মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ২২১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ যে সব নফল নামায এবং দু'আ দরূদ কাযা হয়ে যায় তা কাযা করা বৈধ
(২২১) ক্বইস ইবন্ আমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি ফজরের নামাযের জন্য (মসজিদে পৌঁছে) রাসুল (ﷺ)-কে ফজরের নামায রত অবস্থায় পেলেন। তখনো তিনি (ক্বইস) ফজরের সুন্নাত দু'রাকাত পড়েন নি। তখন তিনি নবী (ﷺ)-এর সাথে ফরয নামায পড়ে নিলেন। তারপর ফজরের সুন্নাত দু'রাকাত পড়লেন। তখন তার পাশ দিয়ে নবী (ﷺ) যাচ্ছিলেন। তাঁকে ফজরের ফরয নামাযের পরে সুন্নাত (পড়তে দেখে) জিজ্ঞাসা করলেন, এ কিসের নামায? তখন তিনি তাঁকে সে ব্যাপারে জানালেন। তখন নবী (ﷺ) চুপ রইলেন কিছুই বললেন না।
(আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবন্ মাজাহ, ইবন্ খুযাইমা, ইবন্ হিব্বান বাইহাকী, ও তবারানী। তার সনদ উত্তম। ইরাকী এ হাদীসটি হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।)
(আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবন্ মাজাহ, ইবন্ খুযাইমা, ইবন্ হিব্বান বাইহাকী, ও তবারানী। তার সনদ উত্তম। ইরাকী এ হাদীসটি হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
(4) باب مشروعية قضاء ما يفوت من الصلاة النافلة والأوراد
(221) عن قيس بن عمرو رضى الله عنه أنه خرج إلى الصبح فوجد النبى صلى الله عليه وسلم في الصبح ولم يكن ركع ركعتى الفجر فصلى مع النبى صلى الله عليه وسلم؛ ثم قام حين فرغ من الصبح فركع ركعتى الفجر فمرَّ به النبى صلى الله عليه وسلم؛ فقال ما هذه الصلاة؟ فأخبره؛ فسكت النبى صلى الله عليه وسلم ولم يقل شيئًا.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২২২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ যে সব নফল নামায এবং দু'আ দরূদ কাযা হয়ে যায় তা কাযা করা বৈধ
(২২২) রাসূল (ﷺ)-এর স্ত্রী মাইমুনা (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) আসরের পূর্বের সুন্নাত দু'রাক'আত কোন কারণে পড়তে পারেন নি। তাই তিনি তা আসরের পর পড়ে নিলেন।
(এ হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ উত্তম। এ ধরনের হাদীস নাসাঈতে বর্ণিত হয়েছে।)
(এ হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ উত্তম। এ ধরনের হাদীস নাসাঈতে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(4) باب مشروعية قضاء ما يفوت من الصلاة النافلة والأوراد
(222) عن ميمونة زوج النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم أنَّ النَّبىَّ صلى الله عليه وسلم فاتته ركعتان قبل العصر فصلاَّهما بعد
তাহকীক:
হাদীস নং: ২২৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ যারা সুন্নাত নামায কাযা করতে হবে না বলে দাবী করেন তাদের দলীল
(২২৩) উম্মু সালামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসূল (ﷺ) আসরের নামায পড়লেন, তারপর আমার ঘরে এসে দু'রাকাত (নফল) পড়লেন। তখন আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনি এমন দু'রাকাত নামায পড়লেন যা আপনি কখনো পড়তেন না। তখন তিনি বললেন, আমার কাছে কিছু মাল এসেছিল, সে মালগুলো বণ্টনের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। (অপর বর্ণনায় আছে আমার কাছে বানু তামীম গোত্রের প্রতিনিধি দল এসেছিল। তারা আমাকে ব্যস্ত রেখেছিল।) তাই সুন্নাত দু'রাকাত পড়তে পারি নি যা আমি জোহরের পরে পড়তাম। তাই তা এখন পড়ে নিলাম। তখন আমি বললাম ইয়া রাসূলাল্লাহ তা যদি আমাদের ছুটে যায় তাহলে আমরা কি তা কাযা করবো? তিনি বললেন, না।
(বাইহাকী, তাহাবী, এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(বাইহাকী, তাহাবী, এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(5) باب حجة من قال بعدم قضاء السنن الراتبة اذا فاتت
(223) عن أمِّ سلمة رضى الله عنها قالت صلَّى رسول الله صلى الله عليه وسلم العصر ثمَّ دخل بيتى فصلَّى ركعتين، فقلت يا رسول الله صلَّيت صلاةً لم تكن تصلِّيها، فقال قدم علىَّ مالٌ فشغلني (وفى روايةٍ قدم علىَّ وفد بنى تميم فحبسوني) عن الرَّكعتين كنت أركعهما بعد الظُّهر فصلَّيتهما الآن، فقلت يا رسول الله أفنقضيهما إذا فاتتا؟ قال لا
তাহকীক:
হাদীস নং: ২২৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আযান ও ইকামত সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ
(১) পরিচ্ছেদঃ আযানের নির্দেশ ও আদায় করার গুরুত্ব প্রসঙ্গে
(১) পরিচ্ছেদঃ আযানের নির্দেশ ও আদায় করার গুরুত্ব প্রসঙ্গে
(২২৪) উবাদা ইবন্ নুসাই থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সিরিয়ায় মা'দান নামক এক ব্যক্তি ছিল। আবু দারদা (রা) তাঁকে কুরআন পড়াতেন। এক পর্যায়ে আবূ দারদা (রা) তাঁকে হারিয়ে ফেলেন। হঠাৎ একদিন (হালব শহরের) দাবিক নামক গ্রামে তাঁর সাথে দেখা হয়। তখন আবুদ দারদা (রা) তাঁকে বলেন, মা'দান, তোমার সাথে যে কুরআন রয়েছে তা কি করেছ? বর্তমানে কুরআনের সাথে তোমার কেমন সম্পর্ক? সে বলল, আল্লাহ তা সম্পর্কে আমাকে উত্তম জ্ঞান দান করেছেন। আবুদ্ দারদা (রা) বলল, হে মা'দান। তুমি কি আজকাল শহরে বসবাস করছ না গ্রামে? সে বলল, না বরং শহরের নিকটতম এক গ্রামে বসবাস করছি। (অন্য বর্ণনায় হিম্স-এর আগে একটি গ্রামে বসবাস করছি।) আবুদ্ দারদা (রা) তাঁর কথা শুনে বললেন, মা'দান, অপেক্ষা কর তোমার ধ্বংস হোক, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যে বাড়িতে পাঁচজন ব্যক্তি বসবাস করে, তাদের মধ্যে যদি নামাযের জন্য আযান দেয়া না হয় এবং জামা'আত কায়েম করা না হয় তাহলে শয়তান তাদের উপর বিজয় হয়। আর যে ছাগল ছানা (দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়) তাকে বাঘে খেয়ে ফেলে। কাজেই তোমাকে শহরে থাকতে হবে। মা'দান তোমার ধ্বংস হোক।
(আবুদ দারদা (রা)-এর দ্বিতীয় বর্ণনায়) বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যে গ্রামে বা প্রান্তরে তিনজন লোকও অবস্থান করে অথচ তারা জামা'আত কায়েম করে নামায আদায় করে না, তাদের উপর শয়তান সওয়ার হয়ে যায়। কাজেই জামা'আতের সাথে নামায পড়া তোমাদের জন্য অপরিহার্য। কারণ, দল ছুট একক বকরীকেই বাঘে খায়।
ইবন্ মাহদী বলেন, সায়েব বলেছেন, এ হাদীসে জামা'আত বলতে জামা'আতের সাথে নামায আদায় করা বুঝানো হয়েছে।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ সহীহ্ ইবন্ হিব্বান, মুসতাদরাকে হাকিম। তিনি বলেন, এ হাদীসটির সনদ সহীহ।)
(আবুদ দারদা (রা)-এর দ্বিতীয় বর্ণনায়) বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যে গ্রামে বা প্রান্তরে তিনজন লোকও অবস্থান করে অথচ তারা জামা'আত কায়েম করে নামায আদায় করে না, তাদের উপর শয়তান সওয়ার হয়ে যায়। কাজেই জামা'আতের সাথে নামায পড়া তোমাদের জন্য অপরিহার্য। কারণ, দল ছুট একক বকরীকেই বাঘে খায়।
ইবন্ মাহদী বলেন, সায়েব বলেছেন, এ হাদীসে জামা'আত বলতে জামা'আতের সাথে নামায আদায় করা বুঝানো হয়েছে।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ সহীহ্ ইবন্ হিব্বান, মুসতাদরাকে হাকিম। তিনি বলেন, এ হাদীসটির সনদ সহীহ।)
كتاب الصلاة
أبواب الأذان والإقامة
(1) باب الأمر بالأذان وتأكيد طلبه
(1) باب الأمر بالأذان وتأكيد طلبه
(224) عن عبادة بن نسي قال كان رجل بالشام يقال له معدان كان أبو الدرداء يقرئه القرآن ففقده أبو الدرداء فلقيه يوماً وهو بدابق فقال له
أبو الدرداء يا معدان ما فعل القرآن الذي كان معك؟ كيف أنت والقرآن اليوم؟ قال قد علم الله منه فأحسن، قال يا معدان أفي مدينة تسكن اليوم أو في قرية؟ قال لا بل في قرية قريبة من المدينة (وفي رواية في قرية قريبة دون حمص) قال مهلا ويحك (1) يا معدان فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ما من خمسة أهل أبيات (2) لا يؤذن فيهم بالصلاة وتقام فيهم الصلاة إلا استحوذ عليهم الشيطان، وإن الذئب يأخذ الشاذة فعليك بالمدائن ويحك يا معدان (وعنه (5) من طريق ثان) (6) قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ما من ثلاثة في قرية فلا يؤذن ولا تقام فيهم الصلاة إلا استحوذ عليهم الشيطان، عليك بالجماعة فإنما يأكل
الذئب القاصية قال ابن مهدي قال السائب يعني بالجماعة في الصلاة
أبو الدرداء يا معدان ما فعل القرآن الذي كان معك؟ كيف أنت والقرآن اليوم؟ قال قد علم الله منه فأحسن، قال يا معدان أفي مدينة تسكن اليوم أو في قرية؟ قال لا بل في قرية قريبة من المدينة (وفي رواية في قرية قريبة دون حمص) قال مهلا ويحك (1) يا معدان فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ما من خمسة أهل أبيات (2) لا يؤذن فيهم بالصلاة وتقام فيهم الصلاة إلا استحوذ عليهم الشيطان، وإن الذئب يأخذ الشاذة فعليك بالمدائن ويحك يا معدان (وعنه (5) من طريق ثان) (6) قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ما من ثلاثة في قرية فلا يؤذن ولا تقام فيهم الصلاة إلا استحوذ عليهم الشيطان، عليك بالجماعة فإنما يأكل
الذئب القاصية قال ابن مهدي قال السائب يعني بالجماعة في الصلاة
তাহকীক:
হাদীস নং: ২২৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ আযান ও ইকামত সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ
(১) পরিচ্ছেদঃ আযানের নির্দেশ ও আদায় করার গুরুত্ব প্রসঙ্গে
(১) পরিচ্ছেদঃ আযানের নির্দেশ ও আদায় করার গুরুত্ব প্রসঙ্গে
(২২৫) মালিক ইবন হুওয়াইরিছ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা (একদা) নবী (ﷺ)-এর খেদমতে উপস্থিত হলাম। আমরা সবাই সমবয়সী যুবক ছিলাম এবং রাসূল (ﷺ)-এর খেদমতে আমরা বিশ দিন অবস্থান করেছিলাম। রাসূল (ﷺ) ছিলেন দয়ালু ও কোমল হৃদয়ের মানুষ। তিনি যখন অনুভব করলেন যে, আমরা নিজেদের পরিবার-পরিজনের জন্য অত্যন্ত উৎসুক হয়ে পড়েছি, তখন তিনি আমাদের পেছনে রেখে আসা পরিবারের অবস্থা জিজ্ঞেস করলেন। আমরা তাঁকে সব কথা খুলে বললাম। তিনি বললেন, তোমরা তোমাদের পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরে যাও। তাদের সাথে অবস্থান কর। তাদেরকে দীনের তালীম দাও এবং তাদেরকে নির্দেশ দাও, যখন নামাযের সময় হবে, তখন যেন তোমাদের জন্য এক ব্যক্তি আযান দেয় এবং তোমাদের মধ্যে যে বয়সে বড় সে তোমাদের ইমামতি করে।
(বুখারী, মুসলিম।)
(বুখারী, মুসলিম।)
كتاب الصلاة
أبواب الأذان والإقامة
(1) باب الأمر بالأذان وتأكيد طلبه
(1) باب الأمر بالأذان وتأكيد طلبه
(225) عن مالك بن الحويرث قال أتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن شبيبة متقاربون فأقمنا معه عشرين ليلة، قال وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم رحيما رفيقا فظن أنا قد اشتقنا أهلنا فسألنا عمن تركنا في أهلنا فأخبرناه فقال ارجعوا إلى أهليكم فأقيموا فيهم وعلموهم ومروهم إذا حضرت الصلاة فليؤذن لكم أحدكم ثم ليؤمكم أكبركم.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২২৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়ঃ আযান মুয়াযযিন ও ইমামের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২২৬) আবূ হুরায়রা (রা) বর্ণনা করেন। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, মানুষ যদি জানত আযান ও নামাযের প্রথম কাতারে কি আছে (অর্থাৎ কি পরিমাণ সওয়াব ও মর্যাদা আছে) তাহলে লটারীর মাধ্যমে সেগুলো অর্জনের চেষ্টা করত। আর যদি তারা জানত নামাযে আগে আসার মধ্যে কি ফযীলত আছে তাহলে তারা সে জন্য প্রতিযোগিতা করত। আর যদি তারা জানত (العتمة) ইশা ও ফজরের নামাযের মধ্যে কি ফযীলত আছে তাহলে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এতদুভয়ের দিকে আসত।
আব্দুর রায্যাক বলেন, আমি মালিককে বললাম, العتمة শব্দটি প্রয়োগ করা কি নিষেধ নয়? তিনি বলেন, আমি যেভাবে শুনেছি সেভাবেই বর্ণনা করেছি।
(বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ।)
আব্দুর রায্যাক বলেন, আমি মালিককে বললাম, العتمة শব্দটি প্রয়োগ করা কি নিষেধ নয়? তিনি বলেন, আমি যেভাবে শুনেছি সেভাবেই বর্ণনা করেছি।
(বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ।)
كتاب الصلاة
(2) باب فضل الأذان والمؤذنين والأئمة
(226) حدثنا عبد الله حدثني أبي حدثنا عبد الرزاق أنا مالك عن سمي عن أبي صالح عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لو يعلم
الناس ما في النداء (1) والصف الأول لاستهموا (2) عليهما، ولو يعلمون ما في التهجير (3) لاستبقوا إليه، ولو يعلمون ما في العتمة (4) والصبح لأتوهما ولو حبواً، فقلت لمالك أما يكره أن يقول العتمة؟ قال هكذا قال الذي حدثني
الناس ما في النداء (1) والصف الأول لاستهموا (2) عليهما، ولو يعلمون ما في التهجير (3) لاستبقوا إليه، ولو يعلمون ما في العتمة (4) والصبح لأتوهما ولو حبواً، فقلت لمالك أما يكره أن يقول العتمة؟ قال هكذا قال الذي حدثني
তাহকীক:
হাদীস নং: ২২৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়ঃ আযান মুয়াযযিন ও ইমামের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২২৭) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, মানুষ যদি জানত আযানের মধ্যে কত সওয়াব, তাহলে তারা তার জন্য তলোয়ার নিয়ে মারামারি করত।
(এ হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হাদীসের সনদ দুর্বল।)
(এ হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হাদীসের সনদ দুর্বল।)
كتاب الصلاة
(2) باب فضل الأذان والمؤذنين والأئمة
(227) عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لو يعلم الناس ما في التأذين لتضاربوا عليه بالسيوف
তাহকীক:
হাদীস নং: ২২৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়ঃ আযান মুয়াযযিন ও ইমামের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২২৮) উকবা ইবন্ আমির (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন, তোমাদের রব পাহাড়ের চূড়ায় এক বকরী চালককে দেখে আশ্চর্যান্বিত, যে নামাযের জন্য আযান দিয়ে নামায পড়ে। তখন আল্লাহ (ফেরেশতাদের) বললেন, তোমরা আমার এ গোলামকে দেখ। সে আযান দিয়ে নামায পড়ে এবং (আমাকে) কিছু ভয় করে। আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি এবং জান্নাতে প্রবেশ করালাম।
(তাঁর দ্বিতীয় বর্ণনায়) সহীহ্ সনদে রয়েছে, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তোমাদের রব আশ্চর্যান্বিত। অতঃপর তিনি উপরোক্ত অর্থে হাদীসটি বর্ণনা করেন। তাতে আরও বলেন, তাকে ক্ষমা করে দিলাম। অতঃপর জান্নাতে প্রবেশ করালাম।
(আবু দাউদ, নাসাঈ, হাদীসের সনদ নির্ভরযোগ্য।)
(তাঁর দ্বিতীয় বর্ণনায়) সহীহ্ সনদে রয়েছে, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তোমাদের রব আশ্চর্যান্বিত। অতঃপর তিনি উপরোক্ত অর্থে হাদীসটি বর্ণনা করেন। তাতে আরও বলেন, তাকে ক্ষমা করে দিলাম। অতঃপর জান্নাতে প্রবেশ করালাম।
(আবু দাউদ, নাসাঈ, হাদীসের সনদ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(2) باب فضل الأذان والمؤذنين والأئمة
(228) عن عقبة بن عامر رضي الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم يقول يعجب (5) ربك عز وجل من راعي غنم في رأس
الشظية (1) للجبل يؤذن بالصلاة ويصلي فيقول الله عز وجل انظروا إلى عبدي هذا يؤذن ويقيم يخاف شيئا قد غفرت له وأدخلته الجنة (وعنه من طريق ثان) (2) بسند صحيح قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول يعجب ربك فذكر معناه إلا أنه قال قد غفرت له وأدخلته الجنة
الشظية (1) للجبل يؤذن بالصلاة ويصلي فيقول الله عز وجل انظروا إلى عبدي هذا يؤذن ويقيم يخاف شيئا قد غفرت له وأدخلته الجنة (وعنه من طريق ثان) (2) بسند صحيح قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول يعجب ربك فذكر معناه إلا أنه قال قد غفرت له وأدخلته الجنة
তাহকীক:
হাদীস নং: ২২৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়ঃ আযান মুয়াযযিন ও ইমামের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২২৯) ইবন মাসউদ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা কোন এক সফরে রাসূলের (ﷺ) সাথে ছিলাম। সে সময় এক ব্যক্তির "আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর" আযান ধ্বনি শুনলাম। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, স্বভাবগত ভাবেই সে তা স্বীকার করেছে। যখন সে আশহাদু আন লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু বলল, তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, সে জাহান্নাম থেকে বের হল। তখন আমরা তাকে দেখার জন্য দৌড়ে গেলাম। দেখলাম সে এক পশু পালক। তার নামাযের সময় হলো তখন সে নামাযের জন্য আযান দিল।
(হায়ছামী বলেন, হাদীসটি আহমদ, তবারানী, আবু ইয়ালা বর্ণনা করেছেন। আহমদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হায়ছামী বলেন, হাদীসটি আহমদ, তবারানী, আবু ইয়ালা বর্ণনা করেছেন। আহমদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(2) باب فضل الأذان والمؤذنين والأئمة
(229) عن ابن مسعود رضي الله عنه قال بينما نحن مع رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم في بعض أسفاره سمعنا مناديا ينادي الله أكبر، الله أكبر، فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم على الفطرة (3) فقال أشهد أن لا إله إلا الله، فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم خرج من النار فابتدرناه (4) فإذا هو صاحب ماشية أدركته الصلاة فنادى بها
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৩০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়ঃ আযান মুয়াযযিন ও ইমামের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২৩০) মু'আয ইবন্ জাবাল (রা) থেকেও অনুরূপ বর্ণিত আছে, তাতে আরও আছে, তিনি যখন 'আশহাদু আন্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ', বললেন, তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, সে সত্যের সাক্ষ্য দিয়েছে। আবার যখন সে বলল, 'আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ, তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, সে জাহান্নাম থেকে বের হল। তোমরা দেখো, হয়ত তাকে বিচ্ছিন্ন বসবাসকারী রাখাল অথবা কুকুর দ্বারা শিকারকারী হিসাবে পাবে। অন্য বর্ণনায় আছে, তাকে বকরীর রাখাল অথবা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন একাকী বসবাসকারী হিসেবে পাবে। তারা তাকে খুঁজে পেল যে, সে একজন রাখাল। তার নামাযের সময় হলে সে নামাযের জন্য আযান দিল।
(হায়ছামী বলেন, হাদীসটি আহমদ, তবারানী সগীর গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। হাদীসের দু'একজন বর্ণনাকারী দুর্বল, বাকীরা নির্ভরযোগ্য।)
(হায়ছামী বলেন, হাদীসটি আহমদ, তবারানী সগীর গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। হাদীসের দু'একজন বর্ণনাকারী দুর্বল, বাকীরা নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(2) باب فضل الأذان والمؤذنين والأئمة
(230) وعن معاذ بن جبل رضي الله تعالى عنه نحوه، وفيه فقال أشهد أن لا إله إلا الله فقال (يعني النبي صلى الله عليه وسلم شهد بشهادة الحق قال أشهد أن محمداً
رسول الله قال خرج من النار انظروا فستجدونه إما راعيا معزبا (1) وإما مكلبا (2) وفي رواية تجدونه راعي غنم أو عازبا عن أهله فنظروه فوجدوه راعيا حضرته الصلاة فنادى بها
رسول الله قال خرج من النار انظروا فستجدونه إما راعيا معزبا (1) وإما مكلبا (2) وفي رواية تجدونه راعي غنم أو عازبا عن أهله فنظروه فوجدوه راعيا حضرته الصلاة فنادى بها
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৩১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়ঃ আযান মুয়াযযিন ও ইমামের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২৩১) ইবন্ উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেন, মুয়ায্যিনের আযানের শব্দ যতটুকু দূরে পৌঁছে আল্লাহ তাকে সে পরিমাণ (গুনাহ) মাফ করবেন। যে সমস্ত উদ্ভিদ (গাছপালা) ও জড়বস্তু তার আযানের শব্দ শুনবে তারা তার জন্য সাক্ষ্য দিবে।
(অন্য বর্ণনায় আছে) মুয়াযযিনের আযানের শব্দ যে প্রান্তে গিয়ে পৌঁছবে সে পরিমাণ গুনাহ আল্লাহ মাফ করবেন এবং যে সমস্ত গাছপালা ও জড়বস্তু তার আযানের শব্দ শুনবে তারা তার জন্য মাগফিরাত কামনা করবে।
(অন্য বর্ণনায় আছে) মুয়াযযিনের আযানের শব্দ যে প্রান্তে গিয়ে পৌঁছবে সে পরিমাণ গুনাহ আল্লাহ মাফ করবেন এবং যে সমস্ত গাছপালা ও জড়বস্তু তার আযানের শব্দ শুনবে তারা তার জন্য মাগফিরাত কামনা করবে।
كتاب الصلاة
(2) باب فضل الأذان والمؤذنين والأئمة
(231) عن ابن عمر رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يغفر الله للمؤذن مد (3) صوته ويشهد له كل رطب ويابس سمع صوته (وفي لفظ) (4) يغفر الله للمؤذن منتهى أذانه ويستغفر له كل رطب ويابس (5) سمع صوته
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৩২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়ঃ আযান মুয়াযযিন ও ইমামের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২৩২) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, মুয়াযযিনের আওয়াজ যে পরিমাণ দূরে পৌঁছবে সে পরিমাণ গুনাহ তার মাফ করা হবে। সকল গাছপালা ও জড়বস্তু তার জন্য সাক্ষ্য দিবে। আর যে তার আযানের ডাকে নামাযের জামাতে অংশ গ্রহণ করে তার জন্য পঁচিশটি সওয়াব লেখা হবে। এবং দুই নামাযের মাঝখানে তার (সগীরা) গুনাহসমূহ মিটিয়ে দেয়া হবে।
(আবূ দাউদ, ইবন্ মাজাহ, ইবন্ হিব্বান, বায়হাকী, সহীহ ইবন্ খুযাইমা ও নাসাঈ ।)
(আবূ দাউদ, ইবন্ মাজাহ, ইবন্ হিব্বান, বায়হাকী, সহীহ ইবন্ খুযাইমা ও নাসাঈ ।)
كتاب الصلاة
(2) باب فضل الأذان والمؤذنين والأئمة
(232) عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم المؤذن يغفر له مد صوته ويشهد له كل رطب ويابس وشاهد الصلاة يكتب له خمس وعشرون حسنة ويكفر عنه ما بينهما
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৩৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়ঃ আযান মুয়াযযিন ও ইমামের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২৩৩) আবু হুরায়রা (রা) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। ইমাম হলো জামিনদার আর মুয়াযযিযন আমানতদার। হে আল্লাহ্, আপনি ইমামদেরকে পথ দেখান এবং মুয়াযযিনদেরকে ক্ষমা করুন।
(আবু দাউদ, সহীহ্-ইবন্ হিব্বান, সহীহ ইবন্ খুযাইমা, ইমাম শাফেয়ী। ইবন্ হিব্বান বলেন, হাদীসটি সহীহ্।)
(আবু দাউদ, সহীহ্-ইবন্ হিব্বান, সহীহ ইবন্ খুযাইমা, ইমাম শাফেয়ী। ইবন্ হিব্বান বলেন, হাদীসটি সহীহ্।)
كتاب الصلاة
(2) باب فضل الأذان والمؤذنين والأئمة
(233) وعنه أيضاً عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الإمام ضامن (2) والمؤذن مؤتمن (3) اللهم أرشد الأئمة واغفر للمؤذنين.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৩৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়ঃ আযান মুয়াযযিন ও ইমামের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২৩৪) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ইমাম জামিনদার, মুয়াযযিখন আমানতদার। আল্লাহ্ ইমামকে সঠিক পথ দেখান আর মুয়াযযিনকে ক্ষমা করেন।
(সুনানে বায়হাকী, সহীহ্ ইবন্ হিব্বান হাদীসটি সহীহ্।)
(সুনানে বায়হাকী, সহীহ্ ইবন্ হিব্বান হাদীসটি সহীহ্।)
كتاب الصلاة
(2) باب فضل الأذان والمؤذنين والأئمة
(234) عن عائشة رضي الله عنها قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الإمام ضامن والمؤذن مؤتمن فأرشد الله الإمام وعفا عن المؤذن
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৩৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়ঃ আযান মুয়াযযিন ও ইমামের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২৩৫) আনাস ইবন্ মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করে বলেন, কিয়ামত দিবসে লোকদের মাঝে মুয়াযযিনের ঘাড় সবচাইতে লম্বা হবে।
(এ হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হায়ছামী বলেন, হাদীসটি মুসনাদে আহমদ বর্ণিত এবং তার বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(এ হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হায়ছামী বলেন, হাদীসটি মুসনাদে আহমদ বর্ণিত এবং তার বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(2) باب فضل الأذان والمؤذنين والأئمة
(235) عن أنس بن مالك رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال، أطول الناس أعناقاً (1) يوم القيامة المؤذنون
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৩৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়ঃ আযান মুয়াযযিন ও ইমামের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২৩৬) মুয়াবিয়া ইবন্ আবু সুফিয়ান থেকে বর্ণিত, তিনিও নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, (তাতে আছে) কিয়ামত দিবসে মুয়াযযিনগণের ঘাড় লোকদের মাঝে সবচেয়ে লম্বা হবে।
(মুসলিম, সুনানে বায়হাকী।)
(মুসলিম, সুনানে বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(2) باب فضل الأذان والمؤذنين والأئمة
(236) وعن معاوية بن أبي سفيان رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৩৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) অধ্যায়ঃ আযান মুয়াযযিন ও ইমামের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২৩৭) বারা ইবন্ আযিব (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেন, অবশ্যই আল্লাহ ও ফেরেশতাগণ (নামাযের) প্রথম সারির উপর রহমত বর্ষণ করেন। মুয়াযযিনের আযানের আওয়াজ যতটুকু দূরে পৌঁছে তাকে ততটুকু ক্ষমা করা হয়। উদ্ভিদ (গাছপালা) ও জড়বস্তু যারা তার আওয়াজ শুনে, তাকে সত্য প্রতিপন্ন করবে, আর যারা (তার আওয়াজ শুনে) তার সাথে নামায পড়বে সে জন্য তাদের সমপরিমাণ পুরস্কার পাবে।
(মুনযিয়ী বলেন, হাদীসটি আহমদ ও নাসায়ী বর্ণনা করেছেন, হাদীসটির সনদ হাসান উত্তম, ইবনুস সাকান হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।)
(মুনযিয়ী বলেন, হাদীসটি আহমদ ও নাসায়ী বর্ণনা করেছেন, হাদীসটির সনদ হাসান উত্তম, ইবনুস সাকান হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب فضل الأذان والمؤذنين والأئمة
(237) عن البراء بن عازب رضي الله عنه أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال إن الله وملائكته يصلون (2) على الصف المقدم والمؤذن يغفر له مد صوته ويصدقه (3) من سمعه من رطب ويابس، وله مثل أجر من صلى معه (4)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৩৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) আযানের সময় উচ্চস্বরে আওয়াজ তোলার হুকুম এবং এর ফযীলত এবং আযান ও ইকামতের মাঝে দোয়া (এবং তা শুনে শয়তানের পলায়ন) প্রসঙ্গে
(২৩৮) আবু সা'সা'আ বলেন, আবু সাঈদ খুদরী (রা) আমাকে বলেছেন, -তিনি তাঁর ক্রোড়ে প্রতিপালিত হয়েছিলেন- হে বৎস, যখন আযান দিবে উচ্চস্বরে দিবে। কারণ আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, জ্বিন, মানুষ, পাথর অথবা অন্য যে কোন বস্তু আযানের শব্দ শুনবে (কিয়ামতের দিন) সে মুয়াযযিনের জন্য সাক্ষ্য দান করবে। আর একবার তিনি বলেন, হে বৎস। তুমি যদি মরুভূমিতে থাক তখনও উচ্চস্বরে আযান দিবে। আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, জ্বিন, মানুষ, পাথর অথবা অন্য যে কোন বস্তু আযানের শব্দ শুনবে (কিয়ামতের দিন) সে মুয়াযযিনের জন্য সাক্ষ্য দিবে।
(তাঁর থেকে দ্বিতীয় একটি বর্ণনায় আছে।) আবু সাঈদ খুদরী (রা) তাঁকে বললেন, তুমি দেখছি বকরি ও মরুভূমি ভালবাস। কাজেই তুমি যখন তোমার ছাগল নিয়ে থাকবে অথবা মরুভূমিতে থাকবে এবং নামাযের জন্য আযান দিবে, তখন উচ্চস্বরে আযান দিবে। কারণ জ্বিন, মানুষ, অথবা অন্য যে কোন বস্তুই আযানের শব্দ শুনবে কিয়ামতের দিন সে মুয়াযযিনের পক্ষে সাক্ষ্য দান করবে। আবু সাঈদ (রা) বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর কাছ থেকে এ কথা শুনেছি।
(বুখারী, নাসাঈ, ইবন মাজাহ্, ইমাম মালিক, ইমাম শাফেয়ী।)
(তাঁর থেকে দ্বিতীয় একটি বর্ণনায় আছে।) আবু সাঈদ খুদরী (রা) তাঁকে বললেন, তুমি দেখছি বকরি ও মরুভূমি ভালবাস। কাজেই তুমি যখন তোমার ছাগল নিয়ে থাকবে অথবা মরুভূমিতে থাকবে এবং নামাযের জন্য আযান দিবে, তখন উচ্চস্বরে আযান দিবে। কারণ জ্বিন, মানুষ, অথবা অন্য যে কোন বস্তুই আযানের শব্দ শুনবে কিয়ামতের দিন সে মুয়াযযিনের পক্ষে সাক্ষ্য দান করবে। আবু সাঈদ (রা) বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর কাছ থেকে এ কথা শুনেছি।
(বুখারী, নাসাঈ, ইবন মাজাহ্, ইমাম মালিক, ইমাম শাফেয়ী।)
كتاب الصلاة
(3) باب الأمر برفع الصوت بالأذان وفضله واستجابة الدعاء بين الأذان (والإقامة وهروب الشيطان عند سماعهما)
(238) عن ابن أبي صعصعة عن أبيه قال قال لي أبو سعيد الخدري وكان في حجره فقال لي يا بني إذا أذنت فارفع صوتك بالأذان فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ليس شيء يسمعه إلا شهد له، جن ولا إنس ولا حجر. وقال مرة يا بني إذا كنت في البراري فارفع صوتك بالأذان فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا يسمعه جن ولا إنس ولا حجر ولا شيء يسمعه إلا شهد له
(وعنه من طريق ثان) (1) ان أبا سعيدا قال له إني أراك تحب الغنم والبادية فإذا كنت في غنمك أو باديتك فأذنت بالصلاة فارفع صوتك بالنداء فإنه لا يسمع مدى صوت المؤذن جن ولا إنس ولا شيء إلا شهد له يوم القيامة سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم.
(وعنه من طريق ثان) (1) ان أبا سعيدا قال له إني أراك تحب الغنم والبادية فإذا كنت في غنمك أو باديتك فأذنت بالصلاة فارفع صوتك بالنداء فإنه لا يسمع مدى صوت المؤذن جن ولا إنس ولا شيء إلا شهد له يوم القيامة سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৩৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) আযানের সময় উচ্চস্বরে আওয়াজ তোলার হুকুম এবং এর ফযীলত এবং আযান ও ইকামতের মাঝে দোয়া (এবং তা শুনে শয়তানের পলায়ন) প্রসঙ্গে
(২৩৯) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যখন নামাযের আযান দেয়া হয়, তখন শয়তান হাওয়া ছাড়তে ছাড়তে দূরে চলে যায় যেখানে আযান শুনা যায় না। আযান শেষ হলে সে পুনরায় ফিরে আসে। যখন ইকামত দেয়া হয় তখন আবার দূরে চলে যায়। ইকামত যখন শেষ হয় তখন লোকদের মনে কুমন্ত্রণা দেয়ার জন্য আবার ফিরে আসে। যে সব কথা মনে নেই (শয়তান) এসে সে সব কথা স্মরণ করতে বলে। বলে ঐ কথাটি স্মরণ কর। ঐ কথাটি স্মরণ কর। ফলে মুসল্লী কয় রাক'আত নামায পড়েছে তা তার মনে থাকে না।
তাঁর (আবূ হুরায়রা (রা) থেকে অন্য একটি বর্ণনায় আছে, নবী (ﷺ) বলেছেন, শয়তান যখন নামাযের জন্য মুয়াযযিনের আযানের শব্দ শুনে তখন হাওয়া ছাড়তে ছাড়তে দূরে চলে যায়। যেখানে আযানের শব্দ শুনা যায় না। আযান শেষ হলে সে আবার ফিরে আসে এবং কুমন্ত্রণা দিতে থাকে। আবার যখন ইকামত দেয়া হয় তখনও পূর্বের মত দূরে চলে যায়।
(বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ, সুনানে বায়হাকী।)
তাঁর (আবূ হুরায়রা (রা) থেকে অন্য একটি বর্ণনায় আছে, নবী (ﷺ) বলেছেন, শয়তান যখন নামাযের জন্য মুয়াযযিনের আযানের শব্দ শুনে তখন হাওয়া ছাড়তে ছাড়তে দূরে চলে যায়। যেখানে আযানের শব্দ শুনা যায় না। আযান শেষ হলে সে আবার ফিরে আসে এবং কুমন্ত্রণা দিতে থাকে। আবার যখন ইকামত দেয়া হয় তখনও পূর্বের মত দূরে চলে যায়।
(বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ, সুনানে বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(3) باب الأمر برفع الصوت بالأذان وفضله واستجابة الدعاء بين الأذان (والإقامة وهروب الشيطان عند سماعهما)
(239) عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا نودي بالصلاة أدبر الشيطان (2) وله ضراط حتى لا يسمع التأذين فإذا قضي التأذين أقبل حتى إذا ثوب بها (3) أدبر حتى إذا قضي التثويب أقبل حتى يخطر (4)
بين المرء ونفسه فيقول له أذكر كذا اذكر كذا لما لم يكن يذكر من قبل حتى يظل الرجل إن (1) يدري كيف يصلي
(وعنه من طريق ثان) (2) عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا سمع الشيطان المنادي ينادي بالصلاة ولي وله ضراط حتى لا يسمع الصوت فإذا فرغ رجع فوسوس فإذا أخذ في الإقامة فعل مثل ذلك.
بين المرء ونفسه فيقول له أذكر كذا اذكر كذا لما لم يكن يذكر من قبل حتى يظل الرجل إن (1) يدري كيف يصلي
(وعنه من طريق ثان) (2) عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا سمع الشيطان المنادي ينادي بالصلاة ولي وله ضراط حتى لا يسمع الصوت فإذا فرغ رجع فوسوس فإذا أخذ في الإقامة فعل مثل ذلك.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) আযানের সময় উচ্চস্বরে আওয়াজ তোলার হুকুম এবং এর ফযীলত এবং আযান ও ইকামতের মাঝে দোয়া (এবং তা শুনে শয়তানের পলায়ন) প্রসঙ্গে
(২৪০) জাবির ইবন্ আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসূল (ﷺ) বলেছেন, মুয়াযযিখন যখন আযান দেয়, তখন শয়তান রাওহা নামক স্থান পর্যন্ত পালিয়ে যায়। রাওহা মদীনা থেকে ত্রিশ মাইল দূরে অবস্থিত।
(মুসলিম, সুনানে বায়হাকী।)
(মুসলিম, সুনানে বায়হাকী।)
كتاب الصلاة
(3) باب الأمر برفع الصوت بالأذان وفضله واستجابة الدعاء بين الأذان (والإقامة وهروب الشيطان عند سماعهما)
(240) عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أذن المؤذن هرب الشيطان حتى يكون بالروحاء وهي من المدينة ثلاثون ميلا
তাহকীক: