মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ৬৩১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) রুকু ও অন্যান্য সকল রুকনের* পরিমাণ বৈশিষ্ট্য ও তাতে সমভাবে পরিতুষ্টতা অর্জন বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৬২৭) আনাস ইবন্ মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এই ছেলেটি অর্থাৎ 'উমর ইব্ন আব্দুল 'আযীয (র) অপেক্ষা রাসূল (ﷺ)-এর সালাতের সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ (সালাত) আদায় করেন, এমন অন্য কাউকে দেখি নি তিনি বলেনঃ আমরা অনুমান করলাম, তিনি রুকুতে দশ তাসবীহ পরিমাণ ও সিজদাতে দশ তাসবীহ পরিমাণ অবস্থান করছিলেন।
(আবু দাউদ ও নাসাঈ।)
(আবু দাউদ ও নাসাঈ।)
كتاب الصلاة
(2) باب مقدار الركوع وصفته والطمأنينة فيه
وفى جميع الأركان على السواء
وفى جميع الأركان على السواء
(631) عن سعيد بن جبيرٍ عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال ما رأيت أحداً أشبه صلاةٍ برسول الله صلى الله عليه وسلم من هذا الغلام (3) يعني عمر ابن عبد العزيز قال فحزرنا (1) فى الرُّكوع عشر تسبيحاتٍ وفى السُّجود عشر تسبيحاتٍ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৩২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) রুকু ও অন্যান্য সকল রুকনের* পরিমাণ বৈশিষ্ট্য ও তাতে সমভাবে পরিতুষ্টতা অর্জন বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৬২৮) বারা ইবন্ আযিব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূল (ﷺ)-এর সালাত এরূপ ছিল যে, তিনি যখন সালাত আদায় করতেন তখন তাঁর রুকুর পরিমাণ, রুকু থেকে মাথা তুলে দাঁড়ানোর পরিমাণ, সিজদার পরিমাণ, সিজদা থেকে মাথা উত্তোলনের পরিমাণ ও দু'সিজদার মাঝে অবস্থানের পরিমাণ প্রায় সমান ছিল।
(বুখারী ও মুসলিম (র) একই সূত্রে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
(বুখারী ও মুসলিম (র) একই সূত্রে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب مقدار الركوع وصفته والطمأنينة فيه
وفى جميع الأركان على السواء
وفى جميع الأركان على السواء
(632) عن البراء بن عازبٍ رضي الله عنه قال كانت صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا صلَّى فركع، وإذا رفع رأسه من الرُّكوع، وإذا سجد، وإذا رفه رأسه من السُّجود، وبين السَّجدتين قريبًا من السَّواء (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৩৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) রুকু ও অন্যান্য সকল রুকনের* পরিমাণ বৈশিষ্ট্য ও তাতে সমভাবে পরিতুষ্টতা অর্জন বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৬২৯) আবুল আলিয়া (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমাকে বলেছেন, সেই ব্যক্তি যিনি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন: রুকু ও সিজদার ক্ষেত্রে প্রত্যেক সূরার একটি নির্দিষ্ট অংশ রয়েছে (অন্য এক বর্ণনায়: তোমরা রুকু ও সিজদার ক্ষেত্রে প্রত্যেক সূরার সুনির্দিষ্ট অংশ আদায় কর।) 'আসিম (র) বলেন, অতঃপর আমি আবুল আলিয়া (র)-এর সাথে সাক্ষাৎ করলাম ও তাঁকে বললাম, আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা) প্রত্যেক রাকা'আতে অনেকগুলো সূরা তিলাওয়াত করতেন। সুতরাং আপনাকে যে ব্যক্তি এ হাদীসখানা বলেছেন তাঁকে চিনেন কি? তিনি বললেন: আমি অবশ্যই তাঁকে চিনি এবং সে যেদিন থেকে আমার নিকট হাদীসখানা বর্ণনা করে আসছেন সেদিন থেকেই তাঁকে চিনি। তিনি আমাকে পঞ্চাশ বছর ধরে হাদীসখানা বলে আসছেন।
(ইমাম আহমদ (র)-এর বর্ণনায় হাদীসখানা গ্রহণযোগ্য এবং এর সনদ সহীহ্।)
(ইমাম আহমদ (র)-এর বর্ণনায় হাদীসখানা গ্রহণযোগ্য এবং এর সনদ সহীহ্।)
كتاب الصلاة
(2) باب مقدار الركوع وصفته والطمأنينة فيه
وفى جميع الأركان على السواء
وفى جميع الأركان على السواء
(633) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا يحيى بن سعيد الأموىُّ عن عاصم قال ثنا أبو العالية قال أخبرنى من سمع النبى صلى الله عليه وسلم يقول لكل سورةٍ حظُّها (1) من الرُّكوع والسُّجود (وفى روايةٍ أعطوا كلَّ سورةٍ حظَّها من الرَّكوع والسُّجود) قال ثمَّ لقيته بعد فقلت له إنَّ ابن غمر كان يقرأ فى الرَّكعة بالسُّور، فتعرف من حدَّثك هذا الحديث؟ قال إنَّي لأعرفه وأعرف منذ كم حدَّثنيه، حدَّثنى منذ خمسين سنة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৩৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) রুকু ও অন্যান্য সকল রুকনের* পরিমাণ বৈশিষ্ট্য ও তাতে সমভাবে পরিতুষ্টতা অর্জন বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৬৩০) 'আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) যখন রুকু' করতেন তখন (তিনি এমনভাবে সোজা হতেন যে,) তাঁর পিঠে পানির একটি পাত্রও রাখা হলে তা একটুও গড়িয়ে পড়ত না।
(হাফিজ (র( التلخيص গ্রন্থে বলেনঃ আবু দাউদ (র) মুরসাল হিসেবে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। ইমাম আহমদ (র) মুত্তাসিল হিসেবেই বর্ণনা করেছেন।)
(হাফিজ (র( التلخيص গ্রন্থে বলেনঃ আবু দাউদ (র) মুরসাল হিসেবে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। ইমাম আহমদ (র) মুত্তাসিল হিসেবেই বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب مقدار الركوع وصفته والطمأنينة فيه
وفى جميع الأركان على السواء
وفى جميع الأركان على السواء
(634) خط عن علىّ رضي الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ركع لو وضع قدحٌ من ماء على ظهره لم يهراق (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৩৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) রুকু ও সিজদা অপূর্ণাঙ্গকারীর সালাত বাতিল সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৩১) বারা ইবন 'উসমান আল-আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, হানী ইবন্ মু'আবিয়া আস-সাদাফী (র) তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমি 'উসমান ইবন্ আফফান (রা)-এর শাসনামলে হজ্জ পালন করলাম, তখন আমি মসজিদে নববীতে বসেছিলাম; (হঠাৎ দেখি) এক ব্যক্তি এসে মুসল্লীদের সাথে কথা বলছিলেন। তিনি বললেন, আমরা একদা রাসূলের সান্নিধ্যে উপস্থিত ছিলাম, তখন এক ব্যক্তি (মসজিদে) আসল এবং এ খুঁটির নিকট দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করল। সে সালাত শেষ করতে তাড়াহুড়া করছিল এবং তার সালাত অপূর্ণাঙ্গ রেখেই বেরিয়ে গেল। তখন রাসূল (ﷺ) বললেনঃ এ ব্যক্তি যদি মারা যায় তবে সে কোন মতেই দীনের ওপর-নেই, এমনভাবেই মারা যাবে। লোকটি তার সালাতে অপূর্ণতা রেখেছে এবং সেভাবেই শেষ করেছে। বর্ণনাকারী বলেন: এই লোকটি কে? সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে বলা হয়েছিল তিনি 'উসমান ইবন হানিফ আল-আনসারী।
(হায়ছামী (র) বলেনঃ হাদীসখানা আহমদ (র) ও তবারানী (র) মু'জামুল কাবীর-এ বর্ণনা করেছেন, সনদে ইবন্ লাহিয়া নামক জনৈক বিতর্কিত ব্যক্তি ও বারা ইবন্ উসমান নামক জনৈক অপরিচিত ব্যক্তি রয়েছেন।)
(হায়ছামী (র) বলেনঃ হাদীসখানা আহমদ (র) ও তবারানী (র) মু'জামুল কাবীর-এ বর্ণনা করেছেন, সনদে ইবন্ লাহিয়া নামক জনৈক বিতর্কিত ব্যক্তি ও বারা ইবন্ উসমান নামক জনৈক অপরিচিত ব্যক্তি রয়েছেন।)
كتاب الصلاة
(3) باب بطلان صلاة من لم يتم الركوع والسجود
(635) عن البراء بن عثمان الأنصاريِّ عن هانئ بن معاوية الصَّد فىِّ حدَّثه قال حججت زمان عثمان بن عفَّان فجلست فى مسجد النبي صلى الله عليه وسلم فإذا رجل يحدِّثهم، قال كنَّا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم يومًا فأقبل رجلٌ فصلَّى فى هذا العمود فعجَّل قبل أن يتم صلاته ثمَّ خرج، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنَّ هذا لو مات لمات وليس من الدِّين على شئٍ، إنَّ الرَّجل ليخفّف صلاته ويتمُّها، قال فسألت عن الرَّجل (1) من هو فقيل عثمان بن حنيفٍ الأنصارىُّ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৩৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) রুকু ও সিজদা অপূর্ণাঙ্গকারীর সালাত বাতিল সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৩২) যায়েদ ইবন্ ওহাব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হুযাইফা ইবন্ আল ইয়ামান (রা) মসজিদে প্রবেশ করলেন; তখন এক ব্যক্তি কুন্দার* দরজার সন্নিকটে সালাত আদায় করছিলেন। তিনি তাঁর রুকু' ও সিজদা পূর্ণরূপে আদায় করছিলেন না। যখন তাঁর সালাত শেষ হল, তখন হুযাইফা (রা) তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তুমি এভাবে কতদিন ধরে সালাত আদায় করছো? তিনি বললেন: চল্লিশ বছর ধরে। বর্ণনাকারী বলেন: তখন হুযাইফা (রা) তাঁকে 'বললেনঃ তুমি চল্লিশ বছর ধরে সালাত আদায় কর নি। তুমি যদি এ অবস্থায় মারা যেতে, তবে তুমি নিশ্চিতভাবে মুহাম্মদ (ﷺ)-এর ফিতরাতের বাইরে মারা যেতে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি তাঁকে সালাত শেখানোর জন্য অগ্রসর হলেন। তিনি বলেন: লোকটি তাঁর সালাত সংক্ষিপ্ত করেছিলেন; তাঁকে অবশ্যই তাঁর রুকু' ও সিজদা পূর্ণাঙ্গরূপে আদায় করতে হবে।
*(এটা সামারকন্দ, এর নিকটবর্তী একটি গ্রাম। ঐ গ্রামের দিকে মুখ করে উক্ত মসজিদের একটি দরজা ছিল।)
(বুখারী শরীফে অত্র হাদীস সংক্ষিপ্ত আকারে উল্লেখ করা হয়েছে। নাসাঈ, ইব্ন হিব্বান ও আব্দুর রাযযাক (র) তাঁদের মুসনাদে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন।)
*(এটা সামারকন্দ, এর নিকটবর্তী একটি গ্রাম। ঐ গ্রামের দিকে মুখ করে উক্ত মসজিদের একটি দরজা ছিল।)
(বুখারী শরীফে অত্র হাদীস সংক্ষিপ্ত আকারে উল্লেখ করা হয়েছে। নাসাঈ, ইব্ন হিব্বান ও আব্দুর রাযযাক (র) তাঁদের মুসনাদে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(3) باب بطلان صلاة من لم يتم الركوع والسجود
(636) عن زيد بن وهب قال دخل حذيفة بن اليمان المسجد فإذا رجلٌ (2) يصلِّى ممَّا يلى أبواب كندة (3) فجعل لا يتّمُّ الرُّكوع ولا السُّجود فلمَّا انصرف قال له حذيفة منذ كم هذه صلاتك"؟ قال منذ أربعين سنةً (4) قبال فقال له حذيفة ما صلَّيت (5) منذ أربعين سنةً، ولو متَّ وهذه صلاتك لمتَّ على الفطرة (1) التَّى فُطر عليها محمد صلى الله عليه وسلم وقال ثمَّ أقبل عليه يعلَّمه. فقال إن الرَّجل ليخفِّف فى صلاته وإنه اليتم الركوع والسجود
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৩৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) রুকু'তে দু'আর পরিচ্ছেদ
(৬৩৩) 'আলী ইবন্ আবি তালিব (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) যখন রুকু' করতেন তখন বলতেন,
اللَّهُمَّ لكَ رَكَعْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَلَكَ أَسْلَمْتُ، خَشَعَ لكَ سَمْعِي وَبَصَرِي، وَمُخِّي، وَعَظْمِي وَعَصَبِي وَمَا اسْتَقَلَّتْ بِهِ قَدَمِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
হে আল্লাহ, আমি আপনার জন্য রুকু করেছি, আপনার প্রতি ঈমান এনেছি, আপনার জন্য আত্মসমর্পণ করেছি, আপনিই আমার প্রভু। আমার কর্ণ, চক্ষু, মস্তিষ্ক, অস্থি, ঘাড়, শিরদাঁড়া সব কিছুই বিশ্ব জগতের প্রভু আল্লাহর ভয়ে প্রকম্পিত এবং তাঁর ভয়ে আমার পদদ্বয় যথেচ্ছ স্বাধীন ও ভাবতে পারে না।
(মুসলিম, শাফি'য়ী, আবূ দাউদ, তিরমিযী, দারাকুতনী ও বায়হাকী।)
اللَّهُمَّ لكَ رَكَعْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَلَكَ أَسْلَمْتُ، خَشَعَ لكَ سَمْعِي وَبَصَرِي، وَمُخِّي، وَعَظْمِي وَعَصَبِي وَمَا اسْتَقَلَّتْ بِهِ قَدَمِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
হে আল্লাহ, আমি আপনার জন্য রুকু করেছি, আপনার প্রতি ঈমান এনেছি, আপনার জন্য আত্মসমর্পণ করেছি, আপনিই আমার প্রভু। আমার কর্ণ, চক্ষু, মস্তিষ্ক, অস্থি, ঘাড়, শিরদাঁড়া সব কিছুই বিশ্ব জগতের প্রভু আল্লাহর ভয়ে প্রকম্পিত এবং তাঁর ভয়ে আমার পদদ্বয় যথেচ্ছ স্বাধীন ও ভাবতে পারে না।
(মুসলিম, শাফি'য়ী, আবূ দাউদ, তিরমিযী, দারাকুতনী ও বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(4) باب الذكر فى الركوع
(637) عن علىِّ بن أبى طالبٍ رضي الله عنه أن النبى صلى الله عليه وسلم كان إذا ركع قال اللَّهم لك ركعت وبك آمنت ولك أسلمت أنت ربِّي خشع سمعى وبصرى ومخِّى وعظمى وعصبي وما استقلَّت به قدمى لله رب العالمين
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৩৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) রুকু'তে দু'আর পরিচ্ছেদ
(৬৩৪) 'উকবা ইবন্ আমির (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন
فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ
"ফাসাব্বিহ বিস্মি রাব্বিকাল আযীম" অবতীর্ণ হল, তখন রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে বললেন, তোমরা রুকু'তে এ আয়াত পাঠ কর, অতঃপর যখন
سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى
'সাব্বিহিস্স্না রাব্বিকাল আ'লা” অবতীর্ণ হলো, তখন তিনি বললেন, তোমরা সিজদাতে এ আয়াত পাঠ কর
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ, হাকিম, ইবন্ হিব্বান ও বায়হাকী।)
فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِيمِ
"ফাসাব্বিহ বিস্মি রাব্বিকাল আযীম" অবতীর্ণ হল, তখন রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে বললেন, তোমরা রুকু'তে এ আয়াত পাঠ কর, অতঃপর যখন
سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى
'সাব্বিহিস্স্না রাব্বিকাল আ'লা” অবতীর্ণ হলো, তখন তিনি বললেন, তোমরা সিজদাতে এ আয়াত পাঠ কর
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ, হাকিম, ইবন্ হিব্বান ও বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(4) باب الذكر فى الركوع
(638) عن عقبة بن عامر رضي الله عنه لَّما نزلت فسبِّح باسم ربِّك العظيم قال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم اجعلوها (1) فى ركوعكم، فلمَّا نزلت سبَّح اسم ربَّك الأعلى، قال اجعلوها فى سجودكم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৩৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) রুকু'তে দু'আর পরিচ্ছেদ
(৬৩৫) হুযাইফা (ইবন ইয়ামান) (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর সাথে সালাত আদায় করেছি, তিনি রুকু'তে
سُبْحَانَ رَبِّيْ الْعَظِيْمِ
'সুবহানা রাব্বিয়াল আযীম' ও সিজদাতে
سُبْحَانَ رَبِّىَ الْأَعْلَى
'সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা' বলতেন। তিনি আরও বলেন, কোন রহমতের আয়াত আসলে তিনি থেমে যেতেন এবং প্রার্থনা করতেন; আর কোন আযাবের আয়াত আসলে তিনি তা থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাইতেন।
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ।)
سُبْحَانَ رَبِّيْ الْعَظِيْمِ
'সুবহানা রাব্বিয়াল আযীম' ও সিজদাতে
سُبْحَانَ رَبِّىَ الْأَعْلَى
'সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা' বলতেন। তিনি আরও বলেন, কোন রহমতের আয়াত আসলে তিনি থেমে যেতেন এবং প্রার্থনা করতেন; আর কোন আযাবের আয়াত আসলে তিনি তা থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাইতেন।
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ।)
كتاب الصلاة
(4) باب الذكر فى الركوع
(639) عن حذيفة (بن اليمان) رضي الله عنه قال صلَّيت مع رسُول الله صلى الله عليه وسلم فكان يقول فى ركوعه سبحان ربِّي العظيم وفى سجوده سبحان ربِّى الأعلى، قال وما مرِّ بآية رحمةٍ إلا وقف عندها فسأل (2) ولا آية عذابٍ إلاَّ تعوَّذ منها
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৪০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) রুকু'তে দু'আর পরিচ্ছেদ
(৬৩৬) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) রুকুতে বলতেন,
سُبُّوحٌ قُدُّوسٌ، رَبُّ المَلَائِكَةِ والرُّوحِ
"সুব্বুহুন কুদ্দুসুন রাব্বুল মালাইকাতি ওয়াররূহ"।
(মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ, ও বায়হাকী।
سُبُّوحٌ قُدُّوسٌ، رَبُّ المَلَائِكَةِ والرُّوحِ
"সুব্বুহুন কুদ্দুসুন রাব্বুল মালাইকাতি ওয়াররূহ"।
(মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ, ও বায়হাকী।
كتاب الصلاة
(4) باب الذكر فى الركوع
(640) عن عائشة رضي الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول فى ركوعه وسجوده سبُّوحٌ قدُّوسٌ (3) الملائكة والرُّوح
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৪১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) রুকু'তে দু'আর পরিচ্ছেদ
(৬৩৭) আয়িশা (রা) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি-বলেন, রাসূল (ﷺ) রুকু' ও সিজদাতে কুরআনের নির্দেশ মান্য করে
سُبْحانَكَ اللَّهُمَّ وبِحَمْدِكَ، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
'সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লাহুম্মাগ ফিরলী"-
এ দু'আ অধিক পরিমাণে তিলাওয়াত করতেন। কেননা, কুরআনে আল্লাহ বলেছেন: فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَاسْتَغْفِرْهُ অর্থাৎ তখন তুমি তোমার প্রতিপাকের প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করবে এবং তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে।)
(বুখারী ও মুসলিম (একই সূত্রে) এবং বায়হাকী, আবু দাউদ, নাসাঈ ও ইবন মাজাহ্।)
سُبْحانَكَ اللَّهُمَّ وبِحَمْدِكَ، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
'সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লাহুম্মাগ ফিরলী"-
এ দু'আ অধিক পরিমাণে তিলাওয়াত করতেন। কেননা, কুরআনে আল্লাহ বলেছেন: فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَاسْتَغْفِرْهُ অর্থাৎ তখন তুমি তোমার প্রতিপাকের প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করবে এবং তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে।)
(বুখারী ও মুসলিম (একই সূত্রে) এবং বায়হাকী, আবু দাউদ, নাসাঈ ও ইবন মাজাহ্।)
كتاب الصلاة
(4) باب الذكر فى الركوع
(641) وعنها أيضاً قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يكثر أن يقول فى ركوعه وسجوده سبحانك (1) اللَّهم وبحمدك أغفر لى يتأوَّل القرآن (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৪২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) রুকু'তে দু'আর পরিচ্ছেদ
(৬৩৮) 'আব্দুল্লাহ (ইবন্ মাসউদ) (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ)
سُبْحانَكَ اللَّهُمَّ وبِحَمْدِكَ، اغْفِرْ لِي
'সুবহানাকা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লাহুম্মাগ ফিরলী'-দু'আটি অধিক পরিমাণে পড়তেন। ইবন্ মাসউদ (রা) বলেনঃ অতঃপর যখন সূরা নাসর অবতীর্ণ হলো, তখন রাসূল (ﷺ) বললেন:
سُبْحانَكَ اللَّهُمَّ وبِحَمْدِكَ، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَابُ الرَّحِيْمِ
'সুবহানাকা রাব্বানা ওয়াবিহামদিকা আল্লাহুম্মাগ ফিরলী, ইন্নাকা আন্তাত্ তাওয়াবুর রাহীম"।
(অপর এক বর্ণনা মতে) আব্দুল্লাহ ইবন্ মাস'উদ (রা) বলেনঃ রাসূল (ﷺ)-এর ওপর যখন সূরা নাসর অবতীর্ণ হল, তখন থেকে প্রায়ই তিনি এ সূরা তিলাওয়াত করে রুকু' করতেন এবং তিনবার বলতেন,
سُبْحانَكَ اللَّهُمَّ وبِحَمْدِكَ، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَابُ الرَّحِيْمِ
"সুবহানাকা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লাহুম্মাগফিরলী ইন্নাকা আন্তাত তাওয়াবুর রাহীম'।
(হায়ছামী (র) হাদীসখানা আহমদ, আবু ইয়ালা, বাযযার ও তবারানী সূত্রে উল্লেখ করেছেন। তবারানীর বর্ণনায় হাম্মাদ ইবন্ সুলাইমান নামক ব্যক্তি নির্ভরযোগ্য, তবে তিনি জড়িয়ে ফেলতেন। পূর্ববর্তী আয়িশা (রা) বর্ণিত হাদীস অত্র হাদীসকে শক্তিশালী করেছে।)
سُبْحانَكَ اللَّهُمَّ وبِحَمْدِكَ، اغْفِرْ لِي
'সুবহানাকা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লাহুম্মাগ ফিরলী'-দু'আটি অধিক পরিমাণে পড়তেন। ইবন্ মাসউদ (রা) বলেনঃ অতঃপর যখন সূরা নাসর অবতীর্ণ হলো, তখন রাসূল (ﷺ) বললেন:
سُبْحانَكَ اللَّهُمَّ وبِحَمْدِكَ، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَابُ الرَّحِيْمِ
'সুবহানাকা রাব্বানা ওয়াবিহামদিকা আল্লাহুম্মাগ ফিরলী, ইন্নাকা আন্তাত্ তাওয়াবুর রাহীম"।
(অপর এক বর্ণনা মতে) আব্দুল্লাহ ইবন্ মাস'উদ (রা) বলেনঃ রাসূল (ﷺ)-এর ওপর যখন সূরা নাসর অবতীর্ণ হল, তখন থেকে প্রায়ই তিনি এ সূরা তিলাওয়াত করে রুকু' করতেন এবং তিনবার বলতেন,
سُبْحانَكَ اللَّهُمَّ وبِحَمْدِكَ، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَابُ الرَّحِيْمِ
"সুবহানাকা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লাহুম্মাগফিরলী ইন্নাকা আন্তাত তাওয়াবুর রাহীম'।
(হায়ছামী (র) হাদীসখানা আহমদ, আবু ইয়ালা, বাযযার ও তবারানী সূত্রে উল্লেখ করেছেন। তবারানীর বর্ণনায় হাম্মাদ ইবন্ সুলাইমান নামক ব্যক্তি নির্ভরযোগ্য, তবে তিনি জড়িয়ে ফেলতেন। পূর্ববর্তী আয়িশা (রা) বর্ণিত হাদীস অত্র হাদীসকে শক্তিশালী করেছে।)
كتاب الصلاة
(4) باب الذكر فى الركوع
(642) عن عبد الله (بن مسعود) رضي الله عنه أن النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم كان ما يكثر أن يقول سبحانك ربنَّا وبحمَّدك اللَّهم اغفر لى، قال لها فلمَّا نزلت إذا جاء نصر الله، الفتح قل سبحانك ربَّنا بحمدك اللَّهم أغفر لى، إنَّك أنت التَّواب الرَّحيم (وعنه إن طريق ثانٍ) (1) قال منذ أنزل على رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا جاء نصر الله والفتح كان يكثر أن يقول إذا قرأها ثمَّ ركع بها أن يقول سبحانك ربَّنا بحمدك، اللهم اغفر لى إنَّك أنت التوَّاب الرَّحيم ثلاثاً
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৪৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) রুকু'তে দু'আর পরিচ্ছেদ
(৬৩৯) 'আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি আমার খালা মায়মুনার কাছে এক রাত অবস্থান করছিলাম। রাসূল (ﷺ) রাতে জাগ্রত হলেন (সালাতুত তাহাজ্জুদ আদায়ের জন্য)। অতঃপর হাদীস বর্ণনা করেন। অতঃপর তিনি রুকু' করলেন। বর্ণনাকারী বলেন: আমি তাঁকে রুকুতে
سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيْمِ
'সুবহানা রাব্বিয়াল 'আযীম' বলতে শুনেছি। অতপরঃ তিনি মাথা উত্তোলন করলেন, তারপর সাধ্যমত আল্লাহর প্রশংসা করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি সিজদা করলেন এবং সিজদায় বললেন,
سُبْحَانَ رَبِّىَ الْأَعْلَى
'সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা। তিনি বলেন: তারপর তিনি তাঁর মাথা উত্তোলন করলেন এবং দু'সিজদার মাঝে বললেন, رَبِّ اغْفِرْلِي وَارْحَمْنِي وَاجْبَرْنِي وَارْفَعْنِي وَارْزُقْنِى وَاهْدِنِيْ হে প্রভু! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে সক্ষম করুন, আমাকে সমুন্নত করুন, আমাকে রিফ্ট দান করুন এবং আমাকে হিদায়াত দান করুন।
(শাফেয়ী, আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ্ ও বায়হাকী।)
سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيْمِ
'সুবহানা রাব্বিয়াল 'আযীম' বলতে শুনেছি। অতপরঃ তিনি মাথা উত্তোলন করলেন, তারপর সাধ্যমত আল্লাহর প্রশংসা করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি সিজদা করলেন এবং সিজদায় বললেন,
سُبْحَانَ رَبِّىَ الْأَعْلَى
'সুবহানা রাব্বিয়াল আ'লা। তিনি বলেন: তারপর তিনি তাঁর মাথা উত্তোলন করলেন এবং দু'সিজদার মাঝে বললেন, رَبِّ اغْفِرْلِي وَارْحَمْنِي وَاجْبَرْنِي وَارْفَعْنِي وَارْزُقْنِى وَاهْدِنِيْ হে প্রভু! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে সক্ষম করুন, আমাকে সমুন্নত করুন, আমাকে রিফ্ট দান করুন এবং আমাকে হিদায়াত দান করুন।
(শাফেয়ী, আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ্ ও বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(4) باب الذكر فى الركوع
(643) عن ابن عباس رضي الله عنهما قال بتُّ عند خالتى ميمونتة قال فانتبه رسول الله صلى الله عليه وسلم من اللَّيل فذكر الحديث (2) قال ثمَّ ركع قال فرأيته قال فى ركوعه سبحان ربَّى العظيم، ثمَّ رفع رأسه فحمد الله ما شاء أن يحمده (3) قال ثمَّ سجد فكان يقول فى سجوده سبحان ربِّى الأعلى، قال ثمَّ رفع رأسه قال فكان يقول فيما بين السَّجدتين ربِّ اغفر لى وارحمنى واجبرني وارفعني وارزقني واهدني
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৪৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) রুকু ও সিজদাতে কিরাআত পাঠ নিষেধ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৪০) 'আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) কোন ব্যক্তিকে রুকু' বা সিজদারত অবস্থায় কিরাআত পাঠ করতে নিষেধ করেছেন।
(মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, বায়হাকী।)
(মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(5) باب النهي عن القراءة فى الركوع والسجود
(644) عن علىّ رضي الله عنه قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يقرأ الرَّجل وهو راكعٌ أو ساجدٌ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৪৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) রুকু ও সিজদাতে কিরাআত পাঠ নিষেধ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৪১) নু'মান ইবন্ সা'দ (রা) 'আলী (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি, আলী (রা)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, আমি কি রুকু' ও সিজদাতে তিলাওয়াত করব? তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, রুকু ও সিজদাতে আমাকে তিলাওয়াত করতে নিষেধ করা হয়েছে। তোমরা যখন রুকু' করবে তখন আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা করবে, আর যখন সিজদা করবে তখন প্রার্থনার প্রচেষ্টা চালাবে, সত্যিই তোমাদের প্রার্থনা কবুল করা হবে।
(মুসলিম, নাসাঈ, তিরমিযী, বায়হাকী।)
(মুসলিম, নাসাঈ, তিরমিযী, বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(5) باب النهي عن القراءة فى الركوع والسجود
(645) ز عن النُّعمان بن سعدٍ عن علىٍ رضي الله عنه قال سأله رجلٌ آاقرأ فى الرُّكوع والسُّجود؟ فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنِّى نهيت (1) أن أقرأ فى الرُّكوع السُّجود، فإذا ركعتم فعظِّموا الله، (2) وإذا سجدتم فاجتهدوا فى المسألة (3) فقمنٌ (4) أن يُستجاب لكم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৪৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) রুকু ও সিজদাতে কিরাআত পাঠ নিষেধ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৪২) আব্দুল্লাহ ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, তোমরা জেনে রাখ, রুকু' বা সিজদারত অবস্থায় কিরাআত পাঠে আমাকে নিষেধ করা হয়েছে। কারণ, রুকুতে তোমরা প্রভুর শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা করবে, আর সিজদাতে তোমরা দু'আর জন্য যথাসাধ্য প্রচেষ্টা চালাও। আশা করা যায়, তোমাদের দু'আ কবুল করা হবে।
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ ও বায়হাকী।)
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ ও বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(5) باب النهي عن القراءة فى الركوع والسجود
(646) عن ابن عبَّاسٍ رضي الله عنهما عن النَّبي صلى الله عليه وسلم ألا إنَّي نهيت أن أقرأ راكعًا أو ساجدًا، فأمَّا الرُّكوع فعظِّموا فيه الرَّبَّ، وأمَّا السُّجود فاجتهدوا فى الدُّعاء فقمنٌ أن يُستجاب لكم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৪৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) রুকু ও সিজদা থেকে মাথা উঁচু করা ও তারপর প্রশান্ত হওয়া ওয়াজিব এবং তা পরিত্যাগকারীর প্রতি শাস্তির ভীতি প্রদর্শন সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৪৩) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহ ঐ ব্যক্তির সালাতের দিকে দৃষ্টিপাত করেন না, যে রুকু'ও সিজদাতে তার মেরুদণ্ড (বা পৃষ্ঠদেশ) সোজা করে না।
(ইমাম আহমদ (র) মানসম্মত সনদে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
(ইমাম আহমদ (র) মানসম্মত সনদে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(6) باب وجوب الرفع من الركوع والسجود والطمأنينة بعدهما ووعيد من ترك ذلك
(647) عن أبى هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا ينظر الله (1) إلى صلاة رجل لا يقيم صلبه (1) بين ركوعه وسجوده
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৪৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) রুকু ও সিজদা থেকে মাথা উঁচু করা ও তারপর প্রশান্ত হওয়া ওয়াজিব এবং তা পরিত্যাগকারীর প্রতি শাস্তির ভীতি প্রদর্শন সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৪৪) ত্বালক ইবন্ 'আলী আল-হানাফী (রা)-এর বর্ণনা, তিনি রাসূল (ﷺ) থেকে উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(হায়ছামী (র), আহমদ (র) ও তবারানী (র) সূত্রে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। তাঁর মতে হাদীসের সনদে বর্ণিত ব্যক্তিবর্গ সবাই নির্ভরযোগ্য।)
(হায়ছামী (র), আহমদ (র) ও তবারানী (র) সূত্রে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। তাঁর মতে হাদীসের সনদে বর্ণিত ব্যক্তিবর্গ সবাই নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(6) باب وجوب الرفع من الركوع والسجود والطمأنينة بعدهما ووعيد من ترك ذلك
(648) عن طلق بن علىٍ الحنفِّى رضي الله عنه عن النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم مثله
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৪৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) রুকু ও সিজদা থেকে মাথা উঁচু করা ও তারপর প্রশান্ত হওয়া ওয়াজিব এবং তা পরিত্যাগকারীর প্রতি শাস্তির ভীতি প্রদর্শন সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৪৫) 'আলী ইবন্ শায়বান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি (তাঁর গোত্রের) প্রতিনিধি হিসেবে রাসূল (ﷺ)-এর সান্নিধ্যে গমন করেন। তিনি বলেন, আমরা রাসূল (ﷺ) পেছনে সালাত আদায় করলাম, তখন রাসূল (ﷺ) তাঁর দু'চোখের পার্শ্ব দিয়ে এক ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলেন যে, সে রুকু' ও সিজদাতে তার মেরুদণ্ড সোজা করছে না। অতঃপর সালাত শেষে রাসূল (ﷺ) বললেনঃ হে মুসলিম সম্প্রদায়। রুকু' ও সিজদাতে যে ব্যক্তি তার মেরুদণ্ড সোজা করে না তার সালাত বিশুদ্ধ হয় না।
(ইবন মাজাহ, ইবন্ হিব্বান ও ইবন্ খুযাইমা তাঁদের সহীহতে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন।)
(ইবন মাজাহ, ইবন্ হিব্বান ও ইবন্ খুযাইমা তাঁদের সহীহতে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(6) باب وجوب الرفع من الركوع والسجود والطمأنينة بعدهما ووعيد من ترك ذلك
(649) عن علىِّ بن شيبان رضي الله عنه أنَّه خرج وافدًا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فصلَّينا خلف النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم فلمح بمؤخر (2) عينيه إلى رجلٍ لا يقيم صلبه فى الرُّكوع والسُّجود، فلمَّا انصرف قال يا معشر المسلمين إنَّه لا صلاة لمن لا يُقيم صلبه فى الرُّكوع والسُّجود
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৫০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৬) রুকু ও সিজদা থেকে মাথা উঁচু করা ও তারপর প্রশান্ত হওয়া ওয়াজিব এবং তা পরিত্যাগকারীর প্রতি শাস্তির ভীতি প্রদর্শন সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬৪৬) আব্দুল্লাহ ইবন আবী কাতাদাহ (রা) তাঁর পিতা কাতাদা (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূল বলেছেন: মানুষের মধ্যে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট চোর হল সেই ব্যক্তি যে সালাতে চুরি করে। সাহাবীরা জিজ্ঞাসা (ﷺ) করলেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)। সে সালাতে কিভাবে চুরি করে? রাসূল (ﷺ) বললেন, সে তার রুকু ও সিজদাকে পূর্ণ করে না, অথবা রাসূল (ﷺ) বলেছেন: রুকু'ও সিজদাতে তার মেরুদণ্ড সোজা করে না*।
*(বর্ণনাকারীর সংশয় যে, রাসূল (ﷺ) আগের কথা বলেছেন নাকি পরের কথা বলেছেন।)
(তবারানী মু'জামুল কাবীরে ও হাকিম মুস্তাদরক গ্রন্থে হাদীসগুলো বর্ণনা করেছেন।)
*(বর্ণনাকারীর সংশয় যে, রাসূল (ﷺ) আগের কথা বলেছেন নাকি পরের কথা বলেছেন।)
(তবারানী মু'জামুল কাবীরে ও হাকিম মুস্তাদরক গ্রন্থে হাদীসগুলো বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(6) باب وجوب الرفع من الركوع والسجود والطمأنينة بعدهما ووعيد من ترك ذلك
(650) عن عبد الله بن أبى قتادة عن أبيه رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أسوأ النَّاس سرقةً الذَّى يسرق من صلاته، قالوا يا رسول الله وكيف يسرق من صلاته؟ قال لا يتمُّ ركوعها ولا سجودها أو قال لا يقيم صلبه فى الرُّوع والسُّجود
তাহকীক: