মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৮২ টি

হাদীস নং: ১০১
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : যুলুম ও অন্যায় করা থেকে ভীতি প্রদর্শন এবং এবিষয়ে সাহায্য করা প্রসঙ্গে
১০১. ওয়াছিলা ইবন আস্কা' (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী করিম (ﷺ) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন, এক মুসলমান আরেক মুসলমানের ভাই।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من الظلم والباطل والاعانة عليهما
عن وائلة بن الأسقع (7) عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله من قوله المسلم اخو المسلم الخ الحديث
হাদীস নং: ১০২
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : যুলুম ও অন্যায় করা থেকে ভীতি প্রদর্শন এবং এবিষয়ে সাহায্য করা প্রসঙ্গে
১০২. আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করিম (ﷺ) বলেন, কোন ব্যক্তির ওপর তার অপর ভাইয়ের যদি কোন দাবী থাকে, আর তা যদি তার ধনসম্পদ ও মান ইজ্জতের উপর যুলুম সম্পর্কিত হয়, সে যেন তা ফেরৎ দেয় কপর্দকহীন নিঃস্ব হওয়ার পূর্বে, যে দিন তার কাছে কোন দিরহাম অথবা দিনার থাকবে না। অন্যথায় কিয়ামতের দিন তার যুলুমের সমপরিমাণ নেকী যদি থাকে, তার থেকে তা নিয়ে নেয়া হবে এবং তা তাকে দিয়ে দেয়া হবে। যদি তার কোন নেকী না থাকে, তাহলে মযলুম ব্যক্তির গুনাহগুলো তার উপর নিক্ষেপ করা হবে, অর্থাৎ মুক্ত করা হবে।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من الظلم والباطل والاعانة عليهما
عن أبي هريرة (8) عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من كانت يعني عنده مظلمة لأخيه في ماله أو عرضه (1) فليأته فليستحلها منه (2) قبل أن يؤخذ أو تؤخذ وليس عنده دينار ولا درهم فإن كانت له حسنات أخذ من حسناته فأعطيها هذا والا أخذ من سيئات هذا فألقى عليه
হাদীস নং: ১০৩
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : যুলুম ও অন্যায় করা থেকে ভীতি প্রদর্শন এবং এবিষয়ে সাহায্য করা প্রসঙ্গে
১০৩, 'আব্বাদ ইবন কাছির শামী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি ফিলিস্তিনের অধিবাসী ছিলেন, তাদের মধ্যে এক মহিলা, যাকে ফসীলা বলে ডাকা হতো তিনি বলেন, 'আমি আবু ওয়াছিলা ইবন আসকা' (রা) থেকে শুনেছি, তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে প্রশ্ন করি। হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! যদি কোন ব্যক্তি কি তার সম্প্রদায়কে ভালবাসে, তবে কি তা স্বজনপ্রীতি হবে? তিনি উত্তর দিলেন না, কিন্তু স্বজনপ্রীতি হলো- সে ব্যক্তি যুলুমের উপর তার সম্প্রদায়কে সাহায্য করবে।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من الظلم والباطل والاعانة عليهما
عن عباد بن كثير الشامي (3) من أهل فلسطين من أمرأة منهم يقال لها فسيلة (4) أنها قالت سمعت أبي (وائلة بن الأسقع) يقول سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله أمن العصبية أن يحب الرجل قومه؟ قال لا ولكن من العصبية أن ينصر الرجل قومه على الظلم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৪
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : যুলুম ও অন্যায় করা থেকে ভীতি প্রদর্শন এবং এবিষয়ে সাহায্য করা প্রসঙ্গে
১০৪. ইবন মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলের (ﷺ) নিকট উত্থাপন করলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে তার কোন আত্মীয়স্বজনকে সাহায্য করে, সে যেন ঐ উটের মত, যেটি কোন কুপে পড়ে গিয়েছে। (অর্থাৎ সে অপরাধে লিপ্ত হয়েছে এবং উটের মত ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।) সে তার অপরাধ থেকে মুক্ত হতে চায় কিন্তু সেই সামর্থ্য তার নেই।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من الظلم والباطل والاعانة عليهما
عن ابن مسعود (5) رفعه إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مثل الذي يعين عشيرته على غير الحق مثل البعير ردى (6) في بئر فهو يمد بذنبه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৫
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : যুলুম ও অন্যায় করা থেকে ভীতি প্রদর্শন এবং এবিষয়ে সাহায্য করা প্রসঙ্গে
১০৫. আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ইব্‌ন আদম! আমল কর, যেন তুমি আল্লাহকে দেখতে পাচ্ছ। আর নিজেকে তুমি মৃত ব্যক্তির সাথে গণ্য কর এবং মযলুমের বদদু'আ থেকে বেঁচে থাক।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من الظلم والباطل والاعانة عليهما
عن أبي هريرة (7) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ابن آدم اعمل كأنك ترى وعد نفسك مع الموتى واياك ودعوة المظلوم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৬
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : যুলুম ও অন্যায় করা থেকে ভীতি প্রদর্শন এবং এবিষয়ে সাহায্য করা প্রসঙ্গে
১০৬. আবু হুরায়রা থেকে আরো বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, মজলুমের দু'আ কবুল করা হয়, যদি সে গুনাহগারও হয় আর তার গুনাহ তার নিজের উপর বর্তাবে।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من الظلم والباطل والاعانة عليهما
وعنه أيضا (8) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم دعوة المظلوم مستجابة وان كان فاجرا ففجوره على نفسه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৭
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : যুলুম ও অন্যায় করা থেকে ভীতি প্রদর্শন এবং এবিষয়ে সাহায্য করা প্রসঙ্গে
১০৭. তার থেকে আরো বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, তিন ব্যক্তির দু'আ আল্লাহ্ ফিরিয়ে দেন না, ন্যায়বিচারক ইমাম, রোযাদার ব্যক্তি যখন সে ইফতার করে এবং মযলুমের দু'আ মেঘের উপর বহন করা হয় এবং তার জন্য আকাশের দরজা খোলা হয়। আল্লাহ তা'আলা বলেন, আমার ইজ্জতের শপথ করে বলছি, অবশ্যই তোমাকে যথাসময়েই সাহায্য করা হবে।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من الظلم والباطل والاعانة عليهما
وعنه أيضا (1) ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ثلاثة لا ترد دعوتهم الامام العادل والصائم حتى يفطر ودعوة المظلوم تحمل على الغمام وتفتح له أبواب السماء ويقول الرب عز وجل وعزتي لأنصرنك ولو بعد حين
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৮
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: হিংসা, বিদ্বেষ, ঘৃণা, ছিদ্রান্বেষণ ও প্রতারণা থেকে ভয় প্রদর্শন সম্পর্কে
১০৮. যুবায়র ইবন 'আওয়াম (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের মাঝে তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতের হিংসা বিদ্বেষ, ঘৃণা ও প্রতারণার রোগ ঢুকে পড়েছে এবং তা দ্বীন কেটে ফেলার খুর- চুল কাটার খুর নয়, (অর্থাৎ তোমাদের এসব অসৎ চরিত্র দ্বীনকে এমনভাবে মূল উৎপাটন করে, যেমন খুর দ্বারা চুল উৎপাটন করা হয়।) যার হাতে মুহাম্মদের প্রাণ, সে সত্তার শপথ! তোমরা পরস্পর ভালোবাসা স্থাপন না করা পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না। আমি কি তোমাদেরকে এমন একটি কাজের কথা বলে দেব না, যা করলে তোমরা পরস্পরকে ভালবাসতে পারবে? তা হলো তোমরা পরস্পরের মধ্যে সালামের বিধান চালু করবে।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من الحسد والبغضاء والغش
عن الزبير بن العوام (2) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم دب اليكم داء الامم قبلكم الحسد والبغضاء هي الحالقة حالقة الدين لا حالقة الشعر والذي نفسي بيده لا تؤمنوا حتى تحابوا أفلا أنبئكم بشيء إذا فعلتموه تحاببتم أفشوا السلام بينكم
হাদীস নং: ১০৯
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: হিংসা, বিদ্বেষ, ঘৃণা, ছিদ্রান্বেষণ ও প্রতারণা থেকে ভয় প্রদর্শন সম্পর্কে
১০৯. আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা পরস্পর হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করবে না, অন্যের উপর দিয়ে দর কষাকষি করবে না, ছিদ্রান্বেষণ করবে না এবং খোঁজ-খবর নেয়া বন্ধ করবে না।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من الحسد والبغضاء والغش
عن ابي هريرة (3) رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تحاسدوا ولا تناجشوا ولا تباغضوا ولا تدابروا
হাদীস নং: ১১০
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: হিংসা, বিদ্বেষ, ঘৃণা, ছিদ্রান্বেষণ ও প্রতারণা থেকে ভয় প্রদর্শন সম্পর্কে
১১০. আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে বসা ছিলাম, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, অচিরেই তোমাদের নিকট একজন জান্নাতী লোক উপস্থিত হবে। তখন সেখানে একজন আনসার প্রবেশ করলেন, যার দাঁড়ি থেকে অযুর পানি গড়িয়ে পড়ছিল, আর তার জুতা জোড়া তার বাম হাতে ছিল, পরের দিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে অনুরূপ বললেন এবং উক্ত ব্যক্তি প্রথম বারের মত পুনরায় আসলেন, তারপর যখন সে তৃতীয় দিন আসলো, তখনও রাসূল (ﷺ) অনুরূপ কথা বললেন। আর ঐ লোকটিও পূর্বের অবস্থায় সেখানে উপস্থিত হলেন। এরপর যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উঠে গেলেন, তখন আবদুল্লাহ ইবন 'আমর ইবনুল 'আস লোকটির নিকট গিয়ে বললেন, আমার পিতার সাথে আমার ঝগড়া হয়েছে, আমি তিনদিন বাড়ি যাব না বলে শপথ করেছি। আপনি যদি আমাকে আপনার কাছে আশ্রয় দিতেন (তাহলে ভাল হতো)। লোকটি বললো, হ্যাঁ। বর্ণনাকারী বলেন, 'আবদুল্লাহ আমাদেরকে বলেছে, সে তিনদিন ঐ লোকের সাথে রাত্রি যাপন করে, কিন্তু সে তাকে রাতে উঠে ইবাদত করতে দেখেনি। তবে যখনই সে ঘুমের প্রস্তুতি নিত এবং শয্যাগত হতো, তখনই আল্লাহর কথা স্মরণ করতো এবং আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা করতো। তারপর সে ফযরের নামাযের জন্যই শুধু দাঁড়াতো, আবদুল্লাহ বলেন, তবে আমি তাকে ভাল ছাড়া আর কিছু বলতে শুনিনি, তারপর যখন তিন রাত অতিবাহিত হলো এবং আমি তার আমলকে খাটো করে দেখছিলাম, তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর বান্দাহ, মূলত: আমার ও আমার পিতার মাঝে কোন ক্রোধ ও ঝগড়া বিবাদ নেই। কিন্তু আমি রাসূলকে তিনবার বলতে শুনেছি যে, তোমার কাছে এখনই একজন জান্নাতী লোক প্রবেশ করবে, আর তিন বারই আপনি প্রবেশ করেছেন। ফলে আমার ইচ্ছে হলো আপনার কাছে আশ্রয় নিয়ে দেখবো আপনি কি আমল করেন, যা আমি অনুসরণ করতে পারি। কিন্তু আমি আপনাকে অতিরিক্ত আমল করতে দেখিনি। তাহলে আপনি কিভাবে সে স্থানে পৌঁছলেন যার কথা রাসূল (ﷺ) বলেছেন? লোকটি বললো, যা দেখেছ, তা ছাড়া আমার কাছে কিছু নেই। তারপর আমি যখন ফিরে যাচ্ছিলাম, তখন তিনি আমাকে ডেকে বললেন, যা দেখেছ, তা ছাড়া একটি কাজ আমি করি, তা হলো কোন মুসলমানকে আল্লাহ্ কল্যাণের যা কিছু দিয়েছেন সেটার প্রতি আমার অন্তরে হিংসা-বিদ্বেষ থাকে না, তখন 'আবদুল্লাহ (রা) বললেন, এটাই তোমাকে ঐ স্থানে পৌছিয়েছে, যেটি আমাদের দ্বারা সম্ভব নয়।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من الحسد والبغضاء والغش
عن أنس ابن مالك (4) قال كنا جلوسا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يطلع عليكم الآن رجل من أهل الجنة فطلع رجل من الانصار تنطف لحيته (5) من وضوئه قد تعلق نعليه في يده الشمال فلما كان الغد قال النبي صلى الله عليه وسلم مثل ذلك فطلع ذلك الرجل مثل المرة الأولى فلما كان اليوم الثالث قال النبي صلى الله عليه وسلم مثل مقالته ايضا فطلع ذلك الرجل على مثل حاله الأولى فلما قام النبي صلى الله عليه وسلم تبعه عبد الله بن عمرو بن العاص فقال اني لاحيت (6) ابي فأقسمت أن لا أدخل عليه ثلاثا فإن رأيت أن تؤيني اليك حتى تمضى فعلت؟ قال نعم قال أنس وكان عبد الله يحدث أنه بات معه تلك الليالي الثلاث فلم يره يقوم من الليل شيئا غير أنه إذا تعار (7) وتقلب على فراشه ذكر الله عز وجل وكبر حتى يقوم لصلاة الفجر قال عبد الله غير اني لم اسمعه يقول الا خيرا فلما مضت الثلاث ليال وكدت ان احتقر عمله قلت يا عبد الله اني لم يكن بيني وبين ابي غضب ولا هجر ثم ولكن سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لك ثلاث مرار يطلع عليكم الآن رجل من أهل الجنة فطلعت أنت الثلاث مرار فاردت ان آوي إليك لأنظر ما عملك فأقتدي به فلم أرك تعمل كثير عمل فما الذي بلغ بك ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ فقال ما هو إلا ما رأيت قال فلما وليت دعاني فقال ماهو إلا ما رأيت غير أني لا أجد في نفسي لأحد من المسليمن غشا ولا أحسد احدا على خير أعطاه الله اياه فقال عبد الله هذه التي بلغت بك وهي التي لا نطيق
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১১
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কোন মুসলমানকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা, তার ক্ষতিসাধন ও তাকে ভীতি প্রদর্শন করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা
১১১. মুহাম্মদ ইবন সা'দ ইবন মালিক (রা) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, কোন মুসলমানের জন্য তার কোন মুসলমান ভাইয়ের সাথে তিন দিনের বেশী সম্পর্ক ছিন্ন রাখা বৈধ নয়।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من هجر المسلم وترويعه والاضرار به
عن محمد بن سعيد بن مالك عن أبيه (1) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يحل لمسلم أن يهجر أخاه (2) فوق ثلاث
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১২
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কোন মুসলমানকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা, তার ক্ষতিসাধন ও তাকে ভীতি প্রদর্শন করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা
১১২. আবূ হুরায়রা (রা) নবী করীম (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, কোন মুসলমানের জন্য তার কোন মুসলমানের সাথে তিন দিনের বেশী সম্পর্ক ছিন্ন করা জায়েয নেই, যে ব্যক্তি তিন দিনের বেশী সম্পর্ক ছিন্ন অবস্থায় থাকবে এবং মারা যাবে, সে দোযখে প্রবেশ করবে।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من هجر المسلم وترويعه والاضرار به
عن أبي هريرة (3) عن النبي صلى الله عليه وسلم لا هجرة فوق ثلاث فمن هجر أخاه فوق ثلاث فمات دخل النار
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৩
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কোন মুসলমানকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা, তার ক্ষতিসাধন ও তাকে ভীতি প্রদর্শন করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা
১১৩. আবূ হুরায়রা (রা) থেকে আরো বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজা খুলা হয়। মা’মার বলেন, প্রত্যেক সোম ও বৃহস্পতিবার মানুষের যাবতীয় আমল পেশ করা হয়। যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শরীক করে না, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তিকে আল্লাহ্ ক্ষমা করে দেন, তবে যে তার মুসলমান ভাইয়ের সাথে শত্রুতা করে, তাকে ক্ষমা করেন না। আল্লাহ্ তা'আলা ফেরেশতাদের বলেন, এ দুজনের ব্যাপারটি রেখে দাও, যতক্ষণ না তারা পারস্পরিক সম্পর্ক পুনর্গঠিত করে নিতে পারে।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من هجر المسلم وترويعه والاضرار به
وعنه أيضا (4) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم تفتح أبواب الجنة في كل اثنين وخميس قال معمر وقال غير سهيل (5) وتعرض الأعمال في كل اثنين وخميس فيغفر الله عز وجل لكل عبد لا يشرك به شيئا الا المتشاحنين (1) يقول الله عز وجل للملائكة ذروهما حتى يصطلحا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৪
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কোন মুসলমানকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা, তার ক্ষতিসাধন ও তাকে ভীতি প্রদর্শন করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা
১১৪. হিশাম ইবন 'আমির (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, কোন মুসলমানের জন্য কোন মুসলমানের সাথে তিন দিনের বেশী সম্পর্ক ছিন্ন করা হালাল নয়। তারা যদি তিন দিনের অধিক বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকে, তাহলে তারা সত্য পথ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিল, যতক্ষণ তারা বিচ্ছিন্ন থাকে। তাদের মধ্যে যে প্রথমে ফিরে আসবে, তার ফিরে আসা গুনাহের কাফফারা হিসেবে গণ্য হবে। সে যদি তাকে সালাম দেয়, অন্যজন যদি সালামের উত্তর না দেয় এবং সালাম গ্রহণ না করে, তাহলে প্রথম ব্যক্তির সালামের উত্তর ফেরেশতাগণ দিবে, আর দ্বিতীয় ব্যক্তির সালামের উত্তর শয়তান দিবে। তারা যদি এভাবে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় মারা যায়, তাহলে তারা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। অন্য বর্ণনায়, তারা কখনও জান্নাতে একত্রিত হবে না।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من هجر المسلم وترويعه والاضرار به
عن هشام بن عامر (2) قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا يحل لمسلم أن يهجر مسلما فوق ثلاث ليال غإن كان تصادرا (3) فوق ثلاث فإنهما ناكبان (4) عن الحق ماداما على صرامهما (5) وأولهما فيئا فسبقه بالفيء كفارته (6) فإن سلم عليه فلم يرد عليه ورد عليه سلامه (7) ردت عليه الملائكة ورد على الآخر الشيطان فإن ماتا على صرامهما لم يجتمعا في الجنة ابدا (وله في رواية أخرى) لم يدخلا الجنة جميعا ابدا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৫
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কোন মুসলমানকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা, তার ক্ষতিসাধন ও তাকে ভীতি প্রদর্শন করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা
১১৫. আবু খারাশ সুলামী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছেন যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের সাথে এক বছর সম্পর্ক ছিন্ন করলো, সে যেন হত্যার সমতুল্য অপরাধ করলো।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من هجر المسلم وترويعه والاضرار به
عن أبي خراش السلمي (8) أن سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول من هجر أخاه سنة فهو كسفك دمه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৬
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কোন মুসলমানকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা, তার ক্ষতিসাধন ও তাকে ভীতি প্রদর্শন করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা
১১৬. আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করিম (ﷺ) বলেন, পরস্পর হিংসা-বিদ্বেষ ও ঘৃণা পোষণ করবে না। পরস্পরের পিছনে লেগে থাকবে না, আল্লাহর বান্দারা, তোমরা ভাই ভাই হয়ে থাক। কোন মুসলমানের জন্য তার কোন মুসলমান ভাইকে তিন দিনের বেশী বিচ্ছিন্ন রাখা বৈধ নয়। এভাবে যে তারা উভয়ে যখন মুখোমুখী হয়, তখন একজন এ দিকে এবং অন্যজন আরেক দিকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। তাদের উভয়ের মধ্যে যে আগে সালাম দেবে, সেই উত্তম।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من هجر المسلم وترويعه والاضرار به
عن أنس بن مالك (10) ان النبي صلى الله عليه وسلم قال لا تباغضوا ولا تحاسدوا ولا تدابروا وكونوا عباد الله اخوانا ولا يحل لمسلم ان يهجر اخاه فوق ثلاث ليال يلتقيان فيصد هذا ويصد هذا وخيرهما الذي يبدا بالسلام
হাদীস নং: ১১৭
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কোন মুসলমানকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা, তার ক্ষতিসাধন ও তাকে ভীতি প্রদর্শন করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা
১১৭. 'আউফ ইবন হারিছ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি আয়েশা (রা)-এর ভাতিজা ছিলেন। তিনি বলেন 'আয়েশা (রা)-এর কোন একটি জিনিস কাউকে দান করা কিংবা বিক্রির ব্যাপারে 'আবদুল্লাহ ইবন্ যুবায়র (রা) বললেন, আল্লাহর শপথ! হয় 'আয়েশা (রা) এটা থেকে বিরত থাকবেন, না হয় আমি তাঁর উপর কঠোরতা অবলম্বন করবো। এ কথা শুনে 'আয়েশা (রা) জিজ্ঞেস করলেন, সত্যই কি সে এ ধরনের কথা বলেছে? লোকেরা বললো, হ্যাঁ। 'আয়েশা (রা) বললেন, আল্লাহর নাম নিয়ে অঙ্গীকার করছি, আমি ইবন যুবায়রের সাথে কখনও কথা বলবো না। এ বিচ্ছেদ দীর্ঘায়িত হলো, তখন ইবন্ যুবায়র (রা) 'আয়েশা (রা)-এর নিকট মিসওয়ার ইবন মাখরামা ও আবদুর রহমান ইব্‌ন আসওয়াদকে সুপারিশ করতে পাঠালেন, এ দুজন বনী যোহরার লোক ছিল। তিনি ঘটনাটি উল্লেখ করলেন তখন মিসওয়ার ও 'আবদুর রহমান 'আয়েশা (রা) কে আল্লাহর দোহাই দিতে লাগলেন যে, আপনি ইবন যুবায়র (রা)-এর সাথে কথা বলুন, তার ওজর কবুল করুন। তারা দুজন 'আয়েশা (রা) কে বললেন, আপনি তো জানেন যে, নবী (ﷺ) সালাম কালাম ও দেখা সাক্ষাৎ বন্ধ করতে নিষেধ করেছেন। কেননা, তিনি বলেছেন, কোন মুসলমানের পক্ষে তার মুসলমান ভাইয়ের সাথে তিন রাতের অর্থাৎ তিন দিনের বেশী দেখা সাক্ষাৎ ও সালাম কালাম বন্ধ রাখা জায়েয নেই।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من هجر المسلم وترويعه والاضرار به
عن عوف بن الحارث (12) وهو ابن اخي عائشة لأمها رضي الله عنها حدثته (13) أن عبد الله بن الزبير قال في بيع أو عطاء أعطته (1) والله لتنتهين عائشة أو لا حجرن عليها فقالت عائشة أو قال هذا؟ قالوا نعم قالت هو لله على نذر ان لا أكلم ابن الزبير كلمة ابدا (2) فاستشفع عبد الله بن الزبير المسور بن مخرمة وعبد الرحمن ابن الاسود بن عبد يغوث وهما من بني زهرة فذكر الحديث وطفق المسور وعبد الرحمن يناشدان عائشة الا كلمته وقبلت منه ويقولان لها ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قد نهى عما علمت من الهجر أنه لا يحل لمسلم أن يهجر أخاه فوق ثلاث ليال
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৮
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কোন মুসলমানকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা, তার ক্ষতিসাধন ও তাকে ভীতি প্রদর্শন করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা
১১৮. 'আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করিম (ﷺ) বলেছেন, সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষ হলো সে, যে খুবই কঠিন ঝগড়া-বিবাদে পটু।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من هجر المسلم وترويعه والاضرار به
عن عائشة (4) رضي الله عنها عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أبغض الرجل الألد (5) الخصم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৯
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কোন মুসলমানকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা, তার ক্ষতিসাধন ও তাকে ভীতি প্রদর্শন করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা
১১৯. ইসমা'ঈল ইবন বশীর (রা) থেকে বর্ণিত। আমি জাবির, ইবন 'আবদুল্লাহ ও আবূ তালহা আনসারী (রা) থেকে শুনেছি, তারা বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের মান- সম্মান ও ইজ্জতের উপর জুলুম হওয়ার সময় তাকে পরিত্যাগ করে (অর্থাৎ সাহায্য না করে), তাকে আল্লাহ্ তা'আলা পরিত্যাগ করবেন সে সময় যখন সে সাহায্য কামনা করে। তেমনিভাবে যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের মান, সম্মান ও ইজ্জতের উপর জুলুমের সময় তাকে সাহায্য করবে, আল্লাহ্ তা'আলা তাকে সাহায্য করবেন সে সময় যখন সে সাহায্য কামনা করে।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من هجر المسلم وترويعه والاضرار به
عن اسماعيل بن بشير (6) مولى بني مغالة قال سمعت جابر بن عبد الله وابا طلحة بن سهل الانصاريين يقولان قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما من امرئ يخذل امرأ مسلما في موطن ينتقص فيه من عرضه وينتهك فيه من حرمته إلا نصره الله في موطن (9) يحب فيه نصرته
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২০
কবীরা ও অন্যান্য গুনাহের বর্ণনা অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কোন মুসলমানকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা, তার ক্ষতিসাধন ও তাকে ভীতি প্রদর্শন করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা
১২০. ওক্কাস ইবন রাবী'য়া (রা) থেকে বর্ণিত। মুস্তাওরিদ (র) হাদীস বর্ণনা করেছেন, নবী করিম (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের ক্ষতি সাধনের বিনিময় খায় (অর্থাৎ কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির শত্রুর নিকট গিয়ে প্রতিশোধ নেয়ার জন্য তাকে উৎসাহিত করে) আল্লাহ্ জাহান্নাম থেকে তাকে সে ধরনের খাদ্য খাওয়াবেন, আর যে ব্যক্তি কোন মুসলমানকে কষ্ট দিয়ে পরিধেয় বস্ত্র গ্রহণ করে আল্লাহ্ তাকে সে পরিমাণ কাপড় জাহান্নাম থেকে পরিধান করাবেন। আর যে ব্যক্তি কোন মুসলমান ব্যক্তিকে অপদস্থ করে নিজে সম্মানের স্থান দখল করে, আল্লাহ তা'আলা কিয়ামতের দিন তাকে অপদস্থকর স্থানে দাঁড় করাবেন।
كتاب الكبائر وأنواع اخرى من المعاصي
باب ما جاء في الترهيب من هجر المسلم وترويعه والاضرار به
عن وقاص بن ربيعة أن المستورد (1) حدثهم أن النبي صلى الله عليه وسلم قال من اكل برجل مسلم أكلة وقال مرة أكلة (2) فإن الله عز وجل يطعمه مثلها من جهنم ومن اكتسى برجل مسلم ثوبا فإن الله عز وجل يكسوه مثله من جهنم ومن قام برجل مسلم مقام سمعة (3) فإن الله عز وجل يقوم به مقام سمعة يوم القيامة
tahqiq

তাহকীক: