মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ৫৭১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৪) জোহর ও আসরের সালাতে কিরাআত পড়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৬৭) মুত্তালিব ইবন্ 'আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন জোহর ও আসরের সালাতে কিরাআত নিয়ে তারা (মুসল্লীগণ) মত পার্থক্যে লিপ্ত ছিলেন। তখন এ ব্যাপারে তাঁরা খারিজাহ ইবন যায়েদ-এর শরণাপন্ন হলেন। খারিজা (রা) বললেন, আমার আব্বা যায়েদ (রা) বলেছেন, রাসূল (ﷺ) কিরাআত দীর্ঘ করার জন্য দাঁড়াতেন অথবা* দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে থাকতেন এবং তাঁর দু'ঠোঁট নাড়াচাড়া করতেন। আমি জানতাম এটা কেবলমাত্র তাঁর কিরাআত পাঠের জন্যই হত।
*(বর্ণনাকারীর স্মরণ নেই যায়েদ (র) কোন্ শব্দ উল্লেখ করেছিলেন।)
(হাইছামী (র) বলেন, হাদীসখানা আহমদ (র) ও তবারানী (র) তাঁর মু'জামুল কাবীরে উল্লেখ করেছেন। সনদে কাছীর ইব্ন যায়েদ নামক এক বর্ণনাকারী রয়েছেন। যাঁর বর্ণিত হাদীস দলীল হওয়ার ব্যাপারে মতবিরোধ রয়েছে।)
كتاب الصلاة
(24) باب القراءة فى الظهر والعصر
(571) عن المطَّلب بن عبد الله قال تماروا فى القراءة في الظُّهر والعصر فأرسلوا إلى خارجة بن زيدٍ فقال قال أبى (4) قام أو كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يطيل القيام ويحرِّك شفتيه فقد أعلم ذلك لم يكن إلاَّ لقراءة (5)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৪) জোহর ও আসরের সালাতে কিরাআত পড়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৬৮) আবুল আহ্ওয়াস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ)-এর জনৈক সাহাবী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: জোহরের সালাতে দাঁড়ি নড়াচড়ার মাধ্যমে রাসূল (ﷺ)-এর কিরাআত, পাঠের বিষয়টি বোঝা যেত।
(আহমদ ইবন্ আব্দুর রহমান আল বান্না (র) বলেন, আমি এ হাদীসের বিরোধী নই। হায়ছামী (র) বলেন, হাদীসখানা আহমদ (র) বর্ণনা করেছেন। এর সনদে উল্লিখিত ব্যক্তিরা সবাই নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(24) باب القراءة فى الظهر والعصر
(572) عن أبي الأحوص عن بعض أصحاب النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال كانت تعرف قراءة النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم فى الظُّهر بتحريك لحيته
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৪) জোহর ও আসরের সালাতে কিরাআত পড়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৬৯) আবূ সা'ঈদ আল-খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূল (ﷺ)-এর জোহর ও আসরের সালাতে দাঁড়িয়ে কিরাআত পাঠের সময় অনুমান করছিলাম। তিনি বলেন রাসূল (ﷺ)-এর জোহরের প্রথম দু'রাকা'আত-এর কিরাআত আমাদের অনুমান মতে, রাকা'আত প্রতি ত্রিশ আয়াত তিলাওয়াতের সমান অথবা সূরা 'হা-মীম আস্ সাজদাহ্'-এর সমপরিমাণ। তিনি আরও বলেন: আমরা তাঁর জোহরের শেষ দু'রাকা'আতের কিরাআত অনুমান করলাম, প্রথম দু'রাকা'আতের অর্ধেক হবে।
বর্ণনাকারী বলেন, রাসূল (ﷺ)-এর আসরের সালাতের প্রথম দু'রাকা'আত (উক্ত) জোহরের শেষ দু'রাকা'আতের অর্ধেক বলে আমাদের অনুমান এবং আসরের শেষ দু'রাকা'আত প্রথম দু'রাকা'আতের অর্ধেক পরিমাণ হবে বলে আমাদের অনুমান।
(ইমাম মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ ও তাহাবী (র) প্রমুখ হাদীসখানা স্বীয় গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(24) باب القراءة فى الظهر والعصر
(573) عن أبى سعيد الخدرىِّ رضى الله عنه قال كنَّا نحرر (1) قيام رسول الله صلى الله عليه وسلم في الظُّهر والعصر، قال فحزرنا قيام رسول الله صلى الله عليه وسلم فى الظُّهر الرَّكعتين الأوليين قدر قراءة ثلاثين آيةً (2) قدر قراءة سورة آلم تنزيل السَّجدة، قال وحزرنا قيامه في الأخريين على النَّصف من ذلك، قال وحزرنا قيامه فى العصر فى الرَّكعتين الأوليين على النَّصف من ذلك (3) قال وحزرنا قيامه فى الأخريين فى النِّصف من الأوليين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৪) জোহর ও আসরের সালাতে কিরাআত পড়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৭০) রাবী'আ ইবন্ ইয়াযীদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার নিকট কায'আহ (রা) হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমি আবূ সাইদ আল-খুদরী (রা)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। এমন সময় যখন তিনি ছিলেন অসংখ্য মুসলিম বেষ্টিত। অতঃপর যখন লোকজন তাঁর নিকট থেকে সরে গেল, আমি তখন তাঁকে বললাম, তাঁরা যেসব ব্যাপারে আপনাকে জিজ্ঞাসা করেছে, আমি সেসব বিষয়ে প্রশ্ন করব না। আমি বললাম, আমি আপনাকে রাসূল (ﷺ)-এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করব। তিনি বললেন। তাতে তোমার কোন লাভ নেই*। তিনি একথাটি পূর্ণবার উচ্চারণ করলেন। অতঃপর বললেন, রাসূল (ﷺ)-এর জোহরের সালাত শুরু হত, তখন আমাদের কেউ বাকীতে যেত এবং তার প্রাকৃতিক প্রয়োজন মিটানোর পর তার পরিবার-পরিজনের নিকট ফিরে আসত, অতঃপর ওযু করত এবং মসজিদে ফিরে আসত আর রাসূল (ﷺ) তখনও প্রথম রাকা'আতেই থাকতেন।
*(অর্থাৎ তুমি তদানুযায়ী আমল করতে পারবে না, দীর্ঘতা ও পূর্ণ আল্লাহভীতি সহকারে। তাই আমার ভয় হচ্ছে তুমি একটি সুন্নত জেনেও তা মানতে পারবে না।)
(মুসলিম (র)-সহ অনেকে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(24) باب القراءة فى الظهر والعصر
(574) عن ربيعة بن يزيد قال حدَّثنى فزعة قال أتيت أبا سعيدٍ وهو مكثورٌ (1) عليه، فلمَّا تفرَّق النَّاس عنه قلت إنِّى لا أسألك عمَّا يسألك هؤلاء عنه، قلت أسألك عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال مالك فى ذلك من خيرٍ، (2) فأعادها عليه، فقال كانت صلاة الظُّهر تقام فينطلق أحدنا إلى البقيع فيقضى حاجته ثمَّ يأتى أهله فيتوضَّأ ثمَّ يرجع إلى المسجد ورسول الله صلى الله عليه وسلم فى الرَّكعة الأولى
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৪) জোহর ও আসরের সালাতে কিরাআত পড়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৭১) 'আব্দুল্লাহ্ ইবন্ আবু আওফা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জোহরের সালাতে রাসূল (ﷺ) প্রথম রাকা'আতে কোন আগন্তুক-এর পায়ের শব্দ না শোনা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকতেন।
(আবু দাউদ (র) হাদীসখানা উসমান ইবন্ আবি শায়বা (র)-এর সনদে বর্ণনা করেছেন, উক্ত সনদের এক পর্যায়ে জনৈক ব্যক্তির নাম বাদ পড়েছে। ইমাম আহমদ (র) বলেন, অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ সবাই নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(24) باب القراءة فى الظهر والعصر
(575) عن عبد الله بن أبى أوفي رضى الله عنه أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم كان يقوم فى الرَّكعة الأولى من صلاة الظُّهر حتَّى يسمع وقع (2) قدم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৪) জোহর ও আসরের সালাতে কিরাআত পড়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৭২) জাবির ইবন্ সামুরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) জোহরের সালাতে "সাব্বিহিস্স্মা রাব্বিকাল আ'লা" এবং (দৈর্ঘ্যের দিক থেকে) অনুরূপ অন্যান্য সূরা তিলাওয়াত করতেন এবং ফজরের সালাতে তদাপেক্ষা দীর্ঘ সূরা পাঠ করতেন।
(ইমাম মুসলিম (র)-সহ অনেকেই হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(24) باب القراءة فى الظهر والعصر
(576) عن جابر بن سمرة رضى الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ فى الظُّهر بسبِّح اسم ربِّك الأعلى ونحوها، وفى الصُّبح بأطول من ذلك،
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৪) জোহর ও আসরের সালাতে কিরাআত পড়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৭৩) আবুল 'আলীয়া (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ)-এর ত্রিশজন সাহাবী ঐকমত্য পোষণ করেছেন এবং তাঁরা বলেন, রাসূল (ﷺ) যে সকল কিরাআত সরবে পড়েছেন, তা আমরা জানি আর তিনি যে সকল কিরাআত সরবে পড়েন নি, সেগুলোকে আমরা সরবে পড়া কিরাআতের সাথে পরিমাপ করব না।
বর্ণনাকারী বলেন, তাঁরা ঐকমত্য পোষণ করেছেন, তবে তাঁদের মধ্যে দু'জন মতপার্থক্য করেছেন। তাঁদের মতে, রাসূল (ﷺ) জোহরের সালাতের প্রথম, দু'রাকা'আতের-এর প্রতি রাকা'আতে ত্রিশ আয়াত 'পরিমাণ তিলাওয়াত করতেন এবং শেষ রাকা'আতে তার অর্ধেক পরিমাণ তিলাওয়াত করতেন। আর সালাতুল আসরের প্রথম দু'রাকা'আতে জোহরের প্রথম দু'রাকা'আত-এর অর্ধেক পরিমাণ এবং শেষ দু'রাকা'আতে তার অর্ধেক পরিমাণ তিলাওয়াত করতেন।
(হাদীসখানা ইমাম হায়ছামী (র) উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন: আহমদ (র) অত্র হাদীসখানা স্বীয় গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। উল্লিখিত হাদীসে 'আব্দুর রহমান ইবন্ 'আব্দুল্লাহ আল-মাসউদী (র) নামক জনৈক বর্ণনাকারী রয়েছেন। যিনি আস্থাশীল, তবে তিনি নামে নামে জড়িয়ে ফেলতেন।)
كتاب الصلاة
(24) باب القراءة فى الظهر والعصر
(577) عن أبي العالية قال اجتمع ثلاثون من أصحاب النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم فقالوا أمَّا ما يجهر فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم بالقراءة فقد علمناه، وما لا يجهر فيه فلا نقيس بما يجهر به، قال فاجتمعوا فما اختلف منهم اثنان أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقرأ في صلاة الظُّهر قدر ثلاثين آيةً فى الرَّكعتين الأوليين فى كلِّ ركعةٍ، وفى الرَّكعتين الأخريين قدر النِّصف من ذلك، ويقرأ في العصر فى الأوليين بقدر النِّصف من قراءته في الرَّكعتين الأوليين من الظُّهر، وفي الأخريين قدر النَّصف من ذلك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৫) সালাতুল মাগরিবে কিরাআত পাঠ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৭৪) আব্দুল্লাহ (র) আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, তিনি তাঁর পিতার কাছে শুনেছেন, তাঁর পিতার নিকট মুহাম্মদ ইবন্ জা'ফর ও বাহয (রা) হাদীস বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: সাদ ইবন্ ইব্রাহীম (র)-এর সূত্রে শু'বা (র) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার জনৈক ভাই আমার পিতা থেকে যুবায়ের ইবন মুতইম (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তিনি মুশরিকদের মুক্তিপণ দানকালে রাসূল (ﷺ)-এর নিকট এসেছিলেন। বাহয (রা) বলেন: বছরাবাসীদেরকে মুক্তিপন দানকালে। আর ইবন্ জা'ফর (রা) বলেন, যুবায়ের ইবন মুত'ইম (রা) তখনও ইসলাম গ্রহণ করেন নি। তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর নিকটবর্তী হলাম, তিনি তখন মাগরিবের সালাত আদায় করছিলেন এবং তিনি তাতে 'আর' সূরা তিলাওয়াত করছিলেন। তিনি বলেন, আমি যখন কুরআন তিলাওয়াত শুনলাম তখন আমার অন্তর যেন বিদীর্ণ হয়ে যাচ্ছিল। বাহয (রা) তাঁর বর্ণনায় বলেন, আমার অন্তর যেন বিদীর্ণ হয়ে যাচ্ছিল। যখন কুরআন তিলাওয়াত শুনলাম।
(ইমাম বুখারী (র) বলেন, যুবাইর ইবন্ মুতঈম (রা) হুদাইবিয়ার সন্ধির পর মক্কা বিজয়ের পূর্বে ইসলাম গ্রহণ করেছেন। ইমাম বাগভী (র)-এরও একই মত। আবার কারও মতে, তিনি মক্কা বিজয়েরকালে ইসলাম গ্রহণ করেন।)
(বুখারী ও মুসলিম এই সনদে এবং আবু দাউদ, নাসাঈ ও ইবন্ মাজাহ্ স্ব স্ব কিতাবে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(25) باب القراءة فى المغرب
(578) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا محمَّد بن جعفرٍ وبهزٌ قالا ثنا شعبة عن سعد بن إبراهيم قال سمعت بعض إخونى يحدِّث عن أبى عن جبير (1) ابن مطعمٍ أنَّه أتى النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم في فداء المشركين قال بهزٌ فى فداء أهل بدرٍ، وقال ابن جعفرٍ وما أسلم يومئذٍ، قال فانتهيت إليه وهو يصلِّى المغرب وهو يقرأ فيها بالطُّور، قال فكأنَّما صدع قلبي (2) حيث سمعت القرآن، وقال بهزٌ في حديثه فكأنِّما صدع قلبي حين سمعت القرآن
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৫) সালাতুল মাগরিবে কিরাআত পাঠ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৭৫) উরওয়াহ ইবন্ যুবায়ের (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি মারওয়ান (রা)-এর কাছ থেকে শুনেছেন, যায়েদ ইবন্ ছাবিত (রা) তাঁকে বলেছেন, আমি তোমাকে সংক্ষিপ্ত সূরাসমূহ দ্বারা মাগরিবের সালাত আদায় করতে দেখছি কেন? অথচ আমি রাসূল (ﷺ)-এর উক্ত সালাতে বড় সূরাদ্বয়ের একটি তিলাওয়াত করতে শুনেছি। ইবন্ আবু মুলাইকাহ (রা) বলেনঃ (অত্র এক বর্ণনামতে, আমি উরওয়াকে বললাম, বড় সূরাদ্বয়ের একটি কোনটি? তিন বললেনঃ) সূরাতুল 'আ'রাফ।
(বুখারী, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী ইবন মাজাহ, বায়হাকী ও তবারানী স্ব স্ব গ্রন্থে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(25) باب القراءة فى المغرب
(579) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا محمَّد بن جعفرٍ ثنا ابن جريجٍ عن ابن أبى مليكة أخبرنى عروة بن الزُّبير أنَّ مروان أخبره أنَّ زيد بن ثابتٍ قال له مالى أراك تقرأ فى المغرب بقصار السُّور، قد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ فيها بطولى الطُّوليين، قال ابن أبى مليكة (وفى روايةٍ قلت (1) لعروة) ما طولى الطُّوليين قال الأعراف
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৮০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৫) সালাতুল মাগরিবে কিরাআত পাঠ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৭৬) হিশাম ইবন্ উরওয়া (রা) তাঁর পিতার সূত্রে তিনি আবূ আইয়ুব (রা) অথবা যায়েদ ইবনু ছাবিত* (রা) সূত্রে বর্ণনা করেন, রাসূল (ﷺ) সালাতুল মাগরিব-এর দু'রাকা'আতে 'সূরাতুল 'আ'রাফ তিলাওয়াত করতেন। *(বর্ণনাকারীর সংশয় এ ব্যাপারে যে, উক্ত ব্যক্তি আবু আইয়ুব (রা) নাকি যায়েদ (রা) ছিলেন।)
(হায়ছামী (রহ) হাদীসখানা আহমদ (র) ও তবারানীর সূত্রে উল্লেখ করেছেন।
كتاب الصلاة
(25) باب القراءة فى المغرب
(580) حدّثنا عبد الله حدّثنى أبى ثنا وكيعٌ ثنا هشام بن عروة عن أبيه عن أبى أيوب أو (2) عن زيد بن ثابتٍ أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم قرأ فى المغرب بالأعراف في الرَّكعتين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৮১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৫) সালাতুল মাগরিবে কিরাআত পাঠ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৭৭) ইবন 'আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উম্মুল ফযল বিনতে হারিছ* তাঁকে 'সুরাতুল মুরসালাত' তিলাওয়াত করতে শুনলেন। তখন তিনি বলেন, ওহে আমার বৎস! তুমি তোমার এ সূরা তিলাওয়াতের মাধ্যমে আমাকে স্মরণ করিয়ে দিলে। আমি সর্বশেষ স্মৃতি রাসূল (ﷺ)-কে মাগরিবে এ সূরা তিলাওয়াত করতে শুনেছি।
*(তিনি ইব্‌ন 'আব্বাস (রা)-এর মাতা ছিলেন।)
(বুখারী ও মুসলিম (র), মালিক (র), আবু দাউদ, নাসাঈ ও তিরমিযী (র) স্ব স্ব গ্রন্থে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(25) باب القراءة فى المغرب
(581) عن ابن عبَّاسٍ رضى الله عنهما أنَّه قال إنَّ أمِّ الفضل بنت الحارث (1) سمعته (2) وهو يقرأ والمرسلات عرفًا فقالت يا بنىَّ لقد ذكَّرتنى (3) بقراءتك هذه السوُّرة، إنَّها لآخر ما سمعت رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم يقرأ بها في المغرب
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৮২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৫) সালাতুল মাগরিবে কিরাআত পাঠ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৭৮) উম্মুল ফযল বিনতে আল-হারিছ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) তাঁর গৃহে একটি কারুকার্য খচিত কাপড় পরিধান করে আমাদের সাথে মাগরিবের সালাত আদায় করলেন, তখন তিনি 'সূরাতুল মুরসালাত' তিলাওয়াত করলেন। এরপর ওফাতের পূর্ব পর্যন্ত তিনি আর সালাত আদায় করতে পারেন নি।
(নাসাঈ ও বায়হাকী (র) স্ব স্ব গ্রন্থে হাদীস বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(25) باب القراءة فى المغرب
(582) عن أمِّ الفضل بنت الحارث رضى الله عنها قالت صلَّى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فى بيته متوشِّحًا فى ثوبٍ المغرب فقرأ المرسلات، ما صلَّى بعدها حتَّى قبض صلَّى الله عليه وآله وسلَّم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৮৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৫) সালাতুল মাগরিবে কিরাআত পাঠ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৭৯) হানযালাহ আসসাদূসী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইকরিমা (র)-কে বললাম, আমি সালাতুল মাগরিবে 'সূরাতুল ফালাক' ও সূরাতুন নাস' দ্বারা কিরাআত পাঠ করি। তবে এ জন্য লোকজন আমাকে দোষারোপ করে। তিনি বলেন: তাতে দোষ কি? তুমি এ দু'টো সূরা পড়বে। কেননা, তা কুরআনেরই অংশ। অতঃপর তিনি বলেন, আমার নিকট ইবন্ 'আব্বাস (রা) বর্ণনা করেছেন, রাসূল (ﷺ) আগমন করলেন এবং দু'রাকা'আত সালাত আদায় করলেন, যাতে শুধুমাত্র সূরাতুল ফাতিহা তিলাওয়াত করলেন।
(হায়ছামী (র) হাদীসখানা আহমদ (র), আবু ইয়ালা ও তবারানী (র)-এর সূত্রে উদ্ধৃত করেছেন। হাদীসের রাবী হানযালা (র)-কে ইবন্ মাঈন (র) দুর্বল বলেছেন তবে ইবন্ হিব্বান (র) তাঁকে নির্ভরযোগ্য মনে করেন।)
كتاب الصلاة
(25) باب القراءة فى المغرب
(583) عن حنظلة السُّدوسىِّ قال قلت لعكرمة إنِّى أقرأ في صلاة المغرب بقل أعوذ بربِّ الفلق وقل أعوذ بربِّ النَّاس، وإنَّ ناسًا يعيبون ذلك علىَّ، فقال وما بأسٌ بذلك، اقرأهما فإنَّهما من القرآن، ثمَّ قال حدَّثنى ابن عباسٍ رضى الله عنهما أنَّ رسول الله صلَّى الله عليه وآله وسلَّم جاء فصلَّى ركعتين لم يقرأ فيهما إلا بأمِّ الكتاب
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৮৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৫) সালাতুল মাগরিবে কিরাআত পাঠ সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৮০) ইয়াযিদ ইবন্ আবী হাবীব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু 'ইমরান (র) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি 'উকবা ইবন্ 'আমির (রা)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন: আমি রাসূল (ﷺ)-এর পায়ের নিকট মিলে বসলাম, অতঃপর তাঁকে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)। আমাকে 'সূরা হুদ' ও 'সূরা ইউসুফ' পাঠ করে শুনান। তখন রাসূল (ﷺ) আমাকে বললেনঃ ওহে 'উকবা ইবন 'আমির, 'সূরা ফালাক'-এর মত আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় ও অধিক গ্রহণযোগ্য কোন সূরা অদ্যাবধি তিলাওয়াত করা হয় নি।
ইয়াযিদ (রা) বলেন! আবু 'ইমরান কখনও সূরা ফালাক বাদ দিতেন না এবং তিনি প্রতিনিয়ত সালাতুল মাগরিবে উক্ত সূরা তিলাওয়াত করতেন।
(ইমাম নাসাঈ (রা) হাদীসখানার শেষাংশে উল্লিখিত قال يزيد-এর পূর্ব পর্যন্ত মানসম্মত সনদে বর্ণনা করেছেন। তবারানী (র) মু'জামুল কাবীরে সহীহ্ রাবীদের সনদে অত্র হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(25) باب القراءة فى المغرب
(584) عن يزيد بن أبى حبيب قال حدَّثنى أبو عمران أنَّه سمع عقبة بن عامرٍ يقول تعلَّقت بقدم رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله أقرئنى سورة هودٍ وسورة يوسف، فقال لى رسول الله صلى الله عليه وسلم يا عقبة بن عامرٍ لم تقرأ سورةٌ أحبُّ إلى الله عزَّ وجلَّ ولا أبلغ عنده من قل أعوذ بربِّ الفلق، قال يزيد لم يكن أبو عمران يدعها، وكان لا يزال يقرؤها فى صلاة المغرب
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৮৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৬) সালাতুল 'ইশার কিরাআত সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৮১) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূল (ﷺ) সালাতুল 'ইশাতে 'আসসামা'-সূচিত সূরা (সূরাতুল বুরূজ, সূরাতুতারিক ইত্যাদি) তিলাওয়াত করতে নির্দেশ দেন।
(আবূ হুরায়রা (রা) থেকে অন্য এক রেওয়ায়েতে আছে) রাসূল (ﷺ) রাতের শেষ সালাতে 'ওযাস্স্সামা' (অর্থাৎ ওয়াস্ সামাই যাতিল বুরূজ' ওআসসামাই ওয়াতারিকু' তিলাওয়াত করতেন।)
(ইমাম হায়ছামী (র) উভয় সূত্রেই হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। তিনি আহমদ (র)-এর সূত্রে বলেন, হাদীসে আবু মুহাজ্জিম নামে জনৈক বর্ণনাকারী রয়েছেন, যাকে শু'বা, ইবনুল মাদীনী, আবূ হাতিম ও নাসাঈ (র)-সহ অনেকেই দুর্বল মনে করেন।)
كتاب الصلاة
(26) باب القراءة فى العشاء
(585) عن أبى هريرة رضى الله عنه أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم أمر أن يقرأ بالسَّموات (1) فى العشاء (وعنه من طريقٍ ثانٍ) (2) أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقرأ فى العشاء الآخرة بالسَّماء يعني ذات البروج والسَّماء والطارق
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৮৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৬) সালাতুল 'ইশার কিরাআত সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৮২) বারা' ইবন, 'আযিব (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) কোন এক সফরে ছিলেন তখন সালাতুল 'ইশার যে কোন এক রাকা'আতে 'সূরা-জ্বীন' তিলাওয়াত করলেন, (অন্য এক বর্ণনায় আরও আছে) আমি রাসূল (ﷺ)-এর চেয়ে উত্তম কিরাআত আর কারও কাছে শুনি নি, (অপর এক বর্ণনাতে) আমি কখনও রাসূল (ﷺ)-এর চেয়ে উত্তম কণ্ঠ ও উত্তম সালাতের কথা শুনি নি।
(বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(26) باب القراءة فى العشاء
(586) عن البراء (بن عازبٍ رضى الله عنه) أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم كان فى سفرٍ فقرأ فى العشاء الآخرة فى إحدى الرَّكعتين بالتِّين والزَّيتون (زاد فى روايةٍ) وما سمعت إنسانًا أحسن قراءةً منه (وفى أخرى) فلم أسمع أحسن صوتًا ولا أحسن صلاةً منه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৮৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৬) সালাতুল 'ইশার কিরাআত সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৮৩) আব্দুল্লাহ ইবন্ বুরাইদা (আল আসলামী) (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল (ﷺ) সালাতুল 'ইশাতে সূরা শাম্স এবং অনুরূপ অন্যান্য সূরা দ্বারা কিরাআত পাঠ করতেন।
(নাসাঈ ও ইবন্ মাজাহ (র) স্বীয় গ্রন্থে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(26) باب القراءة فى العشاء
(587) عن عبد الله بن بريدة (الأسلمىِّ) عن أبيه أنَّ رسول لله صلى الله عليه وسلم كان يقرأ فى صلاة العشاء بالشَّمس وضحاها وأشباهها من السُّور
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৮৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৬) সালাতুল 'ইশার কিরাআত সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৮৪) আবু মিজলায (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু মুসা আল-আশ'আরী (রা) মক্কা থেকে মদীনা যাত্রাপথে তাঁর সঙ্গীদেরসহ দু'রাকা'আত 'ইশার সালাত আদায় করলেন। তিনি সালাতে দাঁড়ালেন এবং এক রাকা'আতে সূরা নিসার একশত আয়াত তিলাওয়াত করলেন। তাঁর সঙ্গীগণ এটা পছন্দ করলেন না। তখন তিনি বললেন, রাসূল (ﷺ) যে পথে তাঁর পা রেখেছেন সেখানে পা রাখতে আমি কার্পণ্য করব না। তেমনি কার্পণ্য করব না রাসূল (ﷺ) যে কাজ করতেন সে কাজ করতে।
(মুসনাদে আহমদ, আহমদ ইবন্ আব্দুর রহমান আল-বান্না (র) বলেনঃ আমি এ হাদীস অন্য কোথাও পাইনি, এর সনদ মানসম্মত।)
كتاب الصلاة
(26) باب القراءة فى العشاء
(588) عن أبى مجلزٍ قال صلَّى أبو موسى الأشعرىُّ رضى الله عنه بأصحابه وهو مرتحلٌ من مكَّة إلى المدينة فصلَّى العشاء ركعتين ثمَّ قام فقرأ مائة آيةٍ من سورة النِّساء فى ركعةٍ فأنكروا ذلك عليه فقال ما ألوت (1) أن أضع قدمى حيث وضع رسول الله صلى الله عليه وسلم قدمه، وأن أصنع مثل ما صنع رسول الله صلَّى الله عليه وسلَّم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৮৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৭) সালাতুল ফজর এবং জুমু'আর দিনের ফজরের কিরাআত সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৮৫) সিমাক ইবন্ হারব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি জনৈক মদীনাবাসী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি রাসূল (ﷺ)-এর পেছনে সালাত আদায় করেছেন। তখন তিনি শুনতে পেলেন, রাসূল (ﷺ) সালাতুল ফজরে 'সূরা ক্বাফ' ও 'সূরা ইয়াসীন' তিলাওয়াত করেছেন।
(হায়ছামী (র) মুসনাদে আহমদ সূত্রে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন। হাদীসের রাবীগণ সবাই নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(27) باب القراءة فى الصبح وصبح يوم الجمعة
(589) عن سماك بن حربٍ عن رجلٍ من أهل المدينة أنَّه صلَّى خلف النَّبىِّ صلَّى الله عليه وسلَّم فسمعه يقرأ في صلاة الفجر ق~ والقرآن المجيد ويس~ والقرآن الحكيم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৯০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২৭) সালাতুল ফজর এবং জুমু'আর দিনের ফজরের কিরাআত সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫৮৬) আমর ইবন্ হুরাইস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসূল (ﷺ)-কে সালাতুল ফজর-এ সূরা তাকবীর পাঠ করতে শুনেছি আবার (কখনও) তাঁকে 'ওয়াল্লাইলি ইযা 'আস'আসা' পাঠ করতে শুনেছি উক্ত রাবী (আমর (রা)) থেকে অন্য এক সনদে তিনি বলেন: আমি রাসূল (ﷺ)-এর পেছনে সালাত আদায় করেছি তখন তাঁকে লা-উক্সিমু বিল খুন্নাস' (সূরা তাকবীর-এর ১৬তম আয়াত থেকে) তিলাওয়াত করতে শুনেছি।
(মুসলিম, বায়হাকী, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী ও ইবন মাজাহ্।)
كتاب الصلاة
(27) باب القراءة فى الصبح وصبح يوم الجمعة
(590) عن عمرو بن حريث (رضى الله عنه) قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم بقرأ في الفجر إذا الشمس كورت (1) وسمعته يقول والليل إذا عسعس (2) (وعنه من طريق ثان) (3) قال صليت خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمعته يقرأ لا أقسم بالخنس (4) الجوار الكنس (5)
tahqiq

তাহকীক: