মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৭. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭২৪ টি
হাদীস নং: ২০১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ সূর্য উদয়, অস্ত ও মধ্য আকাশে থাকাবস্থায় নামায পড়া নিবিদ্ধ
(২০১) বিলাল ইবন্ রাবাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সূর্য উদয়ের সময় ছাড়া অন্য সময় নামায পড়তে নিষেধ করা হতো না। কারণ তা শয়তানের দু' শিং-এর মধ্যেই উদিত হয়।
(এ হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ উত্তম।)
(এ হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(3) باب في النهي عن الصلاة عند طلوع الشمس وعند غروبها وعند الاستواء
(201) عن بلال (بن رباح) رضي الله عنه قال لم يكن ينهى عن الصَّلاة إلاَّ عند طلوع الشَّمس فإنَّها تطلع بين قرني الشَّيطان.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ সূর্য উদয়, অস্ত ও মধ্য আকাশে থাকাবস্থায় নামায পড়া নিবিদ্ধ
(২০২) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) সূর্য উদিত হবার সময় উপরে না উঠা পর্যন্ত নামায পড়তে বারণ করেছেন, আর যখন অস্ত যাওয়ার উপক্রম হয় তখনও অস্ত না যাওয়া পর্যন্ত (নামায পড়তে) নিষেধ করেছেন।
(আবু ইয়ালা। এর সনদে ইবন্ লাহিয়া থাকলেও মুসলিমের একটি হাদীস এ বক্তব্যের সমর্থন করে।)
(আবু ইয়ালা। এর সনদে ইবন্ লাহিয়া থাকলেও মুসলিমের একটি হাদীস এ বক্তব্যের সমর্থন করে।)
كتاب الصلاة
(3) باب في النهي عن الصلاة عند طلوع الشمس وعند غروبها وعند الاستواء
(202) عن عائشة رضي الله عنها أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم نهى عن الصلاَّة من حين تطلع الشَّمس حتَّى ترتفع ومن حين تصوَّب حتَّى تغيب.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: তা মক্কায় বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(২০৩) আবু যর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি কা'বা গৃহের দরজার কড়া ধরে দাঁড়িয়ে বললেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি আসরের নামাযের পর সূর্য অস্ত না যাওয়া পর্যন্ত এবং ফজরের নামাযের পর সূর্য উদিত না হওয়া পর্যন্ত নামায পড়তে নেই। তবে মক্কা ব্যতীত, মক্কা ব্যতীত।
(দারাকুতনী, তবারানী, আবূ ইয়ালা, বাইহাকী। এ হাদীসের রাবী দুর্বল হলেও চার সুনান গ্রন্থে ও বাইহাকীতে এর সমর্থক হাদীস রয়েছে। তিরমিযী হাদীসটি হাসান সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।)
(দারাকুতনী, তবারানী, আবূ ইয়ালা, বাইহাকী। এ হাদীসের রাবী দুর্বল হলেও চার সুনান গ্রন্থে ও বাইহাকীতে এর সমর্থক হাদীস রয়েছে। তিরমিযী হাদীসটি হাসান সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الصلاة
فصل في الرخصة في ذلك بمكة
(203) عن أبى ذرّ رضي الله عنه أنَّه أخذ بحلقة باب الكعبة فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا صلاة بعد العصر حتَّى تغرب الشَّمس ولا بعد
الفجر حتَّى تطلع الشَّمس إلاَّ بمكَّة إلاَّ بمكَّة.
الفجر حتَّى تطلع الشَّمس إلاَّ بمكَّة إلاَّ بمكَّة.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ছুটে যাওয়া নামায কাযা করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ
(১) পরিচ্ছেদ: কেউ নামাযের কথা ভুলে গেলে, যখনই তা মনে পড়বে তখনই তার ওয়াক্ত
(১) পরিচ্ছেদ: কেউ নামাযের কথা ভুলে গেলে, যখনই তা মনে পড়বে তখনই তার ওয়াক্ত
(২০৪) আনাস ইবন্ মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলছেন, যে ব্যক্তি কোন নামায পড়তে ভুলে গেছে, অথবা ঘুমের কারণে নামায পড়তে পারে নি তার কাফ্ফারা হল, মনে পড়ার সাথে সাথে তা পড়ে নেয়া।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ ও তিরমিযী।)
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ ও তিরমিযী।)
كتاب الصلاة
أبواب قضاء الفوائت
(1) باب من نسى صلاة فوقتها عند ذكرها
(1) باب من نسى صلاة فوقتها عند ذكرها
(204) عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم
من نسي صلاة أو نام عنها فإنمَّا كفارتها (وفى رواية فكفَّارتها) أن يصلَّيها اذا ذكرها.
من نسي صلاة أو نام عنها فإنمَّا كفارتها (وفى رواية فكفَّارتها) أن يصلَّيها اذا ذكرها.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ছুটে যাওয়া নামায কাযা করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ
(১) পরিচ্ছেদ: কেউ নামাযের কথা ভুলে গেলে, যখনই তা মনে পড়বে তখনই তার ওয়াক্ত
(১) পরিচ্ছেদ: কেউ নামাযের কথা ভুলে গেলে, যখনই তা মনে পড়বে তখনই তার ওয়াক্ত
(২০৫) তাঁর (আনাস) থেকে অন্য সূত্রে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেন, যদি তোমাদের কেউ নামায না পড়ে ঘুমিয়ে পড়ে, অথবা নামায পড়ার কথা ভুলে যায় যখনই তার কথা মনে পড়বে সাথে সাথে সে তা পড়ে নিবে। কারণ আল্লাহ তা'আলা বলেন
أَقِمِ الصَّلاةَ لِذِكْرِى
(তোমরা আমার স্মরণে নামায কায়েম কর।)
(মুসলিম।)
أَقِمِ الصَّلاةَ لِذِكْرِى
(তোমরা আমার স্মরণে নামায কায়েম কর।)
(মুসলিম।)
كتاب الصلاة
أبواب قضاء الفوائت
(1) باب من نسى صلاة فوقتها عند ذكرها
(1) باب من نسى صلاة فوقتها عند ذكرها
(205) وعنه في أخرى عن النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم قال إذا رقد أحدكم عن الصلاة أو غفل عنها فليصلِّها إذا ذكرها، فإنَّ الله عزَّ وجل يقول (أقم الصَّلاة لذكرى).
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ছুটে যাওয়া নামায কাযা করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদসমূহ
(১) পরিচ্ছেদ: কেউ নামাযের কথা ভুলে গেলে, যখনই তা মনে পড়বে তখনই তার ওয়াক্ত
(১) পরিচ্ছেদ: কেউ নামাযের কথা ভুলে গেলে, যখনই তা মনে পড়বে তখনই তার ওয়াক্ত
(২০৬) আবদুল্লাহ বলেন, আমাকে আমার বাবা বলেছেন, তাদেরকে আফ্ফান আর তাদেরকে হাম্মাম আর তাদেরকে বিশির ইবন্ হারব সামুরা ইবন্ জুন্দুব থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন, আমার মনে হয় হাদীসটি মারফু' (সরাসরি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত।) যে ব্যক্তি কোন নামাযের কথা ভুলে গেছে সে যেন মনে পড়ার সাথে সাথে তা পড়ে নেয় এবং পরের দিনের নামায যথাসময়ে পড়ে।
(হায়ছামী বলেন, হাদীসটি আহমদ বর্ণনা করেছেন, তাতে একজন বিতর্কিত রাবী আছেন।)
(হায়ছামী বলেন, হাদীসটি আহমদ বর্ণনা করেছেন, তাতে একজন বিতর্কিত রাবী আছেন।)
كتاب الصلاة
أبواب قضاء الفوائت
(1) باب من نسى صلاة فوقتها عند ذكرها
(1) باب من نسى صلاة فوقتها عند ذكرها
(206) حدّثنا عبد الله حدَّثني أبى ثنا عفَّان ثنا همَّام أنا بشر بن حربٍ عن سمرة بن جندبٍ قال أحبسه مرفوعا من نسى صلاةً فليصلِّها حين يذكرها ومن الغد للوقت.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ ঘুমিয়ে থাকার কারণে যে ব্যক্তি ফজরের নামায পড়তে পারলো না অথচ বেলা উঠে গেল
(২০৭) ইমরান ইবন্ হুসাইন (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন আমরা রাত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে পথ চলছিলাম যখন রাত প্রায় শেষ হল তখন আমরা বিশ্রামের জন্য যাত্রা বিরতি দিলাম, অতঃপর আমরা কেউ জাগ্রত হলাম না যতক্ষণ না সূর্যের তাপ আমাদের জাগ্রত করল। তখন আমাদের কেউ কেউ তাড়াহুড়া করে পবিত্র (ওযু করতে) হতে গেলো। তিনি বলেন, তখন নবী (ﷺ) তাঁদের শান্ত হতে আদেশ করলেন, তারপর আমরা আবার যাত্রা আরম্ভ করলাম, যখন সূর্য উপরে উঠল তখন তিনি ওযু করলেন। তারপর বেলালকে আযান দিতে বললেন, তিনি আযান দিলেন। তারপর ফজরের পূর্বের (সুন্নাত) নামায দু'রাকা'আত পড়লেন তারপর নামাযের জন্য একামত দেয়া হল তখন আমরা সকলেই নামায পড়লাম। তারপর সাহাবী (রা) জিজ্ঞাসা করলেন, আমরা কি এ নামায আগামীকাল যথা সময়ে পুনরায় পড়বো না? তখন তিনি বললেন, আল্লাহ তা'আলা তোমাদেরকে সুদ খেতে নিষেধ করবেন, আবার তা তোমাদের থেকে কবুল করবেন তা কি হতে পারে?
(বুখারী, মুসলিম, বায়হাকী ইবন্ হিব্বান, শাফেয়ী, দারাকুতনী ও হাকিম। তিনি হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেন।)
(বুখারী, মুসলিম, বায়হাকী ইবন্ হিব্বান, শাফেয়ী, দারাকুতনী ও হাকিম। তিনি হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب من نام عن صلاة الصبح حتى طلعت الشمس
(207) عن عمران بن حصينٍ رضى الله عنه قال سرينا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمَّا كان من آخر اللَّيل عرَّسنا فلم نستيقظ حتَّى أيقظنا حرُّ الشَّمس
فجعل الرَّجل منَّا يقوم دهشاً إلى طهوره، قال فأمرهم النَّبي صلى الله عليه وسلم أن يسكنوا ثمَّ ارتحلنا فسرنا حتَّى إذا ارتفعت الشَّمس توضَّأ، ثم أمر بلالًا فأذَّن، ثم صلَّى الرَّكعتين قبل الفجر، ثمَّ أقام الصَّلاة فصلَّينا، فقالوا يا رسول الله ألا نعيدها في وقتها من الغد؟ فقال أينهاكم ربكم تبارك وتعالى عن الرِّبا ويقبله منكم؟
فجعل الرَّجل منَّا يقوم دهشاً إلى طهوره، قال فأمرهم النَّبي صلى الله عليه وسلم أن يسكنوا ثمَّ ارتحلنا فسرنا حتَّى إذا ارتفعت الشَّمس توضَّأ، ثم أمر بلالًا فأذَّن، ثم صلَّى الرَّكعتين قبل الفجر، ثمَّ أقام الصَّلاة فصلَّينا، فقالوا يا رسول الله ألا نعيدها في وقتها من الغد؟ فقال أينهاكم ربكم تبارك وتعالى عن الرِّبا ويقبله منكم؟
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ ঘুমিয়ে থাকার কারণে যে ব্যক্তি ফজরের নামায পড়তে পারলো না অথচ বেলা উঠে গেল
(২০৮) আবু কাতাদা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ)-এর সাথে এক সফরে ছিলেন। রাতের বেলা সফর করার কারণে তারা অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে পড়লেন। তিনি বলেন, তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, আমরা কোথাও যাত্রা বিরত দিলে (ভাল হত)। তখন একটা গাছের কাছে গিয়ে যাত্রা-বিরতি করলেন। তারপর বললেন, দেখ কাউকে দেখা যাচ্ছে কি? আমি বললাম, এইতো একজন আরোহী, ঐ যে দুইজন আরোহী এমনি করে সাতজন পর্যন্ত পৌঁছল, তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমরা আমাদের নামায যথাসময়ে পড়ার ব্যবস্থা করবে। অতপর আমরা ঘুমিয়ে পড়লাম। আমাদেরকে রোদ্র তাপই ঘুম থেকে জাগ্রত করল, আমরা সকলেই সজাগ হলাম, তখন রাসূল (ﷺ) আরোহণ করলেন এবং যাত্রা আরম্ভ করলেন তিনি ও আমরা চললাম অল্প কিছুক্ষণ, এরপর রাসূল (ﷺ) নামলেন। তারপর বললেন তোমাদের সাথে পানি আছে কি? আমি বললাম, হ্যাঁ। আমার সাথে একটা মশ্ক আছে, তাতে কিছু পানি আছে। তিনি বললেন, সেটা নিয়ে আস। তারপর বললেন, তা থেকে তোমরা পানি নাও পানি নাও, তখন সকলেই ওযু করলেন। আর এক পাত্রে পানি বাকি রইল। তারপর বললেন, হে আবু কাতাদা এটা সংরক্ষণ কর, অচিরেই এটার বড় প্রয়োজন হবে। তারপর বিলাল (রা) আযান দিলেন আর সকলেই ফজরের দু'রাক'আত সুন্নাত আদায় করলেন। তারপর ফজরের নামায পড়লেন। তারপর নবী (ﷺ) আরোহণ করলেন, আমরাও আরোহণ করলাম, তখন আমাদের একজন অপরজনকে বলতে আরম্ভ করলেন, আমরা আমাদের নামাযে অবহেলা করেছি। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমরা কি বলাবলি করছো? যদি ব্যাপারটি তোমাদের কোন দুনিয়াবী ব্যাপার হয় তাহলে তা তোমাদের বিষয়। আর যদি তোমাদের দীনি ব্যাপার হয় তাহলে আমাকে খুলে বল। তখন আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল। আমরা আমাদের নামাযে কসুর করে ফেলেছি। তখন তিনি বললেন, ঘুমে কোন অবহেলা বা কসুর নেই। কসুর হলো জাগ্রতাবস্থায়। যদি এরূপ হয় তাহলে (সাথে সাথে) নামায পড়ে নিবে, আর পরের দিন যথাসময়ে নামায পড়বে।
(মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, ও নাসাঈ এবং ইবন মাজাহ।)
(মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, ও নাসাঈ এবং ইবন মাজাহ।)
كتاب الصلاة
(2) باب من نام عن صلاة الصبح حتى طلعت الشمس
(208) عن أبى قتادة رضى الله عنه أنَّه كان مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفرٍ وقد أدركهم من التَّعب ما أدركهم من السَّير في اللَّيل: قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أو عرَّسنا، فمال إلى شجرةٍ فنزل، فقال أنظر هل ترى أحدًا؟ قلت هذا راكب هذان راكبان حتَّى بلغ سبعةً، فقال احفظوا علينا صلاتنا (4) فنمنا فما أيقظنا إلا حر الشَّمس فانتبهنا فركب رسول الله صلى الله عليه وسلم فسار وسرنا هنيئةً ثمَّ نزل فقال أمعكم ماءٌ؟ قال قلت نعم، معى ميضأةٌ فيها شيءٌ من ماءٍ، قال أئت بها فقال مسُّوا منها مسُّوا منها، فتوضَّأ القوم وبقيت جرعةٌ فقال ازدهر بها يا أبا قتادة فإنَّه سيكون لها نبأ، ثمَّ أذَّن بلالٌ وصلَّوا الركعتين قبل الفجر، ثمَّ صلَّوا الفجر، ثمَّ ركب وركبنا، فقال بعضهم لبعضٍ
فرَّطنا في صلاتنا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما تقولون؟ إن كان أمر دنياكم فشأنكم، وإن كان أمر دينكم فإلىَّ، قلنا يا رسول الله فرَّطنا في صلاتنا، فقال لا تفريط في النَّوم. إنَّما التَّفريط في اليقظة، فإذا كان ذلك فصلُّوها ومن الغد وقتها
فرَّطنا في صلاتنا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما تقولون؟ إن كان أمر دنياكم فشأنكم، وإن كان أمر دينكم فإلىَّ، قلنا يا رسول الله فرَّطنا في صلاتنا، فقال لا تفريط في النَّوم. إنَّما التَّفريط في اليقظة، فإذا كان ذلك فصلُّوها ومن الغد وقتها
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ ঘুমিয়ে থাকার কারণে যে ব্যক্তি ফজরের নামায পড়তে পারলো না অথচ বেলা উঠে গেল
(২০৯) ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) হুদায়বিয়া থেকে এক রাতে ফিরছিলেন। তখন আমরা এক সমতল নরম ভূমিতে অবতীর্ণ হলাম। তখন নবী (ﷺ) বললেন, কে আমাদের পাহারা দেয়ার কাজ করবে? তখন বিলাল বললেন, আমি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি তো ঘুমিয়ে পড়বে। তিনি বললেন, না। তিনি (ইবন্ মাসউদ (রা)) বলেন, তিনি (বিলাল (রা)) ঘুমিয়ে পড়লেন, পরিশেষে সূর্য উদয় হল তখন অমুক অমুক ঘুম থেকে উঠলেন, তাঁদের মধ্যে উমর (রা)-ও ছিলেন। তখন তিনি বললেন, তোমরা কথা বল। তখন নবী (ﷺ) জাগ্রত হলেন এবং বললেন, তোমরা যা অন্য সময় করতে এখনও তা-ই করো। যখন তারা তা-ই করলেন তিনি বললেন, এভাবে করো। তোমাদের মধ্যে যারা ঘুমিয়ে পড়ে অথবা ভুলে যায় তারা যেন এরূপ করে।
(বাইহাকী ও বাযযার। হায়ছামী বলেন, এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(বাইহাকী ও বাযযার। হায়ছামী বলেন, এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(2) باب من نام عن صلاة الصبح حتى طلعت الشمس
(209) عن ابن مسعودٍ رضى الله عنه قال أقبل النَّبي صلى الله عليه وسلم من الحديثية ليلًا فنزلنا دهاسًا من الأرض فقال من يطرنا فقال بلالٌ أنا قال
إذًا تنام قال لا، فنام حتى طلعت الشمس فاستيقظ فلان وفلان وفيهم عمر، فقال اهضبوا فاستيقظ النبى صلى الله عليه وسلم فقل افعلوا ما كنتم تفعلون فلما فعلوا قال هكذا فافعلوا لمن نام منكم أو نسى.
إذًا تنام قال لا، فنام حتى طلعت الشمس فاستيقظ فلان وفلان وفيهم عمر، فقال اهضبوا فاستيقظ النبى صلى الله عليه وسلم فقل افعلوا ما كنتم تفعلون فلما فعلوا قال هكذا فافعلوا لمن نام منكم أو نسى.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ ঘুমিয়ে থাকার কারণে যে ব্যক্তি ফজরের নামায পড়তে পারলো না অথচ বেলা উঠে গেল
(২১০) আবদুর রহমান ইবন্ আবু আলকামা আস্সাকাফী থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন্ মাসউদ (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, যখন আমরা হুদায়বিয়ার (যুদ্ধ) হতে ফিরছিলাম, তখন (এক রাতে) রাসূল (ﷺ) বললেন, আজকের রাতে কে আমাদের পাহারা দিবে? আব্দুল্লাহ বলেন, আমি বললাম, আমিই দিব, একথাটি কয়েক বার বললেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমিই দিব তিনি বলেন, তাহলে ঠিক আছে তুমি দিও। তখন আমি তাদের পাহারা দিতে থাকলাম। যখন প্রায় সকাল হচ্ছিল তখন রাসূল (ﷺ) যে বলেছিলেন তুমি ঘুমিয়ে যাবে তা-ই হল, আমি ঘুমিয়ে পড়লাম। আমাদের পিঠে সূর্যের তাপ পড়াতে অবশেষে ঘুম ভাঙল, তখন রাসূল (ﷺ) উঠলেন এবং অন্য সময় যা করেন যেমন ওযু ও দু'রাক'আত সুন্নাত পড়া তাই করলেন, তারপর আমাদের নিয়ে সকালের (ফজরের) নামায পড়লেন, নামায শেষে বললেন, আল্লাহ তা'আলা যদি চাইতেন তোমরা না ঘুমাও (তাহলে তিনি তাই করতেন।) তবে তিনি চেয়েছেন তোমরা যেন পরবর্তীতে লোকদের জন্য আদর্শ হয়ে থাক। কাজেই যারা ঘুমিয়ে পড়বে অথবা (নামাযের কথা) ভুলে যাবে তাদেরকে এরূপ করতে হবে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে রাসুল (ﷺ)-এর এবং লোকদের উটগুলো এদিকে সেদিকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ল। তখন লোকেরা সেগুলোর খোঁজে বের হল। তাঁরা তাদের উটগুলো খুঁজে নিয়ে আসল কিন্তু রাসূলুল্লাহর উস্ট্রীটা খুজে পেল না। আবদুল্লাহ বলেন, তখন আমাকে রাসূল (ﷺ) বললেন, তুমি এদিকে যাও। আমাকে যেখানে যেতে বললেন, সেখানে গেলাম। সেখানে তাঁর (উস্ত্রীর) লাগামটি একটি গাছে আটকানো পেলাম। যা হাত দিয়ে-ছাড়া খোলা সম্ভব ছিল না। তিনি বলেন, আমি সেটা নবী (ﷺ)-এর কাছে নিয়ে আসলাম। তারপর বললাম, যে আল্লাহর রাসূল। আপনাকে যে সত্তা সত্য দীন দিয়ে নবী হিসেবে প্রেরণ করেছেন তাঁর নামে শপথ করে বলছি। আমি তার লাগামটি একটা গাছে আটকানো অবস্থায় পেয়েছি যা হাত দিয়ে-ছাড়া খোলা সম্ভব ছিল না। তিনি বলেন, তখন নবী (ﷺ)-এর ওপর সূরা ফাতাহ অবতীর্ণ হয়। যাতে আছে
{إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ فَتْحًا مُبِينًا} [الفتح: 1]
(আমরা আপনার জন্য সুস্পষ্ট বিজয় এনে দিয়েছি।)
(তবারানী ও আবু ইয়ালা সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন। হাইসামী বলেন, এখানে শেষ বয়সে স্মৃতি বিভ্রাট ঘটা একজন রাবী আছেন।)
{إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ فَتْحًا مُبِينًا} [الفتح: 1]
(আমরা আপনার জন্য সুস্পষ্ট বিজয় এনে দিয়েছি।)
(তবারানী ও আবু ইয়ালা সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন। হাইসামী বলেন, এখানে শেষ বয়সে স্মৃতি বিভ্রাট ঘটা একজন রাবী আছেন।)
كتاب الصلاة
(2) باب من نام عن صلاة الصبح حتى طلعت الشمس
(210) عن عبد الرحمن بن أبى علقة الثَّقفى عن عبد الله بن مسعود رضى الله عنه قال لما انصرفنا من غزوة الحديبية قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من يحرسنا الليلة؟ قال عبد الله فقلت أنا حتى عاد مرارًا، قلت أنا يا رسول الله، قال فأنت إذًا، قال فحرستم حتى إذا كان وجه الصبح أدركنى قول رسول الله صلى الله عليه وسلم إنك تنام فنمت فما أيقظنا إلا حرُّ الشمس في ظهورنا، فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم وصنع كما كان يصنع من الوضوء وركعتى الفجر، ثم صلى بنا الصبح فلما انصرف قال إن الله عز وجل لو أراد أن لا تناموا ولكن أراد أن تكونوا لمن بعدكم فهكذا لمن نام أو نسى، قال ثم إن ناقة رسول الله صلى الله عليه وسلم وإبل القوم تفرَّقت فخرج الناس في طلبها فجاؤا بإبلهم إلا ناقة رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال عبد الله قال لى رسول الله صلى الله عليه وسلم خذ ههنا، فأخذت حيث قال لى فوجدت زمامها قد التوى على شجرة ما كانت لتحلَّها إلا يدٌ،
قال فجئت بها النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله والذى بعثك بالحقِّ نبيًّا لقد وجدت زمامها ملتويًا على شجرة ما كانت لتحلَّها إلا يدٌ، قال ونزلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم سورة الفتح (إنَّا فتحنا لك فتحًا مبينًا).
قال فجئت بها النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله والذى بعثك بالحقِّ نبيًّا لقد وجدت زمامها ملتويًا على شجرة ما كانت لتحلَّها إلا يدٌ، قال ونزلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم سورة الفتح (إنَّا فتحنا لك فتحًا مبينًا).
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ ঘুমিয়ে থাকার কারণে যে ব্যক্তি ফজরের নামায পড়তে পারলো না অথচ বেলা উঠে গেল
(২১১) আমর ইবন্ উমাইয়্যা আদ্দমরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহর এক সফরে তাঁর সাথে ছিলাম। তখন সকালের নামাযের সময় সবাই ঘুমিয়ে পড়লেন। ফলে সূর্য উদয় হয়ে গেল। কারো ঘুম ভাঙলো না। (অতঃপর ঘুম ভাঙলে) রাসূল (ﷺ) প্রথমে সুন্নাত দু'রাক'আত পড়লেন। অতঃপর একামত দেয়া হল তখন (ফরয) পড়লেন।
(আবু দাউদ, বাইহাকী। এর সনদ উত্তম।)
(আবু দাউদ, বাইহাকী। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(2) باب من نام عن صلاة الصبح حتى طلعت الشمس
(211) عن عمرو بن أميَّة الضمرىِّ رضى الله عنه قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعض أسفاره فنام عن صلاة الصبح حتى طلعت الشمس لم يستيقظوا وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم بدأ بالركعتين فركعهما، ثم أقام الصلاة فصلى.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ ঘুমিয়ে থাকার কারণে যে ব্যক্তি ফজরের নামায পড়তে পারলো না অথচ বেলা উঠে গেল
(২১২) ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূল (ﷺ) এক সফরে ছিলেন, তখন রাতে একস্থানে অবস্থান নিয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন সকালের সূর্যের তাপেই কেবল ঘুম থেকে জাগ্রত হলেন। তিনি বলেন, তখন রাসূল (ﷺ) বেলালকে আদেশ করলেন ফলে তিনি আযান দিলেন, তারপর দু'রাক'আত পড়লেন। রাবী বলেন, তখন ইবন্ আব্বাস (রা) বলেন, আমার কাছে দুনিয়া এবং তার মধ্যে সব কিছুর চেয়ে এই অনুমতি অধিক ভাল লাগে।
(হায়ছামী বলেন, এটা আহমদ ও আবু ইয়ালা বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া বাযযার ও তবারানী আউসাত গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। আবু ইয়ালার সনদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হায়ছামী বলেন, এটা আহমদ ও আবু ইয়ালা বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া বাযযার ও তবারানী আউসাত গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। আবু ইয়ালার সনদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(2) باب من نام عن صلاة الصبح حتى طلعت الشمس
(212) عن ابن عباس رضى الله عنهما قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم فى سفر فعرَّس من الليل فرقد ولم يستيقظ إلا بالشمس، قال فأمر رسول الله صلى الله عليه وآله وسلَّم بلالا فأذَّن فصلى ركعتين قال (الرَّواى) فقال ابن عباس ما تسرُّنى وما فيها يعنى الرُّخصة.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ ঘুমিয়ে থাকার কারণে যে ব্যক্তি ফজরের নামায পড়তে পারলো না অথচ বেলা উঠে গেল
(২১৩) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহর সাথে রাতে (যাত্রা বিরতি দিয়ে) অবস্থান করলাম, আমরা ঘুম থেকে উঠতে পারলাম না শেষ অবধি সূর্য উদয় হল। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, প্রত্যেকে যেন তার বাহনের মাথা ধরে চলতে আরম্ভ করে। কারণ এখানে আমাদের শয়তান পেয়েছে। তিনি বলেন, তখন আমরা তা-ই করলাম। তিনি বলেন, তারপর তিনি পানি চেয়ে ওযু করলেন। তারপর ফজরের নামাযের পূর্বের দু'রাক'আত সুন্নাত পড়লেন। তারপর একামত বলা হল, তখন ফজরের নামায পড়লেন।
(মুসলিম, ইবন মাজাহ, বাইহাকী।)
(মুসলিম, ইবন মাজাহ, বাইহাকী।)
كتاب الصلاة
(2) باب من نام عن صلاة الصبح حتى طلعت الشمس
(213) عن أبى هريرة رضى الله عنه قال عرَّسنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم
فلم نستيقظ حتى طلعت الشمس، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ليأخذ كل رجل برأس راحلته فإن هذا منزل حضرنا فيه الشيطان قال ففعلنا، قال فدعا بالماء فتوضأ، ثم صلى ركعتين قبل صلاة الغداة، ثم أقيمت الصلاة فصلى الغداة.
فلم نستيقظ حتى طلعت الشمس، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ليأخذ كل رجل برأس راحلته فإن هذا منزل حضرنا فيه الشيطان قال ففعلنا، قال فدعا بالماء فتوضأ، ثم صلى ركعتين قبل صلاة الغداة، ثم أقيمت الصلاة فصلى الغداة.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ ঘুমিয়ে থাকার কারণে যে ব্যক্তি ফজরের নামায পড়তে পারলো না অথচ বেলা উঠে গেল
(২১৪) জুবায়ের ইবন্ মুত'ইম (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) এক সফরে ছিলেন। তখন তিনি বললেন, আজকের রাত্রে আমাদের কে পাহারা দিবে, যেন আমরা ঘুমিয়ে ফজরের নামায নষ্ট করে না ফেলি। তখন বেলাল (রা) বললেন, আমিই পাহারা দিব। তখন তিনি (বেলাল) পূর্ব দিগন্তের দিকে মুখ করে অপেক্ষা করতে লাগলেন। এমতাবস্থায় তারা সকলেই এমনভাবে ঘুমিয়ে পড়লেন যেন তাঁদের কানে তালা লাগিয়ে দেয়া হল। অতঃপর কেবল সূর্যের তাপেই তারা জাগ্রত হন। অতঃপর তাঁরা উঠলেন তারপর তা আদায় করলেন, তারপর ওযু করলেন, বেলাল আযান দিলেন, তারপর তারা সুন্নাত দু'রাক'আত পড়লেন। তারপর ফজরের ফরয পড়লেন।
(নাসাঈ। এর সনদ উত্তম।)
(নাসাঈ। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(2) باب من نام عن صلاة الصبح حتى طلعت الشمس
(214) عن جبير بن مطعمٍ رضى الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر له قال من يكلؤنا الليلة لا نرقد عن صلاة الفجر؟ قال بلال أنا، فاستقبل مطلع الشمس فضرب على آذانهم فما أيقظهم إلا حرُّ الشمس فقاموا فأدوها ثم توضئوا فأذن بلال فصلوا الركعتين، ثم صلوا الفجر.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ ঘুমিয়ে থাকার কারণে যে ব্যক্তি ফজরের নামায পড়তে পারলো না অথচ বেলা উঠে গেল
(২১৫) ইয়াযিদ ইবন্ সুলাইহ, যি-মিখমার থেকে বর্ণনা করেন। তিনি ছিলেন, হাবশার অধিবাসী এক লোক, তিনি মহানবীর (ﷺ)-এর খেদমত করতেন, তিনি বলেন, আমরা তাঁর (নবীর) সাথে এক সফরে ছিলাম, তখন ফিরতি পথে তিনি দ্রুত চলেন। এরূপ করা হয়েছিল রসদ-এর স্বল্পতার দরুন, তখন তাঁকে এক লোক বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনার পেছনের লোকেরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন, তখন তিনি থেমে গেলেন বাকি অন্যরাও তাঁর সাথে থেমে গেলেন। অবশেষে সকলেই তাঁর কাছে একত্রিত হলেন। তখন তিনি বললেন, তোমরা কি কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে নিতে চাও? অথবা কেউ একজন তাঁকে এ কথা বললেন, তখন তিনি নেমে পড়লেন লোকেরাও নেমে পড়ল। তারপর তিনি বললেন। আজকের রাত্রে কে আমাদের পাহারা দিবে? তখন আমি বললাম, আমিই পাহারা দিব। আল্লাহ আমাকে আপনার জন্য কুরবানী হিসেবে কবুল করুন। অতঃপর আমার হাতে তাঁর উষ্ট্রীর লাগাম তুলে দিলেন। তারপর বললেন এখানে অবস্থান কর। আহমকের মত (নামাযের সময়ের কথা) ভুলে যেও না। তিনি বলেন, তখন আমি রাসূল (ﷺ) ও আমার উস্ত্রীর লাগাম হাতে নিলাম, অতঃপর স্বল্প দূরে গেলাম, তারপর উস্ত্রী দুটির লাগাম ছেড়ে দিলাম চরার জন্য। আমি এতদুভয়কে দেখতে ছিলাম এমন সময় আমার ঘুম এসে গেল। আর আমি কিছু অনুভব করতে পারলাম না। অবশেষে আমার মুখমণ্ডলে সূর্যের আলোর তাপ অনুভব করলাম। তারপর জাগ্রত হয়ে ডানে বাঁয়ে দেখলাম, দেখতে পেলাম আমার বাহন দু'টি অদূরেই, তারপর আমি নবী (ﷺ) ও আমার উস্ত্রীর লাগাম ধরলাম, তারপর আমার নিকটতম লোকটির কাছে গেলাম এবং তাঁকে জাগালাম। তাঁকে বললাম, তোমরা কি নামায পড়েছ? তিনি বললেন, না। অতঃপর একজন আর একজনকে জাগালেন। এমনকি নবী (ﷺ)-ও জাগলেন, তখন তিনি বললেন, হে বিলাল, আমাকে মশক থেকে কিছু পানি দিতে পার? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহ আপনার জন্য আমাকে কুরবানী হিসেবে কবুল করুন, তারপর তাঁকে ওযুর পানি দিলেন, তারপর এমনভাবে ওযু করলেন যে ওযুর পানিতে মাটি প্রায় ভিজল না। তারপর বেলালকে আযান দিতে বললেন, তিনি আযান দিলেন, অতঃপর নবী (ﷺ) উঠে ফজরের পূর্বের দু'রাক'আত সুন্নাত আদায় করলেন, তাতে তাড়াহুড়া করলেন না। অতঃপর তাঁকে নির্দেশ দিলে তিনি নামাযের জন্য একামত দিলেন। তখন তিনি ফজরের ফরয পড়লেন ধীরে সুস্থে। তখন তাঁকে একজন বললেন, হে আল্লাহর নবী আমরা কসুর করেছি। নবী (ﷺ) বললেন, না। আল্লাহ পাক আমাদের রূহসমূহ কবয করে নিয়ে গেলেন, অতঃপর সেগুলো আমাদের কাছে ফিরিয়ে দিলেন। তখন আমরা নামায আদায় করলাম।
(হায়ছামী হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এটা আবু দাউদ, আহমদ ও তবারানী আউসাত গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। আহমদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হায়ছামী হাদীসটি বর্ণনা করে বলেন, এটা আবু দাউদ, আহমদ ও তবারানী আউসাত গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। আহমদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
(2) باب من نام عن صلاة الصبح حتى طلعت الشمس
(215) عن يزيد بن صليحٍ عن ذى مخمرٍ وكان رجلا من الحبشة بخدم النبى صلى الله عليه وسلم قال كنا معه في سفر فأسرع السير حين انصرف، وكان يفعل ذلك لقلَّة الزَّاد، فقال له قائل يا رسول الله قد انقطع الناس وراءك، فحبس
وحبس الناس معه حتى تكافلوا إليه، فقال لهم هل لكم أن نهج هجعةً أو قال له قائل فنزل ونزلوا، فقال من يكلؤنا الليلة؟ فقلت أنا جعلنى الله فداك، فأعطانى خطام ناقته، فقال هاك لا تكونن لكع قال فأخذت بخطام ناقة رسول الله صلى الله عليه وسلم وبخطام ناقتى فتنحَّيت غير بعيد فخليت سبيلهما برعيان، فإنى كذلك أنظر إليهما حتى أخذنى النوم فلم أشعر بشئ حتى وجدت حرَّ الشمس على وجهى، فاستيقظت فنظرت يمينًا وشمالًا فإذا أنا بالرَّاحلتين منى غير بعيد، فأخذت بخطام ناقة النبى صلى الله عليه وسلم وبخطام ناقتى، فأتيت أدنى القوم فأيقظته، فقلت له أصليتم؟ قال لا، فأيقظ الناس بعضهم بعضًا حتى أستيقظ النبى صلى الله عليه وسلم فقال يا بلال هل لى في الميضأة يعنى الإداوة، قال نعم جعلنى الله فداءك، فأتاه بوضوء فتوضأ وضوءً لم يلتَّ منه التراب فأمر بلالًا فأذن، ثم قام النبى صلى الله عليه وسلم فصلى الركعتين قبل الصبح وهو غير عجلٍ، ثم أمره فأقام الصلاة فصلى وهو غير عجل، فقال له قائل يا نبى الله أفرطنا
قال لا، قبض الله أرواحنا وقد ردها إلينا وقد صلينا.
وحبس الناس معه حتى تكافلوا إليه، فقال لهم هل لكم أن نهج هجعةً أو قال له قائل فنزل ونزلوا، فقال من يكلؤنا الليلة؟ فقلت أنا جعلنى الله فداك، فأعطانى خطام ناقته، فقال هاك لا تكونن لكع قال فأخذت بخطام ناقة رسول الله صلى الله عليه وسلم وبخطام ناقتى فتنحَّيت غير بعيد فخليت سبيلهما برعيان، فإنى كذلك أنظر إليهما حتى أخذنى النوم فلم أشعر بشئ حتى وجدت حرَّ الشمس على وجهى، فاستيقظت فنظرت يمينًا وشمالًا فإذا أنا بالرَّاحلتين منى غير بعيد، فأخذت بخطام ناقة النبى صلى الله عليه وسلم وبخطام ناقتى، فأتيت أدنى القوم فأيقظته، فقلت له أصليتم؟ قال لا، فأيقظ الناس بعضهم بعضًا حتى أستيقظ النبى صلى الله عليه وسلم فقال يا بلال هل لى في الميضأة يعنى الإداوة، قال نعم جعلنى الله فداءك، فأتاه بوضوء فتوضأ وضوءً لم يلتَّ منه التراب فأمر بلالًا فأذن، ثم قام النبى صلى الله عليه وسلم فصلى الركعتين قبل الصبح وهو غير عجلٍ، ثم أمره فأقام الصلاة فصلى وهو غير عجل، فقال له قائل يا نبى الله أفرطنا
قال لا، قبض الله أرواحنا وقد ردها إلينا وقد صلينا.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে নামায পড়তে দেরী করা এবং সালাতুল খাওফ বা ভয়কালীন নামাযের বিধান অবতীর্ণ করণের মাধ্যমে তা রহিতকরণ। কাযা নামায আদায়ের ক্ষেত্রে তারতীব বা ক্রমভাবে আদায়করণ, প্রথম নামাযের জন্য আযান ও একামত দান, আর তার পরবর্তী নামাযগুলোর জন্য কেবল একামত দান প্রসঙ্গে
(২১৬) আব্দুর রহমান ইবন্ আবু সাঈদ তাঁর বাবা আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমরা খন্দক যুদ্ধের সময় কাজে এমন ব্যস্ত হয়ে পড়ি যে, মাগরিবের পরেও কিছু সময় চলে গেল কিন্তু আমরা নামায পড়তে পারি নি। এ ঘটনা যুদ্ধের ব্যাপারে যা পরে অবতীর্ণ হয়েছে তা অবর্তীর্ণ হবার পূর্বে। (অপর এক বর্ণনায় আছে) আর তা সালাতুল খাওফ বা ভয়ের নামাযের বিধান অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বে, যাতে আল্লাহ বলেছেন,
(فرجَالاً أَوْ ركْبَانًا)
যদি তোমরা ভয় পাও তাহলে হাঁটতে হাঁটতে বা আরোহিত অবস্থায় সালাত আদায় করবে। (সূরা বাকারা ২৩৯)
এরপর যুদ্ধ শেষ হলে, যে বিষয়ে আল্লাহ বলেছেন, (যুদ্ধে মু'মিনদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট; আল্লাহ সর্বশক্তিমান, পরাক্রমশালীঃ সূরা আহযাব ২৫) যখন যুদ্ধ এভাবে শেষ হলো তখন নবী (ﷺ) বেলালকে নির্দেশ দিলেন, তখন তিনি আযান দিলেন। অতঃপর তিনি জোহরের একামত দিলেন। তখন তিনি জোহরের নামায আদায় করলেন, যেরূপভাবে তিনি ওয়াক্তমত আদায় করতেন। অতঃপর তিনি (বিলাল) আসরের একামত দেন এবং তিনি আসর আদায় করেন, যেরূপ তিনি ওয়াক্তমত আদায় করতেন, এরপর তিনি (বিলাল) মাগরিবের একামত দেন। তখন তিনি (রাসূল সা) মাগরিবের নামায আদায় করেন, যেরূপ তিনি ওয়াক্তমত আদায় করতেন।
(فرجَالاً أَوْ ركْبَانًا)
যদি তোমরা ভয় পাও তাহলে হাঁটতে হাঁটতে বা আরোহিত অবস্থায় সালাত আদায় করবে। (সূরা বাকারা ২৩৯)
এরপর যুদ্ধ শেষ হলে, যে বিষয়ে আল্লাহ বলেছেন, (যুদ্ধে মু'মিনদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট; আল্লাহ সর্বশক্তিমান, পরাক্রমশালীঃ সূরা আহযাব ২৫) যখন যুদ্ধ এভাবে শেষ হলো তখন নবী (ﷺ) বেলালকে নির্দেশ দিলেন, তখন তিনি আযান দিলেন। অতঃপর তিনি জোহরের একামত দিলেন। তখন তিনি জোহরের নামায আদায় করলেন, যেরূপভাবে তিনি ওয়াক্তমত আদায় করতেন। অতঃপর তিনি (বিলাল) আসরের একামত দেন এবং তিনি আসর আদায় করেন, যেরূপ তিনি ওয়াক্তমত আদায় করতেন, এরপর তিনি (বিলাল) মাগরিবের একামত দেন। তখন তিনি (রাসূল সা) মাগরিবের নামায আদায় করেন, যেরূপ তিনি ওয়াক্তমত আদায় করতেন।
كتاب الصلاة
(3) باب تأخير الصلاة لعذر الاشتغال بحرب الكفار ونسخ ذلك بصلاة الخوف والترتيب فى قضاء الفوائت والأذان والإقامة للأولى والإقامة فقط لكل فائتة بعدها.
(216) عن عبد الرحمن بن أبى سعيد عن أبيه (أبى سعيد الخدرىِّ) رضى الله عنه قال حبسنا يوم الخندق عن الصلاة حتى كان بعد المغرب هويًّا وذلك قبل أن ينزل فى القتال ما نزل (وفى رواية) وذلك قبل أن ينزل فى القتال ما نزل (وفى رواية) وذلك قبل أن ينزل صلاة الخوف (فرجالا أو ركبانًا) فلما كفينا القتال وذلك قوله (وكفى الله المؤمنين القتال وكان الله قويًّا عزيزًا) أمر النبى صلى الله عليه وسلم بلالًا فأقام الظهر فصلاها كما يصليها في وقتها، ثم أقام العصر فصلاها كما يصليها في وقتها، ثم أقام المغرب فصلاها كما يصليها في وقتها.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে নামায পড়তে দেরী করা এবং সালাতুল খাওফ বা ভয়কালীন নামাযের বিধান অবতীর্ণ করণের মাধ্যমে তা রহিতকরণ। কাযা নামায আদায়ের ক্ষেত্রে তারতীব বা ক্রমভাবে আদায়করণ, প্রথম নামাযের জন্য আযান ও একামত দান, আর তার পরবর্তী নামাযগুলোর জন্য কেবল একামত দান প্রসঙ্গে
(২১৭) আবূ উবাইদা ইবন্ আবদুল্লাহ থেকে, তিনি তাঁর বাবা আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, মুশরিকরা খন্দকের দিন মহানবী (ﷺ)-কে চার ওয়াক্ত নামায থেকে বিরত রাখে, ফলে আল্লাহর ইচ্ছায় রাতের কিছু সময়ও অতিবাহিত হয়। তিনি বলেন, অতঃপর বেলালকে আদেশ করা হলে তিনি আযান দেন, তারপর একামত বললে জোহরের নামায আদায় করেন, তারপর একামত বললে-আসরের নামায আদায় করেন। তারপর একামত দিলে মাগরিবের নামায আদায় করেন, তারপর একামত দিলে ইশার নামায আদায় করেন।
(মালিক, তিরমিযী ও নাসাঈ। এর সনদ উত্তম।)
(মালিক, তিরমিযী ও নাসাঈ। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الصلاة
(3) باب تأخير الصلاة لعذر الاشتغال بحرب الكفار ونسخ ذلك بصلاة الخوف والترتيب فى قضاء الفوائت والأذان والإقامة للأولى والإقامة فقط لكل فائتة بعدها.
(217) عن أبى عبيدة بن عبد الله عن أبيه (عبد الله بن مسعود) رضى الله عنه أن المشركين شغلوا النبى صلى الله عليه وسلم يوم الخندق عن أربع صلوات حتى ذهب من الليل ما شاء الله، قال فأمر بلالًا فأذن، ثم أقام فصلى الظهر
ثم أقام فصلى العصر؛ ثم أقام فصلى المغرب؛ ثم أقام فصلى العشاء.
ثم أقام فصلى العصر؛ ثم أقام فصلى المغرب؛ ثم أقام فصلى العشاء.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে নামায পড়তে দেরী করা এবং সালাতুল খাওফ বা ভয়কালীন নামাযের বিধান অবতীর্ণ করণের মাধ্যমে তা রহিতকরণ। কাযা নামায আদায়ের ক্ষেত্রে তারতীব বা ক্রমভাবে আদায়করণ, প্রথম নামাযের জন্য আযান ও একামত দান, আর তার পরবর্তী নামাযগুলোর জন্য কেবল একামত দান প্রসঙ্গে
(২১৮) মুহাম্মদ ইবন্ ইয়াযিদ, থেকে বর্ণিত যে, আবদুল্লাহ ইবন্ 'আউফ তাঁকে বলেছেন যে, আবু জুমা হাবিব ইবন্ সিবা' (রা) তিনি নবী (ﷺ)-এর সাক্ষাৎ পেয়েছিলেন তাঁকে বলেছেন, নবী (ﷺ) খন্দক যুদ্ধের বছর মাগরিবের নামায পড়লেন। নামায শেষে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা কেউ জান কি আমি আসরের নামায পড়েছি কি না? তাঁরা বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্ আপনি তা পড়েন নি। তখন মুয়ায্যিনকে নির্দেশ দিলেন, মুয়ায্যিন একামত দিলে আসরের নামায পড়লেন। অতঃপর মাগরিবের নামায আবার আদায় করলেন।
(বাইহাকী। এ হাদীসের সনদে ইবন্ লাহিয়া রয়েছেন, তিনি বিতর্কিত।)
(বাইহাকী। এ হাদীসের সনদে ইবন্ লাহিয়া রয়েছেন, তিনি বিতর্কিত।)
كتاب الصلاة
(3) باب تأخير الصلاة لعذر الاشتغال بحرب الكفار ونسخ ذلك بصلاة الخوف والترتيب فى قضاء الفوائت والأذان والإقامة للأولى والإقامة فقط لكل فائتة بعدها.
(218) عن محمد بن يزيد أن عبد الله بن عوف حدثه أن أبا جمعة حبيب ابن سباعٍ وكان قد أدرك النبى صلى الله عليه وسلم حدثه أن النبى صلى الله عليه وسلم عام الأحزاب صلى
المغرب فلما فرغ قال هل علم أحد منكم أنى صليت العصر؟ قالوا يا رسول الله ما صليتها، فأمر المؤذن فأقام الصلاة فصلى العصر؛ ثم أعاد المغرب.
المغرب فلما فرغ قال هل علم أحد منكم أنى صليت العصر؟ قالوا يا رسول الله ما صليتها، فأمر المؤذن فأقام الصلاة فصلى العصر؛ ثم أعاد المغرب.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ যে সব নফল নামায এবং দু'আ দরূদ কাযা হয়ে যায় তা কাযা করা বৈধ
(২১৯ ) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) ঘুমিয়ে পড়লে অথবা অসুস্থতার কারণে রাতের (তাহাজ্জুদের) নামায পড়তে না পারলে দিনের বেলায় বার রাক'আত নফল নামায পড়ে নিতেন।
(মুসলিম, বাইহাকী।)
(মুসলিম, বাইহাকী।)
كتاب الصلاة
(4) باب مشروعية قضاء ما يفوت من الصلاة النافلة والأوراد
(219) عن عائشة رضى الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا غلبته عينه أو وجع فلم يصلِّ بالليل صلى بالنهار اثنتى عشرة ركعةً.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২২০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ যে সব নফল নামায এবং দু'আ দরূদ কাযা হয়ে যায় তা কাযা করা বৈধ
(২২০) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি বিতরের নামায না পড়ে ঘুমিয়ে পড়েছে, অথবা তা পড়তে ভুলে গেছে সে যেন মনে পড়লে বা জাগ্রত হলে তা পড়ে নেয়। (আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ। হাকিম বলেন, হাদীসটি সহীহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তানুসারে।)
كتاب الصلاة
(4) باب مشروعية قضاء ما يفوت من الصلاة النافلة والأوراد
(220) عن أبى سعيد الخدرىِّ رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ما نام عن الوتر أو نسيه فليوتر إذاذ كره أو استيقظ.
তাহকীক: