মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ৪৯১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদঃ নামায শুরু করা এবং খুশুর সাথে আদায় করা প্রসঙ্গে।
(৪৯১) হযরত যায়েদ ইবনে খালেদ জুহানী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি কোনরূপ ভুল না করে দুই রাকাত নামায পড়ে। আল্লাহ্ পাক তার পূর্বকৃত (ছগীরাহ) গুনাহসমূহ মাফ করে দিবেন।
كتاب الصلاة
(9) باب افتتاح الصلاة والخشوع فيها
(491) عن زيد بن خالد الجهنى رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من صلى سجدتين لا يسهو فيهما غفر الله له ما تقدم من ذنبه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) নামাযের সূচনা তাকবীর ও অন্যান্য ক্ষেত্রে উভয় হাত উঠানো বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৪৯২) আলী ইবন্ আবী তালিব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল (ﷺ) যখন কোন ফরয নামাযের জন্য দাঁড়াতেন তখন তিনি 'আল্লাহু আকবার' বলতেন এবং তাঁর উভয় হাতকে কাঁধ পর্যন্ত উঠাতেন এবং কিরাআত শেষ করে রুকুতে যাওয়ার পূর্বে তিনি এরূপ করতেন, আবার রুকু থেকে মাথা উঁচু করেও এরূপ করতেন। বসা অবস্থায় কোন নামাযেই তিনি এরূপ হাত উঁচু করতেন না। উভয় সিজদা শেষে দাঁড়িয়ে তিনি আবার একই প্রক্রিয়ায় উভয় হাত উত্তোলন করতেন এবং তাকবীর বলতেন।
(ফরয ও নফল উভয় নামাযেই রাসূল (ﷺ) এরূপ করতেন। বর্ণনাকারী রাসূল (ﷺ)-কে ফরয সালাতে দেখে হাদীসখানা এরূপ বর্ণনা করেছেন।)
(আবূ দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন্ মাজাহ, ইমাম তিরমিযী হাদীসখানা সহীহ্ বলেছেন। ইমাম আহমদ হাদীসখানা সহীহ বলেছেন। তবে এর বিপরীত মতও ইমাম আহমদ থেকে পাওয়া যায়।)
(ফরয ও নফল উভয় নামাযেই রাসূল (ﷺ) এরূপ করতেন। বর্ণনাকারী রাসূল (ﷺ)-কে ফরয সালাতে দেখে হাদীসখানা এরূপ বর্ণনা করেছেন।)
(আবূ দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন্ মাজাহ, ইমাম তিরমিযী হাদীসখানা সহীহ্ বলেছেন। ইমাম আহমদ হাদীসখানা সহীহ বলেছেন। তবে এর বিপরীত মতও ইমাম আহমদ থেকে পাওয়া যায়।)
كتاب الصلاة
(10) باب رفع اليدين عند تكبيرة الاحرام وغيرها
(492) عن على بن أبى طالب رضى الله عنه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنَّهُ كان إذا قام إلى الصلاة المكتوُبة (1) كبَّرو رفع يديه حذو منكبيه، ويصنعُ مثل ذلك إذا قضى قراءتهُ وأراد أن يركع، ويصنعُهُ إذا رفع رأسهُ من الرّكوع، ولا يرفعُ يديه فى شئ من صلاته وهُو قاعد، (2) وإذا فلم من السجدتين (3) رفع يده كذلك وكَّر
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) নামাযের সূচনা তাকবীর ও অন্যান্য ক্ষেত্রে উভয় হাত উঠানো বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৪৯৩) 'আমির ইবন্ আবদিল্লাহ ইবন্ যুবায়ের (র) থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা আব্দুল্লাহ ইবন্ যুবায়ের (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন; আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সালাত শুরু করতে দেখেছি এমতাবস্থায় যে, তিনি তাঁর উভয় কর্ণ বরাবর উভয় হাত উঠিয়েছিলেন।
(ইমাম হায়ছামী (র) হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, হাদীসখানা ইমাম আহমদ তাঁর মুসনাদে এবং তবারানী তাঁর মু'জামুল কাবীরে বর্ণনা করেছেন। সেখানে হাজ্জাজ বিন আরতহ নামক একজন বর্ণনাকারী রয়েছেন যাঁর বক্তব্য দলীল হওয়ার ব্যাপারে মতপার্থক্য রয়েছে।)
(ইমাম হায়ছামী (র) হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, হাদীসখানা ইমাম আহমদ তাঁর মুসনাদে এবং তবারানী তাঁর মু'জামুল কাবীরে বর্ণনা করেছেন। সেখানে হাজ্জাজ বিন আরতহ নামক একজন বর্ণনাকারী রয়েছেন যাঁর বক্তব্য দলীল হওয়ার ব্যাপারে মতপার্থক্য রয়েছে।)
كتاب الصلاة
(10) باب رفع اليدين عند تكبيرة الاحرام وغيرها
(493) عن عامر بن عبد الله بن الزبير عن عن أبيه رضى الله عنهُ قال رأيتُ رسُول الله صلى الله عليه وسلم أفتتح الصلاَّة فرفع يديه حتَّى جاوز بهما بهما أذنبه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) নামাযের সূচনা তাকবীর ও অন্যান্য ক্ষেত্রে উভয় হাত উঠানো বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৪৯৪) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তিনটি কাজ রাসূল (ﷺ) পালন করতেন অথচ মানুষ তা ছেড়ে দিয়েছে। সেগুলো হল, তিনি সালাতের শুরুতে উভয় হাত প্রসারিত করে উঁচু করতেন, রুকু করার পূর্বেও রুকু থেকে মাথা উঁচু করে 'আল্লাহ আকবার' বলতেন এবং কিরাতের পূর্বে আল্লাহর নিকট দু'আ ও অনুগ্রহ কামনার জন্য চুপ থাকতেন।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী ও বায়হাকী। শাওকানী (র) বলেন, এ হাদীসের সনদে কোন ত্রুটি-অভিযোগ নেই।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী ও বায়হাকী। শাওকানী (র) বলেন, এ হাদীসের সনদে কোন ত্রুটি-অভিযোগ নেই।
كتاب الصلاة
(10) باب رفع اليدين عند تكبيرة الاحرام وغيرها
(494) عن أبي هريرة رضى الله عنهُ قال ثلاث كان رسُول الله صلى الله عليه وسلم بهنَّ قد تركهُن النَّاس، كان يرفع يديه مدَّا (1) إذا دخل فى الصلَّاة، ويكُبَّبرُ كلَّما ركع ورفع، والسَّكوتُ قبل القراءة يدعوُ (2) ويسأل الله من فضله،
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) নামাযের সূচনা তাকবীর ও অন্যান্য ক্ষেত্রে উভয় হাত উঠানো বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৪৯৫) আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) তাকবীরে তাহরীমার সময় উভয় কাঁধ বা তার কাছাকাছি স্থান পর্যন্ত উভয় হাতকে উঁচু করতেন। আবার রুকু করার সময়ও উভয় হাত উঠাতেন। রুকু থেকে মাথা উঁচু করেও উভয় হাত উত্তোলন করতেন। কিন্তু সিজদার সময় তিনি এরূপ করতেন না।
(বুখারী ও মুসলিম।)
(বুখারী ও মুসলিম।)
كتاب الصلاة
(10) باب رفع اليدين عند تكبيرة الاحرام وغيرها
(495) عن أبن عُمر رضى الله عنهمُا قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يرفعُ يديه حين يُكبِّرُ حتَّى يكُونا حذو منكبيه أو قريبًا من ذلك، وإذا ركع رفعهُما، وإذا رفع رأسهُ من الرَّكعة رفعهُما، ولا يفعل ذلك في السّجُود
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) নামাযের সূচনা তাকবীর ও অন্যান্য ক্ষেত্রে উভয় হাত উঠানো বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৪৯৬) আব্দুল্লাহ ইবন্ উমর (রা) থেকে আরো বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমাদের উভয় হাত (কাঁধ পর্যন্ত) উঁচু করা বিদ'আত। রাসূল (ﷺ) কখনও বক্ষের (বরাবর-এর) বেশি উঁচু করতেন না।
(অর্থাৎ রাসূল (ﷺ) তাকবীরে তাহরীমা ব্যতীত অন্য সকল তাকবীরে বক্ষ বরাবর-এর বেশি উঁচু করতেন না। তাই বক্ষ বরাবর এবং বেশি উঁচু করা বিদ'আত। আব্দুল্লাহ ইবন্ আব্বাস (রা)-এর মতে, 'রাফ্উল ইয়াদাইন' জায়েয তা বক্ষ পরিমাণ-এর বেশি হলেও। যার দলীল তাঁর বর্ণিত পূর্ববর্তী হাদীসখানি।)
(আহমদ ইবন্ আব্দুর রহমান আল-বান্না বলেন এ হাদীস আর কোথাও পাইনি। হাদীসখানার সনদ মোটামুটি মান সম্মত।)
(অর্থাৎ রাসূল (ﷺ) তাকবীরে তাহরীমা ব্যতীত অন্য সকল তাকবীরে বক্ষ বরাবর-এর বেশি উঁচু করতেন না। তাই বক্ষ বরাবর এবং বেশি উঁচু করা বিদ'আত। আব্দুল্লাহ ইবন্ আব্বাস (রা)-এর মতে, 'রাফ্উল ইয়াদাইন' জায়েয তা বক্ষ পরিমাণ-এর বেশি হলেও। যার দলীল তাঁর বর্ণিত পূর্ববর্তী হাদীসখানি।)
(আহমদ ইবন্ আব্দুর রহমান আল-বান্না বলেন এ হাদীস আর কোথাও পাইনি। হাদীসখানার সনদ মোটামুটি মান সম্মত।)
كتاب الصلاة
(10) باب رفع اليدين عند تكبيرة الاحرام وغيرها
(496) وعنهُ أيضًا قال إنَّ رفعكم أيديكُم بدعه، (1) مازاد رسُول الله صلى الله عليه سلم على هذا يعنى إلى الصَّدر
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) নামাযের সূচনা তাকবীর ও অন্যান্য ক্ষেত্রে উভয় হাত উঠানো বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৪৯৭) মালিক ইবন্ লাহিয়ারিছ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ)-কে রুকু করার প্রাক্কালে, রুকু থেকে মাথা উঁচু করার সময় এবং সিজদা থেকে মাথা উঁচু করার সময় এমনভাবে তাঁর উভয় হাত উঁচু করতে দেখেছেন যাতে হাত দু'টো তাঁর উভয় কানের বরাবর পৌছে।
(বুখারী, মুসলিম ও আবূ দাউদ (র) হাদীসখানা বর্ণনা করেন। তবে সিজদার পরে হাত উত্তোলনের বক্তব্যকে অত্র হাদীসে অতিরিক্ত বলা হয়েছে। কোন কোন মুহাদ্দিসের মতে এর দ্বারা দুই রাকা'আত-এর সিজদার পরে তৃতীয় রাকা'আতের জন্য উঁচু হওয়াকে বুঝানো হয়েছে।)
(বুখারী, মুসলিম ও আবূ দাউদ (র) হাদীসখানা বর্ণনা করেন। তবে সিজদার পরে হাত উত্তোলনের বক্তব্যকে অত্র হাদীসে অতিরিক্ত বলা হয়েছে। কোন কোন মুহাদ্দিসের মতে এর দ্বারা দুই রাকা'আত-এর সিজদার পরে তৃতীয় রাকা'আতের জন্য উঁচু হওয়াকে বুঝানো হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(10) باب رفع اليدين عند تكبيرة الاحرام وغيرها
(497) عن مالك بن الحُويرث رضى الله عنهُ أنَّهُ رآى رسُول الله صلى الله عليه وسلم رفع يديه إذا أراد أن يركع، وإذا رفع رأسه من الرُّكُوع، وإذا رفع رأسهُ من السُّجُود حتَّى يحُاذى بهما فُروع (2) أذُونيه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) নামাযের সূচনা তাকবীর ও অন্যান্য ক্ষেত্রে উভয় হাত উঠানো বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৪৯৮) মাইমুন আল-মাক্কী (র) থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন্ যুবায়ের (রা)-কে দেখেছেন; তিনি তাঁদের সাথে সালাত আদায় করেছেন এভাবে যে, যখন তিনি দাঁড়াতেন, যখন তিনি রুকু করতেন, যখন তিনি সিজদা করতেন এবং যখন তিনি সিজদা থেকে দাঁড়ানোর জন্য উঠতেন, সর্বদা তাঁর উভয় হাত উঁচু করতেন।
মাইমূন আল-মাক্কী বলেন, অতঃপর আমি ইবন আব্বাস (রা)-এর নিকট হাযির হলাম এবং তাঁকে বললাম, আমি ইবন্ যুবায়ের (রা)-কে এমন সালাত আদায় করতে দেখেছি যা অন্য কাউকে আদায় করতে দেখি নি। একথা বলে তিনি তাকে তাঁর হাঁত উঁচু করার ইঙ্গিতগুলোর বর্ণনা দিলেন। তখন ইবন্ আব্বাস (রা) বললেন, তুমি যদি রাসূল (ﷺ)-এর সালাত আদায়ের দৃশ্য দেখতে আগ্রহী হও, তবে আব্দুল্লাহ ইব্ন যুবায়ের (রা)-কে অনুসরণ করে সালাত আদায় কর।
(আবু দাউদ (র) হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। অত্র হাদীসের সনদে ইবন্ লাহিয়া আছেন যার ব্যাপারে বিতর্ক রয়েছে। তাছাড়া মাইমূন আল-মাক্কী একজন অখ্যাত ব্যক্তি। মাইমূন-এর বক্তব্য আমি ইবন্ যুবায়ের (রা)-কে এমনভাবে সালাত আদায় করতে দেখেছি, যা অন্য কাউকে দেখি নি-কথাটি যৌক্তিক নয়। তাই মুহাদ্দিসগণের মতে হাদীসখানা দুর্বল এবং এটিকে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না।)
মাইমূন আল-মাক্কী বলেন, অতঃপর আমি ইবন আব্বাস (রা)-এর নিকট হাযির হলাম এবং তাঁকে বললাম, আমি ইবন্ যুবায়ের (রা)-কে এমন সালাত আদায় করতে দেখেছি যা অন্য কাউকে আদায় করতে দেখি নি। একথা বলে তিনি তাকে তাঁর হাঁত উঁচু করার ইঙ্গিতগুলোর বর্ণনা দিলেন। তখন ইবন্ আব্বাস (রা) বললেন, তুমি যদি রাসূল (ﷺ)-এর সালাত আদায়ের দৃশ্য দেখতে আগ্রহী হও, তবে আব্দুল্লাহ ইব্ন যুবায়ের (রা)-কে অনুসরণ করে সালাত আদায় কর।
(আবু দাউদ (র) হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। অত্র হাদীসের সনদে ইবন্ লাহিয়া আছেন যার ব্যাপারে বিতর্ক রয়েছে। তাছাড়া মাইমূন আল-মাক্কী একজন অখ্যাত ব্যক্তি। মাইমূন-এর বক্তব্য আমি ইবন্ যুবায়ের (রা)-কে এমনভাবে সালাত আদায় করতে দেখেছি, যা অন্য কাউকে দেখি নি-কথাটি যৌক্তিক নয়। তাই মুহাদ্দিসগণের মতে হাদীসখানা দুর্বল এবং এটিকে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না।)
كتاب الصلاة
(10) باب رفع اليدين عند تكبيرة الاحرام وغيرها
(498) عن ميمون المكى أنه رآى ابن الزبير عبد الله (رضى الله عنه) وصلى بهم يشير بكفيه حين يقوم (3) وحين يركع وحين يسجد (4) وحين ينهض للقيام (5) فيقوم فيشبر بيديه، قال فانطلقت إلى ابن عباس فقلت له إنى قد رأيت ابن الزبير صلى صلاة لم أر أحدا يصليها فوصف له هذه الاشارة (1) فقال إن أحببت أن تنظر إلى صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم فاقتد بصلاة ابن الزبير
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ যাঁরা তাকবীরে তাহরীমা ব্যতীত অন্য কোথাও হাত উঁচু করার পক্ষপাতি নন, তাঁদের দলীল সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ
(৪৯৯) আলকামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবন মাসউদ (রা) সালাত আদায় করলেন এবং তাতে একবারের বেশি হস্তদ্বয় উত্তোলন করেন নি।
(তাকবীরে তাহরীমাতেই উভয় হাত উঁচু করেছিলেন। অত্র হাদীসখানা আবু দাউদ, নাসাঈ ও তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী হাদীসখানাকে হাসান, ইবন হাযম সহীহ্ ও ইমাম আহমদ দুর্বল বলেছেন। মুহাদ্দিসগণের মতে, ইবন মাসউদ ছিলেন একজন আত্মভোলা মানুষ। এর প্রমাণ শরীয়তের অনেক মাসআলার ক্ষেত্রেই রয়েছে। তাই তাঁর বর্ণিত হাদীস শরীয়তের অকাট্য দলীল হতে পারে না।)
(তাকবীরে তাহরীমাতেই উভয় হাত উঁচু করেছিলেন। অত্র হাদীসখানা আবু দাউদ, নাসাঈ ও তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী হাদীসখানাকে হাসান, ইবন হাযম সহীহ্ ও ইমাম আহমদ দুর্বল বলেছেন। মুহাদ্দিসগণের মতে, ইবন মাসউদ ছিলেন একজন আত্মভোলা মানুষ। এর প্রমাণ শরীয়তের অনেক মাসআলার ক্ষেত্রেই রয়েছে। তাই তাঁর বর্ণিত হাদীস শরীয়তের অকাট্য দলীল হতে পারে না।)
كتاب الصلاة
فصل منفى حجة من لم يد الرفع الا عند تكبيرة الاحرام
(499) عن علقمة قال قال ابن مسعُود رضى الله عنه ألا أصلّى لكم صلاة رسول الله صلى الله عليه قال فصلَّى فلم يرفع يديه ألا مرة (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫০০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ যাঁরা তাকবীরে তাহরীমা ব্যতীত অন্য কোথাও হাত উঁচু করার পক্ষপাতি নন, তাঁদের দলীল সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ
(৫০০) বারা' ইবন্ 'আযিব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) যখন সালাত শুরু করতেন তখন তিনি তাঁর উভয় হাতকে এমনভাবে উঁচু করতেন যাতে তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুলিদ্বয় কর্ণদ্বয়ের সমান্তরাল থাকে।
(আবু দাউদ ও দারাকুতনী তাঁদের সুনানে এবং তাহাভী তাঁর 'শরহু মা'আনিল আছার' গ্রন্থে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন। বায়হাকী (র) বলেন, হাদীসের কোন এক স্তরের রাবী ইয়াযিদ ইব্ন আবু যিয়াদ দুর্বল প্রকৃতির। ইমাম বুখারী, ইমাম আহমদ, ইমাম শাফেয়ী (র) প্রমুখ হাদীসখানাকে যয়ীফ (দুর্বল) মনে করেন।)
(আবু দাউদ ও দারাকুতনী তাঁদের সুনানে এবং তাহাভী তাঁর 'শরহু মা'আনিল আছার' গ্রন্থে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন। বায়হাকী (র) বলেন, হাদীসের কোন এক স্তরের রাবী ইয়াযিদ ইব্ন আবু যিয়াদ দুর্বল প্রকৃতির। ইমাম বুখারী, ইমাম আহমদ, ইমাম শাফেয়ী (র) প্রমুখ হাদীসখানাকে যয়ীফ (দুর্বল) মনে করেন।)
كتاب الصلاة
فصل منفى حجة من لم يد الرفع الا عند تكبيرة الاحرام
(500) عن البراء بن عازب رضى الله عنه قال كان رسُول الله صلى الله عليه وسلم أفتتح الصلَّاة رفع يديه حتى تكون إبهاماه حذاء أُذنيه (1)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫০১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) ডান হাতকে বাম হাতের ওপরে রাখা বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৫০১) আলী ইবন্ আবী তালিব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সালাতের মধ্যে নাভীর নীচে এক হাতের ওপর অপর হাত রাখা সুন্নাত।
(আবু দাউদ ও বায়হাকী-এর সুনানে হাদীসখানা বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীসের সনদে 'আব্দুর রহমান ইবন্ ইসহাক রয়েছেন, যার নির্ভরযোগ্যতার ব্যাপারে ইমাম আহমদ ইবন্ হাম্বল, ইমাম বুখারীসহ অনেকে দ্বিমত পোষণ করেছেন।)
(আবু দাউদ ও বায়হাকী-এর সুনানে হাদীসখানা বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীসের সনদে 'আব্দুর রহমান ইবন্ ইসহাক রয়েছেন, যার নির্ভরযোগ্যতার ব্যাপারে ইমাম আহমদ ইবন্ হাম্বল, ইমাম বুখারীসহ অনেকে দ্বিমত পোষণ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(11) باب ما جاء فى وضع اليمين على الشمال
(501) ز عن علّى رضى الله عنهُ قال إن من السُّنة فى الصّلاة وضع الأكُف على الأكُف تحت السرَّة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫০২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) ডান হাতকে বাম হাতের ওপরে রাখা বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৫০২) জাবির ইবন্ আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) সালাত আদায়রত জনৈক ব্যক্তির পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন, ঐ ব্যক্তি তার বাম হাত ডান হাতের ওপরে রেখেছিল, তখন রাসূল (ﷺ) তাঁর বাম হাতটি টেনে সরিয়ে দিলেন এবং ডান হাত বাম হাতের ওপর স্থাপন করালেন।
(দারাকুতনী তাঁর সুনানে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। ইমাম নববী (র) বলেন, ইমাম মুসলিম (র)-এর শর্তানুযায়ী হাদীসখানা সহীহ্।)
(দারাকুতনী তাঁর সুনানে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। ইমাম নববী (র) বলেন, ইমাম মুসলিম (র)-এর শর্তানুযায়ী হাদীসখানা সহীহ্।)
كتاب الصلاة
(11) باب ما جاء فى وضع اليمين على الشمال
(502) عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهُما قال مرَّ رسُولُ الله صلى الله عليه وسلم برجُل وهُو يُصلَّي وقد وضع اليُسرى على اليمنى فانتزعها ووضع اليُمني على اليُسرى
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫০৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) ডান হাতকে বাম হাতের ওপরে রাখা বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৫০৩) কাবীসা ইবন হুলব (র) থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাদের সালাতে ইমামতি করতেন, তিনি তখন তাঁর ডান হাত দ্বারা তাঁর বাম হাতকে জড়িয়ে ধরতেন এবং তিনি তাঁর সালাত শেষে ডান ও বাম উভয় দিকে মুখ ফিরাতেন।
(কাবীসা (রা) থেকেই অন্য এক বর্ণনায় আছে) তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বাম হাতের ওপর ডান হাত রাখা অবস্থায় সালাত আদায়রত দেখেছি এবং তাঁকে দেখেছি ডান দিকে ও বাম দিকে মুখ ফিরাতে। (ভিন্ন শব্দে) আমি তাঁকে একবার ডানদিকে এবং অন্যবার বামদিকে ফিরতে দেখেছি।
(ইবন মাজাহ, দারাকুতনী ও তিরমিযী তাঁদের সুনানে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন। তাঁদের মতে হাদীসখানা হাসান। সাহাবী ও তাবেয়ীগণও হাদীসের উপর আমল করেছেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।)
(কাবীসা (রা) থেকেই অন্য এক বর্ণনায় আছে) তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বাম হাতের ওপর ডান হাত রাখা অবস্থায় সালাত আদায়রত দেখেছি এবং তাঁকে দেখেছি ডান দিকে ও বাম দিকে মুখ ফিরাতে। (ভিন্ন শব্দে) আমি তাঁকে একবার ডানদিকে এবং অন্যবার বামদিকে ফিরতে দেখেছি।
(ইবন মাজাহ, দারাকুতনী ও তিরমিযী তাঁদের সুনানে হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন। তাঁদের মতে হাদীসখানা হাসান। সাহাবী ও তাবেয়ীগণও হাদীসের উপর আমল করেছেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।)
كتاب الصلاة
(11) باب ما جاء فى وضع اليمين على الشمال
(503) عن قبيصة بن هلب عن أبيه (1) رضى الله عنهُ قال كان رسُول الله صلى الله عليه وسلم يؤمُنا فيأخُذُ شمالهُ يمينه (2)، وكان ينصرف عن جانبيه جميعًا عن يمينه وعن شماله (3) (وعنه من طريق ثانٍ) (4) قال رأيت النبي صلى الله عليه وسلم واضعًا يمينهُ على شماله فى الصلاة ورأيتُهُ ينصرفُ عن يمينهُ وعن شماله (وفي لفظٍ) ورأيتهُ ينصرف مرة عن يمينه ومرة عن شماله
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫০৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) ডান হাতকে বাম হাতের ওপরে রাখা বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৫০৪) আবু হাযিম (র) থেকে বর্ণিত, তিনি সাহল ইবন সা'দ (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেনঃ মানুষদেরকে সালাতে বাম হাতের ওপর ডান হাতকে রাখার নির্দেশ দেয়া হত।
আবূ হাযিম (র) বলেনঃ অত্র হাদীসখানাকে সাহল (রা) মারফু' বলেছেন-আমি এটাই জানি। আবু আব্দুর রহমান বলেন, ينمى শব্দের অর্থ হাদীসখানার সনদ রাসূল (ﷺ) পর্যন্ত مرفوع হিসেবে পৌঁছেছে।
(বুখারী (র)-সহ অনেক হাদীসগ্রন্থে হাদীসখানা বর্ণিত হয়েছে। ইমাম নববী (র) বলেছেন, হাদীসখানা সহীহ্ এবং মারফু'।)
আবূ হাযিম (র) বলেনঃ অত্র হাদীসখানাকে সাহল (রা) মারফু' বলেছেন-আমি এটাই জানি। আবু আব্দুর রহমান বলেন, ينمى শব্দের অর্থ হাদীসখানার সনদ রাসূল (ﷺ) পর্যন্ত مرفوع হিসেবে পৌঁছেছে।
(বুখারী (র)-সহ অনেক হাদীসগ্রন্থে হাদীসখানা বর্ণিত হয়েছে। ইমাম নববী (র) বলেছেন, হাদীসখানা সহীহ্ এবং মারফু'।)
كتاب الصلاة
(11) باب ما جاء فى وضع اليمين على الشمال
(504) عن أبى حازم عن سهل بن سعد رضى الله عنهُما قال كان النَّاس يؤمرون (5) أنَّ يضعوا اليمنى على اليسرى فى الصلاة قال أبو حازم ولا أعلم إلا ينمي (1) ذلك، قال أبو عبد الرَّحمن ينمي برفعُه إلى النَّبيِّ صلى الله عليه وآله وسلَّم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫০৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) ডান হাতকে বাম হাতের ওপরে রাখা বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৫০৫) গুদাইফ ইব্ন হারিছ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি কোন কথাই ভুলি নাই (অন্য এক বর্ণনায়-আমি কখনও ভুলি নাই) আমি রাসূল (ﷺ)-কে সালাতে বাম হাতের ওপর ডান হাত রাখা অবস্থায় দেখেছি।
(হায়ছামী (র) মাজমাউয যাওয়ায়েদ গ্রন্থে হাদীসখানা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ইমাম আহমদ ও তবারানী (র) মু'জামুল কাবীরে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন এবং এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হায়ছামী (র) মাজমাউয যাওয়ায়েদ গ্রন্থে হাদীসখানা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ইমাম আহমদ ও তবারানী (র) মু'জামুল কাবীরে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন এবং এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(11) باب ما جاء فى وضع اليمين على الشمال
(505) عن غضيف بن الحارث قال ما نسيتُ من الأشياء (1) ما نسيتُ (وفى رواية لم أنس) أنَّى رأيتُ رسُول الله صلى الله عليه وسلم واضعًا يمينهُ على شماله في الصَّلاة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫০৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১২) তাকবীরে তাহরীমা: কিরআতের পূর্বে, ولا الضالين বলার পর এবং রুকুর পূর্বে সূরা শেষ হওয়ার পর চুপ থাকা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(৫০৬) সামুরা ইবন্ জুনদুব (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ)-এর সালাতে দু'স্থানে নিরবতা ছিল। তাকবীরে তাহরীমার পরে সালাতের শুরুতে একবার এবং রুকু করার পূর্বে দ্বিতীয় সূরা শেষে একবার। একথা ইমরান ইবন্ হুসাইনকে জানালে তিনি বলেন, সামুরা অসত্য বলেছেন। (অর্থাৎ সামুরা ভুলে গেছেন অথবা জড়িয়ে ফেলেছেন। (মিথ্যুক হিসেবে অপবাদ দেয়া এখানে উদ্দেশ্য নয়।)। (অন্য এক বর্ণনায়-তিনি বলেন: আমি এ ব্যাপারে রাসূল (ﷺ) আমল সম্পর্কে জানি না) অতঃপর তিনি এ ব্যাপারে মদীনাতে উবাই ইবন্ কা'ব (রা)-এর কাছে লিখে পাঠালেন।
উবাই ইবন্ কা'ব (রা) জানালেন: সামুরা সত্য বলেছেন,
(অন্য সূত্র মতে) সামুরা ইবন্ জুনদুব (রা) থেকে বর্ণিত তিনি মুসল্লিদের নিয়ে সালাত আদায়কালে দু'বার নিরবতা পালন করতেন। সালাতের শুরুতে একবার এবং ولا الضالين বলার পর একবার অল্প সময় ধরে। তখন মুসল্লিগণ তাঁর এ ব্যাপারে অস্বীকৃতি জানালেন। তখন তিনি ব্যাপারটি উবাই ইবন্ কা'ব (রা)-কে জানালেন। উবাই তাঁদেরকে লিখলেন, সামুরা (রা) যা করেছেন, তা-ই ঠিক।
(তৃতীয় সূত্র মতে) ইউনুস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আর তিনি যখন সূরা পাঠ শেষে অবসর নিতেন তখনও।
(প্রতি রাক'আতে তিনবার নিরবতা সুন্নত। যথা: তাকবীরে তাহরীমার পর, সূরা ফাতিহা পাঠের পর এবং কিরাত শেষে রুকুতে যাওয়ার পূর্বে। ১ম বার-ছানা পাঠের জন্য, ২য় বার আমীন বলার জন্য এবং ৩য় বার কিরাত ও রুকুর তাকবীরের মধ্যে পার্থক্য করার জন্য।)
(আবু দাউদ, দারাকুতনী, ইমাম তিরমিযীর সুনানে হাদীসখানা বর্ণিত হয়েছে। তিরমিযী বলেন, হাদীসখানার সনদ হাসান।)
উবাই ইবন্ কা'ব (রা) জানালেন: সামুরা সত্য বলেছেন,
(অন্য সূত্র মতে) সামুরা ইবন্ জুনদুব (রা) থেকে বর্ণিত তিনি মুসল্লিদের নিয়ে সালাত আদায়কালে দু'বার নিরবতা পালন করতেন। সালাতের শুরুতে একবার এবং ولا الضالين বলার পর একবার অল্প সময় ধরে। তখন মুসল্লিগণ তাঁর এ ব্যাপারে অস্বীকৃতি জানালেন। তখন তিনি ব্যাপারটি উবাই ইবন্ কা'ব (রা)-কে জানালেন। উবাই তাঁদেরকে লিখলেন, সামুরা (রা) যা করেছেন, তা-ই ঠিক।
(তৃতীয় সূত্র মতে) ইউনুস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আর তিনি যখন সূরা পাঠ শেষে অবসর নিতেন তখনও।
(প্রতি রাক'আতে তিনবার নিরবতা সুন্নত। যথা: তাকবীরে তাহরীমার পর, সূরা ফাতিহা পাঠের পর এবং কিরাত শেষে রুকুতে যাওয়ার পূর্বে। ১ম বার-ছানা পাঠের জন্য, ২য় বার আমীন বলার জন্য এবং ৩য় বার কিরাত ও রুকুর তাকবীরের মধ্যে পার্থক্য করার জন্য।)
(আবু দাউদ, দারাকুতনী, ইমাম তিরমিযীর সুনানে হাদীসখানা বর্ণিত হয়েছে। তিরমিযী বলেন, হাদীসখানার সনদ হাসান।)
كتاب الصلاة
(12) باب السكتات بعد تكبيرة الاحرام
وقبل القراءة بعد قوله ولا الضالين وبعد السورة قبل الركوع
وقبل القراءة بعد قوله ولا الضالين وبعد السورة قبل الركوع
(506) حدثنا عبد الله حدثنى أبى ثنا يزيد أنا حماد بن سلمة عن حميد الطويل عن الحسن عن سمرة بن جندب رضى الله عنه قال أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كانت له سكتتان، سكتة حين يفتح الصلاة (1)، وسكتة إذا فرغ من السورة الثانية قبل أن يركع (2)، فذكر ذلك لعمران بن حصين رضي الله عنه فقال كذب سمرة (1) (وفى رواية فقال أنا ما أحفظها عن رسول الله صلى الله عليه وسلم) فكتب (2) فى ذلك إلى المدينة إلى أبي بن كعب فقال صدق سمرة
(ومن طريق ثان) حدثنا عبد الله حدثنى أبى ثنا هشيم أنا منصور ويونس عن الحسن عن سمرة بن جندب (رضى الله عنه) أنه كان إذا صلى بهم سكت سكتتين إذا فتتح الصلاة، وإذا قال ولا الضالين سكت أيضا هنية (3)، فانكروا ذلك عليه، فكتب إلى أبى ابن كعب فكتب إليهم أبى إن الأمر كما صنع سمرة
(ومن طريق ثالث) حدثنا عبد الله حدثنى أبى ثنا عفان ثنا يزيد بن وريع عن يونس قال وإذا فرغ من قراءة السورة (4)
(ومن طريق ثان) حدثنا عبد الله حدثنى أبى ثنا هشيم أنا منصور ويونس عن الحسن عن سمرة بن جندب (رضى الله عنه) أنه كان إذا صلى بهم سكت سكتتين إذا فتتح الصلاة، وإذا قال ولا الضالين سكت أيضا هنية (3)، فانكروا ذلك عليه، فكتب إلى أبى ابن كعب فكتب إليهم أبى إن الأمر كما صنع سمرة
(ومن طريق ثالث) حدثنا عبد الله حدثنى أبى ثنا عفان ثنا يزيد بن وريع عن يونس قال وإذا فرغ من قراءة السورة (4)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫০৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১২) তাকবীরে তাহরীমা: কিরআতের পূর্বে, ولا الضالين বলার পর এবং রুকুর পূর্বে সূরা শেষ হওয়ার পর চুপ থাকা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(৫০৭) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) যখন সালাতের তাকবীর বলতেন, তখন তাকবীর ও কিরাআতের মাঝে চুপ থাকতেন। আমি তাঁকে বললাম, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গ হোক। আপনি তাকবীর ও কিরআতের মাঝে চুপ থেকে কী করেন (অর্থাৎ কেন এইরূপ করেন?) অনুগ্রহ করে তা আমাকে বলুন। রাসূল (ﷺ) বললেন, আমি বলি,
اللَّهمَّ باعِدْ بَيْني وبَيْن خَطايايَ كما باعَدْتَ بَيْنَ المشرِقِ والمغرِبِ اللَّهمَّ نقِّني مِن الخَطايا كما يُنقَّى الثَّوبُ الأبيضُ مِن الدَّنَسِ اللَّهمَّ اغسِلْني مِن خَطايايَ بالماءِ والثَّلجِ والبَرَدِ
হে আল্লাহ! আমার ও আমার ত্রুটি বা গুনাহসমূহের মাঝে পূর্ব ও পশ্চিম সম দূরত্ব সৃষ্টি করে দাও। হে আল্লাহ! আমাকে আমার ত্রুটিসমূহ থেকে এমনভাবে পরিচ্ছন্ন কর যেরূপ সাদা কাপড় ধৌত করে ময়লা থেকে মুক্ত করা হয়। জারীর বলেন, যেভাবে কাপড় পরিচ্ছন্ন করা হয়। হে আল্লাহ! আমাকে আমার ত্রুটি-বিচ্যুতিসমূহ থেকে আমাকে বরফগলা সুশীতল পানি দ্বারা গোসল করিয়ে (পূত-পবিত্র করে) দিন।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবন্ মাজাহ।)
اللَّهمَّ باعِدْ بَيْني وبَيْن خَطايايَ كما باعَدْتَ بَيْنَ المشرِقِ والمغرِبِ اللَّهمَّ نقِّني مِن الخَطايا كما يُنقَّى الثَّوبُ الأبيضُ مِن الدَّنَسِ اللَّهمَّ اغسِلْني مِن خَطايايَ بالماءِ والثَّلجِ والبَرَدِ
হে আল্লাহ! আমার ও আমার ত্রুটি বা গুনাহসমূহের মাঝে পূর্ব ও পশ্চিম সম দূরত্ব সৃষ্টি করে দাও। হে আল্লাহ! আমাকে আমার ত্রুটিসমূহ থেকে এমনভাবে পরিচ্ছন্ন কর যেরূপ সাদা কাপড় ধৌত করে ময়লা থেকে মুক্ত করা হয়। জারীর বলেন, যেভাবে কাপড় পরিচ্ছন্ন করা হয়। হে আল্লাহ! আমাকে আমার ত্রুটি-বিচ্যুতিসমূহ থেকে আমাকে বরফগলা সুশীতল পানি দ্বারা গোসল করিয়ে (পূত-পবিত্র করে) দিন।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবন্ মাজাহ।)
كتاب الصلاة
(12) باب السكتات بعد تكبيرة الاحرام
وقبل القراءة بعد قوله ولا الضالين وبعد السورة قبل الركوع
وقبل القراءة بعد قوله ولا الضالين وبعد السورة قبل الركوع
(507) عن أبي هريرة رضى الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا كبَّر فى الصَّلاة سكت بين التَّكبير والقراءة، فقلت بأبى أنت وأمِّى (1) أرأيت إسكاتك بين التَّكبير والقراءة أخبرنى ما هو؟ قال أقول اللَّهمَّ باعد (2) بينى وبين خطاياى كما باعدت بين المشرق والمغرب، اللَّهمَّ نقِّني (3) من خطاياى كالثَّوب الأبيض من الدَّنس، قال جرير كما ينقَّى الثَّوب، اللَّهمَّ اغسلنى من خطاياى بالثَّلج والماء والبرد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫০৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৩) কির'আতের পূর্বে প্রাথমিক ও আউযুবিল্লাহ পড়া সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(৫০৮) আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) যখন রাত্রে জাগ্রত হয়ে তাঁর সালাত শুরু করতেন এবং তাকবীর বলতেন, অতঃপর তিনি বললেন
سُبحانَكَ اللَّهمَّ وبحَمدِكَ، وتبارَك اسمُكَ، وتعالى جَدُّكَ، ولا إلهَ غيرُكَ.
হে আল্লাহ! আপনার পবিত্রতা ও প্রশংসার গুণ বর্ণনা করছি, আপনার নাম পরম বরকতময় ও আপনার গৌরব সমুন্নত হোক, আপনি ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ্ নেই। তারপর তিনি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই) তিনবার বলতেন। অতঃপর তিনি বলতেন,
أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِن الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি বিতাড়িত শয়তানের কুমন্ত্রণা ও কুপ্রভাব থেকে সর্বশ্রোতা মহাজ্ঞানী আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। তারপর তিনি তিনবার 'আল্লাহু আকবার' বলতেন। এরপর বলতেন,
أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِن الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ، مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ
আমি বিতাড়িত শয়তানের কুমন্ত্রণা, কুপ্রভাব ও কুপ্ররোচণা থেকে সর্বশ্রাতা মহাজ্ঞানী আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
(তিরমিযী ও বায়হাকীর সুনানে হাদীসখানা বর্ণিত হয়েছে। ইমাম তিরমিযী (র) বলেন, এ হাদীসখানা এ অধ্যায়ের সর্ববিখ্যাত হাদীস। ইমাম আহমদ (র) বলেন: হাদীসখানা সহীহ্ নয়।)
سُبحانَكَ اللَّهمَّ وبحَمدِكَ، وتبارَك اسمُكَ، وتعالى جَدُّكَ، ولا إلهَ غيرُكَ.
হে আল্লাহ! আপনার পবিত্রতা ও প্রশংসার গুণ বর্ণনা করছি, আপনার নাম পরম বরকতময় ও আপনার গৌরব সমুন্নত হোক, আপনি ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ্ নেই। তারপর তিনি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই) তিনবার বলতেন। অতঃপর তিনি বলতেন,
أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِن الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
আমি বিতাড়িত শয়তানের কুমন্ত্রণা ও কুপ্রভাব থেকে সর্বশ্রোতা মহাজ্ঞানী আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। তারপর তিনি তিনবার 'আল্লাহু আকবার' বলতেন। এরপর বলতেন,
أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِن الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ، مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ
আমি বিতাড়িত শয়তানের কুমন্ত্রণা, কুপ্রভাব ও কুপ্ররোচণা থেকে সর্বশ্রাতা মহাজ্ঞানী আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
(তিরমিযী ও বায়হাকীর সুনানে হাদীসখানা বর্ণিত হয়েছে। ইমাম তিরমিযী (র) বলেন, এ হাদীসখানা এ অধ্যায়ের সর্ববিখ্যাত হাদীস। ইমাম আহমদ (র) বলেন: হাদীসখানা সহীহ্ নয়।)
كتاب الصلاة
(13) باب في دعاء الافتتاح والتعوذ قبل القراءة
(508) عن أبى سعيد الخدرىِّ رضى الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام من اللَّيل واستفتح صلاته وكبَّر قال سبحانك (1) اللَّهمَّ وبحمدك تبارك اسمك (2) وتعالى جدُّك (3) ولا إله غيرك، ثمَّ يقول لا إله إلاَّ الله ثلاثًا (4) ثمَّ يقول أعوذ بالله السَّميع العليم من الشَّيطان الرَّجيم من همزه ونفخه (5) ثمَّ يقول الله أكبر ثلاثًا ثمَّ يقول أعوذ بالله السَّميع العليم من الشَّيطان الرَّجيم من همزه ونفخه ونفثه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫০৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৩) কির'আতের পূর্বে প্রাথমিক ও আউযুবিল্লাহ পড়া সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(৫০৯) আবু উমামা আল বাহেলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) যখন নামাযে দাঁড়াতেন (অন্য এক বর্ণনায়, রাতে যখন নামাযে মনোনিবেশ করতেন) তখন তিনি তিনবার তাকবীর উচ্চারণ করতেন। অতঃপর তিনবার 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু' বলতেন এবং 'সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী' তিনবার বলতেন। অতঃপর বলতেন, আমি বিতাড়িত শয়তানের কুমন্ত্রণা, কুপ্রভাব ও কুপ্ররোচণা থেকে সর্বশ্রোতা মহাজ্ঞানী আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই।
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান বলেন, আমি এ হাদীসখানা অন্য কোথাও পাইনি। তবে এর সনদে জনৈক ব্যক্তি রয়েছেন, যার নাম জানা যায় না। তাই হাদীসখানা সহীহ হতে পারে না।)
(আহমদ ইবন্ আবদুর রহমান বলেন, আমি এ হাদীসখানা অন্য কোথাও পাইনি। তবে এর সনদে জনৈক ব্যক্তি রয়েছেন, যার নাম জানা যায় না। তাই হাদীসখানা সহীহ হতে পারে না।)
كتاب الصلاة
(13) باب في دعاء الافتتاح والتعوذ قبل القراءة
(509) عن أبى أمامة الباهلىِّ رضى الله عنه قال كان نبيُّ الله صلى الله عليه وسلم إذا قام إلى الصَّلاة (وفى رواية إذا دخل فى الصَّلاة من اللَّيل) كبَّر ثلاث مرَّاتٍ، ثمَّ قال لا إله إلاَّ الله ثلاث مرَّاتٍ، وسبحان الله وبحمده ثلاث مرَّاتٍ، ثمَّ قال أعوذ بالله من الشَّيطان الرَّجيم من همزه ونفخه ونفثه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫১০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১৩) কির'আতের পূর্বে প্রাথমিক ও আউযুবিল্লাহ পড়া সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ
(৫১০) নাফে' ইবন্ যুবায়ের ইবন্ মুত'ইম (রা) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে নফল সালাতে "আল্লাহ আকবার কাবীরা" (আল্লাহ সর্বমহান সর্বশ্রেষ্ঠ)-কথাটি তিনবার বলতে শুনেছি। আরও বলতে শুনেছি,
اَلْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيْرًا
'আল হামদু লিল্লাহি কাছিরা' (সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য অধিক পরিমাণ)- তিনবার
سُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا
'সুবহানাল্লাহি বুকরাতাও ওয়া আসিলা' (আল্লাহর পবিত্রতা দিনে রাতে সকাল-সন্ধ্যায়) তিনবার করে। তারপর বলতে শুনেছি,
أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِن الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ، مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ
হে আল্লাহ! আমি বিতাড়িত শয়তানের কুমন্ত্রণা, কুপ্রভাব ও কুপ্ররোচণা থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, হে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শয়তানের কুমন্ত্রণা, কুপ্রভাব ও কুপ্ররোচণা কি? রাসূল (ﷺ) বললেন, শয়তানের কুমন্ত্রণা হচ্ছে, একটা নেশা যা আদম সন্তানকে পেয়ে বসে। (অন্য এক বর্ণনা মতে), তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) উল্লেখ করেছেন-কুমন্ত্রণা একটা নেশার প্রকৃতির ন্যায়, অর্থাৎ যা মাতাল করে তোলে) আর কুপ্রভাব হচ্ছে অহংকার, কুপ্ররোচণা হচ্ছে (অশ্লীল) কবিতা।
(মুসলিম, আবু দাউদ, ইবন্ মাজাহ, ইবন্ হিব্বান (র) হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন। ইমাম আবু দাউদ এ ব্যাপারে কোন মন্তব্য করেন নি। তবে ইমাম আহমদের মতে হাদীসখানা দুর্বল। কারণ, এর মধ্যে কোন একস্তরে একজন রাবীর কথা বলা হয়েছে কিন্তু তাঁর নাম পাওয়া পাওয়া যায় না। আবু দাউদ উক্ত ব্যক্তির নামোল্লেখ করেছেন।)
اَلْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيْرًا
'আল হামদু লিল্লাহি কাছিরা' (সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য অধিক পরিমাণ)- তিনবার
سُبْحَانَ اللَّهِ بُكْرَةً وَأَصِيلًا
'সুবহানাল্লাহি বুকরাতাও ওয়া আসিলা' (আল্লাহর পবিত্রতা দিনে রাতে সকাল-সন্ধ্যায়) তিনবার করে। তারপর বলতে শুনেছি,
أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِن الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ، مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْخِهِ وَنَفْثِهِ
হে আল্লাহ! আমি বিতাড়িত শয়তানের কুমন্ত্রণা, কুপ্রভাব ও কুপ্ররোচণা থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, হে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শয়তানের কুমন্ত্রণা, কুপ্রভাব ও কুপ্ররোচণা কি? রাসূল (ﷺ) বললেন, শয়তানের কুমন্ত্রণা হচ্ছে, একটা নেশা যা আদম সন্তানকে পেয়ে বসে। (অন্য এক বর্ণনা মতে), তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) উল্লেখ করেছেন-কুমন্ত্রণা একটা নেশার প্রকৃতির ন্যায়, অর্থাৎ যা মাতাল করে তোলে) আর কুপ্রভাব হচ্ছে অহংকার, কুপ্ররোচণা হচ্ছে (অশ্লীল) কবিতা।
(মুসলিম, আবু দাউদ, ইবন্ মাজাহ, ইবন্ হিব্বান (র) হাদীসখানা উল্লেখ করেছেন। ইমাম আবু দাউদ এ ব্যাপারে কোন মন্তব্য করেন নি। তবে ইমাম আহমদের মতে হাদীসখানা দুর্বল। কারণ, এর মধ্যে কোন একস্তরে একজন রাবীর কথা বলা হয়েছে কিন্তু তাঁর নাম পাওয়া পাওয়া যায় না। আবু দাউদ উক্ত ব্যক্তির নামোল্লেখ করেছেন।)
كتاب الصلاة
(13) باب في دعاء الافتتاح والتعوذ قبل القراءة
(510) عن نافع بن جبير بن مطعم عن أبيه قال سمعت النَّبىَّ صلى الله عليه وسلم يقول فى التَّطوع الله أكبر (1) كبيرًا ثلاث مرارٍ، والحمد لله كثيرًا ثلاث مرارٍ وسبحان الله بكرةً وأصيلًا (1) ثلاث مرارٍ اللَّهمَّ إنى أعوذ بك من الشَّيطان الرَّجيم من همزه ونفثه ونفخه، قلت يا رسول الله ما همزه ونفثه ونفخه؟ قال أمَّا همزه فالموتة الَّتى تأخذ بن آدم (وفى روايةٍ قال فذكر كهيئة الموتة يعنى يصرع) وأمَّا نفخه الكبر ونفثه الشَّمر
তাহকীক: