মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৬৯ টি

হাদীস নং: ৪১
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: গৃহকর্তার অনুমতি ব্যতীত ঘরে প্রবেশ করা এবং স্বামীর অনুমতি ব্যতীত মহিলাদের নিকট যাওয়া নিষেধ।
৪১। আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ) এর সেবা করতাম। এ জন্য আমি তার নিকট অনুমতি ব্যতীত প্রবেশ করতাম। একদা আমি এসে তার নিকট গেলাম তখন তিনি বললেন, হে বৎস! নতুন নির্দেশ অবতীর্ণ হয়েছে। সুতরাং তুমি অনুমতি ব্যতীত আমার নিকট প্রবেশ করবে না।
হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী সালম ইবন কায়স আলাবী-কে ইবন মা'ঈন (র) দুর্বল বলেছেন।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب النهي عن دخول منزل إلا بإذن صاحبه: وعن الدخول على النساء إلا بإذن أزواجهن
عن أنس بن مالك قال كنت أخدم النبي صلى الله عليه وسلم فكنت أدخل عليه بغير إذن، فجئت ذات يوم فدخلت عليه فقال يا بني أنه قد حدث أمر (5) فلا تدخل علي إلا بإذن
হাদীস নং: ৪২
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: গৃহকর্তার অনুমতি ব্যতীত ঘরে প্রবেশ করা এবং স্বামীর অনুমতি ব্যতীত মহিলাদের নিকট যাওয়া নিষেধ।
৪২। উবাদা ইবন সামিত (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, বাড়ী হল হারাম, সুতরাং যে ব্যক্তি তোমার হারামে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করে তাকে তুমি হত্যা কর।
(তবারানী) হাদীসটির সূত্রে বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবন কাসীর কাস্সাব-কে ইবনুল মাদীনী (র) ও দারা কুতনী (র) দুর্বল বলেছেন।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب النهي عن دخول منزل إلا بإذن صاحبه: وعن الدخول على النساء إلا بإذن أزواجهن
عن عبادة بن الصامت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الدار حرم، فمن دخل عليك حرمك فاقتله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৩
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: গৃহকর্তার অনুমতি ব্যতীত ঘরে প্রবেশ করা এবং স্বামীর অনুমতি ব্যতীত মহিলাদের নিকট যাওয়া নিষেধ।
৪৩। যাকওয়ান আবু সালিহ (র) 'আমর ইবনল 'আস (রা)-এর আযাদকৃত দাস সূত্রে বর্ণনা করেন যে, 'আমর ইবনল 'আস (রা) তাকে আলী (রা)-এর নিকট পাঠান, যেন সে তার স্ত্রী আসমা বিনত 'উমায়স (রা)-এর কাছে যাওয়ার জন্য অনুমতি চায়। তিনি তাকে অনুমতি দিলে তারা উভয়ে এক প্রয়োজনীয় বিষয়ে কথা বললেন। তারপর তিনি ('আমর ইবনুল 'আস) বের হলে আযাদকৃত দাস তাকে এ বিষয়ে (আলী (রা) হতে অনুমতি নিয়ে স্ত্রী আসমা (রা)-এর নিকট যাওয়া প্রসঙ্গে) জিজ্ঞাসা করল। তখন 'আমর (রা) বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে স্বামীর অনুমতি ব্যতীত স্ত্রীদের নিকট যেতে নিষেধ করেছেন।
হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ সহীহ এবং বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب النهي عن دخول منزل إلا بإذن صاحبه: وعن الدخول على النساء إلا بإذن أزواجهن
عن ذكوان أبي صالح يحدث عن مولى 43 لعمرو بن العاص أن عمرو بن العاص أرسله إلى علي يستأذنه على امرأته أسماء بنت عميس فأذن له فتكلما في حاجة، فلما خرج سأله المولى عن ذلك فقال عمرو نهانا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نستأذن على النساء إلا بإذن أزواجهن
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৪
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: গৃহকর্তার অনুমতি ব্যতীত ঘরে প্রবেশ করা এবং স্বামীর অনুমতি ব্যতীত মহিলাদের নিকট যাওয়া নিষেধ।
৪৪। আবু সালিহ (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'আমর ইবনুল 'আস (রা) ফাতিমা (রা)-এর নিকট যাওয়ার জন্য) অনুমতি চাইলে তিনি তাকে অনুমতি দিলেন। তারপর তিনি বললেন, সেখানে কি 'আলী (রা) আছেন? লোকেরা বলল, না। বর্ণনাকারী বলেন, তখন তিনি ফিরে এলেন। তারপর আবার তিনি অনুমতি চাইলেন এবং বললেন, সেখানে কি 'আলী (রা) আছেন? লোকেরা বলল, হ্যাঁ। তখন তিনি ফাতিমা (রা)-এর নিকট গেলেন। তারপর 'আলী (রা) তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, যখন আপনি আমাকে এখানে পান নি তখন কেন আসেন নি? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে স্বামী বিচ্ছিন্ন বা যাদের স্বামী অনুপস্থিত নারীদের নিকট যেতে নিষেধ করেছেন।
হায়সামী (র) হাদীসটিকে বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ বর্ণনা করেছেন। এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب النهي عن دخول منزل إلا بإذن صاحبه: وعن الدخول على النساء إلا بإذن أزواجهن
عن أبي صالح قال استأذن عمرو بن العاص على فاطمة فأذنت له، فقال ثم (1) علي؟ قالوا لا، قال فرجع، ثم استأذن عليها مرة أخرى، فقال ثم علي؟ قالوا نعم، فدخل عليها، فقال له علي ما منعك أن تدخل حين لم تجدني هاهنا؟ قال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهانا أن ندخل على المغيبات
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৫
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: অনুমতি চাওয়ার নিয়ম, এর শব্দাবলী ও এর পূর্বে সালাম দেওয়া।
৪৫। আমর ইবন আবদিল্লাহ ইবন সাফওয়ান (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, কালাদা ইবন হাম্বল (র) তাকে জানিয়েছেন যে, সাফওয়ান ইবন উমাইয়া (রা) তাকে মক্কা বিজয়কালে কিছু দুধ, ছয়মাস বয়সী হরিণ এবং ছোট শাবক দিয়ে (নবী (ﷺ) এর নিকট) পাঠান। সে সময় নবী (ﷺ) উপত্যকাদর উঁচুভূমিতে অবস্থান করছিলেন। তিনি বলেন, আমি তার নিকট গেলাম। কিন্তু তাকে সালাম দেইনি এবং অনুমতিও চাই নি। তখন নবী (ﷺ) বললেন, ফিরে যাও। এরপর বল, السَّلَامُ عَلَيْكُمْ ، أَدْخُلُ؟ (আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক, আমি কি ভিতরে আসতে পারি?) এ ঘটনা সাফওয়ানের ইসলাম গ্রহণের পর ঘটেছিল। (বর্ণনাকারী বলেন,) আমর (র) বলেছেন, আামাকে উমাইয়া ইবন সাফওয়ান (রা) এ সংবাদ দিয়েছেন। আর তিনি বলেন নি যে, আমি কালাদা (র) হতে শুনেছি। বর্ণনাকারী যাহহাক (র) ও ইবনুল হারিস (র) বলেছেন, এ ঘটনা তার ইসলাম গ্রহণের পর ঘটেছে। যাহহাক ও আবদুল্লাহ ইবন হারিস (র) বলেছেন, দুধ ও হরিণ শাবক দিয়ে পাঠান। (আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী) তিরমিযী (র) বলেছেন হাদীসটি গারীব।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما جاء في كيفية الاستئذان ولفظه والسلام قبله
عن عمرو بن عبد الله بن صفوان أن كلدة (4) بن الحنبل أخبره أن صفوان بن أمية (5) رضي الله عنه بعثه في الفتح (6) بلبن وجداية (7) وضغا بيس (8) والنبي صلى الله عليه وسلم بأعلى الوادي (9) قال فدخلت عليه ولم أسلم ولم أستأذن، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ارجع فقل السلام عليكم أدخل: بعد ما أسلم صفوان، قال عمرو (10) أخبرني هذا الخبر أمية بن صفوان ولم يقل سمعته من كلدة (11) قال الضحاك وابن الحارث (1) وذلك بعد ما أسلم، وقال الضحاك وعبد الله بن الحارث بلبن وجداية
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৬
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: অনুমতি চাওয়ার নিয়ম, এর শব্দাবলী ও এর পূর্বে সালাম দেওয়া।
৪৬। যায়দ ইবন আসলাম (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে ইবন উমর (রা)- এর নিকট ডেকে পাঠান। আমি এসে বললাম, আমি কি আসতে পারি? তিনি আওয়াজ চিনে ফেলেন। তিনি বললেন, হে বৎস। যখন কোন সম্প্রদায়ের নিকট যাবে তখন اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ বলবে। তারপর তারা জবাব দিলে বলবে আমি কি আসতে পারি? বর্ণনাকারী বলেন, তারপর তিনি তার ছেলেকে দেখেন সে তার ইযার (টাখনুর নীচে) ঝুলিয়ে আসছে। তিনি বললেন, তুমি তোমার ইযার উঁচু কর। কেননা, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি অহংকারবশত স্বীয় কাপড় (টাখনুর নীচে) ঝুলিয়ে রাখে আল্লাহ তার দিকে (অনুগ্রহের দৃষ্টিতে) তাকাবেন না। (বুখারী, মুসলিম, মালিক, তিরমিযী (শুধু মারফু' অংশ) হাদীসটি সহীহ)
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما جاء في كيفية الاستئذان ولفظه والسلام قبله
عن زيد ابن أسلم قال أرسلني أبي إلى ابن عمر رضي الله عنهما فقلت أأدخل؟ فعرف صوتي فقال أي نبي إذا أتيت إلي قوم فقل السلام عليكم، فإن ردوا عليك فقل أأدخل؟ قال ثم رأى ابنه واقدا بحر إزاره فقال ارفع ازارك فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من جر ثوبه من الخيلاء لم ينظر الله إليه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৭
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: অনুমতি চাওয়ার নিয়ম, এর শব্দাবলী ও এর পূর্বে সালাম দেওয়া।
৪৭। ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা উমর (রা) নবী (ﷺ) ঘর এর নিকট উপস্থিত হলেন। সে সময় তিনি স্বীয় হুজরায় অবস্থান করছিলেন। উমর (রা) বললেন, السَّلَامُ عَلَيْكَ يَا رَسُولَ اللهِ (ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক।) أَيَدْخُلُ عُمَرُ؟ ওমর কি আসতে পারে?
হাদীসটি হায়সামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ বর্ণনা করেছেন। এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما جاء في كيفية الاستئذان ولفظه والسلام قبله
عن ابن عباس قال جاء عمر رضي الله عنه إلى النبي صلى الله عليه وسلم وهو في مشربة (4) فقال السلام 47 عليك يا رسول الله، السلام عليك أيدخل عمر؟
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৮
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: অনুমতি চাওয়ার নিয়ম, এর শব্দাবলী ও এর পূর্বে সালাম দেওয়া।
৪৮। আবদুল্লাহ ইবন মূসা (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে মুদরিক বা ইবন মুদরিক আয়েশা (রা)-এর নিকট কতিপয় বিষয় সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করার উদ্দেশ্যে ডেকে পাঠান। তিনি বলেন, আমি তার নিকট আসলাম। সে সময় তিনি চাশতের সালাত আদায় করছিলেন। আমি বললাম, তার সালাত সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত আমি অপেক্ষা করব। লোকেরা বলল, সেটা অনেক দূরে। আমি তার পক্ষ হতে অনুমতিদানকারী ব্যক্তিকে বললাম, (আমি তার নিকট যাওয়ার জন্য) কীভাবে অনুমতি নিব? সে বলল, তুমি বলবে।
السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته، السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين، السلام على أمهات المؤمنين وأزواج النبي صلى الله عليه وسلم السلام عليكم
তিনি বললেন, তারপর আমি তার নিকট গিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম।
পূর্ণাঙ্গ হাদীসটি আয়েশা (রা)-এর ফাতাওয়া অনুচ্ছেদে আসবে।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما جاء في كيفية الاستئذان ولفظه والسلام قبله
عن عبد الله بن موسى قال أرسلني مدرك أو ابن مدرك إلى عائشة رضي الله عنها أسألها عن أشياء فأتيتها فإذا هي تصلى الضحي فقلت أقعد حتى تفرغ فقالوا هيهات فقلت لآذنها كيف أستأذن عليها. فقال قل السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته، السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين، السلام على أمهات المؤمنين وأزواج النبي صلى الله عليه وسلم السلام عليكم، قال فدخلت عليها فسألتها، الحديث سيأتي بتمامه في فتاوى عائشة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৯
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেন। অনুমতি তিনবার চাইবে, তারপর ও অনুমতি না হলে ফিরে যাবে।
৪৯। আবু সা'ঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আনসারীদের এক মজলিসে বসা ছিলাম। তখন আবু মুসা (রা) ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় আমার নিকট উপস্থিত হলেন। তিনি বললেন, উমর (রা) আমাকে তার নিকট যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। তারপর আমি তার নিকট গেলাম। আমি তিনবার অনুমতি চাইলাম। কিন্তু আমাকে অনুমতি দেওয়া হয় নি। তারপর আমি ফিরে গেলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এটা বলেছেন যে, যে ব্যক্তি তিনবার অনুমতি চায় আর তাকে অনুমতি দেওয়া না হয়, সে ফিরে যাবে। তারপর উমর (রা) বললেন, তোমার এ বক্তব্যের সপক্ষে প্রমাণ পেশ কর, তা না হলে তোমাকে বেত্রাঘাত করব। বর্ণনাকারী আবু সা'ঈদ (রা) বলেন, এ জন্য আবু মুসা ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় আমাদের নিকট এসে বলল, আমি তোমাদেরকে সাক্ষী বানাব? সে সময় উবাই ইবন কা'ব (রা) বললেন, উপস্থিত লোকদের মধ্যে সর্বকনিষ্ট ব্যক্তি তোমার সঙ্গে যাবে। আবু সা'ঈদ (রা) বলেন, আমিই তাদের মধ্যে কনিষ্ট ছিলাম। সুতরাং আমি তার সঙ্গে গেলাম এবং সাক্ষ্য দিলাম যে, নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি তিনবার অনুমতি প্রার্থনা করে আর তাকে অনুমতি না দেওয়া হয়, সে ফিরে যাবে। (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ)
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب الاستئذان ثلاث مرار فإن لم يؤذن له فليرجع
عن أبي سعيد الخدري قال كنت في حلقة من حلق الأنصار فجاءنا أبو موسى كأنه مذعورا (7) فقال إن عمر أمرني أن آتيته فأتيته فاستأذنت ثلاثا فلم يؤذن لي، فرجعت وقد قال ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم من استأذن ثلاثا فلم يؤذن له فليرجع (1) فقال لتجيئن ببينة على الذي تقول وإلا أوجعتك (2) قال أبو سعيد فأتانا أبو موسى مذعورا أو قال فزعا فقال استشهدكم، فقال أبي بن كعب رضي الله عنه لا يقوم معك إلا أصغر القوم (3) قال أبو سعيد وكنت أصغرهم فقمت معه وشهدت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من استأذن ثلاثا فلم يؤذن له فليرجع
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫০
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেন। অনুমতি তিনবার চাইবে, তারপর ও অনুমতি না হলে ফিরে যাবে।
৫০। উবায়দ ইবন ওমায়র (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আবু মুসা আশ'আরী (রা) উমর (রা)-এর নিকট যাওয়ার জন্য তিনবার অনুমতি চাইলেন। কিন্তু তাকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। এ জন্য তিনি ফিরে যান। তারপর উমর (রা) বললেন, সম্ভবত আমি এই মাত্র আবদুল্লাহ ইবন কায়সের আওয়াজ শুনছিলাম। লোকেরা বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাকে খোঁজ কর। তারপর তাকে ডেকে আনা হলে তিনি বললেন, তুমি এরূপ কাজ (সালাম বলে ফিরে যাওয়া) কেন করলে? আবু মুসা (রা) বললেন, আমি তিনবার অনুমতি চেয়েছি। কিন্তু আমাকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। এজন্য আমি ফিরে গেছি। আমাদেরকে (নবী (ﷺ) এর পক্ষ হতে) এ নির্দেশই দেওয়া হয়েছিল। উমর (রা) বললেন, তুমি এর সপক্ষে প্রমাণ পেশ করবে। তা না হলে তোমাকে শাস্তি দিব। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি মসজিদে অথবা আনসারীদের এক মজলিসে উপস্থিত হলেন। লোকেরা বলল, আমাদের সর্বকনিষ্ট ব্যক্তি তোমার জন্য সাক্ষ্য দেবে। এরপর আবূ সা'ঈদ খুদরী (রা) উঠে দাঁড়ান এবং তার সপক্ষে সাক্ষ্য দেন। তখন উমর (রা) বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর এই নির্দেশ আমাদের নিকট গোপন ছিল। বাজারে বেচা-কেনা আমাকে এটা শ্রবণ করা হতে বিরত রেখেছে। (মুসলিম, আবু দাউদ, ইবন মাজাহ)
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب الاستئذان ثلاث مرار فإن لم يؤذن له فليرجع
عن عبيد بن عميرأن أبا موسى الأشعري رضي الله عنه أستأذن على عمر رضي الله عنه ثلاث مرات فلم يؤذن له، فرجع، فقال ألم أسمع صوت عبد الله بن قيس (6) آنفا؟ قالوا بلى، قال فاطلبوه فدعى فقال ما حملك على ما صنعت؟ قال استأذنت ثلاثا فلم يؤذن لي فرجعت: كنا نؤمر بهذا، فقال لتأتين عليه بالبينة أو لأفعلن، قال فأني مسجدا أو مجلسا للأنصار فقالوا لا يشهد لك إلا أصغرنا: فقام أبو سعيد الخدري فشهد له: فقال عمر رضي الله تعالى عنه خفى هذا علي من أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم ألهاني عنه الصفق (7) بالأسواق
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫১
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেন। অনুমতি তিনবার চাইবে, তারপর ও অনুমতি না হলে ফিরে যাবে।
৫১। সাবিত বুনানী (র) সূত্রে আনাস (রা) বা অন্য কারো থেকে বর্ণিত যে, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সা'দ ইবন ওবাসা (রা)-এর নিকট যাওয়ার জন্য অনুমতি চেয়ে বললেন السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ তখন সা'দ (রা) বললেন, وَعَلَيْكَ السَّلَامُ وَرَحْمَةُ اللهِ কিন্তু তিনি নবী (ﷺ) কে শুনান নি। এভাবে নবী (ﷺ) তিনবার সালাম দিলেন এবং সা'দ (রা)ও তিনবার তার জবাব দিলেন; তবে তাকে শুনিয়ে দেন নি। তারপর নবী (ﷺ) ফিরে গেলেন। তখন সা'দ (রা) তাঁর পিছনে দৌড়ালেন। তিনি বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমার পিতা-মাতা আপনার ওপর কুবরান হোক। আপনি যখনই সালাম দিয়েছেন তখন তা আমার কানে পৌছেছে এবং আমি এ জবাবও দিয়েছি; তবে তা আপনাকে শুনিয়ে দেই নি। আমি আপনার সালাম ও বরকতের কথা বেশি বেশি শুনতে চেয়েছিলাম। এরপর তিনি তাঁকে ঘরের ভিতরে নিয়ে যান তার সামনে কিশমিশ পেশ করেন। নবী (ﷺ) তা খেলেন। খাওয়া শেষে তিনি বললেন,
أَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ، وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ وَأَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُونَ (সৎ লোকেরা তোমাদের আহার্য গ্রহণ করুক, ফেরেশতাগণ তোমার জন্য দু'আ করুক এবং সাওম পালনকারীরা তোমার নিকট ইফতার করুক।) (আবূ দাউদ, নাসাঈ)
হাদীসটির সনদ সহীহ। আবু দাউদ (র) ও মুনযিরী (র) এ সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب الاستئذان ثلاث مرار فإن لم يؤذن له فليرجع
عن ثابت البناني عن أنس أو غيره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم استأذن على سعد بن عبادة رضي الله عنه فقال السلام عليكم ورحمة الله: فقال سعد وعليك السلام ورحمة الله: ولم يسمع النبي صلى الله عليه وسلم حتى سلم ثلاثا ورد عليه سعد ثلاثا ولم يسمعه، فرجع النبي صلى الله عليه وسلم (1) وأتبعه سعد فقال يا رسول الله بأبي أنت وأمي (3) ما سلمت تسليمة إلا هي بأذني (3) ولقد رددت عليك ولم أسمعك أحببت أن أستكثر من سلامك ومن البركة (4) ثم أدخله البيت فقرب له زبيبا فأكل نبي الله صلى الله عليه وسلم فلما فرغ قال أكل طعامكم الأبرار (5) وصلت عليكم الملائكة وأفطر عندكم الصائمون
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫২
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেন। অনুমতি তিনবার চাইবে, তারপর ও অনুমতি না হলে ফিরে যাবে।
৫২। আবু সা'ঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ কোন বাগানে আসে এবং সেখান থেকে কিছু খেতে চায় তবে সে যেন এই আওয়াজ দেয়, হে বাগানের মালিক। তিনবার বলবে। যদি জবাব দেয় তবে তো অনুমতি নিয়ে খাবে, তা না হলে তার (বিনা অনুমতিতেই) খাবে। (শর্ত হল, লোকটি ক্ষুধার্থ হতে হবে এবং অপরাগতা থাকতে হবে।) যদি তোমাদের কেউ উটপালের পাশ দিয়ে গমন করে এবং তার দুধ পান করতে চায় তবে ডাক দিবে, হে উটের মালিক। অথবা বলবে, হে উটরাখাল। যদি ডাকে সারা দেয় তবে অনুমতি নিয়ে পান করবে। তা না হলে বিনা অনুমতিতেই খাবে। মেহমানদারির মেয়াদ হল তিন দিন। এরচে অতিরিক্ত হলে সেটা সাদাকা বলে গণ্য হবে। (ইবন মাজাহ)
হাদীসটির সূত্র উত্তম এবং এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب الاستئذان ثلاث مرار فإن لم يؤذن له فليرجع
عن أبي سعيد الخدري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا أتى أحد منك حائطا (7) فأراد أن يأكل فليناد يا صاحب الحائط ثلاثا: فإن أجابه وإلا فليأكل (8) وإذا مر أحدكم بإبل فأراد أن يشرب من ألبانها فليناد يا صاحب الإبل أو يا راعى الإبل، فإن أجابه وإلا فليشرب: والضيافة ثلاثة أيام (9) فما زاد فهو صدقة
হাদীস নং: ৫৩
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেন। অনুমতি তিনবার চাইবে, তারপর ও অনুমতি না হলে ফিরে যাবে।
৫৩। আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন কথা বলতেন তখন তা তিনবার পুনরাবৃত্তি করতেন। কোন সম্প্রদায়ের নিকট এসে সালাম দিলে তিনবার দিতেন। (বুখারী, তিরমিযী, হাকিম)
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب الاستئذان ثلاث مرار فإن لم يؤذن له فليرجع
عن أنس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا تكلم بكلمة رددها ثلاثا وإذا أتى قوما فسلم عليهم سلم عليهم ثلاثا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৪
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মুসাফাহা, জড়িয়ে ধরা, হাতে চুমু দেওয়া এবং আগন্তুকের জন্য দাঁড়ানো প্রসঙ্গ

পরিচ্ছেদ: মুসাফাহা ও জড়িয়ে ধরা।
৫৪। আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আমাদের কেউ তার বন্ধুর সঙ্গে মিলিত হলে সে কি তার প্রতি মাথা নোয়াবে? বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, না। তিনি বললেন, তবে কি তাকে জড়িয়ে ধরবে এবং চুমু দিবে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, না। তিনি বললেন, তবে কি তার সঙ্গে মুসাফাহা (করমর্দন) করবে? রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ, যদি ইচ্ছা হয় করবে। (তিরমিযী, ইবন মাজাহ)
তিরমিযী (র) বলেছেন, হাদীসটি হাসান।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
أبواب المصافحة والالتزام وتقبيل اليد والقيام للقادم

باب ما جاء في المصافحة والالتزام
عن أنس بن مالك قال قال رجل يا رسول الله أحدنا يلقى صديقه أينحني له؟ (1) قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا، قال فيلتزمه ويقبله؟ (2) قال لا، قال فيصافحه؟ قال نعم إن شاء
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৫
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মুসাফাহা ও জড়িয়ে ধরা।
৫৫। বিশর ইবন মুফাযযাল (র) খালিদ ইবন যাকওয়ান (র) থেকে, তিনি আইয়ূব ইবন বাশীর (র) থেকে, তিনি অমুক আনাযী গোত্রের লোক থেকে, (অন্য শব্দে আনায গোত্রের জনৈক ব্যক্তি থেকে) বর্ণনা করেন যে, তিনি আবু যর (রা) এর সঙ্গে আসলেন। তিনি ফিরে গেলে লোকেরা তার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তখন আমি বললাম, হে আবু যর। আমি আপনাকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর একটি নির্দেশ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করব। তিনি বললেন, যদি এটা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কোন গোপনীয় বিষয় হয়, তবে আমি তা বর্ণনা করব না। আমি বললাম, সেটা গোপনীয় কিছু নয়। তা হল, যখন তিনি কোন লোকের সঙ্গে সাক্ষাত করতেন, তখন কি তিনি তার হাত ধরে মুসাফাহা (করমর্দন) করতেন? তিনি বললেন, অভিজ্ঞলোকের নিকটেই প্রশ্ন করেছ। তিনি যখনই আমার সঙ্গে মিলিত হয়েছেন তখনই তিনি আমার হাত ধরেছেন। (অন্য বর্ণনায় যখনই আমি তার সঙ্গে সাক্ষাত করেছি তখনই তিনি আমার সঙ্গে মুসাফাহা করেছেন।) তবে একবার এমন হয় নি। আর সেটা ছিল সর্বশেষ সাক্ষাত। তিনি আমার নিকট সংবাদ পাঠালে আমি তার নিকট আসলাম। (অন্য বর্ণনায় অতিরিক্ত আছে, সে সময় তিনি স্বীয় খাটে অবস্থান করছিলেন।) তখন তিনি অন্তিম রোগে আক্রান্ত ছিলেন। আমি তাকে শায়িত পেলাম। আমি তার দিকে ঝুঁকে পড়লাম। তিনি স্বীয় হাত উঁচু করে আমাকে জড়িয়ে ধরেন। (অন্য বর্ণনায় অতিরিক্ত আছে এটাই ছিল সর্বোৎকৃষ্ট সর্বোৎকৃষ্ট।) (আবু দাউদ)
মুনযিরী (র) বলেছেন, হাদীসটির সনদে একজন বর্ণনাকারী অজ্ঞাত।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما جاء في المصافحة والالتزام
حدثنا بشر بن المفضل عن خالد بن ذَكوان حدثني أيوب بن بشير عن فلان العنزي ولم يقل الغبري (4) (وفي لفظ عن رجل من عنز) (5) أنه أقبل مع أبي ذر فلما رجع تقطع الناس عنه، فقلت يا أبا ذر إني سائلك عن بعض أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال إن كان سرًّا من أسرار رسول الله صلى الله عليه وسلم لم أحدثك، قلت ليس بسر ولكن كان إذا لقي الرجلَ يأخذ بيده يصافحه؟ قال على الخبير سقطت، لم يلقني قط إلا أخذ بيدي (وفي رواية ما لقيته قط إلا صافحني) غير مرة واحدة وكانت تلك آخرهن، أرسل إليّ فأتيته (زاد في رواية وهو على سرير له) في مرضه الذي توفي فيه فوجدته مضطجعًا فأكببت عليه فرفع يده فالتزمني (6) (زاد في رواية) فكانت أجود وأجود
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৬
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মুসাফাহা ও জড়িয়ে ধরা।
৫৬। আনাস ইবন মালিক (রা) সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে কোন দু'জন মুসলমান পরস্পর সাক্ষাতকালে একজন অপরজনের হাত ধরলে আল্লাহর ওপর তাদের দু'আ কবুল করা আবশ্যক হয়ে যায়। তাদের হাত পৃথক হওয়ার পূর্বেই তাদেরকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়।
হাদীসটি হায়সামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ, বাযযায, আবূ ইয়া'লা বর্ণনা করেছেন। আহমাদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما جاء في المصافحة والالتزام
عن أنس بن مالك عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما من مسلمين التقيا فأخذ أحدهما بيد صاحبه إلا كان حقًّا على الله أن يحضر دعاءهما (9) ولا يفرق بين أيديهما حتى يغفر لهما
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মুসাফাহা ও জড়িয়ে ধরা।
৫৭। আবূ দাউদ (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বারা ইবন 'আযিব (রা)-এর সঙ্গে সাক্ষাত করলে তিনি আমাকে সালাম দিলেন, আমার হাত ধরলেন এবং আমাকে দেখে হাসলেন। তিনি বললেন, তুমি কি জান আমি তোমার সঙ্গে কেন এরূপ করলাম? আমি বললাম, না, আমি জানি না। তবে আমি মনে করি আপনি কল্যাণকর হওয়ার কারণেই এরূপ করেছেন। তিনি বললেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার সঙ্গে মিলিত হলে তিনি এরূপ করেছেন যেরূপ আমি তোমার সঙ্গে করলাম। এরপর তিনি আমাকে এ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে আমি তাকে সেরূপ জবাব দিলাম যেরূপ জবাব তুমি আমাকে দিয়েছ। তিনি বললেন, যদি কোন দু'জন মুসলমান সাক্ষাতকালে একজন অপরজনকে সালাম দিয়ে মুসাফাহা করে- আর এটা একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে করে- তবে তারা একজন অপরজন হতে পৃথক হওয়ার পূর্বে তাদেরকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়। (আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ (শুধু মারফু' অংশ)
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما جاء في المصافحة والالتزام
عن أبي داود قال لقيت البراء بن عازب فسلم عليّ وأخذ بيدي وضحك في وجهي وقال تدري لم فعلت هذا بك؟ قال قلت لا أدري ولكن لا أراك فعلته إلا لخير، قال إنه لقيني رسول الله صلى الله عليه وسلم ففعل بي مثل الذي فعلت بك، فسألني فقلت مثل الذي قلت لي، فقال ما من مسلمين (1) يلتقيان فيسلم أحدهما على صاحبه ويأخذ بيده لا يأخذه إلا لله عز وجل (2) لا يتفرقان حتى يغفر لهما
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৮
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মুসাফাহা ও জড়িয়ে ধরা।
৫৮। আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন 'আকলী (র) থেকে বর্ণিত যে, তিনি হযরত জাবির ইবন আবদিল্লাহ (রা)-কে বলতে শুনেছেন যে, আমার নিকট জনৈক ব্যক্তি সূত্রে বর্ণিত একটি হাদীসের বর্ণনা পৌঁছে। সে এটা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে শুনেছে। এজন্য আমি একটি উট খরিদ করলাম। তারপর আমার গতি তার ওপর রেখে একমাস পর্যন্ত সফর করলাম। অবশেষে আমি শাম দেশে এসে তার নিকট উপস্থিত হলাম। সেখানে গিয়ে দেখলাম যে, সে লোক হল আবদুল্লাহ ইবন উনায়স (রা)। আমি প্রহরীকে বললাম, তাকে বলুন যে, জাবির দরজায় অপেক্ষা করছে। সে জিজ্ঞাসা করল, জাবির ইবন আবদিল্লাহ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি তার কাপড় হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে আমার নিকট ছুটে আসেন। তিনি আমার সঙ্গে মু'আনাকা (আলিঙ্গন) করেন, আমিও তার সঙ্গে মু'আনাকা করি। আমি তাকে বললাম, একটি হাদীস আপনার সুরে আমার নিকট পৌঁছেছে। এরপর তিনি হাদীস বর্ণনা করেন। (আল-আদাবুল মুফরাদ, বুখারী)
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما جاء في المصافحة والالتزام
عن عبد الله بن محمد بن عَقيل أنه سمع جابر بن عبد الله يقول بلغني حديث عن رجل (4) سمعه من رسول الله صلى الله عليه وسلم فاشتريت بعيرًا ثم شددت عليه رحلي فسرت إليه شهرًا حتى قدمت عليه الشام فإذا عبد الله بن أنَيْس، فقلت للبواب قل له جابر على الباب، فقال ابن عبد الله؟ قلت نعم، فخرج بطأ ثوبه فاعتنقني واعتنقته، قلت حديث بلغني عنك فذكر الحديث
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৯
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ। সর্বপ্রথম যিনি মুসাফাহা করেছেন এবং মহিলাদের সঙ্গে মুসাফাহা মাকরূহ হওয়া প্রসঙ্গ।
৫৯। আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আগামীকাল তোমাদের মাঝে এমন কিছুলোক আগমন করবে যাদের অন্তর ইসলামের জন্য তোমাদের অপেক্ষা বেশি কোমল। তিনি বলেন, এরপর আশ'আরী গোত্রের লোকেরা আসল। তাদের মধ্যে আবূ মূসা আশ'আরী (রা)-ও ছিলেন। তারা মদীনার কাছাকাছি পৌছলে কবিতা আবৃত্তি করতে লাগল। তারা বলল, غَدًا تَلْقَى الْأَحِبَّة . مُحَمَّدًا وَحِزْبَةً (আমরা আগামীকাল প্রিয়জনদের সঙ্গে মিলিত হব, অর্থাৎ মুহাম্মাদ (ﷺ) ও তার সাথীবৃন্দের সঙ্গে।) তারা এসে মুসাফাহা করলেন। সর্বপ্রথম মুসাফাহা প্রচলন তারাই করেন। (শাফিঈ)
হাদীসটির সূত্র উত্তম। আবু দাউদ (র) সংক্ষেপে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب أول من أحدث المصافحة وكراهة مصافحة النساء
عن أنس بن مالك قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يَقدم عليكم غدًا أقوام هم أرق قلوبًا للإسلام منكم (2) قال فقدم الأشعريون فيهم أبو موسى الأشعري رضي الله عنه فلما دنوا من المدينة جعلوا يرتجزون يقولون: (غدًا نلقى الأحبة ... محمدًا وحزبه) فلما أن قدموا تصافحوا فكانوا هم أول من أحدث المصافحة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬০
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ। সর্বপ্রথম যিনি মুসাফাহা করেছেন এবং মহিলাদের সঙ্গে মুসাফাহা মাকরূহ হওয়া প্রসঙ্গ।
৬০। উমায়মা বিনত রুকায়কা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি কয়েকজন মহিলার সঙ্গে নবী (ﷺ) এর নিকট বায়'আত গ্রহণের জন্য উপস্থিত হলাম। তারপর তিনি কুরআনে যা বর্ণিত হয়েছে أَنْ لَّا نُشْرِكَ بِاللَّهِ شَيْئًا الْآيَةُ (আমরা কোন কিছুকে আল্লাহর শরীক সাব্যস্ত করব না) এ বিষয়ে আমাদের নিকট হতে অঙ্গীকার নিলেন। তিনি বললেন, তোমরা একথাও বল যে, তোমরা তোমাদের সামর্থনুযায়ী এর অনুসরণ করবে। আমরা বললাম, আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূল আমাদের প্রতি আমাদের আত্মা অপেক্ষা বেশি দয়াশীল। আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আপনি কি আমাদের সঙ্গে মুসাফাহা করবেন না? তিনি বললেন, আমি মহিলাদের সঙ্গে মুসাফাহা করি না। একশতজন মহিলার প্রতি আমার বক্তব্য যেরূপ সেরূপ একজন মহিলার প্রতিও।
হাফিয ইবন কাসীর (র) বলেছেন, হাদীসটির সনদ সহীহ। তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন মাজাহ অন্য সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب أول من أحدث المصافحة وكراهة مصافحة النساء
عن أميمة بنت رُفَيْقة قالت أتيت النبي صلى الله عليه وسلم في نساء نبايعه فأخذ علينا ما في القرآن أن لا نشرك بالله شيئًا الآية، قال فبما استطعتن وأطعتن، قلنا الله ورسوله أرحم بنا من أنفسنا قلنا يا رسول الله ألا تصافحنا؟ قال إني لا أصافح النساء (4) إنما قولي لامرأة واحدة كقولي لمائة امرأة
tahqiq

তাহকীক: