রিয়াযুস সালিহীন-ইমাম নববী রহঃ

رياض الصالحين من كلام سيد المرسلين

৭. রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৬২ টি

হাদীস নং: ৯১৩
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৬ রোগীর এ কথা বলার বৈধতা যে, আমি অসুস্থ বা প্রচণ্ড অসুস্থ অথবা আমি জ্বরে ভুগছি কিংবা আহা! আমার মাথা গেল ইত্যাদি। ক্ষোভ ও অস্থিরতা প্রকাশের জন্য না হলে এরূপ বলায় কোনও দোষ না থাকা
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রোগের তীব্রতা
হাদীছ নং: ৯১৩

হযরত আব্দুল্লাহ ইবন মাস'উদ রাযি. বলেন, একবার আমি নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উপস্থিত হলাম। তিনি জ্বরে ভুগছিলেন। আমি তাঁর গায়ে হাত রাখলাম। বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছেন। তিনি বললেন, হাঁ, আমি তোমাদের মতো দু'জনের সমান জ্বরে ভুগছি। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৫৬৪৮; সহীহ মুসলিম: ২৫৭১: মুসনাদে আহমাদ: ৩৬১৮; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ১০৮০০; সুনানে দারিমী: ২৮১৩; মুসনাদে আবু ইয়া'লা: ৫১৬৪: তহাবী, শারহু মুশকিলিল আছার: ২২০৯; সহীহ ইবনে হিব্বান: ২৯৩৭)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب جواز قول المريض: أنَا وجع، أَوْ شديد الوجع أَوْ مَوْعُوكٌ أَوْ وارأساه ونحو ذلك. وبيان أنَّه لا كراهة في ذلك إِذَا لَمْ يكن عَلَى سبيل التسخط وإظهار الجزع
913 - عن ابن مسعود - رضي الله عنه - قَالَ: دَخَلْتُ عَلَى النَّبيِّ - صلى الله عليه وسلم - وَهُوَ يُوعَكُ، فَمَسَسْتُهُ، فَقلتُ: إنَّكَ لَتُوعَكُ وَعَكًا شَديدًا، فَقَالَ: «أجَلْ، إنِّي أُوعَكُ كَمَا يُوعَكُ رَجُلانِ مِنْكُمْ». متفقٌ عَلَيْهِ (1).
হাদীস নং: ৯১৪
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৬ রোগীর এ কথা বলার বৈধতা যে, আমি অসুস্থ বা প্রচণ্ড অসুস্থ অথবা আমি জ্বরে ভুগছি কিংবা আহা! আমার মাথা গেল ইত্যাদি। ক্ষোভ ও অস্থিরতা প্রকাশের জন্য না হলে এরূপ বলায় কোনও দোষ না থাকা
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে নিজ রোগের তীব্রতার কথা প্রকাশ করে অসিয়ত সম্পর্কে হযরত সা'দ রাযি.-এর মাশওয়ারা চাওয়া
হাদীছ নং: ৯১৪

হযরত সা'দ ইবন আবী ওয়াক্কাস রাযি. বলেন, আমার একটা রোগ তীব্র হয়ে ওঠায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে আসলেন। আমি বললাম, আমার যে অবস্থা হয়েছে, আপনি তা দেখছেন। আমি সম্পদশালী। আমার ওয়ারিছ হবে আমার একমাত্র মেয়ে। এরপর তিনি পূর্ণ হাদীছটি বর্ণনা করেন। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৫৬৬৮; সহীহ মুসলিম: ১৬২৮: মুআত্তা মালিক: ২৮২৪: মুসনাদে আব্ ইয়া'লা: ৮৩৪; সহীহ ইবনে হিব্বান ৬০২৬; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা : ১২৫৬৫: বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৪৫৯; তহাবী, শারহু মুশকিলিল আছার: ৫২২২)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب جواز قول المريض: أنَا وجع، أَوْ شديد الوجع أَوْ مَوْعُوكٌ أَوْ وارأساه ونحو ذلك. وبيان أنَّه لا كراهة في ذلك إِذَا لَمْ يكن عَلَى سبيل التسخط وإظهار الجزع
914 - وعن سعدِ بن أَبي وقاصٍ - رضي الله عنه - قَالَ: جَاءني رسولُ الله - صلى الله عليه وسلم - يَعُودُنِي مِنْ وَجَعٍ اشْتَدَّ بِي، فقلتُ: بَلَغَ بِي مَا تَرَى، وَأنَا ذُو مَالٍ، وَلاَ يَرِثُنِي إِلاَّ ابْنَتِي .. وذَكر الحديث. متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
হাদীস নং: ৯১৫
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৬ রোগীর এ কথা বলার বৈধতা যে, আমি অসুস্থ বা প্রচণ্ড অসুস্থ অথবা আমি জ্বরে ভুগছি কিংবা আহা! আমার মাথা গেল ইত্যাদি। ক্ষোভ ও অস্থিরতা প্রকাশের জন্য না হলে এরূপ বলায় কোনও দোষ না থাকা
হযরত আয়েশা সিদ্দীকা রাযি.-এর মাথাব্যথার কথা প্রকাশ ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জবাব
হাদীছ নং: ৯১৫

কাসিম ইবন মুহাম্মাদ বলেন, উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা রাযি. বললেন, হায়রে আমার মাথা! তা শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, বরং আমি বলছি, হায়রে আমার মাথা। অতঃপর তিনি পূর্ণ হাদীছটি বর্ণনা করেন। -বুখারী
(সহীহ বুখারী: ৫৬৬৬, ৭২১৭; মুসনাদে ইসহাক ইবন রাহূয়াহ: ১৭১৮; সুনানে ইবন মাজাহ: ১৪৬৫; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা: ৭০৪২; মুসনাদে আবু ইয়া'লা ৪৫৭৯; তাবারানী, আল মু'জামুল আওসাত: ৪৫৬৭; সুনানে দারা কুতনী: ১৮২৭; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৬৬৫৯)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب جواز قول المريض: أنَا وجع، أَوْ شديد الوجع أَوْ مَوْعُوكٌ أَوْ وارأساه ونحو ذلك. وبيان أنَّه لا كراهة في ذلك إِذَا لَمْ يكن عَلَى سبيل التسخط وإظهار الجزع
915 - وعن القاسم بن محمد، قَالَ: قالت عائشةُ رضي الله عنها: وَارَأسَاهُ! فَقَالَ النَّبيُّ - صلى الله عليه وسلم: «بَلْ أنَا، وَارَأسَاهُ!» ... وذكر الحديث. رواه البخاري. (1)
হাদীস নং: ৯১৬
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৭ মুমূর্ষু ব্যক্তিকে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'র তালকীন করা
মৃত্যুকালে কালেমা পাঠ করার ফযীলত
হাদীছ নং: ৯১৬

হযরত মু'আয রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তির শেষকথা হয় লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। -আবু দাউদ ও হাকিম
(সুনানে আবু দাউদ: ৩১১৬: সুনানে ইবন মাজাহ ১৪৪৪; মুসনাদুল বাযযার: ২৬২৬; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ২২১: হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ১২৯৯: বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান: ৯৩)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب تلقين المحتضر: لا إله إِلاَّ اللهُ
916 - عن معاذ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ كَانَ آخِرَ كَلامِهِ لاَ إلهَ إِلاَّ اللهُ دَخَلَ الجَنَّةَ». رواه أَبُو داود والحاكم، وقال: «صحيح الإسناد». (1)
হাদীস নং: ৯১৭
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৭ মুমূর্ষু ব্যক্তিকে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'র তালকীন করা
মুমূর্ষু ব্যক্তিকে কালেমার তালকীন করা
হাদীছ নং: ৯১৭

হযরত আবু সা'ঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমরা তোমাদের মুমূর্ষু ব্যক্তিদেরকে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'র তালকীন করো। -মুসলিম
(সহীহ মুসলিম : ৯১৬; জামে তিরমিযী: ৯৭৬; সুনানে আবু দাউদ: ৩১১৭: সুনানে নাসাঈ: ১৮২৬; সুনানে ইবন মাজাহ : ১৪৪৪; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ১০৮৬৪; মুসনাদুল বাযযার: ৯৭৬৩; মুসনাদে আবূ ইয়ালা: ১০৯৬; সহীহ ইবনে হিব্বান: ৩০০৩, বায়হাকী, শুআবুল ঈমান: ৮৭৯৭)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب تلقين المحتضر: لا إله إِلاَّ اللهُ
917 - وعن أَبي سعيد الخدري - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رسولُ الله - صلى الله عليه وسلم: «لَقِّنُوا مَوْتَاكُمْ لاَ إلهَ إِلاَّ اللهُ». رواه مسلم. (1)
হাদীস নং: ৯১৮
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৮ মায়্যিতের চোখ বন্ধ করার পর যা বলবে
হাদীছ নং: ৯১৮

উম্মুল মুমিনীন হযরত উম্মু সালামা রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমার স্বামী) আবু সালামার কাছে আসলেন। (তাঁর মৃত্যু হয়ে গিয়েছিল) তাঁর চোখ খোলা অবস্থায় ছিল। তিনি তা বন্ধ করে দিলেন। তারপর বললেন, রূহ যখন কবজ করা হয়, তখন চোখ তার অনুগামী হয়। এ কথায় ঘরের লোকেরা চিৎকার করে উঠল। তিনি বললেন, তোমরা নিজেদের জন্য কেবল কল্যাণেরই দু'আ করো। কেননা ফিরিশতাগণ তোমরা যা বল তাতে আমীন বলে থাকে। তারপর বললেন, হে আল্লাহ আবু সালামাকে ক্ষমা করুন। তার মর্যাদা হিদায়াতপ্রাপ্তদের স্থানে উন্নীত করুন। তার পরে যারা অবশিষ্ট আছে, তাদের মধ্যে কাউকে তার স্থলাভিষিক্ত বানিয়ে দিন। ইয়া রাব্বাল আলামীন! আমাদেরকে এবং তাকেও ক্ষমা করুন। তার কবর প্রশস্ত করে দিন। এবং তার জন্য তাতে আলোর ব্যবস্থা করে দিন। -মুসলিম
(সহীহ মুসলিম: ৯২০: সুনানে আবূ দাউদ: ৩১১৮; সুনানে ইবন মাজাহ : ১৪৫৪; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা: ৮২২৭; মুসনাদে আবূ ইয়া'লা: ৭০৩০; সহীহ ইবনে হিব্বান : ৭০৪১; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ৭১২; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৬৬০৬)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب مَا يقوله بعد تغميض الميت
918 - عن أُم سلمة رضي الله عنها، قالت: دَخَلَ رسولُ الله - صلى الله عليه وسلم - عَلَى أَبي سَلَمة وَقَدْ شَقَّ [ص:278] بَصَرُهُ، فَأغْمَضَهُ، ثُمَّ قَالَ: «إنَّ الرُّوحَ إِذَا قُبِضَ، تَبِعَهُ البَصَرُ» فَضَجَّ نَاسٌ مِنْ أهْلِهِ، فَقَالَ: «لاَ تَدْعُوا عَلَى أنْفُسِكُمْ إِلاَّ بِخَيْرٍ، فَإنَّ المَلاَئِكَةَ يَؤمِّنُونَ عَلَى مَا تَقُولُونَ» ثُمَّ قَالَ: «اللَّهُمَّ اغْفِرْ لأَبِي سَلَمَة، وَارْفَعْ دَرَجَتْهُ في المَهْدِيِّينَ، وَاخْلُفْهُ في عَقِبهِ في الغَابِرِينَ، وَاغْفِرْ لَنَا وَلَهُ يَا رَبَّ العَالَمِينَ، وَافْسَحْ لَهُ في قَبْرِهِ، وَنَوِّرْ لَهُ فِيهِ». رواه مسلم. (1)
হাদীস নং: ৯১৯
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৯ মায়্যিতের কাছে যা বলবে এবং যার কেউ মারা যায় তাকে যা বলতে হবে
প্রিয়ব্যক্তির মৃত্যু হয়ে গেলে যে দু'আ পড়তে হয়
হাদীছ নং: ৯১৯

হযরত উম্মু সালামা রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তোমরা যখন কোনও রোগী বা মায়্যিতের কাছে উপস্থিত হবে, তখন ভালো কথা বলো। কেননা ফিরিশতাগণ তোমরা যা বল তাতে আমীন বলে থাকে। তিনি বলেন, যখন আবূ সালামা মারা গেলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে উপস্থিত হলাম। বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আবূ সালামা মারা গেছেন। তিনি বললেন, বলো- اللهم اغْفِرْ لِي وَلَهُ، وَأَعْقِبنِي مِنْهُ عقبى حَسَنَةً (হে আল্লাহ! আমাকে ও তাকে মাফ করে দিন এবং তার পরে আমাকে উত্তম বদলা দান করুন)। সুতরাং আল্লাহ তা'আলা আমাকে তার পরে এমন বদলা দিলেন, যিনি আমার পক্ষে তার চেয়ে উৎকৃষ্ট। অর্থাৎ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। -মুসলিম ও আবু দাউদ
(সহীহ মুসলিম: ৯১৯; জামে তিরমিযী: ৯৭৭; সুনানে আবু দাউদ: ৩১১৫: সুনানে ইবন মাজাহ: ১৪৪৭; সুনানে নাসাঈ: ১৮২৫; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ৯৪০)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب ما يقال عند الميت وَمَا يقوله من مات له ميت
919 - عن أُم سَلَمة رضي اللهُ عنها، قالت: قَالَ رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا حَضَرتُمُ المَرِيضَ أَو المَيِّتَ، فَقُولُوا خَيْرًا، فَإنَّ المَلائِكَةَ يُؤَمِّنُونَ عَلَى مَا تَقُولُونَ»، قالت: فَلَمَّا مَاتَ أَبُو سلَمة، أتَيْتُ النَّبيَّ - صلى الله عليه وسلم - فقلت: يَا رسولَ الله، إنَّ أَبَا سَلَمَة قَدْ مَاتَ، قَالَ: «قُولِي: اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَلَهُ، وَأَعْقِبْنِي مِنْهُ عُقْبَى حَسَنَةً» فقلتُ، فَأعْقَبنِي اللهُ مَنْ هُوَ خَيْرٌ لِي مِنْهُ: مُحَمَّدًا - صلى الله عليه وسلم. رواه مسلم هكَذا: «إِذَا حَضَرتُمُ المَريضَ، أَو المَيِّتَ»، عَلَى الشَّكِّ، ورواه أَبُو داود وغيره: «الميت» بلا شَكّ. (1)
হাদীস নং: ৯২০
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৯ মায়্যিতের কাছে যা বলবে এবং যার কেউ মারা যায় তাকে যা বলতে হবে
বিপদ-আপদের ক্ষেত্রে যে দু'আ পড়তে হয়
হাদীছ নং: ৯২০

হযরত উম্মু সালামা রাযি. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে বান্দার উপরই কোনও মসিবত আসে, সে যদি বলে–
{إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ} اللهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي, وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا, إِلاَّ أَخْلَفَ اللهُ لَهُ خَيْرًا مِنْهَا
‘আমরা আল্লাহর এবং আমাদেরকে তাঁরই কাছে ফিরে যেতে হবে। হে আল্লাহ! আমার মসিবতে আমারে প্রতিদান দিন এবং আমাকে তার চেয়ে উত্তম স্থলাভিষিক্ত দান করুন), তবে আল্লাহ অবশ্যই তার মসিবতে তাকে প্রতিদান দেবেন এবং তার চেয়ে উত্তম স্থলাভিষিক্ত তারে দান করবেন। হযরত উম্মু সালামা রাযি. বলেন, আবূ সালামা মারা গেলে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেমন হুকুম করেছিলেন তেমনি বললাম। ফলে আল্লাহ তা'আলা আমাকে তার চেয়ে উত্তম স্থলাভিষিক্ত দান করলেন। অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে। -মুসলিম
(সহীহ মুসলিম: ৯১৮; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ৬৯২; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা : ৭১২৫; শু'আবুল ঈমান: ৯২৪৭: বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৪৬৩)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب ما يقال عند الميت وَمَا يقوله من مات له ميت
920 - وعنها، قالت: سَمِعْتُ رسولَ الله - صلى الله عليه وسلم - يقول: «مَا مِنْ عَبْدٍ تُصيبُهُ مُصِيبَةٌ، فَيَقُولُ: إنّا للهِ وَإنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ، اللَّهُمَّ أُجِرْنِي في مُصِيبَتي وَاخْلُفْ لِي خَيرًا مِنْهَا، إِلاَّ أَجَرَهُ اللهُ تَعَالَى في مُصِيبَتِهِ وَأخْلَفَ لَهُ خَيْرًا مِنْهَا» قالت: فَلَمَّا تُوُفِّيَ أَبُو سَلَمَة قلتُ كَمَا أمَرَني رسولُ الله - صلى الله عليه وسلم - فَأخْلَفَ اللهُ لِي خَيْرًا مِنْهُ رسولَ الله - صلى الله عليه وسلم. رواه مسلم. (1)
হাদীস নং: ৯২১
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৯ মায়্যিতের কাছে যা বলবে এবং যার কেউ মারা যায় তাকে যা বলতে হবে
জান্নাতে 'বায়তুল হামদ' নামে একটি ঘর পাবে যে ব্যক্তি
হাদীছ নং: ৯২১

وعن أبي موسى ولا أن رسولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ: «هِ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى ه فَتُمْ وَلَهُ عَبْدِي فَيَقُولُونَ: نَعَمْ، فَيَقُوْلُ قَبَضْتُمْ نَصَرَهُ فُؤَادِهِ ۚ فَيَقُوْلُوْنَ فَيَقُولُ مَاذَا قَالَ عَبْدِي فَيَقُولُونَ حَمِدَكَ وَاسْتَرْجَعَ، فَيَقُولُ اللَّهُ تَعَالَى هِ. رَوَاهُ التَّرْمِنِي، وَقَالَ: حَدِيثٌ حَسَن
অর্থ : হযরত আবু মূসা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, বান্দার সন্তান যখন মারা যায়, তখন আল্লাহ তা'আলা তাঁর ফিরিশতাদের বলেন, তোমরা কি আমার বান্দার সন্তানকে কব্জা করেছ? তারা বলেন, হাঁ। আল্লাহ বলেন, তোমরা কি তার হৃদয়ের ফল কেড়ে নিয়েছ? তারা বলেন, হাঁ। তিনি বলেন, তখন বান্দা কী বলেছে? তারা বলেন, আপনার প্রশংসা করেছে এবং إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ راجِعون পড়েছে। আল্লাহ তা'আলা বলেন, তোমরা আমার বান্দার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করো এবং তার নাম দাও বায়তুল হামদ। -তিরমিযী
( জামে' তিরমিযী: ১০২১; সহীহ ইবনে হিব্বান: ২৯৪৮: বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা ৭১৪৬; ইবনুস সুন্নী, আমালুল ইয়াওম ওয়াল লায়লা: ৫৮১; ইবনুল মুবারক, আয-যুহ্‌দ ওয়ার-রাকাইক, ২ খণ্ড, ২৭ পৃষ্ঠা; মুসনাদে আবু দাউদ তয়ালিসী: ৫১০: বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৫৫০)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب ما يقال عند الميت وَمَا يقوله من مات له ميت
921 - وعن أَبي موسى - رضي الله عنه: أنَّ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِذَا مَاتَ وَلَدُ العَبْدِ، قَالَ اللهُ تَعَالَى لِمَلائِكَتِهِ: قَبَضْتُمْ وَلَدَ عَبْدِي؟ فيقولونَ: نَعَمْ. فيقولُ: قَبَضْتُمْ ثَمَرَة فُؤَادِهِ؟ فيقولونَ: نَعَمْ. فيقولُ: مَاذَا قَالَ عَبْدِي؟ فيقولونَ: حَمدَكَ وَاسْتَرْجَعَ. فيقول اللهُ تَعَالَى: ابْنُوا لِعَبْدِي بَيْتًا في الجَنَّةِ، وَسَمُّوهُ بَيْتَ الحَمْدِ». رواه الترمذي، وقال: «حديث حسن». (1)
হাদীস নং: ৯২২
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৯ মায়্যিতের কাছে যা বলবে এবং যার কেউ মারা যায় তাকে যা বলতে হবে
প্রিয় ব্যক্তির বিয়োগবেদনায় সবরের পুরস্কার
হাদীছ নং: ৯২২

হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, আল্লাহ তা'আলা বলেন, আমার মুমিন বান্দার জন্যে আমার কাছে জান্নাত ছাড়া কোনও প্রতিদান নেই, যখন আমি দুনিয়াবাসীদের মধ্যে তার প্রিয়বস্তু কেড়ে নিই আর সে তার প্রতিদান আশা করে। -বুখারী
(সহীহ বুখারী: ৬৪২৪; বায়হাকী, শু'আবুল ঈমান: ৯৩৯৫; ইবনুল মুবারক, আয-যুহ্‌দ ওয়ার- রাকাইক, ২ খণ্ড, ২৭ পৃষ্ঠা; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৫৪৭)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب ما يقال عند الميت وَمَا يقوله من مات له ميت
922 - وعن أَبي هريرة - رضي الله عنه - أنَّ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «يقولُ اللهُ تَعَالَى: مَا لِعَبْدِي المُؤمِن عِنْدِي جَزَاءٌ إِذَا قَبَضْتُ صَفِيَّهُ مِنْ أهْل الدُّنْيَا، ثُمَّ احْتَسَبَهُ إِلاَّ الجَنَّةَ». رواه البخاري. (1)
হাদীস নং: ৯২৩
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:৯ মায়্যিতের কাছে যা বলবে এবং যার কেউ মারা যায় তাকে যা বলতে হবে
প্রিয়জনের অসুস্থতা বা মৃত্যুতে শোকার্ত ব্যক্তিকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা
হাদীছ নং: ৯২৩

হযরত উসামা ইবন যায়দ রাযি. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এক কন্যা তাঁর কাছে লোক পাঠালেন তাকে ডাকার জন্য এবং এই খবর দেওয়ার জন্য যে, তার একটি বাচ্চা বা একটি ছেলে মৃত্যুমুখে। তিনি বার্তাবাহককে বললেন, তার কাছে ফিরে যাও এবং তাকে জানাও যে, আল্লাহ তা'আলারই তা, যা তিনি নিয়ে নিয়েছেন এবং তাঁরই তা, যা তিনি দান করেছেন। আর তাঁর কাছে প্রতিটি জিনিসের এক নির্ধারিত মেয়াদ আছে। সুতরাং তাকে আদেশ করো যেন ধৈর্য ধরে এবং ছাওয়াবের আশা করে। তারপর বর্ণনাকারী পূর্ণাঙ্গ হাদীছটি বর্ণনা করেছেন।
-বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৭৩৭৭; সহীহ মুসলিম: ৯২৩; সুনানে ইবন মাজাহ: ১৫৮৮; সুনানে নাসাঈ: ১৮৬২; মুসনাদুল বাযযার: ২৫৯৩; মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক: ৬৬৭০; মুসনাদে আবূ দাউদ তয়ালিসী: ৬৭১; সহীহ ইবনে হিব্বান: ৪৬১; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা ৭১২৯)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب ما يقال عند الميت وَمَا يقوله من مات له ميت
923 - وعن أسَامَة بن زَيدٍ رضي اللهُ عنهما، قَالَ: أرْسَلَتْ إحْدى بَنَاتِ النَّبيِّ - صلى الله عليه وسلم - إِلَيْهِ تَدْعُوهُ وَتُخْبِرُهُ أنَّ صَبِيًّا لَهَا - أَوْ ابْنًا - في المَوْتِ فَقَالَ للرسول: «ارْجِعْ إِلَيْهَا، فَأخْبِرْهَا أنَّ للهِ تَعَالَى مَا أخَذَ وَلَهُ مَا أَعْطَى، وَكُلُّ شَيْءٍ عِنْدَهُ بِأجَلٍ مُسَمّى، فَمُرْهَا، فَلْتَصْبِرْ وَلْتَحْتَسِبْ» ... وذكر تمام الحديث. متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
হাদীস নং: ৯২৪
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১০ মায়্যিতের জন্য চিৎকার ও বিলাপ করা ব্যতীত স্বাভাবিক কান্নার বৈধতা
বিলাপ করা হারাম। ইনশাআল্লাহ সামনে 'কিতাবুন নাহি' (নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত ভাগে) এ সম্পর্কে একটি পরিচ্ছেদ আসবে। স্বাভাবিক ক্রন্দন সম্পর্কে কোনও কোনও হাদীছে নিষেধাজ্ঞা এসেছে এবং বলা হয়েছে, পরিবারবর্গের কান্নাকাটির কারণে মায়্যিতকে আযাব দেওয়া হয়। কিন্তু সে হাদীছগুলো ব্যাখ্যাসাপেক্ষ। অথবা তা সেই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেখানে মৃতব্যক্তি কান্নাকাটি করার অসিয়ত করে যায়। নিষেধ কেবল সেই ক্রন্দন, যাতে চিৎকার করা হয় কিংবা বিলাপ করা হয়। চিৎকার ও বিলাপবিহীন স্বাভাবিক ক্রন্দন যে জায়েয, সে সম্পর্কে বহু হাদীছ আছে। কয়েকটি হাদীছ এ পরিচ্ছেদে উল্লেখ করা যাচ্ছে।
হযরত সা'দ ইবন উবাদা রাযি.-এর শয্যাপাশে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপস্থিতি ও তাঁর ক্রন্দন
হাদীছ নং: ৯২৪

হযরত আব্দুল্লাহ ইবন উমর রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সা'দ ইবন উবাদা রাযি.-কে তার অসুস্থতাকালে দেখতে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আব্দুর রহমান ইবন আওফ, সা'দ ইবন আবী ওয়াক্কাস ও আব্দুল্লাহ ইবন মাস'উদ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেঁদে দিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কান্না দেখে সঙ্গের লোকজনও কেঁদে দিলেন। তিনি বললেন, তোমরা কি শুনছ না? আল্লাহ চোখের অশ্রুর কারণে শাস্তি দেন না, মনের বেদনার কারণেও নয়। বরং তিনি এটার কারণে শাস্তি দেন অথবা দয়া করেন। তিনি ইশারা করলেন নিজ জিহ্বার দিকে। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ১৩০৪; সহীহ মুসলিম: ৯২৪; তহাবী, শারহু মা'আনিল আছার: ৬৯৭১: সহীহ ইবনে হিব্বান: ৩১৫৯; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৭১৫২: শু'আবুল ঈমান: ৯৬৮৬)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب جواز البكاء عَلَى الميت بغير ندب وَلاَ نياحة
أمَّا النِّيَاحَةُ فَحَرَامٌ، وَسَيَأتِي فِيهَا بَابٌ فِي كِتابِ النَّهْيِ، إنْ شَاءَ اللهُ تَعَالَى. وَأمَّا البُكَاءُ فَجَاءتْ أحَادِيثُ بِالنَّهْيِ عَنْهُ، وَأنَّ المَيِّتَ يُعَذَّبُ بِبُكَاءِ أهْلِهِ، وَهِيَ مُتَأَوَّلَةٌ ومَحْمُولَةٌ عَلَى مَنْ أوْصَى بِهِ، وَالنَّهْيُ إنَّمَا هُوَ عَن البُكَاءِ الَّذِي فِيهِ نَدْبٌ، أَوْ نِيَاحَةٌ، والدَّليلُ عَلَى جَوَازِ البُكَاءِ بِغَيْرِ نَدْبٍ وَلاَ نِياحَةٍ أحَادِيثُ كَثِيرَةٌ،
924 - عن ابن عمر رضي الله عنهما: أنَّ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - عاد سَعْدَ بْنَ عُبَادَةَ، وَمَعَهُ عَبدُ الرَّحْمانِ بْنُ عَوفٍ، وَسَعدُ بْنُ أَبي وَقَّاصٍ، وَعَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْعُودٍ - رضي الله عنهم - فَبَكَى رسولُ الله - صلى الله عليه وسلم - فَلَمَّا رَأى القَوْمُ بُكَاءَ رسولِ الله - صلى الله عليه وسلم - بَكَوْا، فَقَالَ: «ألاَ تَسْمَعُونَ؟ إنَّ الله لاَ يُعَذِّبُ بِدَمْعِ العَينِ، وَلاَ بِحُزنِ القَلبِ، وَلَكِنْ يُعَذِّبُ بِهذَا أَوْ يَرْحَمُ» وَأشَارَ إِلَى لِسَانِهِ. متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
হাদীস নং: ৯২৫
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১০ মায়্যিতের জন্য চিৎকার ও বিলাপ করা ব্যতীত স্বাভাবিক কান্নার বৈধতা
নাতির রোগযন্ত্রণা দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ক্রন্দন করা
হাদীছ নং: ৯২৫

হযরত উসামা ইবন যায়দ রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে তাঁর এক কন্যার পুত্রকে তুলে দেওয়া হল। তখন সে মুমূর্ষু। তাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চোখ থেকে অশ্রু ঝরতে লাগল। হযরত সা'দ রাযি. বলে উঠলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এটা কী? তিনি বললেন, এটা রহমত, যা আল্লাহ তাঁর বান্দাদের অন্তরে স্থাপিত করেছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে যারা দয়াশীল, তাদের প্রতি দয়া করে থাকেন। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ৭৩৭৭; সহীহ মুসলিম: ৯২৩; সুনানে ইবন মাজাহ: ১৫৮৮; সুনানে নাসাঈ : ১৮৬২; মুসনাদুল বাযযার: ২৫৯৩ মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক: ৬৬৭০; মুসনাদে আবূ দাঊদ তয়ালিসী: ৬৭১; সহীহ ইবনে হিব্বান: ৪৬১; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৭১২৯)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب جواز البكاء عَلَى الميت بغير ندب وَلاَ نياحة
925 - وعن أُسَامَة بن زَيدٍ رضي اللهُ عنهما: أنَّ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - رُفِعَ إِلَيْهِ ابنُ ابْنَتِهِ وَهُوَ فِي المَوتِ، فَفَاضَتْ عَيْنَا رسولِ اللهِ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ لَهُ سَعدٌ: مَا هَذَا يَا رسولَ الله؟! قَالَ: «هذِهِ رَحْمَةٌ جَعَلَهَا اللهُ تَعَالَى في قُلُوبِ عِبَادِهِ، وَإنَّمَا يَرْحَمُ اللهُ مِنْ عِبَادِهِ الرُّحَمَاءَ». متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
হাদীস নং: ৯২৬
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১০ মায়্যিতের জন্য চিৎকার ও বিলাপ করা ব্যতীত স্বাভাবিক কান্নার বৈধতা
পুত্র ইবরাহীমের মৃত্যুতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ক্রন্দন করা
হাদীছ নং: ৯২৬

হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পূত্র ইবরাহীমের কাছে প্রবেশ করলেন। তখন তিনি প্রাণত্যাগ করছিলেন। তা দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দুই চোখ অশ্রু ঝরাতে লাগল। আব্দুর রহমান ইবন আওফ বলে উঠলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনিও? তিনি বললেন, হে ইবনে আওফ! এটা তো মমতা। তারপর তিনি আরও একটা কথা বললেন। তিনি বললেন, চোখ অশ্রু ঝরায়, অন্তর ব্যথিত হয়। তবে আমরা কেবল এমন কথাই বলব, যা আমাদের প্রতিপালককে সন্তুষ্ট করে। হে ইবরাহীম। আমরা তোমার বিচ্ছেদে শোকাহত। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ১৩০৩: সহীহ মুসলিম: ২৩১৫: সুনানে আবু দাউদ: ৩১২৬; সুনানে ইবন মাজাহ: ১৫৯০; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ১২১২৬; মুসনাদুল বাযযার: ৬৯৫১; মুসনাদে আবু ইয়া'লা: ৩২৮৮; সহীহ ইবনে হিব্বান: ২৯০২: তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ৪৩৩)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب جواز البكاء عَلَى الميت بغير ندب وَلاَ نياحة
926 - وعن أنسٍ - رضي الله عنه: أنَّ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - دَخَلَ عَلَى ابْنِهِ إبْرَاهيمَ - رضي الله عنه - وَهُوَ يَجُودُ بِنَفسِهِ، فَجَعَلَتْ عَيْنَا رسولِ الله - صلى الله عليه وسلم - تَذْرِفَان. فَقَالَ لَهُ عبدُ الرحمانِ بن عَوف: وأنت يَا رسولَ الله؟! فَقَالَ: «يَا ابْنَ عَوْفٍ إنَّهَا رَحْمَةٌ» ثُمَّ أتْبَعَهَا بأُخْرَى، فَقَالَ: «إنَّ العَيْنَ تَدْمَعُ والقَلب يَحْزنُ، وَلاَ نَقُولُ إِلاَّ مَا يُرْضِي رَبَّنَا، وَإنَّا لِفِرَاقِكَ يَا إبرَاهِيمُ لَمَحزُونُونَ». رواه البخاري، وروى مسلم بعضه. (1) والأحاديث في الباب كثيرة في الصحيح مشهورة، والله أعلم.
হাদীস নং: ৯২৭
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১১ মায়্যিতের মধ্যে অপ্রীতিকর কিছু দেখলে তা প্রকাশ না করা
হাদীছ নং: ৯২৭

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আযাদকৃত গোলাম আবু রাফে’ আসলাম রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি কোনও মায়্যিতকে গোসল করায়, তারপর সে তার দোষ গোপন রাখে, আল্লাহ তা'আলা তাকে চল্লিশবার ক্ষমা করেন। -হাকিম
(হাকিম, আল মুস্তাদরাক: ১৩০৭; তাবারানী, আল মুজামুল কাবীর : ৯২৯)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب الكف عن مَا يرى من الميت من مكروه
927 - وعن أَبي رافع أسلم مولى رسول الله - صلى الله عليه وسلم: أنَّ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ غَسَّلَ مَيتًا فَكَتَمَ عَلَيْهِ، غَفَرَ اللهُ لَهُ أربَعِينَ مَرَّة». رواه الحاكم، (1) وقال: صحيح عَلَى شرط مسلم.
হাদীস নং: ৯২৮
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১২ মায়্যিতের জানাযা পড়া, তার সাথে যাওয়া এবং তার দাফনে উপস্থিত থাকা। লাশের সঙ্গে নারীদের না যাওয়া
জানাযায় অংশগ্রহণ ও দাফনে উপস্থিত থাকার ফযীলত
হাদীছ নং: ৯২৮

হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি মায়্যিতের কাছে উপস্থিত থাকে এবং জানাযার নামায আদায় করে, তার জন্য রয়েছে এক কীরাত পরিমাণ ছাওয়াব। আর যে ব্যক্তি তাকে দাফন করা পর্যন্ত উপস্থিত থাকে, তার জন্য রয়েছে দুই কীরাত। জিজ্ঞেস করা হল, দুই কীরাত কী? তিনি বললেন, বড় বড় দুটি পাহাড়ের সমান। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ১৩২৫; সহীহ মুসলিম: ৯৪৫; জামে তিরমিযী: ১০৪০; সুনানে আবু দাউদ: ৩১৬৮; সুনানে ইবন মাজাহ : ১৫৩৯; মুসনাদে আবূ দাঊদ তয়ালিসী: ২৭০৪; মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক: ৬২৭০; মুসনাদে আহমাদ: ১১৬১৫; সুনানে নাসাঈ : ১৯৯৪; মুসনাদে আবূ ইয়া'লা: ৬১৮৮)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب الصلاة عَلَى الميت وتشييعه وحضور دفنه، وكراهة اتباع النساء الجنائز
928 - عن أَبي هريرة - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رسولُ الله - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ شَهِدَ الجَنَازَةَ حَتَّى يُصَلَّى عَلَيْهَا، فَلَهُ قِيراطٌ، وَمَنْ شَهِدَهَا حَتَّى تُدْفَنَ، فَلَهُ قِيرَاطَانِ» قِيلَ: وَمَا القِيرَاطانِ؟ قَالَ: «مِثْلُ الجَبَلَيْنِ العَظِيمَيْنِ». متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
হাদীস নং: ৯২৯
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১২ মায়্যিতের জানাযা পড়া, তার সাথে যাওয়া এবং তার দাফনে উপস্থিত থাকা। লাশের সঙ্গে নারীদের না যাওয়া
হাদীছ নং: ৯২৯

হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে ও ছাওয়াবের উদ্দেশ্যে কোনও মুসলিম ব্যক্তির লাশের সঙ্গে চলে এবং তার জানাযার নামায ও দাফনের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার সঙ্গে থাকে, সে দুই কীরাত পরিমাণ ছাওয়াব নিয়ে ফেরে। প্রত্যেক কীরাত উহুদ পাহাড়ের সমান। আর যে ব্যক্তি তার জানাযার নামায পড়ে, তারপর তাকে দাফন করার আগেই ফিরে আসে, সে ফেরে এক কীরাত নিয়ে। -বুখারী
(সহীহ বুখারী : ৪৭; সুনানে নাসাঈ: ৫০৩২; সহীহ ইবনে হিব্বান: ৩০৮০; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৫০১)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب الصلاة عَلَى الميت وتشييعه وحضور دفنه، وكراهة اتباع النساء الجنائز
929 - وعنه: أنَّ رسولَ الله - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنِ اتَّبَعَ جَنَازَةَ مُسْلِمٍ إيمانًا وَاحْتِسَابًا، وَكَانَ مَعَهُ حَتَّى يُصَلَّى عَلَيْهَا وَيُفرَغَ مِنْ دَفْنِهَا، فَإنَّهُ يَرْجعُ مِنَ الأَجْرِ بِقيراطَيْنِ كُلُّ قِيرَاطٍ مِثْلُ أُحُدٍ، وَمَنْ صَلَّى عَلَيْهَا، ثُمَّ رَجَعَ قَبْلَ أَنْ تُدْفَنَ، فَإنَّهُ يَرْجِعُ بِقيرَاطٍ». رواه البخاري. (1)
হাদীস নং: ৯৩০
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১২ মায়্যিতের জানাযা পড়া, তার সাথে যাওয়া এবং তার দাফনে উপস্থিত থাকা। লাশের সঙ্গে নারীদের না যাওয়া
জানাযায় নারীদের অংশগ্রহণ
হাদীছ নং: ৯৩০

হযরত উম্মু আতিয়্যাহ রাযি. বলেন, আমাদেরকে লাশের সঙ্গে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে এতে আমাদের উপর কঠোরতা করা হয়নি। -বুখারী ও মুসলিম
(সহীহ বুখারী: ১২৭৮; সহীহ মুসলিম: ৯৩৮; সুনানে আবূ দাঊদ: ৩১৬৭; সুনানে ইবন মাজাহ: ১৫৭৬; মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক: ৬২৮৮; মুসান্নাফে ইবন আবী শায়বা: ১১২৯৪; মুসনাদে ইসহাক ইবন রাহূয়াহ: ২৩৫৮; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ১১২)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب الصلاة عَلَى الميت وتشييعه وحضور دفنه، وكراهة اتباع النساء الجنائز
930 - وعن أم عطية رضي الله عنها، قالت: نُهِينَا عَنِ اتِّبَاعِ الجَنَائِزِ، وَلَمْ يُعْزَمْ عَلَيْنَا. متفقٌ عَلَيْهِ. (1)
ومعناه: وَلَمْ يُشَدَّدْ في النَّهْيِ كَمَا يُشَدَّدُ في المُحَرَّمَاتِ.
হাদীস নং: ৯৩১
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১৩ জানাযার নামাযে মুসল্লীদের সংখ্যা বৃদ্ধি করা ও তাদের তিন বা ততোধিক কাতার বানানো
জানাযার নামাযে লোকসংখ্যা বেশি হওয়ার ফযীলত
হাদীছ নং: ৯৩১

হযরত আয়েশা রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে-কোনও মায়্যিতের উপর যদি মুসলিমদের একটি দল জানাযার নামায পড়ে, যাদের সংখ্যা হয় একশ', আর তারা তাদের জন্য শাফা'আত করে, তবে তার জন্য তাদের শাফা'আত অবশ্যই কবুল করা হয়। -মুসলিম
(সহীহ মুসলিম: ৯৪৭; তাবারানী, আল মু'জামুল আওসাত: ৬০৩৯; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা: ৬৯০৩; শু'আবুল ঈমান: ৮৮১১)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب استحباب تكثير المصلين عَلَى الجنازة وجعل صفوفهم ثلاثة فأكثر
931 - عن عائشة رضي الله عنها، قالت: قَالَ رسولُ الله - صلى الله عليه وسلم: «مَا مِنْ مَيتٍ يُصَلِّي عَلَيْهِ أُمَّةٌ مِنَ المُسْلِمِينَ يَبْلُغُونَ مِئَةً كُلُّهُمْ يَشْفَعُونَ لَهُ إِلاَّ شُفِّعُوا فِيهِ». رواه مسلم. (1)
হাদীস নং: ৯৩২
রোগীর শুশ্রূষা ও মাইয়্যেতের প্রতি কর্তব্য
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ:১৩ জানাযার নামাযে মুসল্লীদের সংখ্যা বৃদ্ধি করা ও তাদের তিন বা ততোধিক কাতার বানানো
কেমন লোকের পক্ষ থেকে এবং কেমন মায়্যিতের জন্য জানাযার নামায শাফা'আত বলে গণ্য
হাদীছ নং: ৯৩২

হযরত ইবন আব্বাস রাযি. বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, কোনও মুসলিম ব্যক্তি যদি মারা যায় এবং তার জানাযায় এমন চল্লিশ ব্যক্তি অংশগ্রহণ করে, যারা আল্লাহর সঙ্গে কোনওকিছুকে শরীক করে না , তবে আল্লাহ তার পক্ষে তাদের সুপারিশ অবশ্যই গ্রহণ করেন। -মুসলিম
(সহীহ মুসলিম: ৯৪৮; মুসনাদে আহমাদ: ২৫০৯; সহীহ ইবন হিব্বান : ৩০৮২; তাবারানী, আল মু'জামুল আওসাত: ৮৮৯৮; বায়হাকী, আস সুনানুল কুবরা : ৫৬২১: শু'আবুল ঈমান : ৮৮১২; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৫০৫)
كتاب عيادة المريض وتشييع الميت والصلاة عليه وحضور دفنه والمكث عند قبره بعد دفنه
باب استحباب تكثير المصلين عَلَى الجنازة وجعل صفوفهم ثلاثة فأكثر
932 - وعن ابن عباسٍ رضي الله عنهما، قَالَ: سَمِعْتُ رسول الله - صلى الله عليه وسلم - يقول: «مَا مِنْ رَجُلٍ مُسْلِمٍ يَمُوتُ، فَيقومُ عَلَى جَنَازَتِهِ أرْبَعُونَ رَجُلًا لاَ يُشْرِكُونَ بِاللهِ شَيْئًا، إِلاَّ شَفَّعَهُمُ اللهُ فِيهِ». رواه مسلم. (1)