প্রবন্ধ
একটি সুন্নাহকে বাঁচাবো বলে (৫৫তম পর্ব) – পরহিত
১০ জুলাই, ২০২৪
৪৫৪৩
০
আমরা বর্তমানে ভীষণ আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছি। পাশের বাসা তো দূরের কথা, ঘরের মানুষের সাথেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হয়ে ওঠে না। বিপদাপদে পাশে দাঁড়ানো তো অলীক কল্পনা, বাধ্য হয়ে পড়লে কোনও রকমে মোবাইলে সামান্য কথা বলেই দায় সারি!
নবীজির আদর্শ বা সুন্নাত কিন্তু এমনটা নয়। তিনি বিপদগ্রস্ত মানুষ দেখলে, সাথে সাথে তার সহযোগিতায় ঝাঁপিয়ে পড়তেন। তিনি বলতেন:
المُسْلِمُ أَخُو المُسْلِمِ، لاَ يَظْلِمُهُ وَلاَ يُسْلِمُهُ، وَمَنْ كَانَ فِي حَاجَةِ أَخِيهِ كَانَ اللهُ فِي حَاجَتِهِ
এক মুসলমান আরেক মুসলমানের ভাই। একে অন্যের প্রতি যুলুম করবে না, বিপদের হাতে ছেড়ে দিবে না। নিজ ভাইয়ের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ালে, আল্লাহও তার পাশে দাঁড়াবেন (বুখারী-মুসলিম)।
অন্যকে সহযোগিতা করতে গেলে তো টাকা লাগে! একদম ভুল কথা! যার কাছে যা আছে, সেটা দিয়েই পাশে দাঁড়ানো যায়। টাকা থাকলে টাকা। পরামর্শের দরকার হলে পরামর্শ। এমনকি চুপচাপ পাশে দাঁড়িয়ে থেকেও সহযোগিতা করা যায়। একটুখানি মিষ্টি কথা দিয়েও সহযোগিতা করা যায়। কাঁধে হাত দিয়ে একটু চাপ দিয়েও সহযোগিতা করা যায়। ইচ্ছা করলে, উপায় একটা না একটা বের হয়েই যায়।
অন্যের পাশে দাঁড়ানোর উপকার বলে শেষ করা যাবে না:
ক: আল্লাহ খুশি। নবীজি খুশি!
খ: বান্দা খুশি।
গ: দুনিয়াতে উপকার।
ঘ: আখেরাতে উপকার।
আমরা কমপক্ষে দু‘আ করেও আমার বিপদগ্রস্ত ভাইয়ের পাশে দাঁড়াতে পারি। বলতে পারি:
ভাই! তোমার এই বিপদে কিছু করতে তো পারছি না, তবে নিয়মিত দু‘আ করছি!
মন্তব্য (...)
এ সম্পর্কিত আরও প্রবন্ধ
নিজের যিন্দেগীতে ফাতেমী সুন্নত যিন্দা করুন
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- أَلَ...
ইস্তিগফারের অফুরন্ত ফযীলত
[প্রদত্ত বয়ান থেকে সংগৃহীত] হামদ ও সালাতের পর... রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের...
অসৎ আলেম ও পীর
সূরা আরাফের শেষ ভাগে আল্লাহ পাক উল্লেখ করিয়াছেন যে, সৃষ্টির আদিতেই সমস্ত মানবজাতিকে তিনি সতর্ক করিয়া...
কুরবানী_কেমন_হওয়া_চাই!
"আব্বাকে কোরবানি করতে দেখেছি। আব্বার সঙ্গে কোরবানির হাটে গিয়েছি বহুবার; প্রথমে অবুঝ আনন্দের আকর্ষণে...
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন