মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ৬৫১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) রুকু ও সিজদা থেকে মাথা উঁচু করা ও তারপর প্রশান্ত হওয়া ওয়াজিব এবং তা পরিত্যাগকারীর প্রতি শাস্তির ভীতি প্রদর্শন সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৪৭) 'আবু সা'ঈদ খুদরী (রা) রাসূল (ﷺ) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(হায়ছামী (র) আহমদ, বাযযার, ও আবু ইয়ালা সূত্রে বর্ণনা করেছেন, হাদীসে আলী ইবন যায়েদ বিতর্কিত, বাকী সনদ মানসম্মত।)
(হায়ছামী (র) আহমদ, বাযযার, ও আবু ইয়ালা সূত্রে বর্ণনা করেছেন, হাদীসে আলী ইবন যায়েদ বিতর্কিত, বাকী সনদ মানসম্মত।)
كتاب الصلاة
(6) باب وجوب الرفع من الركوع والسجود والطمأنينة بعدهما ووعيد من ترك ذلك
(651) وعن أبى سعيدٍ الخدرىِّ رضي الله عنه عن النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم نحوه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৫২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) রুকু ও সিজদা থেকে মাথা উঁচু করা ও তারপর প্রশান্ত হওয়া ওয়াজিব এবং তা পরিত্যাগকারীর প্রতি শাস্তির ভীতি প্রদর্শন সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৪৮) আনাস ইবন্ মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূল (ﷺ) যখন রুকু বা সিজদা থেকে মাথা উত্তোলন করতেন, তখন এ দু'য়ের মধ্যে এমন সময় অতিবাহিত করতেন যে, আমরা বলতাম, "তিনি ভুলে গেলেন নাকি!"
(বুখারী ও মুসলিম একইসূত্রে ও আবূ দাউদ ভিন্নসূত্রে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
(বুখারী ও মুসলিম একইসূত্রে ও আবূ দাউদ ভিন্নসূত্রে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(6) باب وجوب الرفع من الركوع والسجود والطمأنينة بعدهما ووعيد من ترك ذلك
(652) عن أنس بن مالكٍ رضي الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا رفع رأسه من السَّجدة أو الرَّكعة فيمكث بينهما حتَّى نقول أنسى (1) صلى الله عليه وسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৫৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) রুকু' থেকে মাথা উত্তোলন করার দু'আ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৪৯) 'আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূল (ﷺ) যখন রুকু' থেকে শির উত্তোলন করতেন তখন
سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ، رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ، مِلْءُ السَّمَاوَاتِ، وَمِلْءُ الْأَرْضِ وَمِلْءُ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ
"আল্লাহ গুনেছেন সেই ব্যক্তির আকুতি, যে তাঁর প্রশংসা করেছে। হে আমাদের প্রভু। আপনার প্রশংসা আসমান ও যমীন এবং তার মাঝে যা আছে সে পরিমাণ, এরপর আপনি যে পরিমাণ মনে করেন, সে পরিমাণ।
(এটি একটি বৃহৎ হাদীসের অংশেবিশেষ। ইমাম মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী শাফেয়ী ও দারাকুতনী স্ব স্ব হাদীসগ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।)
سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ، رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ، مِلْءُ السَّمَاوَاتِ، وَمِلْءُ الْأَرْضِ وَمِلْءُ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ
"আল্লাহ গুনেছেন সেই ব্যক্তির আকুতি, যে তাঁর প্রশংসা করেছে। হে আমাদের প্রভু। আপনার প্রশংসা আসমান ও যমীন এবং তার মাঝে যা আছে সে পরিমাণ, এরপর আপনি যে পরিমাণ মনে করেন, সে পরিমাণ।
(এটি একটি বৃহৎ হাদীসের অংশেবিশেষ। ইমাম মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী শাফেয়ী ও দারাকুতনী স্ব স্ব হাদীসগ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(7) باب أذكار الرفع من الركوع
(653) عن علىّ رضي الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا رفع رأسه من الرَّكعة قال سمع الله لمن حمده ربَّنا ولك الحمد ملء السمَّوات والأرض وما بينهما وملء ما شئت من شيءٍ بعد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৫৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) রুকু' থেকে মাথা উত্তোলন করার দু'আ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৫০) সা'ঈদ ইবন্ জুবাইর (রা) আব্দুল্লাহ ইবন্ 'আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন, আমার ধারণা তিনি মারফু' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) যখন রুকু থেকে তাঁর শির উত্তোলন করতেন, তখন বলতেন:
سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ، اَلَلهُمَ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ، مِلْءُ السَّمَاءِ، وَمِلْءُ الْأَرْضِ وَمِلْءُ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ
আল্লাহ শুনেছেন, যে তাঁর প্রশংসা করছে; হে আল্লাহ! আমাদের প্রভু, আপনার জন্যই প্রশংসা আসমান ও যমীন সমান এবং তার বাইরে আপনার মর্জি পরিমাণ।
(বর্ণনাকারীর হাদীসখানা মারফু' বলে ইমাম আহমদ মনে করেন। ইমাম মুসলিম (র) ও হাদীসখানাকে মারফু' মনে করেছেন।) (ইমাম মুসলিম (র) সহ অনেকেই হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ، اَلَلهُمَ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ، مِلْءُ السَّمَاءِ، وَمِلْءُ الْأَرْضِ وَمِلْءُ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ
আল্লাহ শুনেছেন, যে তাঁর প্রশংসা করছে; হে আল্লাহ! আমাদের প্রভু, আপনার জন্যই প্রশংসা আসমান ও যমীন সমান এবং তার বাইরে আপনার মর্জি পরিমাণ।
(বর্ণনাকারীর হাদীসখানা মারফু' বলে ইমাম আহমদ মনে করেন। ইমাম মুসলিম (র) ও হাদীসখানাকে মারফু' মনে করেছেন।) (ইমাম মুসলিম (র) সহ অনেকেই হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(7) باب أذكار الرفع من الركوع
(654) عن سعيد بن جبيرٍ عن ابن عبَّاس أحسبه رفعه (1) قال إذا كان رفع رأسه من الرُّكوع قال سمع الله لمن حمد اللهمَّ ربنًّا لك الحمد ملء السماء وملء الأرض وملء ما شئت من شيءٍ بعد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৫৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) রুকু' থেকে মাথা উত্তোলন করার দু'আ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৫১) 'আব্দুল্লাহ ইবন্ আবূ আওফা (রা) রাসূল (ﷺ) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(আব্দুল্লাহ ইবন্ আবূ আওফা (রা) থেকে অন্য সূত্রে) রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলতেন, (ভিন্ন শব্দে) রুকু থেকে মাথা উত্তোলন করে রাসূল (ﷺ) দু'আ করতেন)
اللَّهُمَّ لكَ الحَمْدُ مِلْءُ السَّماءِ، ومِلْءُ الأرْضِ، ومِلْءُ ما شِئْتَ مِن شيءٍ بَعْدُ اللَّهُمَّ طَهِّرْنِي بالثَّلْجِ والْبَرَدِ، والْماءِ البارِدِ اللَّهُمَّ طَهِّرْنِي مِنَ الذُّنُوبِ وَنَقِنِي مِنْهَا ، كَمَا يُنَقَّى الثَوْبُ الأبْيَضُ مِنَ الْوَسَخِ
হে আল্লাহ, আপনার জন্যই প্রশংসা আসমানসম যমীনসম এবং এর বাইরে আপনার মর্জিমত। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে বরফ, শিলা ও ঠান্ডা পানি দ্বারা পবিত্র করুন। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে পাপ থেকে পবিত্র করুন এবং তা থেকে এমনভাবে মুক্ত করুন, ঠিক যেমন সাদা কাপড় ময়লা থেকে মুক্ত হয়ে থাকে।
(মুসলিম (র) সনদে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ ও ইবন্ মাজাহ (র) তন্মধ্যে প্রথম সূত্রকে গ্রহণ করেছেন।)
(আব্দুল্লাহ ইবন্ আবূ আওফা (রা) থেকে অন্য সূত্রে) রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলতেন, (ভিন্ন শব্দে) রুকু থেকে মাথা উত্তোলন করে রাসূল (ﷺ) দু'আ করতেন)
اللَّهُمَّ لكَ الحَمْدُ مِلْءُ السَّماءِ، ومِلْءُ الأرْضِ، ومِلْءُ ما شِئْتَ مِن شيءٍ بَعْدُ اللَّهُمَّ طَهِّرْنِي بالثَّلْجِ والْبَرَدِ، والْماءِ البارِدِ اللَّهُمَّ طَهِّرْنِي مِنَ الذُّنُوبِ وَنَقِنِي مِنْهَا ، كَمَا يُنَقَّى الثَوْبُ الأبْيَضُ مِنَ الْوَسَخِ
হে আল্লাহ, আপনার জন্যই প্রশংসা আসমানসম যমীনসম এবং এর বাইরে আপনার মর্জিমত। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে বরফ, শিলা ও ঠান্ডা পানি দ্বারা পবিত্র করুন। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে পাপ থেকে পবিত্র করুন এবং তা থেকে এমনভাবে মুক্ত করুন, ঠিক যেমন সাদা কাপড় ময়লা থেকে মুক্ত হয়ে থাকে।
(মুসলিম (র) সনদে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ ও ইবন্ মাজাহ (র) তন্মধ্যে প্রথম সূত্রকে গ্রহণ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(7) باب أذكار الرفع من الركوع
(655) وعن عبد الله بن أبى أوفي رضي الله عنه عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم مثله (وعنه من طريق ثانٍ) (2) عن النبيِّ صلى الله عليه وسلم أنَّه كان يقول (وفى لفظٍ يدعو إذا رفع رأسه من الرُّكوع) اللهمَّ لك الحمد ملء السَّماء وملء الأرض وملء ما شئت من شيءٍ بعد اللَّهم طهرِّنى بالثَّلج والبرد والماء البارد (3) اللَّهمَّ طهِّرني من الذُّنوب ونقنَّى منها كما ينقَّى الثَّوب الأبيض من الوسخ (1)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৫৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) রুকু' থেকে মাথা উত্তোলন করার দু'আ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৫২) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ যখন কোন কিরাআত পাঠকারী বলেন: 'সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ' এবং তাঁর পেছনে দাঁড়ানো ব্যক্তিরা বলে: 'আল্লাহুম্মা রাব্বানা লাকাল হাম্দ' তখন সে কথা আসমানবাসীদের কথার সাথে মিলে যায়। (আসমানবাসীরাও বলে) 'আল্লাহুম্মা রাব্বানা লাকাল হাম্দ'। এতে তার পূর্ববর্তী অপরাধসমূহ ক্ষমা করা হয়।
(আবু হুরায়রা (রা) থেকে অন্য এক সূত্রে বর্ণিত আছে।) রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যখন ইমাম বলেন-"সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ", তখন তোমরা বলবেঃ "আল্লাহুম্মা রাব্বানা লাকাল হাম্দ"। কেননা যার এ কথা ফেরেশতাদের কথার সাথে মিলে যাবে তার অতীতের সকল অপরাধ ক্ষমা করা হবে।
(বুখারী ও মুসলিম একই সনদে ও তিরমিযী ভিন্ন সনদে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
(আবু হুরায়রা (রা) থেকে অন্য এক সূত্রে বর্ণিত আছে।) রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যখন ইমাম বলেন-"সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ", তখন তোমরা বলবেঃ "আল্লাহুম্মা রাব্বানা লাকাল হাম্দ"। কেননা যার এ কথা ফেরেশতাদের কথার সাথে মিলে যাবে তার অতীতের সকল অপরাধ ক্ষমা করা হবে।
(বুখারী ও মুসলিম একই সনদে ও তিরমিযী ভিন্ন সনদে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(7) باب أذكار الرفع من الركوع
(656) عن أبى هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قال القارئ (2) سمع الله لمن حمده فقال من خلفه اللهمَّ ربَّنا لك الحمد فوافق قوله ذلك قول أهل السَّماء (3) اللَّهم وبَّنا لك الحمد غفر له ما تقدَّم من ذنبه (وعنه من طريقٍ ثانٍ) (4) ز أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا قال الإمام سمع الله لمن حمده فقولوا اللَّهم ربَّنا لك الحمد فإنَّ من وافق قوله قول الملائكة غفر له ما تقدَّم من ذنبه (5)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৫৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) রুকু' থেকে মাথা উত্তোলন করার দু'আ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৫৩) রিফাআ' ইবন্ রাফি' আয-যুরাকী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা একদা রাসূল (ﷺ)-এর পেছনে সালাত আদায় করছিলাম। রাসূল (ﷺ) যখন রুকু' থেকে মাথা উত্তোলন করলেন এবং বললেন, 'সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ', তখন পেছন থেকে এক ব্যক্তি বললেন:
رَبًّنَا لَكَ الْحَمْدُ حَمْدًا كَثِيْراً طَيبّْاً مُبَارَكاً فِيْهِ
'রাব্বানা লাকাল হামদ্, হামদান কাছিরান, তাইয়েবান মুবারাকান ফীহি",
অতঃপর রাসূল (ﷺ) যখন সালাত শেষ করলেন, তখন বললেন, তোমাদের মধ্যে এইমাত্র কে কথা বললে? লোকটি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি। তখন রাসূল (ﷺ) বললেনঃ আমি ত্রিশের অধিক ফেরেশতাকে দেখলাম, কে এ বিষয়টি প্রথমে লিপিবদ্ধ করবে, তা নিয়ে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে।
(বুখারী, মালিক, আবু দাউদ।)
رَبًّنَا لَكَ الْحَمْدُ حَمْدًا كَثِيْراً طَيبّْاً مُبَارَكاً فِيْهِ
'রাব্বানা লাকাল হামদ্, হামদান কাছিরান, তাইয়েবান মুবারাকান ফীহি",
অতঃপর রাসূল (ﷺ) যখন সালাত শেষ করলেন, তখন বললেন, তোমাদের মধ্যে এইমাত্র কে কথা বললে? লোকটি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি। তখন রাসূল (ﷺ) বললেনঃ আমি ত্রিশের অধিক ফেরেশতাকে দেখলাম, কে এ বিষয়টি প্রথমে লিপিবদ্ধ করবে, তা নিয়ে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে।
(বুখারী, মালিক, আবু দাউদ।)
كتاب الصلاة
(7) باب أذكار الرفع من الركوع
(657) عن رفاعة بن رافعٍ الزرقىِّ رضي الله عنه قال كنَّا نصلِّى بومًا (1) وراء رسول الله صلى الله عليه وسلم فلمَّا رفع رسول الله صلى الله عليه وسلم رأسه من الرَّكعةِ وقال سمع الله لمن حمده (2) قال رجلُ وراءه ربًّنا لك الحمد حمدًا كثيراً طيبّْاً مباركاً فيه، فلمَّا انصرف رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من المتكلِّم آنفاً، (3) قال الرَّجل أنا يا رسول الله، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لقد رأيت بضعةً (4) وثلاثين ملكاً يبتدرونها (5) أيُّهم يكتبها أوَّلاً (6)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৫৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) রুকু' থেকে মাথা উত্তোলন করার দু'আ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৫৪) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলের সালাতের ব্যাপারে তোমাদের মধ্যে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ, রাসূল (ﷺ) যখন 'সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলতেন, তখন পরপরই বলতেনঃ 'আল্লাহুম্মা রাব্বানা লাকাল হামদ্" তিনি আরও বলেন: রাসূল (ﷺ) রুকু' কালে সিজদা থেকে মাথা তুলে এবং দু'সিজদার মাঝে মাথা উঁচু করে তাকবীর বলতেন।
(বুখারী ও মুসলিম একই সূত্রে, আবু দাউদ ও আব্দুর রাযযাক তাঁদের মুসনাদে পৃথক সনদে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন।)
(বুখারী ও মুসলিম একই সূত্রে, আবু দাউদ ও আব্দুর রাযযাক তাঁদের মুসনাদে পৃথক সনদে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(7) باب أذكار الرفع من الركوع
(658) عن سعيدٍ المقبريِّ عن أبى هريرة رضي الله عنه قال أنا أشبهكم صلاةً برسول الله صلى الله عليه وسلم كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قال سمع الله لمن حمده قال اللَّهمَّ ربَّنا ولك الحمد (7) قال وكان يكبِّر إذا ركع وإذا قام من السُّجود، وإذا رفع رأسه من السَّجدتين
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৫৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) রুকু' থেকে মাথা উত্তোলন করার দু'আ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৫৫) আবূ সা'ঈদ আল- খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূল (ﷺ) যখন বলতেন
سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ
'সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ"
তখন তিনি বলতেন।
اللَّهمَّ رَبَّنَا لكَ الحَمْدُ مِلْءُ السَّمَوَاتِ والأرْضِ، ومِلْءُ ما شِئْتَ مِن شيءٍ بَعْدُ، أهْلَ الثَّنَاءِ والْمَجْدِ، أحَقُّ ما قالَ العَبْدُ، وكُلُّنَا لكَ عَبْدٌ: اللَّهُمَّ لا مَانِعَ لِما أعْطَيْتَ، ولَا مُعْطِيَ لِما مَنَعْتَ، ولَا يَنْفَعُ ذَا الجَدِّ مِنْكَ الجَدُّ
"রাব্বানা লাকাল হামদ" মিলআস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি ওয়ামিলআ মাশি'তা মিন শাইইন বা'দু। আহলাছ ছানা-ই ওয়াল মাজদি আহাক্কু মা কালাল 'আবদু ওয়া কুল্লানা লাকা 'আবদুন, লা মানি'আ লিমা আ'তাইতা ওয়ালা ইয়ানফাউ' যালজাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।
অর্থাৎ হে আল্লাহ, আমাদের প্রভু, আসমানসম, যমীনসম এবং এর বাইরে আপনার মর্জিসম প্রশংসা আপনারই। বান্দা যা বলে, সে প্রশংসাই প্রশংসা ও মর্যাদার অধিপতির প্রাপ্য। আমরা সবাই আপনারই বান্দা। আপনি যা দান করেছেন, তাতে বাধা দেওয়ার কেউ নেই। আপনার নিকট কোন প্রচেষ্টাকারীর প্রচেষ্টা কোন কাজে আসে না, উপকৃত করে না। (অর্থাৎ তাকে তার সৎকর্মই উপকার করে থাকে।)
(মুসলিম, আবু দাউদ ও নাসাঈ।)
سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ
'সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ"
তখন তিনি বলতেন।
اللَّهمَّ رَبَّنَا لكَ الحَمْدُ مِلْءُ السَّمَوَاتِ والأرْضِ، ومِلْءُ ما شِئْتَ مِن شيءٍ بَعْدُ، أهْلَ الثَّنَاءِ والْمَجْدِ، أحَقُّ ما قالَ العَبْدُ، وكُلُّنَا لكَ عَبْدٌ: اللَّهُمَّ لا مَانِعَ لِما أعْطَيْتَ، ولَا مُعْطِيَ لِما مَنَعْتَ، ولَا يَنْفَعُ ذَا الجَدِّ مِنْكَ الجَدُّ
"রাব্বানা লাকাল হামদ" মিলআস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি ওয়ামিলআ মাশি'তা মিন শাইইন বা'দু। আহলাছ ছানা-ই ওয়াল মাজদি আহাক্কু মা কালাল 'আবদু ওয়া কুল্লানা লাকা 'আবদুন, লা মানি'আ লিমা আ'তাইতা ওয়ালা ইয়ানফাউ' যালজাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।
অর্থাৎ হে আল্লাহ, আমাদের প্রভু, আসমানসম, যমীনসম এবং এর বাইরে আপনার মর্জিসম প্রশংসা আপনারই। বান্দা যা বলে, সে প্রশংসাই প্রশংসা ও মর্যাদার অধিপতির প্রাপ্য। আমরা সবাই আপনারই বান্দা। আপনি যা দান করেছেন, তাতে বাধা দেওয়ার কেউ নেই। আপনার নিকট কোন প্রচেষ্টাকারীর প্রচেষ্টা কোন কাজে আসে না, উপকৃত করে না। (অর্থাৎ তাকে তার সৎকর্মই উপকার করে থাকে।)
(মুসলিম, আবু দাউদ ও নাসাঈ।)
كتاب الصلاة
(7) باب أذكار الرفع من الركوع
(659) عن أبى سعيدٍ الخدرىِّ رضي الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قال سمع الله لمن حمده قال اللَّهمَّ ربَّنا لك الحمد ملء السَّموات (1) وملء الأرض وملس ما شئت من شيءٍ بعد، أهل (2) الثَّناءٍ والمجد أحقُّ ما قال العبد وكلُّنا لك عبدٌ، لا مانع لما أعطيت (3) ولا ينفع ذا الجدِّ (4) منك الجدُّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৬০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) সিজদার স্বরূপ এবং ঝুঁকে পড়ার পদ্ধতি সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৫৬) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যখন সিজদা করবে, তখন সে যেন উটের ন্যায় হাঁটু গেড়ে না বসে। বরং সে প্রথমে তার দু'হাতকে মাটিতে রাখবে তারপর দু'হাঁটুকে রাখবে।
(আবু দাউদ ও নাসাঈ। ইমাম নববী (র) বলেন, হাদীসটির সনদ মানসম্মত।)
(আবু দাউদ ও নাসাঈ। ইমাম নববী (র) বলেন, হাদীসটির সনদ মানসম্মত।)
كتاب الصلاة
(8) باب هيئات السجود وكيف الهوىّ اليه
(660) عن أبى هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا سجد أحدكم فلا يبرك كما يبرك الجمل، وليضع يديه ثمَّ ركبتيه (1)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৬১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) সিজদার স্বরূপ এবং ঝুঁকে পড়ার পদ্ধতি সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৫৭) 'আব্দুল্লাহ ইবন্ উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি এটাকে মারুফু' হিসেবে বর্ণনা করেছেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন: হস্তদ্বয়ও মুখমণ্ডলের ন্যায় সিজদা করে থাকে। সুতরাং তোমাদের কেউ যখন তার মুখমণ্ডলকে সিজদার জন্য রাখবে সে যেন তার হাত দু'টোকেও রাখে আর যখন মুখমণ্ডল উঁচু করবে তখন হাত দু'টোও উঁচু করবে।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন্ মাজাহ্।)
(আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন্ মাজাহ্।)
كتاب الصلاة
(8) باب هيئات السجود وكيف الهوىّ اليه
(661) عن ابن عمر رضي الله عنهما رفعه قال إن اليدين يسجدان كما يسجد الوجه فإذا وضع أحدكم وجهه فليضع يديه (1) وإذا رفعه فليرفعهما
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৬২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) সিজদার স্বরূপ এবং ঝুঁকে পড়ার পদ্ধতি সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৫৮) আবূ বুহাইনা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) যখন সিজদা করতেন, তখন তিনি এমনভাবে ঝুঁকে পড়তেন যে, তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যেত।
(আবূ হুরায়রা (রা) থেকে অপর এক সনদে বর্ণিত) রাসূল (ﷺ) যখন সালাত আদায় করতেন, তখন এমনভাবে ফাঁকা হতেন যে, তাঁর বগলের শুভ্রতা প্রকাশ পেত।
(বুখারী ও মুসলিম একই সনদে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
(আবূ হুরায়রা (রা) থেকে অপর এক সনদে বর্ণিত) রাসূল (ﷺ) যখন সালাত আদায় করতেন, তখন এমনভাবে ফাঁকা হতেন যে, তাঁর বগলের শুভ্রতা প্রকাশ পেত।
(বুখারী ও মুসলিম একই সনদে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(8) باب هيئات السجود وكيف الهوىّ اليه
(662) عن ابن بجينة (2) رضي الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا سجد يجنِّح (3) فى سجوده حتَّى يُري (4) وضح إبطيه (وعنه من طريق ثانٍ) (5) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا صلَّي فرَّج حتَّى يبدو (6) بياض إبطيه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৬৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) সিজদার স্বরূপ এবং ঝুঁকে পড়ার পদ্ধতি সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৫৯) আবু হুমাইদ আস-সাঈদী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ)-এর সালাতের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করছিলেন, তিনি বলেন, অতঃপর রাসূল (ﷺ) সিজদার জন্য অবনত হন এবং বলেনঃ "আল্লাহু আকবর" অতঃপর ঝুঁকে পড়লেন এবং দু'বাহুকে পেট থেকে ফাঁকা করলেন ও দু'পায়ের আঙ্গুলগুলোকে ছড়িয়ে দিলেন। এরপর বাম পায়ে ভাঁজ করে তার ওপর বসলেন, এবং প্রত্যেকটি অস্থি নিজস্ব অবস্থান গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্থির থাকলেন।
(হাদীসখানা অনেক বড়, সনদসহ পূর্ণাঙ্গ হাদীসখানা পূর্বে বাবু জামে সিফাতুস্ সালাতে উল্লেখ করা হয়েছে।)
(হাদীসখানা অনেক বড়, সনদসহ পূর্ণাঙ্গ হাদীসখানা পূর্বে বাবু জামে সিফাতুস্ সালাতে উল্লেখ করা হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(8) باب هيئات السجود وكيف الهوىّ اليه
(663) عن أبى جميدٍ الساعدىِّ رضي الله عنه يصف صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ثمَّ خوى ساجداً وقال اللها أكبر، ثمَّ جافي وفتح عضديه عن بطنه وفتخ (1) أصابع رجليه ثمَّ ثنى رجله اليسرى وقعد عليها واعتدل (2) حتَّى رجع كلُّ عظيم فى موضعه (3) "الحديث"
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৬৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) সিজদার স্বরূপ এবং ঝুঁকে পড়ার পদ্ধতি সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৬০) আনাস ইবন্ মালিক (রা) রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, তোমরা তোমাদের সিজদায় ভারসাম্য রক্ষা কর এবং তোমাদের কেউ যেন কুকুরের মত দু'হাত বিছিয়ে না দেয়। তোমরা রুকু'ও সিজদাকে পরিপূর্ণ কর। আল্লাহর শপথ, আমি আমার পেছনে অথবা পিঠের পেছনে* তোমাদেরকে রুকু' ও সিজদাকালে দেখতে পাই।
*(বর্ণনাকারীর সংশয়।)
(বুখারী ও মুসলিম একই সূত্রে ও আবূ দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী এবং ইবন্ মাজাহ্ পৃথক সূত্রে।)
*(বর্ণনাকারীর সংশয়।)
(বুখারী ও মুসলিম একই সূত্রে ও আবূ দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী এবং ইবন্ মাজাহ্ পৃথক সূত্রে।)
كتاب الصلاة
(8) باب هيئات السجود وكيف الهوىّ اليه
(664) قط عن أنس بن مالكٍ رضي الله عنه عن النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم قال اعتدلوا فى سجودكم ولا يفترش (4) أحدكم ذراعيه افتراش الكلب، أتمُّوا الرُّكوع والسُّجود، فوالله إنىِّ لأراكم من بعدى أو من بعد ظهرى (5) إذا ركعتم وإذا سجدتم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৬৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) সিজদার স্বরূপ এবং ঝুঁকে পড়ার পদ্ধতি সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৬১) জাবির ইবন 'আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের মধ্যে কেউ সিজদা করলে সে যেন ধীরস্থিরতার সাথে করে এবং কুকুরের ন্যায় দু'বাহু বিছিয়ে না দেয়।
(বায়হাকী, ইবন মাজাহ ও তিরমিযী।)
(বায়হাকী, ইবন মাজাহ ও তিরমিযী।)
كتاب الصلاة
(8) باب هيئات السجود وكيف الهوىّ اليه
(665) عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا سجد أحدكم فليعتدل ولا يفترش ذراعيه افتراش الكلب
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৬৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) সিজদার স্বরূপ এবং ঝুঁকে পড়ার পদ্ধতি সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৬২) শু'বা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি 'আব্দুল্লাহ ইবন্ 'আব্বাস (রা)-এর নিকট আগমন করে বললেন: আপনার ভৃত্য যখন সিজদা করে তখন তার কপাল, দু'বাহু ও বক্ষ যমীনে মিলিয়ে রাখে। ইবন্ 'আব্বাস (রা) তাঁকে বললেন: এটা তুমি কেন কর? তিনি বললেন: বিনয়বশত। ইবন 'আব্বাস (রা) বললেনঃ এটা কুকুরের বসা। আমি রাসূল (ﷺ)-কে দেখেছি তিনি যখন সিজদা করতেন তখন তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যেত।
(আহমদ ইবন্ আব্দুর রহমান আল-বান্না (র) বলেনঃ আমি অত্র হাদীস অন্য কোথাও পাইনি। এর সনদ মোটামুটি ভাল।)
(আহমদ ইবন্ আব্দুর রহমান আল-বান্না (র) বলেনঃ আমি অত্র হাদীস অন্য কোথাও পাইনি। এর সনদ মোটামুটি ভাল।)
كتاب الصلاة
(8) باب هيئات السجود وكيف الهوىّ اليه
(666) عن شعبة قال جاء رجلٌ إلى ابن عبَّاس فقال إنَّ مولاك إذا سجد وضع جبهته وذراعيه وصدره بالأرض، فقال له ابن عبَّاس ما يحملك على ما تصنع؟ قال التَّواضع، قال هكذا ربضة الكلب (1) رأيت النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم إذا يسجد رؤى بياض إبطيه (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৬৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) সিজদার স্বরূপ এবং ঝুঁকে পড়ার পদ্ধতি সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৬৩) 'আব্দুল্লাহ ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসূল (ﷺ)-এর সালাত পর্যবেক্ষণ করেছি, আমি তাঁকে পেট মাটিতে ঝুলানো অবস্থায় দেখেছি এবং তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখেছি।
(আহমদ ইবন্ আব্দুর রহমান আল-বান্না (র) বলেনঃ আমি অত্র হাদীস অন্য কোথাও পাইনি, এর সনদ মানসম্মত।)
(আহমদ ইবন্ আব্দুর রহমান আল-বান্না (র) বলেনঃ আমি অত্র হাদীস অন্য কোথাও পাইনি, এর সনদ মানসম্মত।)
كتاب الصلاة
(8) باب هيئات السجود وكيف الهوىّ اليه
(667) عن ابن عبَّاس رضي الله عنهما قال تدبَّرت صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم فرأيته مخوِّيَّا (3) فرأيت بياض إبطيه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৬৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) সিজদার স্বরূপ এবং ঝুঁকে পড়ার পদ্ধতি সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৬৪) আবূ সা'ঈদ আল-খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ)-কে সিজদারত অবস্থায় আমি তাঁর কটিদেশের শুভ্রতা দেখেছি।
(হায়ছামী (র) হাদীসখানা আহমদ (র) সূত্রে বর্ণনা করেন, হাদীসের সনদে ইবন্ লাহিয়া নামক একজন বিতর্কিত ব্যক্তি রয়েছেন।)
(হায়ছামী (র) হাদীসখানা আহমদ (র) সূত্রে বর্ণনা করেন, হাদীসের সনদে ইবন্ লাহিয়া নামক একজন বিতর্কিত ব্যক্তি রয়েছেন।)
كتاب الصلاة
(8) باب هيئات السجود وكيف الهوىّ اليه
(668) عن أبي سعيد الخدرىِّ رضي الله عنه قال رأيت بياض كشح (1) رسول الله صلى الله عليه وآله وسلَّم وهو ساجدٌ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৬৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) সিজদার স্বরূপ এবং ঝুঁকে পড়ার পদ্ধতি সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৬৫) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) যখন সিজদা করতেন, তখন তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যেত। অথবা আমি তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখেছি।
(বর্ণনাকারীর সংশয়।)
(আহমদ ইবন্ আব্দুর রহমান আল-বান্না (র) বলেনঃ আমি অত্র হাদীস অন্য কোথাও পাইনি, এর সনদ মানসম্মত তবে আনাস (রা)-এর পরবর্তী বর্ণনাকারী স্পষ্ট নয়।)
(বর্ণনাকারীর সংশয়।)
(আহমদ ইবন্ আব্দুর রহমান আল-বান্না (র) বলেনঃ আমি অত্র হাদীস অন্য কোথাও পাইনি, এর সনদ মানসম্মত তবে আনাস (রা)-এর পরবর্তী বর্ণনাকারী স্পষ্ট নয়।)
كتاب الصلاة
(8) باب هيئات السجود وكيف الهوىّ اليه
(669) عن أنس بن مالكٍ رضي الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم إذا سجد رؤى أو رأيت بياض إبطيه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৭০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) সিজদার স্বরূপ এবং ঝুঁকে পড়ার পদ্ধতি সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৬৬) 'উবাইদুল্লাহ ইবন্ 'আব্দুল্লাহ ইবন্ আকরাম আল-খুযা'ঈ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আবু আকরাম-এর সাথে সমতল ভূমিতে ছিলাম। অন্য এক বর্ণনায় (আরাফাতের নিকটবর্তী) নামিরার সমতল ভূমিতে ছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের পাশ দিয়ে একটি যাত্রীদল অতিক্রম করল, তারা পথের এক পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিল, তখন আমার পিতা আমাকে বললেন: বৎস! তুমি তোমার মেষসহ দাঁড়াও, যাতে ঐ দল তাদের রসদপত্রসহ আসতে পারে। তিনি বলেন, অতঃপর তিনি বের হলেন এবং আমিও তাঁর পেছনে ছুটলাম, তখন ঐ দলে রাসূল (ﷺ)-কে দেখতে পেলাম। তিনি বলেন, অতঃপর সালাতের সময় হল, আমি রাসূল (ﷺ)-এর পেছনে সালাত আদায় করলাম, তিনি যখনই সিজদা করতেন তাঁর বগলের শুভ্রতা আমার চোখে পড়ত।
(শাফেয়ী, নাসাঈ, তিরমিযী, আব্দুল্লাহ ইবন্ আকরাম (রা) বর্ণিত হাদীস মাত্র এটিই। তবে এর ওপর আমল প্রকাশিত রয়েছে।)
(শাফেয়ী, নাসাঈ, তিরমিযী, আব্দুল্লাহ ইবন্ আকরাম (রা) বর্ণিত হাদীস মাত্র এটিই। তবে এর ওপর আমল প্রকাশিত রয়েছে।)
كتاب الصلاة
(8) باب هيئات السجود وكيف الهوىّ اليه
(670) عن عبيد الله بن عبد الله بن أقرم الخزاعىِّ عن أبيه (2) قال كنت مع أبى أقرم بالقاع (3) (وفى روايةٍ بالقاع من نمرة) قال فمرَّ بنا ركبٌ فأناخوا بناحية الطريق فقال لى أبى أى بني كن فى بهمك (4) حتَّى آتى هؤلاء القوم وأسأئلهم، قال فخرج وخرحت فى أثره فإذا رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال فحضرت الصّلاة فصلَّيت معه فكنت أنظر إلى عفرتى (1) أبطى رسول الله صلى الله عليه وسلم كلَّما سجد
তাহকীক: