মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ২৯১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদঃ আযান ও ইকামতের মাঝে সময়ের ব্যবধানের কারণ এবং যে আযান দেন তার ইকামত দেয়া প্রসঙ্গে
(২৯১) জাবির ইবন্ সামুরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ)-এর মুয়াযযিন আযান দিতেন। অতঃপর অপেক্ষা করতেন, রাসূল (ﷺ)-কে যখন বের হতে দেখতেন তখনই ইকামত দিতেন।
(মুসলিম, আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(10) باب في الفصل بين الاذان والإقامة ومن أذن فهو يقيم
(291) عن جَابِر بْنَ سَمُرَةَ رضي الله عنهما قال كَانَ مُؤَذِّنُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُؤَذِّنُ ثُمَّ يُمْهِلُ فَلَا يُقِيمُ حَتَّى إِذَا رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ خَرَجَ أَقَامَ الصَّلَاةَ حِينَ يَرَاهُ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদঃ আযান ও ইকামতের মাঝে সময়ের ব্যবধানের কারণ এবং যে আযান দেন তার ইকামত দেয়া প্রসঙ্গে
(২৯২) আব্দুল্লাহ ইবন্ আবু কাতাদাহ থেকে তিনি তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যখন নামাযের জন্য আযান দেয়া হয় (অন্য বর্ণনায় আছে যখন নামাযের জন্য ইকামত দেয়া হয়।) তখন আমাকে দেখা না পর্যন্ত তোমরা দাঁড়াবে না।
(বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ।)
كتاب الصلاة
(10) باب في الفصل بين الاذان والإقامة ومن أذن فهو يقيم
(292) عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِيهِ (رضي الله عنه) قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا نُودِيَ لِلصَّلَاةِ (وفي رواية إذا أقيمت الصلاة) فَلَا تَقُومُوا حَتَّى تَرَوْنِي
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদঃ আযান ও ইকামতের মাঝে সময়ের ব্যবধানের কারণ এবং যে আযান দেন তার ইকামত দেয়া প্রসঙ্গে
(২৯৩) (যা) উবাই ইবন্ কা'আব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, হে বিলাল। আযান ও ইকামতের মাঝে কিছুক্ষণ অপেক্ষা কর, যাতে ভোজক ভোজন শেষ করতে পারে এবং ওযুকারী তার প্রয়োজন পূরণ করতে পারে।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। মাজমাউয যাওয়ায়েদে বলেছেন, হাদীসটি আব্দুল্লাহ ইবন্ আহমদ মুসনাদে সংযোজন করেছেন।)
كتاب الصلاة
(10) باب في الفصل بين الاذان والإقامة ومن أذن فهو يقيم
(293) ز عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا بِلَالُ اجْعَلْ بَيْنَ أَذَانِكَ وَإِقَامَتِكَ نَفَسًا يَفْرُغُ الْآكِلُ مِنْ طَعَامِهِ فِي مَهَلٍ وَيَقْضِي الْمُتَوَضِّئُ حَاجَتَهُ فِي مَهَلٍ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদঃ আযান ও ইকামতের মাঝে সময়ের ব্যবধানের কারণ এবং যে আযান দেন তার ইকামত দেয়া প্রসঙ্গে
(২৯৪) যিয়াদ ইবন্ নুয়াঈম আল খাদরামী থেকে তিনি যিয়াদ ইবন্ হারিছ আস সুদাই (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নামাযের জন্য আযান দিলেন, অতঃপর বিলাল (রা) ইকামত দিতে চাইলেন, তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, ভাই "সুদাই" যে ব্যক্তি আযান দিবে সেই ইকামত দিবে।
তাঁর থেকে অপর একটি বর্ণনায় আছে, যিয়াদ ইবন হারিছ আস সুদাই (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বললেন, হে ভাই সুদাই আযান দাও, তিনি বলেন, যখন ফজর হলো তখন আমি আযান দিলাম, অতঃপর রাসূল (ﷺ) ওযু করে যখন নামাযের জন্য দাঁড়ালেন, তখন বিলাল (রা) ইকামত দিতে চাইলে তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, ভাই সুদাই ইকামত দিবে।
(আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, তিরমিযী বলেন, হাদীসটি দুর্বল।)
كتاب الصلاة
(10) باب في الفصل بين الاذان والإقامة ومن أذن فهو يقيم
(294) عَنْ زِيَادِ بْنِ نُعَيْمٍ الْحَضْرَمِيِّ عَنْ زِيَادِ بْنِ الْحَارِثِ الصُّدَائِيِّ أَنَّهُ أَذَّنَ فَأَرَادَ بِلَالٌ أَنْ يُقِيمَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا أَخَا صُدَاءٍ إِنَّ الَّذِي أَذَّنَ فَهُوَ يُقِيمُ
عَنْ زِيَادِ بْنِ الْحَارِثِ الصُّدَائِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَذِّنْ يَا أَخَا صُدَاءٍ قَالَ فَأَذَّنْتُ وَذَلِكَ حِينَ أَضَاءَ الْفَجْرُ قَالَ فَلَمَّا تَوَضَّأَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَامَ إِلَى الصَّلَاةِ فَأَرَادَ بِلَالٌ أَنْ
يُقِيمَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُقِيمُ أَخُو صُدَاءٍ فَإِنَّ مَنْ أَذَّنَ فَهُوَ يُقِيمُ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১০) পরিচ্ছেদঃ আযান ও ইকামতের মাঝে সময়ের ব্যবধানের কারণ এবং যে আযান দেন তার ইকামত দেয়া প্রসঙ্গে
(২৯৫) আব্দুল্লাহ ইবন্ যায়েদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি স্বপ্নে আযান দিতে দেখলেন, তিনি বলেন অতঃপর আমি রাসূল (ﷺ)-এর নিকট গেলাম এবং তাঁকে এ সংবাদ দিলাম। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, তা বিলালকে শুনাও। তখন আমি বিলালকে শুনালাম। তখন তিনি আযান দিলেন, তিনি বলেন, অতঃপর সে ইকামত দিতে চাইল। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)। যেহেতু আমি স্বপ্নে দেখেছি তাই আমি ইকামত দিতে চাই। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, তুমিই ইকামত দাও। তারপর বিলাল আযান দিলেন আর তিনি ইকামত দিলেন।
(আবু দাউদ, এ হাদীসের সনদে মুহাম্মদ ইবন আমর আল ওয়াকেফী দুর্বল। ইবন্ আবদুল বার বলেন, উপরোক্ত (আফরিকীর) হাদীসের চেয়ে এ হাদীসের সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(10) باب في الفصل بين الاذان والإقامة ومن أذن فهو يقيم
(295) عن عبد الله بن زيد رضي الله عنه أنه أرى الأذان قال فجئت
إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرته فقال ألقه على بلال، فألقيته فأذن قال فأراد أن يقيم فقلت يا رسول الله أنا رأيت، أريد أن أقيم، قال فأقم أنت، فأقام هو وأذن بلال
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) পরিচ্ছেদ : মুয়াযযিনের জবাব দেয়া থেকে বিরত থাকার ও আযানের পর মসজিদ থেকে বের হওয়ার বিষয়ে কঠোরতা আরোপ
(২৯৬) সাহল (রা) রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, নিশ্চয়ই রাসূল (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর পক্ষ হতে আহবানকারীকে কল্যাণের দিকে আহবান করতে শুনে, আর তার জবাব দেয় না তার জন্য সমস্ত জুলুম, নেফাকী ও কুফরী।
(মুনযেরী বলেন, হাদীসটি আহমাদ, তবারানী বর্ণনা করেছেন, এ হাদীসের সনদে একজন বিতর্কিত রাবী থাকলেও মুনযেরীর কার্য থেকে মনে হয় হাদীসটি অন্য সূত্রে সহীহ্।)
كتاب الصلاة
(11) باب تغليظ التخلف عن إجابة المؤذن والخروج من المسجد بعد الأذان
(296) عن سهل عن أبيه (معاذ بن أنس الجهني رضي الله عنه) عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال، الجفاء كل الجفاء والكفر والنفاق من سمع منادي الله ينادي يدعوا إلى الفلاح ولا يجيبه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) পরিচ্ছেদ : মুয়াযযিনের জবাব দেয়া থেকে বিরত থাকার ও আযানের পর মসজিদ থেকে বের হওয়ার বিষয়ে কঠোরতা আরোপ
(২৯৭) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুয়াযযিনের আযানের পর এক ব্যক্তি মসজিদ থেকে বের হয়ে গেল। তখন (রাসূল (ﷺ) বললেন, সে আবুল কাসিমের (মুহাম্মদ (ﷺ)) নাফরমানী করল।
অন্য হাদীসে আছে, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন, মসজিদে থাকা অবস্থায় নামাযের আযান দেয়া হলে তোমাদের কেউ যেন নামায না পড়ে মসজিদ থেকে বের না হয়।
(মুসলিম, আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন মাজাহ।)
كتاب الصلاة
(11) باب تغليظ التخلف عن إجابة المؤذن والخروج من المسجد بعد الأذان
(297) حدقنا عبد الله حدثني أبي ثنا هاشم ثنا المسعودي وشريك عن أشعث بن أبي الشعثاء عن أبيه عن أبي هريرة قال خرج رجل من المسجد بعد ما أذن المؤذن، فقال أما هذا فقد عصى أبا القاسم صلى الله عليه وسلم قال (1) وفي حديث شريك ثم قال أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا كنتم في المسجد فنودي بالصلاة فلا يخرج أحدكم حتى يصلي
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (১১) পরিচ্ছেদ : মুয়াযযিনের জবাব দেয়া থেকে বিরত থাকার ও আযানের পর মসজিদ থেকে বের হওয়ার বিষয়ে কঠোরতা আরোপ
(২৯৮) আবূ হুরায়রা (রা) রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, তোমাদের কেউ যখন আযানের শব্দ শুনবে, আর ওযুর পানির পাত্র তার হাতে থাকবে সে যেন তার প্রয়োজন পূরণ করা থেকে বিরত না থাকে।
দ্বিতীয় এক বর্ণনায় আছে, আবু হুরায়রা (রা) রাসূল (ﷺ) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তাতে আরও অতিরিক্ত আছে, যখন ফজর উদিত হতো তখন মুয়াযযিন আযান দিত।
(আবু দাউদ, হাকিম, হাদীসটির সনদ উত্তম, সুয়ূতী তাঁর জামে' উস-সগীর গ্রন্থে হাদীসটি সহীহ বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
(11) باب تغليظ التخلف عن إجابة المؤذن والخروج من المسجد بعد الأذان
(298) عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا سمع أحدكم الأذان والإناء على يده فلا يدعه حتى يقضي حاجته منه (ومن طريق ثان) حدثنا عبد الله حدثني أبي ثنا روح ثنا حماد عن عمار بن أبي عمار عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله وزاد فيه وكان المؤذن يؤذن إذا بزغ الفجر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মসজিদ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ পৃথিবীতে প্রথম অবস্থিত মসজিদ এবং মসজিদ নির্মাণের ফযীলত
(২৯৯) আবু আওয়ানা ও সুলাইমান আল আ'মাশ ইব্রাহীম আততাইমি থেকে বর্ণনা করেন, ইব্রাহীম বলেন, আমি সুলাইমানকে কুরআন শুনাতাম সেও আমাকে শুনাতো। আবু আওয়ানা বলেন, আমি ইব্রাহীমকে কুরআন শুনাতাম। সে পথের মধ্যে আমাকে কুরআন শুনাতো, সে যখন সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করত তখন সিজদা দিত, আমি তাঁকে বললাম, তুমি পথের মধ্যেই সিজদা করলে? সে বলল হ্যাঁ, তারপর বলল, আমি আবু যর (রা)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে প্রশ্ন করেছিলাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)। দুনিয়াতে সর্বপ্রথম কোন্ মসজিদের ভিত্তি স্থাপিত হয়? রাসূল (ﷺ) বললেন, মসজিদুল হারাম। পুনরায় প্রশ্ন করলাম, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, মসজিদুল আকসা। আমি আবার প্রশ্ন করলাম, এ দু'টি মসজিদ কত দিনের ব্যবধানে তৈরীকৃত। তিনি বললেন, চল্লিশ বৎসর। তারপর রাসূল (ﷺ) বললেন, যেখানেই তোমার নামাযের সময় হয় সেখানে নামায আদায় কর। উহাই মসজিদ। অন্য বর্ণনায় আছে, সমস্ত যমীনই মসজিদ। (সুতরাং যেখানেই নামায আদায় করবে নামায শুদ্ধ হবে।)
(বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ, ইবন মাজাহ্ ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
أبواب المساجد

(1) باب أول مسجد وضع في الأرض وفضل بناء المساجد
(299) حدثنا عبد الله حدثني أبي ثنا عفان ثنا أبو عوانة وسليمان الأعمش عن إبراهيم التيمي عن أبيه قال كنت أعرض عليه ويعرض علي (1) وقال أبو عوانة كنت أقرأ عليه ويقرأ علي في السكة فيمر بالسجدة (2) فيسجد قال قلت أتسجد في السكة؟ قال نعم سمعت أبا ذر يقول سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قلت يا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قلت يا رسول الله أي مسجد وضع في الأرض أولاً، قال المسجد الحرام (3) قال قلت ثم أي؟ قال ثم المسجد الأقصى (4) قال قلت كم بينهما؟ قال أربعون سنة، ثم قال أينما أدركتك الصلاة فصل فهو مسجد، وفي رواية فكلها مسجد (5)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩০০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মসজিদ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ পৃথিবীতে প্রথম অবস্থিত মসজিদ এবং মসজিদ নির্মাণের ফযীলত
(৩০০) উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে-বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে দুনিয়াতে কোন মসজিদ তৈরী করে যেখানে আল্লাহর নাম স্মরণ করা হয়, আল্লাহ বেহেশতে তার জন্য একটি ঘর বানাবেন।
(সহীহ ইবন্ হিব্বান, সুনানে বায়হাক্বী। হাদীসটি সহীহ বলে প্রতীয়মান হয়।)
كتاب الصلاة
أبواب المساجد

(1) باب أول مسجد وضع في الأرض وفضل بناء المساجد
(300) عن عمر بن الخطاب رضي الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من بنى لله مسجداً يذكر فيه اسم الله تعالى بنى الله له به بيتاً في الجنة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩০১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মসজিদ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ পৃথিবীতে প্রথম অবস্থিত মসজিদ এবং মসজিদ নির্মাণের ফযীলত
(৩০১) উসমান ইবন্ আফফান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেনি, যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্য একটি মসজিদ তৈরী করবে, আল্লাহ বেহেশতে তার জন্য এমনি একটি ঘর তৈরী করবেন।
(বুখারী, মুসলিম)
كتاب الصلاة
أبواب المساجد

(1) باب أول مسجد وضع في الأرض وفضل بناء المساجد
(301) عن عثمان بن عفان رضي الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من بنى لله مسجداً بنى الله له مثله في الجنة.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩০২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মসজিদ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ পৃথিবীতে প্রথম অবস্থিত মসজিদ এবং মসজিদ নির্মাণের ফযীলত
(৩০২) আব্দুল্লাহ ইবন্ আমর ইবনুল 'আস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে একটি মসজিদ তৈরী করবে। আল্লাহ বেহেশতে তার চেয়ে প্রশস্ত একটি ঘর তার জন্য তৈরী করবেন।
(হাদীসটি অন্য কোন গ্রন্থে পাওয়া যায় নি। হায়ছামী বলেন, এ হাদীসটি ইমাম আহমদ বর্ণনা করেছেন। তাতে একজন বিতর্কিত রাবী আছেন।)
كتاب الصلاة
أبواب المساجد

(1) باب أول مسجد وضع في الأرض وفضل بناء المساجد
(302) عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده (عبد الله بن عمرو ابن العاص رضي الله عنهما) عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من بنى لله مسجداً بني له بيت أوسع منه في الجنة.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩০৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মসজিদ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ পৃথিবীতে প্রথম অবস্থিত মসজিদ এবং মসজিদ নির্মাণের ফযীলত
(৩০৩) আসমা বিনতে ইয়াযিদ রাসূল (ﷺ) থেকে এ ধরনের হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(হায়ছামী বলেন, হাদীসের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
أبواب المساجد

(1) باب أول مسجد وضع في الأرض وفضل بناء المساجد
(303) وعن أسماء بنت يزيد رضي الله عنها عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩০৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মসজিদ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ পৃথিবীতে প্রথম অবস্থিত মসজিদ এবং মসজিদ নির্মাণের ফযীলত
(৩০৪) বিশর ইবন্ হাইয়ান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা যখন আমাদের মসজিদ তৈরী করতেছিলাম, তখন ওয়াছিলা ইবন্ আল আসকা (রা) আসলেন এবং আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে সালাম করলেন। তারপর তিনি বললেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে নামায পড়ার জন্য একটি মসজিদ তৈরী করল, আল্লাহপাক বেহেস্তে তার জন্য এর চেয়ে উত্তম ঘর বানাবেন। আবু আব্দুর রহমান বলেন, আমি এ কথা হাইছাম ইবন্ খারেজা থেকে শুনেছি।
(হায়ছামী মাজমাউয যাওয়ায়েদে বলেন, হাদীসটি আহমদ তবারানীর মু'জামুল কাবীর গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
أبواب المساجد

(1) باب أول مسجد وضع في الأرض وفضل بناء المساجد
(304) عن بشر بن حيان قال جاء واثلة بن الأسقع رضي الله عنه ونحن نبني مسجدنا، قال فوقف علينا فسلم ثم قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم
يقول من بنى لله مسجدا يصلي فيه بنى الله عز وجل له في الجنة أفضل منه قال أبو عبد الرحمن (1) وقد سمعته من هيثم بن خارجة.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩০৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মসজিদ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ পৃথিবীতে প্রথম অবস্থিত মসজিদ এবং মসজিদ নির্মাণের ফযীলত
(৩০৫) ইবন্ আব্বাস (রা) রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে আল্লাহর উদ্দেশ্য একটি মসজিদ নির্মাণ করলো, সেটি একটি পাখির নিড়ের মত ছোট হলেও আল্লাহ তা'আলা তার জন্য বেহেশতে একটি ঘর তৈরী করবেন।
(সহীহ্ ইবন্ হিব্বান, বাযযার ইবন্ আবি শাইবা, হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
أبواب المساجد

(1) باب أول مسجد وضع في الأرض وفضل بناء المساجد
(305) عن ابن عباس رضي الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال من بنى لله مسجداً ولو كمفحص قطاة (2) لبيضها بنى الله له بيتا في الجنة.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩০৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মসজিদ সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ

(১) পরিচ্ছেদঃ পৃথিবীতে প্রথম অবস্থিত মসজিদ এবং মসজিদ নির্মাণের ফযীলত
(৩০৬) আমর ইবন্ আবাসা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূল (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর যিকির করার উদ্দেশ্য একটি মসজিদ নির্মাণ করে, আল্লাহ তার জন্য বেহেশতে একটি ঘর তৈরী করবেন। যে ব্যক্তি কোন মুসলমানকে গোলামী থেকে মুক্তি দেয় তার বিনিময়ে সে জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে। যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে কাজ করতে করতে একটি দাড়ি বা চুল সাদা করে ফেলে কিয়ামতের দিন তার জন্য আলোতে পরিণত হবে।
(নাসাঈ এ হাদীসের সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
أبواب المساجد

(1) باب أول مسجد وضع في الأرض وفضل بناء المساجد
(306) عن عمرو بن عبسة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من بنى لله مسجداً ليذكر الله عز وجل فيه بنى الله له بيتاً في الجنة ومن أعتق نفساً مسلمة كانت فديته من جهنم، ومن شاب شيبة في سبيل الله عز وجل كانت له نوراً يوم القيامة.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩০৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ রাসূল (ﷺ)-এর বাণী সমস্ত যমীন আমার জন্য পবিত্রকারী ও মসজিদ বানানো হয়েছে
(৩০৭) জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, সমস্ত যমীন আমার জন্য পবিত্র ও মসজিদ বানানো হয়েছে। সুতরাং কারো যখন কোথাও নামাযের সময় হবে সে যেন সেখানেই নামায আদায় করে নেয়।
(বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ।)
كتاب الصلاة
(2) باب قول النبي صلى الله عليه وسلم جعلت لي الأرض طهورا ومسجدًا.
(307) عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم جعلت لي الأرض طهوراً ومسجداً، فأيما رجل أدركته الصلاة فليصل حيث أدركته
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩০৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: মসজিদে অবস্থান করা, গমন করা এবং মসজিদের পাশের বাড়ী-ঘরে বসবাসকারীদের মর্যাদা
(৩০৮) হুযায়ফা ইবন্ ইয়ামান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ঘরে বসে থাকা ব্যক্তির ওপর যুদ্ধের ময়দানে গাজীর যে মর্যাদা মসজিদ থেকে দূরে বসবাসকারীর ওপর মসজিদের নিকটে বসবাসকারীর সে সর্বদা।
(মুসনাদ আহমদ ছাড়া হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি, সুয়ূতি জামে' উস-সগীরে হাদীসটিকে সহীহ্ হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন, আর মুনাবী হাদীসটি হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
(3) باب فضل الجلوس في المساجد
والسعى إليها وفضل أهل الدور القريبة منها
(308) عن حذيفة بن اليمان رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فضل الدَّار (1) القريبة من المسجد على الدَّار الشَّاسعة (2) كفضل الغازي على القاعد (3)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩০৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: মসজিদে অবস্থান করা, গমন করা এবং মসজিদের পাশের বাড়ী-ঘরে বসবাসকারীদের মর্যাদা
(৩০৯) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, নিশ্চয়ই মসজিদে অবস্থানকারী কিছু লোক রয়েছে ফেরেস্তাগণ তাদের সাথে বসেন, যখন তারা অনুপস্থিত থাকে ফেরেস্তাগণ তাদেরকে খুঁজতে থাকে, অসুস্থ হলে তাদের দেখতে যান, তাদের প্রয়োজনে তাদের সাহায্য করেন। রাসূল (ﷺ) বলেন, মসজিদে বসার তিনটি লাভ রয়েছে, সাহায্যকারী ভাই পাওয়া যায়, জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাওয়া যায় এবং এই রহমত ও মাগফিরাতের প্রত্যাশা করা যায়।
(মুনযেরী, আহমদ, হাকিম, হাদীসটি সহীহ্)
كتاب الصلاة
(3) باب فضل الجلوس في المساجد
والسعى إليها وفضل أهل الدور القريبة منها
(309) عن أبى هريرة رضي الله عنه عن النَّبى صلى الله عليه وسلم إنَّ للمساجد أوتاداً (4) الملائكة جلساؤهم، إن غابوا يفتقدونهم، وان مرضوا عادوهم، وإن كانوا في حاجة أعانوهم، وقال صلى الله عليه وسلم جليس المسجد على ثلاث خصال، أخٌ مستفادٌ (5)

أو كلمةٌ محكمةٌ (1) أو رحمةٌ منتظرةٌ (2)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩১০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: মসজিদে অবস্থান করা, গমন করা এবং মসজিদের পাশের বাড়ী-ঘরে বসবাসকারীদের মর্যাদা
(৩১০) তাঁর (আবূ হুরায়রা) থেকে আরও বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেন, কোন মুসলমান ব্যক্তি যখন মসজিদকে নামায ও আল্লাহর যিকিরের জন্য অবস্থান স্থান বানিয়ে নেয় তখন আল্লাহ তার ওপর এমনভাবে সন্তুষ্ট, বাড়ী থেকে বের হবার পর থেকে পরিবার থেকে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ব্যক্তি ফিরে আসলে যেভাবে পরিবারের লোকেরা আনন্দিত হয়।
(ইবনে মাজাহ, ইবন্ আবি শায়বা, সহীহ্ ইবন্ খুযাইমা, সহীহ্ ইবন্ হিব্বান মুসতাদরাকে হাকিম। তিনি হাদীসটি বুখারী মুসলিমের শর্তে উপনীত বলে মন্তব্য করেন।)
كتاب الصلاة
(3) باب فضل الجلوس في المساجد
والسعى إليها وفضل أهل الدور القريبة منها
(310) وعنه أيضاً عن النَّبىِّ صلى الله عليه وسلم أنَّه قال لا يوطن (3) رجلٌ مسلمٌ المساجد للصَّلاة والذِّكر إلاَّ تبشبش الله به (4) يعني حين يخرج من بيته كما يتبشبش أهل الغائب بغائبهم إذا قدم عليهم
tahqiq

তাহকীক:

মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ | মুসলিম বাংলা