মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৬৯ টি
হাদীস নং: ৬১
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ। সর্বপ্রথম যিনি মুসাফাহা করেছেন এবং মহিলাদের সঙ্গে মুসাফাহা মাকরূহ হওয়া প্রসঙ্গ।
৬১। 'আমর ইবন শু'আয়ব (র) তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বায়'আত গ্রহণকালে মহিলাদের সঙ্গে মুসাফাহা করতেন না।
হাদসিটি অন্যত্র পাওয়া যায়নি। হায়সামী (র) বলেছেন, এর সনদ হাসান।
হাদসিটি অন্যত্র পাওয়া যায়নি। হায়সামী (র) বলেছেন, এর সনদ হাসান।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب أول من أحدث المصافحة وكراهة مصافحة النساء
عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان لا يصافح النساء في البيعة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬২
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ। সর্বপ্রথম যিনি মুসাফাহা করেছেন এবং মহিলাদের সঙ্গে মুসাফাহা মাকরূহ হওয়া প্রসঙ্গ।
৬২। উরওয়া (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আয়েশা (রা) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মহিলাদের থেকে এই আয়াত বলে বায়'আত নিতেন أن لا يُشْرِكْنَ بِاللَّهِ شَيْئًا (তারা কোন কিছুকে আল্লাহর শরীক সাব্যস্ত করবে না।) আয়েশা (রা) বলেন, তার হাত কোন সময় অপর মহিলার হাত স্পর্শ করেন নি। তবে যে মহিলার তিনি স্বত্বাধিকারী হতেন সে ব্যতিক্রম।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب أول من أحدث المصافحة وكراهة مصافحة النساء
عن عروة أن عائشة قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يبايع النساء بالكلام بهذه الآية {على أن لا يشركن بالله شيئًا} قالت وما مست يده يد امرأة قط إلا امرأة يملكها
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৩
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: হাতে ও কপালে চুমু দেওয়া।
৬৩। ইউনুস (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন 'আত্মাফ (র), তিনি বলেন, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আবদুর রহমান (র)। (আবদুল্লাহ ইবনল ইমাম আহমাদ বলেন,) আমার পিতা বলেছেন, ইউনুস (র) ব্যতীত অন্যজন বলেছেন, (আবদুর রহমান) ইবন রাযীন। তিনি বলেন যে, একদা তিনি ও তার সাথীবর্গ হজ্জের উদ্দেশ্যে সফর করে (মদীনা থেকে তিন মনযিল দূরত্বে অবস্থিত) রাবযা নামক স্থানে উপনীত হলেন। তখন তাদেরকে বলা হল যে, এখানে রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর সাহাবী সালামা ইবনুল আকওয়া' (রা) বসবাস করেন। আমরা তার নিকট এসে তাকে সালাম দিলাম। তারপর আমরা তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট এই দু'হাত মিলিয়ে বায়'আত গ্রহণ করেছি। এই বলে তিনি তার মাংসল দু'হাতের তালু আমাদের সামনে বের করেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমরা আগে বেড়ে তাঁর উভয় হাতে চুমু দিলাম। (তায়ালিসী)
হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।
হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما جاء في تقبيل اليد والجبهة
حدثنا يونس قال حدثنا العطاف قال حدثني عبد الرحمن (4) قال أبي (5) قال غير يونس بن رزين (6) أنه نزل الرَّبَذَة (7) هو وأصحابه يريدون الحج قيل لهم ههنا سلمة بن الأكوع صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم فأتيناه فسلمنا عليه ثم سألناه، فقال بايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم بيدي هذه وأخرج لنا كفه كفًّا ضخمة، قال فقمنا إليه فقبلنا كفيه جميعًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৪
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: হাতে ও কপালে চুমু দেওয়া।
৬৪। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কর্তৃক প্রেরিত এক অভিযানে অংশগ্রহণ করেছিলাম। (আক্রমণের প্রচণ্ডতায়) লোকেরা দূরে সরে পড়ল। আমিও সে সকল লোকের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। আমরা বললাম, এখন আমাদের কী করণীয়। আমরা তো যুদ্ধ হতে পালিয়েছি এবং আল্লাহর গযব অর্জন করে ফিরেছি। তারপর বললাম, যদি আমরা মদীনায় গিয়ে রাত যাপন করি, (তবে কেমন হবে?)। তারপর বললাম, যদি আমরা নিজেদেরকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সামনে পেশ করি তবে এটা আমাদের জন্য তাওবা হবে। তা না হলে আমরা অন্যত্র চলে যাব। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর আমরা ফজরের সালাতের পূর্বে তার নিকট এসে উপস্থিত হলাম। তিনি (ঘর হতে) বের হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা কারা? আমরা বললাম, আমরা যুদ্ধক্ষেত্র হতে পলায়নকারী। তিনি বললেন, না তোমরা কৌশলবশত পিছনে এসে পুনরায় আক্রমণকারী দল। তিনি বললেন, আমি তোমাদের একজন, আমি মুসলমানের দলভুক্ত। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমরা আগে বেড়ে তাঁর হাতে চুম্বন করলাম।
হাদীসটি 'জিহাদ' অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে।
হাদীসটি 'জিহাদ' অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما جاء في تقبيل اليد والجبهة
عن عبد الله بن عمر قال كنت في سَريَّة من سرايا رسول الله صلى الله عليه وسلم فحاص الناس حيصة وكنت فيمن خاص فقلنا كيف نصنع وقد فررنا من الزحف وبؤنا بالغضب، ثم قلنا لو دخلنا المدينة فبتنا، ثم قلنا لو عرضنا أنفسنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم كانت لنا توبة وإلا ذهبنا: فأتيناه قبل صلاة الغداة، فخرج فقال من القوم؟ فقلنا نحن الفرارون، قال بل أنتم العكارون، أنا فئتكم وأنا فئة المسلمين، قال فأتيناه حتى قبلنا يده
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৫
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: হাতে ও কপালে চুমু দেওয়া।
৬৫। উমারা ইবন উসমান ইবন সাহল ইবন হুনায়ফ (র) সূত্রে খুযায়মা ইবন সাবিত আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত যে, তিনি স্বপ্নযোগে দেখেন যে, তিনি নবী (ﷺ) কে চুমু দিচ্ছেন। তারপর তিনি নবী (ﷺ) এর নিকট এসে তাঁকে এ সম্বন্ধে সংবাদ দিলেন। তখন নবী (ﷺ) তাকে সুযোগ দিলেন। তিনি তাঁর কপালে চুমু দিলেন।
হায়সামী (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ (র) বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী উমারা ইবন উসমান রয়েছেন। আবু জা'ফর খাতমী ব্যতীত অন্য কেউ তার থেকে হাদীস বর্ণনা করেন নি। এ ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।
হায়সামী (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ (র) বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী উমারা ইবন উসমান রয়েছেন। আবু জা'ফর খাতমী ব্যতীত অন্য কেউ তার থেকে হাদীস বর্ণনা করেন নি। এ ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما جاء في تقبيل اليد والجبهة
عن عمارة بن عثمان بن سهل بن حنيف عن خزيمة بن ثابت رضي الله عنه أنه رأى في منامه أنه يقبل النبي صلى الله عليه وسلم فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فأخبره بذلك، فناوله النبي صلى الله عليه وسلم فقبل جبهته
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৬
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: আগন্তুকের জন্য দাঁড়ানো।
৬৬। আবু সা'ঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরায়যা গোত্রের লোকেরা সা'দ ইবন মু'আয (রা)-এর ফায়সালা মেনে নিতে সম্মত হয়। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সা'দ (রা)-এর নিকট সংবাদ পাঠালে তিনি একটি গাধার ওপর আরোহণ করে আসলেন। বর্ণনাকারী বলেন, যখন তিনি মসজিদের নিকটে চলে আসেন তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (আনসারী সাহাবীগণকে) বললেন, তোমরা তোমাদের সর্দারের প্রতি দাঁড়িয়ে যাও। তারপর তিনি (সা'দ (রা)-কে লক্ষ্য করে) বললেন, এ সকল লোক তোমাদের ফয়সালা মেনে নেওয়ার ওপর সম্মতি প্রকাশ করেছে। সা'দ (রা) বললেন, তাদের মধ্যে যুদ্ধক্ষমদের হত্যা করা হবে আর তাদের শিশুদের বন্দী করা হবে। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর নবী (ﷺ) বললেন, নিশ্চয় তুমি আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী ফয়সালা দিয়েছ। অন্য সময় বলেছেন, ভূমি মালিকের হুকুম মোতাবেক ফয়সালা দিয়েছ। (অন্য বর্ণনায় রয়েছে: বর্ণনাকারী বলেন, হযরত আবু সাঈদ (রা) বলেছেন, যখন তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট আসলেন তখন তিনি বললেন, তোমরা তোমাদের সর্দারের প্রতি দাঁড়াও এবং তাঁকে (সওয়ারী হতে) নামাও। তখন উমর (রা) বললেন, আমাদের সর্দার (সায়্যিদ) আল্লাহ তা'আলা। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তোমরা তাকে নামাও। তখন তারা তাকে সওয়ারী হতে নামায়। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তুমি তাদের ব্যাপারে ফয়সালা কর। হাদীস।
হাদীসটি 'সীরাত' অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে।
হাদীসটি 'সীরাত' অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما جاء في القيام للقادم
عن أبي سعيد الخدري قال نزل أهل قريظة على حكم سعد بن معاذ، قال فأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى سعد فأتاه على حمار (2) قال فلما دنا قريبا من المسجد (2) قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قوموا إلى سيدكم أو خيركم (4) ثم قال إن هؤلاء نزلوا على حكمك، قال تقتل مقاتلهم وتسبى ذراريهم، قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم وعلى آله وسلم لقد قضيت بحكم الله وربما قال قضيت بحكم الملك (1) (وفي رواية) (2) قال قال أبو سعيد فلما طلع "يعني سعدا" على رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قوموا إلى سيدكم فأنزلوه، فقال عمر رضي الله عنه" سيدنا الله عز وجل، قال أنزلوه فأنزلوه، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أحكم فيهم الحديث
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৭
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: আগন্তুকের জন্য দাঁড়ানো।
৬৭। আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন বাক্তি তাদের (সাহাবীগণের) নিকট রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অপেক্ষা বেশি প্রিয় ছিল না। অথচ যখন তারা তাঁকে আসতে দেখতেন তখন তারা তাঁর জন্য দাঁড়াতেন না। কেননা, তারা জানতেন যে, তিনি এটা অপছন্দ করেন।
তিরমিযী। তিনি বলেছেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
তিরমিযী। তিনি বলেছেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما جاء في القيام للقادم
عن أنس قال ما كان شخص أحب إليهم من رسول الله صلى الله عليه وسلم وكانوا إذا رأوه لم يقوموا لما يعلمون من كراهيته لذلك
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৮
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: আগন্তুকের জন্য দাঁড়ানো।
৬৮। আবু মিজলায (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা মু'আবিয়া (রা) এক ঘরে প্রবেশ করলেন। সেখানে ইবন আমির (রা) ও ইবন যুবায়র (রা) উপস্থিত ছিলেন। ইবন 'আমির (তাকে দেখে) দাঁড়িয়ে যান। আর ইবন যুবায়র (রা) বসে থাকেন। মু'আবিয়া (রা) তাকে বললেন, বসুন। কেননা, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি তার জন্য লোকদের দাঁড়ানো দেখে প্রীত হয়, সে যেন নিজের জন্য জাহান্নামে একটি বাসস্থান তৈরী করে নেয়।
(অন্য শব্দে সে যেন জাহান্নামে তার স্থান। তৈরী করে নেয়।) (আবু দাউদ, তিরমিযী)
তিরমিযী (র) বলেছেন, হাদীসটি হাসান।
(অন্য শব্দে সে যেন জাহান্নামে তার স্থান। তৈরী করে নেয়।) (আবু দাউদ, তিরমিযী)
তিরমিযী (র) বলেছেন, হাদীসটি হাসান।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما جاء في القيام للقادم
عن أبي مجاز أن معاوية دخل بيتا فيه ابن عامر وابن الزبير، فقام ابن عامر وجلس ابن الزبير، فقال له معاوية اجلس فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من سره أن يمثل له (6) العباد قياما فليتبوأ (7) بيتا في النار (وفي لفظ) فليتبوأ مقعده من النار
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬৯
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: আগন্তুকের জন্য দাঁড়ানো।
৬৯। আবু উমামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) লাঠির ওপর ভর করে আমাদের নিকট আসলেন। আমরা তাঁকে দেখে দাঁড়িয়ে গেলাম। তিনি বললেন, তোমরা আজমীদের (অমুসলিমদের) মত দাঁড়িয়ো না। তারা এভাবে একে অপরকে সম্মান জানায়। বর্ণনাকারী বলেন, সে সময় আমরা কামনা করছিলাম, যেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের জন্য আল্লাহর নিকট দু'আ করেন। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহ! আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমদের প্রতি দয়া করুন, আমাদের ওপর সন্তুষ্ট হোন, আমাদের আমলসমূহ কবুল করুন, আমাদেরকে জান্নাতে নিয়ে যান, জাহান্নাম হতে মুক্তি দিন, আমাদের সকল অবস্থা সংশোধন করে দিন। তারপর আমরা আরো বেশি পরিমাণে দু'আর জন্য আসক্ত হলাম। তিনি বললেন, আমি তোমাদের সকল বিষয় ব্যক্ত করেছি।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما جاء في القيام للقادم
عن أبي أمامة قال خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يتوكأ على عصا فقمنا إليه، فقال لا تقوموا كما تقوم الأعاجم يعظم بعضها بعضا (9) قال فكأنا اشتهينا أن يدعو الله لنا، فقال اللهم اغفر لنا وارحمنا وارض عنا وتقبل منا وأدخلنا الجنة ونجنا من النار وأصلح لنا شأننا كله، فكأنا اشتهينا أن يزيدنا، فقال قد جمعت لكم الأمر
তাহকীক: