আত তাওবাহ্

সূরা নং: ৯, আয়াত নং: ১১৭

তাফসীর
لَقَدۡ تَّابَ اللّٰہُ عَلَی النَّبِیِّ وَالۡمُہٰجِرِیۡنَ وَالۡاَنۡصَارِ الَّذِیۡنَ اتَّبَعُوۡہُ فِیۡ سَاعَۃِ الۡعُسۡرَۃِ مِنۡۢ بَعۡدِ مَا کَادَ یَزِیۡغُ قُلُوۡبُ فَرِیۡقٍ مِّنۡہُمۡ ثُمَّ تَابَ عَلَیۡہِمۡ ؕ  اِنَّہٗ بِہِمۡ رَءُوۡفٌ رَّحِیۡمٌ ۙ

উচ্চারণ

লাকাততা-বাল্লা-হু ‘আলান্নাবিইয়ি ওয়াল মুহা-জিরীনা ওয়াল আনসা-রিল্লাযীনাত তাবা‘ঊহু ফী ছা-‘আতিল ‘উছরাতি মিম বা‘দি মা-কা-দা ইয়াঝীগু কুলূবুফারীকিম মিনহুম ছুম্মা তাবা ‘আলাইহিম ইন্নাহূবিহিমি রাঊফুর রাহীম।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

নিশ্চয়ই আল্লাহ সদয় দৃষ্টি দিয়েছেন নবীর প্রতি এবং মুহাজির ও আনসারদের প্রতি, যারা কঠিন মুহূর্তে নবীর সঙ্গে থেকেছিল, ১০০ যখন তাদের একটি দলের অন্তর টলে যাওয়ার উপক্রম করেছিল। অতঃপর আল্লাহ তাদের প্রতি সদয় হলেন। নিশ্চয়ই তিনি তাদের প্রতি মেহেরবান, পরম দয়ালু।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১০০. এতক্ষণ মুনাফিকদের নিন্দা এবং যে সকল মুসলিম অলসতার কারণে যুদ্ধে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থেকেছিল, তাদের প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন সম্পর্কে আলোচনা চলছিল। এবার সেই সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমদের প্রশংসা করা হচ্ছে, যারা চরম কঠিন পরিস্থিতিতেও হাসিমুখে তাবুক অভিযানে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাদের মধ্যেও অধিকাংশ ছিলেন এমন, যাদের অন্তরে জিহাদের জযবা ও হুকুম পালনের আগ্রহ ছিল অদম্য, যে কারণে তারা সেই কঠিন পরিস্থিতিকে একদম আমলে নেননি। অবশ্য তাদের মধ্যে এমন কতিপয়ও ছিলেন, পরিস্থিতির ভয়াবহতার কারণে প্রথম দিকে তাদের অন্তরে কিছুটা দোটানা ভাব দেখা দিয়েছিল, কিন্তু তা স্থায়ী হয়নি। শেষ পর্যন্ত তারাও মন-প্রাণ দিয়ে অভিযানে শরীক হয়ে যান। এই দ্বিতীয় শ্রেণী সম্পর্কেই আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘যখন তাদের একটি দলের অন্তর টলে যাওয়ার উপক্রম করেছিল।’