মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৭২৪ টি

হাদীস নং: ২৭১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ আযান ও ইকামতের শব্দ শুনার সময় এবং আযানের শেষে শ্রোতা কি বলবে?
(২৭১) আব্দুর রমান ইবন্ আবু লাইলা (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আলী (রা) যখন মুয়াযযিনকে আযান দিতে শুনতেন, তখন সে যা বলত তিনিও তা বলতেন, সে যখন "আশহাদু আল্লা-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ও আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ বলত, আলী (রা) তার সাথে "আশহাদু আল লাইলাহ ইল্লালাহ, "অ-আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ, বলতেন। তিনি আরও বলতেন, যারা মুহাম্মদ (ﷺ)-কে অস্বীকার করে তারা হলো কাফির।
(এ হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় না। হায়ছামী, মাজমাউয যাওয়ায়েদে বলেন, এ হাদীসটি আবদুল্লাহ কর্তৃক মুসনাদে আহমদে সংযোজিত।)
كتاب الصلاة
(7) باب ما يقول المستمع عند سماع الأذان والإقامة وبعد الأذان
(271) ز عن عبد الرحمن بن أبي ليلى قال كان علي بن أبي طالب رضي الله عنه إذا سمع المؤذن يؤذن قال كما يقول, فإذا قال أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا رسول الله, قال عليٌ رضي الله عنه أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا رسول الله, وأن الذين جحدوا محمداً هم الكاذبون.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৭২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ আযান ও ইকামতের শব্দ শুনার সময় এবং আযানের শেষে শ্রোতা কি বলবে?
(২৭২) সা'দ ইবন্ আবু ওয়াক্কাস (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি মুয়াযযিনের আযান শুনে বলে,
أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، رَضِينَا بِاللَّهِ رَبًّا وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولًا، وَبِالْإِسْلامِ دِينًا
"আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু লা শারীকালাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু, রাদীনা বিল্লাহি রাব্বান, ওয়া বি মুহাম্মাদিন রাসূলান, ওয়া বিল ইসলামে দীনান।
(অর্থাৎ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া আর কোন মাবুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই এবং মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল। আল্লাহকে রব বা প্রভু বলে মেনে নিচ্ছি মুহাম্মদকে রাসূল হিসেবে স্বীকার করছি এবং ইসলামকে দীন হিসেবে গ্রহণ করতে আমি সম্মত হয়েছি।))
তার সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়।
(মুসলিম, আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন্ মাজাহ, মুসতাদরাকে হাকিম, সুনানে বায়হাকী, তাহাবী।)
كتاب الصلاة
(7) باب ما يقول المستمع عند سماع الأذان والإقامة وبعد الأذان
(272) عن سعد بن أبي وقاص رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من قال حين يسمع المؤذن وأنا أشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك
له وأن محمداً عبده ورسوله رضينا بالله ربا وبمحمد رسولا وبالإسلام دينا غفر له ذنبه.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৭৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ আযান ও ইকামতের শব্দ শুনার সময় এবং আযানের শেষে শ্রোতা কি বলবে?
(২৭৩) আবদুল্লাহ ইবন্ আমর ইবনুল 'আস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যখন তোমরা আযানের শব্দ শুন তখন মুয়াযযিখন যা বলে তোমরাও অনুরূপ বলো। তারপর আমার ওপর দরূদ পড়। কারণ যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরুদ পড়ে আল্লাহ এর বিনিময়ে তার ওপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন। তারপর (আল্লাহর (নিকটে) আমার জন্য ওসিলার প্রার্থনা কর। কারণ তা হচ্ছে জান্নাতের একটি স্তর যা আল্লাহর সমস্ত বান্দাদের মধ্যে মাত্র একজন বান্দার উপযোগী। আমি আশা করি আমিই সেই ৰান্দা। কাজেই যে ব্যক্তি আমার জন্য ওসিলার প্রার্থনা করবে তার জন্য (আমার) শাফা'আত প্রাপ্তি হালাল হয়ে যাবে।
(মুসলিম, আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
(7) باب ما يقول المستمع عند سماع الأذان والإقامة وبعد الأذان
(273) عن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا سمعتم مؤذناً فقولوا مثل ما يقول, ثم صلوا علي فإن من صلى علي صلاة صلى الله عليه بها عشراً ثم سلوا لي الوسيلة فإنها منزلةٌ في الجنة لا تنبغي إلا لعبد من عباد الله وأرجو أن أكون أنا هو, فمن سأل لي الوسيلة حلت عليه الشفاعة.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৭৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ আযান ও ইকামতের শব্দ শুনার সময় এবং আযানের শেষে শ্রোতা কি বলবে?
(২৭৪) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ওসিলা আল্লাহর নিকট এমন একটি মর্যাদার স্তর যার উপর কোন মর্যাদার স্তর নেই। তোমরা আল্লাহর নিকট প্রার্থনা কর। আল্লাহ যেন আমাকে সে ওসিলা প্রদান করেন।
(জামে'উস্ সগীর, মুসনাদে আহমদ। হাদীসটি সহীহ্।)
كتاب الصلاة
(7) باب ما يقول المستمع عند سماع الأذان والإقامة وبعد الأذان
(274) عن سعيد الخدري قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: الوسيلة درجةٌ عند الله ليس فوقها درجةٌ, فسلوا الله أن يؤتيني الوسيلة.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৭৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ আযান ও ইকামতের শব্দ শুনার সময় এবং আযানের শেষে শ্রোতা কি বলবে?
(২৭৫) আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল 'আস (রা) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসূল (ﷺ)-কে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! মুয়াযযিযনরা আযানের দরুন আমাদের চেয়ে বেশী মর্যাদা লাভ করবে। তখন রাসূল (ﷺ) তাঁকে বললেন, তারা যা বলেন, তোমরাও তাই বলো। তোমাদের বলা শেষ করার পর প্রার্থনা কর, তোমাদেরকেও দেয়া হবে।
(আবু দাউদ, সহীহ্ ইবন্ হিব্বান, নাসাঈ, সহীহ্ ইবন্ হিব্বানে হাদীসটি বর্ণিত হওয়া থেকে হাদীসটি সহীহ্ বলে প্রতীয়মান হয়।)
كتاب الصلاة
(7) باب ما يقول المستمع عند سماع الأذان والإقامة وبعد الأذان
(275) عن عبد الله بن عمرو (ابن العاص) رضي الله عنه أن رجلا قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله إن المؤذنين يفضلونا بأذانهم, فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم قل كما يقولون فإذا انتهيت فسل تعط.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৭৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ আযান ও ইকামতের শব্দ শুনার সময় এবং আযানের শেষে শ্রোতা কি বলবে?
(২৭৬) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলের সাথে ইয়ামানের "তাল'আত, নামক স্থানে উপস্থিত ছিলাম। তখন বিলাল দাঁড়িয়ে নামাযের আযান দিলেন যখন আযান শেষ হল। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, যে ব্যক্তি আযানের বাক্যগুলো পুনরাবৃত্তি করবে, নিশ্চিত সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
(নাসাঈ, ইবন মাজাহ, মুসতাদরাকে হাকিম। হাকিম বলেন, হাদীসটির সনদ সহীহ্।)
كتاب الصلاة
(7) باب ما يقول المستمع عند سماع الأذان والإقامة وبعد الأذان
(276) عن أبي هريرة رضي الله عنه قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بتلعات (1) اليمن فقام بلال ينادي فلما سكت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من قال مثل ما قال هذا يقيناً دخل الجنة.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৭৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ আযান ও ইকামতের শব্দ শুনার সময় এবং আযানের শেষে শ্রোতা কি বলবে?
(২৭৭) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন, যখন তোমরা আযান শুনতে পাবে তখন মুয়াযযিখন যা বলে তোমরাও তা বলবে।
(বুখারী, মুসলিম, সুনানে বায়হাকী, ইমাম মালিক-ও-ইমাম শাফেয়ী। চার সুনান গ্রন্থ।)
كتاب الصلاة
(7) باب ما يقول المستمع عند سماع الأذان والإقامة وبعد الأذان
(277) عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم إذا سمعتم النداء فقولوا مثل ما يقول المؤذن.
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৭৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ আযান ও ইকামতের শব্দ শুনার সময় এবং আযানের শেষে শ্রোতা কি বলবে?
(২৭৮) জাবির ইবন্ আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বছেন, যে ব্যক্তি আযান শোনার সময় নিম্নোক্ত কথাগুলো বলবে,
اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ، وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ، آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ، وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ
"আল্লাহুম্মা রাব্বা হা-যিহিদ দা'ওয়াতিত তা-মমাতি ওয়াস্ সালাতিল কা-ইমাতি আতিন মুহাম্মাদানিল ওসীলাতা ওয়াল ফাদীলাতা ওয়া'ব' আছহু মাকা-মাম মাহমুদানিল্লাযী ওয়া-আদতাহু
(অর্থাৎ, হে আল্লাহ! এ পূর্ণাঙ্গ দু'আর প্রভু আর প্রতিষ্ঠা লাভকারী নামাযের মালিক, মুহাম্মদকে ওসিলা ও শ্রেষ্ঠত্ব দান কর এবং তাঁকে তোমার ওয়াদাকৃত প্রশংসিত স্থানে পৌঁছাও।)
কিয়ামতের দিন শাফা'আত লাভ করা তার জন্য হালাল হয়ে যাবে।
(বুখারী, চার সুনান গ্রন্থ, (আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন্ মাজাহ ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
(7) باب ما يقول المستمع عند سماع الأذان والإقامة وبعد الأذان
(278) عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من قال حين يسمع النداء اللهم رب هذه الدعوة التامة (2) والصلاة القائمة آتِ
محَمَّدًا الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي أَنْتَ وَعَدْتَهُ إِلَّا حَلَّتْ (1)
لَهُ الشَّفَاعَةُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৭৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ আযান ও ইকামতের শব্দ শুনার সময় এবং আযানের শেষে শ্রোতা কি বলবে?
(২৭৯) যে ব্যক্তি মুয়াযযিনের আযানের সময় নিম্নোক্ত কথাগুলো বলবে,
اللهم رَبِّ هذه الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلاَةِ النَّافِعَةِ صَلِّ على مُحَمَّدٍ وَارْضَ عني رِضَاً لاَ تَسْخَطُ بَعْدَهُ
আল্লাহুমা রাব্বা হা-যিহিদ দা'ওয়াতিত তা-মমাতি ওয়াস সালাতিন নাফিয়া, সাল্লে আলা মুহাম্মাদিন, অ-আরদা আন্নি-রিযান, লা তাসখাতু বা'দাহু।
হে আল্লাহ! এ পূর্ণাঙ্গ দু'আর প্রভু, আর উপকারী নামাযের মালিক, মুহাম্মদের প্রতি রহমত নাযিল করুন এবং আমার ওপর সন্তুষ্ট হোন, যে সন্তুষ্টির পর আর অসন্তুষ্ট হবেন না,
তখন আল্লাহ তার দু'আ কবুল করেন।
(তবারানী, মু'জামুল আউসাত। এর সনদে একজন বিতর্কিত রাবী আছেন। তবে এ পরিচ্ছেদের অপরাপর হাদীস এর সমর্থন করে।)
كتاب الصلاة
(7) باب ما يقول المستمع عند سماع الأذان والإقامة وبعد الأذان
(279) وعنه أيضا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قال من قال حين ينادي المنادي اللهم
رَبِّ هذه الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلاَةِ النَّافِعَةِ صَلِّ على مُحَمَّدٍ وَارْضَ عني (1) رِضَاً
لاَ تَسْخَطُ بَعْدَهُ اسْتَجَابَ الله له دَعْوَتَهُ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ আযান ও ইকামতের শব্দ শুনার সময় এবং আযানের শেষে শ্রোতা কি বলবে?
(২৮০) خط (১) আবদুল্লাহ ইবন্ আলকামা ইবন্ ওয়াক্কাস (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মু'আবিয়ার (রা)-এর কাছে ছিলাম। তখন তাঁর মুয়াযযিন আযান দিলেন। তখন মুয়াযযিন যা বললেন, তিনিও তা বললেন। মুয়াযযিন যখন "হাইয়্যা আলাস্ সালাহ বললেন তখন মু'আবিয়া "লা-হাওলা ওয়ালা কুউয়াতা ইল্লাবিল্লাহ্ বললেন, মুয়াযযিন যখন "হাইয়্যা আলাল ফালাহ বললেন, তখন মু'আবিয়া, "লা-হাওলা ওয়ালা কুউয়াতা ইল্লা বিল্লাহ বললেন। এরপর মুয়াযযিন যা বললেন, তিনিও তা বললেন। তারপর বললেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে এরূপ বলতে শুনেছি।
(নাসাঈ, এরূপ হাদীস বুখারী এবং মুসলিমেও বর্ণিত আছে।)
كتاب الصلاة
(7) باب ما يقول المستمع عند سماع الأذان والإقامة وبعد الأذان
(280) خط عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَقَّاصٍ قَالَ إِنِّي لَعِنْدَ مُعَاوِيَةَ
إِذْ أَذَّنَ مُؤَذِّنُهُ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ كَمَا قَالَ الْمُؤَذِّنُ حَتَّى إِذَا قَالَ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ قَالَ
لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ فَلَمَّا قَالَ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ قَالَ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا
بِاللَّهِ وَقَالَ بَعْدَ ذَلِكَ مَا قَالَ الْمُؤَذِّنُ ثُمَّ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ ذَلِكَ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ আযান ও ইকামতের শব্দ শুনার সময় এবং আযানের শেষে শ্রোতা কি বলবে?
(২৮১) মু'আবিয়া ইবন্ আবু সুফিয়ান থেকে বর্ণিত, (তিনি বলেন) নবী (ﷺ) মুয়াযযিনের সাথে "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ বলতেন।
(নাসাঈ, ইমাম আহমদ। নাসাঈর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(7) باب ما يقول المستمع عند سماع الأذان والإقامة وبعد الأذان
(281) عن معاوية بن أبي سفيان رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم
كان يتشهد مع المؤذنين (1)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ আযান ও ইকামতের শব্দ শুনার সময় এবং আযানের শেষে শ্রোতা কি বলবে?
(২৮২) মুজাম্মি' ইবন্ ইয়াহ্ইয়া আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু উমামা ইবন্ সাহলের পাশে ছিলাম। তিনি মুয়াযযিনের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে ছিলেন। মুয়াযযিন যখন দু'বার "আল্লাহু আকবর বলল, আবু উমামাও দু'বার "আল্লাহু আকবর" বললেন, মুয়াযযিন যখন দু'বার "আশহাদু আন-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" বলল, আবু উমামাও দু'বার "আশহাদু আন-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" বললেন, মুয়াযযিন যখন দু'বার "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ" বলল, আবু উমামাও দু'বার "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ" বললেন। অতঃপর আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, এভাবে মু'আবিয়া ইবন্ আবু সুফিয়ান রাসূলের নিকট থেকে আমার কাছে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
(বুখারী, নাসাঈ।)
كتاب الصلاة
(7) باب ما يقول المستمع عند سماع الأذان والإقامة وبعد الأذان
(282) عن مُجَمِّعُ بْنُ يَحْيَى الْأَنْصَارِيُّ قَالَ كُنْتُ إِلَى جَنْبِ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلٍ وَهُوَ مُسْتَقْبِلُ الْمُؤَذِّنِ وَكَبَّرَ الْمُؤَذِّنُ اثْنَتَيْنِ فَكَبَّرَ أَبُو أُمَامَةَ اثْنَتَيْنِ وَشَهِدَ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ اثْنَتَيْنِ فَشَهِدَ أَبُو أُمَامَةَ اثْنَتَيْنِ وَشَهِدَ الْمُؤَذِّنُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ اثْنَتَيْنِ وَشَهِدَ أَبُو أُمَامَةَ اثْنَتَيْنِ ثُمَّ الْتَفَتَ إِلَيَّ فَقَالَ هَكَذَا حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ أَبِي سُفْيَانَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ: নামাযের প্রথম ওয়াক্তে আযান দেয়া এবং বিশেষত ফজরের নামাযের আগে আযান দেয়া প্রসঙ্গে
(২৮৩) জাবির ইবন্ সামুরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সূর্য ঢলে পড়ার পর বেলাল (রা) পূর্ণাঙ্গভাবে আযান দিতেন। অতঃপর রাসূল (ﷺ)-এর ঘর থেকে বের না হওয়া পর্যন্ত ইকামাত দিতেন না। যখন রাসূল (ﷺ) বের হতেন তখন তাঁকে দেখতে পেলেই ইকামত দিতেন।
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ।)
كتاب الصلاة
(8) باب الأذان في أول الوقت وتقديمه عليه في الفجر خاصة
(283) عن جابر بن سمرة رضي الله عنهما قال كَانَ بِلَالٌ يُؤَذِّنُ إِذَا زَالَتْ الشَّمْسُ لَا يَخْرِمُ ثُمَّ لَا يُقِيمُ حَتَّى يَخْرُجَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فَإِذَا خَرَجَ أَقَامَ حِينَ يَرَاهُ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ: নামাযের প্রথম ওয়াক্তে আযান দেয়া এবং বিশেষত ফজরের নামাযের আগে আযান দেয়া প্রসঙ্গে
(২৮৪) ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, বেলালের আযান শুনে তোমরা কেউ সেহরী খাওয়া বন্ধ করবে না। কারণ সে ডাকে, অথবা বলেন, আযান দিয়ে থাকে, যাতে তাহাজ্জুদ নামাযে রত ব্যক্তি অবসর পায় এবং ঘুমন্ত ব্যক্তি জেগে উঠতে পারে। তখন ফজর হয়েছে অথবা ভোর হয়ে গেছে একথা যেন কেউ না বলে। তিনি এভাবে বললেন, ইবন আবি আদী আবু আমর আঙুল একবার উপরের দিকে উঠালেন, আবার নিচে নামিয়ে ইশারা করে দেখালেন, (পূর্ব আকাশে সাদা রেখা প্রসারিত হলে ভোর হয়) অতঃপর শাহাদাত আঙুল খুলে ফজরের দৃশ্য দেখালেন।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, ইবন মাজাহ, নাসাঈ।)
كتاب الصلاة
(8) باب الأذان في أول الوقت وتقديمه عليه في الفجر خاصة
(284) حدثنا عبدالله حدثني أبي ثنا ابن أبي عدي عن سليمان (2) عن أبي عثمان (3) عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَمْنَعَنَّ أَحَدَكُمْ أَذَانُ بِلَالٍ مِنْ سَحُورِهِ (4) فَإِنَّهُ إِنَّمَا يُنَادِي أَوْ قَالَ يُؤَذِّنُ لِيَرْجِعَ (5) قَائِمُكُمْ وَيُنَبِّهَ نَائِمَكُمْ لَيْسَ أَنْ يَقُولَ هَكَذَا (6) وَلَكِنْ حَتَّى يَقُولَ هَكَذَا وَضَمَّ ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ أَبُو عَمْرٍو أَصَابِعَهُ وَصَوَّبَهَا وَفَتَحَ مَا بَيْنَ أُصْبُعَيْهِ السَّبَّابَتَيْنِ يَعْنِي الْفَجْرَ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ: নামাযের প্রথম ওয়াক্তে আযান দেয়া এবং বিশেষত ফজরের নামাযের আগে আযান দেয়া প্রসঙ্গে
(২৮৫) আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রা) নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, বেলাল রাতে আযান দেয়। (অর্থাৎ তাহাজ্জুদের আযান) অতএব, তোমরা উম্মে মাকতুমের আযানের পূর্ব পর্যন্ত পানাহার করতে পার।
(বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ, তিরমিযী।)
كتاب الصلاة
(8) باب الأذان في أول الوقت وتقديمه عليه في الفجر خاصة
(285) عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ (عبدالله بن عمر رضي الله عنهما) عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ بِلَالًا يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُؤَذِّنَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ: নামাযের প্রথম ওয়াক্তে আযান দেয়া এবং বিশেষত ফজরের নামাযের আগে আযান দেয়া প্রসঙ্গে
(২৮৬) আব্দুল্লাহ ইবন্ উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, বেলাল রাত্রিতে আযান দেয়। অতএব, উম্মে মাকতুমের আযান শুনা পর্যন্ত তোমরা খাওয়া ধাওয়া করতে পার। আব্দুল্লাহ ইবন উমর বলেন, উম্মে মাকতুম ছিলেন অন্ধ। তিনি দেখতে পেতেন না। লোকেরা ভোর হয়েছে একথা না বলা পর্যন্ত তিনি আযান দিতেন না।
(বুখারী, মুসলিম, ইমাম মালিক, নাসাঈ, তিরমিযী।)
كتاب الصلاة
(8) باب الأذان في أول الوقت وتقديمه عليه في الفجر خاصة
(286) وعنه أيضا عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ بِلَالًا يُنَادِي بِلَيْلٍ فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى تَسْمَعُوا تَأْذِينَ ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ قَالَ وَكَانَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ رَجُلًا أَعْمَى لَا يُبْصِرُ لَا يُؤَذِّنُ حَتَّى يَقُولَ النَّاسُ أَذِّنْ قَدْ أَصْبَحْتَ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদ: নামাযের প্রথম ওয়াক্তে আযান দেয়া এবং বিশেষত ফজরের নামাযের আগে আযান দেয়া প্রসঙ্গে
(২৮৭) নাফে' (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নবী (ﷺ)-এর দু'জন মুয়াযযিন ছিল (বেলাল ও উম্মে মাকতুম।)
(মুসলিম ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
(8) باب الأذان في أول الوقت وتقديمه عليه في الفجر خاصة
(287) عن نافع عن ابن عمر رضي الله عنهما قال كان للنبي صلى الله عليه وسلم
مؤذنان (7)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদঃ জুমু'আর জন্য ও বৃষ্টির দিনে আযান দেয়া প্রসঙ্গে
(২৮৮) সায়িব ইবন্ ইয়াযিদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জুমু'আসহ সকল নামাযে রাসূলের (ﷺ) জন্য মুয়াযযিন ছিলেন বেলাল। তিনি আযান ও ইকামত দিতেন। সায়িব বলেন, জুমু'আর দিন রাসূল (ﷺ) মিম্বারে বসলে বেলাল আযান দিতেন মিম্বার থেকে নামলে নামাযের জন্য ইকামত দিতেন। তেমনিভাবে আবু বকর (রা), উমর (রা) ও উসমান (রা)-এর সময় পর্যন্ত তা করা হতো।
(বুখারী, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন মাজাহ্ও অন্যান্য।)
كتاب الصلاة
(9) باب ما جاء في الأذان للجمعة واليوم المطير
(288) عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ رضي الله عنه ابْنِ أُخْتِ نَمِرٍ قَالَ لَمْ يَكُنْ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَّا مُؤَذِّنٌ وَاحِدٌ (1) فِي الصَّلَوَاتِ كُلِّهَا فِي الْجُمُعَةِ وَغَيْرِهَا يُؤَذِّنُ وَيُقِيمُ قَالَ كَانَ بِلَالٌ يُؤَذِّنُ إِذَا جَلَسَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى الْمِنْبَرِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَيُقِيمُ إِذَا نَزَلَ وَلِأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ (2) رَضِيَ اللَّهُ تعالى عَنْهُمَا حَتَّى كَانَ عُثْمَانُ
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদঃ জুমু'আর জন্য ও বৃষ্টির দিনে আযান দেয়া প্রসঙ্গে
(২৮৯) সায়িব ইবন্ ইয়াযিদ (রা) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আবু বকর (রা) ও উমর (রা)-এর যুগে দু'আযান (আযান ও ইকামত) দেয়ার প্রচলন ছিল। কিন্তু উসমান (রা)-এর সময়ে মানুষের সংখ্যা বেড়ে গেলে তিনি জুমু'আর নামায থেকে "যাওরা" (উঁচু স্থান) প্রথম আযান দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন।
(বুখারী, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন্ মাজাহ্।)
كتاب الصلاة
(9) باب ما جاء في الأذان للجمعة واليوم المطير
(289) وعنه أيضا قَالَ كَانَ الْأَذَانُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا أَذَانَيْنِ (3) حَتَّى كَانَ زَمَنُ عُثْمَانَ فَكَثُرَ النَّاسُ فَأَمَرَ بِالْأَذَانِ الْأَوَّلِ (4) بِالزَّوْرَاءِ (5)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৯) পরিচ্ছেদঃ জুমু'আর জন্য ও বৃষ্টির দিনে আযান দেয়া প্রসঙ্গে
(২৯০) আমর ইবন্ আউস (রা) থেকে বর্ণিত, ছাকিফ গোত্রের এক ব্যক্তি তাঁকে সংবাদ দিল যে, তিনি রাসূল (ﷺ)-এর মুয়াযযিনকে বৃষ্টির দিনে হাইয়্যা আলাসা-সালাহ, হাইয়্যা আলাল ফালাহ্ বলার পর তোমরা তোমাদের ঘরে নামায পড়ে নাও-একথা বলতে শুনেছেন।
(নাসাঈ, হাদীসের বর্ণনাকারী অস্পষ্ট।)
كتاب الصلاة
(9) باب ما جاء في الأذان للجمعة واليوم المطير
(290) عن عمرو بن أوس أَنَّ رَجُلًا مِنْ ثَقِيفٍ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ مُؤَذِّنَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي يَوْمٍ مَطِيرٍ (1) يَقُولُ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ (2)
tahqiq

তাহকীক: