মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
আদব অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৬৯ টি
হাদীস নং: ৪১
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ। নখ ও নাভির নিম্নস্থ পশম কাটা এবং আঙ্গুলের গিরার ময়লা পরিষ্কার করা।
৪১। ইবন আব্বাস (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত যে, তাকে জিজ্ঞাসা করা হল, ইয়া রাসূলুল্লাহ(ﷺ)। জিবরাঈল (আ) আপনার নিকট আসতে বিলম্ব করেছেন। সে সময় তিনি বললেন, তিনি তো বিলম্ব করবেনই। কেননা, তোমরা আমার পাশে রয়েছ। অথচ তোমরা মিসওয়াক ব্যবহার কর না, তোমাদের নখ কাট না, গোঁফ কাট না এবং আঙ্গুলের গিরার ময়লা পরিষ্কার কর না।
(তবারানী)
হাদীসটির সূত্রে বর্ণনাকারী আবু কা'ব সম্বন্ধে আবু হাতিম (র) বলেছেন, তিনি অজ্ঞাত, তার সূত্রে অন্য কোন হাদীস বর্ণিত নেই।
(তবারানী)
হাদীসটির সূত্রে বর্ণনাকারী আবু কা'ব সম্বন্ধে আবু হাতিম (র) বলেছেন, তিনি অজ্ঞাত, তার সূত্রে অন্য কোন হাদীস বর্ণিত নেই।
كتاب الأدب
باب ما جاء في تقليم الأظافر وحلق العانة وانقاء الرواجب
عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قيل له يا رسول الله لقد أبطأ عنك جبريل علي السلام، فقال ولم لا يبطئ عنى وأنتم حولى ولا تستنّون (8) ولا تقلمون أظفاركم ولا تقصون شواربكم ولا تنقون رواجبكم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ। নখ ও নাভির নিম্নস্থ পশম কাটা এবং আঙ্গুলের গিরার ময়লা পরিষ্কার করা।
৪২। সাওয়াদা ইবন রাবী' (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে তার কাছে যাচনা করলাম। তিনি আমাকে একটি উট দেওয়া নির্দেশ দিলেন। এরপর বললেন, যখন তুমি তোমার বাড়ী যাবে, তখন লোকদেরকে নির্দেশ দিবে, তারা যেন উটশাবকগুলোর খাদ্যের ব্যাপারে যত্ন নেয় (অর্থাৎ তাদের মায়ের সন্তান হতে যেন দুধ দোহন না করে।) এবং তাদেরকে এও নির্দেশ দিবে যেন তারা তাদের নখ কেটে নেয় এবং দুধ দোহনের সময় এর দ্বারা যেন তাদের পশুর ওলান খামচে না ধরে।
(তবারানী) হাদীসটির সূত্রে বর্ণনাকারী মুরাজা ইবন রাজা-কে আবূ যুর'আ (র) ও অন্যান্যরা নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তবে ইবন মা'ঈন (র) ও আরো অনেকে তাকে দুর্বল বলেছেন। এ ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।
(তবারানী) হাদীসটির সূত্রে বর্ণনাকারী মুরাজা ইবন রাজা-কে আবূ যুর'আ (র) ও অন্যান্যরা নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তবে ইবন মা'ঈন (র) ও আরো অনেকে তাকে দুর্বল বলেছেন। এ ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।
كتاب الأدب
باب ما جاء في تقليم الأظافر وحلق العانة وانقاء الرواجب
عن سوادة بن الربيع قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فسألته فأمر لي بذود (11) ثم قال لي إذا رجعت إلى بيتك فمرهم فليحسنوا غذاء رباعهم ومرهم فلقلموا أظفارهم ولا يعبطوا (1) بها ضروع مواشيهم إذا حلبوا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: লম্বা চুল রাখার বৈধতা এবং এটাকে সম্মান দান করা প্রসঙ্গ।
৪৩। আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) এর কেশ মোবারক তাঁর কানের অর্ধাংশ পর্যন্ত ছিল। অন্য শব্দে তার কেশ মোবারক তাঁর দু'কান অতিক্রম করত না। (মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ)
তারই সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কেশ মোবারক তাঁর দু'কাধ স্পর্শ করত। (মুসলিম ও অন্যান্য)
তারই সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কেশ মোবারক তাঁর দু'কাধ স্পর্শ করত। (মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب الأدب
باب جواز اتخاذ الشعر وإكرامه
عن أنس قال كان شعر النبي صلى الله عليه وسلم إلى أنصاف أذنيه (3) وفي لفظ لا يجاوز أذنيه (وعنه أيضاً) (4) قال كان لرسول الله شعر يصيب (وفي لفظ يضرب) منكبيه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৪
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: লম্বা চুল রাখার বৈধতা এবং এটাকে সম্মান দান করা প্রসঙ্গ।
৪৪। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর কেশ মোবারক কাঁধের ওপর ও কানের লতির নীচ পর্যন্ত ছিল। (আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ) তিরমিযী (র) হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।
كتاب الأدب
باب جواز اتخاذ الشعر وإكرامه
عن عائشة رضي الله عنها قالت كان شعر رسول الله صلى الله عليه وسلم دون الجمة (6) وفوق الوفرة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৫
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: লম্বা চুল রাখার বৈধতা এবং এটাকে সম্মান দান করা প্রসঙ্গ।
৪৫। উম্মু হানী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর আমাদের নিকট আসলেন। তখন তার মাথায় চারটি জুলফি ছিল। (আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ)
তিরমিযী (র) হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। আবু দাউদ (র) মুনযিরী (র) এটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।
তিরমিযী (র) হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। আবু দাউদ (র) মুনযিরী (র) এটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।
كتاب الأدب
باب جواز اتخاذ الشعر وإكرامه
عن أم هانئ قالت قدم النبي صلى الله عليه وسلم مكة مرة وله أربع غدائر
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: লম্বা চুল রাখার বৈধতা এবং এটাকে সম্মান দান করা প্রসঙ্গ।
৪৬। আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবন ঈসা (র)। তিনি বলেন, আমার কাছে ইবরাহীম ইবন সা'ঈদ (র) যুহরী (র) থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবন ইয়াকুব (র) বলেন, আমার কাছে আমার পিতা ইবন শিহাব (র) থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবন আবদিল্লাহ (র) থেকে এবং তিনি ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন, মুশরিকরা তাদের মাথায় সিঁথি কাটত। আর কিতাবীগণ (তাদের চুল) ফুলিয়ে রাখত। বর্ণনাকারী ইয়াকুব (র) বলেন, তাদের চুল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আহলে কিতাবের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখাকে পছন্দ করতেন। বর্ণনাকারী ইয়াকুব (র) বলেন, যে সব বিষয়ে তাঁকে কোন নির্দেশ দেওয়া হয় নি তার কোন কোনটিতে বর্ণনাকারী ইহসাক (র) বলেন, যে সব বিষয়ে তাকে কোন নির্দেশ দেওয়া হয় নি তাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর তার সম্মুখভাগের চুল পেছনে রাখতেন। পরবর্তী সময় তিনি সিঁথি কেটেছেন।
(বুখারী, মুসলিম ও ইমামচতুষ্ঠয়)
(বুখারী, মুসলিম ও ইমামচতুষ্ঠয়)
كتاب الأدب
باب جواز اتخاذ الشعر وإكرامه
حدّثنا اسحق ابن عيس حدثنى ابراهيم يعنى ابن سعيد عن الزهرى قال ابن يعقوب حدثنى أبى عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس قال كان المشركون يفرقون (10) رؤوسهم وكان أهل الكتاب يسدلون (1) قال يعقوب (2) أشعارهم، وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يحب ويعجبه موافقة أهل الكتاب (3) قال يعقوب في بعض ما لم يؤمر، قال اسحاق فيما لم يؤمر فيه، فسدل ناصيته ثم فرق بعد
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৭
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: লম্বা চুল রাখার বৈধতা এবং এটাকে সম্মান দান করা প্রসঙ্গ।
৪৭। আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যতদিন আল্লাহ ইচ্ছা করেছেন ততদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর কেশ মুবারক স্বীয় কপালে ঝুলিয়ে রেখেছেন। পরবর্তী সময় তিনি সিঁথি কাটতেন।
হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হায়সামী (র) বলেছেন, আহমাদ (র)-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।
হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হায়সামী (র) বলেছেন, আহমাদ (র)-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।
كتاب الأدب
باب جواز اتخاذ الشعر وإكرامه
عن أنس قال سدل رسول الله صلى الله عليه وسلم ناصيته ما شاء الله أن يسدلها ثم فرق بعدٌ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: লম্বা চুল রাখার বৈধতা এবং এটাকে সম্মান দান করা প্রসঙ্গ।
৪৮। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মাথায় সিথি কাটতাম, তখন তার মাথার মধ্যস্থল হতে সিঁথি কাটতাম এবং তার মাথার সামনের চুল তাঁর দুই কানপট্টি ঝুলিয়ে দিতাম। (আবূ দাউদ) মুনযিরী (র) বলেছেন, হাদীসটি সনদে বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক সমালোচিত।
كتاب الأدب
باب جواز اتخاذ الشعر وإكرامه
عن عائشة رضي الله عنها قالت كنت اذا فرقت لرسول الله صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم رأسه صدعت فرقة (6) عن يافوخه وأرسلت ناصيته بين صدغيه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: লম্বা চুল রাখার বৈধতা এবং এটাকে সম্মান দান করা প্রসঙ্গ।
৪৯। হুরায়রা ইবন ইয়ারীম (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আলী (রা)-এর সঙ্গে ছিলাম। সে সময় তিনি তার উসমান নামক ছেলেকে ডাকেন। তার (মাথায়) ঝুলন্ত বেণী ছিল।
হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ সহীহ।
হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ সহীহ।
كتاب الأدب
باب جواز اتخاذ الشعر وإكرامه
عن هبيرة بن يريم قال كنا مع على رضي الله تبارك وتعالى عنه فدعا ابنا له يقال له عثمان له ذؤابة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫০
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: লম্বা চুল রাখার বৈধতা এবং এটাকে সম্মান দান করা প্রসঙ্গ।
৫০। আবদুল্লাহ ইবন মুগাফফাল মুযানী (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) (প্রত্যেহ) চুল আঁচড়াতে নিষেধ করেছেন। তবে বিরতি দিয়ে দিয়ে আঁচড়ালে সেটার অনুমতি আছে। (আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী) তিরমিযী (র) ও ইবন হিব্বান (র) হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।
كتاب الأدب
باب جواز اتخاذ الشعر وإكرامه
عن عبد الله بن مغفل المنى أن النبي صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم نهى عن الترجل (3) إلا غبّا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫১
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মাথার কিছু অংশ কামানো আর কিছু রেখে দেওয়া মাকরূহ এবং চুল মুণ্ডানোর অবকাশ প্রসঙ্গ।
৫১। উমর ইবন নাফি' (র) তার পিতা থেকে, তিনি ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কাযা' হতে নিষেধ করেছেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কাযা' কি? তিনি বললেন, বালকের মাথার কিছু অংশ কামানো আর কিছু অংশ রেখে দেওয়া। (বুখারী, মুসলিম, আবূ দাউদ, নসাঈ, ইবন মাজাহ)
كتاب الأدب
باب ما جاء في كراهية القزع والرخصة في حلق الشعر
عن عمر بن نافع عن أبيه عن ابن عمر رضي الله عنهما قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن القزع (5) قلت وما القزع؟ قلت أن يحلق رأس الصبى ويترك بعضه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মাথার কিছু অংশ কামানো আর কিছু রেখে দেওয়া মাকরূহ এবং চুল মুণ্ডানোর অবকাশ প্রসঙ্গ।
৫২। ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) এক বালককে দেখলেন, তার মাথার চুলের কিছু অংশ কামানো হয়েছে আর কিছু অংশ রেখে দেওয়া হয়েছে। তখন তিনি এরূপ করতে নিষেধ করলেন এবং বললেন, হয়ত মাথার পুরা অংশ মুড়িয়ে দাও অথবা পুরোটা ছেড়ে দাও। (আবু দাউদ, নাসাঈ) হাদীসটির সনদ সহীহ।
كتاب الأدب
باب ما جاء في كراهية القزع والرخصة في حلق الشعر
عن ابن عمر أيضاً أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى صبيا قد حلق بعض شعره وترك بعضه فنهى عن ذلك، وقال أحلقوا كله أو اتركوا كله
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মাথার কিছু অংশ কামানো আর কিছু রেখে দেওয়া মাকরূহ এবং চুল মুণ্ডানোর অবকাশ প্রসঙ্গ।
৫৩। আবদুল্লাহ ইবন জা'ফর (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জা'ফর (রা)-এর পরিবারকে তিন দিন (শোক পালনের জন্য) অবকাশ দিলেন। এরপর তিনি এসে বললেন, আজকের পর তোমরা আমার ভাইয়ের ওপর কেঁদো না। অথবা বললেন, আগামীকালের পর। আমার ভ্রাতুষ্পুত্রদ্বয়কে ডেকে আন। বর্ণনাকারী বলেন, আমাদেরকে আনা হল। তখন আমরা পাখীর বাচ্চার মত ছিলাম। তিনি বললেন, তোমরা আমার নিকট একজন নাপিত ডেকে আন। এরপর নাপিত ডেকে আনা হলে সে আমাদের মাথা মুন্ডিয়ে দেয়। এটা একটি দীর্ঘ হাদীসের অংশ। জিহাদ অধ্যায়ে বিস্তারিত বর্ণনা করা হবে।
كتاب الأدب
باب ما جاء في كراهية القزع والرخصة في حلق الشعر
عن عبد الله بن جعفر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمهل آل جعفر ثلاثا أن يأتيهم ثم أتاهم فقال لا تبكوا على أخى بعد اليوم أو غدا، إليّ ابني أخى قال فجئ بنا كأنا أفرخ فقال ادعو إلىّ الحلاق، فجئ بالحلاق فحلق رؤوسنا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৪
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হাই, হাঁচি এবং এতদসংক্রান্ত আদব
পরিচ্ছেদ: হাই এবং তার আদব
পরিচ্ছেদ: হাই এবং তার আদব
৫৪। আবূ সা'ঈদ খুদরী (র)-এর পুত্রের সূত্রে তার পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন তোমাদের কারো হাই আসে, তখন সে যেন যথাসম্ভব তা প্রতিহত করে। কেননা, (সে সময়) শয়তান তার মুখের ভিতর প্রবেশ করে। (মুসলিম, আবূ দাউদ)
كتاب الأدب
أبواب التثاؤب والعطاس وآدابهما
باب ما جاء في التثاؤب وآدابه
باب ما جاء في التثاؤب وآدابه
عن ابن أبى سعيد الخدرى عن أبيه قال قال رسول لله صلى الله عليه وسلم إذا تثاءب أحدكم فلكظم ما استطاع فإن الشيطان يدخل في فيه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৫
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: হাই এবং তার আদব
৫৫। তারই সূত্রে তার পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন তোমাদের কারো সালাত আদায়রত অবস্থায় হাই আসে, তখন সে যেন তার মুখে হাত রাখে। কেননা, হাই উঠাকালে শয়তান মুখের ভিতর প্রবেশ করে। (মুসলিম, আবু দাউদ)
كتاب الأدب
باب ما جاء في التثاؤب وآدابه
وعنه أيضاً عن أبيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا تثاءب أحدكم في الصلاة (4) فليضع يده على فيه فإن الشيطان يدخل مع التثاؤب
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: হাই এবং তার আদব
৫৬। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন। আল্লাহ হাঁচি পছন্দ করেন আর হাই তোলা অপছন্দ করেন। যখন কেউ হাঁচি দিয়ে 'আলহামদুল্লিাহ' (আল্লাহর প্রশংসা) বলে, তখন প্রত্যেক মুসলমান যারা এটা শুনে তাদের কর্তব্য يَرْحَمُكَ اللهُ (আল্লাহ তোমার ওপর রহম করুন) বলা। যখন তোমাদের কারো হাই আসে সে যথাসাধ্য তা রোধ করবে এবং আহ্ আহ্ বলবে না। কেননা, যখন তোমাদের কেউ নিজ মুখ খোলে, তখন শয়তান তা দেখে হাসে। বর্ণনাকারী হাজ্জাজ (র) তার হাদীসে বর্ণনা করেছেন যে, হাই তো শয়তানের পক্ষ হতে হয়।
(বুখারী, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী)
(বুখারী, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী)
كتاب الأدب
باب ما جاء في التثاؤب وآدابه
عن أبى هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله عز ويجل يحب العطاس (6) ويكره التثاؤب، فمن عطس فحمد الله فحق على من سمعه (7) أن يقول يرحمك الله، وإذا تثاءب أحدكم فليرّده ما استطاع (8) ولا يقل آهـ آهـ (9) فإن أحدكم إذا فتح فاه فإن الشيطان يضحك منه أو به (10) قال حجاج (11) في حديثه وأما التثاؤب فإنما هو من الشيطان
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: হাই এবং তার আদব
৫৭। তারই সূত্রে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, হাই শয়তানের পক্ষ হতে হয়। যখন তোমাদের কারো হাই আসে তখন সে যেন তা যথাসাধ্য প্রতিহত করে। (মুসলিম)
كتاب الأدب
باب ما جاء في التثاؤب وآدابه
وعنه أيضاً أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أن التثاؤب من الشيطان (14) (فإذا تثاءب أحدكم فليكظم ما استطاع
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৮
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: হাঁচি ও তার আদব, হাঁচিদাতা 'আলহামদুলিল্লাহ' বললে তার জবাব দেওয়া।
৫৮। আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন হাঁচি দিতেন তখন তিনি স্বীয় কাপড় অথবা হাত কপালে রাখতেন এবং হালকা আওয়াজ করতেন। (আবু দাউদ, তিরমিযী) তিরমিযী (র) বলেছেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
كتاب الأدب
باب ما جاء في العطاس وآدابه وتشميت العاطس إذا حمد الله
عن أبى هريرة قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا عطس وضع ثوبه أو يده على جبهته وخفض أو غض من صوته
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৯
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: হাঁচি ও তার আদব, হাঁচিদাতা 'আলহামদুলিল্লাহ' বললে তার জবাব দেওয়া।
৫৯। তারই সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা (ﷺ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট দুই ব্যক্তি হাঁচি দেয়। তাদের একজন অপরজন অপেক্ষা সম্ভ্রান্ত ছিল। সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি হাঁচি দিল। কিন্তু 'আল-হামদুলিল্লাহ' বলে নি। নবী (ﷺ) ও তার হাঁচির জবাব দিলেন না। অপর ব্যক্তি হাঁচি দিয়ে 'আল-হামদুলিল্লাহ' বলল। তখন নবী (ﷺ) তার জবাব দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন সম্ভ্রান্ত লোকটি বলল, আমি আপনার নিকট হাঁচি দিয়েছি, কিন্তু আপনি এর জবাব দেন নি, আর এই ব্যক্তি হাঁচি দেওয়ার পর আপনি জবাব দিয়েছেন? বর্ণনাকারী বলেন, তখন রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এই ব্যক্তি আল্লাহকে স্মরণ করেছে তাই আমি তাকে স্মরণ করেছি। আর তুমি আল্লাহকে ভুলে রয়েছ, এজন্য আমিও তোমাকে ভুলে রয়েছি। (তায়ালিসী) হায়সামী (র) বলেছেন, আহমদ (র)-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।
كتاب الأدب
باب ما جاء في العطاس وآدابه وتشميت العاطس إذا حمد الله
وعنه أيضاً قال عطس رجلان عند النبي صلى الله عليه وسلم أحدهما أشرف من الآخر، فعطس الشريف فلم يحمد الله فلم يشمته (4) النبي صلى الله عليه وسلم، وعطس الآخر فحمد الله فشمته النبي صلى الله عليه وسلم قال فقال الشريف عطست عندك فلم تشمتنى وعطس هذا عندك فشمته؟ قال فقال إن هذا ذكر الله فذكرته، وإنك نسيت الله فنسيتك
তাহকীক:
হাদীস নং: ৬০
আদব অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: হাঁচি ও তার আদব, হাঁচিদাতা 'আলহামদুলিল্লাহ' বললে তার জবাব দেওয়া।
৬০। তারই সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, যখন তোমাদের কারো হাঁচি আসে তখন সে যেন স্বীয় হাত মুখে রাখে। হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ হাসান।
كتاب الأدب
باب ما جاء في العطاس وآدابه وتشميت العاطس إذا حمد الله
وعنه أيضاً يرفعه إذا عطس أحدكم فليضع يده على فيه
তাহকীক: