প্রবন্ধ - (রমাদান | যাকাত | সদকাতুল ফিতর | ঈদ)
মোট প্রবন্ধ - ৬০ টি
বছরের অন্যতম ফযীলতপূর্ণ মাস হল রমযান। প্রত্যেক মুসলিমের জীবনে রমযানের গুরুত্ব অপরিসীম। রমযান হল পূণ্
আল্লাহ তাআলার অপার মেহেরবানী, তিনি আমাদেরকে ১৪৪৪ হিজরীর শাবান-রমযানে উপনীত করেছেন আলহামদু লিল্লাহ। আ
হাদীস শরীফে শবে বরাতঃ শবে বরাত সম্পর্কেও আছে চিন্তাগত ও কর্মগত প্রান্তিকতা। সঠিক ও ভারসাম্যপূর্ণ কথা
হামদ ও সালাতের পর!
রমযানের পুরো মাস জুড়ে বিরাজ করে রহমত বরকত এবং ক্ষমার ঘোষণা। তবে এ মাসে রয়েছে বিশেষ এক মহিমান্বিত রজন
মাহে রমযান বছরের বাকি এগার মাস অপেক্ষা অধিক মর্যাদাশীল ও বরকতপূর্ণ মাস। এ মাসের বিশেষত্ব অনেক। ১. এ
মাহে রমাযান আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বান্দার প্রতি এক বিশেষ নিয়ামত। এ মাসে ইবাদতের ময়দানে মাসব্যাপী
بسم الله الرحمن الرحيم نحمد الله تبارك وتعالى، ونصلي على صفوة خلقه سيدنا محمد صلى الله عليه وسلم، ال
رمضان المبارک کے روزے رکھنا اسلام کا تیسرا فرض ہے۔ جو اس کے فرض ہونے کا انکار کرے مسلمان نہیں رہتا ا
ইসলামের বুনিয়াদি ও মৌলিক শিক্ষাগুলোর মধ্যে কালিমা ও নামাযের পরই যাকাতের স্থান। যাকাত ইসলামের তৃতীয় র
কুরবানি করা ওয়াজিব না-কি সুন্নাতে মুয়াক্কাদা এ ব্যাপারে ফকীহগণের মতবিরোধ অনেক আগ থেকেই। ইমাম আবু হান
কুরআনুল কারীম আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কালাম। মহান প্রভুর মহান বার্তা। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন- لَّا
প্রসঙ্গ : রোযা একস্থানে রোযা শুরু করে অন্যস্থানে যাওয়ায় রোযা কম-বেশি হলে ধরে নেওয়া যাক, কোনো ব্যক
আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তাআলা মানবজাতিকে আশরাফুল মাখলুকাত (সৃষ্টির সেরা) করে সৃষ্টি করেছেন এবং আল্লাহ
রমাযানুল মুবারক অত্যাসন্ন। এ মাসটি মুমিনের জন্য পরকালীন ফসল সংগ্রহের এক সুবর্ণ সুযোগ। কোন কাঙ্ক্ষিত
আনন্দ-উৎসব মানুষের স্বভাবজাত একটি চাহিদা। আনন্দ যখন ব্যক্তি ছাড়িয়ে জনগোষ্ঠিকে স্পর্শ করে তখন তা উৎ