আল মুওয়াত্তা-ইমাম মুহাম্মাদ রহঃ
موطأ الإمام مالك برواية الإمام محمد بن الحسن الشيباني
৮- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৭৬ টি
হাদীস নং: ৫৭৪
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ গোলামের বিবাহাধীন বাঁদীকে দাসত্বমুক্ত করা হলে।
৫৭৪। ইবনে উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলতেন, গোলামের বিবাহাধীন বাঁদীকে আযাদ করা হলে, তার সাথে সঙ্গম না করা পর্যন্ত তার (স্বামীর সাথে থাকা বা না থাকার) এখতিয়ার বহাল থাকবে।
كتاب الطلاق
بَابُ: الأَمَةِ تَكُونُ تَحْتَ الْعَبْدِ فَتُعْتَقُ
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ كَانَ " يَقُولُ فِي الأَمَةِ تَحْتَ الْعَبْدِ فَتُعْتَقُ: أَنَّ الْخِيَارَ لَهَا مَا لَمْ يَمَسَّهَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭৫
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ গোলামের বিবাহাধীন বাঁদীকে দাসত্বমুক্ত করা হলে।
৫৭৫। আদী ইবনে কাব গোত্রের যাবরাআ নামী ক্রীতদাসী থেকে বর্ণিত। সে এক দাসের বিবাহাধীন ছিল। তাকে আযাদ করা হলো। উম্মুল মুমিনীন হাফসা (রাযিঃ) তাকে ডেকে পাঠান এবং বলেন, আমি তোমাকে একটি বিষয় অবহিত করবো। তবে আমি পছন্দ করি না যে, তুমি কিছু করো। তুমি তোমার স্বামীর বিবাহ বন্ধনে থাকা বা না থাকার এখতিয়ার লাভ করেছো। সে তোমার সাথে সঙ্গম না করা পর্যন্ত এই এখতিয়ার বহাল থাকবে। সে তোমার সাথে সহবাস করলে, তোমার আর এই এখতিয়ার থাকবে না। যাবরাআ তখন বললো, আমি তার সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করলাম।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, সে যখন জানতে পারবে যে, বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল রাখা বা না রাখার এখতিয়ার সে লাভ করেছে, তখন যে মজলিসে বসে সে তা জানতে পেরেছে, সেখান থেকে উঠে না দাঁড়ানো পর্যন্ত অথবা অন্য কোন কাজে লিপ্ত না হওয়া পর্যন্ত অথবা স্বামীর সাথে সঙ্গম না হওয়া পর্যন্ত এই এখতিয়ার বলবৎ থাকবে। উল্লেখিত তিনটি কাজের কোন একটি সংঘটিত হওয়ার সাথে সাথে এখতিয়ার বাতিল হয়ে যাবে। কিন্তু সে যদি জানতে না পারে যে, তাকে আযাদ করা হয়েছে অথবা তার যদি জানা না থাকে যে, আযাদ করার সাথে সাথে সে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করার এখতিয়ার লাভ করেছে, তাহলে সঙ্গম করার পরও এই এখতিয়ার বহাল থাকবে। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এবং আমাদের ফিকহবিদদের এটাই সাধারণ মত।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, সে যখন জানতে পারবে যে, বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল রাখা বা না রাখার এখতিয়ার সে লাভ করেছে, তখন যে মজলিসে বসে সে তা জানতে পেরেছে, সেখান থেকে উঠে না দাঁড়ানো পর্যন্ত অথবা অন্য কোন কাজে লিপ্ত না হওয়া পর্যন্ত অথবা স্বামীর সাথে সঙ্গম না হওয়া পর্যন্ত এই এখতিয়ার বলবৎ থাকবে। উল্লেখিত তিনটি কাজের কোন একটি সংঘটিত হওয়ার সাথে সাথে এখতিয়ার বাতিল হয়ে যাবে। কিন্তু সে যদি জানতে না পারে যে, তাকে আযাদ করা হয়েছে অথবা তার যদি জানা না থাকে যে, আযাদ করার সাথে সাথে সে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করার এখতিয়ার লাভ করেছে, তাহলে সঙ্গম করার পরও এই এখতিয়ার বহাল থাকবে। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এবং আমাদের ফিকহবিদদের এটাই সাধারণ মত।
كتاب الطلاق
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، أَنَّ زَبْرَاءَ مَوْلاةً لِبَنِي عَدِيِّ بْنِ كَعْبٍ أَخْبَرَتْهُ، أَنَّهَا كَانَتْ تَحْتَ عَبْدٍ، وَكَانَتْ أَمَةً فَأُعْتِقَتْ، فَأَرْسَلَتْ إِلَيْهَا حَفْصَةُ، وَقَالَتْ: إِنِّي مُخْبِرَتُكِ خَبَرًا، وَمَا أُحِبُّ أَنْ تَصْنَعِي شَيْئًا، «إِنَّ أَمْرَكِ بِيَدِكَ مَا لَمْ يَمَسَّكِ، فَإِذَا مَسَّكِ فَلَيْسَ لَكَ مِنْ أَمْرِكَ شَيْءٌ» ، قَالَتْ: وَفَارَقْتُهُ، قَالَ مُحَمَّدٌ: إِذَا عَلِمَتْ أَنَّ لَهَا خِيَارًا، فَأَمْرُهَا بِيَدِهَا مَا دَامَتْ فِي مَجْلِسِهَا مَا لَمْ تَقُمْ مِنْهُ، أَوْ تَأْخُذْ فِي عَمَلٍ آخَرَ، أَوْ يَمَسَّهَا، فَإِذَا كَانَ شَيْءٌ مِنْ هَذَا بَطُلَ خِيَارُهَا، فَأَمَّا إِنْ مَسَّهَا وَلَمْ تَعْلَمْ بِالْعِتْقِ، أَوْ عَلِمَتْ بِهِ وَلَمْ تَعْلَمْ أَنَّ لَهَا الْخِيَارُ فَإِنَّ ذَلِكَ لا يُبْطِلُ خِيَارَهَا، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، وَالْعَامَّةِ مِنْ فُقَهَائِنَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭৬
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অসুস্থ অবস্থায় তালাক দেয়া।
৫৭৬। তালহা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আওফ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। আব্দুর রহমান ইবনে আওফ (রাযিঃ) অসুস্থ অবস্থায় নিজ স্ত্রীকে তালাক দেন। উছমান (রাযিঃ) তার স্ত্রীকে ইদ্দাত পালনশেষে তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির উত্তরাধিকারী সাব্যস্ত করেন।
كتاب الطلاق
بَابُ: طَلاقِ الْمَرِيضِ
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا الزُّهْرِيُّ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَوْفٍ، طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهُوَ مَرِيضٌ فَوَرَّثَهَا عُثْمَانُ مِنْهُ بَعْدَ مَا انْقَضَتْ عِدَّتُهَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭৭
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অসুস্থ অবস্থায় তালাক দেয়া।
৫৭৭। উছমান ইবনে আফ্ফান (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি ইবনে মুকাম্মিলের স্ত্রীদের তার পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী বানান। রোগগ্রস্ত অবস্থায় তিনি তার স্ত্রীদের তালাক দিয়েছিলেন।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, ইদ্দাত পালনের সময়ের মধ্যে স্বামী মারা গেলে তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী তার পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে ওয়ারিস হবে। কিন্তু ইদ্দাত শেষ হওয়ার পর তালাকদাতা স্বামী মারা গেলে সে তার ওয়ারিস হবে না। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) থেকে এ ধরনের রিওয়ায়াত এসেছে। তিনি কাযী শুরায়হকে লিখে পাঠান যে, কোন ব্যক্তি রোগাক্রান্ত অবস্থায় নিজ স্ত্রীকে তিন তালাক দিলে এবং স্বামী তার ইদ্দাত চলাকালে মারা গেলে তাকে তার ওয়ারিস বানাও। কিন্তু স্বামী ইদ্দাতের পর মারা গেলে সে তার উত্তরাধিকারী হবে না। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এবং আমাদের সকল ফিকহবিদের এই মত।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, ইদ্দাত পালনের সময়ের মধ্যে স্বামী মারা গেলে তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী তার পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে ওয়ারিস হবে। কিন্তু ইদ্দাত শেষ হওয়ার পর তালাকদাতা স্বামী মারা গেলে সে তার ওয়ারিস হবে না। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) থেকে এ ধরনের রিওয়ায়াত এসেছে। তিনি কাযী শুরায়হকে লিখে পাঠান যে, কোন ব্যক্তি রোগাক্রান্ত অবস্থায় নিজ স্ত্রীকে তিন তালাক দিলে এবং স্বামী তার ইদ্দাত চলাকালে মারা গেলে তাকে তার ওয়ারিস বানাও। কিন্তু স্বামী ইদ্দাতের পর মারা গেলে সে তার উত্তরাধিকারী হবে না। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এবং আমাদের সকল ফিকহবিদের এই মত।
كتاب الطلاق
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْفَضْلِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، أَنَّهُ «وَرَّثَ نِسَاءَ ابْنِ مُكْمِلٍ مِنْهُ، كَانَ طَلَّقَ نِسَاءَهُ وَهُوَ مَرِيضٌ» ، قَالَ مُحَمَّدٌ: يَرِثْنَهُ مَا دُمْنَ فِي الْعِدَّةِ فَإِذَا انْقَضَتِ الْعِدَّةُ قَبْلَ أَنْ يَمُوتَ، فَلا مِيرَاثَ لَهُنَّ
وَكَذَلِكَ ذَكَرَ هُشَيْمُ بْنُ بَشِيرٍ، عَنِ الْمُغِيرَةِ الضَّبِّيِّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ النَّخَعِيِّ، عَنْ شُرَيْحٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ كَتَبَ إِلَيْهِ، فِي رَجُلٍ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ ثَلاثًا وَهُوَ مَرِيضٌ: «أَنْ وَرِّثْهَا مَا دَامَتْ فِي عِدَّتِهَا، فَإِذَا انْقَضَتِ الْعِدَّةُ، فَلا مِيرَاثَ لَهَا» ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى، وَالْعَامَّةِ مِنْ فُقَهَائِنَا
وَكَذَلِكَ ذَكَرَ هُشَيْمُ بْنُ بَشِيرٍ، عَنِ الْمُغِيرَةِ الضَّبِّيِّ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ النَّخَعِيِّ، عَنْ شُرَيْحٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ كَتَبَ إِلَيْهِ، فِي رَجُلٍ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ ثَلاثًا وَهُوَ مَرِيضٌ: «أَنْ وَرِّثْهَا مَا دَامَتْ فِي عِدَّتِهَا، فَإِذَا انْقَضَتِ الْعِدَّةُ، فَلا مِيرَاثَ لَهَا» ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى، وَالْعَامَّةِ مِنْ فُقَهَائِنَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭৮
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ গর্ভবতী স্ত্রী তালাকপ্রাপ্তা হলে বা স্বামী মারা গেলে তার ইদ্দাত।
৫৭৮। যুহরী (রাহঃ) বলেন, ইবনে উমার (রাযিঃ)-কে এমন এক (গর্ভবতী মহিলার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো যার স্বামী মারা গেছে। তিনি বলেন, সে বাচ্চা প্রসব করার সাথে সাথে হালাল হয়ে যাবে (ইদ্দাত শেষ হয়ে যাবে)। তার কাছে বসা এক আনসার ব্যক্তি বললো, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) বলেছেন, সে যদি এমন অবস্থায় বাচ্চা প্রসব করে যে, তার স্বামীর লাশ খাটিয়ার উপর দাফনের অপেক্ষায় আছে, তবুও সে হালাল হয়ে যাবে (তার ইদ্দাত শেষ হয়ে যাবে)।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই মত গ্রহণ করেছি। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ)-সহ আমাদের সকল ফিকহবিদের এই মত।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই মত গ্রহণ করেছি। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ)-সহ আমাদের সকল ফিকহবিদের এই মত।
كتاب الطلاق
بَابُ: الْمَرْأَةِ تُطَلَّقُ أَوْ يَمُوتُ عَنْهَا زَوْجُهَا وَهِيَ حَامِلٌ
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا الزُّهْرِيُّ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ سُئلَ عَنِ امْرَأَةٍ يُتَوَفَّى عَنْهَا زَوْجُهَا؟ قَالَ: «إِذَا وَضَعَتْ فَقَدْ حَلَّتْ» ، قَالَ رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ كَانَ عِنْدَهُ: أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَالَ: «لَوْ وَضَعَتْ مَا فِي بَطْنِهَا وَهُوَ عَلَى سَرِيرِهِ لَمْ يُدْفَنْ بَعْدُ حَلَّتْ» ، قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، وَالْعَامَّةِ مِنْ فُقَهَائِنَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭৯
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ গর্ভবতী স্ত্রী তালাকপ্রাপ্তা হলে বা স্বামী মারা গেলে তার ইদ্দাত।
৫৭৯। ইবনে উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন স্ত্রীলোক তার পেটের বাচ্চা প্রসব করার সাথে সাথে হালাল হয়ে যায় (ইদ্দাত শেষ হয়ে যায় এবং নতুন স্বামী গ্রহণ করতে পারে)।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই মত গ্রহণ করেছি। স্বামী তালাক দিক অথবা মারা যাক, উভয় অবস্থায় বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হওয়ার সাথে সাথে স্ত্রীর ইদ্দাত শেষ হয়ে যায়। ইমাম আবু হানীফারও এই মত।**
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই মত গ্রহণ করেছি। স্বামী তালাক দিক অথবা মারা যাক, উভয় অবস্থায় বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হওয়ার সাথে সাথে স্ত্রীর ইদ্দাত শেষ হয়ে যায়। ইমাম আবু হানীফারও এই মত।**
كتاب الطلاق
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: «إِذَا وَضَعَتْ مَا فِي بَطْنِهَا حَلَّتْ» ، قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ فِي الطَّلاقِ وَالْمَوْتِ جَمِيعًا، تَنْقَضِي عِدَّتُهَا بِالْوِلادَةِ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৮০
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ গর্ভবতী স্ত্রী তালাকপ্রাপ্তা হলে বা স্বামী মারা গেলে তার ইদ্দাত।
৫৮০। সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রাহঃ) বলেন, কোন ব্যক্তি যখন তার স্ত্রীর সাথে ঈলা করে এবং চার মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পূর্বেই ঈলা ভঙ্গ করে, সে তার স্ত্রীই থাকবে, তালাক হবে না । কিন্তু ঈলা ভঙ্গ করার পূর্বেই যদি চার মাস অতিক্রান্ত হয়ে যায়, তবে স্ত্রী এক তালাক হয়ে যাবে এবং সে স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়ার অধিক হকদার, যতোক্ষণ তার ইদ্দাত শেষ না হবে। সাঈদ (রাহঃ) বলেন, মারওয়ান এই ফতোয়াই দিতেন।
كتاب الطلاق
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا الزُّهْرِيُّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، قَالَ: إِذَا آلَى الرَّجُلُ مِنِ امْرَأَتِهِ، ثُمَّ فَاءَ قَبْلَ أَنْ تَمْضِيَ أَرْبَعَةُ أَشْهُرٍ، فَهِيَ امْرَأَتُهُ لَمْ يَذْهَبْ مِنْ طَلاقِهَا شَيْءٌ، فَإِنْ مَضَتِ الأَرْبَعَةُ الأَشْهُرُ قَبْلَ أَنْ يَفِيءَ، فَهِيَ تَطْلِيقَةٌ وَهُوَ أَمْلَكُ بِالرَّجْعَةِ مَا لَمْ تَنْقَضِ عِدَّتُهَا "، قَالَ: وَكَانَ مَرْوَانُ يَقْضِي بِذَلِكَ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৮১
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ গর্ভবতী স্ত্রী তালাকপ্রাপ্তা হলে বা স্বামী মারা গেলে তার ইদ্দাত।
৫৮১। ইবনে উমার (রাযিঃ) বলেন, যে ব্যক্তিই নিজ স্ত্রীর সাথে ঈলা (সঙ্গম না করার শপথ) করে এবং এ অবস্থায় চার মাস অতীত হয়ে যায়, তাকে বিচারকের সামনে স্ত্রীকে তালাক দেয়ার জন্য অথবা রুজু করার জন্য বাধ্য করতে হবে। চার মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও তালাক হবে না, যতোক্ষণ তাকে বিচারকের সামনে উপস্থিত না করা হবে।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা হযরত উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ), উছমান ইবনে আফ্ফান (রাযিঃ), আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) এবং যায়েদ ইবনে ছাবিত (রাযিঃ) সম্পর্কে জানতে পেরেছি যে, তারা বলেছেন, কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে ঈলা করার পর ঈলা ভঙ্গের পূর্বে চার মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেলে তার স্ত্রী এক বায়েন তালাক হয়ে যায়। সে বিবাহের প্রস্তাবকদের মধ্যে গণ্য হয় (অর্থাৎ প্রস্তাব পাঠানোর মাধ্যমে তাকে নতুনভাবে বিবাহ করতে হবে)। চার মাস পার হয়ে যাবার পর তারা স্বামীর উপর চাপ প্রয়োগের কোন প্রয়োজনীয়তা মনে করেন না। ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) নিম্নোক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেছেনঃ
لِلَّذِينَ يُؤْلُونَ مِنْ نِسَائِهِمْ تَرَبُّصُ أَرْبَعَةِ أَشْهُرٍ فَإِنْ فَاءُوا فَإِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَحِيمٌ
“যেসব লোক নিজেদের স্ত্রীদের সাথে ঈলা (সম্পর্ক না রাখার প্রতিজ্ঞা) করে, তাদের জন্য চার মাসের অবকাশ আছে। যদি তারা এথেকে প্রত্যাবর্তন করে তবে আল্লাহ ক্ষমাশীল ও দয়াময়। আর যদি তারা তালাক দেয়ারই সিদ্ধান্ত করে থাকে, তবে জেনে রাখা দরকার যে, আল্লাহ সবকিছু শুনেন, সবকিছু জানেন” (সূরা বাকারাঃ ২২৬ ২২৭)।
(ইবনে আব্বাসের ব্যাখ্যা), الفيء অর্থ 'চার মাসের মধ্যে সঙ্গম করা' আর عزيمة الطلاق অর্থ 'চার মাস পার হয়ে যাওয়া'। চার মাস অতিক্রান্ত হয়ে যাবার পর স্ত্রী এক বায়েন তালাক হয়ে যায়। এরপর আর স্বামীর উপর চাপ সৃষ্টি করা যাবে না। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) অন্যদের তুলনায় কুরআনের ব্যাখ্যা সম্পর্কে অধিক অবহিত ছিলেন। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এবং আমাদের সকল ফিকহবিদের এই মত।**
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা হযরত উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ), উছমান ইবনে আফ্ফান (রাযিঃ), আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাযিঃ) এবং যায়েদ ইবনে ছাবিত (রাযিঃ) সম্পর্কে জানতে পেরেছি যে, তারা বলেছেন, কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে ঈলা করার পর ঈলা ভঙ্গের পূর্বে চার মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেলে তার স্ত্রী এক বায়েন তালাক হয়ে যায়। সে বিবাহের প্রস্তাবকদের মধ্যে গণ্য হয় (অর্থাৎ প্রস্তাব পাঠানোর মাধ্যমে তাকে নতুনভাবে বিবাহ করতে হবে)। চার মাস পার হয়ে যাবার পর তারা স্বামীর উপর চাপ প্রয়োগের কোন প্রয়োজনীয়তা মনে করেন না। ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) নিম্নোক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেছেনঃ
لِلَّذِينَ يُؤْلُونَ مِنْ نِسَائِهِمْ تَرَبُّصُ أَرْبَعَةِ أَشْهُرٍ فَإِنْ فَاءُوا فَإِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَحِيمٌ
“যেসব লোক নিজেদের স্ত্রীদের সাথে ঈলা (সম্পর্ক না রাখার প্রতিজ্ঞা) করে, তাদের জন্য চার মাসের অবকাশ আছে। যদি তারা এথেকে প্রত্যাবর্তন করে তবে আল্লাহ ক্ষমাশীল ও দয়াময়। আর যদি তারা তালাক দেয়ারই সিদ্ধান্ত করে থাকে, তবে জেনে রাখা দরকার যে, আল্লাহ সবকিছু শুনেন, সবকিছু জানেন” (সূরা বাকারাঃ ২২৬ ২২৭)।
(ইবনে আব্বাসের ব্যাখ্যা), الفيء অর্থ 'চার মাসের মধ্যে সঙ্গম করা' আর عزيمة الطلاق অর্থ 'চার মাস পার হয়ে যাওয়া'। চার মাস অতিক্রান্ত হয়ে যাবার পর স্ত্রী এক বায়েন তালাক হয়ে যায়। এরপর আর স্বামীর উপর চাপ সৃষ্টি করা যাবে না। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) অন্যদের তুলনায় কুরআনের ব্যাখ্যা সম্পর্কে অধিক অবহিত ছিলেন। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এবং আমাদের সকল ফিকহবিদের এই মত।**
كتاب الطلاق
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: «أَيُّمَا رَجُلٍ آلَى مِنِ امْرَأَتِهِ فَإِذَا مَضَتِ الأَرْبَعَةُ الأَشْهُرُ وُقِفَ حَتَّى يُطَلِّقَ، أَوْ يَفِيءَ، وَلا يَقَعُ عَلَيْهَا طَلاقٌ، وَإِنْ مَضَتِ الأَرْبَعَةُ الأَشْهُرُ حَتَّى يُوقَفَ» ، قَالَ مُحَمَّدٌ: بَلَغَنَا، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، وَعُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، وَزَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، أَنَّهُمْ قَالُوا: إِذَا آلَى الرَّجُلُ مِنِ امْرَأَتِهِ فَمَضَتْ أَرْبَعَةُ أَشْهُرٍ قَبْلَ أَنْ يَفِيءَ فَقَدْ بَانَتْ بِتَطْلِيقَةٍ بَائِنَةٍ، وَهُوَ خَاطِبٌ مِنَ الْخُطَّابِ وَكَانُوا لا يَرَوْنَ أَنْ يُوقَفَ بَعْدَ الأَرْبَعَةِ، وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ فِي تَفْسِيرِ هَذِهِ الآيَةِ: {لِلَّذِينَ يُؤْلُونَ مِنْ نِسَائِهِمْ تَرَبُّصُ أَرْبَعَةِ أَشْهُرٍ فَإِنْ فَاءُوا فَإِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَحِيمٌ} [البقرة: 226] ، {وَإِنْ عَزَمُوا الطَّلاقَ فَإِنَّ اللَّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٌ} [البقرة: 227] ، قَالَ: الْفَيْءُ: الْجِمَاعُ فِي الأَرْبَعَةِ الأَشْهُرِ، وَعَزِيمَةُ الطَّلاقِ: انْقِضَاءُ الأَرْبَعَةِ الأَشْهُرِ، فَإِذَا مَضَتْ بَانَتْ بِتَطْلِيقَةٍ، وَلا يُوقَفُ بَعْدَهَا، وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ أَعْلَمَ بِتَفْسِيرِ الْقُرْآنِ مِنْ غَيْرِهِ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، وَالْعَامَّةِ مِنْ فُقَهَائِنَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৮২
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সঙ্গমের পূর্বে স্ত্রীকে তিন তালাক দেয়া ।
৫৮২। মুহাম্মাদ ইবনে আইয়াস ইবনে বুকাইর (রাহঃ) বলেন, এক ব্যক্তি সহবাসের পূর্বে নিজ স্ত্রীকে তিন তালাক দেয়। অতঃপর সে পুনরায় তাকে বিবাহ করতে চায়। তাই সে মাসআলা জানার জন্য আসে। আমিও তার সাথী হলাম। সে আবু হুরায়রা (রাযিঃ) ও ইবনে আব্বাস (রাযিঃ)-র কাছে এ সম্পর্কে মাসআলা জিজ্ঞেস করে। তারা উভয়ে বলেন, অন্য স্বামী গ্রহণ না করা পর্যন্ত সে তাকে পুনরায় বিবাহ করতে পারবে না। সে বললো, আমি নিশ্চিতরূপে তাকে এক তালাক দিয়েছি। ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, তুমি নিজের অধিকার হাতছাড়া করে ফেলেছো।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই মত গ্রহণ করেছি। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এবং আমাদের মাযহাবের ফিকহবিদদের এটাই সাধারণ মত। কেননা সে একসাথে তিন তালাক দিয়েছে। এজন্য একত্রেই তিন তালাক কার্যকর হয়েছে। কারণ প্রথম তালাকের পরপরই এবং দ্বিতীয় তালাক উচ্চারণ করার পূর্বেই সে বায়েন তালাক হয়ে গেছে। তাকে কোন ইদ্দাত পালন করতে হবে না। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় তালাক তো ইদ্দাত চলাকালে অবতীর্ণ হয়।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই মত গ্রহণ করেছি। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এবং আমাদের মাযহাবের ফিকহবিদদের এটাই সাধারণ মত। কেননা সে একসাথে তিন তালাক দিয়েছে। এজন্য একত্রেই তিন তালাক কার্যকর হয়েছে। কারণ প্রথম তালাকের পরপরই এবং দ্বিতীয় তালাক উচ্চারণ করার পূর্বেই সে বায়েন তালাক হয়ে গেছে। তাকে কোন ইদ্দাত পালন করতে হবে না। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় তালাক তো ইদ্দাত চলাকালে অবতীর্ণ হয়।
كتاب الطلاق
بَابُ: الرَّجُلِ يُطَلِّقُ امْرَأَتَهُ قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ بِهَا
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا الزُّهْرِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِيَاسِ بْنِ بُكَيْرٍ، قَالَ: طَلَّقَ رَجُلٌ امْرَأَتَهُ ثَلاثًا قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ بِهَا، ثُمَّ بَدَا لَهُ أَنْ يَنْكِحَهَا فَجَاءَ يَسْتَفْتِي، قَالَ: فَذَهَبَتْ مَعَهُ، فَسَأَلَ أَبَا هُرَيْرَةَ، وَابْنُ عَبَّاسٍ، فَقَالا: «لا يَنْكِحُهَا حَتَّى تَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ» ، فَقَالَ: إِنَّمَا كَانَ طَلاقِي إِيَّاهَا وَاحِدَةً، قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: «أَرْسَلْتَ مِنْ يَدِكَ مَا كَانَ لَكَ مِنْ فَضْلٍ» ، قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، وَالْعَامَّةِ مِنْ فُقَهَائِنَا، لأَنَّهُ طَلَّقَهَا ثَلاثًا جَمِيعًا، فَوَقَعْنَ عَلَيْهَا جَمِيعًا مَعًا، وَلَوْ فَرَّقَهُنَّ وَقَعَتِ الأُولَى خَاصَّةً لأَنَّهَا بَانَتْ بِهَا قَبْلَ أَنْ يَتَكَلَّمَ، وَلا عِدَّةَ عَلَيْهَا فَتَقَعُ عَلَيْهَا الثَّانِيَةُ وَالثَّالِثَةُ مَا دَامَتْ فِي الْعِدَّةِ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৮৩
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ কোন মহিলা প্রথম স্বামী তালাক দেয়ার পর দ্বিতীয় স্বামী গ্রহণ করেছে এবং সেও সহবাস করার পূর্বে তাকে তালাক দিয়েছে।
৫৮৩। যুবাইর ইবনে আব্দুর রহমান ইবনুয যুবাইর (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। রিফাআ ইবনে সিমওয়াল তার স্ত্রী তামীমা বিনতে ওয়াহ্বকে রাসূলুল্লাহ -এর যুগে তিন তালাক দেন। অতঃপর আব্দুর রহমান ইবনুয যুবাইর তাকে বিবাহ করেন। কিন্তু তিনি অসুখের কারণে সংগম করতে সক্ষম হননি। অতএব তিনি তাকে সহবাসের পূর্বে তালাক দেন। রিফাআ তাকে পুনর্বার বিবাহ করতে চাইলেন। তিনিই ছিলেন তার প্রথম স্বামী, যিনি তাকে তালাক দিয়েছিলেন । ব্যাপারটি তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর কাছে বললেন। তিনি তাকে ঐ মহিলাকে বিবাহ করতে নিষেধ করেন এবং বলেনঃ “দ্বিতীয় স্বামী তার সাথে সহবাস না করা পর্যন্ত সে তোমার জন্য হালাল হবে না।”১
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই হাদীস অনুযায়ী আমল করি। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এবং আমাদের সকল ফিব্বিদের এই মত। কেননা দ্বিতীয় স্বামী তার সাথে সহবাস করেনি। অতএব দ্বিতীয় স্বামীর সহবাস করার পূর্বে সে প্রথম স্বামীর কাছে ফিরে আসতে পারবে না।২
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই হাদীস অনুযায়ী আমল করি। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এবং আমাদের সকল ফিব্বিদের এই মত। কেননা দ্বিতীয় স্বামী তার সাথে সহবাস করেনি। অতএব দ্বিতীয় স্বামীর সহবাস করার পূর্বে সে প্রথম স্বামীর কাছে ফিরে আসতে পারবে না।২
كتاب الطلاق
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا الْمِسْوَرُ بْنُ رِفَاعَةَ الْقُرَظِيُّ، عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الزُّبَيْرِ، أَنَّ رِفَاعَةَ بْنَ سِمْوَالٍ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ تَمِيمَةَ بِنْتَ وَهْبٍ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلاثًا، فَنَكَحَهَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الزُّبَيْرِ، فَأَعْرَضَ عَنْهَا، فَلَمْ يَسْتَطِعْ أَنْ يَمَسَّهَا، فَفَارَقَهَا وَلَمْ يَمَسَّهَا، " فَأَرَادَ رِفَاعَةُ أَنْ يَنْكِحَهَا، وَهُوَ زَوْجُهَا الأَوَّلُ الَّذِي طَلَّقَهَا، فَذَكَرَ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَنَهَاهُ عَنْ تَزْوِيجِهَا، وَقَالَ: «لا تَحِلُّ لَكَ حَتَّى تَذُوقَ الْعُسَيْلَةَ» ، قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، وَالْعَامَّةِ مِنْ فُقَهَائِنَا، لأَنَّ الثَّانِيَ لَمْ يُجَامِعْهَا، فَلا يَحِلُّ أَنْ تَرْجِعَ إِلَى الأَوَّلِ حَتَّى يُجَامِعَهَا الثَّانِي
হাদীস নং: ৫৮৪
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইদ্দাত পূর্ণ হওয়ার পূর্বে সফরে বের হওয়া নিষেধ।
৫৮৪। সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) স্বামীর মৃত্যুতে ইদ্দাত পালনকারী মহিলাদেরকে হজ্জে যেতে নিষেধ করতেন। এমনকি তিনি বাইদা নামক স্থান থেকে এ ধরনের মহিলাদের বাড়িতে ফেরত পাঠিয়েছিলেন ।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই মত গ্রহণ করেছি। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এবং আমাদের সকল ফিক্বিদের এই মত। ইদ্দাত চলাকালে কোন স্ত্রীলোকের পক্ষে সফরে বের হওয়া উচিৎ নয়। তা মৃত্যুর সাথে সংশ্লিষ্ট ইদ্দাত হোক অথবা তালাকের সাথে সংশ্লিষ্ট ইদ্দাত, তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত সফরে বের হওয়া নিষেধ।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই মত গ্রহণ করেছি। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এবং আমাদের সকল ফিক্বিদের এই মত। ইদ্দাত চলাকালে কোন স্ত্রীলোকের পক্ষে সফরে বের হওয়া উচিৎ নয়। তা মৃত্যুর সাথে সংশ্লিষ্ট ইদ্দাত হোক অথবা তালাকের সাথে সংশ্লিষ্ট ইদ্দাত, তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত সফরে বের হওয়া নিষেধ।
كتاب الطلاق
بَابُ: الْمَرْأَةِ تُسَافِرُ قَبْلَ انْقِضَاءِ عِدَّتِهَا
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ قَيْسٍ الْمَكِّيُّ الأَعْرَجُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ كَانَ «يَرُدُّ الْمُتَوَفَّى عَنْهُنَّ أَزْوَاجَهُنَّ مِنَ الْبَيْدَاءِ يَمْنَعُهُنَّ الْحَجَّ» ، قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، وَالْعَامَّةِ مِنْ فُقَهَائِنَا لا يَنْبَغِي لامْرَأَةٍ أَنْ تُسَافِرَ فِي عِدَّتِهَا حَتَّى تَنْقَضِيَ مِنْ طَلاقٍ كَانَتْ، أَوْ مَوْتٍ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৮৫
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মুতআ বিবাহ।
৫৮৫। আলী (রাযিঃ) ইবনে আব্বাস (রাযিঃ)-কে বলেন, খায়বারের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ ﷺ মুতআ বিবাহ করতে এবং গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন ।
كتاب الطلاق
بَابُ: الْمُتْعَةِ
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا الزُّهْرِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، وَالْحَسَنِ ابْنَيْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ أَبِيهِمَا، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ جَدِّهِمَا، أَنَّهُ قَالَ لابْنِ عَبَّاسٍ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «عَنْ مُتْعَةِ النِّسَاءِ يَوْمَ خَيْبَرَ، وَعَنْ أَكْلِ لُحُومِ الْحُمُرِ الإِنْسِيَّةِ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৮৬
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মুতআ বিবাহ।
৫৮৬। উরওয়া ইবনুয যুবাইর (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। হাকীম কন্যা খাওলা (রাযিঃ) উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ)-র কাছে এসে বলেন, উমাইয়্যার পুত্র রবীআ এক কুজন্মা নারীর সাথে মুতআ করেছে এবং সে তার দ্বারা গর্ভবতী হয়েছে। একথা শুনে হযরত উমার (রাযিঃ) সন্ত্রস্ত অবস্থায় নিজের চাদর হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে বাইরে বেরিয়ে এলেন এবং বলতে লাগলেন, এই ব্যক্তি মুতআ করেছে। আমি যদি পূর্বেই (তা হারাম হওয়ার কথা) ঘোষণা করে দিতাম, তাহলে আজ আমি তাকে পাথর নিক্ষেপে হত্যা করতাম।**
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, মুতআ করা মাকরূহ। অতএব তা করা ঠিক নয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ বিভিন্ন হাদীসের মাধ্যমে মুতআ করতে নিষেধ করেছেন। হযরত উমার (রাযিঃ) যে বলেছেন, “আমি যদি পূর্বেই (তার হারাম হওয়ার কথা) ঘোষণা করে দিতাম, তাহলে আজ রজম (পাথর নিক্ষেপে হত্যা) করতাম" এই কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য এবং সতর্ক করার জন্য বলেছেন। ইমাম আবু হানীফা এবং আমাদের সকল ফিকহবিদের এটাই সাধারণ মত।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, মুতআ করা মাকরূহ। অতএব তা করা ঠিক নয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ বিভিন্ন হাদীসের মাধ্যমে মুতআ করতে নিষেধ করেছেন। হযরত উমার (রাযিঃ) যে বলেছেন, “আমি যদি পূর্বেই (তার হারাম হওয়ার কথা) ঘোষণা করে দিতাম, তাহলে আজ রজম (পাথর নিক্ষেপে হত্যা) করতাম" এই কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য এবং সতর্ক করার জন্য বলেছেন। ইমাম আবু হানীফা এবং আমাদের সকল ফিকহবিদের এটাই সাধারণ মত।
كتاب الطلاق
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا الزُّهْرِيُّ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، أَنَّ خَوْلَةَ بِنْتِ حَكِيمٍ دَخَلَتْ عَلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، فَقَالَتْ: أَنَّ رَبِيعَةَ بْنَ أُمَيَّةَ اسْتَمْتَعَ بِامْرَأَةٍ مُوَلَّدَةٍ فَحَمَلَتْ مِنْهُ، فَخَرَجَ عُمَرُ فَزِعًا يَجُرُّ رِدَاءَهُ، فَقَالَ: «هَذِهِ الْمُتْعَةُ لَوْ كُنْتُ تَقَدَّمْتُ فِيهَا لَرَجَمْتُ» ، قَالَ مُحَمَّدٌ: الْمُتْعَةُ مَكْرُوهَةٌ، فَلا يَنْبَغِي، فَقَدْ نَهَى عَنْهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيمَا جَاءَ فِي غَيْرِ حَدِيثٍ، وَلا اثْنَيْنِ، وَقَوْلُ عُمَرَ: لَوْ كُنْتُ تَقَدَّمْتُ فِيهَا لَرَجَمْتُ، إِنَّمَا نَضَعُهُ مِنْ عُمَرَ عَلَى التَّهْدِيدِ، وَهَذَا قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، وَالْعَامَّةِ مِنْ فُقَهَائِنَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৮৭
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ এক স্ত্রীকে অপর স্ত্রীর উপর অগ্রাধিকার দেয়া।
৫৮৭। রাফে ইবনে খাদীজ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি মুহাম্মাদ ইবনে সালামার কন্যাকে বিবাহ করলেন। তিনি তার ঘরসংসার করতে থাকলেন। অতঃপর তিনি এক যুবতীকে বিবাহ করলেন, তাকে প্রথম স্ত্রীর উপর অগ্রাধিকার দিতে লাগলেন এবং তার দিকে ঝুঁকে পড়লেন। প্রথম স্ত্রী তার কাছে তালাক দাবি করলো। অতএব তিনি তাকে এক তালাক দিলেন এবং নিজ বাড়িতেই রাখলেন। ইদ্দাত শেষ হওয়ার পূর্বে তিনি তাকে রুজু করলেন। কিন্তু এবারও তিনি যুবতী স্ত্রীর দিকেই ঝুঁকে থাকলেন। প্রথম স্ত্রী আবারও তালাক দাবি করলো। তিনি এবার তাকে এক তালাক দিলেন এবং স্ত্রীকে নিজ বাড়ীতেই রাখলেন। অতঃপর ইদ্দাত শেষ হওয়ার কাছাকাছি সময়ে আবারও স্ত্রীকে রুজু করলেন। কিন্তু তিনি যুবতী স্ত্রীকেই অগ্রাধিকার দিতে থাকলেন। প্রথম স্ত্রী পুনরায় তালাক দাবি করেন। স্বামী তাকে বলেন, তোমার কি খেয়াল, আর এক তালাক বাকী আছে। আমি তো দ্বিতীয় স্ত্রীকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। এ অবস্থায় তুমি যদি আমার ঘর-সংসার করতে রাজী হও তাহলে থেকে যাও। আর যদি তুমি চাও তবে আমি তোমাকে তালাক দিতে পারি। স্ত্রী বললো, অগ্রাধিকার দেয়া সত্ত্বেও আমি তোমার সংসারে থেকে যাওয়াই পছন্দ করি। অতএব তিনি নিজ স্ত্রীকে রেখে দিলেন। রাবী ইবনে শিহাব (রাহঃ) বলেন, দ্বিতীয় স্ত্রীকে অগ্রাধিকার দেয়া সত্ত্বেও প্রথম স্ত্রী যখন তার সংসারে থেকে যাওয়াকে বেছে নিলো, তখন রাফে (রাযিঃ) এই অগ্রাধিকার দেয়াকে গুনাহ মনে করেননি।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, এ ব্যাপারে এক স্ত্রী সম্মত হলে অপর স্ত্রীকে অগ্রাধিকার দেয়ায় কোন দোষ নেই। তবে স্ত্রী তার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার অধিকার প্রাপ্ত হয়। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এবং আমাদের সকল ফিকহবিদের এটাই সাধারণ মত।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, এ ব্যাপারে এক স্ত্রী সম্মত হলে অপর স্ত্রীকে অগ্রাধিকার দেয়ায় কোন দোষ নেই। তবে স্ত্রী তার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার অধিকার প্রাপ্ত হয়। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এবং আমাদের সকল ফিকহবিদের এটাই সাধারণ মত।
كتاب الطلاق
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ أَنَّهُ تَزَوَّجَ ابْنَةَ مُحَمَّدِ بْنِ سَلَمَةَ، فَكَانَتْ تَحْتَهُ، فَتَزَوَّجَ عَلَيْهَا امْرَأَةً شَابَّةً فَآثَرَ الشَّابَّةَ عَلَيْهَا، فَنَاشَدَتْهُ الطَّلاقَ فَطَلَّقَهَا وَاحِدَةً، ثُمَّ أَمْهَلَهَا حَتَّى إِذَا كَادَتْ تَحِلُّ ارْتَجَعَهَا، ثُمَّ عَادَ، فَآثَرَ الشَّابَّةَ، فَنَاشَدَتْهُ الطَّلاقَ، فَطَلَّقَهَا وَاحِدَةً، ثُمَّ أَمْهَلَهَا حَتَّى كَادَتْ أَنْ تَحِلَّ ارْتَجَعَهَا، ثُمَّ عَادَ فَآثَرَ الشَّابَّةَ، فَنَاشَدَتْهُ الطَّلاقَ، فَقَالَ: «مَا شِئْتِ إِنَّمَا بَقِيَتْ وَاحِدَةٌ، فَإِنْ شِئْتِ اسْتَقْرَرْتِ عَلَى مَا تَرَيْنَ مِنَ الأَثَرَةِ وَإِنْ شِئْتِ طَلَّقْتُكِ» ، قَالَتْ: بَلْ أَسْتَقِرُّ عَلَى الأَثَرَةِ، فَأَمْسَكَهَا عَلَى ذَلِكَ، وَلَمْ يَرَ رَافِعٌ أَنَّ عَلَيْهِ فِي ذَلِكَ إِثْمًا حِينَ رَضِيَتْ أَنْ تَسْتَقِرَّ عَلَى الأَثَرَةِ، قَالَ مُحَمَّدٌ: لا بَأْسَ بِذَلِكَ إِذَا رَضِيَتْ بِهِ الْمَرْأَةُ، وَلَهَا أَنْ تَرْجِعَ عَنْهُ إِذَا بَدَا لَهَا، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، وَالْعَامَّةِ مِنْ فُقَهَائِنَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৮৮
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ লিআন-এর বর্ণনা।
৫৮৮ । ইবনে উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর যমানায় নিজ স্ত্রীর সাথে লিআন করে এবং তার সন্তান অস্বীকার করে। রাসূলুল্লাহ ﷺ তাদের উভয়ের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দিলেন এবং সন্তানকে স্ত্রীর সাথে মিলিত করলেন।**
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এ হাদীস অনুযায়ী আমল করি। কোন ব্যক্তি সন্তান অস্বীকার করলে এবং স্ত্রীর সাথে লিআন করলে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দিতে হবে এবং সন্তান স্ত্রীকে দিতে হবে। ইমাম আবু হানীফা এবং আমাদের সকল ফিকহবিদের এটাই সাধারণ মত।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এ হাদীস অনুযায়ী আমল করি। কোন ব্যক্তি সন্তান অস্বীকার করলে এবং স্ত্রীর সাথে লিআন করলে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দিতে হবে এবং সন্তান স্ত্রীকে দিতে হবে। ইমাম আবু হানীফা এবং আমাদের সকল ফিকহবিদের এটাই সাধারণ মত।
كتاب الطلاق
بَابُ: اللِّعَانِ
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ «رَجُلا لاعَنَ امْرَأَتَهُ فِي زَمَانِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَانْتَفَى مِنْ وَلَدِهَا، فَفَرَّقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَهُمَا، وَأَلْحَقَ الْوَلَدَ بِالْمَرْأَةِ» ، قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ، إِذَا نَفَى الرَّجُلُ وَلَدَ امْرَأَتِهِ، وَلاعَنَ فُرِّقَ بَيْنَهُمَا، وَلَزِمَ الْوَلَدُ أُمَّهُ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، وَالْعَامَّةِ مِنْ فُقَهَائِنَا رَحِمَهُمُ اللَّهُ تَعَالَى
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৮৯
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ তালাক দিয়ে বিদায় দেয়ার সময় কিছু মালপত্র দেয়া উচিৎ।
৫৮৯। ইবনে উমার (রাযিঃ) বলেন, প্রত্যেক তালাকপ্রাপ্তা নারী কিছু মালপত্র পাবে। তবে যে নারীর মুহর নির্ধারণ করা হয়েছে কিন্তু সহবাসের পূর্বে তালাক দেয়া হয়েছে-সে নির্ধারিত মুহরের অর্ধেক পাবে (অতিরিক্ত কিছু পাবে না)।**
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই মত গ্রহণ করেছি। অতিরিক্ত কিছু মাল দেয়া স্বামীর জন্য বাধ্যতামূলক নয়। এজন্য তাকে চাপ দেয়াও যাবে না। কিন্তু একটি ক্ষেত্রে তা বাধ্যতামূলক। স্ত্রীকে যদি সহবাসের পূর্বে তালাক দেয়া হয় এবং তার জন্য মুহর নির্ধারণ করা না হয়ে থাকে তবে এক্ষেত্রে কিছু মাল আইনের আশ্রয় নিয়ে আদায় করা যাবে। এর সর্বনিম্ন পরিমাণ হচ্ছে বাড়িতে ব্যবহার্য স্ত্রীর কাপড়-চোপড়, ওড়না, জামা ইত্যাদি। ইমাম আবু হানীফা এবং আমাদের সকল ফিকহবিদের এই মত।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই মত গ্রহণ করেছি। অতিরিক্ত কিছু মাল দেয়া স্বামীর জন্য বাধ্যতামূলক নয়। এজন্য তাকে চাপ দেয়াও যাবে না। কিন্তু একটি ক্ষেত্রে তা বাধ্যতামূলক। স্ত্রীকে যদি সহবাসের পূর্বে তালাক দেয়া হয় এবং তার জন্য মুহর নির্ধারণ করা না হয়ে থাকে তবে এক্ষেত্রে কিছু মাল আইনের আশ্রয় নিয়ে আদায় করা যাবে। এর সর্বনিম্ন পরিমাণ হচ্ছে বাড়িতে ব্যবহার্য স্ত্রীর কাপড়-চোপড়, ওড়না, জামা ইত্যাদি। ইমাম আবু হানীফা এবং আমাদের সকল ফিকহবিদের এই মত।
كتاب الطلاق
بَابُ: مُتْعَةِ الطَّلاقِ
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، حَدَّثَنَا نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: «لِكُلِّ مُطَلِّقَةٍ مُتْعَةٌ إِلا الَّتِي تُطَلَّقُ، وَقَدْ فُرِضَ لَهَا صَدَاقٌ، وَلَمْ تُمَسَّ فَحَسْبُهَا نِصْفُ مَا فُرِضَ لَهَا» قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ، وَلَيْسَتِ الْمُتْعَةُ الَّتِي يُجْبَرُ عَلَيْهَا صَاحِبُهَا إِلا مُتْعَةً وَاحِدَةً، هِيَ مُتْعَةُ الَّذِي يُطَلِّقُ امْرَأَتَهُ قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ بِهَا، وَلَمْ يَفْرِضْ لَهَا، فَهَذِهِ لَهَا الْمُتْعَةُ وَاجِبَةٌ، يُؤْخَذُ بِهَا فِي الْقَضَاءِ، وَأَدْنَى الْمُتْعَةِ لِبَاسُهَا فِي بَيْتِهَا: الدِّرْعُ وَالْمِلْحَفَةُ وَالْخِمَارُ، وَهُوَ قولُ أَبِي حَنِيفَةَ، وَالْعَامَّةِ مِنْ فُقَهَائِنَا رَحِمَهُمُ اللَّهُ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৯০
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইদ্দাত চলাকালে রূপচর্চা করা মাকরূহ।
৫৯০। নাফে (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। আবু উবাইদের কন্যা সাফিয়্যার চোখে অসুখ হয়েছিল। তিনি তখন (স্বামী) আব্দুল্লাহর মৃত্যুতে শোক পালন করছিলেন। তিনি চোখে সুরমা ব্যবহার করেননি। এমনকি তার চোখ ময়লায় ভরে গিয়েছিল।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই মত গ্রহণ করেছি। ইদ্দাত চলাকালে সাজসজ্জার উদ্দেশ্যে সুরমা ব্যবহার করবে না এবং সুগন্ধিও লাগাবে না। কিন্তু সাদা কোন জিনিস ব্যবহারে দোষ নেই। কেননা তা সাজসজ্জা করার জন্য নয়। ইমাম আবু হানীফা এবং আমাদের সকল ফিকহবিদের এই মত।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই মত গ্রহণ করেছি। ইদ্দাত চলাকালে সাজসজ্জার উদ্দেশ্যে সুরমা ব্যবহার করবে না এবং সুগন্ধিও লাগাবে না। কিন্তু সাদা কোন জিনিস ব্যবহারে দোষ নেই। কেননা তা সাজসজ্জা করার জন্য নয়। ইমাম আবু হানীফা এবং আমাদের সকল ফিকহবিদের এই মত।
كتاب الطلاق
بَابُ: مَا يُكْرَهُ لِلْمَرْأَةِ مِنَ الزِّينَةِ فِي الْعِدَّةِ
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا نَافِعٌ، أَنَّ صَفِيَّةَ بِنْتَ أَبِي عُبَيْدٍ اشْتَكَتْ عَيْنَيْهَا وَهِيَ حَادٌّ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بَعْدَ وَفَاتِهِ، فَلَمْ تَكْتَحِلْ حَتَّى كَادَتْ عَيْنَاهَا أَنْ تَرْمَصَا، قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ لا يَنْبَغِي أَنْ تَكْتَحِلَ بِكُحْلِ الزِّينَةِ، وَلا تَدَّهِنَ، وَلا تَتَطَيَّبَ، فَأَمَّا الذُّرُورُ وَنَحْوُهُ فَلا بَأْسَ بِهِ، لأَنَّ هَذَا لَيْسَ بِزِينَةٍ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ وَالْعَامَّةِ مِنْ فُقَهَائِنَا.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৯১
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ইদ্দাত চলাকালে রূপচর্চা করা মাকরূহ।
৫৯১। উম্মুল মুমিনীন হাফসা (রাযিঃ) অথবা আয়েশা (রাযিঃ) অথবা উভয়ের সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেনঃ আল্লাহ এবং আখেরাতের উপর ঈমান আনয়নকারী কোন নারীর পক্ষে কোন মৃতের জন্য তিন দিনের বেশী শোক প্রকাশ করা হালাল নয়। কিন্তু স্বামীর বেলায় এর ব্যতিক্রম আছে।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এ হাদীস অনুযায়ী আমল করি। স্ত্রীর জন্য এটাই উপযুক্ত যে, ইদ্দাত চলাকালে স্বামীর জন্য শোক প্রকাশ করবে এবং ইদ্দাত অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত রূপচর্চার জন্য তৈল ও সুরমা ব্যবহার করবে না। ইমাম আবু হানীফা এবং আমাদের সকল ফিকহবিদের এটাই সাধারণ মত।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এ হাদীস অনুযায়ী আমল করি। স্ত্রীর জন্য এটাই উপযুক্ত যে, ইদ্দাত চলাকালে স্বামীর জন্য শোক প্রকাশ করবে এবং ইদ্দাত অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত রূপচর্চার জন্য তৈল ও সুরমা ব্যবহার করবে না। ইমাম আবু হানীফা এবং আমাদের সকল ফিকহবিদের এটাই সাধারণ মত।
كتاب الطلاق
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، حَدَّثَنَا نَافِعٌ، عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ حَفْصَةَ، أَوْ عَائِشَةَ، أَوْ عَنْهُمَا جَمِيعًا، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لا يَحِلُّ لامْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ أَنْ تُحِدَّ عَلَى مَيِّتٍ فَوْقَ ثَلاثِ لَيَالٍ إِلا عَلَى زَوْجٍ» ، قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ، يَنْبَغِي لِلْمَرْأَةِ أَنْ تُحِدَّ عَلَى زَوْجِهَا حَتَّى تَنْقَضِيَ عِدَّتُهَا، وَلا تَتَطَيَّبُ، وَلا تَدَّهِنُ لِزِينَةٍ، وَلا تَكْتَحِلُ لِزِينَةٍ، حَتَّى تَنْقَضِيَ عِدَّتُهَا، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، وَالْعَامَّةِ مِنْ فُقَهَائِنَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৯২
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মৃত্যুর অথবা তালাকের ইদ্দাত চলাকালে স্বামীর বাড়ির বাইরে স্ত্রীর যাওয়া সম্পর্কে।
৫৯২। ইয়াহ্ইয়া ইবনে সাঈদ (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি কাসিম ইবনে মুহাম্মাদ এবং সুলায়মান ইবনে ইয়াসারকে আলোচনা করতে শুনেছেন যে, ইয়াহ্ইয়া ইবনে সাঈদ ইবনুল আস (নিজ স্ত্রী) আব্দুর রহমান ইবনুল হাকামের কন্যাকে তিন তালাক দিলেন। আব্দুর রহমান তাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে গেলেন। আয়েশা (রাযিঃ) মদীনার গভর্নর মারওয়ানকে বলে পাঠালেন, আল্লাহ্কে ভয় করো এবং মেয়েটিকে তালাকদাতা স্বামীর বাড়ীতে ফেরত পাঠাও। সুলায়মানের বর্ণনায় আছে, মারওয়ান বলে পাঠালেন, আব্দুর রহমানকে প্রতিরোধ করার ক্ষমতা আমার নেই। আসেমের বর্ণনায় আছে, মারওয়ান বললেন, আপনি কি ফাতিমা বিনতে কায়েসের ঘটনা অবহিত নন? আয়েশা (রাযিঃ) বলেন, ফাতিমার হাদীস বর্ণনা না করলে তোমার কোন ক্ষতি ছিলো না। মারওয়ান বলেন, স্বামীর বাড়ী থেকে ফাতিমার চলে যাওয়ার কারণ যদি উভয়ের পরিবারের মধ্যে বিরাজমান ঝগড়া হয়ে থাকে তাহলে সেই একই কারণ এখানেও বিদ্যমান আছে।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই মত গ্রহণ করেছি। স্বামী স্ত্রীকে যে ঘরে তালাক দিয়েছে অথবা যে ঘরে স্বামী মারা গেছে ইদ্দাত চলাকালে সেই ঘর থেকে তার বের হওয়া নিষেধ-তা এক তালাক হোক অথবা একাধিক তালাক। ইমাম আবু হানীফা এবং আমাদের অধিকাংশ ফিক্হবিদের এটাই সাধারণ মত।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এই মত গ্রহণ করেছি। স্বামী স্ত্রীকে যে ঘরে তালাক দিয়েছে অথবা যে ঘরে স্বামী মারা গেছে ইদ্দাত চলাকালে সেই ঘর থেকে তার বের হওয়া নিষেধ-তা এক তালাক হোক অথবা একাধিক তালাক। ইমাম আবু হানীফা এবং আমাদের অধিকাংশ ফিক্হবিদের এটাই সাধারণ মত।
كتاب الطلاق
بَابُ: الْمَرْأَةِ تَنْتَقِلُ مِنْ مَنْزِلِهَا قَبْلَ انْقِضَاءِ عِدَّتِهَا مِنْ مَوْتٍ أَوْ طَلاقٍ
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، وَسُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، " أَنَّهُ سَمِعَهُمَا يَذْكُرَانِ أَنَّ يَحْيَى بْنَ سَعِيدِ بْنِ الْعَاصِ طَلَّقَ بِنْتَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَكَمِ الْبتَّةَ، فَانْتَقَلَهَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، فَأَرْسَلَتْ عَائِشَةُ إِلَى مَرْوَانَ وَهُوَ أَمِيرُ الْمَدِينَةِ: اتَّقِ اللَّهَ وَارْدُدِ الْمَرْأَةَ إِلَى بَيْتِهَا، فَقَالَ مَرْوَانُ فِي حَدِيثِ سُلَيْمَانَ: أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ غَلَبَنِي، وَقَالَ فِي حَدِيثِ الْقَاسِمِ: أَوَمَا بَلَغَكِ شَأْنُ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ؟ قَالَتْ عَائِشَةُ: لا يَضُرُّكَ أَنْ لا تَذْكُرَ حَدِيثَ فَاطِمَةَ، قَالَ مَرْوَانُ، إِنْ كَانَ بِكِ الشَّرُّ فَحَسْبُكِ مَا بَيْنَ هَذَيْنِ مِنَ الشَّرِّ "، قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ، لا يَنْبَغِي لِلْمَرْأَةِ أَنْ تَنْتَقِلَ مِنْ مَنْزِلِهَا الَّذِي طَلَّقَهَا فِيهِ زَوْجُهَا طَلاقًا بَائِنًا، أَوْ غَيْرَهُ، أَوْ مَاتَ عَنْهَا فِيهِ حَتَّى تَنْقَضِيَ عِدَّتُهَا، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ، وَالْعَامَّةِ مِنْ فُقَهَائِنَا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৯৩
- তালাক ও আনুষঙ্গিক অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মৃত্যুর অথবা তালাকের ইদ্দাত চলাকালে স্বামীর বাড়ির বাইরে স্ত্রীর যাওয়া সম্পর্কে।
৫৯৩। নাফে (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। সাঈদ ইবনে যায়েদ ইবনে নুফাইলের কন্যাকে মুগাল্লাযা তালাক দেয়া হলো। তাকে সেই (তালাক দেয়া) ঘর থেকে সরিয়ে নেয়া হলো। ইবনে উমার (রাযিঃ) এটা অপছন্দ করলেন।
كتاب الطلاق
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا نَافِعٌ، أَنَّ «ابْنَةَ سَعِيدِ بْنِ زَيْدِ بْنِ نُفَيْلٍ طُلِّقَتِ الْبَتَّةَ، فَانْتَقَلَتْ، فَأَنْكَرَ ذَلِكَ عَلَيْهَا ابْنُ عُمَرَ»
তাহকীক: