মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ৬১১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩০) সালাতে কিরাআত পাঠকদের মধ্যে ইবন্ মাসউদ ও উবাই (রা) প্রশংসিতদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার দলীল সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬০৭) মাসরূক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি 'আব্দুল্লাহ ইবন্ 'আমর (রা)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম, তিনি' আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা)-এর প্রসঙ্গে কথা বলছিলেন। তিনি বললেন, ওই ব্যক্তিকে আমি সব সময় ভালবাসি। আমি রাসূলকে (ﷺ) বলতে শুনেছি; তোমরা চারব্যক্তি থেকে কুরআন শিক্ষা কর। (১) আব্দুল্লাহ-এর মা'র ছেলে অর্থাৎ আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা)-এর নাম প্রথমে বললেন, (২) মু'আয ইবন জাবাল (রা) এবং (৩) আবূ হুযাইফার মুক্ত দাস সালিম (রা)। ইয়ালা (রা) বলেন, আমি চতুর্থ ব্যক্তির নাম ভুলে গিয়েছি। (অন্যান্য বর্ণনাতে তিনি উবাই ইবন্ কা'ব (রা)। (অপর এক বর্ণনামতে) আমাদের কাছে আব্দুল্লাহ (রা) বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমার কাছে বলেছেন, মুহাম্মদ ইবন্ জা'ফর (রা) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। শু'বা (রা) সুলাইমান (রা)-এর সূত্রে বলেছেন: আমি আবূ ওয়াইল (রা)-কে মাসরূক (রা) থেকে তিনি আব্দুল্লাহ ইবন্ আমর (রা) থেকে, তিনি রাসূল (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমরা চার ব্যক্তির নিকট থেকে কুরআন শিক্ষা কর (১) আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে, (২) আবূ হুযাইফা (রা)-এর আযাদকৃত গোলাম সালিম (রা) থেকে (৩) মু'আয ইবন্ জাবাল (রা) থেকে ও (৪) উবাই ইবন্ কা'ব (রা) থেকে।
(বুখারী ও মুসলিম একই সনদে এবং তিরমিযী ও হাকিম (র) নিজ নিজ গ্রন্থে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(30) باب الحجة فى الصلاة بقراءة ابن مسعود وأبى ممن اثنى على قراءته
(611) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا يملى ثنا الأعمش عن أبى وائلٍ عن مسروقٍ قال كنت جالسًا عند عبد الله بن عمرٍو فذكر عبد الله بن مسعودٍ، فقال إنَّ ذاك الرَّجل لا أزال أحبُّه أبدًا، سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول خذوا القرآن عن أربعةً (4) عن ابن أمِّ عبد فبدأ به، (5) وعن معاذٍ، وعن سالمٍ مولى أبى حذيفة، قال يعلى ونسيت الرَّابع (6) (ومن طريقٍ ثانٍ) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا محمَّد بن جعفرٍ ثنا شعبة عن سليمان سمعت أبا وائلٍ يحدِّث عن مسروقٍ عن عبد الله بن عمر وعن النبى صلى الله عليه وسلم قال، استقرئوا القرآن من أربعةٍ (1) من عبد الله بن مسعودٍ، وسالمٍ مولى أبي حذيفة، ومعاذ بن جبل وأبىِّ بن كعبٍ،
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬১২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩১) কর্ম পরিবর্তনের তাকবীর সংক্রান্ত অধ্যায়
(৬০৮) ওয়াসি' ইবন্ হিব্বান (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি 'আব্দুল্লাহ ইবন 'উমর (রা)-কে বললাম, আপনি আমাকে বলুন, রাসূল (ﷺ)-এর সালাত কেমন ছিল? তিনি বলেন, অতঃপর তিনি রাসূল (ﷺ)-এর মাথা নিচু করার ক্ষেত্রে এবং মাথা উঁচু করার ক্ষেত্রে তাকবীর-এর কথা বললেন এবং ডান দিকে আস্সালামু আলাইকুম এবং বাম দিকে আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমতুল্লাহ বলার কথা উল্লেখ করলেন।
(ইমাম নাসাঈ (র) অত্র হাদিসখানা মানসম্মত সনদে উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(31) باب تكبيرات الانتقال
(612) عن واسع بن حبَّان قال قلت لابن عمر أخبرنى عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم كيف كانت، قال فذكر التًّكبير كلَّما وضع رأسه وكلَّما رفعه (1) وذكر السلاَّم ورحمة الله عن يمينه السلاَّم عليكم (1) عن يساره
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬১৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩১) কর্ম পরিবর্তনের তাকবীর সংক্রান্ত অধ্যায়
(৬০৯) আনাস ইব্‌ন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু বকর, উমর ও উসমান (রা) সকলেই তাকবীর পূর্ণ করতেন, তাঁরা তাকবীর বলতেন সিজদা কালে, আবার মাথা উঁচু করতে এবং নীচু করতেও তাকবীর বলতেন।
(নাসাঈ ও বায়হাকী (রা) হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। এর সনদ মানসম্মত।)
كتاب الصلاة
(31) باب تكبيرات الانتقال
(613) عن أنس بن مالك رضى الله عنه قال إنَّ أبا بكرٍ وعمر وعثمان كانوا يتمنون للتكبير فيكبرون إذا سجدوا، وإذا رفعوا أو خفضوا كبَّروا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬১৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩১) কর্ম পরিবর্তনের তাকবীর সংক্রান্ত অধ্যায়
(৬১০) 'আব্দুর রহমান ইবন্ গানম (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি আবু মালিক আশ'আরী (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি তাঁর সঙ্গীদেরকে একত্রিত করলেন এবং বললেন, আস আমরা রাসূল (ﷺ)-এর সালাতের ন্যায় সালাত আদায় করি। আব্দুর রহমান (রা) বলেন, তিনি আশ'আরী সম্প্রদায়ের লোক ছিলেন। তিনি বলেন: অতঃপর তিনি একটা বড় পানির পাত্র চেয়ে পাঠালেন এবং তাঁর হস্তদ্বয় তিন বার ধৌত করলেন, কুল্লি করলেন, নাকে পানি দিলেন এবং তিনবার মুখমণ্ডল ধৌত করলেন, তিনবার দুই হাত কনুই পর্যন্ত ধৌত করলেন, মাথা ও দু'কান মাস্হ করলেন এবং পদদ্বয় ধৌত করলেন।
বর্ণনাকারী বলেন: তারপর তিনি সালাতুয জোহর আদায় করলেন। তাতে সুরা ফাতিহা পাঠ করলেন এবং বাইশবার তাকবীর উচ্চারণ করলেন, আব্দুর রহমান ইবন গনম (রা) থেকে অনুরূপ সনদে আরও বর্ণিত আছে; তিনি তাঁর মাথা মাস্হ করলেন এবং দু'পায়ের পৃষ্ঠদেশ মাস্হ করলেন। অতঃপর তাঁদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন ও বাইশবার তাকবীর বললেন। সিজদার তাকবীর এবং সিজদা থেকে মাথা উঁচু করে তাকবীর। দু'রাকা'আতেই সন্নিকটস্থ দাঁড়ানো মুসল্লীদেরকে শুনিয়ে সূরা ফাতিহা পাঠ করলেন।
(ইবন আবি শাইবা (র) স্বীয় হাদীসগ্রন্থে অত্র হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন। তবারানী (র) মু'জামুল কাবীরে আংশিক উল্লেখ করেছেন, হায়ছামী (র) পরবর্তীতে আগত হাদীসের সাথে মিলিয়ে বর্ণনা করেছেন। বর্ণনাকারীদের একজন শাহর ইবন্ হাওশাব (র)-এর ব্যাপারে অভিযোগ আছে, তবে আহমদ ইবন্ আব্দুর রহমান আল-বান্না (র)-এর মতে, তিনি বিশ্বাসযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(31) باب تكبيرات الانتقال
(614) عن عبد الرَّحمن بن غنم (2) عن أبى مالكٍ الأشعرىِّ رضي الله عنه أنَّه جمع أصحابه فقال هلمَّ أُصلّى صلاة نبيِّ الله صلى الله عليه وسلم قال وكان رجلاً من الأشعريِّين، قال فدعا بجفنةٍ (3) من ماءٍ فغسل يديه ثلاثًا، ومضمض واستنشق، وغسل وجهه ثلاثاً، وذراعيه ثلاثاً، ومسح برأسه، وأذنيه، وغسل قدميه، قال فصلَّي الظُّهر فقرأ فيها بفاتحة الكتاب وكبَّر ثنتين وعشرين تكبيرةٌ (4) (وعنه من طريق ثانٍ بنحوه) (5) وفيه ومسح برأسه وظهر قدميه ثمَّ صلَّي بهم فكبَّر بهم ثنتين وعشرين تكبيرة، يكبَّر إذا سجد وإذا رفع رأسه من السُّجود، وقرأ فى الرَّكعتين بفاتحة الكتاب وأسمع من يليه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬১৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩১) কর্ম পরিবর্তনের তাকবীর সংক্রান্ত অধ্যায়
(৬১১) আবূ মালিক আল-আশ'আরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি (ﷺ) কিরাআত ও কিয়ামের-ক্ষেত্রে চার রাকা'আতের মধ্যে সমতা বিধান করতেন। প্রথম রাকা'আতকে সর্বাধিক দীর্ঘ করতেন যাতে জনগণ উপকৃত হতে পারে। এবং পুরুষদেরকে শিশুদের সামনে রাখতেন এবং শিশুদেরকে তাদের পেছনে; আর নারীদেরকে শিশুদের পেছনে রাখতেন। সিজদাকালে মাথা উঁচু করে তাকবীর বলতেন আর বসা থাকলে দু'রাকা'আতের মাঝে ওঠার সময় তাকবীর বলতেন।
(আবু দাউদ (র) স্বীয় সুনানে হাদীসখানার বর্ণনা দিয়েছেন।)
كتاب الصلاة
(31) باب تكبيرات الانتقال
(615) عن أبي مالك الأشعرىَّ رضي الله عنه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنَّه كان يسوِّى بين الأربع ركعاتٍ فى القراءة والقيام، ويجعل الرَّكعة الأولى هى أطولهنَّ لكى يثوب النَّاس، ويجعل الرِّجال قدَّام العلمان، والغلمان خلفهم، والنسِّاء خلف الغلمان، ويكبِّر كلَّما سجد وكلَّما رفع، ويكبِّر كلَّما نهض بين الرَّكعتين إذا كان جالسًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬১৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩১) কর্ম পরিবর্তনের তাকবীর সংক্রান্ত অধ্যায়
(৬১২) ইকরিমা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি 'আব্দুল্লাহ ইবন্ 'আব্বাস (রা)-কে বললাম, আমি বাতহায় একজন স্বল্পজ্ঞানী শায়খের (বৃদ্ধের) পেছনে জোহরের সালাত আদায় করলাম, তিনি বাইশবার তাকবীর বললেন। তিনি সিজদা কালে তাকবীর দিলেন এবং মাথা উত্তোলন করেও তাকবীর দিলেন। তিনি বলেন, তখন আব্দুল্লাহ ইবন্ আব্বাস (রা) বললেন, এটাই হচ্ছে আবুল কাসিম (ﷺ)-এর সালাত।
(বুখারী ও বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(31) باب تكبيرات الانتقال
(616) عن عكرمة قال قلت لابن عبِّاس رضي الله عنهما صلَّيت الظُّهر بالبطحاء (1) خلف شيخٍ أحمق فكبَّر ثنتين وعشرين تكبيرةً، يكبِّر إذا سجد وإذا رفع رأسه، قال فقال ابن عبَّاسٍ تلك صلاة أبى القاسم (2) صلَّى الله عليه وآله وصحبه وسلم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬১৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩১) কর্ম পরিবর্তনের তাকবীর সংক্রান্ত অধ্যায়
(৬১৩) আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে (সালাতে) প্রতিবার নীচু হলে, মাথা উঁচু করলে, দাঁড়ালে ও বসলে তাকবীর বলতে দেখেছি। তিনি তাঁর ডান দিকে ও বাম দিকে সালাম ফিরাতেন, তাতে তাঁর দু'গণ্ডদেশে শুভ্রতা অথবা এক গণ্ডদেশের শুভ্রতা* পরিদৃষ্ট হতো, আমি আবূ বকর (রা) ও উমর (রা)-কেও অনুরূপ করতে দেখেছি।
*(বর্ণনাকারীর সংশয়।)
(নাসাঈ ও তিরমিযী ইমাম বুখারী ও মুসলিম (র) ইমরান ইবন্ হুসাইন এবং আবু হুরায়রা (রা) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন।)
كتاب الصلاة
(31) باب تكبيرات الانتقال
(617) عن عبد الله ابن مسعود رضي الله عنه قال أنا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يكبِّر فى كلِّ خفض ورفعٍ وقيامٍ، ويسلِّم عن يمينه وعن يساره حتَّى يرى بياض خدَّيه، أوخدِّه، ورأيت أبا بكرٍ وعمر يفعلان ذلك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬১৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩১) কর্ম পরিবর্তনের তাকবীর সংক্রান্ত অধ্যায়
(৬১৪) আবূ সালামা ইবন্ 'আব্দুর রহমান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা (রা) আমাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করতেন। তিনি যখন সালাতের জন্য দাঁড়াতেন তখন তাকবীর বলতেন, আবার যখন রুকু করতেন তখনও তাকবীর বলতেন। আবার যখন রুকু থেকে উঠে সিজদায় যাওয়ার ইচ্ছা করতেন, এক সিজদা থেকে উঠে অন্য সিজদায় যাওয়ার ইচ্ছা করতেন, যখন বসতেন, দ্বিতীয় রাকা'আতে যখন উঠতেন সকল ক্ষেত্রেই তাকবীর বলতেন। এভাবে পরবর্তী দু'রাকা'আতেও অনুরূপ তাকবীর বলতেন। যখন সালাম দিতেন তখন তিনি বলতেন, সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, নিশ্চয় আমি রাসূল (ﷺ)-এর সালাতের ব্যাপারে তোমাদের তুলনায় সর্বাধিক নিকটবর্তী। পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তাঁর সালাত এরূপই ছিল।
(বুখারী ও মুসলিম একই সূত্রে এবং বায়হাকী ও আব্দুর রাযযাক ভিন্ন ভিন্ন সূত্রে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(31) باب تكبيرات الانتقال
(618) عن أبى سلمة بن عبد الرحمن قال كان أبو هريرة يصلِّى بنا فيُكبِّر حين يقوم وحين يركع، وإذا أراد أن أن يسجد بعد ما يرفع من الرُّكوع، وإذا أراد أن يسجد بعد ما يرفع به من السُّجود، وإذا جلس، وإذا أراد أن يرفع فى الرَّكعتين كبَّر، ويُكبَّر مثل ذلك فى الرَّكعتين الأخريين، فإذا سلمَّ قال والِّذى نفسى بيده إنِّى لأقربكم شبهًا برسول الله صلى الله عليه وسلم يعنى صلاته، مازالت هذه صلاته حتَّى فارق الدُّنيا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬১৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩১) কর্ম পরিবর্তনের তাকবীর সংক্রান্ত অধ্যায়
(৬১৫) সুহাইল (রা) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল (ﷺ) প্রত্যেকবার মাথা নীচু করতে ও উঁচু করতে তাকবীর বলতেন। তিনি আরও বলেন: রাসূল (ﷺ) এটা প্রতিনিয়ত করতেন।
(বুখারী ও মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(31) باب تكبيرات الانتقال
(619) عن سهيلٍ عن أبيه عن أبى هريرة أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يكبِّر كُلُّما خفض ورفع (1) ويحدِّث أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يفعل ذلك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬২০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩১) কর্ম পরিবর্তনের তাকবীর সংক্রান্ত অধ্যায়
(৬১৬) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) সালাতে দাঁড়ালে দাঁড়ানো অবস্থায় তাকবীর বলতেন, তারপর রুকু করার সময় তাকবীর বলতেন, অতঃপর রুকু থেকে মেরুদণ্ড সোজা করে বলতেন, “সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ" অতঃপর দাঁড়ানো অবস্থায় বলতেন-'রাব্বানা লাকাল হাম্দ'। সিজদার জন্য নত হওয়ার সময় তাকবীর বলতেন। তারপর মাথা উঁচু করে আবার তাকবীর বলতেন, অতঃপর সিজদার জন্য মাথা নীচু করে আবার তাকবীর বলতেন, আবার মাথা উঁচু করে তাকবীর বলতেন, তারপর বাকি সমগ্র সালাতে শেষ পর্যন্ত এরূপ করতেন, আবার দু'রাকা'আতের শেষে বসা থেকে যখন দাঁড়াতেন তখনও তাকবীর বলতেন।
(বুখারী ও মুসলিম (র) একই সনদে ও আবু দাউদ (র) ভিন্ন ভিন্ন সনদে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(31) باب تكبيرات الانتقال
(620) عن أبى هريرة رضي الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام إلى الصلاَّة يكبِّر حين يقوم، ثمَّ يكبِّر حين يركع، ثم يقول سمع الله لمن حمده حين يرفع صلبه من الرَّكعة، ثمَّ يقول وهو قائمٌ ربَّنا لك الحمد، ثم يكبِّر حين يهوى ساجداً، ثمَّ يكبِّر حين يرفع رأسه، ثمَّ يكبِّر حين يهوى ساجداً، ثم يكبِّر حين يرفع رأسه، ثمَّ يفعل ذلك فى الصَّلاة كلِّها حتَّى يقضيها، ويكبَّر حين يقوم من اللَّتين بعد الجلوس
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬২১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩১) কর্ম পরিবর্তনের তাকবীর সংক্রান্ত অধ্যায়
(৬১৭) সা'ঈদ ইবন্ হারিছ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু হুরায়রা (রা) অসুস্থ হলেন অথবা তিনি অনুপস্থিত ছিলেন*, এমতাবস্থায় আবূ সা'ঈদ আল-খুদরী (রা) আমাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন- সালাতের শুরুতে, রুকুর সময়, যখন সামিআল্লাহু লিমান হামিদা' বললেন, সিজদা থেকে মাথা উঁচু করে, সিজদা কালে দু'আকা'আতের মাঝে দাঁড়িয়ে- সকল ক্ষেত্রেই সজোরে তাকবীর বললেন, এভাবেই তিনি সালাত শেষ করলেন। সালাত শেষে তাঁকে বলা হলঃ লোকজন আপনার সালাতের ব্যাপারে মতপার্থক্য করছে। অতঃপর তিনি ঘুরলেন ও মিম্বরের নিকট দাঁড়ালেন এবং বললেন: ওহে উপস্থিত জনতা, আল্লাহর শপথ! তোমাদের সালাত ভিন্ন হোক আর না হোক, আমি কোন পরোয়া করছি না। আমি রাসূল (ﷺ)-কে এভাবেই সালাত আদায় করতে দেখেছি।
*(বর্ণনাকারীর সংশয়।)
(বুখারী (র) সংক্ষিপ্ত আকারে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(31) باب تكبيرات الانتقال
(621) عن سعيد بن الحارث قال اشتكى أبو هريرة أو غاب فصلَّى بنا أبو سعيدٍ الخدرى رضي الله عنه فجهر بالتَّكبير حين افتتح الصَّلاة وحين ركع وحين قال سمع الله لمن حمده وحين رفع رأسه من السُّجود وحين سجد وحين قام بين الرَّكعتين حتَّى قضى صلاته على ذلك، فلمَّا صلَّي قيل له قد اختلف النَّاس على صلاتك، (1) فخرج فقام عند المنبر فقال أيُّها النَّاس، والله ما أُبالى اختلفت صلاتكم أو لم تختلف، هكذا رأيت النِّبي صلى الله عليه وسلم يصلِّى
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬২২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩১) কর্ম পরিবর্তনের তাকবীর সংক্রান্ত অধ্যায়
(৬১৮) আবূ মূসা আল-আশআরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'আলী ইবন্ আবী তালিব (রা) আমাদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন সেই সালাত, যা আমরা রাসূল (ﷺ)-এর সাথে আদায় করতাম। তা থেকে হয় আমরা কিছু ভুলে গিয়েছিলাম অথবা কিছু ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দিচ্ছিলাম। আর সে সালাতে রাসূল (ﷺ) প্রত্যেক রুকুর সময় প্রত্যেকবার মাথা উঁচু করে এবং প্রত্যেকবার সিজদা কালে তাকবীর বলতেন।)
(হাফিজ (র) বলেন, হাদীসখানা আহমদ (র) ও তাহাবী (র) সহীহ্ সনদে বর্ণনা করেছেন। আহমদ ইবন্ আব্দুর রহমান আল-বান্না (র) বলেন, হায়ছামী (র) হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(31) باب تكبيرات الانتقال
(622) عن أبى موسى الأشعرىِّ رضي الله عنه قال لقد ذكِّرنا علىُّ ابن أبى طالب صلاة كنا نصلِّيها مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إمَّا نسياناها وإمَّا تركناها عمداً (2) يكبِّر كلَّما سجد
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬২৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩১) কর্ম পরিবর্তনের তাকবীর সংক্রান্ত অধ্যায়
(৬১৯) 'ইমরান ইবন্ হুসাইন (রা) বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি আলী (রা)-এর পেছনে এমনভাবে সালাহ্ আদায় করলাম, যা রাসূল (ﷺ)-এর সাথে এবং আমার আদায়কৃত সালাতকে স্মরণ করিয়ে দেয়। তিনি বলেন, আমি দৌড়ে গেলাম এবং আলী (রা)-এর পেছনে সালাত আদায় করলাম। তিনি প্রত্যেক সিজদাতে প্রত্যেক রুকু থেকে মাথা উঁচু করে তাকবীর বললেন। অতঃপর আমি তাঁকে বললাম, ওহে আবু নুজাইদ, প্রথম কেন তাকবীর বলা ছেড়ে দিলেন? তিনি বললেন: উসমান (রা) যখন বয়োঃবৃদ্ধির ফলে তাঁর কণ্ঠস্বর দুর্বল হয়ে যাচ্ছিল, তখন তিনি তাকবীর জোরে বলা ছেড়ে দিলেন।
(এখানে রুকু বলতে রুকু ও সিজদা দু'টাই বুঝাবে। অন্যান্য হাদীসদ্বারা রুকু সিজদা উভয়ই সাব্যস্ত আছে।)
(বুখারী ও মুসলিম একই সূত্রে এবং আবু দাউদ ও বায়হাকী (র) ভিন্ন ভিন্ন সূত্রে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(31) باب تكبيرات الانتقال
(623) عن مطرِّف بن الشِّخِّير عن عمران بن حصينٍ رضي الله عنه قال صلَّيت خلف علىِّ بن طالبٍ رضي الله عنه صلاةً ذكَّرنى صلاةً صلَّيتها مع رسول الله صلى الله عليه وسلم والخليفتين، قال فانطلقت فصلَّيت معه فإذا هو يكبِّر كلَّما سجد وكلَّما رفع رأسه من الرُّكوع (1) فقلت يا أبا نجيدٍ كم أوَّل من تركه؟ قال عثمان بن عفانٍ رضي الله عنه حين كبر وضعف صوته تركه (2)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬২৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩১) কর্ম পরিবর্তনের তাকবীর সংক্রান্ত অধ্যায়
(৬২০) আব্দুল্লাহ ইবন্ আব্দুর রহমান ইবন্ আবযা (রা) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি রাসূল (ﷺ)-এর সাথে সালাত আদায় করেছেন, তখন রাসূল (ﷺ) মাথা নীচুকালে উঁচুকালে তাকবীর পরিপূর্ণ করেন নি।
(অর্থাৎ তাকবীর সজোরে আদায় করেননি অথবা দীর্ঘ করে আদায় করেন নি, অথবা সবাইকে শামিল করতে পারেন নি অথবা সবগুলো আদায় করেন নি। হাদীসখানা সহীহ। এর কারণ রাসূল (ﷺ) জায়েয বিষয় শিক্ষা দিয়েছেন। তবে মুতাওয়াতির মতে রাসূল সর্বদা ওগুলো পূর্ণ করেছেন।
(আবু দাউদ ও বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(31) باب تكبيرات الانتقال
(624) عن شعبة حدَّثنا الحسن بن عمران رجل كان بواسطٍ (3) قال سمعت عبد الله بن عبد الرَّحمن بن أبزى يحدَّث عن أبيه أنَّه صلَّى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فكان لا يتمُّ (1) التكبير، يعنى إذا خفض وإذا رفع
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬২৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ রুকু ও সিজদা এবং এতদুভয় সম্পর্কিত বিধি-বিধান বিষয়ক পরিচ্ছেদ!

(১) রুকুতে এক হাতের তালুকে অন্য হাতের তালুর সাথে মিশিয়ে তা হাঁটু সংলগ্ন উরুতে রাখার বিধান ও তা বাতিল হওয়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬২১) ইবনুল আসওয়াদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি আলকামা ও আসওয়াদ (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তাঁরা দু'জন ইবন মাসউদ (বা)-এর সাথে ছিলেন; তখন সালাতের সময় হল। আলকামা ও আসওয়াদ (রা) সালাত আদায়ে বিলম্ব করছিলেন, তখন ইবন মাসউদ (রা) তাঁদের দু'জনকে হাত ধরে টেনে একজনকে তাঁর ডানে ও অপরজনকে তাঁর বামপাশে দাঁড় করালেন। অতঃপর সালাতে রুকু করলেন, তাতে তারা দু'জন তাঁদের দু'হাত হাঁটুতে রাখলেন। ইবন মাসউদ (রা) তাঁদের দু'হাত ছাড়িয়ে দিলেন, অতঃপর দু'হাতের তালু প্রশস্ত করালেন এবং উরুর নিকটে ধরালেন এবং বললেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে এরূপ করতে দেখেছি।
(মুসলিম ও বায়হাকীসহ অনেকেই হাদীসখানা তাঁদের গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
أبواب الركوع والسجود وما جاء فيهما

(1) باب مشروعية التطبيق فى الركوع ثم نسخه
(625) عن ابن الأسود عن علقمة والأسود أنهما كانا مع ابن مسعود رضي الله عنه فحضرت الصَّلاة فتأخَّر علقمة والأسود فأخذ ابن مسعود بأيديهما فأقام أحدهما عن يمينه والآخر عن يساره (1) ثمَّ ركعا فوضعا أيديهما على ركبهما فضرب أيديهما ثمّ طبق (2) بين يديه وشبك وجعلهما بين فخذيه وقال رأيت النَّبىَّ صلى الله عليه وسلم فعله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬২৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ রুকু ও সিজদা এবং এতদুভয় সম্পর্কিত বিধি-বিধান বিষয়ক পরিচ্ছেদ!

(১) রুকুতে এক হাতের তালুকে অন্য হাতের তালুর সাথে মিশিয়ে তা হাঁটু সংলগ্ন উরুতে রাখার বিধান ও তা বাতিল হওয়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬২২) আসওয়াদ ও আলকামা (রা) আব্দুল্লাহ (ইবন্ মাস'উদ (রা))-এর সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেনঃ তোমাদের মধ্যে যখন কেউ রুকু করে তখন সে যেন তার দু'বাহুকে দু'উরুতে ছড়িয়ে দেয় এবং নুয়ে পড়ে, অতঃপর তাঁর দু'হাতের তালু উরুতে লাগালেন, মনে হল যেন আমি রাসূল (ﷺ)-এর আঙ্গুলের ফাঁকাগুলো দেখতে পাচ্ছি। তিনি বললেন, অতঃপর তিনি তাঁর দু'হাতের তালু হাঁটু নিকটবর্তী উরুতে মিলাচ্ছিলেন আমি তা পর্যবেক্ষণ করছিলাম।
(মুসলিম, নাসাঈ ও বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
أبواب الركوع والسجود وما جاء فيهما

(1) باب مشروعية التطبيق فى الركوع ثم نسخه
(626) عن الأسود وعلقمة عن عبد الله (بن مسعود رضي الله عنه) قال إذا ركع أحدكم فليفرش ذراعيه فخذيه (3) وليحنأ (4) ثمَّ طبَّق بين كفيَّه فكأنَّى أنظر إلى اختلاف أصابع رسول الله صلى الله عليه وآله وصحبه وسلم قال ثم صبق بين كفيَّه فأراهم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬২৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ রুকু ও সিজদা এবং এতদুভয় সম্পর্কিত বিধি-বিধান বিষয়ক পরিচ্ছেদ!

(১) রুকুতে এক হাতের তালুকে অন্য হাতের তালুর সাথে মিশিয়ে তা হাঁটু সংলগ্ন উরুতে রাখার বিধান ও তা বাতিল হওয়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬২৩) আলকামা (রা) আব্দুল্লাহ (ইবন্ মাস'উদ (রা)) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে সালাত শিখিয়েছেন, তিনি তাকবীর বলেছেন এবং দু'হাত উঁচু করেছেন, পরে রুকু করেছেন এবং দু'হাতের তালুকে ছড়িয়ে দিয়েছেন ও সে দু'টোকে হাঁটুর নিকট রেখেছেন। এ তথ্যটি সা'দ (রা)-এর নিকট পৌঁছলে তিনি বললেন: আমার ভাই যথার্থ বলেছেন। আমরা এরূপ করতাম; তারপর এরূপ করার জন্য আমরা আদিষ্ট হলাম। একথা বলে তিনি তাঁর হাঁটু ধরলেন।
(নাসাঈ ও ইবন্ খুযাইমা।)
كتاب الصلاة
أبواب الركوع والسجود وما جاء فيهما

(1) باب مشروعية التطبيق فى الركوع ثم نسخه
(627) عن علقمة عن عبد الله (بن مسعود رضي الله عنه) قال علَّمنا رسول الله صلى الله عليه وسلم الصَّلاة فكبَّر ورفع يديه ثمَّ ركع وطبَّق بين يديه وجعلهما بين ركبتيه، فبلغ سعدًا (1) فقال صدق أخى، فد كنَّا نفعل ذلك ثم أمرنا بهذا وأخذ بركبتيه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬২৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ রুকু ও সিজদা এবং এতদুভয় সম্পর্কিত বিধি-বিধান বিষয়ক পরিচ্ছেদ!

(১) রুকুতে এক হাতের তালুকে অন্য হাতের তালুর সাথে মিশিয়ে তা হাঁটু সংলগ্ন উরুতে রাখার বিধান ও তা বাতিল হওয়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬২৪) মুস'আব ইবন সা'দ (ইবন আবী ওয়াক্কাস) (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: আমি যখন রুকু করতাম তখন আমার দু'হাতকে আমার হাঁটুর মাঝে রাখতাম। তিনি বলেনঃ এমতাবস্থায় আমাকে সা'দ ইবন মালিক (রা) দেখলেন এবং তিনি আমাকে নিষেধ করলেন এবং বললেন, আমরা এরূপ করতাম। (কিন্তু) পরে আমাদেরকে (তা করতে) নিষেধ করা হয়েছে।
(বুখারী ও মুসলিম একই সূত্রে এবং আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী ও ইবন মাজাহ ভিন্ন সূত্রে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
أبواب الركوع والسجود وما جاء فيهما

(1) باب مشروعية التطبيق فى الركوع ثم نسخه
(628) عن مصعب بن سعد (بن أبى وقاص) قال كنت إذا ركعت وضعت يدىَّ بين ركبتىَّ (2) قال فرآنى سعد بن مالكٍ (3) فنهانى وقال إنَّا كنَّا نفعله فنهينا عنه (4)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬২৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ রুকু ও সিজদা এবং এতদুভয় সম্পর্কিত বিধি-বিধান বিষয়ক পরিচ্ছেদ!

(১) রুকুতে এক হাতের তালুকে অন্য হাতের তালুর সাথে মিশিয়ে তা হাঁটু সংলগ্ন উরুতে রাখার বিধান ও তা বাতিল হওয়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৬২৫) 'আব্দুল্লাহ ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূল (ﷺ)-এর নিকট সালাতের কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, রাসূল (ﷺ) তাঁকে বললেন, তুমি তোমার হাত ও পায়ের আঙ্গুলগুলোকে উন্মুক্ত রেখো, অর্থাৎ ওযুর স্থানসমূহ পরিপূর্ণভাবে পর্যন্ত প্রবেশ করানোর ন্যায়। তিনি তাতে আরও যা বললেন, তা হল, তুমি যখন রুকু করবে তখন তোমার দু'হাতের তালুকে হাঁটুর সাথে রাখবে; পর্যাপ্ত সময় পর্যন্ত। (অন্য এক বর্ণনায় সে দু'টো পরিতৃপ্ত হওয়া পর্যন্ত।) আর যখন তুমি সিজদা করবে তখন তোমার কপাল মাটিতে স্থাপন করবে যাতে তুমি মাটির পরশ পেতে পার।
(তিরমিযী ইবন্ মাজাহ্ ও হাকিম।)
كتاب الصلاة
أبواب الركوع والسجود وما جاء فيهما

(1) باب مشروعية التطبيق فى الركوع ثم نسخه
(629) عن ابن عبَّاس رضي الله عنهما قال سأل رجلٌ النبيَّ صلى الله عليه وسلم عن شئ من أمر الصَّلاة، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم خلَّل أصابع يديك ورجليك، يعنى إسباغ الوضوء، وكان فيما قال له، إذا ركعت فضع كفيَّك على ركبتيك حتى تطمئن (1) (وفى روايةٍ حتَّى تطمئنَّا) وإذا سجدت فأمكن جبهتك من الأرض حتَّى حجم (2) الأرض
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬৩০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) রুকু ও অন্যান্য সকল রুকনের* পরিমাণ বৈশিষ্ট্য ও তাতে সমভাবে পরিতুষ্টতা অর্জন বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৬২৬) সাঈদ জুরাইরী (রা) বনী তামীম গোত্রের জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন, যার প্রশংসায় তিনি পঞ্চমুখ, উক্ত ব্যক্তি তাঁর পিতা অথবা চাচা সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর পেছনে সালাত আদায় করলাম, তখন তাঁকে রুকু' ও সিজদার পরিমাণ জিজ্ঞাসা করলাম। তখন তিনি বললেন, একজন ব্যক্তি “সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি” তিনবার বলতে যে সময় লাগে সে পরিমাণ।
(অন্য এক সূত্র মতে) আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, খালফ ইবন্ ওয়ালিদ (রা) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, খালিদ (রা) সা'ঈদ জুরাইরী (রা) সূত্রে সাদী (রা) থেকে, তিনি তাঁর পিতা, তিনি তাঁর চাচা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেনঃ আমি রাসূল (ﷺ)-এর সালাত পর্যবেক্ষণ করছিলাম, তিনি তাঁর রুকু ও সিজদাকে এক ব্যক্তির তিনবার 'সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী' বলার সময় পর্যন্ত অবস্থান করতেন।
(আবূ দাউদ ও বায়হাকী। সনদে সা'দী একজন অপরিচিত ব্যক্তি। হাফিজ (র) বলেন: তিনি অজ্ঞাত ব্যক্তি। ইমাম বুখারী (র) বলেন: হাদীসখানা মুরসাল।)
كتاب الصلاة
(2) باب مقدار الركوع وصفته والطمأنينة فيه
وفى جميع الأركان على السواء
(630) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا عفَّان ثنا محمَّد بن عبد الرَّحمن الطفاوىَّ ثنا سعيدٌ الجريرىُّ (3) عن رجلٍ من بنى تميمٍ وأحسن الثَّناء عليه عن أبيه أو عمَّه (1) قال صليت خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم، فسألناه عن قدر ركوعه وسجوده، فقال قدر ما يقول الرَّجل سبحان الله وبحمده ثلاثاً (ومن طريقٍ ثانٍ) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا خلف بن خلف بن الوليد ثنا خالد عن سعيدٍ الجريرى عن السعَّدى عن أبيه عن عمَّه قال رمقت (2) رسول الله صلى الله عليه وسلم فى صلاته فكان يمكث فى ركوعه وسجوده قدر ما يقول سبحان الله وبحمده ثلاثاً
tahqiq

তাহকীক: