মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৬৯ টি

হাদীস নং: ২১
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: শিশু ও মহিলাদেরকে সালাম দেওয়া।
২১। মুহাম্মদ ইবন জা'ফর (র) শু'বা (র) থেকে, তিনি ইয়াসার (র) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, একদা আমি সাবিত বুনানী (র)-এর সঙ্গে পদব্রজে চলছিলাম। তিনি একদল বালকের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাদেরকে সালাম করলেন এবং তিনি হাদীস বর্ণনা করলেন যে, একদা তিনি হযরত আনাস (রা)-এর সঙ্গে পদব্রজে চলছিলেন। তখন তিনি একদল বালকের পাশ দিয়ে গনমকালে তাদেরকে সালাম দেন এবং আনাস (রা) হাদীস বর্ণনা করলেন যে, একদা তিনি রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর সঙ্গে পদব্রজে চলছিলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদল বালকের পাশ দিয়ে গমনকালে তিনি তাদেরকে সালাম দেন। (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ, দারিমী)
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب السلام على الصبيان والنساء
حدثنا محمد بن جعفرعن شعبة عن يسار قال كنت أمشي مع ثابت البناني فمر بصبيان فسلم عليهم، وحدث أنه كان يمشي مع أنس رضي الله عنه فمر بصبيان فسلم عليهم، وحدث أنس أنه كان يمشي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فمر بصبيان فسلم عليهم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২২
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: শিশু ও মহিলাদেরকে সালাম দেওয়া।
২২। আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিমি বলেন, একদা নবী (ﷺ) একদল বালকের নিকট আসলেন। সে সময় তারা খেলাধুলা করছিল। তিনি তাদেরকে সালাম দিলেন। (ইবন মাজাহ, নাসাঈ) আবু দাউদ (র) ও মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب السلام على الصبيان والنساء
عن أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم أتى على صبيان وهم يلعبون فسلم عليهم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৩
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: শিশু ও মহিলাদেরকে সালাম দেওয়া।
২৩। তারই সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী (ﷺ) আমাদের পাশ দিয়ে গমন করলেন। আমরা তখন খেলাধুলা করছিলাম। তিনি বললেন, اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ يَا صِبْيَان (হে বালকেরা! তোমাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক।)
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ) আবূ দাউদ (র) ও মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب السلام على الصبيان والنساء
وعنه أيضًا قال مر علينا النبي صلى الله عليه وسلم ونحن نلعب فقال السلام عليكم يا صبيان
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৪
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: শিশু ও মহিলাদেরকে সালাম দেওয়া।
২৪। জাবির (রা) থেকে বর্ণিত যে, একদা (ﷺ) রাসূলুল্লাহ একদল মহিলাদের পাশ দিয়ে গমন করলেন এবং তাদেরকে সালাম দিলেন। হাদীসটি হায়সামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ, আবু ইয়া'লা, তবারানী বর্ণনা করেছেন। আহমাদের সূত্রে বর্ণনাকারী 'জাবির ইবন তারিক' অজ্ঞাত।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب السلام على الصبيان والنساء
عن جرير أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بنساء فسلم عليهن
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিতাবীদেরকে প্রথমে সালাম দেওয়া নিষেধ।
২৫। আবু কামিল (র) যুহায়র (র) থেকে, তিনি সুহায়ল ইবন আবি সালিহ (র) থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন তোমরা তাদের সঙ্গে মিলিত হও, অন্য বর্ণনায় যখন তোমরা মুশরিকদের সঙ্গে রাস্তায় মিলিত হও, তখন তোমরা তাদেরকে প্রারম্ভে সালাম দিবে না। আর তাদেরকে সংকীর্ণতর পথে চলতে বাধ্য করবে। বর্ণনাকারী যুহায়র (র) বলেন, আমি সুহায়ল (র)-কে বললাম, ইয়াহুদ ও নাসারার সঙ্গে মিলিত হলে? তিনি বললেন, মুশরিকদের সঙ্গে মিলিত হলে।
(দ্বিতীয় সূত্রে তার থেকে বর্ণিত।) তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ইয়াহুদ ও নাসারাকে প্রারম্ভে সালাম দিবে না। তাদের সঙ্গে পথে মিলিত হলে, তাদেরকে সংকীর্ণতর অংশে চলতে বাধ্য করবে।
(মুসলিম, তিরমিযী)
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب النهي عن ابتداء أهل الكتاب بالسلام
حدثنا أبو كامل ثنا زهير ثنا سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا لقيتموهم (وفي رواية) إذا لقيتم المشركين في طريق فلا تبدءوهم (1) واضطروهم إلى أضيقها (2) قال زهير فقلت لسهيل اليهود والنصارى؟ فقال المشركون (3) (وعنه من طريق ثان) (4) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تبدءوا اليهود والنصارى بالسلام، فإذا لقيتموهم في طريق فاضطروهم إلى أضيقها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৬
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিতাবীদেরকে প্রথমে সালাম দেওয়া নিষেধ।
২৬। আবু আবদির রহমান জুহানী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আমি আগামীকাল ইয়াহুদীদের নিকট যাব। সুতরাং তোমরা (সেখানে গিয়ে) তাদেরকে আগে সালাম দিবে না। যদি তারা তোমাদেরকে সালাম দেয়, তবে তোমরা বলবে وَعَلَيْكُمْ (তোমাদের ওপরও)। (ইবন মাজাহ, তাহাবী)
বূসীরী (র) বলেছেন, হাদীসটির বর্ণনাকারী মুহাম্মদ ইবন ইসহাক মুদাল্লিস।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب النهي عن ابتداء أهل الكتاب بالسلام
عن أبي عبد الرحمن الجهني قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أني راكب غدا إلى يهود فلا تبدءوهم بالسلام، فإذا سلموا عليكم فقولوا وعليكم
হাদীস নং: ২৭
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিতাবীদেরকে প্রথমে সালাম দেওয়া নিষেধ।
২৭। আবূ বসরা গিফারী (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা রয়েছে।
(নাসাঈ) হাদীসটির সনদ ভাল।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب النهي عن ابتداء أهل الكتاب بالسلام
وعن أبي بصرة الغفاري عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৮
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিতাবীদের সালামের জবাবে কী বলতে হবে।
২৮। ইবন উমর (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। ইয়াহুদী তোমাকে সালাম দেওয়ার সময় বলে السَّامُ عَلَيْكَ (তোমার মরণ হোক)। তখন তুমি বলবে وَعَلَيْكَ (তোমারও হোক)। (বুখারী, মুসলিম, মালিক, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ)
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما يقال في رد السلام على أهل الكتاب
عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم إذا سلم عليك اليهودي فإنما يقول السام عليكم (2) فقل وعليك (3) وقال مرة إذا سلم عليكم اليهود فقولوا وعليكم فإنهم يقولون السام عليكم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিতাবীদের সালামের জবাবে কী বলতে হবে।
২৯। আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন তোমাদেরকে আহলে কিতাবের (ইয়াহূদ ও নাসারা) কেউ সালাম দেয়, তখন তুমি বলবে وَعَلَيْكَ (তোমাদের ওপরও)। (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, ইবন মাজাহ)
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما يقال في رد السلام على أهل الكتاب
عن أنس بن مالك قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا سلم عليكم أهل الكتاب فقولوا وعليكم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩০
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিতাবীদের সালামের জবাবে কী বলতে হবে।
৩০। তারই সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা জনৈক ইয়াহূদী নবী (ﷺ) এর নিকট আসল। সে সময় তিনি তার সাহাবীদের সঙ্গে ছিলেন। সে বলল, السَّامُ عَلَيْكُمْ (তোমাদের মরণ হোক)। লোকেরা তার জবাব দিল। নবী (ﷺ) বললেন, তোমরা জান সে কী বলেছেন? তারা বলল, হ্যাঁ, সে বলেছে السَّامُ عَلَيْكُمْ (তোমাদের মরণ হোক)। নবী (ﷺ) বললেন, তোমরা লোকটিকে আমার নিকট ফিরিয়ে আন। তারপর তারা তাকে ফিরিয়ে আনলে নবী (ﷺ) তাকে বললেন, তুমি কি এরূপ এরূপ কথা উচ্চারণ করেছ? সে বলল, হ্যাঁ। তখন নবী (ﷺ) বললেন, যখন তোমাদেরকে আহলে কিতাবের (ইয়াহূদ ও নাসারা) কেউ সালাম দেয় তখন তোমরা বলবে عَلَيْكَ (বরং তোমার ওপর)। অর্থাৎ তুমি যা বললে তা তোমার ওপর আপতিত হোক। (বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما يقال في رد السلام على أهل الكتاب
وعنه أيضًا أن يهوديًا أتي النبي صلى الله عليه وسلم وهو مع أصحابه فقال السام عليكم، فرد عليه القوم، فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم أتدرون ما قال؟ قالوا نعم، قال السام عليكم، قال ردوا علىَّ الرجل، فردوه، فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم قلت كذا وكذا؟ قال: نعم، فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم إذا سلم عليكم أحد من أهل الكتاب فقولوا عليك، أي عليك ما قلت
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩১
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিতাবীদের সালামের জবাবে কী বলতে হবে।
৩১। হিশাব ইবন যায়দ ইবন আনাস (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস (রা)-কে বলতে শুনেছি, একদা আহলে কিতাবের জনৈক ব্যক্তি এসে নবী (ﷺ) কে সালাম দিল। সে বলল, السَّامُ عَلَيْكُمْ (তোমাদের মরণ হোক)। তখন উমর (রা) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কি তার গর্দান উড়িয়ে দেব না? তিনি বললেন, না। যখন তারা তোমাদেরকে সালাম দিবে তখন তোমরা বলবে وَعَلَيْكُمْ (এবং তোমাদেরও হোক)। (তায়ালিসী) হায়সামী (র) বলেছেন, হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما يقال في رد السلام على أهل الكتاب
عن هشام بن زيد بن أنس قال سمعت أنسا يقول جاء رجل من أهل الكتاب فسلم على النبي صلى الله عليه وسلم فقال السام عليكم، فقال يا رسول الله ألا أضر عنقه؟ قال لا، إذا سلموا عليكم فقولوا وعليكم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩২
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিতাবীদের সালামের জবাবে কী বলতে হবে।
৩২। আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা ইয়াহুদীরা নবী (ﷺ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল اَلسَّامُ عَلَيْكَ (আপনার মরণ হোক)। তখন নবী বললেন, السَّامُ عَلَيْكُمْ (বরং তোমাদের মরণ হোক)। এরপর আয়েশা (রা) বললেন, السَّامُ عَلَيْكُمْ يَا إِخْوَانَ الْقِرَدَةِ وَالْخَنَازِيْرُ وَلَعْنَةُ اللَّهِ وَغَضَبُهُ (হে শুকর ও বানরের ভাইয়েরা! তোদের মরণ হোক এবং তোদের ওপর আল্লাহর লানত ও গযব আপতিত হোক)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, হে আয়েশা! চুপ কর। তিনি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তারা যা বলেছে আপনি কি তা শুনতে পান নি? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আমি তাদেরকে যে জবাব দিয়েছি তুমি কি সেটা শুনতে পাও নি? হে আয়েশা! নম্রতা যে কোন বিষয়ে এসেছে তাকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছে আর যে কোন বিষয় থেকে তা বিদূরিত হয়েছে তাকে কলুষিত করেছে। (অন্য বর্ণনায় অতিরিক্ত আছে) আল্লাহ সর্ববিষয়ে নম্রতা পছন্দ করেন। (বুখারী)
মুসলিমে ইহার সমার্থক হাদীস বর্ণনা করেছেন।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما يقال في رد السلام على أهل الكتاب
عن أنس بن مالك أن اليهود دخلوا على النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا السام عليك فقال النبي صلى الله عليه وسلم السام عليكم، فقالت عائشة رضي الله عنها السام عليكم يا إخوان القدرة والخنازير ولعة الله وغضبه، فقال يا عائشة مه (1) فقالت يا رسول الله أما سمعت ما قالوا؟ قال أو ما سمعت ما وردت عليهم، يا عائشة لم يدخل الرفق في شيء إلا زانه، ولم ينزع من شيء إلا شأنه (2) (زاد في رواية) أن الله يحب الرفق في الأمر كله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৩
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিতাবীদের সালামের জবাবে কী বলতে হবে।
৩৩। আবদুল্লাহ ইবন আবি বাকর ইবন মুহাম্মাদ ইবন 'আমর ইবন হাযম (র) তার পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, একদা ইয়াহুদী (নবী (ﷺ) এর নিকট) উপস্থিত হয়ে বলল اَلسَّامُ عَلَيْكَ (আপনার মরণ হোক)। তখন তিনি বললেন, علیکم (বরং তোমাদের হোক)। এরপর 'আয়েশা (রা) বললেন, عَلَيْكُمْ لَعْنَةُ اللَّهِ وَلَعْنَةُ اللَّاعِنِينَ (তোমাদের ওপর আল্লাহর এবং সমস্ত লা'নতকারীর লা'নত)। তারা বলল, আপনার পিতা তো অশ্লীল কথা বলতেন না। তারপর তারা বের হয়ে গেলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেন, তুকি কি জন্য এরূপ আচরণ করেছ? তিনি বললেন, তারা যা বলেছে আপনি কি তা শুনতে পান নি? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তুমি কি আমাকে দেখ নি আমি তাদের জবাবে عَلَيْكُمْ(বরং তোমাদের হোক) বলেছি? নিশ্চয়ই আমি তাদেরকে যা বলেছি তা তাদের ওপর আপতিত হবে কিন্তু তারা আমাকে যা বলেছে তা আমার ওপর আপতিত হবে না।(বুখারী) মুসলিম সমার্থক ভিন্ন ভিন্ন শব্দে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما يقال في رد السلام على أهل الكتاب
عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرة بن حزم عن أبيه عن عائشة رضي الله عنها قالت دخل ناس من اليهود فقالوا السام عليك، فقال عليكم فقالت عائشة عليكم لعنة الله ولعنة اللاعنين، قالوا ما كان أبوك فحاشًا (4) فلما خرجوا قال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم ما حملك على ما صنعا؟ قالت أما سمعت ما قالوا؟ قال فما رأيتيني قلت عليكم: إنهم يصيبهم ما أقول لهم ولا يصيبني ما قالوا لي
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৪
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিতাবীদের সালামের জবাবে কী বলতে হবে।
৩৪। মুহাম্মাদ ইবন আশ'আস (র) সূত্রে আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি নবী (ﷺ) এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। সে সময় এক ইয়াহুদী (তার নিকট আসার জন্য) অনুমতি চাইলে তাকে তিনি অনুমতি দেন। সে এসে এক ইয়াহুদী (তার নিকট আসার জন্য) অনুমতি চাইলে তাকে তিনি অনুমতি দেন। সে এসে বলল اَلسَّامُ عَلَيْكَ (আপনার মরণ হোক)। তখন নবী (ﷺ) বললেন, وَعَلَيْكَ (এবং তোমারও হোক।) আয়েশা (রা) বলেন, সে সময় আমি কথা বলতে চেয়েছিলাম। তিনি বলেন, তারপর সে পুনরায় আসল এবং অনুরূপ বাক্য উচ্চারণ করল। নবী (ﷺ) তখনও বললেন, وَعَلَيْكَ (তোমারও হোক)। তিনি বলেন, তারপর সে তৃতীয়বারও আসল এবং বলল السَّامُ عَلَيْكَ (আপনার মরণ হোক)। আয়েশা (রা) বলেন, তখন আমি বললাম بَلِ السَّامُ عَلَيْكُمْ وَغَضَبُ الله إِخْوَانَ الْقِرَدَةِ وَالْخَنَازِيرِ (বানর ও শুকরেরা! বরং তোমাদের মরণ হোক এবং তোমাদের ওপর আল্লাহর গযব অবতীর্ণ হোক।) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে তোমরা এমন বাক্য উচ্চারণ করে অভিবাদন কর যা দ্বারা আল্লাহ তাকে অভিবাদন করেন নি। তিনি বলেন, এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, থাম। নিশ্চয়ই আল্লাহ অশ্লীলতা ও অশ্লীলতার ছল পছন্দ করেন না। তারা এক কথা বলেছে, আমরা সেটার জবাবও দিয়েছি। এটা আমাদের কোন ক্ষতি করে নি। কিন্তু (আমরা যা বলেছি) সেটা কিয়ামত পর্যন্ত তাদের জন্য কলংক হয়ে থাকবে। নিশ্চয়ই তারা আমার প্রতি জুম'আর দিন নিয়ে যার দিকে তিনি আমাদেরকে পথনির্দেশ করেছেন আর তাদেরকে পথচ্যুত করেছেন- এবং ইমামের পিছনে আমাদের آمِينَ বলা নিয়ে যেরূপ হিংসা করে সেরূপ হিংসা অন্য কোন বিষয় নিয়ে করে না। হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদে অজ্ঞাত বর্ণনাকারী রয়েছে। (বুখারী, মুসলিম ঘটনার মূল অংশ বর্ণনা করেছেন।)
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما يقال في رد السلام على أهل الكتاب
عن محمد بن الأشعث عن عائشة رضي الله عنها قالت بينا أنا عند النبي صلى الله عليه وسلم إذا استأذن رجل من اليهود فأذن له، فقال السام عليك، فقال النبي صلى الله عليه وسلم وعليك، قالت فهممت أن أتكلم قالت ثم دخل الثانية (7) فقال مثل ذلك، فقال النبي صلى الله عليه وسلم وعليك، قالت ثم دخل الثالثة فقال السام عليك، قالت بل السام عليكم وغضب الله إخوان القردة والخنازير، أتحيون رسول الله صلى الله عليه وسلم بما يم يحيه به الله؟ قالت فنظر إليّ (8) فقال مه أن الله لا يحب الفحش (9) ولا التفحش، قالوا قلا فرددناه عليهم فلم يضرنا (10) شيئًا ولزمهم إلى يوم القيامة، أنهم لا يحسدونا على شيء كما يحسدونا على يوم الجمعة (11) التي هدانا الله بها وضلوا عنها، وعلى القبلة (12) التي هدانا الله بها وضلوا عنها، وعلى قولنا خلف الإمام آمين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৫
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিতাবীদের সালামের জবাবে কী বলতে হবে।
৩৫। আবূ যুবায়র (র) থেকে বর্ণিত। তিনি জাবির (রা)-কে বলতে শুনেছেন যে, একদা নবী (ﷺ) কে একদল ইয়াহুদী সালাম দিল। তারা বলল, السَّامُ عَلَيْكَ يَا أَبَا الْقَاسِمِ (হে আবুল কাসিম! আপনার মরণ হোক)। তখন তিনি বললেন, وَعَلَيْكُمْ (এবং তোমাদেরও হোক)। এরপর আয়েশা (রা) রাগান্বিত হয়ে বললেন, তারা যা বলেছে সেটা কি আপনি শুনতে পান নি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, নিশ্চয়ই আমি শুনতে পেয়েছি এবং তাদের জবাবও দিয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে আমাদের দু'আ কবুল হয়; কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধে তাদের দু'আ কবুল হয় না। (মুসলিম)
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب ما يقال في رد السلام على أهل الكتاب
عن أبي الزبير أنه سمع جابر بن عبد الله يقول سلم ناس من اليهود على النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا 35 السام عليك يا أبا القاسم، فقال وعليكم، فقالت عائشة رضي الله عنها وغضبت ألم تسمع ما قالوا؟ قال بلى قد سمعت فرددتها عليهم وأنا نجاب عليهم (2) ولا يجابون علينا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৬
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অনুমতি চাওয়া এবং তার আদব প্রসঙ্গ

পরিচ্ছেদ: অনুমতি চাওয়ার আদব।
৩৬। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাহাবী আবদুল্লাহ ইবন বুসর মাযিনী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কারো বাড়ী গেলে তার দেওয়ালের পাশে দাঁড়াতেন, দরজার মুখোমুখি দাঁড়াতেন না।
(দ্বিতীয় সূত্রে তার থেকে বর্ণিত।) তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কারো দরজায় (প্রবেশের) অনুমতি নেওয়ার উদ্দেশ্যে দাঁড়ালে তার মুখোমুখি দাঁড়াতেন না। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি দরজার পাশ দিয়ে হাটতে হাটতে অনুমতি চাইতেন। এরপর অনুমতি দিলে প্রবেশ করতেন; তা না হলে ফিরে যেতেন। আবূ দাউদ। মুনযিরী (র) বলেছেন, হাদীসটির বর্ণনাকারী বাকিয়্যা ইবনুল ওয়ালীদ বিতর্কিত।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
أبواب الاستئذان وكيفيته وآدابه

باب آداب الاستئذان
عن عبد الله بن بسر المازني صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم 36 قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أتى بيت قوم أتاه مما يلي جداره ولا يأتيه مستقبلا بابه
وعنه من طريق ثان قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا جاء الباب يستأذن لم يستقبله يقول يمشى مع الحائط حتى يستأذن فيؤذن له أو ينصرف
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৭
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: অনুমতি চাওয়ার আদব।
৩৭। মুহাম্মাদ ইবন মুকতাদির (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জাবির ইবন আবদিল্লাহ (রা)- কে বলতে শুনেছি, একদা আমি নবী (ﷺ) এর নিকট অনুমতি চাইলে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কে? আমি বললাম, আমি। তখন নবী (ﷺ) বললেন, আমি! আমি। যেন তিনি আমি বলাকে অপছন্দ করলেন। (বুখারী, মুসলিম ও ইমাম চতুষ্টয়)
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب آداب الاستئذان
عن محمد بن المنكدر قال سمعت جابر بن عبد 37 الله رضي الله عنهما قال استأذنت على النبي صلى الله عليه وسلم (7) فقال من ذا (8) فقلت أنا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم أنا أنا (9) قال محمد كأنه كره قوله أنا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৮
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: পর্দা খোলা ও অনুমতি প্রাপ্তির পূর্বে ভিতরে দৃষ্টি দেওয়া নিষিদ্ধ এবং এর প্রতি কঠোরবাণী।
৩৮। আবু যর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি অনুমতি প্রাপ্তির পূর্বে কারো পর্দা খুলে ভিতরে দৃষ্টি রাখে, সে একটা অন্যায় কাজ করল। এটা করা তার জন্য হালাল হবে না। যদি কোন ব্যক্তি তার চোখ ফুড়িয়ে দেয় তবে এতে কোন দণ্ড আসবে না। যদি কোন ব্যক্তি পর্দাবিহীন দরজার পাশ গিয়ে গমন করে এবং ভিতরে কোন লোকের গুপ্তাংগ দেখে ফেলে তবে এটা দোষনীয় হবে না। দোষ হবে বাড়ীর লোকদের। (তিরমিযী)
তিনি বলেছেন, হাদীসটি গারীব। এর সনদে বর্ণনাকারী ইবন লাহী'আ সমালোচিত।
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب النهي عن كشف الستر أو النظر منه قبل الإذن ووعيد فاعله
عن أبي ذر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أيما رجل كشف سترا فأدخل بصره من قبل أن يؤذن له فقد أتى حدا (2) لا يحل له أن يأتيه، ولو أن رجلا فقأ عينه لهدرت (3) ولو أن رجلا مر على باب لا ستر له فرأى عورة أهله (4) فلا خطيئة عليه (5) إنما الخطيئة 39 على أهل البيت
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৯
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: পর্দা খোলা ও অনুমতি প্রাপ্তির পূর্বে ভিতরে দৃষ্টি দেওয়া নিষিদ্ধ এবং এর প্রতি কঠোরবাণী।
৩৯। সাহল ইবন সা'দ সা'ঈদী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার হুজরার আড়াল হতে উঁকি মেরে তাকাল। সে সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর হাতে একটি চিরুনী ছিল। (অন্য বর্ণনায়ঃ) তিনি এটা দিয়ে স্বীয় মাথা চুলকাতেন।) তিনি বললেন, যদি জানতাম যে, সে আমার দিকে তাকাচ্ছে আর আমি তার নিকট আসা পর্যন্ত সে এ অবস্থায়ই আছে, তবে অবশ্যই আমি চিরুনি দ্বারা তার চোখদ্বয় আঘাত করতাম। অনুমতি চাওয়ার বিধান কেবল চোখের কারণেই দেওয়া হয়েছে। (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী)
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب النهي عن كشف الستر أو النظر منه قبل الإذن ووعيد فاعله
عن سهل بن سعد الساعدي أن رجلا أطلع على النبي صلى الله عليه وسلم من ستر حجرته وفي يد النبي صلى الله عليه وسلم مدرى (8) (وفي رواية يحك بها رأسه) (9) فقال لو أعلم أن هذا ينظرني حتى آتيه (10) لطعنت بالمدرى في عيليه: وهل جعل الاستئذان إلا من أجل البصر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪০
সালাম, (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাওয়া এবং অন্যান্য বিষয়ের আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: পর্দা খোলা ও অনুমতি প্রাপ্তির পূর্বে ভিতরে দৃষ্টি দেওয়া নিষিদ্ধ এবং এর প্রতি কঠোরবাণী।
৪০। আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (ﷺ) রাসূলুল্লাহ মার বলেছেন, যে ব্যক্তি কারো ঘরের ভিতর তার অনুমতি ব্যতীত উঁকি দিবে তবে তার চোখ ফুঁড়ে দেওয়া সে লোকের জন্য বৈধ হবে। (মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب السلام والاستئذان وآداب أخرى
باب النهي عن كشف الستر أو النظر منه قبل الإذن ووعيد فاعله
عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وعلى آله وصحبه وسلم من اطلع على قوم في بيتهم بغير إذنهم فقد حل لهم أن يفقئوا عينه
tahqiq

তাহকীক: