আত তাওবাহ্

সূরা নং: ৯, আয়াত নং: ১৬

তাফসীর
اَمۡ حَسِبۡتُمۡ اَنۡ تُتۡرَکُوۡا وَلَمَّا یَعۡلَمِ اللّٰہُ الَّذِیۡنَ جٰہَدُوۡا مِنۡکُمۡ وَلَمۡ یَتَّخِذُوۡا مِنۡ دُوۡنِ اللّٰہِ وَلَا رَسُوۡلِہٖ وَلَا الۡمُؤۡمِنِیۡنَ وَلِیۡجَۃً ؕ  وَاللّٰہُ خَبِیۡرٌۢ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ ٪

উচ্চারণ

আম হাছিবতুম আন তুতরাকূওয়া লাম্মা-ইয়া‘লামিল্লা-হুল্লাযীনা জা-হাদূমিনকুম ওয়া লাম ইয়াত্তাখিযূমিন দূ নিল্লা-হি ওয়ালা-রাছূলিহী ওয়ালাল মু’মিনীনা ওয়ালীজাতাওঁ ওয়াল্লা-হু খাবীরুম বিমা-তা‘মালূন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

তোমরা কি মনে করেছ তোমাদেরকে এমনি ছেড়ে দেওয়া হবে, অথচ আল্লাহ এখনও দেখে নেননি তোমাদের মধ্যে কারা জিহাদ করে এবং আল্লাহ, তাঁর রাসূল এবং মুমিনদের ছাড়া অন্য কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধু বানায় না? ১৫ তোমরা যা-কিছু কর, আল্লাহ তা পরিপূর্ণরূপে জানেন।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১৫. দৃশ্যত এর দ্বারা ইশারা করা হয়েছে সেই সকল ব্যক্তির প্রতি, যারা মক্কা বিজয়ের পর ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং তখনও পর্যন্ত কোনও জিহাদে অংশগ্রহণের সুযোগ হয়নি। অন্যান্য সাহাবীগণ তো মক্কা বিজয়ের আগেও বহু যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এই নও মুসলিমদেরকে বলা হচ্ছে, তোমাদেরও যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত। বারাআঃ বা সম্পর্কচ্ছেদের ঘোষণা দানের পর যদিও বড় কোনও যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি, তথাপি তাদেরকে সর্বান্তকরণে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে এ কারণে যে, পাছে আত্মীয়তার পিছুটানের ফলে সম্পর্কচ্ছেদ ঘটানোর যাবতীয় দাবী ও চাহিদা পূরণে তারা ইতস্ততঃ করে। এজন্যই জিহাদের নির্দেশ দানের সাথে সাথে এ কথাও বলে দেওয়া হয়েছে যে, তারা যেন আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও মুমিনদের ছাড়া অন্য কাউকে এমন অন্তরঙ্গ বন্ধু না বানায়, যার কাছে নিজেদের গোপন কথা প্রকাশ করা যায়।