্লাহ ইবন যুবাইর তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করে বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) যখন তাশাহ্হুদ এর জন্য বসতেন, তখন তাঁর ডান হাত ডান উরুর উপরে রাখতেন এবংবাম হাত বাম উরুর উপরে রাখতেন, আর র্তজনী দ্বারা ইশারা করতেন এবং তাঁর দৃষ্টি তাঁর ইশারা অতিক্রম করত না।
(মুসলিম,নাসায়ী, বাইহাকী।)
كتاب الصلاة
2 - باب هيئة الجلوس للتشهد والإشارة بالسبابة وغير ذلك
(726) عن عامر بن عبد الله بن الزبير عن أبيه رضي الله عنه قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا جلس في التشهد وضع يده اليمنى على فخذه اليمنى ويده اليسرى على فخذه اليسرى وأشار بالسبابة ولم يجاوز بصره إشارته
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭২৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: তাশাহহুদের জন্য বসার অবস্থা এবং তর্জনী (আঙ্গুল) দ্বারা ইঙ্গিত করা প্রসঙ্গে
(৭২৩) আলী ইবন আবদুর রহমান আল মুয়াবী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রা) আমাকে দেখলেন যে, আমি সালাতে পাথরের কণা নিয়ে খেলা করছি। যখন তিনি সালাম ফিরালেন, তখন আমাকে এরূপ করতে নিষেধ করলেন, আর বলবেন, তুমি সেরূপই করবে যেরূপ রাসূলুল্লাহ (সা) করতেন, আমি বললাম, রাসূল (সা) কিরূপ করতেন? তিনি বললেন, যখন তিনি সালাতে বসতেন তখন তাঁর ডান হাত ডান উরুর উপরে রাখতেন। আর তাঁর সমস্ত অঙ্গুলী বন্ধ করে দিতেন, এবং বৃদ্ধাঙ্গুলীর সংলগ্ন অঙ্গুলী (তর্জনী) দ্বারা ইশারা করতেন, আর তাঁর বাম হাত তার বাম উরুর উপরে রাখতেন।
দ্বিতীয় এক সূত্রে আবদুল্লাহ্ ইবন উমর থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সা) যখন সালাতে বসতেন। তখন তাঁর উভয় হাত উভয় হাঁটুর উপরে রাখতেন এবং ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলির সংলগ্ন অঙ্গুলী (তর্জনী) উপরে উঠাতেন ও তা দ্বারা ইশারা করতেন। আর তখন তার বাম হাত হাঁটুর উপরে বিছানো থাকত।
(মুসলিম, নাসায়ী, তবারানী।)
كتاب الصلاة
2 - باب هيئة الجلوس للتشهد والإشارة بالسبابة وغير ذلك
(727) عن علي بن عبد الرحمن المعاوي أنه قال: رآني عبد الله بن عمر وأنا أعبث بالحصي في الصلاة، فلما انصرف نهاني، وقال: اصنع كما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع، قلت: وكيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع؟ قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا جلس في الصلاة وضع كفه اليمنى على فخذه اليمنى وقبض أصابعه كلها وأشار بإصبعه التي تلي الإبهام ووضع كفيه اليسرى على فخذه اليسرى ومن طريق ثان (1) عن نافع عن ابن عمر رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا جلس وضع يديه على ركبتيه ورفع إصبعه اليمنى التي تلي الإبهام فدعا بها (2) ويده اليسرى على ركبتيه باسطها عليها.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭২৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: তাশাহহুদের জন্য বসার অবস্থা এবং তর্জনী (আঙ্গুল) দ্বারা ইঙ্গিত করা প্রসঙ্গে
(৭২৪) আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সা) এক ব্যক্তিকে সালাতে তার হাত ফেলে তার উপর ভর করতে দেখে বললেন এরূপ বস না। যাদেরকে আযাব দেয়া হবে তাদেরকে এভাবে বসানো হবে।
তাঁর (আবদুল্লাহ ইবন উমর) থেকেই অন্য সূত্রে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা) সালাতে কাউকে তার দু'হাতের উপর ভর করে বসতে নিষেধ করেছেন।
(আবু দাউদ, বায়হাকী। হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
2 - باب هيئة الجلوس للتشهد والإشارة بالسبابة وغير ذلك
(728) عن ابن عمر رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى رجلاً ساقطًا يده في الصلاة (3) فقال: لا تجلس هكذا، إنما هذه جلسة الذين يعذبون. وعنه من طريق ثان (4) قال: نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يجلس الرجل في الصلاة وهو يعتمد على يديه.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭২৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদ: তাশাহহুদের জন্য বসার অবস্থা এবং তর্জনী (আঙ্গুল) দ্বারা ইঙ্গিত করা প্রসঙ্গে
(৭২৫) আবু উবায়দাহ্ তাঁর পিতা (অর্থাৎ আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুল (সা) (প্রথম) দু'রাক'আতের পর এমন অবস্থায় উপনীত হতেন, যেন তিনি গরম পাথরের উপর রয়েছেন। রাবী বলেন, আমি (আবদুল্লাহ ইবন মাসউদকে) জিজ্ঞসা করলাম, বৈঠক থেকে উঠা পর্যন্ত। তিনি বললেন, হ্যা।
তাঁর (আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ) থেকে অন্য সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, প্রথম দু'রাক'আতের বৈঠকে রাসূল (সা)-কে মনে হত যেন গরম পাথরের উপরে বসেছেন।
(বাইহাকী, ইমাম শাফেয়ী, আবু দাউদ, তিরমিনী, নাসাটি, ইকা মাজাহ।)
كتاب الصلاة
2 - باب هيئة الجلوس للتشهد والإشارة بالسبابة وغير ذلك
(729) عن أبي عبيدة عن أبيه (يعني عبد الله بن مسعود) أن النبي صلى الله عليه وسلم كان في الركعتين كأنه على الرضف (1) قلت: حتى يقوم. قال: حتى يقوم. وعنه من طريق ثان (2) قال: كأنما كان جلوس رسول الله صلى الله عليه وسلم في الركعتين على الرضف.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭৩০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ শেষ তাশাহহুদের পর নবী করীম (সা) ও তাঁর পরিজনদের উপর দরূদ পাঠ প্রসঙ্গে বর্ণিত হাদীসসমূহ
(৭২৬) আবূ মাসউদ উকবাহ ইবন আমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাদের উপস্থিতিতে এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সা)-এর নিকট এসে তাঁর সম্মুখে বসলেন এবং বললেন, হে রাসূল! আপনার উপর সালাম (পাঠের নিয়াম) আমরা জেনেছি। তবে সালাতের মধ্যে যদি দুরূদ পাঠ করতে চাই তাহলে কিভাবে আপনার উপর দুরূদ পাঠ করবো? (আল্লাহ আপনার উপর মেহেরবানী করুন।) রাসূলুল্লাহ (সা) একথা শুনে চুপ রইলেন। এমন কি আমরা আক্ষেপ করতে লাগলাম যে, লোকটি যদি তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস না করতো। (তাহলে খুবই ভাল হত) । এরপর রাসূলুল্লাহ (সা) বললেন যখন তোমরা আমার উপর দরূদ পাঠ করবে তখন বলো:

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ النَّبِى الْأُمِّىِّ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إبْرَاهِيمَ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدِ النَّبِيِّ الْأُمِّىِّ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَّجِيْدٌ

(দ্বিতীয় সুত্রে তাঁর থেকে বর্ণিত) তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা)-কে বলা হল, হে রাসূল! আপনার উপর কিভাবে দুরূদ পাঠ করবো? তিনি বললেন- তোমরা বলবেঃ)

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ فِي العَالَمِينَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَّجِيدٌ

(ইবনে হিব্বান, দারাকুতনী, বায়হাকী, হাকিম ও ইবন খুযাইমা, দারাকুতনী হাদীসটিকে আহসান এবং হাকিম ও বাইহাকী সহীহ বলে উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
3 - باب ما جاء في الصلاة على النبي صلى الله عليه وسلم عقب التشهد الأخير وكذا آله
(730) عن أبي مسعود عقبة بن عمرو رضي الله تبارك وتعالى عنه قال: أقبل رجل (1) حتى جلس بين يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن عنده فقال: يا رسول الله أما السلام عليك فقد عرفناه (2) فكيف نصلي عليك إذا نحن صلينا في صلاتنا صلى الله عليك؟ قال: فصمت رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى أحببنا أن الرجل لم يسأله (3) فقال: إذا أنتم صليتم عليّ فقولوا: اللهم صل على محمد (4) النبي الأمي وعلى آل محمد كما صليت على إبراهيم وآل إبراهيم (1) وبارك على محمد (2) النبي الأمي كما باركت على إبراهيم وعلى آل إبراهيم إنك حميد مجيد (3).
وعنه من طريق ثان (4) قال: قيل: يا رسول الله كيف نصلي عليك؟ فقال: قولوا: اللهم صل على محمد وعلى آل محمد، وبارك على محمد وعلى آل محمد، كما باركت على إبراهيم في العالمين، إنك حميد مجيد.
tahqiq

তাহকীক: