মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ৫১১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৩) কির'আতের পূর্বে প্রাথমিক ও আউযুবিল্লাহ পড়া সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(৫১১) 'আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূল (ﷺ)-এর সাথে সালাত আদায় করছিলাম, সে মুহূর্তে জনতার মধ্য থেকে এক ব্যক্তি বলে উঠল,
اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا وَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا وَسُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا
"আল্লাহ সর্ব মহান সর্বশ্রেষ্ঠ সকল প্রশংসা অধিকহারে আল্লাহর জন্য, আল্লাহর গুণ বর্ণনা সকাল সাঁঝে।" তখন রাসূল (ﷺ) জিজ্ঞাসা করলেন, কে বললো এসব কথা? তখন উপস্থিত জনতার মধ্য থেকে লোকটি বলল, আমি, হে রাসূলাল্লাহ (ﷺ) রাসূল (ﷺ) বললেন, কথাটি আমাকে আশ্চার্যান্বিত করেছে। একথার কারণে আসমানের দরজাসমূহ খুলে গিয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবন্ উমর (রা) বললেন, রাসূল (ﷺ)-এর কন্ঠে এরূপ শোনার পর থেকে আমি ঐ বাক্যগুলো (কখনও) বলতে ছাড়ি নি।
(ইমাম মুসলিম (র) ও তবারানী মু'জামুল কাবীরে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا وَالْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا وَسُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا
"আল্লাহ সর্ব মহান সর্বশ্রেষ্ঠ সকল প্রশংসা অধিকহারে আল্লাহর জন্য, আল্লাহর গুণ বর্ণনা সকাল সাঁঝে।" তখন রাসূল (ﷺ) জিজ্ঞাসা করলেন, কে বললো এসব কথা? তখন উপস্থিত জনতার মধ্য থেকে লোকটি বলল, আমি, হে রাসূলাল্লাহ (ﷺ) রাসূল (ﷺ) বললেন, কথাটি আমাকে আশ্চার্যান্বিত করেছে। একথার কারণে আসমানের দরজাসমূহ খুলে গিয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবন্ উমর (রা) বললেন, রাসূল (ﷺ)-এর কন্ঠে এরূপ শোনার পর থেকে আমি ঐ বাক্যগুলো (কখনও) বলতে ছাড়ি নি।
(ইমাম মুসলিম (র) ও তবারানী মু'জামুল কাবীরে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(13) باب في دعاء الافتتاح والتعوذ قبل القراءة
(511) عن ابن عمر رضى الله عنهما قال بينا نحن نصلِّى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ قال رجلٌ في القوم الله أكبر كبيرًا، والحمد لله كثيرًا، وسبحان الله بكرةً وأصيلًا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من القائل كذا وكذا؟ فقال رجلٌ من القوم أنا يا رسول الله، قال عجبت لها، فتحت لها أبواب السَّماء، قال ابن عمر فما تركتهنَّ منذ سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ذلك
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫১২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৩) কির'আতের পূর্বে প্রাথমিক ও আউযুবিল্লাহ পড়া সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(৫১২) আব্দুল্লাহ ইবন্ আমর ইবন্ আল-'আস (রা) থেকে বর্ণিত, একদা এক ব্যক্তি সালাতে দাঁড়িয়ে বলছিল,
اَلْحَمْدُ لِلَّهِ مِلْءَ السَّمَوَاتِ
সকল প্রশংসা আল্লাহর আসমান সম। তারপর তাসবীহ পড়ছিল ও দু'আ করছিল। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, এ কথাগুলো কে বলেছে? লোকটি বলল, আমি। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, আমি দেখলাম, রহমতের ফেরেশতাগণ তাঁকে ঘিরে পরস্পর অভ্যর্থনায় ব্যস্ত।
(হায়ছামী (র) মাজমাউয যাওয়ায়েদ গ্রন্থে ইমাম আহমদের সূত্রে হাদীসখানা উল্লেখ করেন। অত্র হাদীসের সনদে 'আতা নামক একজন রাবীর স্মূতিশক্তি হ্রাস পেয়েছিল। তবে অন্য সূত্র মতে, তাঁর স্মূতিশক্তি হ্রাস পাওয়ায় পূর্বে তাঁর নিকট থেকে হাম্মাদ বিন সালামা শুনেছেন বলে জানা যায়।)
اَلْحَمْدُ لِلَّهِ مِلْءَ السَّمَوَاتِ
সকল প্রশংসা আল্লাহর আসমান সম। তারপর তাসবীহ পড়ছিল ও দু'আ করছিল। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, এ কথাগুলো কে বলেছে? লোকটি বলল, আমি। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, আমি দেখলাম, রহমতের ফেরেশতাগণ তাঁকে ঘিরে পরস্পর অভ্যর্থনায় ব্যস্ত।
(হায়ছামী (র) মাজমাউয যাওয়ায়েদ গ্রন্থে ইমাম আহমদের সূত্রে হাদীসখানা উল্লেখ করেন। অত্র হাদীসের সনদে 'আতা নামক একজন রাবীর স্মূতিশক্তি হ্রাস পেয়েছিল। তবে অন্য সূত্র মতে, তাঁর স্মূতিশক্তি হ্রাস পাওয়ায় পূর্বে তাঁর নিকট থেকে হাম্মাদ বিন সালামা শুনেছেন বলে জানা যায়।)
كتاب الصلاة
(13) باب في دعاء الافتتاح والتعوذ قبل القراءة
(512) عن عبد الله بن عمرو (بن العاص رضى الله عنهما) أنَّ رجلًا قال ذات يومٍ ودخل الصَّلاة الحمد لله ملء السموات وسبَّح ودعا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من قائلهنَّ؟ فقال الرَّجل أنا، فقال النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم لقد رأيت الملائكة تلقَّي به بعضهم بعضًا (1)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫১৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৩) কির'আতের পূর্বে প্রাথমিক ও আউযুবিল্লাহ পড়া সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(৫১৩) আব্দুল্লাহ্ ইবন আবী আওফা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূল (ﷺ)-এর পিছনে সালাতের কাতারে দাঁড়ানো, এমতাবস্থায় জনৈক ব্যক্তি আগমন করলো এবং বলল
اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا وَسُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا
"আল্লাহ সর্ব মহান সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহর গুণ বর্ণনা সকাল-সাঁঝে।
'আব্দুল্লাহ বলেন, তখন মুসলিমগণ তাঁদের মস্তক উত্তোলন করলেন এবং লোকটিকে অবজ্ঞা করে বললেন, 'রাসূল (ﷺ)-এর কন্ঠের চেয়ে উঁচু কণ্ঠে কথা বলে-এমন ব্যক্তিটি কে? অতঃপর রাসূল (ﷺ) সালাম ফিরিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, এ উঁচু কণ্ঠের অধিকারী কে? বলা হলো 'ইয়া রাসূলাল্লাহ, এই সেই ব্যক্তি। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, আমি তোমার কথাকে আসমানে আরোহণ করতে দেখেছি, পরে আসমানের একটি দরজা খুলে গেল এবং তোমার কথা সেখানে প্রবেশ করল।
(হায়ছামী এ হাদীসখানা আহমদ ও তবারানীর মু'জামুল কাবীর-এর সূত্রে উল্লেখ করেছেন এবং তিনি এর সনদে বর্ণিত রাবীগণ সকলেই নির্ভরযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন।)
اللَّهُ أَكْبَرُ كَبِيرًا وَسُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا
"আল্লাহ সর্ব মহান সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহর গুণ বর্ণনা সকাল-সাঁঝে।
'আব্দুল্লাহ বলেন, তখন মুসলিমগণ তাঁদের মস্তক উত্তোলন করলেন এবং লোকটিকে অবজ্ঞা করে বললেন, 'রাসূল (ﷺ)-এর কন্ঠের চেয়ে উঁচু কণ্ঠে কথা বলে-এমন ব্যক্তিটি কে? অতঃপর রাসূল (ﷺ) সালাম ফিরিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, এ উঁচু কণ্ঠের অধিকারী কে? বলা হলো 'ইয়া রাসূলাল্লাহ, এই সেই ব্যক্তি। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, আমি তোমার কথাকে আসমানে আরোহণ করতে দেখেছি, পরে আসমানের একটি দরজা খুলে গেল এবং তোমার কথা সেখানে প্রবেশ করল।
(হায়ছামী এ হাদীসখানা আহমদ ও তবারানীর মু'জামুল কাবীর-এর সূত্রে উল্লেখ করেছেন এবং তিনি এর সনদে বর্ণিত রাবীগণ সকলেই নির্ভরযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
(13) باب في دعاء الافتتاح والتعوذ قبل القراءة
(513) عن عبد الله بن أبى أوفى رضى الله عنه قال جاء رجل ونحن في الصَّفِّ خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال الله أكبر كبيرًا، وسبحان الله بكرةً وأصيلًا، قال فرفع المسلمون رؤسهم واستنكروا الرَّجل وقالوا من الَّذى يرفع صوته فوق صوت رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ فامَّا انصرف رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من هذا العالى الصَّوت؟ فقيل هو ذا يا رسول الله، فقال والله لقد رأيت كلامك يصعد في السَّماء حتَّى فتح بابٌ فدخل فيه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫১৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৩) কির'আতের পূর্বে প্রাথমিক ও আউযুবিল্লাহ পড়া সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(৫১৪) 'আব্দুল জব্বার ইবন্ ওয়াইল (রা) তাঁর পিতা ওয়াইল ইব্ন হুজর (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর সাথে সালাত আদায় করেছিলাম। তখন এক ব্যক্তি বলে উঠল,
الْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ
সকল প্রশংসা অধিক ও উত্তমরূপে আল্লাহর জন্য, বরকতসহ। অতঃপর রাসূল (ﷺ) সালাত শেষে বললেন, কথাটি কে বলেছে? লোকটি বলল। ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি বলেছি, আর এ দ্বারা আমি কল্যাণ বৈ অকল্যাণকর কিছু প্রত্যাশা করি নি। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, আসমানের দরজাসমূহ এ কথার জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল এবং তা আরশ ব্যতীত অন্য কেউ ঠেকাতে পারে নি।
(বুলুগুল আমানী গ্রন্থের প্রণেতা আহমদ ইবন্ আব্দুর রহমান বান্না বলেন, আমি হাদীসখানার বিরুদ্ধে অবস্থান নেই নি, এর সনদ মানসম্মত।)
الْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ
সকল প্রশংসা অধিক ও উত্তমরূপে আল্লাহর জন্য, বরকতসহ। অতঃপর রাসূল (ﷺ) সালাত শেষে বললেন, কথাটি কে বলেছে? লোকটি বলল। ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি বলেছি, আর এ দ্বারা আমি কল্যাণ বৈ অকল্যাণকর কিছু প্রত্যাশা করি নি। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, আসমানের দরজাসমূহ এ কথার জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল এবং তা আরশ ব্যতীত অন্য কেউ ঠেকাতে পারে নি।
(বুলুগুল আমানী গ্রন্থের প্রণেতা আহমদ ইবন্ আব্দুর রহমান বান্না বলেন, আমি হাদীসখানার বিরুদ্ধে অবস্থান নেই নি, এর সনদ মানসম্মত।)
كتاب الصلاة
(13) باب في دعاء الافتتاح والتعوذ قبل القراءة
(514) عن عبد الجبَّار بن وائل عن أبيه (وائل بن حجرٍ رضى الله عنه) قال صلَّيت مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم فقال رجلٌ الحمد لله كثيرًا طيِّبًا مباركًا فيه، فلمَّا صلَّي رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من القائل؟ قال الرَّجل أنا يا رسول الله وما أردت إلاَّ الخير، فقال لقد فتحت لها أبواب السَّماء فلم ينهِّها (1) دون الَّعرش
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫১৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৩) কির'আতের পূর্বে প্রাথমিক ও আউযুবিল্লাহ পড়া সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(৫১১) আলী ইব্ন আবী তালিব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) তাকবীর বলার মাধ্যমে সালাত শুরু করতেন, অতঃপর বলতেন, (অন্য এক বর্ণনায় তিনি যখন সালাত শুরু করতেন তখন তাকবীর বলতেন, অতঃপর বলতেন)
وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ حَنِيفًا مُسْلِمًا وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ إِنَّ صَلاَتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَاىَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِينَ
আমি আমার মুখমণ্ডলকে যিনি আসমানসমূহ ও ভূ-মণ্ডল সৃষ্টি করেছেন, তাঁর দিকে ঐকান্তিকভাবে আত্মসমর্পণ করার উদ্দেশ্যে ফিরিয়েছি, আর আমি মুশরিকদের দলভুক্ত নই। নিশ্চয়ই আমার সালাত, আমার কুরবানী, আমার জীবন, আমার মরণ সকল কিছুই বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। যাঁর কোন শরীক নাই-আমি এ জন্যই আদিষ্ট হয়েছি আর আমি মুসলিমদেরই একজন।
আবূ নদর (রা) বলেন,
وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِينَ اللَّهُمَّ لاَ إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ (وفى روايةٍ اللَّهمَّ أنتَ الملِكُ لاَ إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ) رَبِّيْ وَأَنَا عَبْدُكَ ظَلَمْتُ نَفْسِىْ وَاعْتَرَفْتُ بِذَنْبِيْ فَاغْفِرْلِىْ ذُنُوْبِىْ جَمِيْعًا لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبََ إلاَّ أَنْتَ وَاهْدِنِىْ لِأَحْسَنِ الْأَخْلَاقِ لَا يَهْدِىْ لِأَحْسَنِهَا إِلاَّ أَنْتَ وَاصْرِفْ عَنِّيْ سَيِّئَهَا لَا يَصْرِفُ عَنِّىْ سَيِّئَهَا إِلاَّ أَنْتَ تَبَارَكْتَ (وَفِيْ رِوَايَةٍ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ كُلُّهُ فِىْ يَدَيْكَ وَالشَّرُّ إِلَيْكَ إِنَّا بِكَ وَإِلَيْكَ تَبَارَكْتَ) وَتَعَالَيْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ
আমিই প্রথম মুসলিম। হে আল্লাহ! আপনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। (অন্য এক বর্ণনা মতে, হে আল্লাহ! আপনিই প্রভু, আপনি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই), আপনি আমার প্রভু। আমি আপনার বান্দা, আমি নিজের ওপর জুলুম করেছি, আমি আমার অপরাধের ব্যাপারে অনুতপ্ত। সুতরাং আপনি আমার সকল অপরাধ ক্ষমা করুন। আপনি ব্যতীত অপরাধ কেউ ক্ষমা করতে পারে না। আপনি আমাকে উত্তম আখলাকের দিকে পরিচালিত করুন। আপনি ব্যতীত অন্য কেউ সুন্দর চরিত্রের পথ দেখাতে পারে না। আপনি আমার চরিত্র থেকে অসৎ স্বভাবগুলি দূর করুন। আপনি ব্যতীত অন্য কেউ অসদগুণাবলী দূর করতে পারে না। আপনি কতই না বরকতময়। (অন্য এক বর্ণনা মতে, আমি আপনার সমীপে হাযির। সকল কল্যাণ আপনারই হাতের মুঠোয়, কোন অকল্যাণ আপনার নিকট পৌঁছতে পারে না। আমি আপনার কাছে এবং আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী, আপনি কতই না বরকতময়)। আপনি মহান। আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার কাছে তাওবা করছি।
আর রাসূল (ﷺ) যখন রুকু করতেন, তখন বলতেন,
اللَّهُمَّ لكَ رَكَعْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَلَكَ أَسْلَمْتُ، خَشَعَ لكَ سَمْعِي وَبَصَرِي، وَمُخِّي، وَعَظْمِي وَعَصَبِي
হে আল্লাহ। আমি আপনার জন্য রুকু করছি, আপনার প্রতি ঈমান এনেছি, আপনার প্রতিই আত্মসমর্পণ করেছি। আপনার কথায় আমার একাগ্র হয়ে পড়ে আমার কর্ণ, আমার চক্ষু, আমার মস্তিষ্ক ও আমার শিরদাঁড়।
আর যখন রুকু থেকে তাঁর মাথা উত্তোলন করতেন, তখন বলতেন,
سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ، رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ، مِلْءُ السَّمَاوَاتِ، وَمِلْءُ الْأَرْضِ وَمِلْءُ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ
আলাহ শুনেছেন কে তাঁর প্রশংসা করল। আমাদের প্রভু আসমানসমূহ, যমীন এবং এদের মাঝে যা কিছু আছে সে পরিমাণ এবং এর বাইরের যে পরিমাণ আপনার মর্জি সে সকল প্রশংসা একমাত্র আপনারই জন্য। আর তিনি যখন সিজদা করতেন, তখন বলতেন,
اللَّهُمَّ لكَ سَجَدْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَلَكَ أَسْلَمْتُ، سَجَدَ وَجْهِي لِلَّذِي خَلَقَهُ، وَصَوَّرَهُ، وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ، تَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الخَالِقِينَ
হে আল্লাহ! আমি আপনার জন্যই সিজদা করেছি, আপনার প্রতিই ঈমান এনেছি এবং আপনার জন্যই ইসলাম গ্রহণ করেছি। আমার মুখমণ্ডল তাঁর জন্যই সিজদা করছে, যিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর একে সুন্দর আকৃতি দান করেছেন এবং তাতে তার কর্ণ ও চক্ষু স্থাপন করেছেন। সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টিকারী আল্লাহ কতই না বরকতময়।
অতঃপর যখন তিনি সালাত শেষে সালাম ফিরাতেন, তখন বলতেনঃ
للَّهُمَّ اغْفِرْ لي ما قَدَّمْتُ وَما أَخَّرْتُ، وَما أَسْرَرْتُ وَما أَعْلَنْتُ، وَما أَسْرَفْتُ، وَما أَنْتَ أَعْلَمُ به مِنِّي، أَنْتَ المُقَدِّمُ وَأَنْتَ المُؤَخِّرُ، لا إلَهَ إلَّا أَنْتَ
হে আল্লাহ, আমার পূর্বাপর, প্রকাশ্য, গোপনীয় এবং অপচয়জনিত সকল অপরাধকে ক্ষমা করুন এবং আমার ঐসব অপরাধকেও আপনি ক্ষমা করুন, যে ব্যাপারে আপনি আমার চেয়ে অধিক অবগত। আপনিই আদি, আপনিই অনন্ত। আপনি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নাই।
(হাদীসখানা ইমাম মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী ও শাফেয়ী ও দারাকুতনী স্ব স্ব হাদীসগ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। তিরমিযী এটাকে সহীহ্ বলেছেন এবং ইবন্ মাজাহ সংক্ষিপ্ত আকারে হাদীসখানার বর্ণনা দিয়েছেন।)
وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ حَنِيفًا مُسْلِمًا وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ إِنَّ صَلاَتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَاىَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِينَ
আমি আমার মুখমণ্ডলকে যিনি আসমানসমূহ ও ভূ-মণ্ডল সৃষ্টি করেছেন, তাঁর দিকে ঐকান্তিকভাবে আত্মসমর্পণ করার উদ্দেশ্যে ফিরিয়েছি, আর আমি মুশরিকদের দলভুক্ত নই। নিশ্চয়ই আমার সালাত, আমার কুরবানী, আমার জীবন, আমার মরণ সকল কিছুই বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। যাঁর কোন শরীক নাই-আমি এ জন্যই আদিষ্ট হয়েছি আর আমি মুসলিমদেরই একজন।
আবূ নদর (রা) বলেন,
وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِينَ اللَّهُمَّ لاَ إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ (وفى روايةٍ اللَّهمَّ أنتَ الملِكُ لاَ إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ) رَبِّيْ وَأَنَا عَبْدُكَ ظَلَمْتُ نَفْسِىْ وَاعْتَرَفْتُ بِذَنْبِيْ فَاغْفِرْلِىْ ذُنُوْبِىْ جَمِيْعًا لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبََ إلاَّ أَنْتَ وَاهْدِنِىْ لِأَحْسَنِ الْأَخْلَاقِ لَا يَهْدِىْ لِأَحْسَنِهَا إِلاَّ أَنْتَ وَاصْرِفْ عَنِّيْ سَيِّئَهَا لَا يَصْرِفُ عَنِّىْ سَيِّئَهَا إِلاَّ أَنْتَ تَبَارَكْتَ (وَفِيْ رِوَايَةٍ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ كُلُّهُ فِىْ يَدَيْكَ وَالشَّرُّ إِلَيْكَ إِنَّا بِكَ وَإِلَيْكَ تَبَارَكْتَ) وَتَعَالَيْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ
আমিই প্রথম মুসলিম। হে আল্লাহ! আপনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। (অন্য এক বর্ণনা মতে, হে আল্লাহ! আপনিই প্রভু, আপনি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই), আপনি আমার প্রভু। আমি আপনার বান্দা, আমি নিজের ওপর জুলুম করেছি, আমি আমার অপরাধের ব্যাপারে অনুতপ্ত। সুতরাং আপনি আমার সকল অপরাধ ক্ষমা করুন। আপনি ব্যতীত অপরাধ কেউ ক্ষমা করতে পারে না। আপনি আমাকে উত্তম আখলাকের দিকে পরিচালিত করুন। আপনি ব্যতীত অন্য কেউ সুন্দর চরিত্রের পথ দেখাতে পারে না। আপনি আমার চরিত্র থেকে অসৎ স্বভাবগুলি দূর করুন। আপনি ব্যতীত অন্য কেউ অসদগুণাবলী দূর করতে পারে না। আপনি কতই না বরকতময়। (অন্য এক বর্ণনা মতে, আমি আপনার সমীপে হাযির। সকল কল্যাণ আপনারই হাতের মুঠোয়, কোন অকল্যাণ আপনার নিকট পৌঁছতে পারে না। আমি আপনার কাছে এবং আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী, আপনি কতই না বরকতময়)। আপনি মহান। আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার কাছে তাওবা করছি।
আর রাসূল (ﷺ) যখন রুকু করতেন, তখন বলতেন,
اللَّهُمَّ لكَ رَكَعْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَلَكَ أَسْلَمْتُ، خَشَعَ لكَ سَمْعِي وَبَصَرِي، وَمُخِّي، وَعَظْمِي وَعَصَبِي
হে আল্লাহ। আমি আপনার জন্য রুকু করছি, আপনার প্রতি ঈমান এনেছি, আপনার প্রতিই আত্মসমর্পণ করেছি। আপনার কথায় আমার একাগ্র হয়ে পড়ে আমার কর্ণ, আমার চক্ষু, আমার মস্তিষ্ক ও আমার শিরদাঁড়।
আর যখন রুকু থেকে তাঁর মাথা উত্তোলন করতেন, তখন বলতেন,
سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ، رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ، مِلْءُ السَّمَاوَاتِ، وَمِلْءُ الْأَرْضِ وَمِلْءُ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ
আলাহ শুনেছেন কে তাঁর প্রশংসা করল। আমাদের প্রভু আসমানসমূহ, যমীন এবং এদের মাঝে যা কিছু আছে সে পরিমাণ এবং এর বাইরের যে পরিমাণ আপনার মর্জি সে সকল প্রশংসা একমাত্র আপনারই জন্য। আর তিনি যখন সিজদা করতেন, তখন বলতেন,
اللَّهُمَّ لكَ سَجَدْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَلَكَ أَسْلَمْتُ، سَجَدَ وَجْهِي لِلَّذِي خَلَقَهُ، وَصَوَّرَهُ، وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ، تَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الخَالِقِينَ
হে আল্লাহ! আমি আপনার জন্যই সিজদা করেছি, আপনার প্রতিই ঈমান এনেছি এবং আপনার জন্যই ইসলাম গ্রহণ করেছি। আমার মুখমণ্ডল তাঁর জন্যই সিজদা করছে, যিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর একে সুন্দর আকৃতি দান করেছেন এবং তাতে তার কর্ণ ও চক্ষু স্থাপন করেছেন। সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টিকারী আল্লাহ কতই না বরকতময়।
অতঃপর যখন তিনি সালাত শেষে সালাম ফিরাতেন, তখন বলতেনঃ
للَّهُمَّ اغْفِرْ لي ما قَدَّمْتُ وَما أَخَّرْتُ، وَما أَسْرَرْتُ وَما أَعْلَنْتُ، وَما أَسْرَفْتُ، وَما أَنْتَ أَعْلَمُ به مِنِّي، أَنْتَ المُقَدِّمُ وَأَنْتَ المُؤَخِّرُ، لا إلَهَ إلَّا أَنْتَ
হে আল্লাহ, আমার পূর্বাপর, প্রকাশ্য, গোপনীয় এবং অপচয়জনিত সকল অপরাধকে ক্ষমা করুন এবং আমার ঐসব অপরাধকেও আপনি ক্ষমা করুন, যে ব্যাপারে আপনি আমার চেয়ে অধিক অবগত। আপনিই আদি, আপনিই অনন্ত। আপনি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নাই।
(হাদীসখানা ইমাম মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী ও শাফেয়ী ও দারাকুতনী স্ব স্ব হাদীসগ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। তিরমিযী এটাকে সহীহ্ বলেছেন এবং ইবন্ মাজাহ সংক্ষিপ্ত আকারে হাদীসখানার বর্ণনা দিয়েছেন।)
كتاب الصلاة
(13) باب في دعاء الافتتاح والتعوذ قبل القراءة
(515) عن على بن أبى طالب رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا كبر استفتح (2) ثم قال (وفى رواية كان إذا استفتح الصلاة يكبر (3) ثم يقول) وجهت وجهى (4) للذى فطر السموات والأرض حنيفا (1) مسلما وما أنا من المشركين، إن صلاتى ونسكى (2) ومحياى ومماتى لله رب العالمين لا شريك له وبذلك أمرت وأنا من المسلمين، قال أبو النضر وأنا أول المسلمين (3) اللهم لا إله إلا أنت (وفى رواية اللهم أنت الملك لا إله إلا أنت) ربي وأنا عبدك ظلمت نفسى (4) واعترفت بذنبي فاغفرلى ذنوبى جميعا لا يغفر الذنوب إلا أنت واهدنى لأحسن الأخلاق لا يهدى لأحسنها إلا أنت واصرف عني سيئها لا يصرف عنى سيئها إلا أنت تباركت (5) (وفي رواية لبيك (6) وسعديك والخير كله فى يديك (7) والشر ليس إليك (1) إنا بك وإليك (2) تباركت) وتعاليت أستغفرك وأتوب إليك، وكان إذا رفع قال اللهم لك ركعت وبك آمنت ولك أسلمت خشع (3) لك سمعى وبصرى ومخى وعظامى وعصبي، وإذا رفع رأسه من الركعة قال سمع الله لمن حمده ربنا ولك الحمد ملء (4) السموات والأرض وما بينهما وملء ما شئت من شئ بعد، وإذا سجد قال اللهم لك سجدت وبك آمنت ولك أسلمت سجد وجهى للذي خلقه فصوره فشق سمعه وبصره فتبارك الله أحسن الخالقين (1)، فإذا سلم من الصلاة قال اللهم اغفر لي ما قدمت وما أخرت (2) وما أسررت وما أعلنت وما أسرفت (3) وما أنت أعلم به منى (4) أنت المقدم وأنت المؤخر (5) لا إله إلا أنت
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫১৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৪ ) সূরা ফাতিহা পাঠের সময় বিসমিল্লাহ পড়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫১৬) সাঈদ ইবন্ ইয়াযিদ আবু মাসলামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস (রা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, রাসূল (ﷺ) কি 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম' পড়তেন, নাকি 'আল-হামদু লিল্লাহি রাব্বিল 'আলামীন' পড়তেন? তিনি বললেন, তুমি আমাকে এমন ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করেছো যা আমার স্মরণে নাই অথবা তোমার পূর্বে এ ব্যাপারে আমাকে কেউ জিজ্ঞাসা করে নি।
(দারাকুতনী তাঁর সুনানে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন এবং তিনি বলেন, হাদীসখানার সনদ সহীহ। হায়ছামী বলেন, অত্র হাদীসের বর্ণনাকারীগণ সবাই নির্ভরযোগ্য।)
(দারাকুতনী তাঁর সুনানে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন এবং তিনি বলেন, হাদীসখানার সনদ সহীহ। হায়ছামী বলেন, অত্র হাদীসের বর্ণনাকারীগণ সবাই নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(14) باب ما جاء فى البسملة عند قراءة الفاتحة
(516) عن سعيد بن يزيد أبى مسلمة قال سألت؟؟؟ أكان النَّبيّ صلى الله عليه وسلم يقرأ بسم الله الرَّحمن الرَّحيم أو الحمد لله ربِّ العالمين؟، فقال إنَّك لتسألني عن شيءٍ ما أحفظه (1) أو ما سألني أحد قبلك
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫১৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৪ ) সূরা ফাতিহা পাঠের সময় বিসমিল্লাহ পড়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫১৭) কাতাদাহ্ (র) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ), আবু বকর (রা), উমর (রা) ও উসমান (রা)-এর সাথে সালাত আদায় করেছি। কিন্তু তাঁদের কাউকেই আমি 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম' পাঠ করতে শুনি নি।
কাতাদাহ (র) বলেন, আমি আনাস ইবন্ মালিক (রা)-কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, রাসূল (ﷺ) কীভাবে কিরআতের সূচনা করতেন? তিনি বললেনঃ তুমি আমাকে এমন বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে যে বিষয়ে ইতিপূর্বে কেউ কখনও জিজ্ঞেস করে নি।
(মুসলিম ও বায়হাকীতে হাদীসখানা বর্ণিত হয়েছে। তবে বায়হাকী থেকে পরবর্তী অংশের উল্লেখ নেই।)
কাতাদাহ (র) বলেন, আমি আনাস ইবন্ মালিক (রা)-কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, রাসূল (ﷺ) কীভাবে কিরআতের সূচনা করতেন? তিনি বললেনঃ তুমি আমাকে এমন বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে যে বিষয়ে ইতিপূর্বে কেউ কখনও জিজ্ঞেস করে নি।
(মুসলিম ও বায়হাকীতে হাদীসখানা বর্ণিত হয়েছে। তবে বায়হাকী থেকে পরবর্তী অংশের উল্লেখ নেই।)
كتاب الصلاة
(14) باب ما جاء فى البسملة عند قراءة الفاتحة
(517) عن قتادة عن أنس بن مالكٍ رضى الله عنه قال صلَّيت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبى بكر وعمر وعثمان فلم أسمع أحدًا منهم يقرأ بسم الله الرَّحمن الرَّحيم، قال قتادة سألت أنس بن مالك بأىِّ شئٍ كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يستفتح القراءة؟ فقال إنَّك لتسألنى عن شيءٍ ما سألنى عنه أحد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫১৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৪ ) সূরা ফাতিহা পাঠের সময় বিসমিল্লাহ পড়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫১৮) আনাস (রা) থেকে অন্য এক রেওয়ায়েতে আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর পেছনে এবং আবু বকর (রা), উমর (রা) ও উসমান (রা)-এর পেছনে সালাত আদায় করেছি, কিন্তু তাঁরা কেউই 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম' সরবে পড়েন নি।
(নাসাঈ, ইবন্ হিব্বান, দারাকুতনী, তবারানী ও তাহাবী হাদীসখানা সহীহ্ সনদের শর্তে বর্ণনা করেছেন।)
(নাসাঈ, ইবন্ হিব্বান, দারাকুতনী, তবারানী ও তাহাবী হাদীসখানা সহীহ্ সনদের শর্তে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(14) باب ما جاء فى البسملة عند قراءة الفاتحة
(518) وعن أنسٍ رضى الله عنه فى روايةٍ أخري قال صلَّيت خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم وخلف أبى بكرٍ وعمر وعثمان رضى الله عنهم وكانوا لا يجهرون ببسم الله الرَّحمن الرَّحيم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫১৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৪) সূরা ফাতিহা পাঠের সময় বিসমিল্লাহ পড়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫১৯) আনাস (রা) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর পেছনে এবং আবু বকর (রা), উমর (রা) ও উসমান (রা)-এর পেছনে সালাত আদায় করেছি। তাঁরা 'আল হামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন' (সূরা ফাতিহা) দ্বারা কিরাআত শুরু করতেন। তাঁরা কিরাআতের শুরুতে বা শেষে কোথাও 'বিস্মিল্লাহির রাহমানির রাহীম' উচ্চারণ করতেন না।
(মুসলিম ও বায়হাকী হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন। ইমাম বুখারী তাঁর কিতাবে রাব্বিল আলামীন পর্যন্ত উল্লেখ করেছেন।)
(মুসলিম ও বায়হাকী হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন। ইমাম বুখারী তাঁর কিতাবে রাব্বিল আলামীন পর্যন্ত উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(14) باب ما جاء فى البسملة عند قراءة الفاتحة
(519) وعنه أيضًا قال صلَّيت خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبى بكرٍ وعمر وعثمان رضى الله عنهم فكانوا يستفتحون القراءة بالحمد لله ربِّ العالمين (1) لا يذكرون بسم الله الرَّحمن الرَّحيم في أوَّل القراءة ولا فى آخرها
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৪) সূরা ফাতিহা পাঠের সময় বিসমিল্লাহ পড়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫২০) আদান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর পেছনে এবং আবূ বকর (রা) উমর (রা) ও উসমান (রা)-এর পেছনে সালাত আদায় করেছি, তাঁরা কেউই 'বিস্মিল্লাহির রাহমানির রাহীম' দ্বারা কিরাআত শুরু করেন নি। শু'বা বলেন: আমি কাতাদা (রা)-কে জিজ্ঞেস করেছি, আপনি কি এটা আনাস (রা) থেকে শুনেছেন? তিনি বলেন, হ্যাঁ, আমরা এ ব্যাপারে তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলাম।
(এ হাদীসখানা আবু বকর আল-কতীয়ী (র)-এর যাওয়ায়েদ-এ বর্ণিত হয়েছে। হাদীসখানা মূলত পূর্ববর্তী হাদীসেরই সমর্থনকারী।)
(এ হাদীসখানা আবু বকর আল-কতীয়ী (র)-এর যাওয়ায়েদ-এ বর্ণিত হয়েছে। হাদীসখানা মূলত পূর্ববর্তী হাদীসেরই সমর্থনকারী।)
كتاب الصلاة
(14) باب ما جاء فى البسملة عند قراءة الفاتحة
(520) قط عن شعبة عن قتادة عن أنس رضى الله عنه قال صليَّت خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم وخلف أبى بكرٍ وعمر وعثمان رضي الله عنهم فلم يكونوا يستفتحون ببسم الله الرَّحمن الرَّحيم، قال شعبة قلت لقتادة أسمعته من أنسٍ؟ قال نعم نحن سألناه عنه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৪) সূরা ফাতিহা পাঠের সময় বিসমিল্লাহ পড়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫২১) আবু আবদুল্লাহ ইবন্ মুগাফ্ফাল (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সালাতের মধ্যে 'বিস্মিল্লাহির রাহমানির রাহীম' 'আল হামদুলিল্লাহ রাব্বিল আলামীন' পড়ছিলাম আর আমার পিতা তা শুনছিলেন। অতঃপর সালাত শেষে তিনি আমার দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন, ওহে বৎস! তুমি ইসলামের মধ্যে নতুনত্ব থেকে নিজেকে মুক্ত রাখো। কেননা আমি রাসূল (ﷺ), আবূ বকর (রা), উমর (রা) ও উসমান (রা)-এর পেছনে সালাত আদায় করেছি কিন্তু তাঁরা কেউই 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম' বলে কিরাআত শুরু করেন নি। (অন্য এক বর্ণনায়, তুমি তা বলো না। তুমি যখন কিরাআত পড়বে, তখন বলবে, আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন,)
ইবন আব্দুল্লাহ বলেন, শরীয়তের মধ্যে নতুনত্বকে আমার পিতার চেয়ে অধিক অপছন্দকারী কাউকে আমি দেখি নি।
(উক্ত রাবীর পুরা নাম ইয়াযীদ ইবন্ আব্দুল্লাহ ইবন্ মুগাফ্ফাল।)
(বায়হাকী, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ (র) ইমাম তিরমিযী (র) হাদীসখানার সনদকে হাসান বলেছেন। খাতীব আল-বাগদাদী (র) অত্র হাদীসখানাকে দুর্বল বলেছেন।)
ইবন আব্দুল্লাহ বলেন, শরীয়তের মধ্যে নতুনত্বকে আমার পিতার চেয়ে অধিক অপছন্দকারী কাউকে আমি দেখি নি।
(উক্ত রাবীর পুরা নাম ইয়াযীদ ইবন্ আব্দুল্লাহ ইবন্ মুগাফ্ফাল।)
(বায়হাকী, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ (র) ইমাম তিরমিযী (র) হাদীসখানার সনদকে হাসান বলেছেন। খাতীব আল-বাগদাদী (র) অত্র হাদীসখানাকে দুর্বল বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(14) باب ما جاء فى البسملة عند قراءة الفاتحة
(521) عن ابن عبد الله (1) بن مغفَّل قال سمعني أبى وأنا أقرأ بسم الله الرَّحمن الرَّحيم الحمد لله ربِّ العالمين، فلمَّا انصرف قال يا بنَّي إيَّاك والحدث فى الإسلام (2) فإنِّي خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم وخلف أبي بكرٍ وخلف عمر وعثمان رضى الله عنهم (1) فكانوا لا يستفتحون القراءة ببسم الله الرَّحمن الرَّحيم (وفى روايةٍ فلا تقلها، إذا أنت قرأت فقل الحمد لله ربِّ العالمين) قال ولم أر رجلًا. قطُّ أبغض إليه الحدث منه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৪) সূরা ফাতিহা পাঠের সময় বিসমিল্লাহ পড়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫১৮) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) 'আল-হামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন' বলে সালাতে কিরাআত শুরু করতেন।)
(ইবন্ মাজাহ (র) হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। হাদীসখানার সনদ মানসম্মত।)
(ইবন্ মাজাহ (র) হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। হাদীসখানার সনদ মানসম্মত।)
كتاب الصلاة
(14) باب ما جاء فى البسملة عند قراءة الفاتحة
(522) عن عائشة رضى الله عنها أنَّ نبيَّ الله صلى الله عليه وسلم كان يستفتح القراءة بالحمد لله ربِّ العالمين
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৪) সূরা ফাতিহা পাঠের সময় বিসমিল্লাহ পড়া সম্পর্কিত পরিচ্ছেদ
(৫১৯) উম্মু সালামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ)-এর কিরাআত সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হয়েছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, রাসূল (ﷺ) তাঁর কিরাআতকে প্রতিটি আয়াতে আলাদা আলাদা করে পড়তেন- 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম' 'আল হামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন' 'আর রাহমানির রাহীম, মালিকি ইয়াওমিদ্দীন।'
(আবু দাউদ (র) তাঁর সুনানে এবং হাকিম (র) তাঁর মুস্তাদরাক গ্রন্থে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন। ইব্ন খুযাইমা ও দারাকুতনীও একই সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের সনদ সহীহ এবং বর্ণনাকারীগণ সবাই নির্ভরযোগ্য।)
(আবু দাউদ (র) তাঁর সুনানে এবং হাকিম (র) তাঁর মুস্তাদরাক গ্রন্থে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন। ইব্ন খুযাইমা ও দারাকুতনীও একই সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের সনদ সহীহ এবং বর্ণনাকারীগণ সবাই নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(14) باب ما جاء فى البسملة عند قراءة الفاتحة
(523) عن أم سلمة رضي الله عنها أنَّها سئلت عن قراءة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت كان يقطع قراءته آيةً آيةً، بسم الله الرَّحمن الرَّحيم، الحمد لله ربِّ العالمين، الرَّحمن الرَّحيم، مالك يوم الدِّين
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৫) সূরা ফাতিহার তাফসীর এবং যারা বলে বিসমিল্লাহ সূরা ফাতিহার অংশ নয় তাদের দলীল সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(৫২০) আ'লা ইবন আব্দুর রহমান ইবন্ ইয়াকুব থেকে বর্ণিত, হিশাম ইবন্ যোহরা এর যুক্তদাস আবু সাইব (র) তাঁর নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু হুরায়রা (রা)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি সালাত আদায় করল অথচ তাতে উম্মুল কুরআন তিলাওয়াত করল না, (অন্য এক বর্ণনামতে ফাতিহাতুল কিতাব তিলাওয়াত করল না তবে সে সালাত যেন অকালে পতিত, যা পূর্ণতা লাভ করার পূর্বেই পতিত হয়েছে।
আবূ সাইব (রা) আবূ হুরায়রা (রা)-কে বলেন, আমি কখনও কখনও ইমামের পেছনে সালাত আদায় করি। আবু সাইব (রা) বলেন; তখন আবূ হুরায়রা (রা) আমার বাহুতে খোঁচা দিয়ে বললেন, ওহে পারস্যবাসী তুমি তা মনে মনে পড়বে। আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, মহান আল্লাহ বলেন, আমি সালাতকে আমার ও আমার বান্দার মাঝে দু'ভাগে বিভক্ত করেছি। অর্ধেক আমার এবং অর্ধেক আমার বান্দার। আমার বান্দা আমার কাছে যা চায়, তাই সে পায়। আবূ হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমরা পড়।
তিনি বলেন, যখন বান্দা বলে, الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ 'আল-হাম্দু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন' (সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহরই), তখন আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে। আর যখন বান্দা বলে, الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ 'আর-রাহমানির রাহীম' (যিনি দয়াময়, পরম দয়ালু), তখন আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা আমার গুণ বর্ণনা করছে। অতঃপর যখন বান্দা বলে, مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ 'মালিকি ইয়াওমিদ্দীন' (যিনি কর্মফল দিবসের মালিক), তখন আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা আমার গৌরব প্রকাশ করছে। মহান আল্লাহ আরও বলেন, এ কথাগুলো আমার ও আমার বান্দার মাঝে সেতুবন্ধন। বান্দা যখন বলে, إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ 'ইয়্যাকা না'বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাস্তা'য়ীন', আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি, শুধু তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি), তখন আল্লাহ বলেন, আমি এটা আমার বান্দার জন্যই পেয়েছি এবং আমার বান্দা যা চায় তাকে তা-ই দিব। তিনি বলেন: অতঃপর যখন বান্দা বলে, اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ 'ইহদিনাস, সিরাতাল মুস্তাকীম........ ওয়ালাদ্দোয়াল্লীন' (অর্থাৎ আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন কর, তাঁদের পথ যাদেরকে তুমি অনুগ্রহ দান করেছো। তাদের পথ নয়, যারা ক্রোধ-নিপতিত ও পথভ্রষ্ট।) তখন আল্লাহ বলেন, এ সব আমার বান্দার জন্য, আর সে যা চায়, আমি তাকে তা-ই দিব।
(উম্মুল কুরআন সূরা ফাতিহার অপর নাম।)
(ফাতিহাতুল কিতাব সূরা ফাতিহার আরও একটি নাম।)
(আবূ হুরায়রা (রা) থেকে অন্য এক সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে) তবে তাতে বলা হয়েছে- যে সালাতে সূরাতুল ফাতিহা তিলাওয়াত করা হয় না। তা অপূর্ণাঙ্গ, অপরিপক্ক, অপরিপক্ক। উক্ত হাদীসে আরও উল্লেখ রয়েছে, যখন বান্দা বলে, مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ 'কর্মফল দিবসের মালিক' তখন আল্লাহ বলেন, বান্দা আমার কাছে ন্যস্ত্ব করেছে। অতঃপর যখন বান্দা বলে, إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি এবং শুধু তোমারই কাছে সাাহয্য প্রার্থনা করি তখন আল্লাহ বলেন, এটা আমার ও আমার বান্দার মাঝে সেতুবন্ধন, আমার বান্দা যা প্রার্থনা করবে তা-ই পাবে। আল্লাহ আবার বলেন, সে আমার নিকট কি চায়? তখন বান্দা আল্লাহর কাছে চাইবে اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন কর, তাঁদের পথ যাঁদেরকে তুমি অনুগ্রহ দান করেছো, তাদের পথ নয়, যারা ক্রোধে নিপতিত ও পথভ্রষ্ট। তখন আল্লাহ বলেন, এটা আমার বান্দার জন্যই। তুমি যা চেয়েছো তাই পাবে। আল্লাহ আবার বলবেন, আমার বান্দা যা প্রার্থনা করবে তা-ই পাবে।
(মুসলিম, ইমাম মালিক, আবূ দাউদ, তিরমিযী ও নাসাঈ (র) স্ব স্ব হাদীসগ্রন্থে অত্র হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন।)
আবূ সাইব (রা) আবূ হুরায়রা (রা)-কে বলেন, আমি কখনও কখনও ইমামের পেছনে সালাত আদায় করি। আবু সাইব (রা) বলেন; তখন আবূ হুরায়রা (রা) আমার বাহুতে খোঁচা দিয়ে বললেন, ওহে পারস্যবাসী তুমি তা মনে মনে পড়বে। আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, মহান আল্লাহ বলেন, আমি সালাতকে আমার ও আমার বান্দার মাঝে দু'ভাগে বিভক্ত করেছি। অর্ধেক আমার এবং অর্ধেক আমার বান্দার। আমার বান্দা আমার কাছে যা চায়, তাই সে পায়। আবূ হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমরা পড়।
তিনি বলেন, যখন বান্দা বলে, الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ 'আল-হাম্দু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন' (সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহরই), তখন আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে। আর যখন বান্দা বলে, الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ 'আর-রাহমানির রাহীম' (যিনি দয়াময়, পরম দয়ালু), তখন আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা আমার গুণ বর্ণনা করছে। অতঃপর যখন বান্দা বলে, مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ 'মালিকি ইয়াওমিদ্দীন' (যিনি কর্মফল দিবসের মালিক), তখন আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা আমার গৌরব প্রকাশ করছে। মহান আল্লাহ আরও বলেন, এ কথাগুলো আমার ও আমার বান্দার মাঝে সেতুবন্ধন। বান্দা যখন বলে, إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ 'ইয়্যাকা না'বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাস্তা'য়ীন', আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি, শুধু তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি), তখন আল্লাহ বলেন, আমি এটা আমার বান্দার জন্যই পেয়েছি এবং আমার বান্দা যা চায় তাকে তা-ই দিব। তিনি বলেন: অতঃপর যখন বান্দা বলে, اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ 'ইহদিনাস, সিরাতাল মুস্তাকীম........ ওয়ালাদ্দোয়াল্লীন' (অর্থাৎ আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন কর, তাঁদের পথ যাদেরকে তুমি অনুগ্রহ দান করেছো। তাদের পথ নয়, যারা ক্রোধ-নিপতিত ও পথভ্রষ্ট।) তখন আল্লাহ বলেন, এ সব আমার বান্দার জন্য, আর সে যা চায়, আমি তাকে তা-ই দিব।
(উম্মুল কুরআন সূরা ফাতিহার অপর নাম।)
(ফাতিহাতুল কিতাব সূরা ফাতিহার আরও একটি নাম।)
(আবূ হুরায়রা (রা) থেকে অন্য এক সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে) তবে তাতে বলা হয়েছে- যে সালাতে সূরাতুল ফাতিহা তিলাওয়াত করা হয় না। তা অপূর্ণাঙ্গ, অপরিপক্ক, অপরিপক্ক। উক্ত হাদীসে আরও উল্লেখ রয়েছে, যখন বান্দা বলে, مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ 'কর্মফল দিবসের মালিক' তখন আল্লাহ বলেন, বান্দা আমার কাছে ন্যস্ত্ব করেছে। অতঃপর যখন বান্দা বলে, إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি এবং শুধু তোমারই কাছে সাাহয্য প্রার্থনা করি তখন আল্লাহ বলেন, এটা আমার ও আমার বান্দার মাঝে সেতুবন্ধন, আমার বান্দা যা প্রার্থনা করবে তা-ই পাবে। আল্লাহ আবার বলেন, সে আমার নিকট কি চায়? তখন বান্দা আল্লাহর কাছে চাইবে اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন কর, তাঁদের পথ যাঁদেরকে তুমি অনুগ্রহ দান করেছো, তাদের পথ নয়, যারা ক্রোধে নিপতিত ও পথভ্রষ্ট। তখন আল্লাহ বলেন, এটা আমার বান্দার জন্যই। তুমি যা চেয়েছো তাই পাবে। আল্লাহ আবার বলবেন, আমার বান্দা যা প্রার্থনা করবে তা-ই পাবে।
(মুসলিম, ইমাম মালিক, আবূ দাউদ, তিরমিযী ও নাসাঈ (র) স্ব স্ব হাদীসগ্রন্থে অত্র হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(15) باب تفسير سورة الفاتحة وحجة من قال ان البسملة ليست آية منها
(524) عن العلاء بن عبد الرَّحمن بن يعقوب أنَّ أبا السَّائب مولى هشام بن زهرة أخبره أنَّه سمع أبا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من صلَّى صلاةً لم يقرأ فيها بأمِّ القرآن (1) (وفى روايةٍ بفاتحة الكتاب) فهى خداجٌ (2) هى خداجٌ غير تمامٍ، قال أبو السَّائب لأبى هريرة إنِّى أكون أحيانًا وراء الإمام، قال أبو السَّائب فغمز (3) أبو هريرة ذراعى فقال يا فارسى اقرأها فى نفسك، إنِّى سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول قال الله عزَّ وجلَّ قسمت الصَّلاة (4) بينى وبين عبدى نصفين فنصفها لى (5) ونصفها لعبدى (6) ما سأل، (7) قال أبو هريرة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقرءوا يقول فيقول العبد (8) الحمد لله ربِّ العالمين، فيقول الله حمدني (9) عبدي، ويقول العبد الرَّحمن الرَّحيم، (1) فيقول الله أثنى علىَّ عبدي، فيقول العبد مالك يوم الدِّين، (2) فيقول الله مجَّدنى عبدى، وقال هذه (3) بينى وبين عبدى، يقول العبد إيَّاك نعبد وإيَّاك نستعين قال أجدها، (4) لعبدى ولعبدى ما سأل، (5) قال يقول عبدى اهدنا الصِّراط المستقيم (6) صراط الَّذين أنعمت عليهم غير المغضوب عليهم ولا الضَّالِّين يقول الله عزَّ وجلَّ هذا (7) لعبدى ولعبدى ما سأل (وعنه من طريقٍ ثانٍ (8) بنحوه) وفيه أيُّما صلاةٍ لا يقرأ فيها بفاتحة الكتاب فهى خداجٌ ثمَّ هى خداجٌ ثمَّ هى خداجٌ، وفيه فإذا قال مالك يوم الدِّين قال فوَّض إلىِّ عبدى (1) فإذا قال إيَّاك نعبد وإيَّاك نستعين، قال فهذه بينى وبين عبدى ولعبدى ما سأل، وقال مرَّة ما سألنى فيسأله عبده اهدنا الصِّراط المستقيم صراط الَّذين أنعمت عليهم غير المغضوب عليهم ولا الضَّالِّين، قال هذا لعبدى، لك ما سألت، وقال مرَّة ولعبدى ما سألنى
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬. সূরাতুল ফাতিহা তিলাওয়াতের আবশ্যকতা বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৫২১) 'উবাদা ইবন্ আস-সামিত (রা) থেকে বর্ণিত, এ বর্ণনার ধারাবাহিকতা রাসূল (ﷺ) পর্যন্ত পৌঁছেছে, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, সেই ব্যক্তির সালাত বিশুদ্ধ নয়, যে ফাতিহাতুল কিতাব পাঠ করে নি।
(একই রাবী থেকে অন্য এক রেওয়ায়েতে বর্ণিত) তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি উম্মুল কুরআন তিলাওয়াত করে নি, তার সালাত হয় নি। (তারপর ধারাবাহিকভাবে অন্য কেরাত)
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন্ মাজাহ (র) হাদীসখানা বর্ণনা করেন।)
(فصاعداً আরবদের একটি কথ্যরীতি। যে কোন মূল কথা বা মূল আকর্ষণ বর্ণনার ক্ষেত্রে অথবা কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজকে সীমিত করণের ক্ষেত্রে অথবা কোন ধারাবাহিকতা বর্ণনার ক্ষেত্রে শব্দটি ব্যবহৃত হয়।)
(মুসলিম, আবু দাউদ ও ইবন্ হিব্বান (র) হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
(একই রাবী থেকে অন্য এক রেওয়ায়েতে বর্ণিত) তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি উম্মুল কুরআন তিলাওয়াত করে নি, তার সালাত হয় নি। (তারপর ধারাবাহিকভাবে অন্য কেরাত)
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন্ মাজাহ (র) হাদীসখানা বর্ণনা করেন।)
(فصاعداً আরবদের একটি কথ্যরীতি। যে কোন মূল কথা বা মূল আকর্ষণ বর্ণনার ক্ষেত্রে অথবা কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজকে সীমিত করণের ক্ষেত্রে অথবা কোন ধারাবাহিকতা বর্ণনার ক্ষেত্রে শব্দটি ব্যবহৃত হয়।)
(মুসলিম, আবু দাউদ ও ইবন্ হিব্বান (র) হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(16) باب وجوب قراءة الفاتحة
(525) عن عبادة بن الصَّامت رضى الله عنه روايةً يبلغ بها النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم (1) لا صلاة لمن لم يقرأ بفاتحة الكتاب (وعنه من طريقٍ ثانٍ) (2) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا صلاة لمن لم يقرأ بأمِّ القرآن فصاعدًا (3)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬. সূরাতুল ফাতিহা তিলাওয়াতের আবশ্যকতা বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৫২২) রাসূল (ﷺ)-এর সহধর্মিনী হযরত আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন; আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি সালাত আদায় করলো, অথচ তাতে উম্মুল কুরআন তিলাওয়াত করল না, তাহলে তার সালাত অপূর্ণাঙ্গ।
(ইবন্ মাজাহ (র) হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
(ইবন্ মাজাহ (র) হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(16) باب وجوب قراءة الفاتحة
(526) عن عائشة زوج النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من صلَّي صلاةً لا يقرأ فيها بأمِّ القرآن فهى خداجٌ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬. সূরাতুল ফাতিহা তিলাওয়াতের আবশ্যকতা বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৫২৩) 'উবাদা ইবন্ আস-সামিত (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে সঙ্গে নিয়ে সালাতুল ফজর আদায় করছিলেন। তখন 'কিরাআত' তাঁর নিকট কষ্টদায়ক মনে হল। অতঃপর তিনি সালাম ফিরিয়ে বললেন, আমি তোমাদেরকে লক্ষ্য করলাম, তোমরা তোমাদের ইমামের পেছনে তিলাওয়াত করছো। আমরা বললাম, হ্যাঁ, আল্লাহর কসম। ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ), আমরা এটা করে থাকি। রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমরা 'উন্মুল কুরআন' ব্যতীত অন্য কিরাআতের ক্ষেত্রে এরূপ করবে না। কারণ, 'উম্মুল কুরআন' যে তিলাওয়াত না করে তার সালাত আদায় হয় না।
(আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন্ হিব্বান ও দারাকুতনী তাঁদের সুনানে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
(আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন্ হিব্বান ও দারাকুতনী তাঁদের সুনানে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(16) باب وجوب قراءة الفاتحة
(527) عن عبادة بن الصَّامت رضى الله عنه قال صلَّى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة الغداة فثقلت عليه القراءة فلمَّا انصرف قال إنِّى لأراكم تقرءون وراء إمامكم، قلنا نعم والله يا رسول الله إنَّا لنفعل هذا، قال فلا تفعلوا إلاَّ بأمِّ القرآن (4) فإنَّه لا صلاة لمن لم يقرأ بها
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬. সূরাতুল ফাতিহা তিলাওয়াতের আবশ্যকতা বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৫২৪) আমর ইবন্ শুয়াইব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ যে সালাতে কোন কিরাআত তিলাওয়াত করা হয় না, তা অসম্পূর্ণ, অসম্পূর্ণ, অসম্পূর্ণ।
(ইবন্ মাজাহর বর্ণনায় সূরা ফাতিহার কথা নেই।)
(হাফিজ বুছিরী (র) বলেন, হাদীসাখানায় সনদ মানসম্মত (হাসান))
(ইবন্ মাজাহর বর্ণনায় সূরা ফাতিহার কথা নেই।)
(হাফিজ বুছিরী (র) বলেন, হাদীসাখানায় সনদ মানসম্মত (হাসান))
كتاب الصلاة
(16) باب وجوب قراءة الفاتحة
(528) عن عمرو بن شعيبٍ عن أبيه عن جدِّه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كلُّ صلاةٍ لا يقرأ فيها (1) فهى خداجٌ ثمَّ هى خداجٌ ثمَّ هى خداجٌ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬. সূরাতুল ফাতিহা তিলাওয়াতের আবশ্যকতা বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৫২৫) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, সে যেন বের হয় এবং সজোরে ডাক দিয়ে বলে দেয় ফাতিহাতুল কিতাব ও তার পর যা অতিরিক্ত পড়া যায় তিলাওয়াত করা ছাড়া কোন সালাত নেই (সালাত বিশুদ্ধ হবে না)।
(আবু দাউদ ও দারাকুতনী তাঁদের সুনানে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসাঈ বলেন, হাদীসখানার বর্ণনাকারীদের নির্ভরযোগ্যতার অভাব রয়েছে। হাফিজ বলেন: হাদীসখানার সনদ সহীহ্।)
(আবু দাউদ ও দারাকুতনী তাঁদের সুনানে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসাঈ বলেন, হাদীসখানার বর্ণনাকারীদের নির্ভরযোগ্যতার অভাব রয়েছে। হাফিজ বলেন: হাদীসখানার সনদ সহীহ্।)
كتاب الصلاة
(16) باب وجوب قراءة الفاتحة
(529) عن أبى هريرة رضي الله عنه أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم أمره أن يخرج فينادى أن لا صلاة إلاَّ بقراءة فاتحة الكتاب فما زاد (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬. সূরাতুল ফাতিহা তিলাওয়াতের আবশ্যকতা বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৫২৬) আনাস ইবন্ মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) আবু বকর (রা), উমর (রা) ও উসমান (রা) আল হামদুল্লিাহি রাব্বিল আলামীন তিলাওয়াতের মাধ্যমে সালাতের কিরাআত শুরু করতেন।
(বুখারী ও মুসলিম (র) হাদীসখানা একই সনদে বর্ণনা করেছেন।)
(বুখারী ও মুসলিম (র) হাদীসখানা একই সনদে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الصلاة
(16) باب وجوب قراءة الفاتحة
(530) عن أنس بن مالكٍ رضى الله عنه أنَّ النَّبىَّ صلى الله عليه وسلم وأبا بكرٍ وعمر وعثمان كانوا يفتتحون القراءة بالحمد لله ربِّ العالمين
তাহকীক: