مَا کَانَ لِلۡمُشۡرِکِیۡنَ اَنۡ یَّعۡمُرُوۡا مَسٰجِدَ اللّٰہِ شٰہِدِیۡنَ عَلٰۤی اَنۡفُسِہِمۡ بِالۡکُفۡرِ ؕ اُولٰٓئِکَ حَبِطَتۡ اَعۡمَالُہُمۡ ۚۖ وَفِی النَّارِ ہُمۡ خٰلِدُوۡنَ
তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী
১৬. মক্কার মুশরিকগণ এই বলে গর্ব করত যে, তারা মসজিদুল হারামের তত্ত্বাবধায়ক। তারা এ পবিত্র মসজিদের খেদমত ও দেখাশোনা করে এবং এর নির্মাণকার্যের মত গৌরবময় দায়িত্ব পালন করে। এ হিসেবে তাদের মর্যাদা মুসলিমদের উপরে। এ আয়াত তাদের সে ভ্রান্ত ধারণা রদ করছে। বলা হচ্ছে যে, মসজিদুল হারাম বা অন্য যে-কোনও মসজিদের খেদমত করা নিঃসন্দেহে এক বড় ইবাদত, কিন্তু এর জন্য ঈমান থাকা শর্ত। কেননা মসজিদ নির্মাণের উদ্দেশ্যই হল আল্লাহ তাআলার এমন ইবাদত প্রতিষ্ঠা করা, যাতে আল্লাহ তাআলার সাথে অন্য কাউকে শরীক করা হবে না। এই বুনিয়াদী উদ্দেশ্য যদি অনুপস্থিত থাকে, তবে মসজিদ নির্মাণের সার্থকতা কী? সুতরাং কুফর ও শিরকে লিপ্ত কোনও ব্যক্তি মসজিদের তত্ত্বাবধায়ক হওয়ার উপযুক্ত নয়। সামনে ২৮নং আয়াতে মুশরিকদেরকে এই বিধান জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, এখন থেকে তারা এসব কাজের জন্য মসজিদুল হারামের কাছেও আসতে পারবে না।